আত্-তারগীব ওয়াত্-তারহীব- ইমাম মুনযিরী রহঃ
الترغيب والترهيب للمنذري
২২. অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার - এর পরিচ্ছেদসমূহ
মোট হাদীস ৭৫৪ টি
হাদীস নং: ৪২৯২
অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
পরিচ্ছেদঃ যে ব্যক্তি তার ভাইয়ের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা সত্ত্বেও ক্ষমা করে না, তার প্রতি ভীতি প্রদর্শন
৪২৯২. হযরত ইবন আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: আমি কি তোমাদের মধ্যকার নিকৃষ্ট ব্যক্তি সম্পর্কে অবহিত করব না? সাহাবায়ে কিরাম বলেনঃ জ্বি-হাঁ, ইয়া রাসূলাল্লাহ্। যদি আপনি চান। তিনি বলেন: তোমাদের মধ্যে ঔ ব্যক্তি নিকৃষ্ট, যে আত্মম্ভরিতা হেতু নির্জন বাস করে, নিজের দাস-দাসীকে প্রহার করে এবং দান-খয়রাত হতে বিরত থাকে। এদের চেয়েও নিকৃষ্ট লোকদের সম্পর্কে কি আমি তোমাদের অবহিত কবর না? জ্বি-হাঁ, ইয়া রাসূলাল্লাহ্। যদি আপনি চান। তিনি বলেনঃ যে ব্যক্তি মানুষকে নিন্দা করে, আর মানুষও তাকে ঘৃণা করে। এরপর তিনি বলেনঃ এর চেয়েও নিকৃষ্ট লোক সম্পর্কে কি আমি তোমাদের অবহিত করব না? সাহাবায়ে কিরাম বলেনঃ জ্বি-যাঁ, ইয়া রাসুলাল্লাহ্। যদি আপনি চান। তিনি বলেনঃ যে ব্যক্তি ক্ষুদ্র অপরাধকে বড় করে দেখে, ক্ষমা চাইলেও (অপাধ) ক্ষমা করে না এবং ভুল-ত্রুটি ক্ষমা করে না। তিনি বলেনঃ আমি কি এর চেয়েও অধিক নিকৃষ্ট লোক সম্পর্কে তোমাদের অবহিত করব না? সাহাবায়ে কিরাম বলেন। জ্বি-হাঁ। ইয়া রাসূলাল্লাহ্। তিনি বলেন: যার থেকে কখনো কোন কল্যাণের আশা করা যায় না এবং তার অনিষ্ট থেকে নিজকে নিরাপদ মনে করা যায় না।
(তাবারানী ও অন্যান্য গ্রন্থে বর্ণিত।)
(তাবারানী ও অন্যান্য গ্রন্থে বর্ণিত।)
كتاب الأدب
التَّرْهِيب أَن يعْتَذر إِلَى الْمَرْء أَخُوهُ فَلَا يقبل عذره
4292- وَرُوِيَ عَن ابْن عَبَّاس رَضِي الله عَنْهُمَا قَالَ قَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم أَلا أنبئكم بشراركم قَالُوا بلَى إِن شِئْت يَا رَسُول الله قَالَ إِن شِرَاركُمْ الَّذِي ينزل وَحده ويجلد عَبده وَيمْنَع رفده أَفلا أنبئكم بشر من ذَلِك قَالُوا بلَى إِن شِئْت يَا رَسُول الله
قَالَ من يبغض النَّاس ويبغضونه قَالَ أَفلا أنبئكم بشر من ذَلِك قَالُوا بلَى إِن شِئْت يَا رَسُول الله
قَالَ الَّذين لَا يقيلون عَثْرَة وَلَا يقبلُونَ معذرة وَلَا يغتفرون ذَنبا
قَالَ أَفلا أنبئكم بشر من ذَلِك قَالُوا بلَى يَا رَسُول الله
قَالَ من لَا يُرْجَى خَيره وَلَا يُؤمن شَره
رَوَاهُ الطَّبَرَانِيّ وَغَيره
قَالَ من يبغض النَّاس ويبغضونه قَالَ أَفلا أنبئكم بشر من ذَلِك قَالُوا بلَى إِن شِئْت يَا رَسُول الله
قَالَ الَّذين لَا يقيلون عَثْرَة وَلَا يقبلُونَ معذرة وَلَا يغتفرون ذَنبا
قَالَ أَفلا أنبئكم بشر من ذَلِك قَالُوا بلَى يَا رَسُول الله
قَالَ من لَا يُرْجَى خَيره وَلَا يُؤمن شَره
رَوَاهُ الطَّبَرَانِيّ وَغَيره
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪২৯৩
অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
পরিচ্ছেদঃ চোগলখুরী করার প্রতি ভীতি প্রদর্শন
৪২৯৩. হযরত হুযায়ফা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ্ (ﷺ) বলেছেন: চোগলখোর জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না।
অন্য বর্ণনায় نمام শব্দের স্থলে قتات রয়েছে। বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ ও তিরমিযী বর্ণিত।
হাফিয মুনযিরী (র) বলেন : القتات এবং النمام একই অর্থে ব্যবহৃত হয়। তবে কারো কারো মতে, النمام ঐ ব্যক্তিকে বলা হয় যে একদল লোকের মধ্যে অবস্থান করে এরপর তাদের কথা বাড়িয়ে অন্যের কাছে বলে। আর القتات ঐ ব্যক্তিকে বলে, যে মানুষের অজ্ঞাতসারে তাদের কথা কান পেতে শুনে, তারপর অন্যের কাছে বলে বেড়ায়।
অন্য বর্ণনায় نمام শব্দের স্থলে قتات রয়েছে। বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ ও তিরমিযী বর্ণিত।
হাফিয মুনযিরী (র) বলেন : القتات এবং النمام একই অর্থে ব্যবহৃত হয়। তবে কারো কারো মতে, النمام ঐ ব্যক্তিকে বলা হয় যে একদল লোকের মধ্যে অবস্থান করে এরপর তাদের কথা বাড়িয়ে অন্যের কাছে বলে। আর القتات ঐ ব্যক্তিকে বলে, যে মানুষের অজ্ঞাতসারে তাদের কথা কান পেতে শুনে, তারপর অন্যের কাছে বলে বেড়ায়।
كتاب الأدب
التَّرْهِيب من النميمة
4293- عَن حُذَيْفَة رَضِي الله عَنهُ قَالَ قَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم لَا يدْخل الْجنَّة نمام
وَفِي رِوَايَة قَتَّات
رَوَاهُ البُخَارِيّ وَمُسلم وَأَبُو دَاوُد وَالتِّرْمِذِيّ
قَالَ الْحَافِظ القَتَّات والنمام بِمَعْنى وَاحِد وَقيل النمام الَّذِي يكون مَعَ جمَاعَة يتحدثون حَدِيثا فينم عَلَيْهِم والقتات الَّذِي يتسمع عَلَيْهِم وهم لَا يعلمُونَ ثمَّ ينم
وَفِي رِوَايَة قَتَّات
رَوَاهُ البُخَارِيّ وَمُسلم وَأَبُو دَاوُد وَالتِّرْمِذِيّ
قَالَ الْحَافِظ القَتَّات والنمام بِمَعْنى وَاحِد وَقيل النمام الَّذِي يكون مَعَ جمَاعَة يتحدثون حَدِيثا فينم عَلَيْهِم والقتات الَّذِي يتسمع عَلَيْهِم وهم لَا يعلمُونَ ثمَّ ينم
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪২৯৪
অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
পরিচ্ছেদঃ চোগলখুরী করার প্রতি ভীতি প্রদর্শন
৪২৯৪. হযরত ইবন আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত। একবার রাসুলুল্লাহ্ (ﷺ) দু'টি করবের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তখন তিনি বলেন: এই কবরদ্বয়ে সমাহিত লোক দু'টির উপর আযাব হচ্ছে। আর তেমন কোন বড় গুনাহের কারণে এই শাস্তি হচ্ছে না, হাঁ। এটি তো কবীরা গুনাহের কাজ। তাদের একজনের উপর আযাব হচ্ছে শুধু এই কারণে যে, সে চোগলখুরী করত। আর দ্বিতীয় জনের উপর আযাব হওয়ার কারণ এই যে, সে পেশাবের সময় পর্দা করত না।আল-হাদীস।
