আত্-তারগীব ওয়াত্-তারহীব- ইমাম মুনযিরী রহঃ
الترغيب والترهيب للمنذري
২২. অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার - এর পরিচ্ছেদসমূহ
মোট হাদীস ৭৫৪ টি
হাদীস নং: ৪২১২
অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
পরিচ্ছেদঃ সম্পর্কোচ্ছেদ, ঘৃণা-বিদ্বেষ এবং পৃষ্ঠপ্রদর্শনের প্রতি ভীতি প্রদর্শন
৪২১২. মুসলিম (র)-এর অন্য বর্ণনায় আছে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: প্রত্যেক সোমবার ও বৃহস্পতিবার জান্নাতের দরজাসমূহ খুলে দেওয়া হয়। কেবলমাত্র মুশরিক ব্যতীত আল্লাহ সকল বান্দাকে ক্ষমা করেন, তবে যে ব্যক্তি তার অপর ভাইয়ের প্রতি ঘৃণাপোষণ করে, সে ব্যতীত। এরপর বলা হয়। তোমরা তাদেরকে অবকাশ দাও, যতক্ষণে তারা পরস্পরে সংশোধিত না হয়।
كتاب الأدب
التَّرْهِيب من التهاجر والتشاحن والتدابر
4212- وَفِي رِوَايَة لمُسلم أَن رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم قَالَ تفتح أَبْوَاب الْجنَّة يَوْم الِاثْنَيْنِ وَالْخَمِيس فَيغْفر لكل عبد لَا يُشْرك بِاللَّه شَيْئا إِلَّا رجل كَانَ بَينه وَبَين أَخِيه شَحْنَاء فَيُقَال
أنظروا هذَيْن حَتَّى يصطلحا أنظروا هذَيْن حَتَّى يصطلحا أنظروا هذَيْن حَتَّى يصطلحا
أنظروا هذَيْن حَتَّى يصطلحا أنظروا هذَيْن حَتَّى يصطلحا أنظروا هذَيْن حَتَّى يصطلحا
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪২১৩
অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
পরিচ্ছেদঃ সম্পর্কোচ্ছেদ, ঘৃণা-বিদ্বেষ এবং পৃষ্ঠপ্রদর্শনের প্রতি ভীতি প্রদর্শন
৪২১৩. তাবারানী নিজ শব্দে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: প্রত্যেক সোমবার ও বৃহস্পতিবার পৃথিবীবাসীর আমলের দফতর আসমান বাসীদের দ্বারা লেখা হয়। তখন একমাত্র মুশরিক ব্যতীত আল্লাহ সকল মুসলমানকে ক্ষমা করেন। তবে ঐ ব্যক্তি ব্যতীত, যে তার ভাইয়ের প্রতি ঘৃণা পোষণ করে।
আবূ দাউদ (র) বলেন: আল্লাহর উদ্দেশ্যে যদি কেউ সম্পর্ক ছিন্ন করে, তাতে কোন গুনাহ নেই। কেননা, নবী (ﷺ) নিজ স্ত্রীদের কোন এক জনের সাথে (আল্লাহর উদ্দেশ্যে) চল্লিশ দিন যাবত সম্পর্ক ছিন্ন রেখেছিলেন। অনুরূপ ইবন উমার (রা) ও মৃত্যু পর্যন্ত তাঁর এক পুত্রের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন রেখেছিলেন, এভাবে হাদীসের শেষ পর্যন্ত বর্ণিত হয়েছে।
আবূ দাউদ (র) বলেন: আল্লাহর উদ্দেশ্যে যদি কেউ সম্পর্ক ছিন্ন করে, তাতে কোন গুনাহ নেই। কেননা, নবী (ﷺ) নিজ স্ত্রীদের কোন এক জনের সাথে (আল্লাহর উদ্দেশ্যে) চল্লিশ দিন যাবত সম্পর্ক ছিন্ন রেখেছিলেন। অনুরূপ ইবন উমার (রা) ও মৃত্যু পর্যন্ত তাঁর এক পুত্রের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন রেখেছিলেন, এভাবে হাদীসের শেষ পর্যন্ত বর্ণিত হয়েছে।
كتاب الأدب
التَّرْهِيب من التهاجر والتشاحن والتدابر
4213 - وَرَوَاهُ الطَّبَرَانِيّ وَلَفظه قَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم تنسخ دواوين أهل الأَرْض فِي دواوين أهل السَّمَاء فِي كل اثْنَيْنِ وخميس فَيغْفر لكل مُسلم لَا يُشْرك بِاللَّه شَيْئا إِلَّا رجل بَينه وَبَين أَخِيه شَحْنَاء
قَالَ أَبُو دَاوُد إِذا كَانَت الْهِجْرَة لله فَلَيْسَ من هَذَا بِشَيْء فَإِن النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم هجر بعض نِسَائِهِ أَرْبَعِينَ يَوْمًا وَابْن عمر هجر ابْنا لَهُ إِلَى أَن مَاتَ
انْتهى
حنه
قَالَ أَبُو دَاوُد إِذا كَانَت الْهِجْرَة لله فَلَيْسَ من هَذَا بِشَيْء فَإِن النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم هجر بعض نِسَائِهِ أَرْبَعِينَ يَوْمًا وَابْن عمر هجر ابْنا لَهُ إِلَى أَن مَاتَ
انْتهى
حنه
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪২১৪
অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
পরিচ্ছেদঃ সম্পর্কোচ্ছেদ, ঘৃণা-বিদ্বেষ এবং পৃষ্ঠপ্রদর্শনের প্রতি ভীতি প্রদর্শন
৪২১৪. হযরত জাবির (রা) থেকে বর্ণিত। রাসুলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন। প্রত্যেক সোমবার ও বৃহস্পতিবার (আল্লাহর কাছে) মানুষের আমল পেশ করা হয়। এরপর যে ব্যক্তি ক্ষমা প্রার্থনা করে, তাকে ক্ষমা করা হয়, আর যে ব্যক্তি তাওবা করে, তার তাওবা কবুল করা হয়। তবে হিংসুকের দু'আ তাওবা না করা পর্যন্ত কবুল করা হয় না।
(তাবারানীর আওসাত গ্রন্থে বর্ণিত। তাঁর বর্ণনাকারীগণ বিশ্বস্ত।)
(তাবারানীর আওসাত গ্রন্থে বর্ণিত। তাঁর বর্ণনাকারীগণ বিশ্বস্ত।)
كتاب الأدب
التَّرْهِيب من التهاجر والتشاحن والتدابر
4214- وَعَن جَابر رَضِي الله عَنهُ أَن رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم قَالَ تعرض الْأَعْمَال يَوْم الِاثْنَيْنِ وَالْخَمِيس فَمن مُسْتَغْفِر فَيغْفر لَهُ وَمن تائب فيتاب عَلَيْهِ وَيرد أهل الضغائن بضغائنهم حَتَّى يتوبوا
