আপনার জিজ্ঞাসা/মাসায়েল

সকল মাসায়েল একত্রে দেখুন

৩২২
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমি একটি পাঞ্জেগানা মসজিদে নামাযের ইমামতি করি। কিছুদিন আগে একটি ইসলামী গবেষণা প্রতিষ্ঠানের প্রকাশিত সাময়িকীতে দেখলাম ‘সুন্নাহসম্মত নামায’ শিরোনামে একটি প্রবন্ধ লিখেছেন এক নিবন্ধকার। সেখানে বলা হয়েছে, নামাযের শেষে যে সালাম ফেরানো হয় তার একটি সুন্নত হল, সালামের শব্দগুলো ‘মদ’ না করে (দীর্ঘক্ষণ না টেনে) সংক্ষেপে স্বাভাবিকভাবে উচ্চারণ করা। সালাম বিষয়ে এ কথাটি এর আগে কোথাও পড়িনি বা শুনিনি। তাই আপনার কাছে জানতে চাচ্ছি, এ নিবন্ধে যা লেখা হয়েছে তা কি ঠিক? নামাযের শেষে সালামের শব্দ উচ্চারণের সুন্নাহসম্মত তরীকা কি এটাই? জানালে অনেক উপকৃত হব।

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৯ অক্টোবর, ২০২০
১৩৪৬
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আজ থেকে প্রায় পাঁচ বছর আগে আল্লাহ তাআলা আমাকে ইসলাম গ্রহণের তাওফীক দিয়েছেন। স্ত্রী, দুই ছেলে ও এক মেয়ে সবাই আলহামদু লিল্লাহ ইসলাম গ্রহণ করেছে। পরিবারের অন্যান্য সদস্যের ইসলাম গ্রহণের ব্যাপারে চেষ্টা  চালিয়ে যাচ্ছি। কিন্তু আমার বাবা-মা এবং অন্যান্য আত্মীয়, যারা অমুসলিম অবস্থায় মারা গেছে, তাদের জন্য খুবই দুঃখ ও আফসোস হয়। পরকালে তাদের মুক্তির জন্য আল্লাহর কাছে দুআ করতাম। এ ব্যাপারে ইমাম সাহেবের সাথে আলোচনা করলে তিনি বললেন, তাদের জন্য এভাবে দুআ করা জায়েয হবে না। তাই জানার বিষয় হল, আসলেই কি তাদের জন্য দুআ করা জায়েয হবে না?

 


question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৯ অক্টোবর, ২০২০
৩২৩
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমাদের গ্রামের বাজার মসজিদে নামাযের জামাত দাঁড়াতে প্রায়ই পাঁচ-দশ মিনিট দেরি হয়। জামাত নির্ধারিত সময়ে দাঁড়াবার নিশ্চয়তা না থাকায় অনেক মুসল্লীই জামাতের অপেক্ষা না করে একাকী নামায পড়তে দাঁড়িয়ে যায়। যেহেতু দোকানদারি ফেলে আসতে হয় তাই দ্রুত ফেরার তাগাদা থাকে। কিন্তু দেখা যায়, অনেক সময়ই নামাযের বেশ কিছু অংশ; যেমন, এক রাকাত, দুই রাকাত, কখনো বা তিন রাকাত পড়ে ফেলার পর জামাত আরম্ভ হয়ে গেছে। আমার কথাই বলি, কয়েক দিন নিয়ত বেঁধে দাঁড়িয়ে গেলাম। এশার নামায ছিল সেটা। এক রাকাত শেষ করে দ্বিতীয় রাকাতে যখন কেরাত আরম্ভ করেছি তখন জামাত আরম্ভ হয়ে যায়। এ অবস্থায় আমি বুঝতে পারছিলাম না- আমার কী করণীয়। আমি কি নামায ছেড়ে দিয়ে জামাতে অংশগ্রহণ করব, নাকি পুরো নামায একাকী শেষ করে ফেলব- যেমনটা সাধারণত করে থাকে এখানকার অন্য মুসল্লীরা- নাকি দুই রাকাত পূর্ণ করে জামাতে অংশ নেব। অবশেষে চিন্তা করে দ্বিতীয় রাকাত সমাপ্ত করে জামাতে শরীক হয়ে গেলাম। প্রশ্ন হচ্ছে, এ ধরনের ক্ষেত্রে আসলে কী করা উচিত? তাছাড়া আমি যা করেছি তা কি ঠিক হয়েছে? জানিয়ে বাধিত করবেন। বিস্তারিত বললে ভালো হয়।

