হযরত আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু কোনো নবী বা রাসুল ছিলেন না; তিনি ছিলেন নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসা
পবিত্র কুরআন হলো মহান আল্লাহর বাণী এবং সুনির্দিষ্ট করে কোট করা বাণীগুলোই কুরআন। যা আমাদের হাতে সংরক্
আমাদের হাতে থাকা পবিত্র কুরআন আল্লাহর নাযিলকৃত কিতাব। লওহে মাহফুজ থেকে নবুওয়াতের ২৩ বছরে পর্যায়ক্রমে
মাখলুকের দৃষ্টি সীমিত। এজন্য সীমাহীন কুদরতসম্মত আল্লাহকে সীমিত চক্ষু দিয়ে ধারণ করা কখনও সম্ভব নয়। বা
আল্লাহ তাআলা এক ও অদ্বিতীয় সত্তা, যাঁর কোনো অংশীদার নেই। না তাঁর সঙ্গে, না তাঁর সিফাতে—কারো শরীক হতে
আদম আলাইহিস সালাম আল্লাহ তাআলার এক স্পেশাল সৃষ্টি। তবে তিনি খালেক নন, বরং একজন মাখলুক এবং আল্লাহ তাআ
আল্লাহ মহান। আমাদের চিন্তা, উপলব্ধি ও গবেষণার সীমার বাইরে তাঁর শান। আমরা ঠিক জানতে পারি না, তিনি কেম
হিন্দু ধর্মে একটি সাধনার কথা বলা হয়েছে— ‘আত্মানং বিদ্ধি’, অর্থাৎ নিজেকে চেনো। এই আত্মপরিচয়ের অনুসন্ধ
ইসলামী আকিদা সূর্যের আলোর মতোই স্পষ্ট—এতে কোনো গোঁজামিল নেই, নেই কোনো অস্পষ্টতা। পবিত্র ইসলাম ধর্মে
নাস্তিকরা অদৃশ্য আল্লাহ—অর্থাৎ যাঁকে চোখে দেখা যায় না—তাঁর প্রতি বিশ্বাসকে মূর্খতা বলে মনে করে। তাদে
যার ওপর যাকাত ওয়াজীব, সে যদি যাকাত আদায় না করে, তাহলে ইসলামী বর্ণনানুযায়ী সে জান্নাতে যাবে না। হেযবু
যাকাতের গুরুত্ব সম্পর্কে কুরআন ও হাদিসে প্রচুর পরিমান আলোচনা এসেছে। ইসলামী কিতাবেও হাজার হাজার পৃষ্ঠ