রিয়াযুস সালিহীন-ইমাম নববী রহঃ
رياض الصالحين من كلام سيد المرسلين
ভূমিকা অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ
মোট হাদীস ৬৭৯ টি
হাদীস নং: ১২১
ভূমিকা অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ সৎকর্মের বহুবিধ পন্থা।
হাসিমুখে সাক্ষাতের গুরুত্ব
হাদীছ নং: ১২১
হযরত আবূ যার্র রাযি. থেকে আরও বর্ণিত, তিনি বলেন, একবার নবী কারীম সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাকে লক্ষ করে বলেন, তুমি কিছুতেই কোনও নেক কাজকে তুচ্ছ মনে করো না, যদি তা তোমার ভাইয়ের সাথে হাসিমুখে সাক্ষাৎ করাও হয়। -মুসলিম।
(সহীহ মুসলিম, হাদীছ নং ২৬২৬, বাগাবী : শরহুস সুন্নাহ, হাদীছ নং ১৬৮৯; আল-মু'জামুল কাবীর, হাদীছ নং ৬৩৮৫; মুসনাদে আহমাদ, হাদীছ নং ১৪৭১, ২০৬৩৩)
হাদীছ নং: ১২১
হযরত আবূ যার্র রাযি. থেকে আরও বর্ণিত, তিনি বলেন, একবার নবী কারীম সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাকে লক্ষ করে বলেন, তুমি কিছুতেই কোনও নেক কাজকে তুচ্ছ মনে করো না, যদি তা তোমার ভাইয়ের সাথে হাসিমুখে সাক্ষাৎ করাও হয়। -মুসলিম।
(সহীহ মুসলিম, হাদীছ নং ২৬২৬, বাগাবী : শরহুস সুন্নাহ, হাদীছ নং ১৬৮৯; আল-মু'জামুল কাবীর, হাদীছ নং ৬৩৮৫; মুসনাদে আহমাদ, হাদীছ নং ১৪৭১, ২০৬৩৩)
مقدمة الامام النووي
13 - باب في بيان كثرة طرق الخير
121 - الخامس: عَنْهُ، قَالَ: قَالَ لي النَّبيّ - صلى الله عليه وسلم: «لاَ تَحْقِرنَّ مِنَ المَعرُوفِ شَيئًا وَلَوْ أَنْ تَلقَى أَخَاكَ بِوَجْهٍ طَلِيقٍ». رواه مسلم. (1)
হাদীস নং: ১২২
ভূমিকা অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ সৎকর্মের বহুবিধ পন্থা।
জাহান্নাম থেকে নিজের দূরত্ব সৃষ্টির উপায়
হাদীছ নং: ১২২
হযরত আবূ হুরায়রা রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, সূর্য উদিত হয় এমন প্রতিটি দিনে মানুষের উপর দেহের প্রতিটি জোড়ার বিনিময়ে একেকটি সদাকা করণীয়। দুই ব্যক্তির মধ্যে ন্যায়বিচার করা একটি সদাকা। মানুষকে তার বাহনে সওয়ার করানো অথবা তার পিঠে তার মালপত্র তুলে দেওয়ার সাহায্য করাও একটি সদাকা। ভালো কথা একটি সদাকা। নামাযে যাওয়ার জন্য যে পথ চলা হয় তার প্রতিটি কদমও একটি সদাকা। রাস্তা থেকে কষ্টদায়ক বস্তু সরিয়ে ফেলাও একটি সদাকা। -বুখারী ও মুসলিম'
ইমাম মুসলিম এ হাদীছটি হযরত আয়েশা রাযি.-এর সূত্রেও বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, আদম সন্তানের প্রত্যেক ব্যক্তিকে ৩৬০টি জোড়ায় সৃষ্টি করা হয়েছে। যে ব্যক্তি আল্লাহর বড়ত্ব বর্ণনা করে, তাঁর প্রশংসা করে, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ বলে, সুবহানাল্লাহ বলে, আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে, মানুষের চলাচল পথ থেকে কোনও পাথর সরিয়ে দেয় অথবা মানুষের চলাচল পথ থেকে কাঁটা বা হাড় সরিয়ে দেয়, কিংবা কোনও সৎকাজের আদেশ করে বা অসৎকাজে নিষেধ করে আর এসব কাজ করে ওই ৩৬০টি জোড়ার সংখ্যা পরিমাণ, সেদিনকার সন্ধ্যাবেলা সে এ অবস্থায় উপনীত হয় যে, নিজেকে জাহান্নাম থেকে দূরে সরিয়ে ফেলেছে।
(সহীহ বুখারী, হাদীছ নং ২৭০৭, ২৮৯১, ২৯৮৯; সহীহ মুসলিম, হাদীছ নং ১০০৯, ১০০৭: মুসনাদে আহমাদ, হাদীছ নং ৮১৮৩; বায়হাকী, হাদীছ নং ৭৮২০; বাগাবী, হাদীছ নং ১৬৪৫)
হাদীছ নং: ১২২
হযরত আবূ হুরায়রা রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, সূর্য উদিত হয় এমন প্রতিটি দিনে মানুষের উপর দেহের প্রতিটি জোড়ার বিনিময়ে একেকটি সদাকা করণীয়। দুই ব্যক্তির মধ্যে ন্যায়বিচার করা একটি সদাকা। মানুষকে তার বাহনে সওয়ার করানো অথবা তার পিঠে তার মালপত্র তুলে দেওয়ার সাহায্য করাও একটি সদাকা। ভালো কথা একটি সদাকা। নামাযে যাওয়ার জন্য যে পথ চলা হয় তার প্রতিটি কদমও একটি সদাকা। রাস্তা থেকে কষ্টদায়ক বস্তু সরিয়ে ফেলাও একটি সদাকা। -বুখারী ও মুসলিম'
ইমাম মুসলিম এ হাদীছটি হযরত আয়েশা রাযি.-এর সূত্রেও বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, আদম সন্তানের প্রত্যেক ব্যক্তিকে ৩৬০টি জোড়ায় সৃষ্টি করা হয়েছে। যে ব্যক্তি আল্লাহর বড়ত্ব বর্ণনা করে, তাঁর প্রশংসা করে, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ বলে, সুবহানাল্লাহ বলে, আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে, মানুষের চলাচল পথ থেকে কোনও পাথর সরিয়ে দেয় অথবা মানুষের চলাচল পথ থেকে কাঁটা বা হাড় সরিয়ে দেয়, কিংবা কোনও সৎকাজের আদেশ করে বা অসৎকাজে নিষেধ করে আর এসব কাজ করে ওই ৩৬০টি জোড়ার সংখ্যা পরিমাণ, সেদিনকার সন্ধ্যাবেলা সে এ অবস্থায় উপনীত হয় যে, নিজেকে জাহান্নাম থেকে দূরে সরিয়ে ফেলেছে।
(সহীহ বুখারী, হাদীছ নং ২৭০৭, ২৮৯১, ২৯৮৯; সহীহ মুসলিম, হাদীছ নং ১০০৯, ১০০৭: মুসনাদে আহমাদ, হাদীছ নং ৮১৮৩; বায়হাকী, হাদীছ নং ৭৮২০; বাগাবী, হাদীছ নং ১৬৪৫)
مقدمة الامام النووي
13 - باب في بيان كثرة طرق الخير
122 - السادس: عن أبي هريرةَ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُول الله - صلى الله عليه وسلم: «كُلُّ سُلاَمَى مِنَ النَّاسِ عَلَيهِ صَدَقَةٌ، كُلَّ يَومٍ تَطلُعُ فِيهِ الشَّمْسُ: تَعْدِلُ بَينَ الاثْنَينِ صَدَقةٌ، وتُعِينُ الرَّجُلَ فِي دَابَّتِهِ، فَتَحْمِلُهُ عَلَيْهَا أَوْ تَرفَعُ لَهُ عَلَيْهَا مَتَاعَهُ صَدَقَةٌ، وَالكَلِمَةُ الطَيِّبَةُ صَدَقَةٌ، وبكلِّ خَطْوَةٍ تَمشِيهَا إِلَى الصَّلاةِ صَدَقَةٌ، وتُمِيطُ الأذَى عَنِ الطَّريقِ صَدَقَةٌ». مُتَّفَقٌ عَلَيهِ. (1) [ص:61]
ورواه مسلم أيضًا من رواية عائشة رَضي الله عنها، قَالَتْ: قَالَ رَسُول الله - صلى الله عليه وسلم: «إنَّهُ خُلِقَ كُلُّ إنْسانٍ مِنْ بَنِي آدَمَ عَلَى سِتِّينَ وثلاثمِائَة مَفْصَل، فَمَنْ كَبَّرَ اللهَ، وحَمِدَ الله، وَهَلَّلَ اللهَ، وَسَبَّحَ الله، وَاسْتَغْفَرَ الله، وَعَزَلَ حَجَرًا عَنْ طَريقِ النَّاسِ، أَوْ شَوْكَةً، أَوْ عَظمًا عَن طَريقِ النَّاسِ، أَوْ أمَرَ بمَعْرُوف، أَوْ نَهَى عَنْ مُنكَر، عَدَدَ السِّتِّينَ والثَّلاثِمِائَة فَإنَّهُ يُمْسِي يَومَئِذٍ وقَدْ زَحْزَحَ نَفسَهُ عَنِ النَّارِ».
ورواه مسلم أيضًا من رواية عائشة رَضي الله عنها، قَالَتْ: قَالَ رَسُول الله - صلى الله عليه وسلم: «إنَّهُ خُلِقَ كُلُّ إنْسانٍ مِنْ بَنِي آدَمَ عَلَى سِتِّينَ وثلاثمِائَة مَفْصَل، فَمَنْ كَبَّرَ اللهَ، وحَمِدَ الله، وَهَلَّلَ اللهَ، وَسَبَّحَ الله، وَاسْتَغْفَرَ الله، وَعَزَلَ حَجَرًا عَنْ طَريقِ النَّاسِ، أَوْ شَوْكَةً، أَوْ عَظمًا عَن طَريقِ النَّاسِ، أَوْ أمَرَ بمَعْرُوف، أَوْ نَهَى عَنْ مُنكَر، عَدَدَ السِّتِّينَ والثَّلاثِمِائَة فَإنَّهُ يُمْسِي يَومَئِذٍ وقَدْ زَحْزَحَ نَفسَهُ عَنِ النَّارِ».
হাদীস নং: ১২৩
ভূমিকা অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ সৎকর্মের বহুবিধ পন্থা।
সকাল-সন্ধ্যা মসজিদে যাতায়াতের ফযীলত
হাদীছ নং: ১২৩
হযরত আবূ হুরায়রা রাযি. থেকে আরও বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, যে ব্যক্তি সকালে বা সন্ধ্যায় মসজিদে যায়, আল্লাহ তা'আলা তার জন্য জান্নাতে মেহমানদারির ব্যবস্থা করেন যতবারই সে সকাল-সন্ধ্যা যাবে।-বুখারী ও মুসলিম.
(সহীহ বুখারী, হাদীছ নং ৬৬২; সহীহ মুসলিম, হাদীছ নং ৬৬৯; মুআত্তা মালিক, হাদীছ নং ৫৩)
হাদীছ নং: ১২৩
হযরত আবূ হুরায়রা রাযি. থেকে আরও বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, যে ব্যক্তি সকালে বা সন্ধ্যায় মসজিদে যায়, আল্লাহ তা'আলা তার জন্য জান্নাতে মেহমানদারির ব্যবস্থা করেন যতবারই সে সকাল-সন্ধ্যা যাবে।-বুখারী ও মুসলিম.
(সহীহ বুখারী, হাদীছ নং ৬৬২; সহীহ মুসলিম, হাদীছ নং ৬৬৯; মুআত্তা মালিক, হাদীছ নং ৫৩)
مقدمة الامام النووي
13 - باب في بيان كثرة طرق الخير
123 - السابع: عَنْهُ، عن النَّبيّ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «مَنْ غَدَا إِلَى المَسْجِد أَوْ رَاحَ، أَعَدَّ اللهُ لَهُ في الجَنَّةِ نُزُلًا كُلَّمَا غَدَا أَوْ رَاحَ». مُتَّفَقٌ عَلَيهِ. (1)
«النُّزُلُ»: القوت والرزق وما يُهيأُ للضيف.
«النُّزُلُ»: القوت والرزق وما يُهيأُ للضيف.
হাদীস নং: ১২৪
ভূমিকা অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ সৎকর্মের বহুবিধ পন্থা।
কোনও হাদিয়াকে তুচ্ছ মনে না করা
হাদীছ নং: ১২৪
হযরত আবূ হুরায়রা রাযি. থেকে আরও বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, হে মুসলিম নারীগণ! কোনও প্রতিবেশী যেন আপন প্রতিবেশীনির জন্য তুচ্ছ মনে না করে (সামান্য হাদিয়াকেও), যদিও তা বকরীর খুর হয়। -বুখারী ও মুসলিম.
(সহীহ বুখারী, হাদীছ নং ২৫৬৬; সহীহ মুসলিম, হাদীছ নং ১০৩০: জামে তিরমিযী, হাদীছ নং ২১৩০: মুসনাদে আহমাদ, হাদীছ নং ৭৫৮১)
হাদীছ নং: ১২৪
হযরত আবূ হুরায়রা রাযি. থেকে আরও বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, হে মুসলিম নারীগণ! কোনও প্রতিবেশী যেন আপন প্রতিবেশীনির জন্য তুচ্ছ মনে না করে (সামান্য হাদিয়াকেও), যদিও তা বকরীর খুর হয়। -বুখারী ও মুসলিম.
(সহীহ বুখারী, হাদীছ নং ২৫৬৬; সহীহ মুসলিম, হাদীছ নং ১০৩০: জামে তিরমিযী, হাদীছ নং ২১৩০: মুসনাদে আহমাদ, হাদীছ নং ৭৫৮১)
مقدمة الامام النووي
13 - باب في بيان كثرة طرق الخير
124 - الثامن: عَنْهُ، قَالَ: قَالَ رَسُول الله - صلى الله عليه وسلم: «يَا نِسَاءَ المُسْلِمَاتِ، لاَ تَحْقِرنَّ جَارَةٌ لِجَارَتِهَا وَلَوْ فِرْسِنَ شَاةٍ» (1) مُتَّفَقٌ عَلَيهِ. (2)
قَالَ الجوهري: الفرسِن منَ البَعيرِ كالحَافِرِ مِنَ الدَّابَةِ قَالَ: وَرُبَّمَا اسْتُعِيرَ في الشَّاةِ.
قَالَ الجوهري: الفرسِن منَ البَعيرِ كالحَافِرِ مِنَ الدَّابَةِ قَالَ: وَرُبَّمَا اسْتُعِيرَ في الشَّاةِ.
হাদীস নং: ১২৫
ভূমিকা অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ সৎকর্মের বহুবিধ পন্থা।
ঈমানের শাখাপ্রশাখা
হাদীছ নং: ১২৫
হযরত আবূ হুরায়রা রাযি. থেকে আরও বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, ঈমানের সত্তর অথবা ষাটটিরও কিছু বেশি শাখা আছে। তার মধ্যে সর্বোত্তম শাখা হল 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ' বলা এবং সর্বনিম্ন হল রাস্তা থেকে কষ্টদায়ক জিনিস সরিয়ে ফেলা। আর লজ্জাও ঈমানের এক গুরুত্বপূর্ণ শাখা। -বুখারী ও মুসলিম.
(সহীহ বুখারী, হাদীছ নং ৯; সহীহ মুসলিম, হাদীছ নং ৮৫০: সুনানে আবূ দাউদ, হাদীছ নং ৩৫১; জামে' তিরমিযী, হাদীছ নং ৪৯৯; সুনানে নাসাঈ, হাদীছ নং ১৩৩৮; মুসনাদে আহমাদ, হাদীছ নং ৮৯২৬ বাগাবী, শারহুস্ সুন্নাহ, হাদীছ নং ১৭)
হাদীছ নং: ১২৫
হযরত আবূ হুরায়রা রাযি. থেকে আরও বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, ঈমানের সত্তর অথবা ষাটটিরও কিছু বেশি শাখা আছে। তার মধ্যে সর্বোত্তম শাখা হল 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ' বলা এবং সর্বনিম্ন হল রাস্তা থেকে কষ্টদায়ক জিনিস সরিয়ে ফেলা। আর লজ্জাও ঈমানের এক গুরুত্বপূর্ণ শাখা। -বুখারী ও মুসলিম.
(সহীহ বুখারী, হাদীছ নং ৯; সহীহ মুসলিম, হাদীছ নং ৮৫০: সুনানে আবূ দাউদ, হাদীছ নং ৩৫১; জামে' তিরমিযী, হাদীছ নং ৪৯৯; সুনানে নাসাঈ, হাদীছ নং ১৩৩৮; মুসনাদে আহমাদ, হাদীছ নং ৮৯২৬ বাগাবী, শারহুস্ সুন্নাহ, হাদীছ নং ১৭)
مقدمة الامام النووي
13 - باب في بيان كثرة طرق الخير
125 - التاسع: عَنْهُ، عن النَّبيّ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «الإيمانُ بِضْعٌ وَسَبعُونَ أَوْ بِضعٌ وسِتُونَ شُعْبَةً: فَأفْضَلُهَا قَولُ: لاَ إلهَ إلاَّ اللهُ، وَأَدْنَاهَا إمَاطَةُ الأذَى عَنِ الطَّريقِ، والحَياءُ شُعبَةٌ مِنَ الإيمان». مُتَّفَقٌ عَلَيهِ. (1)
«البِضْعُ» من ثلاثة إِلَى تسعة بكسر الباء وقد تفتح. وَ «الشُّعْبَةُ»: القطعة.
«البِضْعُ» من ثلاثة إِلَى تسعة بكسر الباء وقد تفتح. وَ «الشُّعْبَةُ»: القطعة.
হাদীস নং: ১২৬
ভূমিকা অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ সৎকর্মের বহুবিধ পন্থা।
জীবজন্তুর প্রতি দয়ার ফযীলত
হাদীছ নং : ১২৬
হযরত আবূ হুরায়রা রাযি. থেকে আরও বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, এক ব্যক্তি কোনও এক পথ দিয়ে চলছিল। এ অবস্থায় তার প্রচণ্ড পিপাসা পায়। তারপর সে একটি কুয়া দেখতে পেয়ে তাতে নেমে পানি পান করল। তারপর সে কুয়া থেকে উঠে আসল। হঠাৎ দেখল একটি কুকুর হাঁপাচ্ছে এবং পিপাসার কারণে কাদা লেহন করছে। লোকটি বলল, এ কুকুরটির ঠিক ওই পর্যায়ের পিপাসা পেয়েছে, যেমনটা আমার পেয়েছিল। অনন্তর সে কুয়ায় নামল এবং নিজ মোজায় পানি ভরল। তারপর সেটি মুখ দিয়ে কামড়ে ধরে উপরে উঠে আসল। তারপর কুকুরকে পানি পান করাল। আল্লাহ তা'আলা তার এ কাজটি কবুল করে নিলেন এবং তাকে ক্ষমা করে দিলেন। সাহাবীগণ আরয করলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! পশুদের ক্ষেত্রেও কি আমাদের ছাওয়াব আছে? তিনি বললেন, প্রত্যেক তাজা কলিজার ক্ষেত্রেই ছাওয়াব আছে।-বুখারী ও মুসলিম.*
বুখারীর অপর এক বর্ণনায় আছে, আল্লাহ তা'আলা তার এ কাজটি কবুল করলেন এবং তাকে ক্ষমা করে জান্নাতে দাখিল করলেন।
বুখারী ও মুসলিমের অপর এক বর্ণনায় আছে, একটি কুকুর এক কুয়ার চারপাশে ঘুরছিল। পিপাসায় সেটির মারা যাওয়ার উপক্রম হয়েছিল। এ অবস্থায় বনী ইসরাঈলের এক চরিত্রহীনা নারী সেটিকে দেখতে পেল। তারপর সে নিজ মোজা খুলে তাতে তার জন্য পানি নিল। তারপর সেটিকে পান করাল। এর বদৌলতে তার মাগফিরাত হয়ে যায়।
*(সহীহ বুখারী, হাদীছ নং ২৩৬৩; সহীহ মুসলিম, হাদীছ নং ২২৪৪; সুনানে আবূ দাউদ, হাদীছ নং ২৫৫০; মুসনাদে আহমাদ, হাদীছ নং ৮৮৬১)
হাদীছ নং : ১২৬
হযরত আবূ হুরায়রা রাযি. থেকে আরও বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, এক ব্যক্তি কোনও এক পথ দিয়ে চলছিল। এ অবস্থায় তার প্রচণ্ড পিপাসা পায়। তারপর সে একটি কুয়া দেখতে পেয়ে তাতে নেমে পানি পান করল। তারপর সে কুয়া থেকে উঠে আসল। হঠাৎ দেখল একটি কুকুর হাঁপাচ্ছে এবং পিপাসার কারণে কাদা লেহন করছে। লোকটি বলল, এ কুকুরটির ঠিক ওই পর্যায়ের পিপাসা পেয়েছে, যেমনটা আমার পেয়েছিল। অনন্তর সে কুয়ায় নামল এবং নিজ মোজায় পানি ভরল। তারপর সেটি মুখ দিয়ে কামড়ে ধরে উপরে উঠে আসল। তারপর কুকুরকে পানি পান করাল। আল্লাহ তা'আলা তার এ কাজটি কবুল করে নিলেন এবং তাকে ক্ষমা করে দিলেন। সাহাবীগণ আরয করলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! পশুদের ক্ষেত্রেও কি আমাদের ছাওয়াব আছে? তিনি বললেন, প্রত্যেক তাজা কলিজার ক্ষেত্রেই ছাওয়াব আছে।-বুখারী ও মুসলিম.*
বুখারীর অপর এক বর্ণনায় আছে, আল্লাহ তা'আলা তার এ কাজটি কবুল করলেন এবং তাকে ক্ষমা করে জান্নাতে দাখিল করলেন।
বুখারী ও মুসলিমের অপর এক বর্ণনায় আছে, একটি কুকুর এক কুয়ার চারপাশে ঘুরছিল। পিপাসায় সেটির মারা যাওয়ার উপক্রম হয়েছিল। এ অবস্থায় বনী ইসরাঈলের এক চরিত্রহীনা নারী সেটিকে দেখতে পেল। তারপর সে নিজ মোজা খুলে তাতে তার জন্য পানি নিল। তারপর সেটিকে পান করাল। এর বদৌলতে তার মাগফিরাত হয়ে যায়।
*(সহীহ বুখারী, হাদীছ নং ২৩৬৩; সহীহ মুসলিম, হাদীছ নং ২২৪৪; সুনানে আবূ দাউদ, হাদীছ নং ২৫৫০; মুসনাদে আহমাদ, হাদীছ নং ৮৮৬১)
مقدمة الامام النووي
13 - باب في بيان كثرة طرق الخير
126 - العاشر: عَنْهُ: أنَّ رَسُول الله - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «بَينَما رَجُلٌ يَمشي بِطَريقٍ اشْتَدَّ عَلَيهِ العَطَشُ، فَوَجَدَ بِئرًا فَنَزَلَ فِيهَا فَشربَ، ثُمَّ خَرَجَ فإذَا كَلْبٌ يَلْهَثُ يأكُلُ الثَّرَى (1) مِنَ [ص:62] العَطَشِ، فَقَالَ الرَّجُلُ: لَقَدْ بَلَغَ هَذَا الكَلْبُ مِنَ العَطَشِ مِثلُ الَّذِي كَانَ قَدْ بَلَغَ مِنِّي، فَنَزَلَ البِئْرَ، فَمَلأَ خُفَّهُ مَاءً ثُمَّ أمْسَكَهُ بفيهِ حَتَّى رَقِيَ، فَسَقَى الكَلْبَ، فَشَكَرَ اللهَ لَهُ، فَغَفَرَ لَهُ» قالوا: يَا رَسُول اللهِ، إنَّ لَنَا في البَهَائِمِ أَجْرًا؟ فقَالَ: «في كُلِّ كَبِدٍ رَطْبَةٍ أجْرٌ». (2) مُتَّفَقٌ عَلَيهِ. (3)
وفي رواية للبخاري: «فَشَكَرَ اللهُ لَهُ، فَغَفَرَ لَهُ، فأدْخَلَهُ الجَنَّةَ» وفي رواية لهما: «بَيْنَما كَلْبٌ يُطِيفُ بِرَكِيَّةٍ قَدْ كَادَ يقتلُهُ العَطَشُ إِذْ رَأَتْهُ بَغِيٌّ (4) مِنْ بَغَايَا بَنِي إسْرَائِيل، فَنَزَعَتْ مُوقَها فَاسْتَقَتْ لَهُ بِهِ فَسَقَتْهُ فَغُفِرَ لَهَا بِهِ».
«المُوقُ»: الخف. وَ «يُطِيفُ»: يدور حول «رَكِيَّةٍ»: وَهِي البئر.
وفي رواية للبخاري: «فَشَكَرَ اللهُ لَهُ، فَغَفَرَ لَهُ، فأدْخَلَهُ الجَنَّةَ» وفي رواية لهما: «بَيْنَما كَلْبٌ يُطِيفُ بِرَكِيَّةٍ قَدْ كَادَ يقتلُهُ العَطَشُ إِذْ رَأَتْهُ بَغِيٌّ (4) مِنْ بَغَايَا بَنِي إسْرَائِيل، فَنَزَعَتْ مُوقَها فَاسْتَقَتْ لَهُ بِهِ فَسَقَتْهُ فَغُفِرَ لَهَا بِهِ».
«المُوقُ»: الخف. وَ «يُطِيفُ»: يدور حول «رَكِيَّةٍ»: وَهِي البئر.
হাদীস নং: ১২৭
ভূমিকা অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ সৎকর্মের বহুবিধ পন্থা।
রাস্তা থেকে কষ্টদায়ক জিনিস সরিয়ে দেওয়ার ফযীলত
হাদীছ নং: ১২৭
হযরত আবূ হুরায়রা রাযি. থেকে আরও বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, আমি এক ব্যক্তিকে রাস্তার উপর থেকে একটি গাছ কেটে ফেলার কারণে জান্নাতে ঘুরে বেড়াতে দেখেছি, যে গাছটি (যাতায়াতকারী) মুসলিমদের কষ্ট দিত- মুসলিম
মুসলিম শরীফের অপর এক বর্ণনায় আছে, এক ব্যক্তি রাস্তার উপর থাকা একটি বৃক্ষশাখার পাশ দিয়ে যাচ্ছিল। সে বলল, আল্লাহর কসম! আমি এটি মুসলিমদের (যাতায়াত পথ) থেকে দূর করে দেব, যাতে এটা তাদের কষ্ট না দিতে পারে। ফলে তাকে জান্নাতে দাখিল করা হয়।
বুখারী ও মুসলিম শরীফের অপর এক বর্ণনায় আছে, এক ব্যক্তি একটি রাস্তার উপর দিয়ে চলছিল। এ অবস্থায় সে রাস্তার উপর একটি কাঁটাযুক্ত ডাল দেখতে পেল। সে ডালটি সরিয়ে দিল। আল্লাহ তা'আলা তার এ কাজটি কবুল করলেন এবং তাকে ক্ষমা করে দিলেন। সহীহ মুসলিম,
(হাদীছ নং ১৯১৪; সহীহ বুখারী, হাদীছ নং ৬৫২; মুসনাদে আহমাদ, হাদীছ নং ১০৮৯৬; মুআত্তা মালিক, হাদীছ নং ৪৩১; বাগাবী, শারহুস্ সুন্নাহ, হাদীছ নং ৩৮৪)
হাদীছ নং: ১২৭
হযরত আবূ হুরায়রা রাযি. থেকে আরও বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, আমি এক ব্যক্তিকে রাস্তার উপর থেকে একটি গাছ কেটে ফেলার কারণে জান্নাতে ঘুরে বেড়াতে দেখেছি, যে গাছটি (যাতায়াতকারী) মুসলিমদের কষ্ট দিত- মুসলিম
মুসলিম শরীফের অপর এক বর্ণনায় আছে, এক ব্যক্তি রাস্তার উপর থাকা একটি বৃক্ষশাখার পাশ দিয়ে যাচ্ছিল। সে বলল, আল্লাহর কসম! আমি এটি মুসলিমদের (যাতায়াত পথ) থেকে দূর করে দেব, যাতে এটা তাদের কষ্ট না দিতে পারে। ফলে তাকে জান্নাতে দাখিল করা হয়।
বুখারী ও মুসলিম শরীফের অপর এক বর্ণনায় আছে, এক ব্যক্তি একটি রাস্তার উপর দিয়ে চলছিল। এ অবস্থায় সে রাস্তার উপর একটি কাঁটাযুক্ত ডাল দেখতে পেল। সে ডালটি সরিয়ে দিল। আল্লাহ তা'আলা তার এ কাজটি কবুল করলেন এবং তাকে ক্ষমা করে দিলেন। সহীহ মুসলিম,
(হাদীছ নং ১৯১৪; সহীহ বুখারী, হাদীছ নং ৬৫২; মুসনাদে আহমাদ, হাদীছ নং ১০৮৯৬; মুআত্তা মালিক, হাদীছ নং ৪৩১; বাগাবী, শারহুস্ সুন্নাহ, হাদীছ নং ৩৮৪)
مقدمة الامام النووي
13 - باب في بيان كثرة طرق الخير
127 - الحادي عشر: عَنْهُ، عن النَّبيّ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «لَقدْ رَأيْتُ رَجُلًا يَتَقَلَّبُ في الجَنَّةِ في شَجَرَةٍ قَطَعَهَا مِنْ ظَهْرِ الطَرِيقِ كَانَتْ تُؤذِي المُسْلِمِينَ». رواه مسلم. (1)
وفي رواية: «مَرَّ رَجُلٌ بِغُصْنِ شَجَرَةٍ عَلَى ظَهرِ طَرِيقٍ، فَقَالَ: وَاللهِ لأُنْحِيَنَّ هَذَا عَنِ المُسْلِمينَ لا يُؤذِيهِمْ، فَأُدخِلَ الجَنَّةَ».
وفي رواية لهما: «بَيْنَمَا رَجُلٌ يَمْشي بِطَريقٍ وَجَدَ غُصْنَ شَوكٍ عَلَى الطريقِ فأخَّرَه فَشَكَرَ اللهُ لَهُ، فَغَفَرَ لَهُ».
وفي رواية: «مَرَّ رَجُلٌ بِغُصْنِ شَجَرَةٍ عَلَى ظَهرِ طَرِيقٍ، فَقَالَ: وَاللهِ لأُنْحِيَنَّ هَذَا عَنِ المُسْلِمينَ لا يُؤذِيهِمْ، فَأُدخِلَ الجَنَّةَ».
وفي رواية لهما: «بَيْنَمَا رَجُلٌ يَمْشي بِطَريقٍ وَجَدَ غُصْنَ شَوكٍ عَلَى الطريقِ فأخَّرَه فَشَكَرَ اللهُ لَهُ، فَغَفَرَ لَهُ».
হাদীস নং: ১২৮
ভূমিকা অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ সৎকর্মের বহুবিধ পন্থা।
জুমু‘আর পূর্ণ ফযীলত পেতে হলে করণীয়
হাদীছ নং: ১২৮
হযরত আবূ হুরায়রা রাযি. থেকে আরও বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, যে ব্যক্তি ওযূ করে এবং উত্তমরূপে ওযূ সম্পন্ন করে, তারপর জুমু'আয় উপস্থিত হয় এবং নীরবতার সাথে খুতবা শোনে, তার সেই জুমু'আ এবং বিগত জুমু'আর মধ্যবর্তী সময়ের সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হয় এবং অতিরিক্ত আরও তিন দিনের। আর যে ব্যক্তি (খুতবা চলাকালে) কঙ্কর নাড়াচাড়া করে, সে বেহুদা কাজ করে। -মুসলিম.
(সহীহ মুসলিম, হাদীছ নং ৮৫৭; সুনানে আবু দাউদ, হাদীছ নং ১০৫০; জামে তিরমিযী, হাদীছ নং ৪৯৮; সুনানে ইবন মাজাহ, হাদীছ নং ১০৯০; মুসনাদে আহমাদ, হাদীছ নং ৯৪৮৪; বায়হাকী, হাদীছ নং ৫৮৪১; বাগাবী, হাদীছ নং ৩৩৬)
হাদীছ নং: ১২৮
হযরত আবূ হুরায়রা রাযি. থেকে আরও বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, যে ব্যক্তি ওযূ করে এবং উত্তমরূপে ওযূ সম্পন্ন করে, তারপর জুমু'আয় উপস্থিত হয় এবং নীরবতার সাথে খুতবা শোনে, তার সেই জুমু'আ এবং বিগত জুমু'আর মধ্যবর্তী সময়ের সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হয় এবং অতিরিক্ত আরও তিন দিনের। আর যে ব্যক্তি (খুতবা চলাকালে) কঙ্কর নাড়াচাড়া করে, সে বেহুদা কাজ করে। -মুসলিম.
(সহীহ মুসলিম, হাদীছ নং ৮৫৭; সুনানে আবু দাউদ, হাদীছ নং ১০৫০; জামে তিরমিযী, হাদীছ নং ৪৯৮; সুনানে ইবন মাজাহ, হাদীছ নং ১০৯০; মুসনাদে আহমাদ, হাদীছ নং ৯৪৮৪; বায়হাকী, হাদীছ নং ৫৮৪১; বাগাবী, হাদীছ নং ৩৩৬)
مقدمة الامام النووي
13 - باب في بيان كثرة طرق الخير
128 - الثاني عشر: عَنْهُ، قَالَ: قَالَ رَسُول الله - صلى الله عليه وسلم: «مَنْ تَوَضَّأَ فَأَحْسَنَ الوُضُوءَ، ثُمَّ أَتَى الجُمعَةَ فَاسْتَمَعَ وَأَنْصَتَ غُفِرَ لَهُ مَا بَيْنَهُ وَبَيْن الجُمُعَةِ وَزِيادَةُ ثَلاثَةِ أيَّامٍ، وَمَنْ مَسَّ الحَصَا فَقَدْ لَغَا» (1) رواه مسلم. (2)
হাদীস নং: ১২৯
ভূমিকা অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ সৎকর্মের বহুবিধ পন্থা।
ওযুর ফযীলত
হাদীছ নং : ১২৯
হযরত আবূ হুরায়রা রাযি. থেকে আরও বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, মুসলিম বান্দা অথবা (তিনি বলেছেন) মু'মিন বান্দা যখন ওযু করে আর তাতে তার চেহারা ধোয়, তখন পানির সাথে বা পানির শেষ ফোটার সাথে তার চেহারা থেকে ওই সকল গুনাহ বের হয়ে যায়, যা তার দু' চোখ দিয়ে দেখে করেছে। যখন সে তার দুই হাত ধোয়, তখন পানির সাথে বা পানির শেষ ফোঁটার সাথে তার ওই সকল গুনাহ বের হয়ে যায়, যা সে তার দু' হাত দিয়ে ধরে করেছে। যখন সে তার দু' পা ধোয়, তখন পানির সাথে বা পানির শেষ ফোঁটার সাথে ওই সকল গুনাহ বের হয়ে যায়, যেদিকে সে তার দু' পা দিয়ে হেঁটে গেছে। পরিশেষে সে সমস্ত গুনাহ হতে পবিত্র হয়ে যায়। মুসলিম.
(সহীহ মুসলিম, হাদীছ নং ২৪৪; জামে তিরমিযী, হাদীছ নং ২; মুসনাদে আহমাদ, হাদীছ নং ৮০০৭; মুআত্তা মালিক, হাদীছ নং ৬১)
হাদীছ নং : ১২৯
হযরত আবূ হুরায়রা রাযি. থেকে আরও বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, মুসলিম বান্দা অথবা (তিনি বলেছেন) মু'মিন বান্দা যখন ওযু করে আর তাতে তার চেহারা ধোয়, তখন পানির সাথে বা পানির শেষ ফোটার সাথে তার চেহারা থেকে ওই সকল গুনাহ বের হয়ে যায়, যা তার দু' চোখ দিয়ে দেখে করেছে। যখন সে তার দুই হাত ধোয়, তখন পানির সাথে বা পানির শেষ ফোঁটার সাথে তার ওই সকল গুনাহ বের হয়ে যায়, যা সে তার দু' হাত দিয়ে ধরে করেছে। যখন সে তার দু' পা ধোয়, তখন পানির সাথে বা পানির শেষ ফোঁটার সাথে ওই সকল গুনাহ বের হয়ে যায়, যেদিকে সে তার দু' পা দিয়ে হেঁটে গেছে। পরিশেষে সে সমস্ত গুনাহ হতে পবিত্র হয়ে যায়। মুসলিম.
(সহীহ মুসলিম, হাদীছ নং ২৪৪; জামে তিরমিযী, হাদীছ নং ২; মুসনাদে আহমাদ, হাদীছ নং ৮০০৭; মুআত্তা মালিক, হাদীছ নং ৬১)
مقدمة الامام النووي
13 - باب في بيان كثرة طرق الخير
129 - الثالث عشر: عَنْهُ: أنَّ رَسُول الله - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «إِذَا تَوَضَّأ العَبْدُ المُسْلِمُ، أَو المُؤمِنُ فَغَسَلَ وَجْهَهُ خَرَجَ مِنْ وَجْهِهِ كُلُّ خَطِيئَةٍ نَظَرَ إِلَيْهَا بِعَينيهِ مَعَ المَاءِ، أَوْ مَعَ آخِرِ قَطْرِ المَاءِ، فَإِذا غَسَلَ يَدَيْهِ خَرَجَ مِنْ يَدَيهِ كُلُّ خَطِيئَة كَانَ بَطَشَتْهَا يَدَاهُ مَعَ المَاءِ، أَوْ مَعَ آخِرِ قَطْرِ المَاءِ، فَإِذَا غَسَلَ رِجْلَيهِ خَرَجَتْ كُلُّ خَطِيئَةٍ مشتها رِجْلاَهُ مَعَ المَاء أَوْ مَعَ آخِرِ قَطْرِ المَاءِ حَتَّى يَخْرُجَ نَقِيًّا مِنَ الذُّنُوبِ». رواه مسلم. (1)
হাদীস নং: ১৩০
ভূমিকা অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ সৎকর্মের বহুবিধ পন্থা।
পাপমোচনে নামায ও রোযার কার্যকারিতা
হাদীছ নং: ১৩০
হযরত আবূ হুরায়রা রাযি.থেকে আরও বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, পাঁচ ওয়াক্ত নামায, এক জুমু'আ তার পরবর্তী জুমু'আ পর্যন্ত এবং এক রমযান তার পরবর্তী রমযান পর্যন্ত মধ্যবর্তী সময়ের গুনাহসমূহ মোচন করে, যখন কবীরা গুনাহসমূহ পরিহার করা হয়।-মুসলিম.
(সহীহ মুসলিম, হাদীছ নং ২৩৩; জামে তিরমিযী, হাদীছ নং ২১৪; মুসনাদে আহমাদ, হাদীছ নং ৯১৮৬)
হাদীছ নং: ১৩০
হযরত আবূ হুরায়রা রাযি.থেকে আরও বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, পাঁচ ওয়াক্ত নামায, এক জুমু'আ তার পরবর্তী জুমু'আ পর্যন্ত এবং এক রমযান তার পরবর্তী রমযান পর্যন্ত মধ্যবর্তী সময়ের গুনাহসমূহ মোচন করে, যখন কবীরা গুনাহসমূহ পরিহার করা হয়।-মুসলিম.
(সহীহ মুসলিম, হাদীছ নং ২৩৩; জামে তিরমিযী, হাদীছ নং ২১৪; মুসনাদে আহমাদ, হাদীছ নং ৯১৮৬)
مقدمة الامام النووي
13 - باب في بيان كثرة طرق الخير
130 - الرابع عشر: عَنْهُ، عن رَسُول الله - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «الصَّلَوَاتُ الخَمْسُ، وَالجُمُعَةُ إِلَى الجُمُعَةِ، وَرَمَضَانُ إِلَى رَمَضَانَ مُكَفِّراتٌ لِمَا بَيْنَهُنَّ إِذَا اجْتُنِبَتِ الكَبَائِرُ». رواه مسلم. (1)
হাদীস নং: ১৩১
ভূমিকা অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ সৎকর্মের বহুবিধ পন্থা।
পাপমোচন ও মর্যাদা বৃদ্ধির কয়েকটি আমল
হাদীছ নং: ১৩১
হযরত আবূ হুরায়রা রাযি. থেকে আরও বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, আমি কি তোমাদেরকে এমন আমলের কথা বলে দেব না, যা দ্বারা আল্লাহ তা'আলা পাপসমূহ মিটিয়ে দেন এবং তা দ্বারা (জান্নাতে তোমাদের) মর্যাদা উঁচু করেন? সাহাবীগণ বললেন, অবশ্যই ইয়া রাসূলাল্লাহ। তিনি বললেন, কষ্টক্লেশের অবস্থায়ও পূর্ণাঙ্গরূপে ওযূ করা, মসজিদের দিকে বেশি বেশি হাঁটা এবং এক নামাযের পর পরবর্তী নামাযের অপেক্ষায় থাকা। এটাই তোমাদের রিবাত (সীমান্তপ্রহরা)।- মুসলিম,
(সহীহ মুসলিম, হাদীছ নং ২৫১; জামে তিরমিযী, হাদীছ নং ৫১; সুনানে নাসাঈ, হাদীছ নং ১৪৩)
হাদীছ নং: ১৩১
হযরত আবূ হুরায়রা রাযি. থেকে আরও বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, আমি কি তোমাদেরকে এমন আমলের কথা বলে দেব না, যা দ্বারা আল্লাহ তা'আলা পাপসমূহ মিটিয়ে দেন এবং তা দ্বারা (জান্নাতে তোমাদের) মর্যাদা উঁচু করেন? সাহাবীগণ বললেন, অবশ্যই ইয়া রাসূলাল্লাহ। তিনি বললেন, কষ্টক্লেশের অবস্থায়ও পূর্ণাঙ্গরূপে ওযূ করা, মসজিদের দিকে বেশি বেশি হাঁটা এবং এক নামাযের পর পরবর্তী নামাযের অপেক্ষায় থাকা। এটাই তোমাদের রিবাত (সীমান্তপ্রহরা)।- মুসলিম,
(সহীহ মুসলিম, হাদীছ নং ২৫১; জামে তিরমিযী, হাদীছ নং ৫১; সুনানে নাসাঈ, হাদীছ নং ১৪৩)
مقدمة الامام النووي
13 - باب في بيان كثرة طرق الخير
131 - الخامس عشر: عَنْهُ، قَالَ: قَالَ رَسُول الله - صلى الله عليه وسلم: «ألا أَدُلُّكُمْ عَلَى مَا يَمْحُو اللهُ بِهِ الخَطَايَا وَيَرْفَعُ بِهِ الدَّرَجَاتِ؟» قَالُوا: بَلَى، يَا رسولَ اللهِ، قَالَ: «إِسْبَاغُ الوُضُوءِ عَلَى المَكَارِهِ (1)، وَكَثْرَةُ الخُطَا إِلَى المَسَاجِدِ، وَانْتِظَارُ الصَّلاةِ بَعْدَ الصَّلاةِ فَذلِكُمُ الرِّبَاطُ». رواه مسلم. (2)
হাদীস নং: ১৩২
ভূমিকা অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ সৎকর্মের বহুবিধ পন্থা।
ফজর ও আসরের নামাযের ফযীলত
হাদীছ নং: ১৩২
হযরত আবূ মূসা আশ'আরী রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, যে ব্যক্তি দুই ঠাণ্ডাকালীন নামায পড়বে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। -বুখারী ও মুসলিম।
(সহীহ বুখারী, হাদীছ নং ৫৭৪; সহীহ মুসলিম, হাদীছ নং ৬৩৫; মুসনাদে আহমাদ, হাদীছ নং ১৪২৫)
হাদীছ নং: ১৩২
হযরত আবূ মূসা আশ'আরী রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, যে ব্যক্তি দুই ঠাণ্ডাকালীন নামায পড়বে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। -বুখারী ও মুসলিম।
(সহীহ বুখারী, হাদীছ নং ৫৭৪; সহীহ মুসলিম, হাদীছ নং ৬৩৫; মুসনাদে আহমাদ, হাদীছ নং ১৪২৫)
مقدمة الامام النووي
13 - باب في بيان كثرة طرق الخير
132 - السادس عشر: عن أبي موسى الأشعرِيِّ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رسولُ الله - صلى الله عليه وسلم: «مَنْ صَلَّى البَرْدَيْنِ دَخَلَ الجَنَّةَ». مُتَّفَقٌ عَلَيهِ. (1)
«البَرْدَانِ»: الصبح والعصر.
«البَرْدَانِ»: الصبح والعصر.
হাদীস নং: ১৩৩
ভূমিকা অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ সৎকর্মের বহুবিধ পন্থা।
অসুস্থতা ও সফর অবস্থায় আমলের ছাওয়াব জারি রাখার উপায়
হাদীছ নং: ১৩৩
হযরত আবূ মূসা আশ'আরী রাযি. থেকে আরও বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, বান্দা যখন অসুস্থ হয়ে পড়ে বা সফর করে, তখন তার জন্য মুকীম ও সুস্থ থাকা অবস্থায় যে আমল সে করত তার অনুরূপ আমলের ছাওয়াব লেখা হয়। -বুখারী.
(সহীহ বুখারী, হাদীছ নং ২৯৯৬; সুনানে আবূ দাউদ, হাদীছ নং ৩০৯১)
হাদীছ নং: ১৩৩
হযরত আবূ মূসা আশ'আরী রাযি. থেকে আরও বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, বান্দা যখন অসুস্থ হয়ে পড়ে বা সফর করে, তখন তার জন্য মুকীম ও সুস্থ থাকা অবস্থায় যে আমল সে করত তার অনুরূপ আমলের ছাওয়াব লেখা হয়। -বুখারী.
(সহীহ বুখারী, হাদীছ নং ২৯৯৬; সুনানে আবূ দাউদ, হাদীছ নং ৩০৯১)
مقدمة الامام النووي
13 - باب في بيان كثرة طرق الخير
133 - السابع عشر: عَنْهُ، قَالَ: قَالَ رَسُول الله - صلى الله عليه وسلم: «إِذَا مَرِضَ العَبْدُ أَوْ سَافَرَ كُتِبَ لَهُ مِثْلُ مَا كَانَ يَعْمَلُ مُقِيمًا صَحِيحًا». رواه البخاري. (1)
হাদীস নং: ১৩৪
ভূমিকা অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ সৎকর্মের বহুবিধ পন্থা।
প্রত্যেকটি সৎকর্মই সদাকা
হাদীছ নং: ১৩৪
হযরত জাবির রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, প্রত্যেকটি সৎকর্মই সদাকা। -বুখারী.*
মুসলিম শরীফে এ হাদীছটি হযরত হুযায়ফা রাযি. থেকে বর্ণিত হয়েছে।'
*(সহীহ বুখারী, হাদীছ নং ৬০২১; সহীহ মুসলিম, হাদীছ নং ১০০৫; সুনানে আবূ দাউদ, হাদীছ নং ৪৯৪৭; জামে তিরমিযী, হাদীছ নং ১৯৭০)
হাদীছ নং: ১৩৪
হযরত জাবির রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, প্রত্যেকটি সৎকর্মই সদাকা। -বুখারী.*
মুসলিম শরীফে এ হাদীছটি হযরত হুযায়ফা রাযি. থেকে বর্ণিত হয়েছে।'
*(সহীহ বুখারী, হাদীছ নং ৬০২১; সহীহ মুসলিম, হাদীছ নং ১০০৫; সুনানে আবূ দাউদ, হাদীছ নং ৪৯৪৭; জামে তিরমিযী, হাদীছ নং ১৯৭০)
مقدمة الامام النووي
13 - باب في بيان كثرة طرق الخير
134 - الثامن عشر: عن جَابرٍ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رسولُ الله - صلى الله عليه وسلم: «كُلُّ مَعْرُوفٍ صَدَقَةٌ». رواه البخاري، ورواه مسلم مِنْ رواية حُذَيفة - رضي الله عنه. (1)
হাদীস নং: ১৩৫
ভূমিকা অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ সৎকর্মের বহুবিধ পন্থা।
গাছ লাগানোর ফযীলত
হাদীছ নং: ১৩৫
হযরত জাবির রাযি. থেকে আরও বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, কোনও মুসলিম যদি একটি গাছ লাগায়, তবে তা হতে যে ফল খাওয়া হবে তা তার জন্য সদাকা গণ্য হবে। তা থেকে যা চুরি হবে তাও তার জন্য সদাকা হবে। এবং কেউ যদি তার কোনও ক্ষতিসাধন করে তাও তার জন্য সদাকা হবে। -মুসলিম
মুসলিম শরীফের অপর এক বর্ণনায় আছে, কোনও মুসলিম যদি গাছ লাগায় এবং তা থেকে কোনও মানুষ, কোনও পশু বা কোনও পাখি কিছু খায়, তবে কিয়ামত পর্যন্ত তা তার জন্য সদাকা (জারিয়া) হবে।
মুসলিম শরীফের আরেক বর্ণনায় আছে, কোনও মুসলিম যদি কোনও গাছ লাগায় বা ফসল করে, অতঃপর কোনও মানুষ, পশু বা অন্যকিছু তা থেকে কিছু খায়, তবে তা তার জন্য সদাকা হবে।
ইমাম বুখারী ও মুসলিম উভয়ই এটি হযরত আনাস রাযি.-এর সূত্রে বর্ণনা করেছেন।
(সহীহ বুখারী, হাদীছ নং ২৩২০; সহীহ মুসলিম, হাদীছ নং ১৫৫২-১৫৫৩; মুসনাদে আহমাদ, হাদীছ নং ১২৪৯৫; বায়হাকী, হাদীছ নং ১১৭৫০)
হাদীছ নং: ১৩৫
হযরত জাবির রাযি. থেকে আরও বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, কোনও মুসলিম যদি একটি গাছ লাগায়, তবে তা হতে যে ফল খাওয়া হবে তা তার জন্য সদাকা গণ্য হবে। তা থেকে যা চুরি হবে তাও তার জন্য সদাকা হবে। এবং কেউ যদি তার কোনও ক্ষতিসাধন করে তাও তার জন্য সদাকা হবে। -মুসলিম
মুসলিম শরীফের অপর এক বর্ণনায় আছে, কোনও মুসলিম যদি গাছ লাগায় এবং তা থেকে কোনও মানুষ, কোনও পশু বা কোনও পাখি কিছু খায়, তবে কিয়ামত পর্যন্ত তা তার জন্য সদাকা (জারিয়া) হবে।
মুসলিম শরীফের আরেক বর্ণনায় আছে, কোনও মুসলিম যদি কোনও গাছ লাগায় বা ফসল করে, অতঃপর কোনও মানুষ, পশু বা অন্যকিছু তা থেকে কিছু খায়, তবে তা তার জন্য সদাকা হবে।
ইমাম বুখারী ও মুসলিম উভয়ই এটি হযরত আনাস রাযি.-এর সূত্রে বর্ণনা করেছেন।
(সহীহ বুখারী, হাদীছ নং ২৩২০; সহীহ মুসলিম, হাদীছ নং ১৫৫২-১৫৫৩; মুসনাদে আহমাদ, হাদীছ নং ১২৪৯৫; বায়হাকী, হাদীছ নং ১১৭৫০)
مقدمة الامام النووي
13 - باب في بيان كثرة طرق الخير
135 - التاسع عشر: عَنْهُ، قَالَ: قَالَ رَسُول الله - صلى الله عليه وسلم: «مَا مِنْ مُسْلِمٍ يَغْرِسُ غَرْسًا إلاَّ كَانَ مَا أُكِلَ مِنْهُ لَهُ صَدَقَةً، وَمَا سُرِقَ مِنهُ لَهُ صَدَقَةً، وَلاَ يَرْزَؤُهُ أَحَدٌ إلاَّ كَانَ لَهُ صَدَقَةً». رواه مسلم. (1)
وفي رواية لَهُ: «فَلاَ يَغْرِسُ المُسْلِمُ غَرْسًا فَيَأْكُلَ مِنْهُ إنْسَانٌ وَلاَ دَابَّةٌ وَلاَ طَيْرٌ إلاَّ كَانَ لَهُ صَدَقة إِلَى يَومِ القِيَامةِ». وفي رواية لَهُ: «لاَ يَغرِسُ مُسْلِمٌ غَرسًا، وَلاَ يَزرَعُ زَرعًا، فَيَأكُلَ مِنهُ إنْسَانٌ وَلاَ دَابَةٌ وَلاَ شَيءٌ، إلاَّ كَانَتْ لَهُ صَدَقَةً».
وروياه جميعًا من رواية أنس - رضي الله عنه.
قوله: «يَرْزَؤُهُ» أي ينقصه.
وفي رواية لَهُ: «فَلاَ يَغْرِسُ المُسْلِمُ غَرْسًا فَيَأْكُلَ مِنْهُ إنْسَانٌ وَلاَ دَابَّةٌ وَلاَ طَيْرٌ إلاَّ كَانَ لَهُ صَدَقة إِلَى يَومِ القِيَامةِ». وفي رواية لَهُ: «لاَ يَغرِسُ مُسْلِمٌ غَرسًا، وَلاَ يَزرَعُ زَرعًا، فَيَأكُلَ مِنهُ إنْسَانٌ وَلاَ دَابَةٌ وَلاَ شَيءٌ، إلاَّ كَانَتْ لَهُ صَدَقَةً».
وروياه جميعًا من رواية أنس - رضي الله عنه.
قوله: «يَرْزَؤُهُ» أي ينقصه.
হাদীস নং: ১৩৬
ভূমিকা অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ সৎকর্মের বহুবিধ পন্থা।
দূর থেকে মসজিদে আসা-যাওয়ার ফযীলত
হাদীছ নং: ১৩৬
হযরত জাবির রাযি. থেকে আরও বর্ণিত, বনু সালিমা (নামক গোত্রটি তাদের এলাকা ছেড়ে) মসজিদে নববীর কাছে চলে আসতে চাইল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে এ খবর পৌঁছলে তিনি তাদের বললেন, আমার কাছে খবর পৌঁছেছে যে, তোমরা নাকি মসজিদের কাছে চলে আসতে চাচ্ছ? তারা বললেন, হাঁ ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমরা এরূপ ইচ্ছা করেছি। তিনি বললেন, হে বনূ সালিমা! তোমরা আপন বাসভূমিতেই থাক। তোমাদের পদক্ষেপসমূহ লেখা হবে। তোমরা আপন বাসভূমিতেই থাক । তোমাদের পদক্ষেপসমূহ লেখা হবে। -মুসলিম. সহীহ মুসলিম, হাদীছ নং ৬৬৫; মুসনাদে আহমাদ, হাদীছ নং ১৪৬০৬
অপর এক বর্ণনায় আছে, প্রতিটি পদক্ষেপের বিনিময়ে একটি মর্যাদা। এ মর্মে ইমাম বুখারী রহ. ও হযরত আনাস রাযি.-এর সূত্রে হাদীছ বর্ণনা করেছেন।
(সহীহ বুখারী, হাদীছ নং ৬৫৫; মুসনাদে আহমাদ, হাদীছ নং ১২০৩৪; সুনানে ইবন মাজাহ, হাদীছ নং ৭৮৪)
বনু সালিমা হচ্ছে আনসারদের একটি প্রসিদ্ধ গোত্র।
হাদীছ নং: ১৩৬
হযরত জাবির রাযি. থেকে আরও বর্ণিত, বনু সালিমা (নামক গোত্রটি তাদের এলাকা ছেড়ে) মসজিদে নববীর কাছে চলে আসতে চাইল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে এ খবর পৌঁছলে তিনি তাদের বললেন, আমার কাছে খবর পৌঁছেছে যে, তোমরা নাকি মসজিদের কাছে চলে আসতে চাচ্ছ? তারা বললেন, হাঁ ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমরা এরূপ ইচ্ছা করেছি। তিনি বললেন, হে বনূ সালিমা! তোমরা আপন বাসভূমিতেই থাক। তোমাদের পদক্ষেপসমূহ লেখা হবে। তোমরা আপন বাসভূমিতেই থাক । তোমাদের পদক্ষেপসমূহ লেখা হবে। -মুসলিম. সহীহ মুসলিম, হাদীছ নং ৬৬৫; মুসনাদে আহমাদ, হাদীছ নং ১৪৬০৬
অপর এক বর্ণনায় আছে, প্রতিটি পদক্ষেপের বিনিময়ে একটি মর্যাদা। এ মর্মে ইমাম বুখারী রহ. ও হযরত আনাস রাযি.-এর সূত্রে হাদীছ বর্ণনা করেছেন।
(সহীহ বুখারী, হাদীছ নং ৬৫৫; মুসনাদে আহমাদ, হাদীছ নং ১২০৩৪; সুনানে ইবন মাজাহ, হাদীছ নং ৭৮৪)
বনু সালিমা হচ্ছে আনসারদের একটি প্রসিদ্ধ গোত্র।
مقدمة الامام النووي
13 - باب في بيان كثرة طرق الخير
136 - العشرون: عَنْهُ، قَالَ: أراد بنو سَلِمَةَ أَن يَنتقِلوا قرب المسجِدِ فبلغ ذلِكَ رسولَ الله - صلى الله عليه وسلم - فَقَالَ لهم: «إنَّهُ قَدْ بَلَغَني أنَّكُمْ تُرِيدُونَ أَنْ تَنتَقِلُوا قُربَ المَسجِد؟» فقالُوا: نَعَمْ، يَا رَسُول اللهِ قَدْ أَرَدْنَا ذلِكَ. فَقَالَ: «بَنِي سَلِمَةَ، دِيَارَكُمْ، تُكْتَبْ آثَارُكُمْ، ديَارَكُمْ تُكْتَبْ آثَارُكُمْ». رواه مسلم. (1)
وفي روايةٍ: «إنَّ بِكُلِّ خَطوَةٍ دَرَجَةً». رواه مسلم.
رواه البخاري أيضًا بِمَعناه مِنْ رواية أنس - رضي الله عنه.
وَ «بَنُو سَلِمَةَ» بكسر اللام: قبيلة معروفة مِنَ الأنصار - رضي الله عنهم - وَ «آثَارُهُمْ»: خطاهُم.
وفي روايةٍ: «إنَّ بِكُلِّ خَطوَةٍ دَرَجَةً». رواه مسلم.
رواه البخاري أيضًا بِمَعناه مِنْ رواية أنس - رضي الله عنه.
وَ «بَنُو سَلِمَةَ» بكسر اللام: قبيلة معروفة مِنَ الأنصار - رضي الله عنهم - وَ «آثَارُهُمْ»: خطاهُم.
হাদীস নং: ১৩৭
ভূমিকা অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ সৎকর্মের বহুবিধ পন্থা।
মসজিদে পায়ে হেঁটে আসার ফযীলত
হাদীছ নং: ১৩৭
হযরত আবুল মুনযির উবাঈ ইবন কা'ব রাযি. বলেন, এক ব্যক্তি (-এর বাড়ি মসজিদ থেকে অনেক দূরে) ছিল। আমার জানামতে মসজিদ থেকে তারচে' বেশি দূরে আর কেউ ছিল না। তার কখনও কোনও নামায (-এর জামাত) ছুটত না। তাকে বলা হল কিংবা আমিই তাকে বললাম, তুমি যদি একটা গাধা কিনে নিতে, (রাতের) অন্ধকারে এবং (দিনে) গরম বালুতে যাতে চড়ে আসা-যাওয়া করতে? সে বলল, আমার তো এটাও পসন্দ নয় যে, আমার বাড়ি মসজিদের পাশে হবে। আমি চাই মসজিদে আমার হেঁটে আসা, তারপর পরিবারের কাছে ফিরে যাওয়ার ছাওয়াব আমার আমলনামায় লেখা হোক। এ কথা শুনে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে বললেন, আল্লাহ তাআলা তোমার জন্য এ সবই জমা করে রেখেছেন।-মুসলিম.
অপর এক বর্ণনায় আছে, তুমি যে ছাওয়াবের আশা করেছ তা তোমার জন্য রয়েছে।
(সহীহ মুসলিম, হাদীছ নং ৬৬৩; সুনানে আবূ দাউদ, হাদীছ নং ৫৫৭; সুনানে ইবন মাজাহ, হাদীছ নং ৭৮৩)
হাদীছ নং: ১৩৭
হযরত আবুল মুনযির উবাঈ ইবন কা'ব রাযি. বলেন, এক ব্যক্তি (-এর বাড়ি মসজিদ থেকে অনেক দূরে) ছিল। আমার জানামতে মসজিদ থেকে তারচে' বেশি দূরে আর কেউ ছিল না। তার কখনও কোনও নামায (-এর জামাত) ছুটত না। তাকে বলা হল কিংবা আমিই তাকে বললাম, তুমি যদি একটা গাধা কিনে নিতে, (রাতের) অন্ধকারে এবং (দিনে) গরম বালুতে যাতে চড়ে আসা-যাওয়া করতে? সে বলল, আমার তো এটাও পসন্দ নয় যে, আমার বাড়ি মসজিদের পাশে হবে। আমি চাই মসজিদে আমার হেঁটে আসা, তারপর পরিবারের কাছে ফিরে যাওয়ার ছাওয়াব আমার আমলনামায় লেখা হোক। এ কথা শুনে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে বললেন, আল্লাহ তাআলা তোমার জন্য এ সবই জমা করে রেখেছেন।-মুসলিম.
অপর এক বর্ণনায় আছে, তুমি যে ছাওয়াবের আশা করেছ তা তোমার জন্য রয়েছে।
(সহীহ মুসলিম, হাদীছ নং ৬৬৩; সুনানে আবূ দাউদ, হাদীছ নং ৫৫৭; সুনানে ইবন মাজাহ, হাদীছ নং ৭৮৩)
مقدمة الامام النووي
13 - باب في بيان كثرة طرق الخير
137 - الحادي والعشرون: عن أبي المنذِر أُبيِّ بنِ كَعْب - رضي الله عنه - قَالَ: كَانَ رَجُلٌ لا أعْلَمُ رَجلًا أبْعَدَ مِنَ المَسْجِدِ مِنْهُ، وَكَانَ لاَ تُخْطِئُهُ صَلاةٌ، فَقيلَ لَهُ أَوْ فَقُلْتُ لَهُ: لَوِ اشْتَرَيْتَ حِمَارًا تَرْكَبُهُ في الظَلْمَاء وفي الرَّمْضَاء؟ فَقَالَ: مَا يَسُرُّنِي أنَّ مَنْزِلي إِلَى جَنْبِ المَسْجِدِ إنِّي أريدُ أَنْ يُكْتَبَ لِي مَمشَايَ إِلَى المَسْجِدِ وَرُجُوعِي إِذَا رَجَعْتُ إِلَى أهْلِي، فَقَالَ رَسُول الله - صلى الله عليه وسلم: «قَدْ جَمَعَ اللهُ لَكَ ذلِكَ كُلَّهُ» (1) رواه مسلم. (2) [ص:65]
وفي رواية: «إنَّ لَكَ مَا احْتَسَبْتَ».
«الرَّمْضَاءُ»: الأرْضُ التي أصابها الحر الشديد.
وفي رواية: «إنَّ لَكَ مَا احْتَسَبْتَ».
«الرَّمْضَاءُ»: الأرْضُ التي أصابها الحر الشديد.
হাদীস নং: ১৩৮
ভূমিকা অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ সৎকর্মের বহুবিধ পন্থা।
দুধপানের জন্য পশুদান ও অন্যান্য নেক কাজ
হাদীছ নং: ১৩৮
হযরত আব্দুল্লাহ ইবন 'আমর ইবনুল আস রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, চল্লিশটি এমন কাজ আছে, যার সর্বোচ্চ হল দুধপানের জন্য বকরি দান, কোনও আমলকারী তার যে-কোনও একটি যদি ছাওয়াবের আশায় করে এবং তাতে যে প্রতিদানের ওয়াদা আছে তাতে বিশ্বাস রাখে, তবে আল্লাহ তা'আলা তার বিনিময়ে তাকে অবশ্যই জান্নাতে দাখিল করবেন। -বুখারী.
(সহীহ বুখারী, হাদীছ নং ২৬৩১; সুনানে আবূ দাউদ, হাদীছ নং ১৬৮৩; মুসতাদরাক হাকিম, হাদীছ নং ৭৫৭৮; বায়হাকী, হাদীছ নং ৭৭৯৯)
হাদীছ নং: ১৩৮
হযরত আব্দুল্লাহ ইবন 'আমর ইবনুল আস রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, চল্লিশটি এমন কাজ আছে, যার সর্বোচ্চ হল দুধপানের জন্য বকরি দান, কোনও আমলকারী তার যে-কোনও একটি যদি ছাওয়াবের আশায় করে এবং তাতে যে প্রতিদানের ওয়াদা আছে তাতে বিশ্বাস রাখে, তবে আল্লাহ তা'আলা তার বিনিময়ে তাকে অবশ্যই জান্নাতে দাখিল করবেন। -বুখারী.
(সহীহ বুখারী, হাদীছ নং ২৬৩১; সুনানে আবূ দাউদ, হাদীছ নং ১৬৮৩; মুসতাদরাক হাকিম, হাদীছ নং ৭৫৭৮; বায়হাকী, হাদীছ নং ৭৭৯৯)
مقدمة الامام النووي
13 - باب في بيان كثرة طرق الخير
138 - الثاني والعشرون: عن أبي محمد عبدِ اللهِ بنِ عمرو بن العاصِ - رَضي الله عنهما، قَالَ: قَالَ رَسُول الله - صلى الله عليه وسلم: «أرْبَعُونَ خَصْلَةً: أعْلاَهَا مَنيحَةُ العَنْزِ، مَا مِنْ عَامِلٍ يَعْمَلُ بِخَصْلَة مِنْهَا؛ رَجَاءَ ثَوَابِهَا وتَصْدِيقَ مَوْعُودِهَا، إلاَّ أدْخَلَهُ اللهُ بِهَا الجَنَّةَ». رواه البخاري. (1)
«المَنيحَةُ»: أَنْ يُعْطِيَهُ إِيَّاهَا لِيَأكُلَ لَبَنَهَا ثُمَّ يَرُدَّهَا إِلَيْهِ.
«المَنيحَةُ»: أَنْ يُعْطِيَهُ إِيَّاهَا لِيَأكُلَ لَبَنَهَا ثُمَّ يَرُدَّهَا إِلَيْهِ.
হাদীস নং: ১৩৯
ভূমিকা অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ সৎকর্মের বহুবিধ পন্থা।
অতি সামান্য দান ও একটি ভালো কথাও হতে পারে জাহান্নাম থেকে বাঁচার উপায়
হাদীছ নং: ১৩৯
হযরত 'আদী ইবন হাতিম রাযি. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি, তোমরা জাহান্নাম থেকে বাঁচ, যদি তা খেজুরের একটি অংশ দিয়েও হয়। -বুখারী ও মুসলিম
বুখারী ও মুসলিমের অপর এক বর্ণনায় হযরত আদী রাযি. থেকেই বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, তোমাদের প্রত্যেকের সাথেই তার প্রতিপালক কথা বলবেন। তার ও তার প্রতিপালকের মাঝখানে কোনও দোভাষী থাকবে না। সে তার ডান দিকে তাকাবে। সেদিকে কেবল ওই সকল আমলই দেখতে পাবে, যা সে অগ্রিম পাঠিয়েছে। সে তার বাম দিকে তাকাবে। সেদিকে কেবল ওই সকল (মন্দ) আমলই দেখতে পাবে, যা সে অগ্রিম পাঠিয়েছে। তারপর সে তার সম্মুখ দিকে তাকাবে। সেদিকে সে কেবল জাহান্নামই দেখতে পাবে। সুতরাং তোমরা জাহান্নাম থেকে বাঁচ, যদিও খেজুরের একটি অংশ দিয়ে হয়। যে ব্যক্তি তা না পায়, সে উত্তম কথা দ্বারা (বাঁচার চেষ্টা করবে)। সহীহ বুখারী, হাদীছ নং ১৪১৭; সহীহ মুসলিম, হাদীছ নং ১০১৬। সুনানে নাসাঈ, হাদীছ ন ২৫৫২: বায়হাকী, হাদীছ নং ১০১৩১; মুসনাদে আহমাদ, হাদীছ নং ৩৬৭৯; তবারানী, আল- মু'জামুল কাবীর, হাদীছ নং ৮০১৭
হাদীছ নং: ১৩৯
হযরত 'আদী ইবন হাতিম রাযি. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি, তোমরা জাহান্নাম থেকে বাঁচ, যদি তা খেজুরের একটি অংশ দিয়েও হয়। -বুখারী ও মুসলিম
বুখারী ও মুসলিমের অপর এক বর্ণনায় হযরত আদী রাযি. থেকেই বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, তোমাদের প্রত্যেকের সাথেই তার প্রতিপালক কথা বলবেন। তার ও তার প্রতিপালকের মাঝখানে কোনও দোভাষী থাকবে না। সে তার ডান দিকে তাকাবে। সেদিকে কেবল ওই সকল আমলই দেখতে পাবে, যা সে অগ্রিম পাঠিয়েছে। সে তার বাম দিকে তাকাবে। সেদিকে কেবল ওই সকল (মন্দ) আমলই দেখতে পাবে, যা সে অগ্রিম পাঠিয়েছে। তারপর সে তার সম্মুখ দিকে তাকাবে। সেদিকে সে কেবল জাহান্নামই দেখতে পাবে। সুতরাং তোমরা জাহান্নাম থেকে বাঁচ, যদিও খেজুরের একটি অংশ দিয়ে হয়। যে ব্যক্তি তা না পায়, সে উত্তম কথা দ্বারা (বাঁচার চেষ্টা করবে)। সহীহ বুখারী, হাদীছ নং ১৪১৭; সহীহ মুসলিম, হাদীছ নং ১০১৬। সুনানে নাসাঈ, হাদীছ ন ২৫৫২: বায়হাকী, হাদীছ নং ১০১৩১; মুসনাদে আহমাদ, হাদীছ নং ৩৬৭৯; তবারানী, আল- মু'জামুল কাবীর, হাদীছ নং ৮০১৭
مقدمة الامام النووي
13 - باب في بيان كثرة طرق الخير
139 - الثالث والعشرون: عن عَدِي بنِ حَاتمٍ - رضي الله عنه - قَالَ: سمعت النَّبيّ - صلى الله عليه وسلم - يقول: «اتَّقُوا النَّارَ وَلَوْ بشقِّ (1) تَمْرَةٍ». مُتَّفَقٌ عَلَيهِ. (2)
وفي رواية لهما عَنْهُ، قَالَ: قَالَ رَسُول الله - صلى الله عليه وسلم: «مَا مِنْكُمْ مِنْ أَحَدٍ إلاَّ سَيُكَلِّمُهُ رَبُّهُ لَيْسَ بَينَهُ وَبَيْنَهُ تَرْجُمَانٌ، فَيَنْظُرُ أَيْمَنَ مِنْهُ فَلاَ يَرَى إلاَّ مَا قَدَّمَ، وَيَنْظُرُ أَشْأَمَ مِنْهُ فَلاَ يَرى إلاَّ مَا قَدَّمَ، وَيَنظُرُ بَيْنَ يَدَيهِ فَلاَ يَرَى إلاَّ النَّار تِلقَاءَ وَجْهِهِ، فَاتَّقُوا النَّارَ وَلَو بِشِقِّ تَمْرَةٍ، فَمَنْ لَمْ يَجِدْ فَبِكَلِمَةٍ طَيِّبَةٍ».
وفي رواية لهما عَنْهُ، قَالَ: قَالَ رَسُول الله - صلى الله عليه وسلم: «مَا مِنْكُمْ مِنْ أَحَدٍ إلاَّ سَيُكَلِّمُهُ رَبُّهُ لَيْسَ بَينَهُ وَبَيْنَهُ تَرْجُمَانٌ، فَيَنْظُرُ أَيْمَنَ مِنْهُ فَلاَ يَرَى إلاَّ مَا قَدَّمَ، وَيَنْظُرُ أَشْأَمَ مِنْهُ فَلاَ يَرى إلاَّ مَا قَدَّمَ، وَيَنظُرُ بَيْنَ يَدَيهِ فَلاَ يَرَى إلاَّ النَّار تِلقَاءَ وَجْهِهِ، فَاتَّقُوا النَّارَ وَلَو بِشِقِّ تَمْرَةٍ، فَمَنْ لَمْ يَجِدْ فَبِكَلِمَةٍ طَيِّبَةٍ».
হাদীস নং: ১৪০
ভূমিকা অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ সৎকর্মের বহুবিধ পন্থা।
পানাহারের পর আলহামদুলিল্লাহ বলার ফযীলত
হাদীছ নং: ১৪০
হযরত আনাস রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, নিশ্চয়ই আল্লাহ বান্দার প্রতি সন্তুষ্ট হন যখন সে একটু খাবার খায়, তারপর সেজন্য আল্লাহর প্রশংসা (শোকর) করে এবং একটু পানীয় পান করে, তারপর সেজন্য আল্লাহর প্রশংসা (শোকর) করে। -মুসলিম. (সহীহ মুসলিম, হাদীছ নং ২৭৩৪; মুসনাদে আহমাদ, হাদীছ নং ১১৯৭৪; জামে তিরমিযী, হাদীছ নং ১৮১৬; বাগাবী, হাদীছ নং ২৮৩১)
হাদীছ নং: ১৪০
হযরত আনাস রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, নিশ্চয়ই আল্লাহ বান্দার প্রতি সন্তুষ্ট হন যখন সে একটু খাবার খায়, তারপর সেজন্য আল্লাহর প্রশংসা (শোকর) করে এবং একটু পানীয় পান করে, তারপর সেজন্য আল্লাহর প্রশংসা (শোকর) করে। -মুসলিম. (সহীহ মুসলিম, হাদীছ নং ২৭৩৪; মুসনাদে আহমাদ, হাদীছ নং ১১৯৭৪; জামে তিরমিযী, হাদীছ নং ১৮১৬; বাগাবী, হাদীছ নং ২৮৩১)
مقدمة الامام النووي
13 - باب في بيان كثرة طرق الخير
140 - الرابع والعشرون: عن أنس - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُول الله - صلى الله عليه وسلم: «إنَّ اللهَ لَيَرْضَى عَنِ العَبْدِ أَنْ يَأكُلَ الأَكْلَةَ، فَيَحمَدَهُ عَلَيْهَا، أَوْ يَشْرَبَ الشَّرْبَةَ، فَيَحْمَدَهُ عَلَيْهَا». (1) رواه مسلم. (2)
وَ «الأَكْلَةُ» بفتح الهمزة: وَهيَ الغَدْوَةُ أَو العَشْوَةُ.
وَ «الأَكْلَةُ» بفتح الهمزة: وَهيَ الغَدْوَةُ أَو العَشْوَةُ.