আপনার জিজ্ঞাসা/প্রশ্ন-উত্তর

সকল মাসায়েল একত্রে দেখুন

৬১৪
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

কিছুদিন আগের ঘটনা। আমাদের কলেজের সহপাঠি দু’জন ছেলে-মেয়ে তাদের পরিবারের অগোচরে ঢাকার এক কাজী অফিসে গিয়ে উভয়ে সম্মতিক্রমে নিকাহনামায় স্বাক্ষর করেছে। সেখানে ছেলের ভগ্নিপতি এবং আরো দু’জন বন্ধুও উপস্থিত ছিল। তারাও সাক্ষী হিসাবে স্বাক্ষর করে। তবে ছেলে-মেয়ে দু’জনের কেউই মুখে ইজাব-কবুল করেনি। ফলে তার এক বন্ধুর নিকট বিষয়টা খটকা লাগে। কেননা সাধারণত আমরা যেসব বিবাহের আকদ দেখে থাকি এতে বর-কণে উভয়েই মৌখিকভাবে ইজাব-কবুল করে। তারপর নিকাহনামায় স্বাক্ষর করে।

তাই হুযুরের কাছে জানতে চাচ্ছি, উপরোল্লেখিত অবস্থায় তাদের বিবাহ কি শরীয়ত মোতাবেক সহীহ হয়েছে? দ্রæত জানিয়ে বাধিত করবেন।

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
৯ অক্টোবর, ২০২০
৩৬৯
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমার এক বন্ধুর বোনকে তার স্বামী একটি বায়েন তালাক দেয়। তালাক দেয়ার কিছুদিন পর তারা উভয়ে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে সম্মত হন। ১৭ দিন পরে আমার বন্ধুর বাবা ঘরোয়াভাবে তাদের বিবাহের আয়োজন করেন। আমাদের গ্রামের ইমাম সাহেবকে ডেকে বিবাহ পড়িয়ে দেন। বিবাহের মজলিসে ইমাম সাহেব আমার বন্ধুর বাবা এবং তার সেই বোন ও বোনজামাই উপস্থিত ছিলেন। ইমাম সাহেব খুতবা দিয়েছেন আর তার বাবা বিবাহ পড়িয়েছেন। এখন আমাদের নিকট দুটি বিষয়ে খটকা লাগছে-

ক. তার বাবা এবং ইমাম সাহেব সাক্ষী হিসেবে যথেষ্ট হবেন কি না?

খ. ইদ্দত শেষ হওয়ার পূর্বে তাদের বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়া ঠিক হয়েছে কি না?

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
৯ অক্টোবর, ২০২০
৩৪২
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

গত শনিবার ধানমণ্ডি তাকওয়া মসজিদে আমার বড় ভাগ্নির বিবাহের আকদ হয়। বাসা থেকে বের হওয়ার সময় আমার ভগ্নিপতি আমার ভাগ্নি থেকে ইযিন নিয়ে যান। এ সময় সেখানে শুধু আমার বোন ছিলেন। আকদের পূর্বে ছেলে পক্ষের কয়েকজন মুরব্বী বলে উঠলেন, বিবাহ সংঘটিত হওয়ার জন্য ইযিন নেয়ার সময়ও সাক্ষীদের উপস্থিত থাকা জরুরি। এরপর ইমাম সাহেব তাদেরকে কি যেন বলেন। তাতে তারা শান্ত হন। এরপর বিবাহ হয়। এছাড়াও এটা জরুরি কি না এ নিয়ে আরো কিছু বিবাহে জটিলতা সৃষ্টি হতে দেখেছি। এখন জানতে চাচ্ছি বিবাহ শুদ্ধ হওয়ার জন্য  ‘ইযিন’ নেয়ার সময়  সাক্ষীদের উপস্থিতি জরুরি কি না?

