তুহুর চলাকালীন ওষুধ গ্রহন করে ব্লিডিং ঘটানো
প্রশ্নঃ ১৬৯৭৯৩. আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, নির্ধারিত সময়ে হায়েজ শেষ হওয়ার ৭ দিন পর ঔষধ খেয়ে হায়েজ হওয়ালে কী তা হয়েজ নাকি ইস্তেহাজা? তখন হুকুম কী হবে?
উত্তর
و علَيْــــــــــــــــــــكُم السلام ورحمة الله وبركاته
بسم الله الرحمن الرحيم
সম্মানিত প্রশ্নকারী!
আগের পিরিয়ড কয় দিন হওয়ার পর বন্ধ হয়েছে? যদি দশদিন হওয়ার পর বন্ধ হয়ে থাকে তাহলে পরবর্তী ব্লিডিং ইস্তেহাজা হিসেবে গণ্য হবে। এমতাবস্থায় নামাজ-রোজা সবই করতে হবে। তবে যদি দশদিনের আগেই বন্ধ হয়ে থাকে তাহলে বন্ধ হওয়ার দিন থেকে নিয়ে পরবর্তী তিন দিন যোগ করে কি দশ দিন পূর্ণ হয়েছে? যদি উত্তর হ্যাঁ হয় তাহলেও নতুন ব্লিডিং ইস্তেহাজা হিসেবে গণ্য হবে। কেননা এখানে মূল বিষয় হলো আগের হায়েজ কতদিন হয়েছে এবং পরবর্তী ব্লিডিং কতদিন পর শুরু হয়েছে এবং নতুন রক্ত কতদিন স্থায়ী হয়েছে তার ওপর। ওষুধ খেয়ে রক্ত আসা না আসা সেটা বিবেচ্য বিষয় নয়।
কাজেই যদি আগের হায়েজ দশ দিন পূর্ণ হওয়ার পর বন্ধ হয় তাহলে নিশ্চিতভাব ওষুধ প্রয়োগের ফলে নির্গত রক্ত ইস্তেহাযা হিসেবেই গণ্য হবে।
ধরা যাক, আগের হায়েজ ৭ দিন ছিল। ৭ দিন পর হায়েজ শেষ হলো। এরপর ৭ দিন সম্পূর্ণ পবিত্র থাকার পর ওষুধ খেয়ে রক্ত দেখা দিল। এই রক্ত হায়েজ নয়, ইস্তেহাজা। কারণ এখনো ১৫ দিনের তুহর পূর্ণ হয়নি। কিন্তু যদি আগের হায়েজ ১-২ দিন হওয়ার পর বন্ধ হয়ে যায় এবং সাত দিন পর ওষুধ খেয়ে আবার শুরু হয় তাহলে শুরুর দিন থেকে দশম দিন পর্যন্ত হায়জ হিসেবে গণ্য হবে।
عن ابی امامة الباھلی قال قال رسول اللہ ۖ لایکون الحیض للجاریة والثیب الذی قد ایئست من الحیض اقل من ثلاثة ایام ولا اکثر من عشرة ایام فاذا رأت الدم فوق عشرة ایام فھی مستحاضة فمازاد علی ایام اقرائھا قضت ودم الحیض اسود خائر تعلوہ حمرة ودم المستحاضة اصفر رقیق (دار قطنی ، نمبر ٨٣٤)
অন্যত্রে এসেছে
( ٢)عن واثلة بن الاسقع قال قال رسول اللہ ۖ اقل الحیض ثلاثة ایام و اکثرہ عشرة ایام ۔(دار قطنی، کتاب الحیض ، ج اول ،ص ٢٢٥ ٨٣٦)
سئل بعض المشائخ عن المرضعة إذا لم تر حیضا فعالجتہ حتی رأت صفرة في أیام الحیض قال: ہو حیض تنقضي بہ العدة (شامي: ۱/۵۰۳، باب الحیض، ط: زکریا دیوبند)
والله اعلم بالصواب
উত্তর দাতা:
মুফতী ও মুহাদ্দিস, জামিয়া ইমাম বুখারী, উত্তরা, ঢাকা।
মন্তব্য (0)
কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!
মন্তব্য করতে লগইন করুন