(বুখারী (র) নিজ শব্দে মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিযী, নাসাঈ, ইবন মাজা এবং ইবন খুযায়মার সহীহ গ্রন্থে এরূপ বর্ণিত হয়েছে।)
(বুখারী (র) নিজ শব্দে মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিযী, নাসাঈ, ইবন মাজা এবং ইবন খুযায়মার সহীহ গ্রন্থে এরূপ বর্ণিত হয়েছে।)
كتاب الأدب
التَّرْهِيب من النميمة
4294- وَعَن ابْن عَبَّاس رَضِي الله عَنْهُمَا أَن رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم مر بقبرين يعذبان فَقَالَ إنَّهُمَا يعذبان وَمَا يعذبان فِي كَبِير بلَى إِنَّه كَبِير أما أَحدهمَا فَكَانَ يمشي بالنميمة وَأما الآخر فَكَانَ لَا يسْتَتر من بَوْله الحَدِيث
رَوَاهُ البُخَارِيّ
وَاللَّفْظ لَهُ وَمُسلم وَأَبُو دَاوُد وَالتِّرْمِذِيّ وَالنَّسَائِيّ وَابْن مَاجَه وَرَوَاهُ ابْن خُزَيْمَة فِي صَحِيحه بِنَحْوِهِ
رَوَاهُ البُخَارِيّ
وَاللَّفْظ لَهُ وَمُسلم وَأَبُو دَاوُد وَالتِّرْمِذِيّ وَالنَّسَائِيّ وَابْن مَاجَه وَرَوَاهُ ابْن خُزَيْمَة فِي صَحِيحه بِنَحْوِهِ
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪২৯৫
অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
পরিচ্ছেদঃ চোগলখুরী করার প্রতি ভীতি প্রদর্শন
৪২৯৫. হযরত আবু উমামা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা নবী (ﷺ) প্রচণ্ড গরমের দিনে বাকী গারকাদের দিকে গমন করেন। বর্ণনাকারী বলেন: সাহাবায়ে কিরাম নবী (ﷺ)-এর পেছনে পেছনে হাঁটছিলেন। রাবী বলেন: তিনি যখন জুতার শব্দ শুনতে পান, তখন নিজকে সামলে নেন। তিনি বসে পড়েন এবং সাহাবায়ে কিরামকেও সামনে বাড়িয়ে দেন, যাতে তাঁর অন্তরে বড়াই স্থান না পায়। যখন তিনি বাকীউল গারকাদের নিকট গমন করেন, তখন তিনি দুই ব্যক্তির কবর দেখতে পান, যাদের সেখানে দাফন করা হয়েছে। বর্ণনাকারী বলেন: তখন নবী (ﷺ) সেখানে দাঁড়িয়ে প্রশ্ন করেন: ইতিমধ্যে তোমরা এখানে কাকে দাফন করেছ? তারা বলল: অমুক অমুককে। তারা জিজ্ঞেস করেন: ইয়া নাবী আল্লাহ্! কী হয়েছে। তিনি বলেন: তাদের একজন পেশাব থেকে পবিত্রতা অর্জন করত না এবং অপরজন চোগলখুরী করত। এরপর তিনি তাজা একটি খেজুরের ডাল নিয়ে তা দুই ভাগ করেন এবং তা উভয় করবে পুঁতে দেন। সাহাবায়ে কিরাম বলেন: ইয়া নবী আল্লাহ্! আপনি এরূপ কেন করলেন? তিনি বলেন: যাতে তাদের শাস্তি লাঘব করা হয়। তারা বলল: কতদিন যাবত তাদের শাস্তি দেওয়া হবে? তিনি বলেন: এ একটি গায়বী সংবাদ, যা আল্লাহ্ ব্যতীত কেউ জানে না। তোমাদের অন্তর প্রকম্পিত হওয়ার ব্যাপারে যদি আমি আশংকাবোধ না করতাম এবং তোমাদের কথা তোমরা না বাড়াতে, তবে আমি যা শুনি তোমরাও তা শুনতে।
(আহমাদ (র) আলী ইবন ইয়াযীদ হতে, তিনি কাসিম হতে উক্ত হাদীসটি বর্ণনা করেন।)
(আহমাদ (র) আলী ইবন ইয়াযীদ হতে, তিনি কাসিম হতে উক্ত হাদীসটি বর্ণনা করেন।)
كتاب الأدب
التَّرْهِيب من النميمة
4295- وَعَن أبي أُمَامَة رَضِي الله عَنهُ قَالَ مر النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم فِي يَوْم شَدِيد الْحر نَحْو بَقِيع الْغَرْقَد قَالَ فَكَانَ النَّاس يَمْشُونَ خَلفه
قَالَ فَلَمَّا سمع صَوت النِّعَال وقر ذَلِك فِي نَفسه فَجَلَسَ حَتَّى قدمهم أَمَامه لِئَلَّا يَقع فِي نَفسه شَيْء من الْكبر فَلَمَّا مر ببقيع الْغَرْقَد إِذا بقبرين قد دفنُوا فيهمَا رجلَيْنِ قَالَ فَوقف النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم فَقَالَ من دفنتم الْيَوْم هَهُنَا قَالُوا فلَان وَفُلَان
قَالُوا يَا نَبِي الله وَمَا ذَاك قَالَ أما أَحدهمَا فَكَانَ لَا يتنزه من الْبَوْل وَأما الآخر فَكَانَ يمشي بالنميمة وَأخذ جَرِيدَة رطبَة فَشَقهَا ثمَّ جعلهَا على الْقَبْر
قَالُوا يَا نَبِي الله لم فعلت هَذَا قَالَ ليخففن عَنْهُمَا
قَالُوا يَا نَبِي الله حَتَّى مَتى هما يعذبان قَالَ غيب لَا يُعلمهُ إِلَّا الله عز وَجل وَلَوْلَا تمزع قُلُوبكُمْ وتزيدكم فِي الحَدِيث لسمعتم مَا أسمع
رَوَاهُ أَحْمد من طَرِيق عَليّ بن يزِيد عَن الْقَاسِم عَنهُ
قَالَ فَلَمَّا سمع صَوت النِّعَال وقر ذَلِك فِي نَفسه فَجَلَسَ حَتَّى قدمهم أَمَامه لِئَلَّا يَقع فِي نَفسه شَيْء من الْكبر فَلَمَّا مر ببقيع الْغَرْقَد إِذا بقبرين قد دفنُوا فيهمَا رجلَيْنِ قَالَ فَوقف النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم فَقَالَ من دفنتم الْيَوْم هَهُنَا قَالُوا فلَان وَفُلَان
قَالُوا يَا نَبِي الله وَمَا ذَاك قَالَ أما أَحدهمَا فَكَانَ لَا يتنزه من الْبَوْل وَأما الآخر فَكَانَ يمشي بالنميمة وَأخذ جَرِيدَة رطبَة فَشَقهَا ثمَّ جعلهَا على الْقَبْر
قَالُوا يَا نَبِي الله لم فعلت هَذَا قَالَ ليخففن عَنْهُمَا
قَالُوا يَا نَبِي الله حَتَّى مَتى هما يعذبان قَالَ غيب لَا يُعلمهُ إِلَّا الله عز وَجل وَلَوْلَا تمزع قُلُوبكُمْ وتزيدكم فِي الحَدِيث لسمعتم مَا أسمع
رَوَاهُ أَحْمد من طَرِيق عَليّ بن يزِيد عَن الْقَاسِم عَنهُ
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪২৯৬
অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
পরিচ্ছেদঃ চোগলখুরী করার প্রতি ভীতি প্রদর্শন
৪২৯৬. হযরত ইবন উমার (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি: চোগলখুরী করা, গালাগালি করা, গোত্রীয় অহমিকা প্রদর্শণ করা, জাহান্নামী হওয়ার লক্ষণ।
كتاب الأدب
التَّرْهِيب من النميمة
4296- وَرُوِيَ عَن ابْن عمر رَضِي الله عَنْهُمَا قَالَ سَمِعت رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم يَقُول النميمة والشتيمة وَالْحمية فِي النَّار
