আপনার জিজ্ঞাসা/মাসায়েল

সকল মাসায়েল একত্রে দেখুন

৯২৯
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমাদের এলাকার মসজিদের ইমাম সাহেবের বাম হাতটি অচল। তাই তাকবীরে তাহরীমার সময় তিনি শুধু ডান হাত কান পর্যন্ত ওঠাতে পারেন। বাম হাত ওঠাতে পারেন না। তবে তাকবীরে তাহরীমার পর কিয়ামে স্বাভাবিকভাবেই দুই হাত নাভীর নীচে বাঁধতে পারেন।

কিছু কিছু লোক বলছে, অন্য সুস্থ ইমাম পাওয়া গেলে এই ইমামের পেছনে নামায সহীহ হবে না। সুস্থ ইমাম পাওয়া পর্যন্ত তিনি ইমামতি করতে পারবেন।

মুফতী সাহেবের কাছে বিনীত নিবেদন উক্ত ইমামের পেছনে নামায পড়ার হুকুম কী, তা জানিয়ে বাধিত করবেন। সুস্থ ইমাম পাওয়া যাওয়ার পর তার পেছনে নামায সহীহ হবে কি না? দলিল-প্রমাণসহ জানিয়ে উপকৃত করবেন।

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৯ অক্টোবর, ২০২০
৪৩২
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমাদের টুপির একটি গার্মেন্ট আছে, আর আল্লাহর রহমতে সেখানে চার ওয়াক্ত নামায জামাতের সাথে আদায়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। একজন নির্দিষ্ট ইমামও আছেন। ইমামের অনুপস্থিতে আমিও নামায পড়াই। ঘটনাক্রমে একদিন উভয়ে অনুপস্থিত ছিলাম তখন আমার ফুফাতো ভাই ইমামতি করে, আর ও হল একজন মক্তবের ছাত্র, এখনো বালেগ হয়নি। আর উপস্থিত সকলেই নামায সম্পর্কে এতটাই অজ্ঞ যে, তারা কেউই ইমামতির দায়িত্ব পালনে সম্মত হচ্ছিল না, বিধায় অপারগ হয়ে আমার ফুফাতো ভাই নামায পড়ায়। এখন নামায কি সহীহ হয়েছে? কাযা করা লাগবে কি লাগবে না? জানতে পারলে উপকৃত হব।

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৯ অক্টোবর, ২০২০
৪৪০
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমার দাদা তার জীবদ্দশায় আমাদের বাড়ি সংলগ্ন একটি জমি মসজিদের নামে ওয়াকফ করে যান। এতদিন তা মসজিদের বিভিন্ন কাজে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। ইদানীং আমরা বাড়িতে একটি বিল্ডিং করার উদ্যোগ নিয়েছি। যাতে ঐ জমিটির একাংশের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে। তাই আমরা চাচ্ছি, সমমূল্যের আরেকটি জমি দিয়ে উক্ত জমিটি পরিবর্তন করতে। মসজিদের মুতাওয়াল্লীসহ কমিটির বেশিরভাগ লোক এতে রাজি আছেন। তবে ইমাম সাহেবসহ কমিটির কিছু সদস্য তাতে আপত্তি জানিয়েছেন। জানার বিষয় হল, বিশেষ প্রয়োজনবশত ওয়াকফকারীর উত্তরসূরী হিসাবে আমাদের জন্য মসজিদের জমি পরিবর্তন করার অবকাশ আছে কি না? যদি কমিটির সকল সদস্য সম্মতি দেয় তাহলে কি পরিবর্তন করা যাবে?

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৯ অক্টোবর, ২০২০
১৮৮
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমি কিছুদিন আগে একটি ঘড়ি ক্রয় করি। কেনার পর ত্রুটি ধরা পড়লে আমি ঘড়িটি ফেরত দিতে যাই। তখন বিক্রেতা বলেন- আমি আপনাকে কিছু টাকা ফেরত দিচ্ছি, আপনি ঘড়িটি রেখে দিন। আমি কিছু টাকা ফেরত নিয়ে ঘড়িটি রেখে দিই। পরে ইমাম সাহেবকে বিষয়টি বললে তিনি বলেন- ত্রুটির কারণে কিছু টাকা ফেরত নিয়ে ঘড়িটি রেখে দেওয়া বৈধ হয়নি। আপনি ঘড়ি রাখতে চাইলে বিক্রেতা থেকে কোনো টাকা ফেরত নিতে পারবেন না। অন্যথায় ঘড়িটিই ফেরত দিতে হবে। হুযুরের কাছে জানার বিষয় হল, কিছু টাকা ফেরত নিয়ে ঘড়ি রেখে দেওয়া বৈধ হয়েছে কি না? আর ইমাম সাহেবের কথা ঠিক কি না? মাসআলাটির সমাধান জানালে খুবই উপকৃত হব।

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৯ অক্টোবর, ২০২০