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৯ অক্টোবর, ২০২০
২৮৬
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমাদের বাজারের মসজিদের সাথে লাগানো একটি পাটের গুদাম ছিল। গুদামের মালিক এই এলাকা থেকে তার ব্যবসা সরিয়ে নেয়ার সময় গুদামটি মসজিদের কল্যাণে ওয়াকফ করে যায়। এরপর মসজিদ কমিটি সেটিকে এক গম ব্যবসায়ীর নিকট গোডাউন হিসেবে ভাড়া দেয়। জুমার দিন মুসল্লি বেশি হওয়া শুরু হলে মসজিদ কমিটি ভাড়াটিয়াকে সরিয়ে গুদামটির দেয়াল ভেঙ্গে মসজিদের সাথে মিলিয়ে দেয়। এক থেকে দেড় বছর সেখানেও নামায হয়। এখন মসজিদের মূল জায়গাতেই তিন তলা ভবন করা হচ্ছে। এমতাবস্থায় মুহতারামের নিকট জানার বিষয় হচ্ছে, এতদিন নামায পড়ার পর এখন ঐ জায়গাটি গুদাম বা দোকান হিসাবে ভাড়া দেওয়া যাবে কি না?

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৯ অক্টোবর, ২০২০
২৮৫
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আজ থেকে ১৫ বছর আগে আমরা আমাদের এলাকার অভ্যন্তরীণ সাধারণ সড়কের পাশে একটি মসজিদ নির্মাণ করি। মসজিদটি নির্মাণকালে আশেপাশে বাড়ি-ঘর, দোকান-পাট কম থাকায় রাস্তা প্রশস্ত ছিল। তাই আমরা রাস্তার জন্য দেড় ফিট জায়গা- যা সরকারী আইন অনুযায়ী খালি রাখার দরকার ছিল- তা খালি না রেখেই নিজেদের পূর্ণ জায়গার উপর মসজিদটি নির্মাণ করি। পরবর্তীতে যারা রাস্তার পাশে বাড়ি-ঘর, দোকান-পাট বানিয়েছে, তারাও রাস্তার জন্য দেড় ফিট জায়গা না ছেড়ে ওগুলো বানিয়েছে। ফলে চলাচলের পথ সংকীর্ণ হয়ে মানুষের যাতায়াতে কষ্ট হচ্ছে। বর্তমানে পৌরসভার পক্ষ থেকে সবার কাছে রাস্তার জন্য জায়গা ছাড়ার নোটিশ এসেছে। মুহতারামের নিকট জিজ্ঞাসা হল, এই অবস্থায় কি মসজিদের সেই অংশ থেকে রাস্তার জন্য  দেড় ফিট জায়গা বের করার অবকাশ আছে, যে অংশটুকু সরকারি আইন অনুযায়ী খালি রাখার দরকার ছিল?

উল্লেখ্য, উক্ত অংশ ভাঙ্গা পড়লে মসজিদের তেমন কোনো সমস্যা হবে না।

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৯ অক্টোবর, ২০২০
২৮৪
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

মুহতারাম, আমাদের মসজিদের সিঁড়ির নিচের জায়গা বেশ বড়। মসজিদ কমিটির এক প্রাক্তন সদস্য উক্ত স্থানটি ভাড়া নিয়ে আতর-টুপির দোকান বানাতে চাচ্ছেন। যেহেতু তিনি অনেকদিন পর্যন্ত মসজিদ কমিটির সদস্য ছিলেন, তাই বর্তমান কমিটির অনেকেই তার এই প্রস্তাব গ্রহণ করেছেন। মুহতারামের নিকট জিজ্ঞাসা হল, মসজিদের উক্ত অংশে কি দোকান বানানো বৈধ হবে?

উল্লেখ্য, মসজিদের সিঁড়িটি মসজিদের বারান্দা হয়ে উপরে উঠেছে। সিঁড়ির নিচে দোকান বানানো হলে বারান্দাটি ব্যবহার হবে। কারণ ক্রেতারা সেখানে দাঁড়ানো ছাড়া কিছু কিনতে পারবে না।

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৯ অক্টোবর, ২০২০