رَوَاهُ الطَّبَرَانِيّ فِي الْأَوْسَط وَرُوَاته ثِقَات
الضغائن بالضاد والغين المعجمتين هِيَ الأحقاد
رَوَاهُ الطَّبَرَانِيّ فِي الْأَوْسَط وَرُوَاته ثِقَات
الضغائن بالضاد والغين المعجمتين هِيَ الأحقاد
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪২১৫
অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
পরিচ্ছেদঃ সম্পর্কোচ্ছেদ, ঘৃণা-বিদ্বেষ এবং পৃষ্ঠপ্রদর্শনের প্রতি ভীতি প্রদর্শন
৪২১৫. হযরত মু'আয ইব্ন জাবাল (রা) সূত্রে নবী (ﷺ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেন: ১৫ শাবান রাতে আল্লাহ্ সকল সৃষ্টি জগতের প্রতি উকি মেরে তাকান। তখন তিনি মুশরিক ও হিংসুক ব্যতীত সকলকে ক্ষমা করেন।
(তাবারানীর আওসাত গ্রন্থ, ইবন হিব্বানের সহীহ গ্রন্থ, বায়হাকী, ইবন মাজা নিজ শব্দে আবু মুসা আশ'আরী (রা) হতে ও বাযযার এবং বায়হাকী আবু বকর সিদ্দীক (রা) হতে অনুরূপ ত্রুটিমুক্ত সনদে উক্ত হাদীসটি বর্ণনা করেন।)
(তাবারানীর আওসাত গ্রন্থ, ইবন হিব্বানের সহীহ গ্রন্থ, বায়হাকী, ইবন মাজা নিজ শব্দে আবু মুসা আশ'আরী (রা) হতে ও বাযযার এবং বায়হাকী আবু বকর সিদ্দীক (রা) হতে অনুরূপ ত্রুটিমুক্ত সনদে উক্ত হাদীসটি বর্ণনা করেন।)
كتاب الأدب
التَّرْهِيب من التهاجر والتشاحن والتدابر
4215- وَعَن معَاذ بن جبل رَضِي الله عَنهُ عَن النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم قَالَ يطلع الله إِلَى جَمِيع خلقه لَيْلَة النّصْف من شعْبَان فَيغْفر لجَمِيع خلقه إِلَّا لِمُشْرِكٍ أَو مُشَاحِن
رَوَاهُ الطَّبَرَانِيّ فِي الْأَوْسَط وَابْن حبَان فِي صَحِيحه وَالْبَيْهَقِيّ وَرَوَاهُ ابْن مَاجَه بِلَفْظِهِ من حَدِيث أبي مُوسَى الْأَشْعَرِيّ وَالْبَزَّار وَالْبَيْهَقِيّ من حَدِيث أبي بكر الصّديق رَضِي الله عَنهُ بِنَحْوِهِ بِإِسْنَاد لَا بَأْس بِهِ
رَوَاهُ الطَّبَرَانِيّ فِي الْأَوْسَط وَابْن حبَان فِي صَحِيحه وَالْبَيْهَقِيّ وَرَوَاهُ ابْن مَاجَه بِلَفْظِهِ من حَدِيث أبي مُوسَى الْأَشْعَرِيّ وَالْبَزَّار وَالْبَيْهَقِيّ من حَدِيث أبي بكر الصّديق رَضِي الله عَنهُ بِنَحْوِهِ بِإِسْنَاد لَا بَأْس بِهِ
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪২১৬
অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
পরিচ্ছেদঃ সম্পর্কোচ্ছেদ, ঘৃণা-বিদ্বেষ এবং পৃষ্ঠপ্রদর্শনের প্রতি ভীতি প্রদর্শন
৪২১৬. হযরত আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমার নিকট আসেন এবং তার পরিধেয় দু'টি কাপড় খুলতে উদ্যত হন। কিন্তু তিনি তা শেষ না করেই আবার তা পরিধান করেন। এ অবস্থা দেখে আমার অভিমান হলো এবং আমি ধারণা করলাম যে, হয়তো তিনি আমার কোন সতীনের নিকট যাবেন। তিনি বেরিয়ে গেলে আমি তাঁর পশ্চাদ্ধাবণ করলাম। (চলতে চলতে) আমি তাঁকে জান্নাতুল বাকীতে মু'মিন নর-নারী ও শহীদের উদ্দেশ্যে ক্ষমা প্রার্থনারত পেলাম। তখন আমি মনে মনে বললামঃ আপনার প্রতি আমার পিতামাতা উৎসর্গ হোন, আপনি বের হলেন আপনার রবের উদ্দেশ্যে, আর আমি বের হলাম দুনিয়ার উদ্দেশ্যে। আমি তৎক্ষণাৎ ফিরে এসে আমার হুজরায় প্রবেশ করলাম। ঐ সময় আমি দীর্ঘ শ্বাস নিচ্ছিলাম। এমতাবস্থায় তিনি আমার কাছে উপস্থিত হন। তিনি বলেনঃ হে আয়েশা! দীর্ঘ শ্বাসের কারণ কি? আমি বললাম: আপনার জন্য আমার পিতামাতা উৎসর্গ হোন, আপনি আমার কাছে এলেন এবং পরিধেয় বস্তু দু'টি খুললেন, আবার খোলা শেষ না করে দাঁড়িয়েই তা পরে নিলেন। এতে আমার প্রচণ্ড অভিমান হলো। আমি মনে করলাম। হয়তো আপনি আমার কোন সতীনের নিকট গমন করবেন, (তা ভেবে) আমি আপনার পশ্চাদ্ধাবণ করলাম, এমন কি জান্নাতুল বাকীতে পৌঁছলাম এবং আপনি যা করলেন, তা আমি দেখলাম তখন তিনি বলেনঃ হে আয়েশা! তুমি কি এ ধারণা করতে পার যে, আল্লাহ এবং তাঁর রাসূল তোমার প্রতি যুলুম করবেন। (প্রকৃত ব্যাপার হল এইঃ) আমার কাছে জিবরাঈল (আ) এসে বলেন: ইয়া রাসূলাল্লাহ! এতো ১৫ শাবানের রাত। বনী কিলাবের বকরীর পশম সংখ্যক বান্দাকে ক্ষমা করা অদ্য আল্লাহ্ নিজের জন্য অপরিহার্য করে নিয়েছেন। তবে এ রাতে মুশরিক, ঘৃণাকারী, সম্পর্কোচ্ছেনকারী, বস্ত্র (পায়ের গোড়ালীর নিচে) প্রলম্বিতকারী, পিতামাতার সাথে অসদাচরণকারী, মদ্যপায়ী এদের প্রতি আল্লাহ দৃষ্টিপাত করবেন না। বর্ণনাকারী বলেনঃ তারপর তিনি বস্ত্র খুলেন। পরে তিনি আমাকে বলেনঃ হে আয়েশা! তুমি কি আমাকেই রাতে সালাত আদায়ের অনুমতি দেবে? আমি বললাম: আপনার প্রতি আমার পিতামাতা উৎসর্গ হোন। (আপনি তা করতে পারেন) তখন তিনি দাঁড়িয়ে এত দীর্ঘ সময় সালাতে রাত কাটান যে, আমার ধারণা হলো তিনি ইনতিকাল করেছেন। কাজেই, আমি উপলদ্ধি করে দাঁড়ালাম এবং আমার হাত তাঁর দুই পায়ের তলায় স্পর্শ করালাম। এ সময় তিনি নড়াচড়া করলে আমি আনন্দিত হলাম এবং আমি সিজদারত অবস্থায় তাকে এরূপ বলতে শুনলামঃ
«أَعُوذُ بِعَفْوِكَ مِنْ عِقَابِكَ , وَأَعُوذُ بِرِضَاكَ مِنْ سَخَطِكَ , وَأَعُوذُ بِكَ مِنْكَ , لَا أُحْصِي ثَنَاءً عَلَيْكَ أَنْتَ كَمَا أَثْنَيْتَ عَلَى نَفْسِكَ»
"হে আল্লাহ্। তোমার ক্ষমার দ্বারা তোমার শাস্তি হতে, তোমার সন্তোষ দ্বারা তোমার অসন্তুষ্টি হতে, তোমার নিজ সত্তার গুণে তোমার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি। তুমি যেরূপ তোমার নিজ প্রশংসায় প্রশংসিত, আমার তা সাধ্যতীত।" এরপর সকালে আমি তা তাঁর কাছে আলোচনা করি। তিনি বলেন : হে আয়েশা। তুমি কি তা শিখতে চাও? আমি বললামঃ হাঁ। তিনি বলেন: তুমি নিজে শেষ এবং অন্যকেও শিক্ষা দাও। কেননা, জিবরাঈল (আ) আমাকে শিক্ষা দিয়েছেন এবং তিনি আমাকে তা সিজদা অবস্থায় পাঠ করার আদেশ করেছেন।
বায়হাকী বর্ণিত।
«أَعُوذُ بِعَفْوِكَ مِنْ عِقَابِكَ , وَأَعُوذُ بِرِضَاكَ مِنْ سَخَطِكَ , وَأَعُوذُ بِكَ مِنْكَ , لَا أُحْصِي ثَنَاءً عَلَيْكَ أَنْتَ كَمَا أَثْنَيْتَ عَلَى نَفْسِكَ»
"হে আল্লাহ্। তোমার ক্ষমার দ্বারা তোমার শাস্তি হতে, তোমার সন্তোষ দ্বারা তোমার অসন্তুষ্টি হতে, তোমার নিজ সত্তার গুণে তোমার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি। তুমি যেরূপ তোমার নিজ প্রশংসায় প্রশংসিত, আমার তা সাধ্যতীত।" এরপর সকালে আমি তা তাঁর কাছে আলোচনা করি। তিনি বলেন : হে আয়েশা। তুমি কি তা শিখতে চাও? আমি বললামঃ হাঁ। তিনি বলেন: তুমি নিজে শেষ এবং অন্যকেও শিক্ষা দাও। কেননা, জিবরাঈল (আ) আমাকে শিক্ষা দিয়েছেন এবং তিনি আমাকে তা সিজদা অবস্থায় পাঠ করার আদেশ করেছেন।
বায়হাকী বর্ণিত।
كتاب الأدب
التَّرْهِيب من التهاجر والتشاحن والتدابر
4216- وَرُوِيَ عَن عَائِشَة رَضِي الله عَنْهَا قَالَت دخل عَليّ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم فَوضع عَنهُ ثوبيه ثمَّ لم يستتم أَن قَامَ فلبسهما فَأَخَذَتْنِي غيرَة شَدِيدَة ظَنَنْت أَنه يَأْتِي بعض صُوَيْحِبَاتِي فَخرجت أتبعه فَأَدْرَكته بِالبَقِيعِ بَقِيع الْغَرْقَد يسْتَغْفر للْمُؤْمِنين وَالْمُؤْمِنَات وَالشُّهَدَاء فَقلت بِأبي وَأمي أَنْت فِي حَاجَة رَبك وَأَنا فِي حَاجَة الدُّنْيَا فَانْصَرَفت فَدخلت حُجْرَتي ولي نفس عَال ولحقني رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم فَقَالَ مَا هَذَا النَّفس يَا عَائِشَة قلت بِأبي وَأمي أتيتني فَوضعت عَنْك ثوبيك ثمَّ لم تستتم أَن قُمْت فلبستهما فَأَخَذَتْنِي غيرَة شَدِيدَة ظَنَنْت أَنَّك تَأتي بعض صُوَيْحِبَاتِي حَتَّى رَأَيْتُك بِالبَقِيعِ تصنع مَا تصنع
فَقَالَ يَا عَائِشَة أَكنت تَخَافِينَ أَن يَحِيف الله عَلَيْك وَرَسُوله أَتَانِي جِبْرِيل عَلَيْهِ السَّلَام فَقَالَ هَذِه لَيْلَة النّصْف من شعْبَان وَللَّه فِيهَا عُتَقَاء من النَّار بِعَدَد شُعُور غنم كلب لَا ينظر الله فِيهَا إِلَى مُشْرك وَلَا مُشَاحِن وَلَا إِلَى قَاطع رحم وَلَا إِلَى مُسبل وَلَا إِلَى عَاق لوَالِديهِ وَلَا إِلَى مدمن خمر
قَالَ ثمَّ وضع عَنهُ ثوبيه فَقَالَ لي يَا عَائِشَة أَتَأْذَنِينَ لي فِي قيام هَذِه اللَّيْلَة
قلت بِأبي وَأمي فَقَامَ فَسجدَ لَيْلًا طَويلا حَتَّى ظَنَنْت أَنه قد قبض فَقُمْت أَلْتَمِسهُ وَوضعت يَدي على بَاطِن قَدَمَيْهِ فَتحَرك فَفَرِحت وسمعته يَقُول فِي سُجُوده أعوذ بعفوك من عقابك وَأَعُوذ برضاك من سخطك وَأَعُوذ بك مِنْك جلّ وَجهك لَا أحصي ثَنَاء عَلَيْك أَنْت كَمَا أثنيت على نَفسك فَلَمَّا أصبح ذكرتهن لَهُ فَقَالَ يَا عَائِشَة تعلميهن فَقلت نعم فَقَالَ تعلميهن وعلميهن فَإِن جِبْرِيل عَلَيْهِ السَّلَام علمنيهن وَأَمرَنِي أَن أرددهن فِي السُّجُود
رَوَاهُ الْبَيْهَقِيّ
فَقَالَ يَا عَائِشَة أَكنت تَخَافِينَ أَن يَحِيف الله عَلَيْك وَرَسُوله أَتَانِي جِبْرِيل عَلَيْهِ السَّلَام فَقَالَ هَذِه لَيْلَة النّصْف من شعْبَان وَللَّه فِيهَا عُتَقَاء من النَّار بِعَدَد شُعُور غنم كلب لَا ينظر الله فِيهَا إِلَى مُشْرك وَلَا مُشَاحِن وَلَا إِلَى قَاطع رحم وَلَا إِلَى مُسبل وَلَا إِلَى عَاق لوَالِديهِ وَلَا إِلَى مدمن خمر
قَالَ ثمَّ وضع عَنهُ ثوبيه فَقَالَ لي يَا عَائِشَة أَتَأْذَنِينَ لي فِي قيام هَذِه اللَّيْلَة
قلت بِأبي وَأمي فَقَامَ فَسجدَ لَيْلًا طَويلا حَتَّى ظَنَنْت أَنه قد قبض فَقُمْت أَلْتَمِسهُ وَوضعت يَدي على بَاطِن قَدَمَيْهِ فَتحَرك فَفَرِحت وسمعته يَقُول فِي سُجُوده أعوذ بعفوك من عقابك وَأَعُوذ برضاك من سخطك وَأَعُوذ بك مِنْك جلّ وَجهك لَا أحصي ثَنَاء عَلَيْك أَنْت كَمَا أثنيت على نَفسك فَلَمَّا أصبح ذكرتهن لَهُ فَقَالَ يَا عَائِشَة تعلميهن فَقلت نعم فَقَالَ تعلميهن وعلميهن فَإِن جِبْرِيل عَلَيْهِ السَّلَام علمنيهن وَأَمرَنِي أَن أرددهن فِي السُّجُود
