আপনার জিজ্ঞাসা/প্রশ্ন-উত্তর

সকল মাসায়েল একত্রে দেখুন

৯৪০
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

 

আমাদের গ্রামে খ্রিস্টান মিশনারীদের একটি গ্রুপ উচ্চমূল্যে জমি ক্রয় করছে। এখানে তারা মিশনারী স্কুল, চার্চ ও অন্যান্য ধর্মীয় কার্যক্রম পরিচালিত করবে।

তারা উচ্চমূল্য দেওয়ার কারণে আমার জমির আশেপাশের জমিগুলো ইতোমধ্যেই কিনে ফেলেছে। আমি প্রথমে তাদের কাছে জমি বিক্রি করব না বলে প্রতিজ্ঞা করেছিলাম। কিন্তু এখন তারা তাদের জমিতে কাঁটাতারের বেড়া দিয়েছে এবং আমার জমিতে যাওয়ার জন্য সরু একটি রাস্তা রেখেছে। এদিকে জানিয়ে দিয়েছে যে, ভবন তৈরির পরিকল্পনা করবে। এতে আমার জমিতে যাওয়া-আসার রাস্তা বন্ধ হলে এবং ফসল ফলানোর ক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্ত হলে তারা দায়ী থাকবে না।

এমতাবস্থায় আমি যদি তাদের কাছে জমি বিক্রি না করি তাহলে ভবিষ্যতে জমিটি কারো কাছে বিক্রিও করতে পারব না। আবার কোন ফায়েদাও উঠাতে পারব না।

সুতরাং জানতে চাচ্ছি, সেখানে চার্চ তৈরি এবং খ্রিস্টধর্ম শিক্ষা দেওয়ার বিষয়টি জানা সত্ত্বেও কি আমি তাদের নিকট জমি বিক্রি করতে পারব? এবং এর অর্থ কি আমার জন্য হালাল হবে?

 

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০
২১ বার পড়া হয়েছে
২৪১৪
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমি ফোনের ব্যবসা করি। আমার এখানে অনেক ছাত্র কাস্টমার আছে। অধিকাংশ ছাত্রের বাড়িতেই যোগাযোগের জন্য আমার মোবাইল নাম্বারটি দেওয়া আছে। বাড়ি থেকে যোগাযোগের জন্য এ নাম্বারেই ফোন করে থাকে। আবার মাস শেষে যখন টাকা পাঠানোর প্রয়োজন হয় তখন তারা এ নাম্বারে রিচার্জ করে টাকা পাঠিয়ে দেয়। এভাবে আমার এই মোবাইল নাম্বারে অনেকেই টাকা পাঠায়। সেই রিচার্জের টাকা থেকে কিছু কেটে রাখি। এখন উক্ত টাকা থেকে কিছু টাকা কেটে রাখা বৈধ হবে কি না? শরয়ী দলিল-প্রমাণের আলোকে সঠিক সমাধান দানে হুজুরের মর্জি কামনা করছি।


question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০
১৬ বার পড়া হয়েছে
৪৭৬
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমার কাকা বিদেশ থাকেন। তিনি টাকা-পয়সা আমার ব্যাংক একাউন্টে পাঠান। তিনি এ টাকা আমার একাউন্টে আমানত হিসাবে রাখেন।  ঐ টাকা আমার একাউন্টে দীর্ঘদিন থেকে যায়। ফলে আমি কাকার অনুমতি নিয়ে ঐ টাকা থেকে দুই লক্ষ টাকা আমার ব্যবসায় খরচ করি। এতে আমার কিছু লাভ হয়। কিন্তু প্রায় দুই মাস আগে আমার ব্যবসায় বিপুল পরিমাণে লস হলে মূলধনেরও অনেক ক্ষতি হয়। যার ফলে অনেকদিন ব্যবসা বন্ধ থাকে।

এখন মুফতী সাহেবের কাছে জানতে চাচ্ছি, আমার কাকা যেহেতু ঐ টাকা  আমার একাউন্টে আমানত হিসাবে রেখেছেন এবং আমি তার অনুমতি নিয়েই তা ব্যবসায় খরচ করেছি। আমাকে কি ঐ টাকা কাকাকে ফিরিয়ে দিতে হবে?  জানিয়ে কৃতজ্ঞ করবেন।

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০
২৩ বার পড়া হয়েছে
৫০৯
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমার এক আত্মীয় কিছুদিন আগে স্থানীয় এক ব্যক্তির কাছে গিয়ে জিজ্ঞাসা করল যে, হুযুর আমি ব্যাংকে ৫ লক্ষ টাকা রেখেছি। এখন তা বেড়ে ৫ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা হয়েছে। আমি এখন এইসব টাকা কীভাবে উঠাতে পারি? উদ্দেশ্য ছিল বৈধ কোনো পথ বলে দেওয়া। উত্তরে সে আলেম তাকে বললেন, আপনি ব্যাংক থেকে ৪ লক্ষ টাকা উঠাবেন। আর বাকি ১ লক্ষ টাকার পরিবর্তে ১ লক্ষ ৮০ হাজার টাকার যে ডলার হয় তা উঠাবেন তাহলে জায়েয হয়ে যাবে। অতপর সে আলেম তার কথার পক্ষে দলিল হিসেবে বললেন, টাকা এবং ডলারের মাঝে কমবেশ করা জায়েয। যেমন সোনা-রূপার মাঝে কমবেশ করা জায়েয।

এখন আমার প্রশ্ন হল, উক্ত আলেমের কথা ঠিক কি না? এবং এভাবে টাকার পরিবর্তে ডলার উঠালে বৈধ হবে কি না?

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০
২২ বার পড়া হয়েছে
২৮১
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

বাংলাদেশ ব্যাংক কলোনি, আর্সিম গেট সংলগ্ন বাজারে আমার একটি মুদি দোকান আছে। ব্যাংকের কর্মকর্তারাই এখানের সাধারণ ক্রেতা। তারা সারা মাস প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি বাকিতে নেয় এবং মাস শেষে বেতন পেয়ে মূল্য পরিশোধ করে। তাদের অন্য কোনো আয় আছে কিনা আমার জানা নেই। শুধু এতটুকু জানি যে, বেতন পাওয়ার পর তারা আমাদের ঋণ আদায় করে। এখন আমার জানার বিষয় হল, তাদের কাছে পণ্য বিক্রি করা এবং মাস শেষে আমাদের ধারণামতে ব্যাংকের বেতন দিয়ে পণ্যের পরিশোধিত মূল্য গ্রহণ করা বৈধ হবে কি? যদি বৈধ না হয় তাহলে কীভাবে তাদের কাছে পণ্য বিক্রি করব? সুন্দর সমাধানে আপনাদের সুমর্জি কামনা করছি।

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০
২২ বার পড়া হয়েছে