আপনার জিজ্ঞাসা/মাসায়েল

সকল মাসায়েল একত্রে দেখুন

৭৭০৪
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, আস সালামু ওয়ালাইকুম। আল্লাহর অশেষ রহমেত আমি নামাজের রুকু ও কওমার বেশ কয়েকটি তাসবিহ, সিজদাহ’রও বেশ কয়েকটি তাসবিহ ও দোওয়া অর্থসহ মুখস্থ করেছি।
এখন আমার প্রশ্ন হলঃ
০১। একই রুকু সিজদাহ ও কওমা’তে একাধিক তাসবিহ পড়া যাবে কিনা? নাকি শুধু একটাই পড়তে হবে। একই তাসবিহ কি একাধিক বার পড়া যাবে? পড়া গেলে কত বার পড়া যাবে?
০২। নামাজে দরুদে ও দোওয়া মাছুরা পড়ার পর কোরআন হাদিস থেকে শেখা দোওয়া গুলি পড়া যাবে কি না? পড়া গেলে কতগুলি পড়তে পারবো আর কত সময় নিয়ে পড়তে পারব?
বিশেষ করে আমি তাহাজ্জুদ, সুন্নত ও নফল নামাজগুলি যেন লম্বা ও দীর্ঘ করতে পারি সে জন্য এসব জানতে চেয়েছি।
জাযাকাল্লাহ খাইরান।
question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মুসলিম বাংলা ইফতা বিভাগ
৩১ জুলাই, ২০২১
ঢাকা ১২১৬
৭৬৫৮
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, অজু করার সময় যদি পরিচিত কোনো মানুষ তামাসার সহিত অজুর পানি অন্যর শরীরে ছিটিয়ে দেয় তাতে কি অজুর কোনো ক্ষতি হবে..?

শুনেছি অজু করার সময় নাকি কথা বলা লাগে না কারণ, অজু করার সময় আল্লাহর পক্ষ হতে চার জন ফিরিস্তার মাধ্যমে একটি রহমতের চাদর দিয়ে চারজন চার কোনে ধরে বান্দাকে রহমতের ছায়াতলে আবৃষ্ট করে রাখে যখন বান্দা একটা কথা বলে এক কোনের একজন ফিরিস্তা রহমতের চাদর ছেড়ে চলে যা এই রোকম ভাবে কথা বলতে থাকলে সকলেই চলে যায় ফলে ঐ বান্দা অজুর সময় আল্লাহর রহমত থেকে বন্ঞ্চিত হয় কথাটি কুরান হাদিসের আলোকে কতটুকু সত্যে রেফারেন্স সহ বর্ণনা করবেন...?

হঠাৎ কোনো একদিন অথবা মাঝে মাঝে সামান্য কিছু পরিমাণ পেটের ভিতরের অপদ্রব্য টক ঢেকুর উঠে গলার উপরি ভাগ পর্যন্ত চলে আসে প্রায় মুখের ভিতর আসবে এরোকম ভাব হয় কিন্তু চেপে ধরে রাখার কারনে তা পেটের ভিতর চলে যায় যদি নামাযরত অবস্থায় হয় নামায নষ্ট হবে কি আর নামায ব্যাতিত অজুরত অবস্থায় থাকলে অজু নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা আছে কি কুরআন হাদিসের রেফারেন্স সহ বলবেন...??
question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মুসলিম বাংলা ইফতা বিভাগ
২৯ জুলাই, ২০২১
চৌহালি
৭৬৫০
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, আসসালামু আলাইকুম।
আমি শারীরিক ভাবে কিছুটা আশুস্থ।পিঠে ব্যাথা। ভরী কাজ, ও বেশি কাজ করতে পারি না,হুটহাট করেই ব্যাথা হয় মাঝে মধ্যে,অনেক ডা. দেখিয়ে এখন পর্যন্ত কোনো সমাধান পাইনি। বিয়ে হয়েছে ২ বছর, শ্বশুর বাড়ির মানুষ আমাকে পচন্দ করে না ও মায়ের বাড়ি কেউ নেই আমাকে সাহায্য করার মত ( কাজে কর্মে সাহায্য) আর্থিক অবস্থা নিয়ে ও চিন্তিত, ডা. খরচ / খাবার খরচ /বাসা ভারা দিয়ে টাকা থাকে না,
এ অবস্থায় আমি বাচ্চা নিতে চাই আমার স্বামী চায় না, এই অবস্থায় বাচ্চা না নিলে, অথবা একেবারে বাচ্চা না নিলে কি গুনাহ হবে?
question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মুফতী ইসহাক মাহমুদ
২৯ জুলাই, ২০২১
চট্টগ্রাম