رَوَاهُ الْبَيْهَقِيّ
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪২১৭
অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
পরিচ্ছেদঃ সম্পর্কোচ্ছেদ, ঘৃণা-বিদ্বেষ এবং পৃষ্ঠপ্রদর্শনের প্রতি ভীতি প্রদর্শন
৪২১৭. হযরত আবদুল্লাহ্ ইবন উমার (রা) থেকে বর্ণিত। রাসুলুল্লাহ্ (ﷺ) বলেছেন: ১৫ই শাবনের রাতে আল্লাহ 'তাঁর সৃষ্টি জগতের প্রতি উকি মেরে তাকান। আর তিনি অন্যের প্রতি ঘৃণা পোষণকারী ও হত্যাকারী এই দুই দল ব্যতীত তার বান্দাগণকে ক্ষমা করেন।
(আহমাদ, দুর্বল সনদ সূত্রে উক্ত হাদীসটি বর্ণনা করেন।)
(আহমাদ, দুর্বল সনদ সূত্রে উক্ত হাদীসটি বর্ণনা করেন।)
كتاب الأدب
التَّرْهِيب من التهاجر والتشاحن والتدابر
4217- وَعَن عبد الله بن عمر رَضِي الله عَنْهُمَا أَن رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم قَالَ يطلع الله عز وَجل إِلَى خلقه لَيْلَة النّصْف من شعْبَان فَيغْفر لِعِبَادِهِ إِلَّا اثْنَيْنِ مُشَاحِن وَقَاتل نفس
رَوَاهُ أَحْمد بِإِسْنَاد لين
رَوَاهُ أَحْمد بِإِسْنَاد لين
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪২১৮
অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
পরিচ্ছেদঃ সম্পর্কোচ্ছেদ, ঘৃণা-বিদ্বেষ এবং পৃষ্ঠপ্রদর্শনের প্রতি ভীতি প্রদর্শন
৪২১৮. মাকহুল (র) কাসীর ইবন মুরা (রা) সূত্রে, তিনি নবী (ﷺ) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন: ১৫ শাবানের রাতে মুশরিক ও অপরের প্রতি ঘৃণা পোষণকারী ব্যতীত আল্লাহ্ জগৎবাসীকে ক্ষমা করেন।
(বায়হাকী বর্ণিত। তিনি বলেন: হাদীসটি মুরসাল সূত্রে উত্তম সনদে বর্ণিত।)
(বায়হাকী বর্ণিত। তিনি বলেন: হাদীসটি মুরসাল সূত্রে উত্তম সনদে বর্ণিত।)
كتاب الأدب
التَّرْهِيب من التهاجر والتشاحن والتدابر
4218- وَعَن مَكْحُول عَن كثير بن مرّة عَن النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم قَالَ فِي لَيْلَة النّصْف من شعْبَان يغْفر الله عز وَجل لأهل الأَرْض إِلَّا مُشْرك أَو مُشَاحِن
رَوَاهُ الْبَيْهَقِيّ وَقَالَ هَذَا مُرْسل جيد
رَوَاهُ الْبَيْهَقِيّ وَقَالَ هَذَا مُرْسل جيد
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪২১৯
অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
পরিচ্ছেদঃ সম্পর্কোচ্ছেদ, ঘৃণা-বিদ্বেষ এবং পৃষ্ঠপ্রদর্শনের প্রতি ভীতি প্রদর্শন
৪২১৯. হাফিয মুনযিরী (র) বলেন: তাবারানী ও বায়হাকী মাকহুল থেকে, তিনি আবু সালাবা (র) থেকে বর্ণনা করেন। নবী (ﷺ) বলেছেন: শাবানের ১৫ তারিখের রাতে আল্লাহ তাঁর বান্দাদের প্রতি তাকান। এ সময় তিনি মু'মিনদের ক্ষমা করেন এবং কাফিরদের শাস্তির (মেয়াদ পর্যন্ত) অবকাশ দেন, আর হিংসুকদেরকে তা বর্জন না করা পর্যন্ত ছেড়ে দেন।
(বায়হাকী উক্ত হাদীসটি বর্ণনা করেন। মাকহুল ও আবু সালাবা (র) মুরসাল সূত্রে উত্তম সনদে হাদীসটি বর্ণনা করেন।)
(বায়হাকী উক্ত হাদীসটি বর্ণনা করেন। মাকহুল ও আবু সালাবা (র) মুরসাল সূত্রে উত্তম সনদে হাদীসটি বর্ণনা করেন।)
كتاب الأدب
التَّرْهِيب من التهاجر والتشاحن والتدابر
4219- قَالَ الْحَافِظ وَرَوَاهُ الطَّبَرَانِيّ وَالْبَيْهَقِيّ أَيْضا عَن مَكْحُول عَن أبي ثَعْلَبَة رَضِي الله عَنهُ أَن النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم قَالَ يطلع الله إِلَى عباده لَيْلَة النّصْف من شعْبَان فَيغْفر للْمُؤْمِنين ويمهل الْكَافرين ويدع أهل الحقد بحقدهم حَتَّى يَدعُوهُ
قَالَ الْبَيْهَقِيّ وَهُوَ أَيْضا بَين مَكْحُول وَأبي ثَعْلَبَة مُرْسل جيد
قَالَ الْبَيْهَقِيّ وَهُوَ أَيْضا بَين مَكْحُول وَأبي ثَعْلَبَة مُرْسل جيد
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪২২০
অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
পরিচ্ছেদঃ সম্পর্কোচ্ছেদ, ঘৃণা-বিদ্বেষ এবং পৃষ্ঠপ্রদর্শনের প্রতি ভীতি প্রদর্শন
৪২২০. হযরত ইব্ন আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: তিনটি কাজের একটিও যদি কারও মধ্যে না থাকে, তবে আল্লাহ্ চাইলে তার সব গুনাহ মাফ করে দেবেন। আর সেই তিনটি কাজ হলো: ১. যে আল্লাহর সঙ্গে কোন কিছুর শরীক না করে মারা যায়, ২. যে যাদুকরের যাদুর অনুসরণ করে গুনাহে জড়িত হয় না এবং ৩. যে তার ভাইয়ের সাথে শত্রুতায় জড়িয়ে পড়ে না।
(তাবারানী আওসাত গ্রন্থে লাইস ইব্ন সুলায়ম (র) থেকে উক্ত হাদীসটি বর্ণনা করেন।)
(তাবারানী আওসাত গ্রন্থে লাইস ইব্ন সুলায়ম (র) থেকে উক্ত হাদীসটি বর্ণনা করেন।)
كتاب الأدب
التَّرْهِيب من التهاجر والتشاحن والتدابر
4220- وَعَن ابْن عَبَّاس رَضِي الله عَنْهُمَا قَالَ قَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم ثَلَاث من لم يكن فِيهِ وَاحِدَة مِنْهُنَّ فَإِن الله يغْفر لَهُ مَا سوى ذَلِك لمن يَشَاء من مَاتَ لَا يُشْرك بِاللَّه شَيْئا وَلم يكن ساحرا يتبع السَّحَرَة وَلم يحقد على أَخِيه
رَوَاهُ الطَّبَرَانِيّ فِي الْكَبِير والأوسط من رِوَايَة لَيْث بن أبي سليم
رَوَاهُ الطَّبَرَانِيّ فِي الْكَبِير والأوسط من رِوَايَة لَيْث بن أبي سليم
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪২২১
অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
পরিচ্ছেদঃ সম্পর্কোচ্ছেদ, ঘৃণা-বিদ্বেষ এবং পৃষ্ঠপ্রদর্শনের প্রতি ভীতি প্রদর্শন
৪২২১. আলা ইবন হারস (র) থেকে বর্ণিত যে, হযরত আয়েশা (রা) বলেন: একদিন রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) রাতে সালাত আদায় করেন। তিনি এত দীর্ঘক্ষণ সিজদা করেন যে, আমার মনে হল যেন তিনি ইনতিকাল করেছেন। তখন তাঁর দিকে অগ্রসর হলাম এবং তাঁর পায়ের বৃদ্ধাঙ্গুলী ধরে নাড়া দিলাম। তিনি তখন নড়াছড়া দিয়ে (সে অবস্থা থেকে) ফিরে এলেন। এরপর যখন তিনি সালাত আদায় করে অবসর হলেন, তখন বললেন: হে আয়েশা! অথবা তিনি বলেনঃ হে হুমায়রা! তুমি কি মনে কর যে, নবী (ﷺ) তোমার সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন? আমি বললামঃ আল্লাহর শপথ! তা নয়, কিন্তু আপনার সিজদা দীর্ঘ হওয়ায় আমি মনে করলাম যে, হয়ত আপনার ইনতিকাল হয়ে গেছে। তখন তিনি বলেন: তুমি কি এই রাতের মর্যাদা জান? আমি বললাম: আল্লাহ ও তাঁর রাসূল সর্বাধিক জ্ঞাত। তিনি বলেন: এ হল ১৫ শাবান। আল্লাহ্ তা'আলা এই মাসের ১৫ রজনীতে তাঁর বান্দাদের প্রতি করুণার দৃষ্টি দান করেন, তিনি ক্ষমাপ্রার্থীদের ক্ষমা করেন, তাঁর দয়া কামনাকারীদের প্রতি দয়া করেন। পক্ষান্তরে হিংসুককে তার ঐ অবস্থায় অবকাশ দেন।
(বায়হাকী হাদীসটি বর্ণনা করে বলেন, এটি মুরসাল সূত্রে উত্তম সনদে বর্ণিত। এত সম্ভাবনা রয়েছে যে, তিনি হাদীসটি মাকতুল থেকে গ্রহণ করেছেন।
আযহারী (র) বলেন, قد خاس به এর অর্থ হলো: কোন ব্যক্তি তার সাথীকে তার প্রাপ্য না দিয়ে বিশ্বাসঘাতকতা করা।)
(বায়হাকী হাদীসটি বর্ণনা করে বলেন, এটি মুরসাল সূত্রে উত্তম সনদে বর্ণিত। এত সম্ভাবনা রয়েছে যে, তিনি হাদীসটি মাকতুল থেকে গ্রহণ করেছেন।
আযহারী (র) বলেন, قد خاس به এর অর্থ হলো: কোন ব্যক্তি তার সাথীকে তার প্রাপ্য না দিয়ে বিশ্বাসঘাতকতা করা।)
كتاب الأدب
التَّرْهِيب من التهاجر والتشاحن والتدابر
4221- وَعَن الْعَلَاء بن الْحَارِث أَن عَائِشَة رَضِي الله عَنْهَا قَالَت قَامَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم من اللَّيْل فصلى فَأطَال السُّجُود حَتَّى ظَنَنْت أَنه قد قبض فَلَمَّا رَأَيْت ذَلِك قُمْت حَتَّى حركت إبهامه فَتحَرك فَرجع فَلَمَّا رفع رَأسه من السُّجُود وَفرغ من صلَاته قَالَ يَا عَائِشَة أَو
يَا حميراء أظننت أَن النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم قد خاس بك قلت لَا وَالله يَا رَسُول الله وَلَكِنِّي ظَنَنْت أَنَّك قبضت لطول سجودك فَقَالَ أَتَدْرِينَ أَي لَيْلَة هَذِه قلت الله وَرَسُوله أعلم
قَالَ هَذِه لَيْلَة النّصْف من شعْبَان إِن الله عز وَجل يطلع على عباده فِي لَيْلَة النّصْف من شعْبَان فَيغْفر للمستغفرين وَيرْحَم المسترحمين وَيُؤَخر أهل الحقد كَمَا هم
رَوَاهُ الْبَيْهَقِيّ أَيْضا وَقَالَ هَذَا مُرْسل جيد وَيحْتَمل أَن يكون الْعَلَاء أَخذه من مَكْحُول
قَالَ الْأَزْهَرِي يُقَال للرجل إِذا غدر بِصَاحِبِهِ فَلم يؤته حَقه قد خاس بِهِ يَعْنِي بِالْخَاءِ الْمُعْجَمَة وَالسِّين الْمُهْملَة
يَا حميراء أظننت أَن النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم قد خاس بك قلت لَا وَالله يَا رَسُول الله وَلَكِنِّي ظَنَنْت أَنَّك قبضت لطول سجودك فَقَالَ أَتَدْرِينَ أَي لَيْلَة هَذِه قلت الله وَرَسُوله أعلم
قَالَ هَذِه لَيْلَة النّصْف من شعْبَان إِن الله عز وَجل يطلع على عباده فِي لَيْلَة النّصْف من شعْبَان فَيغْفر للمستغفرين وَيرْحَم المسترحمين وَيُؤَخر أهل الحقد كَمَا هم
رَوَاهُ الْبَيْهَقِيّ أَيْضا وَقَالَ هَذَا مُرْسل جيد وَيحْتَمل أَن يكون الْعَلَاء أَخذه من مَكْحُول
قَالَ الْأَزْهَرِي يُقَال للرجل إِذا غدر بِصَاحِبِهِ فَلم يؤته حَقه قد خاس بِهِ يَعْنِي بِالْخَاءِ الْمُعْجَمَة وَالسِّين الْمُهْملَة
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪২২২
অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
পরিচ্ছেদঃ সম্পর্কোচ্ছেদ, ঘৃণা-বিদ্বেষ এবং পৃষ্ঠপ্রদর্শনের প্রতি ভীতি প্রদর্শন
৪২২২. হযরত ইবন আব্বাস (রা) সূত্রে নবী (ﷺ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন: তিন শ্রেণীর লোকের সালাত মাথার এক বিঘত উপরেও উঠে না। (অর্থাৎ কবুল হয় না) তারা হলো: ১. ঐ ব্যক্তি যে লোকের ইমামতি (নেতৃত্ব, শাসক) করে, অথচ তারা তাকে অপসন্দ করে, ২. ঐ নারী যার স্বামী তার প্রতি ক্ষুদ্ধ অবস্থায় রাত যাপন করে এবং ৩. দুই ভাই যারা পরস্পর সম্পর্ক ছিন্ন অবস্থায় রয়েছে।
(ইবন মাজা (র) নিজ শব্দে ও ইবন হিব্বান তার সহীহ গ্রন্থে বর্ণনা করেন। তবে তার বর্ণনায় রয়েছে। তিন শ্রেণীর লোকের সালাত আল্লাহর নিকট কবুল হবে না। অবশিষ্ট হাদীস অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
[হাফিয মুনযিরী (র) বলেন): আনাস (রা) থেকে ইনশাআল্লাহ্ হিংসা অধ্যয়ে এ সম্পর্কে দীর্ঘ একটি হাদীস বর্ণিত হবে।)
(ইবন মাজা (র) নিজ শব্দে ও ইবন হিব্বান তার সহীহ গ্রন্থে বর্ণনা করেন। তবে তার বর্ণনায় রয়েছে। তিন শ্রেণীর লোকের সালাত আল্লাহর নিকট কবুল হবে না। অবশিষ্ট হাদীস অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
[হাফিয মুনযিরী (র) বলেন): আনাস (রা) থেকে ইনশাআল্লাহ্ হিংসা অধ্যয়ে এ সম্পর্কে দীর্ঘ একটি হাদীস বর্ণিত হবে।)
كتاب الأدب
التَّرْهِيب من التهاجر والتشاحن والتدابر
4222- وَعَن ابْن عَبَّاس رَضِي الله عَنْهُمَا عَن رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم قَالَ ثَلَاثَة لَا ترفع صلَاتهم فَوق رؤوسهم شبْرًا رجل أم قوما وهم لَهُ كَارِهُون وَامْرَأَة باتت وَزوجهَا عَلَيْهَا ساخط وَأَخَوَانِ متصارمان
رَوَاهُ ابْن مَاجَه وَاللَّفْظ لَهُ وَابْن حبَان فِي صَحِيحه إِلَّا أَنه قَالَ ثَلَاثَة لَا يقبل الله لَهُم صَلَاة فَذكر نَحوه
قَالَ الْحَافِظ وَيَأْتِي فِي بَاب الْحَسَد حَدِيث أنس الطَّوِيل إِن شَاءَ الله تَعَالَى
رَوَاهُ ابْن مَاجَه وَاللَّفْظ لَهُ وَابْن حبَان فِي صَحِيحه إِلَّا أَنه قَالَ ثَلَاثَة لَا يقبل الله لَهُم صَلَاة فَذكر نَحوه
قَالَ الْحَافِظ وَيَأْتِي فِي بَاب الْحَسَد حَدِيث أنس الطَّوِيل إِن شَاءَ الله تَعَالَى
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪২২৩
অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
পরিচ্ছেদঃ কোন মুসলমানকে 'হে কাফির' বলে সম্বোধন করার প্রতি ভীতি প্রদর্শন
৪২২৩. হযরত ইবন উমার (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ্ (ﷺ) বলেছেন: যখন কোন ব্যক্তি তার (মুসলামন) ভাইকে বলবে: হে কাফির! তখন উভয়ের একজনের প্রতি তা বর্তাবে। যদি তার বলা বাস্তব হয়ে থাকে, তবে তা ঠিক আছে। অন্যথায় তা বক্তার প্রতি ফিরে আসবে।
(মালিক, বুখারী, মুসলিম, আবূ দাউদ, তিরমিযী বর্ণিত।)
(মালিক, বুখারী, মুসলিম, আবূ দাউদ, তিরমিযী বর্ণিত।)
كتاب الأدب
التَّرْهِيب من قَوْله لمُسلم يَا كَافِر
4198 - عَن ابْن عمر رَضِي الله عَنْهُمَا قَالَ قَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم إِذا قَالَ الرجل لِأَخِيهِ يَا كَافِر فقد بَاء بهَا أَحدهمَا فَإِن كَانَ كَمَا قَالَ وَإِلَّا رجعت عَلَيْهِ
رَوَاهُ مَالك وَالْبُخَارِيّ وَمُسلم وَأَبُو دَاوُد وَالتِّرْمِذِيّ
رَوَاهُ مَالك وَالْبُخَارِيّ وَمُسلم وَأَبُو دَاوُد وَالتِّرْمِذِيّ
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪২২৪
অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
পরিচ্ছেদঃ কোন মুসলমানকে 'হে কাফির' বলে সম্বোধন করার প্রতি ভীতি প্রদর্শন
৪২২৪. হযরত আবূ যার (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছেন: যে ব্যক্তি কোন (মু'মিন) ব্যক্তিকে কুফরী শব্দমালা দ্বারা আহ্বান করে অথবা বলে, "হে আল্লাহর দুশমন! অথচ সে সেরূপ নয়, তখন তা তার দিকে ফিরে আসে।
(বুখারী, মুসলিম (র) একটি হাদীসের এরূপ বর্ণনা করেন।
حار - ফিরে আসা।)
(বুখারী, মুসলিম (র) একটি হাদীসের এরূপ বর্ণনা করেন।
حار - ফিরে আসা।)
كتاب الأدب
التَّرْهِيب من قَوْله لمُسلم يَا كَافِر
4224- وَعَن أبي ذَر رَضِي الله عَنهُ أَنه سمع رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم يَقُول وَمن دَعَا رجلا بالْكفْر أَو قَالَ يَا عَدو الله وَلَيْسَ كَذَلِك إِلَّا حَار عَلَيْهِ
رَوَاهُ البُخَارِيّ وَمُسلم فِي حَدِيث
حَار بِالْحَاء الْمُهْملَة وَالرَّاء أَي رَجَعَ
رَوَاهُ البُخَارِيّ وَمُسلم فِي حَدِيث
حَار بِالْحَاء الْمُهْملَة وَالرَّاء أَي رَجَعَ
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪২২৫
অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
পরিচ্ছেদঃ কোন মুসলমানকে 'হে কাফির' বলে সম্বোধন করার প্রতি ভীতি প্রদর্শন
৪২২৫. হযরত আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। যে ব্যক্তি তার (মু'মিন) ভাইকে হে কাফির বলে সম্বোধন করবে, তবে তা তাদের একজনের প্রতি ফিরে আসবে।
(বুখারী বর্ণিত।)
(বুখারী বর্ণিত।)
كتاب الأدب
التَّرْهِيب من قَوْله لمُسلم يَا كَافِر
4225- وَعَن أبي هُرَيْرَة رَضِي الله عَنهُ قَالَ إِن رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم قَالَ من قَالَ لِأَخِيهِ يَا كَافِر فقد بَاء بهَا أَحدهمَا
رَوَاهُ البُخَارِيّ
رَوَاهُ البُخَارِيّ
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪২২৬
অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
পরিচ্ছেদঃ কোন মুসলমানকে 'হে কাফির' বলে সম্বোধন করার প্রতি ভীতি প্রদর্শন
৪২২৬. হযরত আবু সাঈদ (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: যে কোন এক ব্যক্তি অপরকে কাফির বলল, যদি তা যথাযথ কারণে হয়, তবে ঠিক আছে। তা না হলে বক্তা তাকে কাফির বলাতে সে নিজেই কাফির হবে।
(ইবন হিব্বান (র) তাঁর সহীহ গ্রন্থে উক্ত হাদীসটি বর্ণনা করেন।)
(ইবন হিব্বান (র) তাঁর সহীহ গ্রন্থে উক্ত হাদীসটি বর্ণনা করেন।)
كتاب الأدب
التَّرْهِيب من قَوْله لمُسلم يَا كَافِر
4226- وَعَن أبي سعيد رَضِي الله عَنهُ قَالَ قَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم مَا أكفر رجل رجلا إِلَّا بَاء أَحدهمَا بهَا إِن كَانَ كَافِرًا وَإِلَّا كفر بتكفيره
رَوَاهُ ابْن حبَان فِي صَحِيحه
رَوَاهُ ابْن حبَان فِي صَحِيحه
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪২২৭
অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
পরিচ্ছেদঃ কোন মুসলমানকে 'হে কাফির' বলে সম্বোধন করার প্রতি ভীতি প্রদর্শন
৪২২৭. হযরত আবু কিলাবা (রা) থেকে বর্ণিত। সাবিত ইবন সাহহাক (রা) তাকে এই মর্মে অবহিত করেন যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁকে বৃক্ষের নিচে বায়'আত করান। তখন রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) বলেন: যে ব্যক্তি ইসলাম ছাড়া অন্য কোন ধর্মের নামে ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা শপথ করবে, তবে সে যা বলেছে তাই হবে। আর যে লোক যে বস্তু দ্বারা আত্মহত্যা করবে কিয়ামতের দিন তাকে সেই বস্তু দ্বারাই শাস্তি দেয়া হবে। আর মালিকানা বহির্ভূত কোন বস্তুর ব্যাপারে মানত করলে, তা তার প্রতি পূরণ করা অবশ্যক নয়। মু'মিন ব্যক্তিকে লা'নত দেয়া, তাকে হত্যা করার শামিল, কোন মু'মিনকে কাফির বলা, তাকে হত্যা করার নামান্তর। যে ব্যক্তি নিজেকে যে বস্তু দ্বারা যবাই করবে, কিয়ামতের দিন তাকে সে বস্তু দ্বারা শাস্তি দেওয়া হবে।
(বুখারী, মুসলিন, আবু দাউদ ও নাসাঈ সংক্ষিপ্তভাবে এবং তিরমিযী উক্ত হাদীসটি বর্ণনা করেন এবং তিনি হাদীসটি বিশুদ্ধ বলেছেন। তবে তার শব্দমালা এরূপ: নবী (ﷺ) বলেছেন: "মালিকানাবিহীন বস্তু মানত করলে তাতে তার কোন দায়িত্ব নেই। মু'মিনকে লা'নতকারী তাকে হত্যাকারীর সমতুল্য। যে ব্যক্তি কোন মু'মিনকে কাফির বলে অপবাদ দেয়, সে তার হত্যাকারীর ন্যায়। যে ব্যক্তি কোন বস্তু দ্বারা আত্মহত্যা করবে, তাকে সে বস্তু দ্বারা কিয়ামতের দিন শাস্তি দেয়া হবে।")
(বুখারী, মুসলিন, আবু দাউদ ও নাসাঈ সংক্ষিপ্তভাবে এবং তিরমিযী উক্ত হাদীসটি বর্ণনা করেন এবং তিনি হাদীসটি বিশুদ্ধ বলেছেন। তবে তার শব্দমালা এরূপ: নবী (ﷺ) বলেছেন: "মালিকানাবিহীন বস্তু মানত করলে তাতে তার কোন দায়িত্ব নেই। মু'মিনকে লা'নতকারী তাকে হত্যাকারীর সমতুল্য। যে ব্যক্তি কোন মু'মিনকে কাফির বলে অপবাদ দেয়, সে তার হত্যাকারীর ন্যায়। যে ব্যক্তি কোন বস্তু দ্বারা আত্মহত্যা করবে, তাকে সে বস্তু দ্বারা কিয়ামতের দিন শাস্তি দেয়া হবে।")
كتاب الأدب
التَّرْهِيب من قَوْله لمُسلم يَا كَافِر
4227- وَعَن أبي قلَابَة رَضِي الله عَنهُ أَن ثَابت بن الضَّحَّاك رَضِي الله عَنهُ أخبرهُ أَنه بَايع رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم تَحت الشَّجَرَة وَأَن رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم قَالَ من حلف على يَمِين بِملَّة غير الْإِسْلَام كَاذِبًا مُتَعَمدا فَهُوَ كَمَا قَالَ وَمن قتل نَفسه بِشَيْء عذب بِهِ يَوْم الْقِيَامَة وَلَيْسَ على رجل نذر فِيمَا لَا يملك وَلعن الْمُؤمن كقتله وَمن رمى مُؤمنا بِكفْر فَهُوَ كقتله وَمن ذبح نَفسه بِشَيْء عذب بِهِ يَوْم الْقِيَامَة
رَوَاهُ البُخَارِيّ وَمُسلم وَرَوَاهُ أَبُو دَاوُد وَالنَّسَائِيّ بِاخْتِصَار وَالتِّرْمِذِيّ وَصَححهُ وَلَفظه أَن النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم قَالَ لَيْسَ على الْمَرْء نذر فِيمَا لَا يملك ولاعن الْمُؤمن كقاتله وَمن قذف مُؤمنا بِكفْر فَهُوَ كقاتله وَمن قتل نَفسه بِشَيْء عذب بِمَا قتل بِهِ نَفسه يَوْم الْقِيَامَة
رَوَاهُ البُخَارِيّ وَمُسلم وَرَوَاهُ أَبُو دَاوُد وَالنَّسَائِيّ بِاخْتِصَار وَالتِّرْمِذِيّ وَصَححهُ وَلَفظه أَن النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم قَالَ لَيْسَ على الْمَرْء نذر فِيمَا لَا يملك ولاعن الْمُؤمن كقاتله وَمن قذف مُؤمنا بِكفْر فَهُوَ كقاتله وَمن قتل نَفسه بِشَيْء عذب بِمَا قتل بِهِ نَفسه يَوْم الْقِيَامَة
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪২২৮
অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
পরিচ্ছেদঃ কোন মুসলমানকে 'হে কাফির' বলে সম্বোধন করার প্রতি ভীতি প্রদর্শন
৪২২৮. হযরত ইমরান ইবন হুসায়ন (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: কোন ব্যক্তি
কোন মু'মিনকে "হে কাফির বলে" সম্বোধন করলে সে যেন তাকে হত্যা করল।
(বাযযার বর্ণিত। তার বর্ণনাকারীগণ বিশ্বস্ত।)
কোন মু'মিনকে "হে কাফির বলে" সম্বোধন করলে সে যেন তাকে হত্যা করল।
(বাযযার বর্ণিত। তার বর্ণনাকারীগণ বিশ্বস্ত।)
كتاب الأدب
التَّرْهِيب من قَوْله لمُسلم يَا كَافِر
4228- وَعَن عمرَان بن حُصَيْن رَضِي الله عَنهُ قَالَ قَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم إِذا قَالَ الرجل لِأَخِيهِ يَا كَافِر فَهُوَ كقتله
رَوَاهُ الْبَزَّار وَرُوَاته ثِقَات
رَوَاهُ الْبَزَّار وَرُوَاته ثِقَات
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪২২৯
অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
পরিচ্ছেদঃ অনির্দিষ্ট অথবা কোন ব্যক্তি বিশেষকে অথবা কোন প্রাণী বা অন্য কিছুকে উল্লেখ করে কাউকে গালি দেওয়া অথবা লা'নত দেয়া এবং মোরগ, বিচ্ছু ও বাতাসকে গালি ও লা'নত দেয়ার প্রতি ভীতি প্রদর্শন এবং সতী-সাধ্বী ও দাস-দাসীর প্রতি অপবাদ দেয়ার প্রতি ভীতি প্রদর্শন
৪২২৯. হযরত আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: পরস্পর দুই ব্যক্তি যারা গালাগালি করে এবং তারা যা বলে, তাই তাদের উপর বর্তায়। তবে আগে যে গালি দেয়, সে-ই অপরাধি যতক্ষণে মাযলুম সীমালংঘন না করে।
(মুসলিম, আবু দাউদ ও তিরমিযী।)
(মুসলিম, আবু দাউদ ও তিরমিযী।)
كتاب الأدب
الترهيب من السباب واللعن لا سيما لمعين آدميا كان أو دابة وغيرهما وبعض ما جاء في النهي عن سب الديك والبرغوث والريح والترهيب من قذف المحصنة والمملوك
4229- عَن أبي هُرَيْرَة رَضِي الله عَنهُ أَن رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم قَالَ المستبان مَا قَالَا فعلى
البادىء مِنْهُمَا حَتَّى يتَعَدَّى الْمَظْلُوم
رَوَاهُ مُسلم وَأَبُو دَاوُد وَالتِّرْمِذِيّ
البادىء مِنْهُمَا حَتَّى يتَعَدَّى الْمَظْلُوم
رَوَاهُ مُسلم وَأَبُو دَاوُد وَالتِّرْمِذِيّ
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪২৩০
অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
পরিচ্ছেদঃ অনির্দিষ্ট অথবা কোন ব্যক্তি বিশেষকে অথবা কোন প্রাণী বা অন্য কিছুকে উল্লেখ করে কাউকে গালি দেওয়া অথবা লা'নত দেয়া এবং মোরগ, বিচ্ছু ও বাতাসকে গালি ও লা'নত দেয়ার প্রতি ভীতি প্রদর্শন এবং সতী-সাধ্বী ও দাস-দাসীর প্রতি অপবাদ দেয়ার প্রতি ভীতি প্রদর্শন
৪২৩০. হযরত ইবন মাসউদ (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: মুসলমানকে গালি দেয়া গুনাহের কাজ আর তাকে হত্যা করা কুফরী।
(বুখারী, মুসলিম, তিরমিযী, নাসাঈ, ইবন মাজা বর্ণিত।)
(বুখারী, মুসলিম, তিরমিযী, নাসাঈ, ইবন মাজা বর্ণিত।)
كتاب الأدب
الترهيب من السباب واللعن لا سيما لمعين آدميا كان أو دابة وغيرهما وبعض ما جاء في النهي عن سب الديك والبرغوث والريح والترهيب من قذف المحصنة والمملوك
4230- وَعَن ابْن مَسْعُود رَضِي الله عَنهُ قَالَ قَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم سباب الْمُسلم فسوق وقتاله كفر
رَوَاهُ البُخَارِيّ وَمُسلم وَالتِّرْمِذِيّ وَالنَّسَائِيّ وَابْن مَاجَه
رَوَاهُ البُخَارِيّ وَمُسلم وَالتِّرْمِذِيّ وَالنَّسَائِيّ وَابْن مَاجَه
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪২৩১
অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
পরিচ্ছেদঃ অনির্দিষ্ট অথবা কোন ব্যক্তি বিশেষকে অথবা কোন প্রাণী বা অন্য কিছুকে উল্লেখ করে কাউকে গালি দেওয়া অথবা লা'নত দেয়া এবং মোরগ, বিচ্ছু ও বাতাসকে গালি ও লা'নত দেয়ার প্রতি ভীতি প্রদর্শন এবং সতী-সাধ্বী ও দাস-দাসীর প্রতি অপবাদ দেয়ার প্রতি ভীতি প্রদর্শন
৪২৩১. হযরত আবদুল্লাহ ইবন আমর (রা) থেকে মারফু' সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, মুসলমানকে গালি দেয়া তাকে হত্যা করার সমতুল্য।
(বাযযার উত্তম সনদে উক্ত হাদীসটি বর্ণনা করেন।)
(বাযযার উত্তম সনদে উক্ত হাদীসটি বর্ণনা করেন।)
كتاب الأدب
الترهيب من السباب واللعن لا سيما لمعين آدميا كان أو دابة وغيرهما وبعض ما جاء في النهي عن سب الديك والبرغوث والريح والترهيب من قذف المحصنة والمملوك
4231- وَعَن عبد الله بن عَمْرو رَضِي الله عَنْهُمَا رَفعه قَالَ سباب الْمُسلم كالمشرف على الهلكة
رَوَاهُ الْبَزَّار بِإِسْنَاد جيد
رَوَاهُ الْبَزَّار بِإِسْنَاد جيد
তাহকীক: