আপনার জিজ্ঞাসা/মাসায়েল

সকল মাসায়েল একত্রে দেখুন

৬২৩০
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, আমি প্রশ্ন করার জন্য নয় জানার জন্য এবং মানার জন্য জানতে ইচ্ছুক যে, কোনে একদিন সময় মতো কোনে ওয়াক্তের নামায পড়তে পাড়লাম না সেটা ফজর হোক কিংবা জোহর, আসর, মাগরীব যেটাই হোক না কেন সময়মত পড়তে না পারলে সে ওয়াক্তের নামায এশার নামায শেষে অথবা বিতরের নামায পড়ার পড়েও কাযা আদায় করতে পারব কিনা....??
উদাহরণঃ ধরেন আমি আজকে ফজরের নামায পড়তে পারলাম না এক্ষেত্রে পরবর্তীতে জোহরের ওয়াক্তে যোহর আসর ওয়াক্তে আসর মাগরীব ও এশার নামায ও পড়ে নিয়ে সেই ছুট যাওয়া ফজরের সালাত কাজা পড়তে পারব কি না...??
কাজা নামায কি সুন্নত ফরজ উভয়টা আদায় করতে হয় না কি.....??
কাজা নামায কি মাসজিদে পড়া যাবেনা..?? কাজা নামায কোথায় পড়া ভাল মসজীদে না কি বাড়িতে...?? উত্ত্বম কোনটা....??
আরেকটা জরুরী প্রশ্ন হলোঃ আপন চাচাতো ভাইয়ের মেয়েকে বিবাহ করা যাবে কি না..?? শরিয়ত কি বলে রেফারেন্স সহকারে জানতে চাই এটা....??
question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মুফতী ইসহাক মাহমুদ
২৩ মে, ২০২১
চৌহালি
৬২২০
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, আগে থেকেই আমি আমার উপার্জিত সমস্ত সম্পদ আমার পিতা-মাতার নিকট গচ্ছিত রাখতাম। কিন্তু আমার বোনের অবস্থা যদিও সচ্ছল তবে আমার মতো ততটা ভালো না হওয়ায় আমি আশঙ্কা করছি যে আমার পিতামাতা আমার উপার্জিত সম্পদের বেশ কিছু অংশ আমার বোনকে দিয়ে দিতে পারে আমার অন‌নুমতিক্রমে।
তাই এরপর থেকে আমি আর আমার কোন সম্পদ আমার পিতা-মাতার হস্তগত করিনি বরং আমার আয়-রোজগার সম্পর্কে তাদের কে কোন স্পষ্ট ধারণা ও দে‌ইনি এবং আমার সঞ্চয় তাদের থেকে গোপন রেখেছি যাতে তারা যেন আমার সম্পদের ওপর কোনো প্রকার কর্তৃত্ব চালাতে না পারে এবং আমার উপর জোর করে আমার সম্পদ ব্যবহার করতে না পারে।
তবে আমি আমার পিতা-মাতার ভরণপোষণ যথাযথভাবে বহন করছি এবং সময় উপযোগী একটি হাত খরচ ও প্রদান করছি। উল্লেখ্য তার আমার সাথেই থাকেন।
কিন্তু আমি শুনেছি যে সন্তানের সম্পদের ওপর পিতা-মাতার কর্তৃত্ব বা জোর চালানো জায়েজ আছে সন্তানের অনুমতি না থাকা সত্ত্বেও।
এখন এই পরিস্থিতিতে আমার এই কাজটি কি ভুল হয়েছে?
দয়া করে যদি জানাতেন!
question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মুফতী ইসহাক মাহমুদ
২৩ মে, ২০২১
নারায়নগঞ্জ
৬১২৭
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, আসসালামু আলাইকুম ।
আমার প্রশ্ন হল যে আমাদের এলাকায় একজন ইমাম সাব আছে উনি যে টাইমে খুতবা দেয় আমি লক্ষ্য করি উনি খুতবা দেওয়ার পূর্বে সকল মুসল্লিকে উদ্দেশ্য করে প্রথমে সালাম দেয় তার পরে খুতবা শুরু করে। এখন এর সমাধান কি ?

আমি একজন বিবাহিত লোক আমি রমজান মাসে আমার স্ত্রীর সাথে সহবাস করে ওই অবস্থায় শেষ রাতের খানা খেয়ে ঘুমিয়ে গেছে এখন সকাল বেলা উঠে গোসল করেছি , এই সময়গুলো বিলম্ব করা এবং বের করে গোসল করা বা ঐ অবস্থায় খানাপারা। এতে কি রোজার কোন সমস্যা হবে ? নাকি একবারে রোজায় হবে না ?


ফেত্রা এবং যাকাতের মধ্যে কোন ধরনের পার্থক্য আছে কি ? যদি থাকে তাহলে বিস্তারিতভাবে একটু বুঝিয়ে দিলে ভালো হতো।


শেষ প্রশ্ন হল যে। আমি একজন মুসলমান এজন্য আমি ফেতরা দিতে চাই এখন আমি দেখতেছি যে ফিতরার পরিমাণ 60 টাকা বা 70 টাকা । এখন আমার মেন প্রশ্ন হল যে আমাদের বাড়িতে সদস্য আমরা চারজন এখন দেখা যাইতেছে যে প্রায় 300 টাকার কাছাকাছি আসছে এখন আমি চাইতেছি যে একটা মানুষকে ধরে নেন 500 টাকা পাঁচশ টাকার একটা দামী ভালো জিনিস দিলাম যা সে আমার কাছে আবদার করেছে । এখন ওই ওই পণ্যটা দাওয়াত দ্বারা আমার কি ফেতরা আদায় হয়ে যাবে কি ? পাশাপাশি একটা কথা বলে রাখি ওই পণ্যটা ভালো জিনিস যেমন ধরেন নামাজের জন্য একটা জায়নামাজ একটা পাঞ্জাবী বা একটা শাড়ি লুঙ্গি ইত্যাদি ইত্যাদি।
question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মুফতী ইসহাক মাহমুদ
১৭ মে, ২০২১
হাকিমপুর