আপনার জিজ্ঞাসা/মাসায়েল

সকল মাসায়েল একত্রে দেখুন

১৮৮৩
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

 

মসজিদের দেয়ালে অনেক সময় নিচের বাক্যগুলো হাদীস হিসেবে লেখা থাকে-

ক) যে ব্যক্তি ফজরের নামায পড়বে না বা ছেড়ে দিবে তার চেহারার উজ্জ্বলতা নষ্ট হয়ে যাবে। 

খ) যে ব্যক্তি যোহরের নামায পড়বে না বা ছেড়ে দিবে তার রুজির বরকত কমে যাবে। 

গ) যে ব্যক্তি আসরের নামায পড়বে না বা ছেড়ে দিবে তার শরীরের শক্তি কমে যাবে।

ঘ) যে ব্যক্তি মাগরিবের নামায পড়বে না বা ছেড়ে দিবে তার সন্তানাদি তার উপকারে আসবে না।

ঙ) যে ব্যক্তি ইশার নামায পড়বে না বা ছেড়ে দিবে তার নিদ্রার পরিতৃপ্তি নষ্ট হয়ে যাবে। (বাবুস সালাত, মেশকাত আলমাসাবীহ)

এ ধরনের উদ্ধৃতিসহ বা উদ্ধৃতি ছাড়াও দেয়ালে লেখা হয়ে থাকে। জানার বিষয় হল, বাক্যগুলো হাদীস কি না? হাদীস হলে এর মান কী? হাদীস না হলে কথাগুলো অন্যকোনোভাবে প্রমাণিত কি না? বা এর অর্থ ও বিষয়বস্তু সঠিক কি না, আর তা বর্ণনাযোগ্য কী না? দয়া করে জানালে কৃতজ্ঞ হব।

 

 

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৯ অক্টোবর, ২০২০
৩৩৫
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমার একটি বদঅভ্যাস আছে। আমি জানি তা বড় গুনাহের কাজ। কিন্তু ইচ্ছা-অনিচ্ছায় তা করে ফেলি। অনেক দিন ধরে চেষ্টা করছি, যেন তা থেকে পুরোপুরি মুক্ত হতে পারি। বিভিন্ন সময়ে অনেক প্রতিজ্ঞাই করেছি। একবার ঐ মন্দ কাজটি করার কারণে রাগে এ বলে প্রতিজ্ঞা করি যে, যদি সামনে কখনো এ কাজ করি তবে আমার উপর আল্লাহর গযব! আল্লাহর লানত!

আমাদের মসজিদের ইমাম সাহেবের সঙ্গে এ কথা নিয়ে আলোচনা করলে তিনি বলেন, এমন কথা বললে তা কসম হয়। তাই তোমাকে এ কাজ থেকে অবশ্যই বিরত থাকতে হবে নতুবা কাফফারা আবশ্যক হবে। কিন্তু আমি কিছুদিন পরই তা করে ফেলি। এখন মুফতী সাহেবের নিকট জানতে চাচ্ছি যে, আসলেই কি এ কাজ করার কারণে আমার উপর কাফফারা ওয়াজিব হয়েছে? সঠিক মাসআলাটি জানালে উপকৃত হতাম।

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৯ অক্টোবর, ২০২০