আপনার জিজ্ঞাসা/প্রশ্ন-উত্তর

সকল মাসায়েল একত্রে দেখুন

২৩৬২৮
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,
আমি একজন প্রাইমারি ক্সুল শিক্ষিকা।আমি আমার স্বামীর প্রয়োজনে বেতনের এগেইনষ্টে ৫০০০০০ টাকা লোন করি।বেতন থেকে সুদ সহ কিস্তি কেটে নেয়। সুদের ভয়াবহতা সমন্ধে আমার জ্ঞানের অভাব ছিল।এখন আমার স্বামী মারা গেছে। আমার অন্য কোন উপায় এই মূহূর্তে পাচ্ছি না যে, টাকা জোগার করে পরিশোধ করে তাড়া
তাড়ি সুদ থেকে বাচবো।মাসে মাসে কর্তন করে পরিশোধ হচ্ছে। এছাড়াও কিছু সুদের লোন আমার স্বামীর করা আছে।সেগুলো আল্লার ইচ্ছায় হালাল উপায়ে কিছুকিছু পরিশোধ করার তৌফিক আল্লাহ দিচ্ছেন।এখন আমি পরামর্শ চাচ্ছি, আমার বেতন থেকে যে সুদ সহ টাকা কেটে নিচ্ছে। এভাবে পরিশোধ হওয়া পর্যন্ত চলমান থাকলে রহমানুর রাহীম কি আমাকে ক্ষমা করবেন না?

আমি কি করবো? যদি আমাকে বুঝিয়ে বলতেন!আমি এজন্য খুব পেরেশানিতে আছি।আল্লাহ আমাদের দুনিয়া ও আখিরাতের পথ সহজ করুণ।
question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মুফতি সাইদুজ্জামান কাসেমি
১৬ অক্টোবর, ২০২২
টাঙ্গাইল
২৩৫০০
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,
মুহতারাম রিযিক ব্যপারটা নিয়ে একটু বিভ্রান্তির মধ্যে আছি। দয়া করে আমাকে একটু বুঝিয়ে দিন।

আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা আমাকে এখন অনেক ভালো রেখেছেন। কোনো কিছুর কমতি রাখেননি তিনি।
এখন কিছু মানুষ বলছেন যে এই আরাম বেশিদিন থাকবে না। সামনে কঠিন দুর্ভিক্ষের দিন আসতেছে তাই এখন থেকে সঞ্চয় করো বেশি বেশি আর কৃষি কাজ, হাস মুরগী পালা শিখো যেনো দুর্ভিক্ষের সময় নিজের টা নিজে করে খেতে পারো।
শহরে থেকে এগুলো করা কঠিন আবার নিজস্ব কোনো জমি জমাও আমার নেই। এগুলো চিন্তা করে মানসিক পেরেশানিতে আছি।

এখন জানতে চাচ্ছি যে,
আল্লাহ আমাকে এখন এতো ভালো রেখেছেন। দুর্ভিক্ষের সময় ও তিনি আমাকে না খাইয়ে রাখবেন না এ চিন্তা করে নিশ্চিন্ত থাকবো নাকি জমি জমা চাষ বাসের কাজ খুজবো? ভবিষ্যতে আমার রিযিক কমে যাবে এই ভয় টি কি শয়তানের তরফ থেকে আসতেছে না? আমার করণীয় কি?
question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মুফতী ইসহাক মাহমুদ
১৪ অক্টোবর, ২০২২
ঢাকা
২১১৭২
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, আসসালামু আলাইকুম।

আলহামদুলিল্লাহ। আমি ইসলাম যেভাবে বলেছে সেভাবে আব্বু আম্মুর সাথে ভালো ব্যবহারের চেষ্টা করি।
কিন্তু অনেক সময় #খুব সামান্য রাগতস্বরে-বিরক্তিস্বরে কথা বলা হয়ে যায়। খুবই অল্প রাগ বা বিরক্তি প্রকাশ পায়। যেটা সাধারন ভাবে বোঝা যায় না বা গেলেও কষ্ট পাওয়ার কথা না(আমার দেখা মতে)। তেমন ই খুব সামান্য জোরে কথা বলা হয়ে যায়। আবার বেশিও না,খুবই অল্প কথায়।এমন ভুল হয়; যেমনঃ "না", "এইটা হচ্ছেনা", "তো", "দেও" ইত্যাদি।

এখন, পিতা মাতার কথায় বিরক্তি প্রকাশ, রাগ বা উচ্চ স্বরে কথা বলা মোটেও যাবে না। #হয়ত তারা কষ্ট না পেলেও আমার গুনাহ হবে।

কিন্তু, সমস্যা হচ্ছে,,উপরে উল্লিখিত অমন সামান্য বিরক্তি,রাগ বা উচ্চসরে কিছু কথা আমি ভুল বশত বলে ফেলেছি। আম্মুর কাছে আলহামদুলিল্লাহ, আমি ক্ষমা চাই। কিন্তু আব্বুর কাছে আমি ক্ষমা চাইতেই পারছিনা, কেমন তীব্র লজ্জাবোধ আমায় ঘিরে ফেলে আবার কেন পারিনা তাও বুঝি না। গত কয়েকদিন ধরে এর জন্য আমার অন্যান্য অনেক ইবাদতে গাফেল হয়ে গেছি। সবসময় অস্থিরতা কাজ করে। যখনই সিদ্ধান্ত নি যে, এবার বলবোই; আব্বুর কাছে গেলেই আবার সব উলটা-পাল্টা হয়ে যায়। আমার পরিবারে দ্বীন চর্চা তো দূরে থাক কেউ নামাজ পড়াই বা আবার কেউ ঠিক মতো না। তো যেইবারই আমি ঠিক করি যে পরিবারে তা'লীম বা নাসীহা করবো, তখন এমন কিছু খারাপ ব্যবহার করে ফেলি ফলে আব্বুর কাছে ক্ষমা চাইতে ওমন হয় এবং আমি ইবাদতে গাফেল হয়ে পড়ি ও ঈমান দুর্বল হয়ে যায়।

তবে আলহামদুলিল্লাহ, আগে আব্বুর কাছে ক্ষমা চেয়েছি। বহুত সংগ্রাম করে। কিন্তু, আগের ক্ষমা চাওয়ার কারন হিসেবে তাদের সাথে যে খারাপ আচরন ছিল তা উপরে উল্লিখিত খারাপ আচরনের তুলনায় অনেক জঘন্য ছিল।

এবং, খুন হতাশায় ভুগতেছি। পারতেছি না আব্বুর কাছে ক্ষমা চাইতে আবার আল্লাহর সাথেও দুরত্ব বাড়ছে। পাশাপাশি, আব্বু-ভাইয়া কে নাসিহাত করার সময় ও খুব অল্প হয়ত হাতে পাব। কারন, আব্বু নতুন ব্যবসা শুরু করছে,। ভাইয়া চাকরীর জন্য অন্য কোথাও যেতে পারে।

সব মিলায়ে, আসলে দোষ অবশ্যই আমার। কিন্তু যেহেতু খুবই সামান্য বিরক্তি-রাগ-উচ্চস্বরে কথা বলেছি। এতে আব্বু হয়ত কষ্ট পায়নি(আমি নিশ্চিত না, তবে ক্যামন যেন এই ই মনে হয়)। #তবে একদিন ❝তো❞ এমন কথা একবার এই খুব সামান্য উচ্চস্বর থেকে একটু বেশি হয়েছিল। আসলে তেমন উচ্চ না স্বাভাবিক ভাবে মানুষ যেমন একটু জোরে বলে তেমন(কাওকে চিল্লায় ডাকা বা রাগ করে কিছু বলার মতো না, ধরুন দুইজন কথা বলতেছি,কেও একটু জোরে "তো?" এমন বললো)।

এখন আমি কি করব? এইটুক কি আল্লাহর কাছে তাওবা করে শুধু আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইলে হবে?

★বিদ্রঃ আমার আশে পাশে কোন আলেম নাই। থাকলেও খোজ পায় নি। তাই আপনাদের কাছে জিজ্ঞাসা।
question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মুফতি সাইদুজ্জামান কাসেমি
৯ আগস্ট, ২০২২
ফুলতলা