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪২৯৭
অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
পরিচ্ছেদঃ চোগলখুরী করার প্রতি ভীতি প্রদর্শন
৪২৯৭. অন্য বর্ণনায় আছে: নিশ্চয়ই চোগলখোর ও হিংসুক জাহান্নামী। এ দু'টো বৈশিষ্ট্য কোন মুসলমানের অন্তরে একত্র হতে পারে না।
(তাবারানী বর্ণিত।)
(তাবারানী বর্ণিত।)
كتاب الأدب
التَّرْهِيب من النميمة
4297- وَفِي لفظ إِن النميمة والحقد فِي النَّار لَا يَجْتَمِعَانِ فِي قلب مُسلم
رَوَاهُ الطَّبَرَانِيّ
رَوَاهُ الطَّبَرَانِيّ
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪২৯৮
অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
পরিচ্ছেদঃ চোগলখুরী করার প্রতি ভীতি প্রদর্শন
৪২৯৮. হযরত আবু বারযা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি: মিথ্যা মানুষের চেহারা (কিয়ামতের দিন) কৃষ্ণকায় করে দেবে এবং চোগলখুরী কবর আযাবের কারণ হবে।
(আবু ই'আলা, তাবারানী ও ইবন হিব্বানের সহীহ গ্রন্থ এবং বায়হাকী বর্ণিত।
[হাফিয মুনযিরী (র) বলেন: উক্ত হাদীসটি তারা যিয়াদ ইব্ন মুনযির থেকে, তিনি নাফি' ইবন হারিস সূত্রে বর্ণনা করেন। যিয়াদ হলেন অন্ধ জারুদ কৃফী। তাকে জারুদিয়্যাহ বলা হয়। তিনি রাফিযী আকিদায় বিশ্বাসী ছিলেন। নাফি' মূলত নুফাঈ। তিনি অন্ধ নুফাঈ আবু দাউদ। তারা উভয়ই মুহাদ্দিসণের নিকট বর্জিত। কেননা, তারা জাল হাদীস বর্ণনার অভিযোগে অভিযুক্ত।)
(আবু ই'আলা, তাবারানী ও ইবন হিব্বানের সহীহ গ্রন্থ এবং বায়হাকী বর্ণিত।
[হাফিয মুনযিরী (র) বলেন: উক্ত হাদীসটি তারা যিয়াদ ইব্ন মুনযির থেকে, তিনি নাফি' ইবন হারিস সূত্রে বর্ণনা করেন। যিয়াদ হলেন অন্ধ জারুদ কৃফী। তাকে জারুদিয়্যাহ বলা হয়। তিনি রাফিযী আকিদায় বিশ্বাসী ছিলেন। নাফি' মূলত নুফাঈ। তিনি অন্ধ নুফাঈ আবু দাউদ। তারা উভয়ই মুহাদ্দিসণের নিকট বর্জিত। কেননা, তারা জাল হাদীস বর্ণনার অভিযোগে অভিযুক্ত।)
كتاب الأدب
التَّرْهِيب من النميمة
4298- وَعَن أبي بَرزَة رَضِي الله عَنهُ قَالَ سَمِعت رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم يَقُول أَلا إِن الْكَذِب يسود الْوَجْه والنميمة من عَذَاب الْقَبْر
رَوَاهُ أَبُو يعلى وَالطَّبَرَانِيّ وَابْن حبَان فِي صَحِيحه وَالْبَيْهَقِيّ
قَالَ الْحَافِظ رَوَوْهُ كلهم من طَرِيق زِيَاد بن الْمُنْذر عَن نَافِع بن الْحَارِث عَنهُ
وَزِيَاد هَذَا هُوَ أَبُو الْجَارُود الْكُوفِي الْأَعْمَى تنْسب إِلَيْهِ الجارودية من الروافض
وَنَافِع هُوَ نفيع أَبُو دَاوُد الْأَعْمَى أَيْضا وَكِلَاهُمَا مَتْرُوك مُتَّهم بِالْوَضْعِ
رَوَاهُ أَبُو يعلى وَالطَّبَرَانِيّ وَابْن حبَان فِي صَحِيحه وَالْبَيْهَقِيّ
قَالَ الْحَافِظ رَوَوْهُ كلهم من طَرِيق زِيَاد بن الْمُنْذر عَن نَافِع بن الْحَارِث عَنهُ
وَزِيَاد هَذَا هُوَ أَبُو الْجَارُود الْكُوفِي الْأَعْمَى تنْسب إِلَيْهِ الجارودية من الروافض
وَنَافِع هُوَ نفيع أَبُو دَاوُد الْأَعْمَى أَيْضا وَكِلَاهُمَا مَتْرُوك مُتَّهم بِالْوَضْعِ
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪২৯৯
অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
পরিচ্ছেদঃ চোগলখুরী করার প্রতি ভীতি প্রদর্শন
৪২৯৯. হযরত আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন: একদা আমরা রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ)-এর সাথে পথ চলছিলাম। এ সময় আমরা দু'টি কবরের নিকট দিয়ে গমন করেছিলাম। হঠাৎ তিনি দাঁড়িয়ে যান এবং আমরাও তার সাথে দাঁড়িয়ে যাই। তখন তাঁর চেহারার রং বদলে যায়। এমনকি তাঁর জামার আস্তীন কাঁপতে শুরু করে। তখন আমরা জিজ্ঞেস করলাম: ইয়া রাসূলাল্লাহ্। আপনার কী হয়েছে? তিনি বলেন: আমি যা শুনি, তোমরা কি তা শুনতে পাও না? আমরা বললামঃ ইয়া নাবী আল্লাহ্! তা কি? তিনি বলেনঃ এই দুই ব্যক্তিকে তাদের কবরে সাধারণ গুনাহের জন্য কঠিন শাস্তি দেওয়া হচ্ছে। আমরা বললামঃ কী অপরাধের? তিনি বলেন: তাদের একজন পেশাব থেকে ঠিকমত পবিত্র হত না এবং অন্যজন মানুষকে তার রসনা দ্বারা কষ্ট দিত এবং মানুষের মাঝে চোগলখুরী করত। তখন তিনি খেজুর, বৃক্ষের দু'টি ডাল উপস্থিত করার জন্য নির্দেশ দেন এবং তা তিনি প্রত্যেকটি কবরে একটি করে পুঁতে দেন। তখন আমরা বললামঃ একি তাদের উপকারে আসবে? তিনি বলেন। হাঁ, যতক্ষণ তা তাজা থাকবে, ততক্ষণ পর্যন্ত তাদের শাস্তি লাঘব করা হবে।
(ইবন হিব্বানের সহীহ্ গ্রন্থে বর্ণিত।
قوله في ذنب هين : রাধ দু'টো ঐ লোকদের নিকট তুচ্ছ মনে হত। মূলত তা ক্ষুদ্র ছিল না। কেননা, এই মর্মে পেছনে ইবন আব্বাস (রা) হতে বর্ণিত হাদীসে রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) বলেছেন: بلى إنه كبير (হাঁ, এ হচ্ছে করীবা গুনাহ)। উম্মাতে মুসলিম এই বিষয় চোগলখুরী করা হারাম এবং তা আল্লাহর নিকট গুরুতর অপরাধের অন্তর্ভুক্ত।)
(ইবন হিব্বানের সহীহ্ গ্রন্থে বর্ণিত।
قوله في ذنب هين : রাধ দু'টো ঐ লোকদের নিকট তুচ্ছ মনে হত। মূলত তা ক্ষুদ্র ছিল না। কেননা, এই মর্মে পেছনে ইবন আব্বাস (রা) হতে বর্ণিত হাদীসে রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) বলেছেন: بلى إنه كبير (হাঁ, এ হচ্ছে করীবা গুনাহ)। উম্মাতে মুসলিম এই বিষয় চোগলখুরী করা হারাম এবং তা আল্লাহর নিকট গুরুতর অপরাধের অন্তর্ভুক্ত।)
كتاب الأدب
التَّرْهِيب من النميمة
4299- وَعَن أبي هُرَيْرَة رَضِي الله عَنهُ قَالَ كُنَّا نمشي مَعَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم فمررنا على قبرين فَقَامَ فقمنا مَعَه فَجعل لَونه يتَغَيَّر حَتَّى رعد كم قَمِيصه فَقُلْنَا مَا لَك يَا رَسُول الله فَقَالَ أما تستمعون مَا أسمع فَقُلْنَا وَمَا ذَاك يَا نَبِي الله قَالَ هَذَانِ رجلَانِ يعذبان فِي قبورهما عذَابا شَدِيدا فِي ذَنْب هَين
