আত্-তারগীব ওয়াত্-তারহীব- ইমাম মুনযিরী রহঃ
الترغيب والترهيب للمنذري
২২. অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার - এর পরিচ্ছেদসমূহ
মোট হাদীস ৭৫৪ টি
হাদীস নং: ৪২৫২
অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
পরিচ্ছেদঃ অনির্দিষ্ট অথবা কোন ব্যক্তি বিশেষকে অথবা কোন প্রাণী বা অন্য কিছুকে উল্লেখ করে কাউকে গালি দেওয়া অথবা লা'নত দেয়া এবং মোরগ, বিচ্ছু ও বাতাসকে গালি ও লা'নত দেয়ার প্রতি ভীতি প্রদর্শন এবং সতী-সাধ্বী ও দাস-দাসীর প্রতি অপবাদ দেয়ার প্রতি ভীতি প্রদর্শন
৪২৫২. হযরত আনাস (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন: একবার আমরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট ছিলাম। একটি বিচ্ছু এক ব্যক্তিকে দংশন করে। ফলে, সে তাকে লা'নত দেয়। নবী (ﷺ) তাকে বলেন: তুমি সেটিকে লা'নত দিয়ো না। কেননা, একবার তা একজন নবীকে সালাতের জন্য জাগ্রত করে।
(আবু ই'আলা নিজ শব্দে ও বাযযার। তবে তার বর্ণনা এরূপ: তুমি তাকে গালি দিয়ো না। কেননা, তা ফজরের সালাত আদায়ের জন্য একজন নবীকে জাগ্রত করে। উক্ত সনদে সুয়ায়দ ইব্ন ইব্রাহীম ব্যতীত অন্যান্য বর্ণনাকারীদের বর্ণনা বিশুদ্ধ। তাবারানী (র) ও আওসাত গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন। তাঁর শব্দমালা এরূপ: "একবার রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ)-এর কাছে বিচ্ছু সম্পর্কে আলোচনা করা হলে তিনি বলেন: তা সালাতে জাগ্রত করে।" সাঈদ ইব্ন বাশীর ব্যতীত তাবারানীর অন্যান্য বর্ণনাকারীগণ বিশুদ্ধ।)
(আবু ই'আলা নিজ শব্দে ও বাযযার। তবে তার বর্ণনা এরূপ: তুমি তাকে গালি দিয়ো না। কেননা, তা ফজরের সালাত আদায়ের জন্য একজন নবীকে জাগ্রত করে। উক্ত সনদে সুয়ায়দ ইব্ন ইব্রাহীম ব্যতীত অন্যান্য বর্ণনাকারীদের বর্ণনা বিশুদ্ধ। তাবারানী (র) ও আওসাত গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন। তাঁর শব্দমালা এরূপ: "একবার রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ)-এর কাছে বিচ্ছু সম্পর্কে আলোচনা করা হলে তিনি বলেন: তা সালাতে জাগ্রত করে।" সাঈদ ইব্ন বাশীর ব্যতীত তাবারানীর অন্যান্য বর্ণনাকারীগণ বিশুদ্ধ।)
كتاب الأدب
الترهيب من السباب واللعن لا سيما لمعين آدميا كان أو دابة وغيرهما وبعض ما جاء في النهي عن سب الديك والبرغوث والريح والترهيب من قذف المحصنة والمملوك
4252- وَعَن أنس رَضِي الله عَنهُ قَالَ كُنَّا عِنْد رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم فلدغت رجلا برغوث فلعنها فَقَالَ النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم لَا تلعنها فَإِنَّهَا نبهت نَبيا من الْأَنْبِيَاء للصَّلَاة
رَوَاهُ أَبُو يعلى وَاللَّفْظ لَهُ وَالْبَزَّار إِلَّا أَنه قَالَ لَا تسبه فَإِنَّهُ أيقظ نَبيا من الْأَنْبِيَاء لصَلَاة الصُّبْح
وَرُوَاته رُوَاة الصَّحِيح إِلَّا سُوَيْد بن إِبْرَاهِيم وَرَوَاهُ الطَّبَرَانِيّ فِي الْأَوْسَط وَلَفظه ذكرت البراغيث عِنْد رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم فَقَالَ إِنَّهَا توقظ للصَّلَاة
ورواة الطَّبَرَانِيّ ثِقَات إِلَّا سعيد بن بشير
رَوَاهُ أَبُو يعلى وَاللَّفْظ لَهُ وَالْبَزَّار إِلَّا أَنه قَالَ لَا تسبه فَإِنَّهُ أيقظ نَبيا من الْأَنْبِيَاء لصَلَاة الصُّبْح
وَرُوَاته رُوَاة الصَّحِيح إِلَّا سُوَيْد بن إِبْرَاهِيم وَرَوَاهُ الطَّبَرَانِيّ فِي الْأَوْسَط وَلَفظه ذكرت البراغيث عِنْد رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم فَقَالَ إِنَّهَا توقظ للصَّلَاة
ورواة الطَّبَرَانِيّ ثِقَات إِلَّا سعيد بن بشير
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪২৫৩
অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
পরিচ্ছেদঃ অনির্দিষ্ট অথবা কোন ব্যক্তি বিশেষকে অথবা কোন প্রাণী বা অন্য কিছুকে উল্লেখ করে কাউকে গালি দেওয়া অথবা লা'নত দেয়া এবং মোরগ, বিচ্ছু ও বাতাসকে গালি ও লা'নত দেয়ার প্রতি ভীতি প্রদর্শন এবং সতী-সাধ্বী ও দাস-দাসীর প্রতি অপবাদ দেয়ার প্রতি ভীতি প্রদর্শন
৪২৫৩. হযরত আলী ইবন আবু তালিব (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন: একবার আমরা কোথাও অবস্থান করছিলাম। সেখানে বিচ্ছু আমাদের কষ্ট দেয়। সুতরাং আমি তাকে গালি দেই। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেনঃ তোমরা তাকে গালি দিও না। কেননা, তা কতই উত্তম জীব। কারণ তা তোমাদেরকে আল্লাহর যিকরের জন্য জাগ্রত করে।
(তাবারানীর আওসাত গ্রন্থে বর্ণিত।)
(তাবারানীর আওসাত গ্রন্থে বর্ণিত।)
كتاب الأدب
الترهيب من السباب واللعن لا سيما لمعين آدميا كان أو دابة وغيرهما وبعض ما جاء في النهي عن سب الديك والبرغوث والريح والترهيب من قذف المحصنة والمملوك
4253- وَرُوِيَ عَن عَليّ بن أبي طَالب رَضِي الله عَنهُ قَالَ نزلنَا منزلا فآذتنا البراغيث فسببناها فَقَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم لَا تسبوها فنعمت الدَّابَّة فَإِنَّهَا أيقظتكم لذكر الله
رَوَاهُ الطَّبَرَانِيّ فِي الْأَوْسَط
رَوَاهُ الطَّبَرَانِيّ فِي الْأَوْسَط
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪২৫৪
অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
পরিচ্ছেদঃ অনির্দিষ্ট অথবা কোন ব্যক্তি বিশেষকে অথবা কোন প্রাণী বা অন্য কিছুকে উল্লেখ করে কাউকে গালি দেওয়া অথবা লা'নত দেয়া এবং মোরগ, বিচ্ছু ও বাতাসকে গালি ও লা'নত দেয়ার প্রতি ভীতি প্রদর্শন এবং সতী-সাধ্বী ও দাস-দাসীর প্রতি অপবাদ দেয়ার প্রতি ভীতি প্রদর্শন
৪২৫৪. হযরত ইবন আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত। একদা এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট থেকে বাতাসকে অভিশাপ দেয়। তখন তিনি বলেন: তুমি বাতাসকে অভিশাপ দিও না। কেননা, তা আদিষ্ট। যে ব্যক্তি কোন বস্তুকে অভিশাপ দেয় অথচ তা অভিশাপ পাওয়ার যোগ্য নয়। তখন সে অভিশাপ অভিশাপদাতার উপর বর্তায়।
(আবূ দাউদ, তিরমিযী, ইবন হিব্বানের সহীহ গ্রন্থে বর্ণিত। তিরমিযী (র) বলেন: হাদীসটি গরীব। কেননা, বিশর ইবন উমার ব্যতীত কেউ উক্ত হাদীস সনদসূত্রে বর্ণনা করেছেন বলে আমার জানা নেই।
(হাফিয মুনযিরী (র) বলেন: এই বিশর একজন বিশ্বস্ত রাবী। ইমাম বুখারী, মুসলিম ও অন্যান্যগণ তাঁর বর্ণনা দলীল হিসেবে গ্রহণ করেছেন। আর ত্রুটি-বিচ্যুতির ব্যাপারে আমার জানা নেই।)
(আবূ দাউদ, তিরমিযী, ইবন হিব্বানের সহীহ গ্রন্থে বর্ণিত। তিরমিযী (র) বলেন: হাদীসটি গরীব। কেননা, বিশর ইবন উমার ব্যতীত কেউ উক্ত হাদীস সনদসূত্রে বর্ণনা করেছেন বলে আমার জানা নেই।
(হাফিয মুনযিরী (র) বলেন: এই বিশর একজন বিশ্বস্ত রাবী। ইমাম বুখারী, মুসলিম ও অন্যান্যগণ তাঁর বর্ণনা দলীল হিসেবে গ্রহণ করেছেন। আর ত্রুটি-বিচ্যুতির ব্যাপারে আমার জানা নেই।)
كتاب الأدب
الترهيب من السباب واللعن لا سيما لمعين آدميا كان أو دابة وغيرهما وبعض ما جاء في النهي عن سب الديك والبرغوث والريح والترهيب من قذف المحصنة والمملوك
4254- وَعَن ابْن عَبَّاس رَضِي الله عَنْهُمَا أَن رجلا لعن الرّيح عِنْد رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم فَقَالَ لَا تلعن الرّيح فَإِنَّهَا مأمورة من لعن شَيْئا لَيْسَ لَهُ بِأَهْل رجعت اللَّعْنَة عَلَيْهِ
رَوَاهُ أَبُو دَاوُد وَالتِّرْمِذِيّ وَابْن حبَان فِي صَحِيحه وَقَالَ التِّرْمِذِيّ حَدِيث غَرِيب لَا نعلم أحدا أسْندهُ غير بشر بن عمر
قَالَ الْحَافِظ وَبشر هَذَا ثِقَة احْتج بِهِ البُخَارِيّ وَمُسلم وَغَيرهمَا وَلَا أعلم فِيهِ جرحا
رَوَاهُ أَبُو دَاوُد وَالتِّرْمِذِيّ وَابْن حبَان فِي صَحِيحه وَقَالَ التِّرْمِذِيّ حَدِيث غَرِيب لَا نعلم أحدا أسْندهُ غير بشر بن عمر
قَالَ الْحَافِظ وَبشر هَذَا ثِقَة احْتج بِهِ البُخَارِيّ وَمُسلم وَغَيرهمَا وَلَا أعلم فِيهِ جرحا
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪২৫৫
অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
পরিচ্ছেদঃ অনির্দিষ্ট অথবা কোন ব্যক্তি বিশেষকে অথবা কোন প্রাণী বা অন্য কিছুকে উল্লেখ করে কাউকে গালি দেওয়া অথবা লা'নত দেয়া এবং মোরগ, বিচ্ছু ও বাতাসকে গালি ও লা'নত দেয়ার প্রতি ভীতি প্রদর্শন এবং সতী-সাধ্বী ও দাস-দাসীর প্রতি অপবাদ দেয়ার প্রতি ভীতি প্রদর্শন
৪২৫৫. হযরত আবু হুরায়রা (রা) সূত্রে নবী (ﷺ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেন: তোমরা সাতটি ধাংসাত্মক কাজ থেকে বেঁচে থাকবে। সাহাবায়ে কিরাম বলেন: ইয়া রাসুলাল্লাহ। সেগুলো কি কি? তিনি বলেন: তা হল ১. আল্লাহর সাথে শরীক করা, ২. আল্লাহ যাকে হত্যা করা হারাম করেছেন, এমন ব্যক্তিকে অন্যায়ভাবে হত্যা করা, ৪. সুদ খাওয়া, ৫. ইয়াতীমের সম্পদ ভক্ষণ করা, ৬. জিহাদের ময়দান থেকে পালিয়ে আসা এবং ৭. সরলমতি সতী-সাধ্বী মু'মিন নারীর প্রতি ব্যভিচারের অপবাদ দেওয়া।
(বুখারী ও মুসলিম বর্ণিত।)
(বুখারী ও মুসলিম বর্ণিত।)
كتاب الأدب
الترهيب من السباب واللعن لا سيما لمعين آدميا كان أو دابة وغيرهما وبعض ما جاء في النهي عن سب الديك والبرغوث والريح والترهيب من قذف المحصنة والمملوك
4255- وَعَن أبي هُرَيْرَة رَضِي الله عَنهُ عَن النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم قَالَ اجتنبوا السَّبع الموبقات
قَالُوا يَا رَسُول الله وَمَا هن قَالَ الشّرك بِاللَّه وَالسحر وَقتل النَّفس الَّتِي حرم الله إِلَّا بِالْحَقِّ وَأكل الرِّبَا وَأكل مَال الْيَتِيم والتولي يَوْم الزَّحْف وَقذف الْمُحْصنَات الْغَافِلَات الْمُؤْمِنَات
رَوَاهُ البُخَارِيّ وَمُسلم
قَالُوا يَا رَسُول الله وَمَا هن قَالَ الشّرك بِاللَّه وَالسحر وَقتل النَّفس الَّتِي حرم الله إِلَّا بِالْحَقِّ وَأكل الرِّبَا وَأكل مَال الْيَتِيم والتولي يَوْم الزَّحْف وَقذف الْمُحْصنَات الْغَافِلَات الْمُؤْمِنَات
رَوَاهُ البُخَارِيّ وَمُسلم
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪২৫৬
অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
পরিচ্ছেদঃ অনির্দিষ্ট অথবা কোন ব্যক্তি বিশেষকে অথবা কোন প্রাণী বা অন্য কিছুকে উল্লেখ করে কাউকে গালি দেওয়া অথবা লা'নত দেয়া এবং মোরগ, বিচ্ছু ও বাতাসকে গালি ও লা'নত দেয়ার প্রতি ভীতি প্রদর্শন এবং সতী-সাধ্বী ও দাস-দাসীর প্রতি অপবাদ দেয়ার প্রতি ভীতি প্রদর্শন
৪২৫৬. নবী (ﷺ) ইয়ামান বাসীর প্রতি যে পত্র লিখেছিলেন, তাতে রয়েছে: কিয়ামতের দিন আল্লাহর নিকট যে কাজগুলো গুরুতর বিবেচিত হবে, তা হচ্ছে এই আল্লাহর সাথে শরীক করা, অন্যায়ভাবে কোন মু'মিনকে হত্যা করা, যুদ্ধের দিন জিহাদের ময়দান থেকে পালিয়ে যাওয়া, পিতা-মাতার অবাধ্য হওয়া, সতী-সাধ্বী নারীর প্রতি ব্যভিচারের অপবাদ দেওয়া এবং যাদু শিক্ষা করা। আল-হাদীস।
(ইবন হিব্বান (র) আবূ বাকর ইবন মুহাম্মাদ ইবন আমর ইবন হাযম (র)-এর হাদীস হতে। তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা সূত্রে বর্ণনা করেন।)
(ইবন হিব্বান (র) আবূ বাকর ইবন মুহাম্মাদ ইবন আমর ইবন হাযম (র)-এর হাদীস হতে। তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা সূত্রে বর্ণনা করেন।)
كتاب الأدب
الترهيب من السباب واللعن لا سيما لمعين آدميا كان أو دابة وغيرهما وبعض ما جاء في النهي عن سب الديك والبرغوث والريح والترهيب من قذف المحصنة والمملوك
4256- وَفِي كتاب النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم الَّذِي كتبه إِلَى أهل الْيمن قَالَ وَإِن أكبر الْكَبَائِر عِنْد الله يَوْم الْقِيَامَة الْإِشْرَاك بِاللَّه وَقتل النَّفس المؤمنة بِغَيْر الْحق والفرار فِي سَبِيل الله يَوْم الزَّحْف وعقوق الْوَالِدين وَرمي المحصنة وَتعلم السحر الحَدِيث
رَوَاهُ ابْن حبَان فِي
صَحِيحه من حَدِيث أبي بكر بن مُحَمَّد بن عَمْرو بن حزم عَن أَبِيه عَن جده
رَوَاهُ ابْن حبَان فِي
صَحِيحه من حَدِيث أبي بكر بن مُحَمَّد بن عَمْرو بن حزم عَن أَبِيه عَن جده
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪২৫৭
অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
পরিচ্ছেদঃ অনির্দিষ্ট অথবা কোন ব্যক্তি বিশেষকে অথবা কোন প্রাণী বা অন্য কিছুকে উল্লেখ করে কাউকে গালি দেওয়া অথবা লা'নত দেয়া এবং মোরগ, বিচ্ছু ও বাতাসকে গালি ও লা'নত দেয়ার প্রতি ভীতি প্রদর্শন এবং সতী-সাধ্বী ও দাস-দাসীর প্রতি অপবাদ দেয়ার প্রতি ভীতি প্রদর্শন
৪২৫৭. হযরত আবু দারদা (রা) সূত্রে নবী (ﷺ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেন: যে ব্যক্তি কাউকে কলংকিত করার উদ্দেশ্যে এমন দোষে দোষারোপ করে, যা তার মধ্যে নেই, আল্লাহ তাকে জাহান্নামে পাপের প্রায়চিত্ত না হওয়া পর্যন্ত আটকে রাখাবেন।
(তাবারানী উত্তম সনদে বর্ণনা করেন। ইনশাআল্লাহ্ "গীবত অধ্যায়ে" উক্ত হাদীস ও অন্যান্য হাদীস সামনে আসবে।)
(তাবারানী উত্তম সনদে বর্ণনা করেন। ইনশাআল্লাহ্ "গীবত অধ্যায়ে" উক্ত হাদীস ও অন্যান্য হাদীস সামনে আসবে।)
كتاب الأدب
الترهيب من السباب واللعن لا سيما لمعين آدميا كان أو دابة وغيرهما وبعض ما جاء في النهي عن سب الديك والبرغوث والريح والترهيب من قذف المحصنة والمملوك
4257- وَعَن أبي الدَّرْدَاء رَضِي الله عَنهُ عَن النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم قَالَ من ذكر امْرأ بِشَيْء لَيْسَ فِيهِ ليعيبه بِهِ حَبسه الله فِي نَار جَهَنَّم حَتَّى يَأْتِي بنفاد مَا قَالَ فِيهِ
رَوَاهُ الطَّبَرَانِيّ بِإِسْنَاد جيد وَيَأْتِي هُوَ وَغَيره فِي الْغَيْبَة إِن شَاءَ الله تَعَالَى
رَوَاهُ الطَّبَرَانِيّ بِإِسْنَاد جيد وَيَأْتِي هُوَ وَغَيره فِي الْغَيْبَة إِن شَاءَ الله تَعَالَى
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪২৫৮
অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
পরিচ্ছেদঃ অনির্দিষ্ট অথবা কোন ব্যক্তি বিশেষকে অথবা কোন প্রাণী বা অন্য কিছুকে উল্লেখ করে কাউকে গালি দেওয়া অথবা লা'নত দেয়া এবং মোরগ, বিচ্ছু ও বাতাসকে গালি ও লা'নত দেয়ার প্রতি ভীতি প্রদর্শন এবং সতী-সাধ্বী ও দাস-দাসীর প্রতি অপবাদ দেয়ার প্রতি ভীতি প্রদর্শন
৪২৫৮. হযরত আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি তার অধীনস্থ দাস-দাসীর প্রতি ব্যভিচারের অপবাদ দেবে, কিয়ামতের দিন তার উপর অপবাদের শাস্তি প্রয়োগ করা হবে, তবে তার কথা যথার্থ হলে, তা স্বতন্ত্র।
(বুখারী, মুসলিম ও তিরমিযী বর্ণিত। ইমাম তিরমিযী (র) شفقة অধ্যায়ে' উক্ত শব্দমালা যোগে হাদীসটি বর্ণনা করেন।)
(বুখারী, মুসলিম ও তিরমিযী বর্ণিত। ইমাম তিরমিযী (র) شفقة অধ্যায়ে' উক্ত শব্দমালা যোগে হাদীসটি বর্ণনা করেন।)
كتاب الأدب
الترهيب من السباب واللعن لا سيما لمعين آدميا كان أو دابة وغيرهما وبعض ما جاء في النهي عن سب الديك والبرغوث والريح والترهيب من قذف المحصنة والمملوك
4258- وَعَن أبي هُرَيْرَة رَضِي الله عَنهُ قَالَ سَمِعت رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم يَقُول من قذف مَمْلُوكه بِالزِّنَا يُقَام عَلَيْهِ الْحَد يَوْم الْقِيَامَة إِلَّا أَن يكون كَمَا قَالَ
رَوَاهُ البُخَارِيّ وَمُسلم وَالتِّرْمِذِيّ وَتقدم لَفظه فِي الشَّفَقَة
رَوَاهُ البُخَارِيّ وَمُسلم وَالتِّرْمِذِيّ وَتقدم لَفظه فِي الشَّفَقَة
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪২৫৯
অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
পরিচ্ছেদঃ অনির্দিষ্ট অথবা কোন ব্যক্তি বিশেষকে অথবা কোন প্রাণী বা অন্য কিছুকে উল্লেখ করে কাউকে গালি দেওয়া অথবা লা'নত দেয়া এবং মোরগ, বিচ্ছু ও বাতাসকে গালি ও লা'নত দেয়ার প্রতি ভীতি প্রদর্শন এবং সতী-সাধ্বী ও দাস-দাসীর প্রতি অপবাদ দেয়ার প্রতি ভীতি প্রদর্শন
৪২৫৯. হযরত আমর ইবনুল আ'স (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি একবার তার এক ফুফুর সাথে দেখা করতে যান। সে তাকে খানা খাওয়ানোর জন্য দাসীকে ডাকে, কিন্তু সে আসতে বিলম্ব করে। তখন সে বলে: হে ব্যভিচারিনী! তুমি তাড়াতাড়ি করনি কেন? তখন আমর (রা) বলেন: সুবহানাল্লাহ্! আপনি একটি গুরুতর কথা বলেছেন। আপনি কি তাকে ব্যভিচার করতে দেখেছেন? সে বলল: আল্লাহর শপথ, না। তখন তিনি (আমর) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) কে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি কোন নারী কিংবা পুরুষ বা কোন কন্যাকে "হে ব্যভিচারিণী" বলে ডাকল, অথচ সে তাকে ব্যভিচার করতে দেখেনি। কিয়ামতের দিন সেই কন্যা তাকে চাবুক দ্বারা প্রহার করবে। কেননা, দুনিয়াতে তাদের প্রতি শরী'আতের বিধান কার্যকর হয় না।
(হাকিম বর্ণিত। তিনি বলেনঃ হাদীসটির সনদ সহীহ।
[হাফিয আবদুল আযীম মুনযিরী (র) বলেন]: আবদুল মালিক ইবন হারুন বর্জিত ও মিথ্যার অভিযোগে অভিযুক্ত হওয়া সত্ত্বেও কিভাবে বিশ্বস্ত হতে পারেন? এ অধ্যায়ে অনুরূপ অনেক হাদীস বর্ণিত হয়েছে। সুতরাং তা পুনরায় উল্লেখ করিনি।)
(হাকিম বর্ণিত। তিনি বলেনঃ হাদীসটির সনদ সহীহ।
[হাফিয আবদুল আযীম মুনযিরী (র) বলেন]: আবদুল মালিক ইবন হারুন বর্জিত ও মিথ্যার অভিযোগে অভিযুক্ত হওয়া সত্ত্বেও কিভাবে বিশ্বস্ত হতে পারেন? এ অধ্যায়ে অনুরূপ অনেক হাদীস বর্ণিত হয়েছে। সুতরাং তা পুনরায় উল্লেখ করিনি।)
كتاب الأدب
الترهيب من السباب واللعن لا سيما لمعين آدميا كان أو دابة وغيرهما وبعض ما جاء في النهي عن سب الديك والبرغوث والريح والترهيب من قذف المحصنة والمملوك
4259 - وَعَن عَمْرو بن الْعَاصِ رَضِي الله عَنهُ أَنه زار عمَّة لَهُ فدعَتْ لَهُ بِطَعَام فأبطأت الْجَارِيَة فَقَالَت أَلا تستعجلي يَا زَانِيَة فَقَالَ عَمْرو سُبْحَانَ الله لقد قلت عَظِيما هَل اطَّلَعت مِنْهَا على زنا قَالَت لَا وَالله فَقَالَ إِنِّي سَمِعت رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم يَقُول أَيّمَا عبد أَو امْرَأَة قَالَ أَو قَالَت لوليدتها يَا زَانِيَة وَلم تطلع مِنْهَا على زنا جلدتها وليدتها يَوْم الْقِيَامَة لِأَنَّهُ لَا حد لَهُنَّ فِي الدُّنْيَا
رَوَاهُ الْحَاكِم وَقَالَ صَحِيح الْإِسْنَاد
قَالَ الْحَافِظ كَيفَ وَعبد الْملك بن هَارُون مَتْرُوك مُتَّهم وَتقدم فِي الشَّفَقَة أَحَادِيث من هَذَا الْبَاب لم نعدها هُنَا
رَوَاهُ الْحَاكِم وَقَالَ صَحِيح الْإِسْنَاد
قَالَ الْحَافِظ كَيفَ وَعبد الْملك بن هَارُون مَتْرُوك مُتَّهم وَتقدم فِي الشَّفَقَة أَحَادِيث من هَذَا الْبَاب لم نعدها هُنَا
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪২৬০
অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
পরিচ্ছেদঃ সময়কে গালি দেওয়ার প্রতি ভীতি প্রদর্শন
৪২৬০. হযরত আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) বলেন, আল্লাহ্ তা'আলা বলেছেন : বনী আদম সময়কে গালি দেয়, অথচ আমিই সময়ের স্রষ্টা। কেননা, আমার হাতেই রাত ও দিন (নিয়ন্ত্রিত হয়)।
كتاب الأدب
التَّرْهِيب من سبّ الدَّهْر
4260- عَن أبي هُرَيْرَة رَضِي الله عَنهُ قَالَ قَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم قَالَ الله تَعَالَى يسب بَنو آدم الدَّهْر وَأَنا الدَّهْر بيَدي اللَّيْل وَالنَّهَار
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪২৬১
অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
পরিচ্ছেদঃ সময়কে গালি দেওয়ার প্রতি ভীতি প্রদর্শন
৪২৬১. অন্য বর্ণনায় আছে: আমি রাত ও দিনকে পরিচালনা করি। আমি যখন ইচ্ছা করব, তখন দু'টোকেই সংকুচিত করে দেই।
(বুখারী, মুসলিম ও অন্যান্যগণ বর্ণনা করেন।)
(বুখারী, মুসলিম ও অন্যান্যগণ বর্ণনা করেন।)
كتاب الأدب
التَّرْهِيب من سبّ الدَّهْر
4261- وَفِي رِوَايَة أقلب ليله ونهاره وَإِذا شِئْت قبضتهما
رَوَاهُ البُخَارِيّ وَمُسلم وَغَيرهمَا
رَوَاهُ البُخَارِيّ وَمُسلم وَغَيرهمَا
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪২৬২
অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
পরিচ্ছেদঃ সময়কে গালি দেওয়ার প্রতি ভীতি প্রদর্শন
৪২৬২. ইমাম মুসলিম (র)-এর অন্য বর্ণনায় আছে: "তোমাদের কেউ যেন সময়কে গালি না দেয়। কেননা, আল্লাহ্ সময়ের স্রষ্টা।
كتاب الأدب
التَّرْهِيب من سبّ الدَّهْر
4262- وَفِي رِوَايَة لمُسلم لَا يسب أحدكُم الدَّهْر فَإِن الله هُوَ الدَّهْر
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪২৬৩
অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
পরিচ্ছেদঃ সময়কে গালি দেওয়ার প্রতি ভীতি প্রদর্শন
৪২৬৩. ইমাম বুখারী (র) অন্য বর্ণনায় আছেঃ "তোমরা আঙ্গুরকে করম নামকরণ করোনা এবং তোমরা বলো না যে, সময় ধ্বংস হোক। কেননা, আল্লাহ্-ই কালের গতি নির্ধারণকারী।"
كتاب الأدب
التَّرْهِيب من سبّ الدَّهْر
4263- وَفِي رِوَايَة البُخَارِيّ لَا تسموا الْعِنَب الْكَرم وَلَا تَقولُوا خيبة الدَّهْر فَإِن الله هُوَ الدَّهْر
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪২৬৪
অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
পরিচ্ছেদঃ সময়কে গালি দেওয়ার প্রতি ভীতি প্রদর্শন
৪২৬৪. হযরত আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, আল্লাহ্ তা'আলা বলেছেনঃ বনী আদম আমাকে কষ্ট দেয়, সে বলে, কাল ধ্বংস হোক। কাজেই, তোমাদের কেউ যেন "কাল ধ্বংস হোক" একথা না বলে। কেননা, আমিই সময় নিয়ন্ত্রণকারী, রাত ও দিনকে আমিই পরিবর্তন করে থাকি।
(আবু দাউদ ও হাকিম বর্ণিত। তিনি বলেন: ইমাম মুসলিম (র)-এর শর্তানুসারে হাদীসটি সহীহ।)
(আবু দাউদ ও হাকিম বর্ণিত। তিনি বলেন: ইমাম মুসলিম (র)-এর শর্তানুসারে হাদীসটি সহীহ।)
كتاب الأدب
التَّرْهِيب من سبّ الدَّهْر
4264- وَعنهُ رَضِي الله عَنهُ قَالَ قَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم قَالَ الله عز وَجل يُؤْذِينِي ابْن آدم يَقُول يَا خيبة الدَّهْر فَلَا يقل أحدكُم يَا خيبة الدَّهْر فَإِنِّي أَنا الدَّهْر أقلب ليله ونهاره
رَوَاهُ أَبُو دواد وَالْحَاكِم وَقَالَ صَحِيح على شَرط مُسلم
رَوَاهُ أَبُو دواد وَالْحَاكِم وَقَالَ صَحِيح على شَرط مُسلم
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪২৬৫
অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
পরিচ্ছেদঃ সময়কে গালি দেওয়ার প্রতি ভীতি প্রদর্শন
৪২৬৫. ইমাম মালিক (র) সংক্ষিপ্তভাবে উক্ত হাদীসটি এরূপ বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) বলেছেন: "তোমাদের কেউ যেন এরূপ না বলে "কাল ধ্বংস হোক"। কেননা, কালের নিয়ন্ত্রণকারী স্বয়ং আল্লাহ্।"
كتاب الأدب
التَّرْهِيب من سبّ الدَّهْر
4265- وَرَوَاهُ مَالك مُخْتَصرا أَن رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم قَالَ لَا يقل أحدكُم يَا خيبة الدَّهْر فَإِن الله هُوَ الدَّهْر
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪২৬৬
অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
পরিচ্ছেদঃ সময়কে গালি দেওয়ার প্রতি ভীতি প্রদর্শন
৪২৬৬. হাকিমের অন্য বর্ণনায় আছে। রাসুলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: আল্লাহ (কিয়ামতের দিন বলবেনঃ আমি আমার বান্দার নিকট ঋণ চেয়েছিলাম, কিন্তু সে আমাকে ঋণ দেয়নি, না জেনে বান্দা আমাকে গালি দিয়েছে। সে বলে: হায়রে কাল, হায়রে কাল! অথচ আমিই কালের নিয়ন্ত্রক।
[হাকিম (র) বলেন) হাদীসটি ইমাম মুসলিমের শর্তানুসারে বিশুদ্ধ। বায়হাকী নিজ শব্দে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: তোমরা সময়কে গালি দিওনা। কেননা, আল্লাহ বলেছেন: আমিই কালের নিয়ন্ত্রক। দিন ও রাতকে নতুনভাবে আনয়ন করি, আবার পুরাতন করি। এক বাদশাহের পর অন্য বাদশাহকে প্রতিষ্ঠিত করি।
[হাফিয মুনযিরী (র) বলেন। হাদীসের মর্ম হচ্ছে এইঃ জাহিলী যুগে আরবরা কারো প্রতি বিপদ এলে অথবা কোন কষ্টে পতিত হলে, তারা সময়কে গালি দিত। কেননা, তাদের বিশ্বাস ছিল, সময় তাদের বিপদে ফেলেছে। যেমন আরবরা নক্ষত্রের লক্ষণ দ্বারা বৃষ্টি কামনা করত। তারা বলত অমুক নক্ষত্রের কারণে বৃষ্টি দেওয়া হয়েছে। আর তা (বৃষ্টি বর্ষণ) নক্ষত্রের কাজ বলেই তারা বিশ্বাস করত। এই ধরনের লা'নত দ্বারা তা স্রষ্টাকেই লা'নত করা হয়। প্রকৃতপক্ষে প্রত্যেক বস্তুর স্রষ্টাকেই লা'নত করা হয়। বস্তুত প্রত্যেক বস্তুর সৃষ্টি এবং ক্রিয়া আল্লাহর কুদরতেই নিয়ন্ত্রিত হয়। এ কারণেই নবী (ﷺ) সময়কে গালি দিতে নিষেধ করেছেন। أنا الدهر শব্দটির “ر ” বর্ণের উপর পেশ যা মুহাদ্দিসগণ বর্ণনা করেছেন, তা ইবন দাউদ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, যদি অনুরূপ হয় তবে তা আল্লাহর নামের অর্ন্তভুক্ত হয়ে যায়। তার মধ্যে শব্দটি এরূপ হবে। أنا الدهر أقلب الليل والنهار (আমি কাল নিয়ন্ত্রণকারী, দিন রাতের বিবর্তন আমার নিয়ন্ত্রণে) কোন কোন মুহাদ্দিস ইবন দাউদের অভিমতটিকে প্রাধান্য দিয়েছেন। আর যাদের বর্ণনায় الدهر রয়েছে- জামহুর মুহাদ্দিস “ر ” বর্ণের উপর 'পেশ' গ্রহণে অনিচ্ছুিক। আল্লাহ্ সর্বজ্ঞ।
[হাকিম (র) বলেন) হাদীসটি ইমাম মুসলিমের শর্তানুসারে বিশুদ্ধ। বায়হাকী নিজ শব্দে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: তোমরা সময়কে গালি দিওনা। কেননা, আল্লাহ বলেছেন: আমিই কালের নিয়ন্ত্রক। দিন ও রাতকে নতুনভাবে আনয়ন করি, আবার পুরাতন করি। এক বাদশাহের পর অন্য বাদশাহকে প্রতিষ্ঠিত করি।
[হাফিয মুনযিরী (র) বলেন। হাদীসের মর্ম হচ্ছে এইঃ জাহিলী যুগে আরবরা কারো প্রতি বিপদ এলে অথবা কোন কষ্টে পতিত হলে, তারা সময়কে গালি দিত। কেননা, তাদের বিশ্বাস ছিল, সময় তাদের বিপদে ফেলেছে। যেমন আরবরা নক্ষত্রের লক্ষণ দ্বারা বৃষ্টি কামনা করত। তারা বলত অমুক নক্ষত্রের কারণে বৃষ্টি দেওয়া হয়েছে। আর তা (বৃষ্টি বর্ষণ) নক্ষত্রের কাজ বলেই তারা বিশ্বাস করত। এই ধরনের লা'নত দ্বারা তা স্রষ্টাকেই লা'নত করা হয়। প্রকৃতপক্ষে প্রত্যেক বস্তুর স্রষ্টাকেই লা'নত করা হয়। বস্তুত প্রত্যেক বস্তুর সৃষ্টি এবং ক্রিয়া আল্লাহর কুদরতেই নিয়ন্ত্রিত হয়। এ কারণেই নবী (ﷺ) সময়কে গালি দিতে নিষেধ করেছেন। أنا الدهر শব্দটির “ر ” বর্ণের উপর পেশ যা মুহাদ্দিসগণ বর্ণনা করেছেন, তা ইবন দাউদ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, যদি অনুরূপ হয় তবে তা আল্লাহর নামের অর্ন্তভুক্ত হয়ে যায়। তার মধ্যে শব্দটি এরূপ হবে। أنا الدهر أقلب الليل والنهار (আমি কাল নিয়ন্ত্রণকারী, দিন রাতের বিবর্তন আমার নিয়ন্ত্রণে) কোন কোন মুহাদ্দিস ইবন দাউদের অভিমতটিকে প্রাধান্য দিয়েছেন। আর যাদের বর্ণনায় الدهر রয়েছে- জামহুর মুহাদ্দিস “ر ” বর্ণের উপর 'পেশ' গ্রহণে অনিচ্ছুিক। আল্লাহ্ সর্বজ্ঞ।
كتاب الأدب
التَّرْهِيب من سبّ الدَّهْر
4266- وَفِي رِوَايَة للْحَاكِم قَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم يَقُول الله استقرضت عَبدِي فَلم يقرضني وَشَتَمَنِي عَبدِي وَهُوَ لَا يدْرِي يَقُول وادهراه وادهراه وَأَنا الدَّهْر
قَالَ الْحَاكِم صَحِيح على شَرط مُسلم وَرَوَاهُ الْبَيْهَقِيّ وَلَفظه قَالَ قَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم لَا تسبوا الدَّهْر قَالَ الله عز وَجل أَنا الدَّهْر الْأَيَّام والليالي أجددها وأبليها وَآتِي بملوك بعد مُلُوك
قَالَ الْحَافِظ وَمعنى الحَدِيث أَن الْعَرَب كَانَت إِذا أنزلت بأحدهم نازلة وأصابته مُصِيبَة أَو مَكْرُوه يسب الدَّهْر اعتقادا مِنْهُم أَن الَّذِي أَصَابَهُ فعل الدَّهْر كَمَا كَانَت الْعَرَب تستمطر بالأنواء وَتقول مُطِرْنَا بِنَوْء كَذَا اعتقادا أَن فعل ذَلِك فعل الأنواء فَكَانَ هَذَا كاللعن للْفَاعِل وَلَا فَاعل لكل شَيْء إِلَّا الله تَعَالَى خَالق كل شَيْء وَفعله فنهاهم النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم عَن ذَلِك وَكَانَ أَبُو دَاوُد يُنكر رِوَايَة أهل الحَدِيث وَأَنا الدَّهْر بِضَم الرَّاء وَيَقُول لَو كَانَ كَذَلِك كَانَ الدَّهْر اسْما من أَسمَاء الله عز وَجل وَكَانَ يرويهِ وَأَنا الدَّهْر أقلب اللَّيْل وَالنَّهَار بِفَتْح رَاء الدَّهْر على الظّرْف مَعْنَاهُ أَنا طول الدَّهْر وَالزَّمَان أقلب اللَّيْل وَالنَّهَار وَرجح هَذَا بَعضهم وَرِوَايَة من قَالَ فَإِن الله هُوَ الدَّهْر يرد هَذَا الْجُمْهُور على ضم الرَّاء وَالله أعلم
قَالَ الْحَاكِم صَحِيح على شَرط مُسلم وَرَوَاهُ الْبَيْهَقِيّ وَلَفظه قَالَ قَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم لَا تسبوا الدَّهْر قَالَ الله عز وَجل أَنا الدَّهْر الْأَيَّام والليالي أجددها وأبليها وَآتِي بملوك بعد مُلُوك
قَالَ الْحَافِظ وَمعنى الحَدِيث أَن الْعَرَب كَانَت إِذا أنزلت بأحدهم نازلة وأصابته مُصِيبَة أَو مَكْرُوه يسب الدَّهْر اعتقادا مِنْهُم أَن الَّذِي أَصَابَهُ فعل الدَّهْر كَمَا كَانَت الْعَرَب تستمطر بالأنواء وَتقول مُطِرْنَا بِنَوْء كَذَا اعتقادا أَن فعل ذَلِك فعل الأنواء فَكَانَ هَذَا كاللعن للْفَاعِل وَلَا فَاعل لكل شَيْء إِلَّا الله تَعَالَى خَالق كل شَيْء وَفعله فنهاهم النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم عَن ذَلِك وَكَانَ أَبُو دَاوُد يُنكر رِوَايَة أهل الحَدِيث وَأَنا الدَّهْر بِضَم الرَّاء وَيَقُول لَو كَانَ كَذَلِك كَانَ الدَّهْر اسْما من أَسمَاء الله عز وَجل وَكَانَ يرويهِ وَأَنا الدَّهْر أقلب اللَّيْل وَالنَّهَار بِفَتْح رَاء الدَّهْر على الظّرْف مَعْنَاهُ أَنا طول الدَّهْر وَالزَّمَان أقلب اللَّيْل وَالنَّهَار وَرجح هَذَا بَعضهم وَرِوَايَة من قَالَ فَإِن الله هُوَ الدَّهْر يرد هَذَا الْجُمْهُور على ضم الرَّاء وَالله أعلم
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪২৬৭
অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
পরিচ্ছেদঃ কোন মুসলমানকে ভয় দেখানো অথবা অস্ত্র দ্বারা ইংগিত করা, চাই তা কার্যকরভাবে হোক কি ঠাট্টাচ্ছলে ইত্যাদি কাজের প্রতি ভীতি প্রদর্শন
৪২৬৭. হযরত আবদুর রহমান ইবন আবু লায়লা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন: আমাদের নিকট মুহাম্মাদ (ﷺ)-এর সাহাবীগণ এই মর্মে একটি ঘটনা বর্ণনা করেছেন যে, একবার তারা নবী (ﷺ)-এর সংগে সফরে বের হন। পথিমধ্যে এক ব্যক্তি ঘুমিয়ে পড়লো। অন্য এক ব্যক্তি তার একটি রশি দ্বারা তাকে বেঁধে ফেলে। ফলে লোকটি ঘাবড়িয়ে গেল। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন: এক মুসলমানকে অন্য মুসলমানের ভয় দেখানো বৈধ নয়।
(আবু দাউদ বর্ণিত।)
(আবু দাউদ বর্ণিত।)
كتاب الأدب
التَّرْهِيب من ترويع الْمُسلم وَمن الْإِشَارَة إِلَيْهِ بسلاح وَنَحْوه جادا أَو مازحا
4267- عَن عبد الرَّحْمَن بن أبي ليلى قَالَ حَدثنَا أَصْحَاب مُحَمَّد صلى الله عَلَيْهِ وَسلم أَنهم كَانُوا يَسِيرُونَ مَعَ النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم فَنَامَ رجل مِنْهُم فَانْطَلق بَعضهم إِلَى حَبل مَعَه فَأَخذه فَفَزعَ فَقَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم لَا يحل لمُسلم أَن يروع مُسلما
رَوَاهُ أَبُو دَاوُد
رَوَاهُ أَبُو دَاوُد
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪২৬৮
অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
পরিচ্ছেদঃ কোন মুসলমানকে ভয় দেখানো অথবা অস্ত্র দ্বারা ইংগিত করা, চাই তা কার্যকরভাবে হোক কি ঠাট্টাচ্ছলে ইত্যাদি কাজের প্রতি ভীতি প্রদর্শন
৪২৬৮. হযরত নু'মান ইবন বাশীর (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা একবার রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ)-এর সংগে এক সফরে ছিলাম। এক ব্যক্তি তার বাহনের উপর ঝিমুচ্ছিল। অন্য এক ব্যক্তি তার কোষ থেকে একটি তীর বের করল এবং তা দিয়ে সে তাকে ভয় দেখালো। লোকটি তা দেখে ঘাবড়িয়ে গেল। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন: কোন মুসলমানকে ভয় দেখানো কারো জন্য হালাল নয়।
(তাবারানীর কাবীর গ্রন্থে বর্ণিত। তাঁর বর্ণনাকারীগণের বর্ণনা বিশ্বস্ত। বাযযার (র) ইবন উমার (রা) সূত্রে সংক্ষেপে বর্ণনা করেন যে, কোন মুসলমান অথবা তিনি বলেছেন। কোন মু'মিনের পক্ষে অন্য মুসলমানকে ভয় দেখানো বৈধ নয়।
خفق الرجل তন্দ্রাকে خفق বলা হয়।)
(তাবারানীর কাবীর গ্রন্থে বর্ণিত। তাঁর বর্ণনাকারীগণের বর্ণনা বিশ্বস্ত। বাযযার (র) ইবন উমার (রা) সূত্রে সংক্ষেপে বর্ণনা করেন যে, কোন মুসলমান অথবা তিনি বলেছেন। কোন মু'মিনের পক্ষে অন্য মুসলমানকে ভয় দেখানো বৈধ নয়।
خفق الرجل তন্দ্রাকে خفق বলা হয়।)
كتاب الأدب
التَّرْهِيب من ترويع الْمُسلم وَمن الْإِشَارَة إِلَيْهِ بسلاح وَنَحْوه جادا أَو مازحا
4268- وَعَن النُّعْمَان بن بشير رَضِي الله عَنْهُمَا قَالَ كُنَّا مَعَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم فِي مسير فخفق رجل على رَاحِلَته فَأخذ رجل سَهْما من كِنَانَته فانتبه الرجل فَفَزعَ فَقَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم لَا يحل لرجل أَن يروع مُسلما
رَوَاهُ الطَّبَرَانِيّ فِي الْكَبِير وَرُوَاته ثِقَات وَرَوَاهُ الْبَزَّار من حَدِيث ابْن عمر مُخْتَصرا لَا يحل لمُسلم أَو مُؤمن أَن يروع مُسلما
خَفق الرجل إِذا نعس
رَوَاهُ الطَّبَرَانِيّ فِي الْكَبِير وَرُوَاته ثِقَات وَرَوَاهُ الْبَزَّار من حَدِيث ابْن عمر مُخْتَصرا لَا يحل لمُسلم أَو مُؤمن أَن يروع مُسلما
خَفق الرجل إِذا نعس
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪২৬৯
অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
পরিচ্ছেদঃ কোন মুসলমানকে ভয় দেখানো অথবা অস্ত্র দ্বারা ইংগিত করা, চাই তা কার্যকরভাবে হোক কি ঠাট্টাচ্ছলে ইত্যাদি কাজের প্রতি ভীতি প্রদর্শন
৪২৬৯. আবদুল্লাহ ইবন সায়িব ইবন ইয়াযীদ (র) তিনি পর্যায়ক্রমে তাঁর পিতা ও তার দাদার সূত্রে বর্ণনা করেন। তিনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছেন। কার্যকরভাবে কিংবা ঠাট্টাচ্ছলে তোমাদের কেউ যেন কারো কোন বন্ধু লুকিয়ে না রাখে।
(তিরমিযী (র) বর্ণিত। তিনি বলেন। হাদীসটি হাসান-গরীব।)
(তিরমিযী (র) বর্ণিত। তিনি বলেন। হাদীসটি হাসান-গরীব।)
كتاب الأدب
التَّرْهِيب من ترويع الْمُسلم وَمن الْإِشَارَة إِلَيْهِ بسلاح وَنَحْوه جادا أَو مازحا
4269- وَعَن عبد الله بن السَّائِب بن يزِيد عَن أَبِيه عَن جده رَضِي الله عَنهُ أَنه سمع رَسُول الله يَقُول لَا يَأْخُذن أحدكُم مَتَاع أَخِيه لاعبا وَلَا جادا
رَوَاهُ التِّرْمِذِيّ وَقَالَ حَدِيث حسن غَرِيب
رَوَاهُ التِّرْمِذِيّ وَقَالَ حَدِيث حسن غَرِيب
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪২৭০
অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
পরিচ্ছেদঃ কোন মুসলমানকে ভয় দেখানো অথবা অস্ত্র দ্বারা ইংগিত করা, চাই তা কার্যকরভাবে হোক কি ঠাট্টাচ্ছলে ইত্যাদি কাজের প্রতি ভীতি প্রদর্শন
৪২৭০. হযরত আমির ইবন রাবী'আ (রা) থেকে বর্ণিত। এক ব্যক্তি অপর এক ব্যক্তির একটি জুতা ঠাটাচ্ছলে লুকিয়ে রাখে। লোকটি এই ঘটনা রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ)-এর কাছে পেশ করলে তিনি বলেন: তোমরা কোন মুসলমানকে হয়রানি করো না। কেননা, মুসলমানকে হয়রানি করা মহাপাপ।
(বাযযার, তাবারানী, আবু শায়খের তাওবীখ গ্রন্থে বর্ণিত আছে।)
(বাযযার, তাবারানী, আবু শায়খের তাওবীখ গ্রন্থে বর্ণিত আছে।)
كتاب الأدب
التَّرْهِيب من ترويع الْمُسلم وَمن الْإِشَارَة إِلَيْهِ بسلاح وَنَحْوه جادا أَو مازحا
4270- وَرُوِيَ عَن عَامر بن ربيعَة رَضِي الله عَنهُ أَن رجلا أَخذ نعل رجل فغيبها وَهُوَ يمزح فَذكر ذَلِك لرَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم فَقَالَ النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم لَا تروعوا الْمُسلم فَإِن روعة الْمُسلم ظلم عَظِيم
رَوَاهُ الْبَزَّار وَالطَّبَرَانِيّ وَأَبُو الشَّيْخ ابْن حبَان فِي كتاب التوبيخ
رَوَاهُ الْبَزَّار وَالطَّبَرَانِيّ وَأَبُو الشَّيْخ ابْن حبَان فِي كتاب التوبيخ
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪২৭১
অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
পরিচ্ছেদঃ কোন মুসলমানকে ভয় দেখানো অথবা অস্ত্র দ্বারা ইংগিত করা, চাই তা কার্যকরভাবে হোক কি ঠাট্টাচ্ছলে ইত্যাদি কাজের প্রতি ভীতি প্রদর্শন
৪২৭১. হযরত আবুল হাসান বাদরী (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন: একদা আমরা রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ)-এর খিদমতে বসা ছিলাম। তখন এক ব্যক্তি দাঁড়াল অথচ সে তার জুতা সম্পর্কে ভুলে গিয়েছিল। এক ব্যক্তি তা নিয়ে লুকিয়ে রেখেছিল। লোকটি ঘুরে ঘুরে তার জুতা খোঁজ করছিল। অন্যান্যগণ বলল: আমরা তা দেখিনি। সে বলল: তাই যে, আমার জুতা। নবী (ﷺ) বলেন, কী ভাবে মু'মিনকে পেরেশান করা হয়। এই বাক্যটি তিনি দুইবার অথবা তিনবার বলেন।
(তাবারানী বর্ণিত।)
(তাবারানী বর্ণিত।)
كتاب الأدب
التَّرْهِيب من ترويع الْمُسلم وَمن الْإِشَارَة إِلَيْهِ بسلاح وَنَحْوه جادا أَو مازحا
4271- وَرُوِيَ عَن أبي الْحسن وَكَانَ عقبيا بَدْرِيًّا رَضِي الله عَنهُ قَالَ كُنَّا جُلُوسًا مَعَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم فَقَامَ رجل وَنسي نَعْلَيْه فَأَخذهُمَا رجل فوضعهما تَحْتَهُ فَرجع الرجل فَقَالَ نَعْلي فَقَالَ الْقَوْم مَا رأيناهما فَقَالَ هُوَ ذه فَقَالَ فَكيف بروعة الْمُؤمن فَقَالَ يَا رَسُول الله إِنَّمَا صَنعته لاعبا فَقَالَ فَكيف بروعة الْمُؤمن مرَّتَيْنِ أَو ثَلَاثًا
رَوَاهُ الطَّبَرَانِيّ
رَوَاهُ الطَّبَرَانِيّ
তাহকীক: