আত্-তারগীব ওয়াত্-তারহীব- ইমাম মুনযিরী রহঃ

الترغيب والترهيب للمنذري

২২. অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার - এর পরিচ্ছেদসমূহ

মোট হাদীস ৭৫৪ টি

হাদীস নং: ৪২৭২
অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
পরিচ্ছেদঃ কোন মুসলমানকে ভয় দেখানো অথবা অস্ত্র দ্বারা ইংগিত করা, চাই তা কার্যকরভাবে হোক কি ঠাট্টাচ্ছলে ইত্যাদি কাজের প্রতি ভীতি প্রদর্শন
৪২৭২. হযরত ইবন উমার (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি কোন মু'মিনকে কোন ব্যাপারে ভয় দেখায়, আল্লাহর উপর তাকে কিয়ামতের ভয়াবহতা থেকে নিরাপদ না রাখা অপরিহার্য হয়ে যায়।
(তাবারানী বর্ণিত।)
كتاب الأدب
التَّرْهِيب من ترويع الْمُسلم وَمن الْإِشَارَة إِلَيْهِ بسلاح وَنَحْوه جادا أَو مازحا
4272- وَرُوِيَ عَن ابْن عمر رَضِي الله عَنْهُمَا قَالَ سَمِعت رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم يَقُول من أَخَاف مُؤمنا كَانَ حَقًا على الله أَن لَا يُؤمنهُ من أفزاع يَوْم الْقِيَامَة

رَوَاهُ الطَّبَرَانِيّ
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪২৭৩
অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
পরিচ্ছেদঃ কোন মুসলমানকে ভয় দেখানো অথবা অস্ত্র দ্বারা ইংগিত করা, চাই তা কার্যকরভাবে হোক কি ঠাট্টাচ্ছলে ইত্যাদি কাজের প্রতি ভীতি প্রদর্শন
৪২৭৩. হযরত আবদুল্লাহ ইবন আমর (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) বলেছেন। যে ব্যক্তি কোন নিরাপরাধ মুসলমাননের প্রতি ভীতি প্রদর্শনের জন্য রাগ করে তাকায়, আল্লাহ তাকে কিয়ামতের দিন (অনুরূপ) ভয় দেখাবেন।
(তাবারানী, আবু শায়খ (র) আবু হুরায়রা (রা) থেকে উক্ত হাদীসটি বর্ণনা করেন।)
كتاب الأدب
التَّرْهِيب من ترويع الْمُسلم وَمن الْإِشَارَة إِلَيْهِ بسلاح وَنَحْوه جادا أَو مازحا
4273- وَرُوِيَ عَن عبد الله بن عَمْرو رَضِي الله عَنْهُمَا قَالَ قَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم من نظر إِلَى مُسلم نظرة يخيفه فِيهَا بِغَيْر حق أخافه الله يَوْم الْقِيَامَة

رَوَاهُ الطَّبَرَانِيّ وَرَوَاهُ أَبُو الشَّيْخ من حَدِيث أبي هُرَيْرَة
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪২৭৪
অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
পরিচ্ছেদঃ কোন মুসলমানকে ভয় দেখানো অথবা অস্ত্র দ্বারা ইংগিত করা, চাই তা কার্যকরভাবে হোক কি ঠাট্টাচ্ছলে ইত্যাদি কাজের প্রতি ভীতি প্রদর্শন
৪২৭৪. হযরত আবু হুরায়রা (রা) সূত্রে বাসুলুল্লাহ (ﷺ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন: তোমাদের কেউ যেন তার ভাইয়ের দিকে অস্ত্র উত্তোলন না করে। কেননা, তার জানা নেই যে, সম্ভবত শয়তান তার হাতে ধাক্কা মারতে পারে। পরিণামে সে (অস্ত্রে নিহত হলে) জাহান্নামের গর্তে নিঃপতিত হবে।
(বুখারী ও মুসলিম বর্ণিত।
يترع : নিক্ষেপ করা, অপর অর্থে বিপর্যয় সৃষ্টি করা।
نزع : শব্দের প্রকৃত অর্থ আঘাত করা এবং বিপর্যয় সৃষ্টি করা।)
كتاب الأدب
التَّرْهِيب من ترويع الْمُسلم وَمن الْإِشَارَة إِلَيْهِ بسلاح وَنَحْوه جادا أَو مازحا
4274- وَعَن أبي هُرَيْرَة رَضِي الله عَنهُ عَن رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم قَالَ لَا يُشِير أحدكُم إِلَى أَخِيه بِالسِّلَاحِ فَإِنَّهُ لَا يدْرِي لَعَلَّ الشَّيْطَان ينْزع فِي يَده فَيَقَع فِي حُفْرَة من النَّار

رَوَاهُ البُخَارِيّ وَمُسلم
ينْزع بِالْعينِ الْمُهْملَة وَكسر الرَّاء أَي يَرْمِي وَرُوِيَ بِالْمُعْجَمَةِ مَعَ فتح الزَّاي وَمَعْنَاهُ أَيْضا يَرْمِي وَيفْسد وأصل النزع الطعْن وَالْفساد
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪২৭৫
অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
পরিচ্ছেদঃ কোন মুসলমানকে ভয় দেখানো অথবা অস্ত্র দ্বারা ইংগিত করা, চাই তা কার্যকরভাবে হোক কি ঠাট্টাচ্ছলে ইত্যাদি কাজের প্রতি ভীতি প্রদর্শন
৪২৭৫. হযরত আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আবুল কাসিম (ﷺ) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি তার ভাইয়ের প্রতি অস্ত্র উত্তোলন করে, সেও কাজ থেকে বিরত না হওয়া পর্যন্ত ফিরিশতা তার প্রতি লা'নত দিতে থাকে, যদিও সে তার সহোদর ভাই হয়।
(মুসলিম বর্ণিত।)
كتاب الأدب
التَّرْهِيب من ترويع الْمُسلم وَمن الْإِشَارَة إِلَيْهِ بسلاح وَنَحْوه جادا أَو مازحا
4275 - وَعنهُ رَضِي الله عَنهُ قَالَ قَالَ أَبُو الْقَاسِم صلى الله عَلَيْهِ وَسلم من أَشَارَ إِلَى أَخِيه بحديدة فَإِن الْمَلَائِكَة تلعنه حَتَّى يَنْتَهِي وَإِن كَانَ أَخَاهُ لِأَبِيهِ وَأمه

رَوَاهُ مُسلم
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪২৭৬
অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
পরিচ্ছেদঃ কোন মুসলমানকে ভয় দেখানো অথবা অস্ত্র দ্বারা ইংগিত করা, চাই তা কার্যকরভাবে হোক কি ঠাট্টাচ্ছলে ইত্যাদি কাজের প্রতি ভীতি প্রদর্শন
৪২৭৬. হযরত আবু বাকরা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন। যখন দুই মুসলমান অস্ত্র নিয়ে একে অপরের প্রতি মারমুখী হয়, এতে এক ব্যক্তি নিহ হলে, পরিণামে হত্যাকারী ও নিহত ব্যক্তি উভয়ই জাহান্নামী হবে।
كتاب الأدب
التَّرْهِيب من ترويع الْمُسلم وَمن الْإِشَارَة إِلَيْهِ بسلاح وَنَحْوه جادا أَو مازحا
4276- وَعَن أبي بكرَة رَضِي الله عَنهُ قَالَ قَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم إِذا تواجه المسلمان بسيفيهما فالقاتل والمقتول فِي النَّار
হাদীস নং: ৪২৭৭
অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
পরিচ্ছেদঃ কোন মুসলমানকে ভয় দেখানো অথবা অস্ত্র দ্বারা ইংগিত করা, চাই তা কার্যকরভাবে হোক কি ঠাট্টাচ্ছলে ইত্যাদি কাজের প্রতি ভীতি প্রদর্শন
৪২৭৭. অন্য বর্ণনা আছে। যখন দু'জন মুসলমান একে তার অন্য ভাইয়ের প্রতি অস্ত্র উত্তোলন করে, তারা উভয়েই জাহান্নামের কিনারায় অবস্থানকারী। তাদের একজন অপরজনকে হত্যা করলে তারা উভয়ই জাহান্নামী হবে। বর্ণনাকারী বলেন। আমরা বললাম অথবা বলা হল, হত্যাকারী অপবাধ তো স্পষ্ট। তবে নিহত ব্যক্তির কী অপরাধ? তিনি বলেন: সেও তার পতিপক্ষকে হত্যা করতে চেয়েছিল।
(বুখারী ও মুসলিম বর্ণিত।)
كتاب الأدب
التَّرْهِيب من ترويع الْمُسلم وَمن الْإِشَارَة إِلَيْهِ بسلاح وَنَحْوه جادا أَو مازحا
4277- وَفِي رِوَايَة إِذا المسلمان حمل أَحدهمَا على أَخِيه السِّلَاح فهما على حرف جَهَنَّم فَإِذا قتل أَحدهمَا صَاحبه دخلاها جَمِيعًا
قَالَ فَقُلْنَا أَو قيل يَا رَسُول الله هَذَا الْقَاتِل فَمَا بَال الْمَقْتُول قَالَ إِنَّه قد أَرَادَ قتل صَاحبه

رَوَاهُ البُخَارِيّ وَمُسلم
হাদীস নং: ৪২৭৮
অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
পরিচ্ছেদঃ কোন মুসলমানকে ভয় দেখানো অথবা অস্ত্র দ্বারা ইংগিত করা, চাই তা কার্যকরভাবে হোক কি ঠাট্টাচ্ছলে ইত্যাদি কাজের প্রতি ভীতি প্রদর্শন
৪২৭৮. হযরত ইবন মাসউদ (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: মু'মিনকে গালি দেওয়া ফাসেকী কাজ এবং তাকে হত্যা করা কুফুরী।
(বুখারী, মুসলিম, তিরমিযী ও নাসাঈ বর্ণিত। এই বিষয়ের বহু হাদীস বর্ণিত হয়েছে। কিছু কিছু হাদীস পেছনে অতিবাহিত হয়েছে।)
كتاب الأدب
التَّرْهِيب من ترويع الْمُسلم وَمن الْإِشَارَة إِلَيْهِ بسلاح وَنَحْوه جادا أَو مازحا
4278- وَعَن ابْن مَسْعُود رَضِي الله عَنهُ قَالَ قَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم سباب الْمُؤمن فسوق وقتاله كفر

رَوَاهُ البُخَارِيّ وَمُسلم وَالتِّرْمِذِيّ وَالنَّسَائِيّ وَالْأَحَادِيث من هَذَا النَّوْع كَثِيرَة وَتقدم بَعْضهَا
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪২৭৯
অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
পরিচ্ছেদঃ মানুষের মধ্যে মীমাংসা করার প্রতি অনুপ্রেরণা
৪২৭৯. হযরত আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) বলেছেন: মানুষের প্রত্যেক জোড়ার বিনিময়ে রয়েছে সাদাকা। প্রত্যহ সূর্য উদিত হয়। দুই ব্যক্তির মধ্যে ন্যায় প্রতিষ্ঠা করায় রয়েছে সাদাকা দানের সাওয়াব, কোন ব্যক্তিকে তার বাহনে উঠার কাজে সহযোগিতা করণে রয়েছে সাদাকার সাওয়াব, অথবা বাহনের উপর আসবাবপত্র উঠিয়ে দেওয়াও সাদাকা, উত্তম বাক্য বিনিময় সাদাকা, সালাত আদায়ের দিকে পা সঞ্চালনের প্রতি কদমে রয়েছে সাদাকা, পথিকের চলার পথ থেকে কষ্টদায়ক বস্তু অপসারণে রয়েছে সাদাকার সাওয়াব।
(বুখারী ও মুসলিম বর্ণিত।
يعدل : দুই ব্যক্তির মধ্যে সুবিচার প্রতিষ্ঠা করা।)
كتاب الأدب
التَّرْغِيب فِي الْإِصْلَاح بَين النَّاس
4279- عَن أبي هُرَيْرَة رَضِي الله عَنهُ قَالَ قَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم كل سلامى من النَّاس عَلَيْهِ صَدَقَة كل يَوْم تطلع فِيهِ الشَّمْس يعدل بَين الِاثْنَيْنِ صَدَقَة ويعين الرجل فِي دَابَّته فيحمله عَلَيْهَا أَو يرفع لَهُ عَلَيْهَا مَتَاعه صَدَقَة والكلمة الطّيبَة صَدَقَة وَبِكُل خطْوَة يمشيها إِلَى الصَّلَاة صَدَقَة ويميط الْأَذَى عَن الطَّرِيق صَدَقَة

رَوَاهُ البُخَارِيّ وَمُسلم
يعدل بَين الِاثْنَيْنِ أَي يصلح بَينهمَا بِالْعَدْلِ
হাদীস নং: ৪২৮০
অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
পরিচ্ছেদঃ মানুষের মধ্যে মীমাংসা করার প্রতি অনুপ্রেরণা
৪২৮০. হযরত আবু দারদা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: আমি কি তোমার সিয়াম-সালাত ও সাদাকা (নফল) অপেক্ষা উত্তম কাজ সম্পর্কে অবহিত করব না। সাহাবায়ে কিরাম বলেন: জ্বি-হাঁ। তিনি বলেন পরস্পরের মধ্যে মীমাংসা করে দেওয়া। কেননা, পরস্পরের মধ্যে বিপর্যয় করা হল ধ্বংসকারী।
(আবু দাউদ, তিরমিযী, ইবন হিব্বানের সহীহ গ্রন্থে বর্ণিত। ইমাম তিরমিযী (র) বলেন: হাদীসটি সহীহ্। তিনি বলেন: অনুরূপ নবী (ﷺ) থেকে বর্ণিত আছে। তিনি বলেছেন: هي الحالقة- এর অর্থঃ আমি চুল মুণ্ডন করানো বুঝাইনি। বরং আমার কথার মর্ম হল, দীনকে সমূলে বিনাশ করা।)
كتاب الأدب
التَّرْغِيب فِي الْإِصْلَاح بَين النَّاس
4280- وَعَن أبي الدَّرْدَاء رَضِي الله عَنهُ قَالَ قَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم أَلا أخْبركُم بِأَفْضَل من دَرَجَة الصّيام وَالصَّلَاة قَالُوا بلَى قَالَ إصْلَاح ذَات الْبَين فَإِن فَسَاد ذَات الْبَين هِيَ الحالقة

رَوَاهُ أَبُو دَاوُد وَالتِّرْمِذِيّ وَابْن حبَان فِي صَحِيحه وَقَالَ التِّرْمِذِيّ حَدِيث صَحِيح
قَالَ ويروى عَن النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم أَنه قَالَ هِيَ الحالقة لَا أَقُول تحلق الشّعْر وَلَكِن تحلق الدّين
انْتهى
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪২৮১
অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
পরিচ্ছেদঃ মানুষের মধ্যে মীমাংসা করার প্রতি অনুপ্রেরণা
৪২৮১. হযরত উম্মে কুলসুম বিনত উকবা ইবন আবু মুয়াইত (রা) থেকে বর্ণিত। নবী (ﷺ) বলেছেনঃ শান্তি প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে দুই ব্যক্তির মধ্যে কথা খানিকটা বাড়িয়ে বললে, তা মিথ্যার পর্যায় পড়ে না।
كتاب الأدب
التَّرْغِيب فِي الْإِصْلَاح بَين النَّاس
4281- وَعَن أم كُلْثُوم بنت عقبَة بن أبي معيط رَضِي الله عَنْهَا أَن النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم قَالَ لم يكذب من نمى بَين اثْنَيْنِ ليصلح
হাদীস নং: ৪২৮২
অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
পরিচ্ছেদঃ মানুষের মধ্যে মীমাংসা করার প্রতি অনুপ্রেরণা
৪২৮২. অন্য বর্ণনায় আছে, যে ব্যক্তি কাওমের মধ্যে মীমাংসার উদ্দেশ্যে উত্তম কথা বলে, অথবা তিনি বলেছেন, কোন উত্তম কথা বাড়িয়ে বলে, এ পর্যায়ে তাকে মিথ্যাবাদী বলা যাবে না।
আবু দাউদ বর্ণিত।
[হাফিয মুনযিরী (র) বলেন): যখন তুমি মীমাংসার উদ্দেশ্যে কারও নিকট কোন কথা পৌছাও, তথা বলা হয়ঃ نميت الحديث অর্থাৎ আমি তা পৌঁছে দিয়েছি। যদি نميت الحديث এর মধ্যকার 'মীম' বর্ণের উপর 'যের' হয় তবে অর্থ হবে সন্ধি প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে আমি কথাটি পৌছিয়েছি। আর যদি 'মীম' বর্ণের উপর 'তাশদীদ' হয় তবে অর্থ হবে পারস্পরিক বিপর্যয় সৃষ্টির জন্য আমি কথা বাড়িয়ে বলেছি। উপরোক্ত ব্যাখ্যা আবু উবায়দ ইবন কুতায়বা, আসমাঈ, যাওহারী ও অন্যান্যগণ থেকে বর্ণিত আছে।
كتاب الأدب
التَّرْغِيب فِي الْإِصْلَاح بَين النَّاس
4282- وَفِي رِوَايَة لَيْسَ بالكاذب من أصلح بَين النَّاس فَقَالَ خيرا أَو نمى خيرا
رَوَاهُ أَبُو دَاوُد
وَقَالَ الْحَافِظ يُقَال نميت الحَدِيث بتَخْفِيف الْمِيم إِذا بلغته على وَجه الْإِصْلَاح وبتشديدها إِذا كَانَ على وَجه إِفْسَاد ذَات الْبَين
كَذَا ذكر ذَلِك أَبُو عبيد وَابْن قُتَيْبَة والأصمعي والجوهري وَغَيرهم
হাদীস নং: ৪২৮৩
অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
পরিচ্ছেদঃ মানুষের মধ্যে মীমাংসা করার প্রতি অনুপ্রেরণা
৪২৮৩. হযরত আবূ হুরায়রা (রা) সূত্রে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেন: আমল হিসেবে সালাত, পরস্পরের মধ্যে সন্ধি স্থাপন এবং মুসলমানদের মধ্যে অত্যাচারী শাসককে সৎপথে পরিচালিত হওয়ার জন্য উপদেশ দেওয়ার চেয়ে উত্তম কাজ আর নেই।
(ইস্পাহানী বর্ণিত।)
كتاب الأدب
التَّرْغِيب فِي الْإِصْلَاح بَين النَّاس
4283- وَرُوِيَ عَن أبي هُرَيْرَة رَضِي الله عَنهُ عَن رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم قَالَ مَا عمل شَيْء أفضل
من الصَّلَاة وَإِصْلَاح ذَات الْبَين وَخلق جَائِر بَين الْمُسلمين

رَوَاهُ الْأَصْبَهَانِيّ
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪২৮৪
অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
পরিচ্ছেদঃ মানুষের মধ্যে মীমাংসা করার প্রতি অনুপ্রেরণা
৪২৮৪. হযরত আবদুল্লাহ ইব্‌ন আমর (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন। পরস্পরের মধ্যে সন্ধি প্রতিষ্ঠা হচ্ছে সর্বোত্তম সাদাকা।
(তাবারানী ও বাযযার বর্ণিত। বাযযারের বর্ণনায় আবদুর রহমান ইবন যিয়াদ ইবন আনআম নামক একজন বর্ণনাকারী রয়েছে। পেছনে আবু দারদার হাদীসের তুলনায় বর্ণনাসূত্রে এই হাদীসটি উত্তম।)
كتاب الأدب
التَّرْغِيب فِي الْإِصْلَاح بَين النَّاس
4284- وَعَن عبد الله بن عَمْرو رَضِي الله عَنْهُمَا قَالَ قَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم أفضل الصَّدَقَة إصْلَاح ذَات الْبَين

رَوَاهُ الطَّبَرَانِيّ وَالْبَزَّار وَفِي إِسْنَاده عبد الرَّحْمَن بن زِيَاد بن أنعم وَحَدِيثه هَذَا حسن لحَدِيث أبي الدَّرْدَاء الْمُتَقَدّم
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪২৮৫
অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
পরিচ্ছেদঃ মানুষের মধ্যে মীমাংসা করার প্রতি অনুপ্রেরণা
৪২৮৫. হযরত আনাস (রা) থেকে বর্ণিত। নবী (ﷺ) আবু আইউব (রা)-কে বলেছেন: আমি কি তোমাকে একটি ব্যবসা সম্পর্কে অবহিত করব না? সে বলল: জ্বি-হাঁ। তিনি বলেনঃ কোন কাওম যদি বিপর্যয়ে জড়িয়ে
পড়ে তবে তুমি তাদের মধ্যে মীমাংসা করে দেবে। যখন তারা পরস্পর দূরে সরে যায়, তুমি তাদের কাছে টেনে নাও (অর্থাৎ পরস্পর মিলিয়ে দাও)।
(বাযযার ও তাবারানী বর্ণিত। তাবারানীর শব্দমালা এরূপ: আমি কি তোমাকে এমন একটি কাজ সম্পর্কে অবহিত করব না, যা করলে আল্লাহ ও তাঁর রাসূল (ﷺ) সন্তুষ্ট হবেন? সে বলল: হাঁ, তখন তিনি বলেন, বিবাদ হলে মানুষের মাঝে মীমাংসা করে দাও এবং যখন তারা পরষ্পর দূরে সরে যায় তখন মিলন ঘটিয়ে দাও তাবারানী বর্ণিত। তবে তার শব্দমালা এমন: আমি কি তোমাকে এমন একটি কাজ সম্পর্কে অবহিত করব না, যা করলে আল্লাহ ও তাঁর রাসূল খুশি হন। সে বলল, অবশ্যই। তখন তিনি হাদীসটি বর্ণনা করেন।)
كتاب الأدب
التَّرْغِيب فِي الْإِصْلَاح بَين النَّاس
4285- وَرُوِيَ عَن أنس رَضِي الله عَنهُ أَن النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم قَالَ لأبي أَيُّوب أَلا أدلك على تِجَارَة قَالَ بلَى
قَالَ صل بَين النَّاس إِذا تفاسدوا وَقرب بَينهم إِذا تباعدوا

رَوَاهُ الْبَزَّار وَالطَّبَرَانِيّ
وَعِنْده أَلا أدلك على عمل يرضاه الله وَرَسُوله قَالَ بلَى قَالَ صل بَين النَّاس إِذا تفاسدوا وَقرب بَينهم إِذا تباعدوا
رَوَاهُ الطَّبَرَانِيّ
وَعِنْده أَلا أدلك على عمل يرضاه الله وَرَسُوله قَالَ بلَى فَذكره
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪২৮৬
অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
পরিচ্ছেদঃ মানুষের মধ্যে মীমাংসা করার প্রতি অনুপ্রেরণা
৪২৮৬. তাবারানী ও ইস্পাহানী (র) আবু আইউব (রা) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, "আমাকে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: হে আবু আইউব! আমি কি তোমাকে এমন একটি সাদাকা সম্পর্কে অবহিত করব না, যা আল্লাহ ও তাঁর রাসুল (ﷺ) পসন্দ করেন? যখন পরস্পর একে অন্যের প্রতি ক্রোধান্বিত হয় এবং পরস্পর বিপর্যয়ে জড়িয়ে পড়ে, তখন উভয়ের মধ্যে মীমাংসা করে দেওয়া।
তাবারানী বর্ণিত। ইস্পাহানী নিজ শব্দে বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: সাবধান! আমি কি তোমাকে এমন সাদাকা সম্পর্কে অবহিত করব না, যা যথাযথ প্রয়োগে আল্লাহর ভালবাসা লাভ হয়? সে বলল, আমি বললাম: আমার পিতামাতা আপনার প্রতি উৎসর্গিত হোন, তা কি? তিনি বলেন: পরস্পরের মধ্যে মীমাংসা করে দেওয়া কেননা, তা এমন একটি সাদাকা, যা যথাযথ প্রয়োগে আল্লাহর ভালবাসা অর্জিত হয়।
كتاب الأدب
التَّرْغِيب فِي الْإِصْلَاح بَين النَّاس
4286- وَرَوَاهُ الطَّبَرَانِيّ أَيْضا والأصبهاني عَن أبي أَيُّوب قَالَ قَالَ لي رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم يَا أَبَا أَيُّوب أَلا أدلك على صَدَقَة يُحِبهَا الله وَرَسُوله تصلح بَين النَّاس إِذا تباغضوا وتفاسدوا
لفظ الطَّبَرَانِيّ وَلَفظ الْأَصْبَهَانِيّ قَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم أَلا أدلك على صَدَقَة يحب الله موضعهَا قلت بِأبي أَنْت وَأمي قَالَ تصلح بَين النَّاس فَإِنَّهَا صَدَقَة يحب الله موضعهَا
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪২৮৭
অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
পরিচ্ছেদঃ মানুষের মধ্যে মীমাংসা করার প্রতি অনুপ্রেরণা
৪২৮৭. হযরত আনাস (রা) সূত্রে নবী (ﷺ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেন: যে ব্যক্তি মানুষের মধ্যে মীমাংসা করে দেয়, আল্লাহ্ তার প্রতি কল্যাণ দান করেন। মীমাংসা কল্পে সে যতগুলো বাক্য ব্যয় করবে তার প্রত্যেকটি বাক্যের বিনিময়ে রয়েছে একটি করে গোলাম মুক্তির সাওয়াব এবং সে পূর্বকৃত যাবতীয় গুনাহ্ থেকে মুক্ত হয়ে যায়।
(ইস্পাহানী বর্ণিত। এই হাদীসটি গরীব।)
كتاب الأدب
التَّرْغِيب فِي الْإِصْلَاح بَين النَّاس
4287- وَرُوِيَ عَن أنس رَضِي الله عَنهُ عَن النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم قَالَ من أصلح بَين النَّاس أصلح الله أمره وَأَعْطَاهُ بِكُل كلمة تكلم بهَا عتق رَقَبَة وَرجع مغفورا لَهُ مَا تقدم من ذَنبه

رَوَاهُ الْأَصْبَهَانِيّ وَهُوَ حَدِيث غَرِيب جدا
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪২৮৮
অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
পরিচ্ছেদঃ যে ব্যক্তি তার ভাইয়ের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা সত্ত্বেও ক্ষমা করে না, তার প্রতি ভীতি প্রদর্শন
৪২৮৮. হযরত আবু হুরায়রা (রা) সূত্রে নবী (ﷺ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেন: তোমরা অন্যদের মেয়েদের ক্ষমা করবে, তাহলে অন্যরাও তোমাদের মেয়েদের ক্ষমা করবে। তোমরা তোমাদের পিতামাতার প্রতি সদাচরণ। করবে, তাহলে তোমাদের সন্তানেরাও তোমাদের প্রতি সদাচরণ করবে। যে ব্যক্তি তার ভাইয়ের কাছে অস্ত্র কোষবদ্ধ অবস্থায় আসে, তার উচিত তাকে গ্রহণ করা, চাই সে অপরাধী হোক, কি নিরপরাধী। যদি সে তাকে গ্রহণ না করে, তবে সে আমার হাউযের নিকটেও আসতে পারবে না।
(হাকিম (র) সুয়ায়দ থেকে, তিনি কাতাদা (রা) থেকে। তিনি আবু রাফি' থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: হাদীসটির সনদ সহীহ্।
[হাফিয মুনযিরী (র) বলেন): সুয়ায়দ ইবন আবদুল আযীয একজন অপরিচিত লোক। তাবারানী ও অন্যান্যগণ ومن اتاه اخوه ব্যতীত বাকী অংশ ইবন উমার (রা) থেকে উত্তম সনদে বর্ণনা করেন।
التفضل : ক্ষমা প্রার্থনা করা, ওযর পেশ করা।)
كتاب الأدب
التَّرْهِيب أَن يعْتَذر إِلَى الْمَرْء أَخُوهُ فَلَا يقبل عذره
4288- عَن أبي هُرَيْرَة رَضِي الله عَنهُ عَن النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم قَالَ عفوا عَن نسَاء النَّاس تعف نِسَاؤُكُمْ وبروا آبَاءَكُم تبركم أبناؤكم وَمن أَتَاهُ أَخُوهُ متنصلا فليقبل ذَلِك محقا كَانَ أَو مُبْطلًا فَإِن لم يفعل لم يرد عَليّ الْحَوْض

رَوَاهُ الْحَاكِم من رِوَايَة سُوَيْد عَن قَتَادَة عَن أبي رَافع عَنهُ وَقَالَ صَحِيح الْإِسْنَاد
قَالَ الْحَافِظ بل سُوَيْد هَذَا هُوَ ابْن عبد الْعَزِيز واه
وروى الطَّبَرَانِيّ وَغَيره صَدره دون قَوْله وَمن أَتَاهُ أَخُوهُ
إِلَى آخِره من حَدِيث ابْن عمر بِإِسْنَاد حسن
التنصل الِاعْتِذَار
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪২৮৯
অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
পরিচ্ছেদঃ যে ব্যক্তি তার ভাইয়ের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা সত্ত্বেও ক্ষমা করে না, তার প্রতি ভীতি প্রদর্শন
৪২৮৯. হযরত জুওদান (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি তার মুসলমান ভাইয়ের নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করে অথচ সে তাকে ক্ষমা করে না, তার প্রতি প্রতারকের শাস্তি আরোপ করা হবে।
(আবু দাউদ এবং ইবন মাজা তাঁর মারাসীল গ্রন্থে দু'টি উত্তম সনদে বর্ণনা করেন। তবে ইবন মাজা (ব)-এর বর্ণনায় রয়েছে: তাঁর উপর প্রতারকের অনুরূপ পাপ বর্তাবে। তাবারানী আওসাত গ্রন্থে জারিব ইবন আবদুল্লাহ্ (রা) সূত্রে বর্ণিত। তার শব্দামালা এরূপঃ তিনি বলেন, "যে ব্যক্তি তার ভাইয়ের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে অথচ সে তা ক্ষমা করে না, তার উপর প্রতারকের অনুরূপ পাপ বর্তাবে। আবু যুবায়র (র) বলেন: المكاس প্রতারক, যালিম টোল আদায়কারী।)
كتاب الأدب
التَّرْهِيب أَن يعْتَذر إِلَى الْمَرْء أَخُوهُ فَلَا يقبل عذره
4289- وَعَن جودان رَضِي الله عَنهُ قَالَ قَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم من اعتذر إِلَى أَخِيه الْمُسلم فَلم يقبل مِنْهُ كَانَ عَلَيْهِ مَا على صَاحب مكس

رَوَاهُ أَبُو دَاوُد فِي الْمَرَاسِيل وَابْن مَاجَه بِإِسْنَادَيْنِ جَيِّدين إِلَّا أَنه قَالَ كَانَ عَلَيْهِ مثل خَطِيئَة صَاحب مكس
وَرَوَاهُ الطَّبَرَانِيّ فِي الْأَوْسَط من حَدِيث جَابر بن عبد الله وَلَفظه قَالَ من اعتذر إِلَى أَخِيه فَلم يقبل عذره كَانَ عَلَيْهِ مثل خَطِيئَة صَاحب مكس
قَالَ أَبُو الزبير والمكاس العشار
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪২৯০
অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
পরিচ্ছেদঃ যে ব্যক্তি তার ভাইয়ের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা সত্ত্বেও ক্ষমা করে না, তার প্রতি ভীতি প্রদর্শন
৪২৯০. অন্য বর্ণনায় আছে, রাসুলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি অন্যের নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করে অথচ সে তাকে ক্ষমা করে না, সে আমার হাউযের নিকট আসতে পারবে না।
[হাফিয মুনযিরী (র) বলেন): কতিপয় সাহাবী থেকে উক্ত হাদীসটি বর্ণিত আছে। তবে জুওদানের হাদীসটি বিশুদ্ধ। জুওদান (র)-এর সাহাবী হওয়া না হওয়ার ব্যাপারে দ্বিমত রয়েছে। বস্তুত তাঁকে সাহাবী হিসেবে গণ্য করা হয় না।
كتاب الأدب
التَّرْهِيب أَن يعْتَذر إِلَى الْمَرْء أَخُوهُ فَلَا يقبل عذره
4290- وَفِي رِوَايَة قَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم من تنصل إِلَيْهِ فَلم يقبل لم يرد عَليّ الْحَوْض
قَالَ الْحَافِظ رُوِيَ عَن جمَاعَة من الصَّحَابَة وَحَدِيث جودان أصح وجودان مُخْتَلف فِي صحبته وَلم ينْسب
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪২৯১
অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
পরিচ্ছেদঃ যে ব্যক্তি তার ভাইয়ের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা সত্ত্বেও ক্ষমা করে না, তার প্রতি ভীতি প্রদর্শন
৪২৯১. হযরত আয়েশা (রা) সূত্রে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেন। তোমরা ক্ষমা করলে তোমাদের নারীদেরও ক্ষমা করা হবে। তোমরা তোমাদের পিতামাতার বাধ্য থাকবে; তাহলে তোমাদের সন্তানরাও তোমাদের বাধ্য থাকবে। যে ব্যক্তি তার মুসলিম ভাইয়ের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে, অথচ সে তাকে ক্ষমা করে না, সে আমার হাউযের নিকটেও আসতে পারবে না।
(তাবারানী আওসাত গ্রন্থে বর্ণিত।)
كتاب الأدب
التَّرْهِيب أَن يعْتَذر إِلَى الْمَرْء أَخُوهُ فَلَا يقبل عذره
4291- وَرُوِيَ عَن عَائِشَة رَضِي الله عَنْهَا عَن رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم قَالَ عفوا تعف نِسَاؤُكُمْ وبروا آبَاءَكُم تبركم أبناؤكم وَمن اعتذر إِلَى أَخِيه الْمُسلم فَلم يقبل عذره لم يرد عَليّ الْحَوْض

رَوَاهُ الطَّبَرَانِيّ فِي الْأَوْسَط
tahqiq

তাহকীক: