আপনার জিজ্ঞাসা/মাসায়েল

সকল মাসায়েল একত্রে দেখুন

১৮১৮
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমার পেছনের কিছু নামায কাযা ছিল। তা আদায় করে নিয়েছি। বর্তমানে আমি ইচ্ছাকৃতভাবে নামায কাযা করি না। কোনো কারণবশত অনিচ্ছাকৃত কখনো কোনো ওয়াক্ত কাযা হয়ে গেলে পরবর্তী ওয়াক্তেই তা আদায় করে নেই। একদিন সকালে সময়মতো ঘুম থেকে উঠতে না পারায় ফজরের নামায পড়তে পারিনি। যোহরের নামাযের সময় হলে মসজিদে যাই। মসজিদে পৌঁছে দেখি, যোহরের জামাতের কয়েক রাকাত হয়ে গেছে। তখন ফজরের কাযা নামাযের কথা স্মরণ হয়। এখন প্রশ্ন হল, এ অবস্থায় আমার কী করণীয়। এক্ষেত্রে যদি আগে ফজরের নামায পড়ি তাহলে যোহরের জামাত শেষ হয়ে যাবে। তাই আগে ফজরের কাযা পড়ব, নাকি তখন যোহরের জামাতে শরিক হয়ে যাব? জানালে কৃতজ্ঞ হব।


question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৯ অক্টোবর, ২০২০
৫১০
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমার কাকা বিদেশ থাকেন। তিনি টাকা-পয়সা আমার ব্যাংক একাউন্টে পাঠান। তিনি এ টাকা আমার একাউন্টে আমানত হিসাবে রাখেন। ঐ টাকা আমার একাউন্টে দীর্ঘদিন থেকে যায়। ফলে আমি কাকার অনুমতি নিয়ে ঐ টাকা থেকে দুই লক্ষ টাকা আমার ব্যবসায় খরচ করি। এতে আমার কিছু লাভও হয়। কিন্তু প্রায় দুই মাস আগে আমার ব্যবসায় বিপুল পরিমাণে লস হলে মূলধনেরও অনেক ক্ষতি হয়। যার ফলে অনেকদিন ব্যবসা বন্ধ থাকে।

এখন মুফতী সাহেবের কাছে জানতে চাচ্ছি, আমার কাকা যেহেতু ঐ টাকা আমার একাউন্টে আমানত হিসাবে রেখেছেন এবং আমি তার অনুমতি নিয়েই তা ব্যবসায় খরচ করেছি। আমাকে কি ঐ টাকা কাকাকে ফিরিয়ে দিতে হবে? জানিয়ে কৃতজ্ঞ করবেন।

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০
২৪১৪
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমি ফোনের ব্যবসা করি। আমার এখানে অনেক ছাত্র কাস্টমার আছে। অধিকাংশ ছাত্রের বাড়িতেই যোগাযোগের জন্য আমার মোবাইল নাম্বারটি দেওয়া আছে। বাড়ি থেকে যোগাযোগের জন্য এ নাম্বারেই ফোন করে থাকে। আবার মাস শেষে যখন টাকা পাঠানোর প্রয়োজন হয় তখন তারা এ নাম্বারে রিচার্জ করে টাকা পাঠিয়ে দেয়। এভাবে আমার এই মোবাইল নাম্বারে অনেকেই টাকা পাঠায়। সেই রিচার্জের টাকা থেকে কিছু কেটে রাখি। এখন উক্ত টাকা থেকে কিছু টাকা কেটে রাখা বৈধ হবে কি না? শরয়ী দলিল-প্রমাণের আলোকে সঠিক সমাধান দানে হুজুরের মর্জি কামনা করছি।


question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০
৯০৪
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমি বর্তমানে এক বাসায় টিউশনি করি। বেতন সামান্য হওয়ায় আমার খরচ চালাতে কষ্ট হয়। আগামী মাস থেকে নতুন একটা টিউশনির প্রস্তাব পেয়েছি। যে ছেলে দুটিকে পড়াতে হবে তাদের বাবা একটি সুদি ব্যাংকের ব্রাঞ্চ ম্যানেজার। আমার জানামতে এ চাকুরী ছাড়া তার অন্য কোনো আয় নেই।

আমাদের মসজিদের ইমাম সাহেবকে বিষয়টি জানালে তিনি বললেন, এ টিউশনি করা জায়েয হবে না। বিষয়টি নিয়ে আমি খুব টেনশনে আছি।

হুজুরের কাছে জানতে চাই, আমি যদি সেখানে টিউশনি করে শুধু টিউশন ফি গ্রহণ করি; বোনাস গিফ্ট ইত্যাদি গ্রহণ না করি তাহলেও কি আমার জন্য এই টিউশনি করা জায়েয হবে না?

উত্তরটি দ্রুত জানালে ভালো হয়। আল্লাহ তাআলা আপনাদেরকে উত্তম বিনিময় দান করুন।

 

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০
৫৪৩
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমি একটি জেনারেল (সুদী) ব্যাংকে প্রায় ৯ বছর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা হিসাবে কাজ করেছি এবং এ সময়ে প্রাপ্ত বেতন-বোনাস দিয়ে গাড়ি-বাড়ি করেছি। পরবর্তীতে একসময় ‘সুদী ব্যাংকে চাকরি করা বৈধ নয়’ এ মাসআলা জানার পর সুদী কারবারের সাথে জড়িত থাকার কারণে নিজের মাঝে অনুশোচনা জাগে। ফলে ব্যাংকের চাকরি ছেড়ে দিয়ে এখন অন্য একটি চাকরিতে যোগদান করেছি।

এখন মুফতী সাহেবের কাছে জানতে চাচ্ছি, আগের চাকরির বেতন-বোনাস দিয়ে যে গাড়ি-বাড়ি করেছি তা আমার জন্য বৈধ কি না? যদি বৈধ না হয়ে থাকে তাহলে আমার এখন করণীয় কী? দয়া করে বিস্তারিত জানিয়ে কৃতজ্ঞ করবেন।

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০
৩৬৫
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমার জানার বিষয় হল যে, আমার আলআরাফাহ ইসলামী ব্যাংক ও এনআরসি ব্যাংকে সেভিং একাউন্টে কিছু টাকা জমা আছে। এই টাকা দিয়ে বসুন্ধরা গ্রæপ, সিটি গ্রæপ, মেঘনা গ্রæপ, টি কে গ্রæপসহ অন্যান্য কোম্পানির নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যসামগ্রী যেমন, আটা, ময়দা, চিনি, তৈল, ডালডা, ভুসি ইত্যাদি পণ্য দাম যখন কম থাকে তখন পণ্যগুলো কোম্পানি থেকে ক্রয় করা হয়। পণ্যের মূল্য তাদের ব্যাংক একাউন্টে নগদ জমা করা হয়। তারা পণ্য প্রদানের একটি তারিখ দিয়ে শুধু পণ্যের ¯িøপ দিয়ে দেয়। এই ¯িøপটিকে ব্যবসার ভাষায় ডিও বলা হয়। ডিও কিনে তাতে উল্লেখিত পণ্যসামগ্রী সংশ্লিষ্ট কোম্পানির গোডাউনে মজুদ রাখা হয়। কোনো পণ্যসামগ্রী আমি স্ব-চোখে দেখিও না এবং আমার গোডাউনেও আনি না, কেবলমাত্র কোম্পানীর দায়িত্বশীল প্রতিনিধির সাথে সরাসরি বা মোবাইলে কথা বলে পণ্যসামগ্রী কিনে সংশ্লিষ্ট কোম্পানির ব্যাংক একাউন্টে টাকা পাঠিয়ে দিলে কোম্পানি আমাকে ঐ ডিও লেটার দিয়ে দেয়, পরবর্তীতে উল্লেখিত পণ্যসামগ্রীর দাম বৃদ্ধি হলে, উক্ত ডিও লেটার কাগজটি অন্য আরেকজন ব্যবসায়ীর কাছে কিছু লাভ করে বিক্রি করে দেওয়া হয়। এই ধরনের ব্যবসা করা জায়েয কি না? এই ব্যবসা করা যাবে কি না? জানালে খুবই উপকৃত হব।

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০
২৮১
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

বাংলাদেশ ব্যাংক কলোনি, আর্সিম গেট সংলগ্ন বাজারে আমার একটি মুদি দোকান আছে। ব্যাংকের কর্মকর্তারাই এখানের সাধারণ ক্রেতা। তারা সারা মাস প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি বাকিতে নেয় এবং মাস শেষে বেতন পেয়ে মূল্য পরিশোধ করে। তাদের অন্য কোনো আয় আছে কিনা আমার জানা নেই। শুধু এতটুকু জানি যে, বেতন পাওয়ার পর তারা আমাদের ঋণ আদায় করে। এখন আমার জানার বিষয় হল, তাদের কাছে পণ্য বিক্রি করা এবং মাস শেষে আমাদের ধারণামতে ব্যাংকের বেতন দিয়ে পণ্যের পরিশোধিত মূল্য গ্রহণ করা বৈধ হবে কি? যদি বৈধ না হয় তাহলে কীভাবে তাদের কাছে পণ্য বিক্রি করব? সুন্দর সমাধানে আপনাদের সুমর্জি কামনা করছি।

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০
১৩৮
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমি বিকাশের একজন এজেন্ট। অনেকেই মোবাইল ব্যাংকিংয়ের বিভিন্ন সেবা গ্রহণ করতে আমার দোকানে আসে। কেউ ক্যাশ আউট করতে আসলে বিকাশ এজেন্টগণ সাধারণত প্রতি হাজারে খরচ বাবদ ২০ টাকা রাখে। অথচ কোম্পানীর পক্ষ থেকে নির্ধারিত চার্জ হল ১৮.৫০। এখানে এজেন্টগণ ১.৫০ অতিরিক্ত লাভ গ্রহণ করে। আবার কারো ক্যাশ আউটের পরিমাণ বেশি হলে তাকে সেন্ড মানি করতে বলা হয়। এখানেও খরচ হিসেবে প্রতি হাজারে ২০ টাকা করে রাখে। অথচ কোম্পানীর পক্ষ থেকে সেন্ড মানির জন্য নির্ধারিত চার্জ হল পাঁচ টাকা। এক্ষেত্রে ২০ টাকা পুরোটাই অতিরিক্ত গ্রহণ করে থাকে। আর বলে- আমাদের তো টাকা ওঠাতে এত টাকা খরচ হবে। তাই আপনার থেকে রাখলাম। এক্ষেত্রে অনেকেই পরবর্তীতে ক্যাশ আউট না করে অন্যভাবে উক্ত টাকা ব্যবহার করে থাকে। অতএব হুযুরের কাছে উক্ত কারবারদুটির শরয়ী বিধান জানতে চাচ্ছি।

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০