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
৯ অক্টোবর, ২০২০
৩৩৭
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমাদের গ্রামে একজন দরিদ্র বিধবা মহিলা থাকে। তার এক মেয়ে এক ছেলে। দুপুরে মেয়েটির বিবাহের আকদ সম্পন্ন হয়। কিন্তু সন্ধ্যায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ইন্তিকাল করে। যেহেতু মেয়েটির সাথে লোকটির ঘর-সংসার হয়নি তাই কিছু দিন পর মৃত মেয়ের স্বামীর সঙ্গে বিধবা মহিলাটি বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। আমাদের এলাকায় বিষয়টিকে সবাই বেশ খারাপ মনে করলেও কেউ কেউ তা শিথিলতার দৃষ্টিতে দেখছেন। এলাকায় এ নিয়ে বেশ বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। তাই মুফতী সাহেবের কাছে আমাদের আবেদন হল, এক্ষেত্রে শরীয়তের সঠিক মাসআলাটি জানিয়ে সবাইকে পেরেশানি মুক্ত করবেন।

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
৯ অক্টোবর, ২০২০
১৪১
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমার বড় ভাই কুয়েতে থাকেন। আমার বড় ভগ্নিপতির ভাগ্নির সাথে তার বিবাহ ঠিক হয়। তিনি আমার ভগ্নিপতিকে ওকীল বানিয়ে দেন, যেন তিনি তার বিবাহটা পড়িয়ে দেন। ৫ লক্ষ টাকা দেন মহরের কথা হয়। কিন্তু বিবাহের মজলিসে মেয়ে পক্ষের জোরাজোরিতে আমার ভগ্নিপতি আরো দেড় লক্ষ টাকা বাড়িয়ে দেন। এক্ষেত্রে তিনি আমার ভাইয় থেকে পুনরায় অনুমতি নেননি এবং আমার বাবা সেখানে উপস্থিত ছিলেন, তাকেও কিছু জিজ্ঞেস করেননি। কারণ তিনি জানতেন, আমার বাবা মহর বাড়িয়ে দিতে রাযি হবেন না। আমার ভাই এখনো কুয়েত থেকে আসেননি। আরো দুই মাস পরে আসার কথা। এখন আমার জানার বিষয় হচ্ছে, আমার বড় ভাইয়ের অনুমতি ছাড়া মহর বৃদ্ধি করার কারণে তাদের বিবাহ কি শুদ্ধ হয়েছে? যদি হয় তাহলে অতিরিক্ত ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা পরিশোধ করা কার উপর জরুরি? আমার ভাইয়ের উপর নাকি আমার ভগ্নিপতির উপর?

উল্লেখ্য, ঐ মেয়ের মহরে মিসিল বর্তমান বাজারে ৪ লক্ষ ৫০ হাজার টাকার মতো।

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
৯ অক্টোবর, ২০২০
৪৮৪
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমাদের এলাকার একটি মেয়ে তার পছন্দের একটি ছেলেকে বিবাহ করতে চাচ্ছিল। কিন্তু তার মা-বাবা অন্যত্র বিয়ে ঠিক করেন। বিবাহের দিন তার মতামত জানতে চাইলে মেয়ে হাঁ-না কিছুই না বলে চুপ থাকে। তবে মনে মনে সে নারাজ ছিল। এ অবস্থায় তার আকদ হয়ে যায়। এবং মেয়েটি নারাজ থাকলেও মা-বাবার কথায় স্বামীর বাড়িতে চলে যায়। এবং দু‘মাস তার সাথে সংসার করে। এরপর একদিন হঠাৎ সে পালিয়ে গিয়ে পূর্বোক্ত ছেলেটির সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে তার সাথে ঘর-সংসার শুরু করে। এটা নিয়ে এলাকায় অনেক তোলপাড় চলছে। মেয়েটির দাবি, সে প্রথম বিবাহে রাজি ছিল না। তাই তা সহীহ হয়নি। জানার বিষয় হল, প্রশ্নোক্ত ক্ষেত্রে মেয়েটির কথা কি ঠিক? তার প্রথম বিবাহ সহীহ হয়েছে কি না? এবং সে যে দ্বিতীয় বিবাহ করল এর হুকুম কী?

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
৯ অক্টোবর, ২০২০
৩৭১
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমার এক বন্ধু এক মেয়েকে ফোনে বিয়ে করে। সে মেয়েটিকে ফোনে বলে, আমি তোমাকে এত টাকার মহরে বিবাহ করলাম, তুমি রাজী থাকলে কবুল বল। মেয়েটি তখন কবুল বলে। ফোনে লাউডস্পিকারের মাধ্যমে ছেলের দুজন বন্ধুও মেয়ের কবুল বলা শুনেছিল। ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর ছেলে এবং মেয়ে উভয়ের অভিভাবক তাদেরকে ভিন্ন জায়গায় বিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু তাদের উভয়ে বলে, আমাদের তো বিয়ে হয়ে গেছে। আমরা পরস্পর স্বামী-স্ত্রী। তাই অন্য কোথাও আমরা বিয়ে করব না।

আমার প্রশ্ন হচ্ছে, তাদের বিবাহ কি শুদ্ধ হয়েছে? এক্ষেত্রে শরীয়তের বিধান কী? বর্তমানে তাদের বাবা-মা চাচ্ছেন তারা একে অপরকে তালাক দিয়ে দিক। এটা কি বৈধ হবে? জানিয়ে বাধিত করবেন।

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
৯ অক্টোবর, ২০২০
৩৭৩
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

গত বছর আমার বিয়ে হয়। বিয়ের কিছু দিন পরই স্ত্রীর সাথে মনোমালিন্য হয়। সে বিভিন্ন পর-পুরুষের সাথে ফোনে কথা বলে, তাদের সাথে আড্ডা দেয়। তাকে অনেক বোঝানোর পরও কাজ হয়নি; বরং সে বারবার বলে, আমাকে ছেড়ে দাও। আমাকে তালাক দিয়ে দাও। আমার স্ত্রীরা পারিবারিকভাবে বেশ ধনী। তাই মুরব্বীদের সাথে পরামর্শ করে তাকে খোলা তালাক দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিই। আমার এক চাচা বললেন, তুমি খোলা তালাক বাবদ তিন লাখ টাকা নাও। মুফতী সাহেবের কাছে জানতে চাই, আমি কি আমার স্ত্রী থেকে তালাক বাবদ উক্ত টাকা গ্রহণ করতে পারব?

উল্লেখ্য, আমার বিয়ের মহর ছিল আড়াই লাখ টাকা। বিয়ের সময় স্বর্ণালংকারের মাধ্যমে তা আদায় করে দিয়েছি।

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
৯ অক্টোবর, ২০২০
৩৪১
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমার এক বন্ধু এক মেয়েকে বিয়ে করে। সাত মাসের গর্ভবতী অবস্থায় মেয়েটি পালিয়ে গিয়ে আরেক ছেলের সাথে সংসার শুরু করে। এর এক মাস পর প্রথম স্বামী ঐ মেয়েকে তালাক প্রদান করে। পালিয়ে যাওয়ার তিন মাস পর একটি কন্যা সন্তান জন্মগ্রহণ করে। পরবর্তীতে মেয়েটি কাযী অফিসে গিয়ে ঐ ছেলেটিকে বিয়ে করে নেয়। সন্তানের লালন-পালন ঐ মেয়ে এবং তার দ্বিতীয় স্বামীই করে যাচ্ছে। প্রথম স্বামীকে লালন-পালন করা এমনকি দেখার সুযোগ দিতেও তারা রাজি না। এখন আমি জানতে চাই-

ক. ঐ কন্যা সন্তানের পিতা হিসেবে পরিচয় কে পাবে?

খ. সন্তানটির লালন-পালনের অধিকার কে রাখে?

উল্লেখ্য যে, সন্তানটির নানী জীবিত এবং সন্তানটির লালন-পালনে সে আগ্রহী। আর দ্বিতীয় স্বামী সন্তানটির মাহরাম নয়।

গ. এমন অপারগতাবস্থায় সন্তানের খোঁজ-খবর না নেওয়ার দ্বারা প্রথম স্বামী গুনাহগার হবে কি না?

ঘ. ঐ সন্তানের লালন-পালনের ক্ষেত্রে দ্বিতীয় স্বামীর কোনো অধিকার আছে কি না?

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
৯ অক্টোবর, ২০২০