قُلْنَا فيمَ ذَاك قَالَ كَانَ أَحدهمَا لَا يستنزه من الْبَوْل وَكَانَ الآخر يُؤْذِي النَّاس بِلِسَانِهِ وَيَمْشي بَينهم بالنميمة فَدَعَا بجريدتين من جرائد النّخل فَجعل فِي كل قبر وَاحِدَة
قُلْنَا وَهل يَنْفَعهُمْ ذَلِك قَالَ نعم يُخَفف عَنْهُمَا مَا دامتا رطبتين
رَوَاهُ ابْن حبَان فِي صَحِيحه
قَوْله فِي ذَنْب هَين أَي هَين عِنْدهمَا وَفِي ظنهما لَا أَنه هَين فِي نفس الْأَمر فقد تقدم فِي حَدِيث ابْن عَبَّاس قَوْله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم بلَى إِنَّه كَبِير وَقد أَجمعت الْأمة على تَحْرِيم النميمة وَأَنَّهَا من أعظم الذُّنُوب عِنْد الله تَعَالَى
قُلْنَا فيمَ ذَاك قَالَ كَانَ أَحدهمَا لَا يستنزه من الْبَوْل وَكَانَ الآخر يُؤْذِي النَّاس بِلِسَانِهِ وَيَمْشي بَينهم بالنميمة فَدَعَا بجريدتين من جرائد النّخل فَجعل فِي كل قبر وَاحِدَة
قُلْنَا وَهل يَنْفَعهُمْ ذَلِك قَالَ نعم يُخَفف عَنْهُمَا مَا دامتا رطبتين
رَوَاهُ ابْن حبَان فِي صَحِيحه
قَوْله فِي ذَنْب هَين أَي هَين عِنْدهمَا وَفِي ظنهما لَا أَنه هَين فِي نفس الْأَمر فقد تقدم فِي حَدِيث ابْن عَبَّاس قَوْله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم بلَى إِنَّه كَبِير وَقد أَجمعت الْأمة على تَحْرِيم النميمة وَأَنَّهَا من أعظم الذُّنُوب عِنْد الله تَعَالَى
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৩০০
অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
পরিচ্ছেদঃ চোগলখুরী করার প্রতি ভীতি প্রদর্শন
৪৩০০. হযরত আবদুল্লাহ ইবন বুসর (রা) সূত্রে নবী (ﷺ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন: হিংসুক, চোগলখোর ও গণক আমার দলভুক্ত নয় এবং আমিও তাদের দলভুক্ত নই। পরে তিনি নিম্নোক্ত আয়াত পাট করেন,
وَالَّذِينَ يُؤْذُونَ الْمُؤْمِنِينَ وَالْمُؤْمِنَاتِ بِغَيْرِ مَا اكْتَسَبُوا فَقَدِ احْتَمَلُوا بُهْتَانًا وَإِثْمًا مُبِينًا
"মু'মিন পুরুষ ও মু'মিন নারী কোন অপরাধ না করলেও যারা তাদেরকে পীড়া দেয়। তারা অপবাদ ও স্পষ্ট পাপের বোঝা বহন করে"। (সূরা আহযাবঃ ৫৮)।
(তাবারানী বর্ণিত।)
وَالَّذِينَ يُؤْذُونَ الْمُؤْمِنِينَ وَالْمُؤْمِنَاتِ بِغَيْرِ مَا اكْتَسَبُوا فَقَدِ احْتَمَلُوا بُهْتَانًا وَإِثْمًا مُبِينًا
"মু'মিন পুরুষ ও মু'মিন নারী কোন অপরাধ না করলেও যারা তাদেরকে পীড়া দেয়। তারা অপবাদ ও স্পষ্ট পাপের বোঝা বহন করে"। (সূরা আহযাবঃ ৫৮)।
(তাবারানী বর্ণিত।)
كتاب الأدب
التَّرْهِيب من النميمة
4300- وَرُوِيَ عَن عبد الله بن بسر رَضِي الله عَنهُ عَن النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم قَالَ لَيْسَ مني ذُو حسد وَلَا نميمة وَلَا كهَانَة وَلَا أَنا مِنْهُ ثمَّ تَلا رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم وَالَّذين يُؤْذونَ الْمُؤمنِينَ وَالْمُؤْمِنَات بِغَيْر مَا اكتسبوا فقد احتملوا بهتانا وإثما مُبينًا الْأَحْزَاب 85
رَوَاهُ الطَّبَرَانِيّ
رَوَاهُ الطَّبَرَانِيّ
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৩০১
অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
পরিচ্ছেদঃ চোগলখুরী করার প্রতি ভীতি প্রদর্শন
৪৩০১. হযরত আবদুর রহমান ইবনে গানম (রা) থেকে মারফু' সূত্রে বর্ণিত। নবী (ﷺ) বলেছেন: আল্লাহর বান্দাদের মধ্যে ঐ সকল লোক উত্তম, যাদের দেখলে আল্লাহর কথা স্মরণ হয়। আর আল্লাহর বান্দাদের মধ্যে নিকৃষ্ট-ঐ সকল লোক, যারা চোগলখুরী করে বেড়ায়, দুই বন্ধুর মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটায় এবং যারা সতী-সাধবী রমনীর প্রতি ব্যভিচারের অপবাদ দেওয়ার সুযোগ খুঁজে বেড়ায়।
(আহমাদ (র) শাহর হতে বর্ণনা করেন। হাদীসের বাকী বর্ণনাসূত দলীলরূপে গ্রহণ করা বিশুদ্ধ। আবু বকর ইবন আবু শায়বা ও ইব্ন আবুদ দুনিয়া (র) শাহর হতে কয়েকটি সনদের মাধ্যমে উক্ত হাদীসটি নবী (ﷺ) থেকে বর্ণনা করেন। তবে তাদের উভয়ের বর্ণনায় المفرقون শব্দের পরিবর্তে الفسدون রয়েছে। ইমাম তাবারানী (র) উবাদা (রা) সূত্রে নবী (ﷺ) থেকে বর্ণনা করেন। অনুরূপ ইব্ন আবুদ দুনিয়া (র) তাঁর 'সামত কিতাবে' আবু হুরায়রা (রা) সূত্রে নবী (ﷺ) থেকে বর্ণনা করেন। তবে আবদুর রহমানের হাদীসটির সনদ সহীহ্। কারো কারো মতেঃ তিনি একজন সাহাবী।)
(আহমাদ (র) শাহর হতে বর্ণনা করেন। হাদীসের বাকী বর্ণনাসূত দলীলরূপে গ্রহণ করা বিশুদ্ধ। আবু বকর ইবন আবু শায়বা ও ইব্ন আবুদ দুনিয়া (র) শাহর হতে কয়েকটি সনদের মাধ্যমে উক্ত হাদীসটি নবী (ﷺ) থেকে বর্ণনা করেন। তবে তাদের উভয়ের বর্ণনায় المفرقون শব্দের পরিবর্তে الفسدون রয়েছে। ইমাম তাবারানী (র) উবাদা (রা) সূত্রে নবী (ﷺ) থেকে বর্ণনা করেন। অনুরূপ ইব্ন আবুদ দুনিয়া (র) তাঁর 'সামত কিতাবে' আবু হুরায়রা (রা) সূত্রে নবী (ﷺ) থেকে বর্ণনা করেন। তবে আবদুর রহমানের হাদীসটির সনদ সহীহ্। কারো কারো মতেঃ তিনি একজন সাহাবী।)
كتاب الأدب
التَّرْهِيب من النميمة
4301- وَعَن عبد الرَّحْمَن بن غنم يبلغ بِهِ النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم خِيَار عباد الله الَّذين إِذا رؤوا ذكر الله وشرار عباد الله المشاؤون بالنميمة المفرقون بَين الْأَحِبَّة الباغون للبرآء الْعَنَت
رَوَاهُ أَحْمد عَن شهر عَنهُ وَبَقِيَّة إِسْنَاده مُحْتَج بهم فِي الصَّحِيح وَرَوَاهُ أَبُو بكر بن أبي شيبَة وَابْن أبي الدُّنْيَا عَن شهر عَن أَسمَاء عَن النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم إِلَّا أَنَّهُمَا قَالَا المفسدون بَين الْأَحِبَّة وَالطَّبَرَانِيّ من حَدِيث عبَادَة عَن النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم وَابْن أبي الدُّنْيَا أَيْضا فِي كتاب الصمت عَن أبي هُرَيْرَة عَن النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم وَحَدِيث عبد الرَّحْمَن أصح وَقد قيل لَهُ إِن لَهُ صُحْبَة
رَوَاهُ أَحْمد عَن شهر عَنهُ وَبَقِيَّة إِسْنَاده مُحْتَج بهم فِي الصَّحِيح وَرَوَاهُ أَبُو بكر بن أبي شيبَة وَابْن أبي الدُّنْيَا عَن شهر عَن أَسمَاء عَن النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم إِلَّا أَنَّهُمَا قَالَا المفسدون بَين الْأَحِبَّة وَالطَّبَرَانِيّ من حَدِيث عبَادَة عَن النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم وَابْن أبي الدُّنْيَا أَيْضا فِي كتاب الصمت عَن أبي هُرَيْرَة عَن النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم وَحَدِيث عبد الرَّحْمَن أصح وَقد قيل لَهُ إِن لَهُ صُحْبَة
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৩০২
অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
পরিচ্ছেদঃ চোগলখুরী করার প্রতি ভীতি প্রদর্শন
৪৩০২. হযরত আলা ইবন হারিস (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) বলেছেনঃ পশ্চাতে নিন্দাকারী, সম্মুখে নিন্দাকারী, যারা লোকের চোগলখুরী করে বেড়ায় এবং সতী-সাধবী রমনীদের ব্যভিচারের অভিযোগে অভিযুক্ত করার দোষ খুঁজে বেড়ায়, আল্লাহ্ তাদেরকে কুকুরের চেহারায় হাশরের মাঠে উঠাবেন।
(আবু শায়খ ইবন হিব্বান তাওরীয গ্রন্থে মু'দাল সূত্রে উক্ত হাদীসটি বর্ণনা করেন।
হযরত আবু দারদা (রা) সূত্রে নবী (ﷺ) থেকে পেছনে الاصلاح অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে। তিনি বলেছেন: সিয়াম পালনকারী, সালাত আদায়কারী, নফল দান-খয়রাতকারী থেকে কে উত্তম, আমি কি তার সম্পর্কে অবহিত করব না। সাহাবায়ে কিরাম বলেন: জ্বি-হাঁ তিনি বলেন: পরস্পরের মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা। কেননা, পরস্পরের নিপর্যয়ই দ্বীনের ধ্বংসকারী।
আবু দাউদ, ইবন হিব্বানের সহীহ্ গ্রন্থ এবং তিরমিযী বর্ণিত। তিনি হাদীসটি সহীহ বলেছেন। এরপর তিনি বলেন: নবী (ﷺ) থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি বলেছেন: "তা হচ্ছে ধ্বংসকারী"। তিনি বলেন: আমি الحالقة বলতে মাথা মুণ্ডানো বুঝাইনি বরং দীনকে ধ্বংসকারী অর্থে বুঝাতে চেয়েছি।)
(আবু শায়খ ইবন হিব্বান তাওরীয গ্রন্থে মু'দাল সূত্রে উক্ত হাদীসটি বর্ণনা করেন।
হযরত আবু দারদা (রা) সূত্রে নবী (ﷺ) থেকে পেছনে الاصلاح অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে। তিনি বলেছেন: সিয়াম পালনকারী, সালাত আদায়কারী, নফল দান-খয়রাতকারী থেকে কে উত্তম, আমি কি তার সম্পর্কে অবহিত করব না। সাহাবায়ে কিরাম বলেন: জ্বি-হাঁ তিনি বলেন: পরস্পরের মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা। কেননা, পরস্পরের নিপর্যয়ই দ্বীনের ধ্বংসকারী।
আবু দাউদ, ইবন হিব্বানের সহীহ্ গ্রন্থ এবং তিরমিযী বর্ণিত। তিনি হাদীসটি সহীহ বলেছেন। এরপর তিনি বলেন: নবী (ﷺ) থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি বলেছেন: "তা হচ্ছে ধ্বংসকারী"। তিনি বলেন: আমি الحالقة বলতে মাথা মুণ্ডানো বুঝাইনি বরং দীনকে ধ্বংসকারী অর্থে বুঝাতে চেয়েছি।)
كتاب الأدب
التَّرْهِيب من النميمة
4302- وَعَن الْعَلَاء بن الْحَارِث رَضِي الله عَنهُ أَن رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم قَالَ الهمازون واللمازون والمشاؤون بالنميمة الباغون للبرآء الْعَنَت يحشرهم الله فِي وُجُوه الْكلاب
رَوَاهُ أَبُو الشَّيْخ ابْن حبَان فِي كتاب التوبيخ معضلا هَكَذَا
وَتقدم فِي بَاب الْإِصْلَاح حَدِيث أبي الدَّرْدَاء عَن النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم قَالَ أَلا أخْبركُم بِأَفْضَل من دَرَجَة الصّيام وَالصَّلَاة وَالصَّدَََقَة قَالُوا بلَى
قَالَ إصْلَاح ذَات الْبَين فَإِن فَسَاد ذَات الْبَين هِيَ الحالقة
رَوَاهُ أَبُو دَاوُد وَابْن حبَان فِي صَحِيحه وَالتِّرْمِذِيّ وَصَححهُ ثمَّ قَالَ ويروى عَن النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم أَنه قَالَ هِيَ الحالقة لَا أَقُول تحلق الشّعْر وَلَكِن أَقُول تحلق الدّين
التَّرْهِيب من الْغَيْبَة والبهت وبيانهما وَالتَّرْغِيب فِي ردهما
رَوَاهُ أَبُو الشَّيْخ ابْن حبَان فِي كتاب التوبيخ معضلا هَكَذَا
وَتقدم فِي بَاب الْإِصْلَاح حَدِيث أبي الدَّرْدَاء عَن النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم قَالَ أَلا أخْبركُم بِأَفْضَل من دَرَجَة الصّيام وَالصَّلَاة وَالصَّدَََقَة قَالُوا بلَى
قَالَ إصْلَاح ذَات الْبَين فَإِن فَسَاد ذَات الْبَين هِيَ الحالقة
رَوَاهُ أَبُو دَاوُد وَابْن حبَان فِي صَحِيحه وَالتِّرْمِذِيّ وَصَححهُ ثمَّ قَالَ ويروى عَن النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم أَنه قَالَ هِيَ الحالقة لَا أَقُول تحلق الشّعْر وَلَكِن أَقُول تحلق الدّين
التَّرْهِيب من الْغَيْبَة والبهت وبيانهما وَالتَّرْغِيب فِي ردهما
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৩০৩
অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
পরিচ্ছেদঃ গীবত, অপবাদ এবং এ সম্পর্কীয় কার্যাবলীর প্রতি ভীতি প্রদর্শন এবং এতদুভয় কাজ থেকে বিরত থাকার প্রতি অনুপ্রেরণা
৪৩০৩. হযরত আবু বাকরা (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) বিদায় হজ্জের ভাষণে বলেছেন: "তোমাদের পরস্পরের রক্ত (জীবন), ধন-সম্পদ, মান-ইযযত পরস্পরের প্রতি হারাম ও সম্মাদের যোগ্য, যেমনিভাবে আজকের এই দিন, এই মাস, এই শহর তোমাদের জন্য হারাম ও সম্মানের। আমি কি তোমাদের কাছে আল্লাহর বাণী পৌঁছে দিয়েছি?"
(বুখারী, মুসলিম ও অন্যান্য গ্রন্থে বর্ণিত।)
(বুখারী, মুসলিম ও অন্যান্য গ্রন্থে বর্ণিত।)
كتاب الأدب
التَّرْهِيب من الْغَيْبَة والبهت وبيانهما وَالتَّرْغِيب فِي ردهما
4303- عَن أبي بكرَة رَضِي الله عَنهُ أَن رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم قَالَ فِي خطبَته فِي حجَّة الْوَدَاع إِن دماءكم وَأَمْوَالكُمْ وَأَعْرَاضكُمْ حرَام عَلَيْكُم كَحُرْمَةِ يومكم هَذَا فِي شهركم هَذَا فِي بلدكم هَذَا أَلا هَل بلغت
رَوَاهُ البُخَارِيّ وَمُسلم وَغَيرهمَا
رَوَاهُ البُخَارِيّ وَمُسلم وَغَيرهمَا
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৩০৪
অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
পরিচ্ছেদঃ গীবত, অপবাদ এবং এ সম্পর্কীয় কার্যাবলীর প্রতি ভীতি প্রদর্শন এবং এতদুভয় কাজ থেকে বিরত থাকার প্রতি অনুপ্রেরণা
৪৩০৪. হযরত আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন। প্রত্যেক মুসলমানের জন্য, প্রত্যেক মুসলমানের রক্ত (জীবন), মান-সম্মান ও ধন-সম্পদ হারাম ও সম্মানের বস্তু।
(মুসলিম ও তিরমিযীর এক হাদীসে বর্ণিত।)
(মুসলিম ও তিরমিযীর এক হাদীসে বর্ণিত।)
كتاب الأدب
التَّرْهِيب من الْغَيْبَة والبهت وبيانهما وَالتَّرْغِيب فِي ردهما
4304- وَعَن أبي هُرَيْرَة رَضِي الله عَنهُ أَن رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم قَالَ كل الْمُسلم على الْمُسلم حرَام دَمه وَعرضه وَمَاله
رَوَاهُ مُسلم وَالتِّرْمِذِيّ فِي حَدِيث
رَوَاهُ مُسلم وَالتِّرْمِذِيّ فِي حَدِيث
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৩০৫
অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
পরিচ্ছেদঃ গীবত, অপবাদ এবং এ সম্পর্কীয় কার্যাবলীর প্রতি ভীতি প্রদর্শন এবং এতদুভয় কাজ থেকে বিরত থাকার প্রতি অনুপ্রেরণা
৪৩০৫. হযরত বারা' ইব্ন আযিব (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) বলেছেন: সুদের (গুনাহের দিক থেকে) বাহাত্তরটি স্তর রয়েছে। এর সর্বনিম্ন স্তর হচ্ছে কোন লোকের তার মায়ের সাথে ব্যভিচার করা। সর্বোচ্চ সুদ হল কোন ব্যক্তি কর্তৃক তার ভাইয়ের সম্মানকে খাটো করে দেখা।
(তাবারানীর আওসাত গ্রন্থে উমার ইবন রাশিদ হতে বর্ণিত।)
(তাবারানীর আওসাত গ্রন্থে উমার ইবন রাশিদ হতে বর্ণিত।)
كتاب الأدب
التَّرْهِيب من الْغَيْبَة والبهت وبيانهما وَالتَّرْغِيب فِي ردهما
4305- وَعَن الْبَراء بن عَازِب رَضِي الله عَنهُ قَالَ قَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم الرِّبَا اثْنَان وَسَبْعُونَ بَابا أدناها مثل إتْيَان الرجل أمه وَإِن أربى الرِّبَا استطالة الرجل فِي عرض أَخِيه
رَوَاهُ الطَّبَرَانِيّ فِي الْأَوْسَط من رِوَايَة عمر بن رَاشد
رَوَاهُ الطَّبَرَانِيّ فِي الْأَوْسَط من رِوَايَة عمر بن رَاشد
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৩০৬
অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
পরিচ্ছেদঃ গীবত, অপবাদ এবং এ সম্পর্কীয় কার্যাবলীর প্রতি ভীতি প্রদর্শন এবং এতদুভয় কাজ থেকে বিরত থাকার প্রতি অনুপ্রেরণা
৪৩০৬. হযরত আনাস ইবন মালিক (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন: একদা রাসুলুল্লাহ্ (ﷺ) আমাদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দেন। তিনি ভাষণের এক পর্যায়ে সুদ সম্পর্কে আলোচনা করেন এবং তার ভয়াবহ পরিণাম সম্পর্কে বিবরণ দেন। তিনি বলেন: কারো কাছে সুদের একটি টাকা আসা তেষট্টি বার ব্যভিচারে লিপ্ত হওয়া অপেক্ষা গুরুতর। আর মারাত্মক সুদ হল, মুসলমানের মর্যাদায় হস্তক্ষেপ করা।
(ইবন আবুদ দুনিয়ার 'যামুল গীবাত' অধ্যায়ে বর্ণিত।)
(ইবন আবুদ দুনিয়ার 'যামুল গীবাত' অধ্যায়ে বর্ণিত।)
كتاب الأدب
التَّرْهِيب من الْغَيْبَة والبهت وبيانهما وَالتَّرْغِيب فِي ردهما
4306- وَرُوِيَ عَن أنس بن مَالك رَضِي الله عَنهُ قَالَ خَطَبنَا رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم فَذكر أَمر الرِّبَا وَعظم شَأْنه وَقَالَ إِن الدِّرْهَم يُصِيبهُ الرجل من الرِّبَا أعظم عِنْد الله فِي الْخَطِيئَة من سِتّ وَثَلَاثِينَ زنية يزنيها الرجل وَإِن أربى الرِّبَا عرض الرجل الْمُسلم
رَوَاهُ ابْن أبي الدُّنْيَا فِي كتاب ذمّ الْغَيْبَة
رَوَاهُ ابْن أبي الدُّنْيَا فِي كتاب ذمّ الْغَيْبَة
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৩০৭
অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
পরিচ্ছেদঃ গীবত, অপবাদ এবং এ সম্পর্কীয় কার্যাবলীর প্রতি ভীতি প্রদর্শন এবং এতদুভয় কাজ থেকে বিরত থাকার প্রতি অনুপ্রেরণা
৪৩০৭. হযরত ইবন আব্বাস (রা) সূত্রে নবী (ﷺ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, সুদের তেহাত্তরটি স্তর রয়েছে। এর সর্ব নিম্নটি হচ্ছে কোন মুসলমানের তার মায়ের সাথে ব্যভিচারে লিপ্ত হওয়া। কোন মুসলমানের মর্যাদাহানী করা, মর্যাদা না দেওয়া সুদের (ন্যায় অপরাধের) অন্তর্ভুক্ত।
(ইবন আবুদ দুনিয়া ও বায়হাকী বর্ণিত। ইমাম তাবারানী (র)-এর সুদ সম্পর্কীয় একটি হাদীস পেছনে অতিবাহিত হয়েছে।)
(ইবন আবুদ দুনিয়া ও বায়হাকী বর্ণিত। ইমাম তাবারানী (র)-এর সুদ সম্পর্কীয় একটি হাদীস পেছনে অতিবাহিত হয়েছে।)
كتاب الأدب
التَّرْهِيب من الْغَيْبَة والبهت وبيانهما وَالتَّرْغِيب فِي ردهما
4307- وَرُوِيَ عَن ابْن عَبَّاس رَضِي الله عَنْهُمَا عَن النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم قَالَ إِن الرِّبَا نَيف وَسَبْعُونَ بَابا أهونهن بَابا من الرِّبَا مثل من أَتَى أمه فِي الْإِسْلَام وَدِرْهَم من الرِّبَا أَشد من خمس وَثَلَاثِينَ زنية وَأَشد الرِّبَا وأربى الرِّبَا وأخبث الرِّبَا انتهاك عرض الْمُسلم وانتهاك حرمته
رَوَاهُ ابْن أبي الدُّنْيَا وَالْبَيْهَقِيّ وروى الطَّبَرَانِيّ مِنْهُ ذكر الرِّبَا فِي حَدِيث تقدم
رَوَاهُ ابْن أبي الدُّنْيَا وَالْبَيْهَقِيّ وروى الطَّبَرَانِيّ مِنْهُ ذكر الرِّبَا فِي حَدِيث تقدم
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৩০৮
অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
পরিচ্ছেদঃ গীবত, অপবাদ এবং এ সম্পর্কীয় কার্যাবলীর প্রতি ভীতি প্রদর্শন এবং এতদুভয় কাজ থেকে বিরত থাকার প্রতি অনুপ্রেরণা
৪৩০৮. হযরত আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: কোন মুসলমানের মর্যাদাকে হিংসার চোখে দেখা সর্বোচ্চ সুদের গুনাহ।
(এই হাদীসটি বাযযার দু'টি সনদে বর্ণনা করেছেন, তবে একটি সনদ শক্তিশালী। ইমাম আবু দাউদ (র)-এর কোন কোন নোসখায় হাদীসটি বর্ণিত হয়েছে। তবে তাঁর শব্দমালা এরূপ: তিনি (নবী ﷺ) বলেছেন: মুসলমানের মর্যাদায় অন্যায়ভাবে হস্তক্ষেপ করা গুরুতর অপরাধ। একটি গালির প্রতিশোধে দু'টি গালি দেওয়া গুরুতর অপরাধ।
ইবন আবুদ দুনিয়া উপরোক্ত হাদীস থেকে আরো দীর্ঘ হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে তার শব্দশালা এরূপ: রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ সুদে সত্তরটি গুনাহ রয়েছে। আর তন্মধ্যে নিম্নস্তরের গুনাহ হচ্ছে, নিজ মায়ের সাথে ব্যভিচারে লিপ্ত হওয়া তুল্য গুনাহ। জঘন্যতম সুদ হল মুসলমানের মর্যাদার হস্তক্ষেপ করা।)
(এই হাদীসটি বাযযার দু'টি সনদে বর্ণনা করেছেন, তবে একটি সনদ শক্তিশালী। ইমাম আবু দাউদ (র)-এর কোন কোন নোসখায় হাদীসটি বর্ণিত হয়েছে। তবে তাঁর শব্দমালা এরূপ: তিনি (নবী ﷺ) বলেছেন: মুসলমানের মর্যাদায় অন্যায়ভাবে হস্তক্ষেপ করা গুরুতর অপরাধ। একটি গালির প্রতিশোধে দু'টি গালি দেওয়া গুরুতর অপরাধ।
ইবন আবুদ দুনিয়া উপরোক্ত হাদীস থেকে আরো দীর্ঘ হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে তার শব্দশালা এরূপ: রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ সুদে সত্তরটি গুনাহ রয়েছে। আর তন্মধ্যে নিম্নস্তরের গুনাহ হচ্ছে, নিজ মায়ের সাথে ব্যভিচারে লিপ্ত হওয়া তুল্য গুনাহ। জঘন্যতম সুদ হল মুসলমানের মর্যাদার হস্তক্ষেপ করা।)
كتاب الأدب
التَّرْهِيب من الْغَيْبَة والبهت وبيانهما وَالتَّرْغِيب فِي ردهما
4308- وَعَن أبي هُرَيْرَة رَضِي الله عَنهُ قَالَ قَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم من أربى الرِّبَا استطالة الْمَرْء فِي عرض أَخِيه
رَوَاهُ الْبَزَّار بِإِسْنَادَيْنِ أَحدهمَا قوي وَهُوَ فِي بعض نسخ أبي دَاوُد إِلَّا أَنه قَالَ إِن من الْكَبَائِر استطالة الرجل فِي عرض رجل مُسلم بِغَيْر حق وَمن الْكَبَائِر السبتان بالسبة
وَرَوَاهُ ابْن أبي الدُّنْيَا أطول مِنْهُ وَلَفظه قَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم الرِّبَا سَبْعُونَ حوبا وأيسرها كَنِكَاح الرجل أمه وَإِن أربى الرِّبَا عرض الرجل الْمُسلم
الْحُوب بِضَم الْحَاء الْمُهْملَة هُوَ الْإِثْم
رَوَاهُ الْبَزَّار بِإِسْنَادَيْنِ أَحدهمَا قوي وَهُوَ فِي بعض نسخ أبي دَاوُد إِلَّا أَنه قَالَ إِن من الْكَبَائِر استطالة الرجل فِي عرض رجل مُسلم بِغَيْر حق وَمن الْكَبَائِر السبتان بالسبة
وَرَوَاهُ ابْن أبي الدُّنْيَا أطول مِنْهُ وَلَفظه قَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم الرِّبَا سَبْعُونَ حوبا وأيسرها كَنِكَاح الرجل أمه وَإِن أربى الرِّبَا عرض الرجل الْمُسلم
الْحُوب بِضَم الْحَاء الْمُهْملَة هُوَ الْإِثْم
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৩০৯
অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
পরিচ্ছেদঃ গীবত, অপবাদ এবং এ সম্পর্কীয় কার্যাবলীর প্রতি ভীতি প্রদর্শন এবং এতদুভয় কাজ থেকে বিরত থাকার প্রতি অনুপ্রেরণা
৪৩০৯. হযরত আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) তাঁর সাথীদের বলেছেন: আল্লাহর নিকট জঘন্য সুদ কি? তা কি তোমরা জান? সাহাবায়ে কিরাম বলেন: এ ব্যাপারে আল্লাহ এবং তাঁর রাসূল (ﷺ) সর্বাধিক জ্ঞাত। তিনি বলেন: এক মুসলমান অন্য মুসলমানের মর্যাদাহানী বৈধ মনে করা জঘন্যতম সুদ। অতঃপর তিনটি নিম্নোক্ত আয়াতটি তিলাওয়াত করেন:
وَالَّذِينَ يُؤْذُونَ الْمُؤْمِنِينَ وَالْمُؤْمِنَاتِ بِغَيْرِ مَا اكْتَسَبُوا فَقَدِ احْتَمَلُوا بُهْتَانًا وَإِثْمًا مُبِينًا
"যারা মু'মিন পুরুষ ও নারীদের বিনা অপরাধে কষ্ট দেয়। তারা একটা অতি বড় মিথ্যা দোষ ও সুষ্পষ্ট অপরাধের বোঝা নিজেদের ঘাড়ে চাপিয়ে নেয়"। (সূরা আহযাবঃ ৫৮)
(আবু ই'আলা বর্ণিত। তাঁর বর্ণনাকারী বিশুদ্ধ।)
وَالَّذِينَ يُؤْذُونَ الْمُؤْمِنِينَ وَالْمُؤْمِنَاتِ بِغَيْرِ مَا اكْتَسَبُوا فَقَدِ احْتَمَلُوا بُهْتَانًا وَإِثْمًا مُبِينًا
"যারা মু'মিন পুরুষ ও নারীদের বিনা অপরাধে কষ্ট দেয়। তারা একটা অতি বড় মিথ্যা দোষ ও সুষ্পষ্ট অপরাধের বোঝা নিজেদের ঘাড়ে চাপিয়ে নেয়"। (সূরা আহযাবঃ ৫৮)
(আবু ই'আলা বর্ণিত। তাঁর বর্ণনাকারী বিশুদ্ধ।)
كتاب الأدب
التَّرْهِيب من الْغَيْبَة والبهت وبيانهما وَالتَّرْغِيب فِي ردهما
4309- وَعَن عَائِشَة رَضِي الله عَنْهَا قَالَت قَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم لأَصْحَابه تَدْرُونَ أربى
الرِّبَا عِنْد الله قَالُوا الله وَرَسُوله أعلم
قَالَ فَإِن أربى الرِّبَا عِنْد الله استحلال عرض امرىء مُسلم
ثمَّ قَرَأَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم وَالَّذين يُؤْذونَ الْمُؤمنِينَ وَالْمُؤْمِنَات بِغَيْر مَا اكتسبوا فقد احتملوا بهتانا وإثما مُبينًا الْأَحْزَاب 85
رَوَاهُ أَبُو يعلى وَرُوَاته رُوَاة الصَّحِيح
الرِّبَا عِنْد الله قَالُوا الله وَرَسُوله أعلم
قَالَ فَإِن أربى الرِّبَا عِنْد الله استحلال عرض امرىء مُسلم
ثمَّ قَرَأَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم وَالَّذين يُؤْذونَ الْمُؤمنِينَ وَالْمُؤْمِنَات بِغَيْر مَا اكتسبوا فقد احتملوا بهتانا وإثما مُبينًا الْأَحْزَاب 85
رَوَاهُ أَبُو يعلى وَرُوَاته رُوَاة الصَّحِيح
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৩১০
অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
পরিচ্ছেদঃ গীবত, অপবাদ এবং এ সম্পর্কীয় কার্যাবলীর প্রতি ভীতি প্রদর্শন এবং এতদুভয় কাজ থেকে বিরত থাকার প্রতি অনুপ্রেরণা
৪৩১০. হযরত সাঈদ ইবন যায়িদ (রা) সূত্রে নবী (ﷺ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেন: অন্যায়ভাবে কোন মুসলমানের মর্যাদায় হস্তক্ষেপ করায় জঘন্য সুদের গুনাহ রয়েছে।
(আবু দাউদ বর্ণিত।)
(আবু দাউদ বর্ণিত।)
كتاب الأدب
التَّرْهِيب من الْغَيْبَة والبهت وبيانهما وَالتَّرْغِيب فِي ردهما
4310- وَعَن سعيد بن زيد رَضِي الله عَنهُ عَن النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم قَالَ إِن من أربى الرِّبَا الاستطالة فِي عرض الْمُسلم بِغَيْر حق
رَوَاهُ أَبُو دَاوُد
رَوَاهُ أَبُو دَاوُد
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৩১১
অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
পরিচ্ছেদঃ গীবত, অপবাদ এবং এ সম্পর্কীয় কার্যাবলীর প্রতি ভীতি প্রদর্শন এবং এতদুভয় কাজ থেকে বিরত থাকার প্রতি অনুপ্রেরণা
৪৩১১. হযরত আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন: একদা আমি নবী (ﷺ)কে বললাম, হযরত সাফীয়া (রা) আপনার জন্য এজন্য যথেষ্ট। কোন কোন ভাষ্যকার তার ব্যাখ্যায় বলেনঃ তাঁর বক্তব্যে তিনি সাফীয়া (রা)-এর বেটে হওয়ার দিকে ইংগিত করেন। তখন তিনি বলেনঃ তুমি এমন একটি কথা বললে, তা যদি সমুদ্রের পানির সাথে মেশানো হয়, তবে তা ময়লাযুক্ত হয়ে যাবে। সে বলল: আমি নবী (ﷺ)-এর কাছে এক লোক সম্পর্কে আলোচনা করলাম। তিনি বলেন: তোমার কারো সম্বন্ধে সমালোচনামূলক কথা আমার কাছে বর্ণনা করা আমি পসন্দ করি না। কেননা, আমার মধ্যেও তা রয়েছে।
(আবু দাউদ, তিরমিযী, বায়হাকী বর্ণিত। ইমাম তিরমিযী (র) বলেনঃ হাদীসটি হাসান সহীহ্।)
(আবু দাউদ, তিরমিযী, বায়হাকী বর্ণিত। ইমাম তিরমিযী (র) বলেনঃ হাদীসটি হাসান সহীহ্।)
كتاب الأدب
التَّرْهِيب من الْغَيْبَة والبهت وبيانهما وَالتَّرْغِيب فِي ردهما
4311- وَعَن عَائِشَة رَضِي الله عَنْهَا قَالَت قلت للنَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم حَسبك من صَفِيَّة كَذَا وَكَذَا
قَالَ بعض الروَاة تَعْنِي قَصِيرَة
فَقَالَ لقد قلت كلمة لَو مزجت بِمَاء الْبَحْر لمزجته
قَالَت وحكيت لَهُ إنْسَانا فَقَالَ مَا أحب أَن حكيت لي إنْسَانا وَأَن لي كَذَا وَكَذَا
رَوَاهُ أَبُو دَاوُد وَالتِّرْمِذِيّ وَالْبَيْهَقِيّ وَقَالَ التِّرْمِذِيّ حَدِيث حسن صَحِيح
قَالَ بعض الروَاة تَعْنِي قَصِيرَة
فَقَالَ لقد قلت كلمة لَو مزجت بِمَاء الْبَحْر لمزجته
قَالَت وحكيت لَهُ إنْسَانا فَقَالَ مَا أحب أَن حكيت لي إنْسَانا وَأَن لي كَذَا وَكَذَا
رَوَاهُ أَبُو دَاوُد وَالتِّرْمِذِيّ وَالْبَيْهَقِيّ وَقَالَ التِّرْمِذِيّ حَدِيث حسن صَحِيح
তাহকীক: