কিছু আমল আছে, রাব্বে কারীম খুউব পছন্দ করেন। আম্বিয়ায়ে কেরাম পছন্দ করেন। আল্লাহর প্রিয় বান্দাগন পছন্দ
বর্তমানে চারপাশে পূণ্যের চেয়ে পাপের উপকরণ বেশি। ইচ্ছায় অনিচ্ছায় গুনাহ হয়েই যায়। গুনাহ থেকে বেঁচে থাক
জীবন ও জীবিকার প্রয়োজনে আমরা এখানে সেখানে যাই। যানবাহনে চড়ি। কাছের গন্তব্যে যাই। দূরে কোথাও যাই। সাই
সারাদিনে কত কিছুই খাই। পান করি। তারপরও শরীরে শক্তি পাই না। শরীর দুর্বল দুর্বল লাগে। কাজেকর্মে উৎসাাহ
বর্তমানে মানুষ মনের শান্তির জন্যে কত কিছু করে। ধ্যান করে। মেডিটেশন করে। যোগসাধনা করে। নিজের নিরাপত্ত
চারপাশে প্রিয় মানুষের উপস্থিতি থাকলে, নিশ্চিন্তে কাজ করা যায়। ঘরে-বাইরে সব জায়গায় পরিবেশটা অনুকূল হল
যাহ, কেউ এত টাকা সাদাকা করতে পারে? কেন পারবে না? হিম্মত থাকলে ‘ট্রিলিয়ন’ ফ্রিলিয়ন কিছুই না। আর সত্যি
সমাজে ভালোবাসা ও সম্প্রীতি ছড়িয়ে দেয়ার সহজতম পন্থা কী? এক কথায় সালামের প্রসার ঘটানো। নবীসি সা. বলেছে
এক: কিছু পেতে সবারই ভাল লাগে। আবার কিছু দিতেও ভাল লাগে। এই দেয়া-নেয়ার পালাটাকেই যদি সুন্নাতের মোড়কে
এক: অল্প কয়েক শব্দ। অথচ কী শক্তি শব্দগুলোর! জান্নাতের আটটা দরজাই খুলে দিবে। এবার যে দরজা দিয়ে ইচ্ছা,
এক: খাবারের শুরুতে বিসমিল্লাহ পড়া সুন্নাত। আমর বিন আবু সালামাহ বলেছেন: -আমি নবিজীর কোলে মানুষ হয়েছি।
এক: কী অবাক করা ব্যাপার! মনের আনন্দে হাসব, তাতেও সওয়াব হবে? হয়তো বা এই একটু হাসি দিয়েই জান্নাতে চলে
এক: নবিজীর (সা.) সবচেয়ে চমৎকার আর মজার সুন্নাত কোনটা? -আমি বলবো, ইলম তলব করার সুন্নাতটা। আমরা যখন কি
এক: আযান দেয়া অনেক বড় ফযীলতপূর্ণ সুন্নাত। এটা শুধু মুয়াযযিনদের ওপরই সুন্নাত নয়, সবার জন্যেই এই সুন্ন
এক: অবদুল্লাহ বিন উমার (রা.) বর্ণনা করেছেন: -এক লোক নবিজীকে (সা.) প্রশ্ন করেছে: -কোন ইসলাম উত্তম? -ত
এক: তাহলীল মানে হলো, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ পড়া। দুই: আবু হুরাইরা (রা.) বর্ণনা করেন: -যে ব্যক্তি দিনে এ
﷽ এক: আমরা পুরো মুসলিম উম্মাহ সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। এমনটা যে হবে, নবিজী (সা.) তার জীবদ্দশাতেই ভবি
অন্য সময়ের ইবাদতে আমরা আল্লাহ তাআলাকে পাওয়ার চেষ্টা করি, আর রাতের শেষ প্রহরে স্বয়ং আল্লাহ বান্দাক
জিলহজ্জের প্রথম দশদিন ইবাদতের মহান মৌসুম। আল্লাহ তাআলা বছরের অন্যসব দিনের উপর এ দিনগুলোকে মর্যাদা দি
اَلْحَمْدُ