মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)
الفتح الرباني لترتيب مسند الإمام أحمد بن حنبل الشيباني
৭. নামাযের অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ
মোট হাদীস ১৭২৪ টি
হাদীস নং: ৮৭০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১২) অনুচ্ছেদ: সালাতে শিশু সন্তানকে কোলে তুলে নেয়া জায়েয
(৮৬৬) আবদুল্লাহ্ ইবন শাদ্দাদ তাঁর পিতার থেকে বর্ণনা করেন যে, একদা যোহর অথবা আসর-এর সালাতের সময় রাসূলুল্লাহ (সা) আমাদের মাঝে হাসান অথবা হুসাইনকে নিয়ে উপস্থিত হলেন। তিনি সামনে এগিয়ে গিয়ে তাকে (হাসান অথবা হুসাইন) রেখে দিলেন। অতঃপর সালাতের তাকবীর দিয়ে সালাত আদায় করলেন এবং সালাতের মাঝে তিনি অনেকক্ষণ ধরে সিজদা করলেন। রাবী (শাদ্দাদের পিতা) বলেন, আমি মাথা উঁচু করে দেখি বালকটি (হাসান অথবা হুসাইন) সিজদা অবস্থায় রাসূল (সা)-এর পিঠের উপর উঠে পড়ে আছে। তারপর আমি আবার সিজদায় ফিরে আসলাম। যখন রাসূলুল্লাহ্ সালাত শেষ করলেন। তখন লোকজন তাঁকে জিজ্ঞাসা করলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি সালাতের মাঝে এত দীর্ঘক্ষণ ধরে সিজদা করছিলেন যে, আমরা ধারণা করছিলাম হয়ত কোন ঘটনা ঘটেছে অথবা আপনার উপর অহী অবতীর্ণ হচ্ছে।
তখন রাসূল (সা) বললেন, কোনটিই ছিল না বরং আমার পৌত্র আমাকে বাহন বানিয়ে নিয়েছিল। সে তার প্রয়োজন না মিটানো পর্যন্ত তাড়াতাড়ি করাকে আমি অপছন্দ করছিলাম।
(নাসায়ী, হাকিম। তিনি বলেন, হাদীসটি সহীহ, বুখারী ও মুসলিমের শর্তে উপনীত। তবে তারা তা সংকলন করেননি। যাহাবী তার এ বক্তব্য সমর্থন করেছেন।)
তখন রাসূল (সা) বললেন, কোনটিই ছিল না বরং আমার পৌত্র আমাকে বাহন বানিয়ে নিয়েছিল। সে তার প্রয়োজন না মিটানো পর্যন্ত তাড়াতাড়ি করাকে আমি অপছন্দ করছিলাম।
(নাসায়ী, হাকিম। তিনি বলেন, হাদীসটি সহীহ, বুখারী ও মুসলিমের শর্তে উপনীত। তবে তারা তা সংকলন করেননি। যাহাবী তার এ বক্তব্য সমর্থন করেছেন।)
كتاب الصلاة
12 - باب في جواز حمل الصغير في الصلاة
(870) عن عبد الله بن شداد عن أبيه (3) قال: خرج علينا رسول الله صلى الله عليه وسلم في إحدى صلاتي العشي الظهر أو العصر (4) وهو حامل حسن أو حسين فتقدم النبي صلى الله عليه وسلم فوضعه، ثم كبر للصلاة، فصلى، فسجد بين ظهري (1) صلته سجدة أطالها، قال: إني رفعت رأسي فإذا الصبي على ظهر رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو ساجد، فرجعت في سجودي، فلما قضى رسول الله صلى الله عليه وسلم الصلاة قال الناس: يا رسول الله إنك سجدت بين ظهري الصلاة سجدة أطلتها حتى ظننا أنه قد حدث أمر أو أنه يوحى إليك، قال: كل ذلك لم يكن، ولكن ابني ارتحلني (2) فكرهت أن أعجله حتى يقضي حاجته.
তাহকীক:
হাদীস নং: ৮৭১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১৩) অনুচ্ছেদ: নকশাকৃত কাপড়ে এক কাপড়ে এবং এক কাপড়ের কিছু মুসল্লীর গায়ে আর কৃয়দাংশ ঋতুবর্তী মহিলার উপরে থাকা অবস্থায় সালাত জায়েয
(৮৬৭) আনাস ইবন মালিক (রা) থেকে বর্ণিত যে, নবী করীম (সা) নকশা ওয়ালা সুতি বা কাতানের চাদরে সালাত আদায় করেছিলেন। রাবী বলেন, আমার মনে হয় সেটা উভয় প্রান্তে বাঁধা। (অর্থাৎ চাদরের এক প্রান্ত ডান বগলের নিচ দিয়ে নিয়ে গিয়ে বাম কাঁধের উপর ফেলে দিয়ে বক্ষের উপর বাঁধেন।)
كتاب الصلاة
13 - باب جواز الصلاة في الثوب المخطط وفي ثوب واحد وفي ثوب بعضه على المصلي وبعضه على الحائض
(871) عن أنس بن مالك رضي الله عنه أن النبي صلى الله عليه وسلم صلى في بردة حبرة (1) قال أحسبه عقد بين طرفيها (1).
তাহকীক:
হাদীস নং: ৮৭২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১৩) অনুচ্ছেদ: নকশাকৃত কাপড়ে এক কাপড়ে এবং এক কাপড়ের কিছু মুসল্লীর গায়ে আর কৃয়দাংশ ঋতুবর্তী মহিলার উপরে থাকা অবস্থায় সালাত জায়েয
(৮৬৮) আনাস ইবন মালিক থেকেই বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলের যে শেষ সালাত ছিল' সেটা তিনি আবূ বকরের পিছনে মানুষের সাথে একটি কাপড়ে জড়িয়ে আদায় করেছিলেন।
(আবু ইয়ালী তাঁর মুসনাদে এবং বাযযার হাদীসটি বর্ণনা করেন। এ হাদীসের বাবীগণ নির্ভরযোগ্য।)
(আবু ইয়ালী তাঁর মুসনাদে এবং বাযযার হাদীসটি বর্ণনা করেন। এ হাদীসের বাবীগণ নির্ভরযোগ্য।)
كتاب الصلاة
13 - باب جواز الصلاة في الثوب المخطط وفي ثوب واحد وفي ثوب بعضه على المصلي وبعضه على الحائض
(872) وعنه أيضًا قال: آخر صلاة صلاها رسول الله صلى الله عليه وسلم مع القوم صلى في ثوب واحد متوشحًا به خلف أبي بكر.
তাহকীক:
হাদীস নং: ৮৭৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১৩) অনুচ্ছেদ: নকশাকৃত কাপড়ে এক কাপড়ে এবং এক কাপড়ের কিছু মুসল্লীর গায়ে আর কৃয়দাংশ ঋতুবর্তী মহিলার উপরে থাকা অবস্থায় সালাত জায়েয
(৮৬৯) মুসা ইবন ইব্রাহীম ইবন আবু রাবিয়া তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি (পিতা) বলেন, আমরা আনাস বিন মালিকের নিকট হাজির হলাম। (তখন) তিনি একটি কাপড় জড়িয়ে সালাত আদায় করছিলেন। এবং তার চাদরটি (পার্শ্বে) রাখা ছিল। (তখন) তিনি বললেন, আমি তাঁকে জিজ্ঞাসা করলাম। আপনি একটি কাপড়ে সালাত আদায় করলেন? তখন আনাস ইবন্ মালেক (রা) বললেন: আমি রাসূলুল্লাহ (সা)-কে এরূপে সালাত আদায় করতে দেখেছি।
(হাদীসটি এ ভাষায় অন্যত্র পাওয়া যায় নি। তবে বাযযার অন্য ভাষায় হাদীসটি বর্ণনা করেছেন, হাইছামী বলেন, তার সনদের রাবীগণ নির্ভরযোগ্য।)
(হাদীসটি এ ভাষায় অন্যত্র পাওয়া যায় নি। তবে বাযযার অন্য ভাষায় হাদীসটি বর্ণনা করেছেন, হাইছামী বলেন, তার সনদের রাবীগণ নির্ভরযোগ্য।)
كتاب الصلاة
13 - باب جواز الصلاة في الثوب المخطط وفي ثوب واحد وفي ثوب بعضه على المصلي وبعضه على الحائض
(873) عن موسى بن إبراهيم بن أبي ربيعة عن أبيه قال: دخلنا على أنس بن مالك وهو يصلي في ثوب واحد ملتحفًا ورداؤه موضوع، قال: فقلت له: تصلي في ثوب واحد؟ قال: إني رأيت رسول الله صلى الله عليه وآله وسلم يصلي هكذا.
তাহকীক:
হাদীস নং: ৮৭৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১৩) অনুচ্ছেদ: নকশাকৃত কাপড়ে এক কাপড়ে এবং এক কাপড়ের কিছু মুসল্লীর গায়ে আর কৃয়দাংশ ঋতুবর্তী মহিলার উপরে থাকা অবস্থায় সালাত জায়েয
(৮৭০) আবু সাঈদ আল খুদরী (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূল (সা) বলেছেন, কেউ যদি এক কাপড়ে সালাত আদায় করে তা হলে সে যেন তার দুই প্রান্ত দুই বিপরীত দিকে রাখে যেন তার এক প্রান্ত তার দুই কাঁধের উপর থাকে।
(হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি, তবে হাদীসটির সনদ উত্তম।)
(হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি, তবে হাদীসটির সনদ উত্তম।)
كتاب الصلاة
13 - باب جواز الصلاة في الثوب المخطط وفي ثوب واحد وفي ثوب بعضه على المصلي وبعضه على الحائض
(874) عن أبي سعيد الخدري رضي الله عنه قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: إذا صلى أحدكم في ثوب واحد فليخالف بين طرفيه فليجعل طرفه على عاتقيه
তাহকীক:
হাদীস নং: ৮৭৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১৩) অনুচ্ছেদ: নকশাকৃত কাপড়ে এক কাপড়ে এবং এক কাপড়ের কিছু মুসল্লীর গায়ে আর কৃয়দাংশ ঋতুবর্তী মহিলার উপরে থাকা অবস্থায় সালাত জায়েয
(৮৭১) মায়মুনা (রা) থেকে বর্ণিত যে, একদা রাসূল (সা) সালাত আদায় করছিলেন, এমতাবস্থায় তাঁর ওপরে তাঁর কোন এক স্ত্রীর চাদর ছিল এবং ঐ স্ত্রীর ওপরও ঐ চাদরের কিছু অংশ ছিল। সুফিয়ান (এক রাবী) বলেন, আমার ধারণা, স্ত্রী ছিলেন ঋতুবতী।
(হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি, তবে বুখারী ও মুসলিম আবু হুরায়রা (রা) থেকে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন।)
(হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি, তবে বুখারী ও মুসলিম আবু হুরায়রা (রা) থেকে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন।)
كتاب الصلاة
13 - باب جواز الصلاة في الثوب المخطط وفي ثوب واحد وفي ثوب بعضه على المصلي وبعضه على الحائض
(875) حدثنا عبد الله حدثني أبي ثنا سفيان بن عيينة عن الشيباني عن عبد الله بن شداد (1) عن ميمونة رضي الله عنها أن النبي صلى الله عليه وسلم صلى وعليه مرط (2) لبعض نسائه وعليها بعضه. قال سفيان أراه قال: حائض.
তাহকীক:
হাদীস নং: ৮৭৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১৩) অনুচ্ছেদ: নকশাকৃত কাপড়ে এক কাপড়ে এবং এক কাপড়ের কিছু মুসল্লীর গায়ে আর কৃয়দাংশ ঋতুবর্তী মহিলার উপরে থাকা অবস্থায় সালাত জায়েয
(৮৭২) আবদুল্লাহ ইবন্ শাদ্দাদ ইবন্ আল হাদ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আমার খালা মায়মুনাহ্ বিনতে হারিস, রাসূল (সা)-এর স্ত্রীকে বলতে শুনেছি যে, তিনি ঋতুবতী অবস্থায় থাকতেন, এমতাবস্থায় তিনি রাসূল (সা)-এর সালাতের স্থানের সামনে শুয়ে থাকতেন। আর রাসূলুল্লাহ (সা) তাঁর জায়নামাযের উপর সালাত আদায় করতেন। যখন তিনি সিজদা দিতেন তখন তাঁর কাপড়ের এক পার্শ্ব আমাকে স্পর্শ করত। তাঁর (মায়মূনা) থেকে অপর এক বর্ণনায় আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা) রাত্রে উঠে সালাত আদায় করতেন। তখন আমি তাঁর পাশে ঘুমন্ত অবস্থায় থাকতাম। যখন তিনি সিজদা করতেন, তখন তাঁর কাপড় আমাকে স্পর্শ করত। এমন অবস্থায় যে, তখন আমি ঋতুবতী।
(মুসলিম ও অন্যান্য)
(মুসলিম ও অন্যান্য)
كتاب الصلاة
13 - باب جواز الصلاة في الثوب المخطط وفي ثوب واحد وفي ثوب بعضه على المصلي وبعضه على الحائض
(876) عن عبد الله بن شداد بن الهاد قال: سمعت خالتي ميمونة بنت الحارث زوج النبي صلى الله عليه وسلم أنها كانت تكون حائضًا وهي مفترشة بحذاء مسجد (3) رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو يصلي على خمرته (4) إذا سجد أصابني طرف ثوبه. وعنها من طريق ثان (5) قالت: كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يقوم فيصلي من الليل وأنا نائمة إلى جنبه، فإذا سجد أصابني ثيابه وأنا حائض
তাহকীক:
হাদীস নং: ৮৭৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১৪) অনুচ্ছেদ: অন্ধকারে মুসল্লীর সামনে মহিলাদের ঘুমানো জায়েয
(৮৭৩) রাসূলুল্লাহ (সা)-এর স্ত্রী আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূল (সা)-এর সম্মুখে ঘুমিয়ে থাকতাম, তখন আমার পা তাঁর কিবলার দিকে থাকত। যখন তিনি সিজদায় যেতেন, তখন আমাকে খোঁচা দিলে তখন আমি আমার পা সংকুচিত করতাম। আবার যখন তিনি দাঁড়িয়ে যেতেন, তখন আমি তা প্রসারিত করতাম। আর কামরাগুলো তখন বাতি শূন্য ছিল।
(বুখারী, মুসলিম, ও অন্যান্য।)
(বুখারী, মুসলিম, ও অন্যান্য।)
كتاب الصلاة
14 - باب جواز نوم المرأة أمام المصلي في الظلام
(877) عن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم قالت: كنت أنام بين يدي رسول الله صلى الله عليه وسلم ورجلي في قبلته فإذا سجد غمزني (1) فقبضت رجلي، وإذا قام بسطتها، والبيوت ليس يومئذ فيها مصابيح (2).
তাহকীক:
হাদীস নং: ৮৭৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১৪) অনুচ্ছেদ: অন্ধকারে মুসল্লীর সামনে মহিলাদের ঘুমানো জায়েয
(৮৭৪) আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সা) যখন সালাত আদায় করতেন। আমি তখন তাঁর ডান ও বাম দিকে (আড়াআড়িভাবে) চিত হয়ে শুয়ে থাকতাম।
(হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি। তবে হাদীসটির সনদ উত্তম এবং এ অনুচ্ছেদের অপরাপর হাদীসও তা সমর্থন করে।)
(হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি। তবে হাদীসটির সনদ উত্তম এবং এ অনুচ্ছেদের অপরাপর হাদীসও তা সমর্থন করে।)
كتاب الصلاة
14 - باب جواز نوم المرأة أمام المصلي في الظلام
(878) عن عطاء عن عائشة رضي الله عنها قالت: لقد كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي وأنا عن يمينه وعن شماله مضطجعة (3).
তাহকীক:
হাদীস নং: ৮৭৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১৪) অনুচ্ছেদ: অন্ধকারে মুসল্লীর সামনে মহিলাদের ঘুমানো জায়েয
(৮৭৫) আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা) রাত্রের সালাত আদায় করতেন, আর আমি তাঁর ও কিবলার মাঝে আড়াআড়িভাবে শুয়ে থাকতাম। জানাযার (মুর্দার) মত আড়াআড়িভাবে।
(বুখারী, মুসলিম, ও অন্যানা।)
(বুখারী, মুসলিম, ও অন্যানা।)
كتاب الصلاة
14 - باب جواز نوم المرأة أمام المصلي في الظلام
(879) عن عروة عن عائشة رضي الله عنها قالت: كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي صلاته من الليل وأنا معترضة بينه وبين القبلة كاعتراض الجنازة
তাহকীক:
হাদীস নং: ৮৮০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১৪) অনুচ্ছেদ: অন্ধকারে মুসল্লীর সামনে মহিলাদের ঘুমানো জায়েয
(৮৭৬) 'আতা থেকে বর্ণিত, তিনি উরওয়াহ থেকে আর তিনি আয়েশা (রা) থেকে বর্ণনা করেন। রাসূল (সা) (ঘরের মধ্যে) সালাত আদায় করছিলেন, তখন তাঁর সামনে আয়েশা আড়াআড়িভাবে শুয়ে ছিলেন এবং তিনি (উরওয়া) বলেন, তাঁরা তোমাদের মা, বোন ও খালা নয়?
(ইমাম হাইছামী। বি. দ্র. উরওয়া মহিলাকে সামনে শুয়ে রেখে কিভাবে নামায পড়া যায়? এরূপ প্রশ্নের সম্মুখীন হলে তিনি উপরোক্ত কথা বলেন।)
(ইমাম হাইছামী। বি. দ্র. উরওয়া মহিলাকে সামনে শুয়ে রেখে কিভাবে নামায পড়া যায়? এরূপ প্রশ্নের সম্মুখীন হলে তিনি উপরোক্ত কথা বলেন।)
كتاب الصلاة
14 - باب جواز نوم المرأة أمام المصلي في الظلام
(880) عن عطاء عن عروة عن عائشة رضي الله عنها أن النبي صلى الله عليه وآله وسلم صلى وهي معترضة بين يديه، وقال: أليس هن أمهاتكم وأخواتكم وعماتكم (1).
তাহকীক:
হাদীস নং: ৮৮১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১৪) অনুচ্ছেদ: অন্ধকারে মুসল্লীর সামনে মহিলাদের ঘুমানো জায়েয
(৮৭৭) তাঁর ('আতা) থেকে আরও বর্ণিত। তিনি উরওয়াহ ইবন্ যুবাইর থেকে খবর দিয়েছেন যে, আয়েশা (রা) তাঁকে জানিয়েছেন তিনি বলেছেন, রাসূলুল্লাহ (সা) ঘরের মধ্যে সালাত আদায় করতেন। তখন আমি তাঁর ও কিবলার মাঝে খাটে শুয়ে থাকতাম। 'আতা প্রশ্ন করলেন, তাঁদের উভয়ের মাঝে কি মসজিদের দেয়াল থাকত? উত্তরে বললেন, না। ঘরের মধ্যেই পড়তেন দেয়ালের দিক হয়ে।
(বুখারী, মুসলিম ও অন্যান্য।)
(বুখারী, মুসলিম ও অন্যান্য।)
كتاب الصلاة
14 - باب جواز نوم المرأة أمام المصلي في الظلام
(881) وعنه أيضًا عن عروة بن الزبير أخبره أن عائشة رضي الله عنها أخبرته قالت: كان النبي صلى الله عليه وعلى آله وسلم يصلي وأنا معترضة على السرير بينه وبين القبلة. قلت: أبينهما جدر المسجد؟ (2) قال: لا، في البيت إلى جدره.
তাহকীক:
হাদীস নং: ৮৮২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ সাহু সিজদা সংক্রান্ত অনুচ্ছেদসমূহ
(১) অনুচ্ছেদ: যার সালাতে সন্দেহ হয় তার যা করণীয়
(১) অনুচ্ছেদ: যার সালাতে সন্দেহ হয় তার যা করণীয়
(৮৭৮) আবদুল্লাহ্ ইবন আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত যে, তাঁকে উমর (রা) বললেন: হে বালক। তুমি কি রাসূল (সা) বা তাঁর কোন সাহাবীর কাছ থেকে এ প্রসঙ্গে শুনেছ, যখন কোন ব্যক্তির সালাতের মধ্যে সন্দেহ এসে যায় তখন সে কি করবে? তিনি বলেন, ইত্যবসরে আবদুর রহমান ইবন আউফ (রা) আমাদের মাঝে উপস্থিত হলেন এবং জিজ্ঞাসা করলেন, তোমরা উভয়ে কি আলোচনা করছিলে? তখন উমর (রা) বললেন, আমি এই বালককে প্রশ্ন করেছি, তুমি কি রাসূল (সা) বা তাঁর কোন সাহাবীর কাছ থেকে শুনেছ যে, যখন কোন ব্যক্তি তার সালাতের মধ্যে সন্দেহ এসে যায়, তখন সে কি করবে? তখন আব্দুর রহমান বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ (সা)-কে বলতে শুনেছি যে, তোমাদের কারো সালাতে যদি সন্দেহ এসে যায়, আর সে যদি বুঝতে না পারে এক রাক'আত আদায় করল না দুই রাকা'আত তবে সে এক রাকা'আত ধরে নিবে। আর যদি দুই রাকা'আত আদায় করেছে না তিন রাক'আত, তা বুঝতে না পারে, তখন দুই রাকা'আত ধরে নিবে। আর যদি তিন রাকা'আত আদায় করল না চার রাকা'আত, তা বুঝতে না পারে তাহলে তিন রাকা'আত ধরে নিবে। তারপর সালাত শেষে সালাম ফিরানোর পূর্বে বসা অবস্থায় দুই সিজদা সাহু দিবে।
(ইবন মাজাহ্ বাইহাকী, তিরমিযী। ইমাম তিরমিযী হাদীসটি হাসান সহীহ বলে উল্লেখ করেছেন।)
(ইবন মাজাহ্ বাইহাকী, তিরমিযী। ইমাম তিরমিযী হাদীসটি হাসান সহীহ বলে উল্লেখ করেছেন।)
كتاب الصلاة
أبواب سجود السهو
1 - باب ما يصنع من شك في صلاته
1 - باب ما يصنع من شك في صلاته
(882) عن ابن عباس رضي الله عنهما أنه قال له عمر: يا غلام هل سمعت من رسول الله صلى الله عليه وسلم أو من أحد من أصحابه إذا شك الرجل في صلاته ماذا يصنع؟ قال: فبينما هو كذلك إذ أقبل عبد الرحمن بن عوف فقال: فيم أنتما؟ فقال عمر: سألت هذا الغلام هل سمعت من رسول الله صلى الله عليه وسلم أو أحد من أصحابه إذا شك الرجل في صلاته ماذا يصنع؟ فقال عبد الرحمن: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: إذا شك أحدكم في صلاته فلم يدر أواحدة صلى أم ثنتين فليجعلها واحدة، وإذا لم يدر ثنتين صلى أم ثلاثًا فليجعلها ثنتين، وإذا لم يدر أثلاثًا صلى أم أربعًا فليجعلها ثلاثًا، ثم يسجد إذا فرغ من صلاته وهو جالس قبل أن يسلم سجدتين.
তাহকীক:
হাদীস নং: ৮৮৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ সাহু সিজদা সংক্রান্ত অনুচ্ছেদসমূহ
(১) অনুচ্ছেদ: যার সালাতে সন্দেহ হয় তার যা করণীয়
(১) অনুচ্ছেদ: যার সালাতে সন্দেহ হয় তার যা করণীয়
(৮৭৯) উসমান ইবন আফফান (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (সা)-এর নিকট উপস্থিত হয়ে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল। আমি সালাত আদায় করেছি, কিন্তু স্মরণ নাই যে, জোর রাকা'আত পড়েছি নাকি বেজোড়? উত্তরে রাসুল (সা) বললেন, সাবধান। শয়তান যেন সালাতে তোমাদের সাথে খেলা করতে না পারে। তোমাদের মধ্যে কেউ যদি সালাত আদায় করে অতঃপর সে যদি দুই রাকা'আত কি এক রাকাআত আদায় করেছে তা ভুলে যায়, তখন সে যেন অবশ্যই দুইটা সিজদা করে নেয়। কেননা, এই দুইটি সাজদাই তার সালাত পরিপূর্ণ করে থাকে।
(তাঁর থেকে অপর রেওয়াতে বর্ণিত আছে।) তিনি বলেন, একদা ইয়াযীদ ইবন আবী কাবশা আমাদের সঙ্গে আসরের সালাত আদায় করলেন। অতঃপর সালাত শেষে তিনি আমাদের দিকে ফিরলেন এবং বললেন একদা আমি মারওয়ান ইবনুল হাকাম-এর সঙ্গে সালাত আদায় করেছিলাম। তখন তিনি অনুরূপ দুইটি সিজদা করেছিলেন এবং আমাদের দিকে ফিরে (বসে) আমাদেরকে অভিহিত করলেন যে, তিনি উসমান ইবন আফফান (রা)-এর সাথে সালাত আদায় করেছিলেন, আর তিনি নবী করীম (সা) থেকে হাদীস বর্ণনা করে অনুরূপ উল্লেখ করেছেন।
(হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি। এ হাদীসটির প্রথম সূত্র মুনকাতি এবং দ্বিতীয় সূত্র মুত্তাসিল। হাইছামী বলেন, উভয় হাদীসের রাবীগণ নির্ভরযোগ্য।)
(তাঁর থেকে অপর রেওয়াতে বর্ণিত আছে।) তিনি বলেন, একদা ইয়াযীদ ইবন আবী কাবশা আমাদের সঙ্গে আসরের সালাত আদায় করলেন। অতঃপর সালাত শেষে তিনি আমাদের দিকে ফিরলেন এবং বললেন একদা আমি মারওয়ান ইবনুল হাকাম-এর সঙ্গে সালাত আদায় করেছিলাম। তখন তিনি অনুরূপ দুইটি সিজদা করেছিলেন এবং আমাদের দিকে ফিরে (বসে) আমাদেরকে অভিহিত করলেন যে, তিনি উসমান ইবন আফফান (রা)-এর সাথে সালাত আদায় করেছিলেন, আর তিনি নবী করীম (সা) থেকে হাদীস বর্ণনা করে অনুরূপ উল্লেখ করেছেন।
(হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি। এ হাদীসটির প্রথম সূত্র মুনকাতি এবং দ্বিতীয় সূত্র মুত্তাসিল। হাইছামী বলেন, উভয় হাদীসের রাবীগণ নির্ভরযোগ্য।)
كتاب الصلاة
أبواب سجود السهو
1 - باب ما يصنع من شك في صلاته
1 - باب ما يصنع من شك في صلاته
(883) عن مرة بن معبد عن يزيد بن أبي كبشة عن عثمان (بن عفان) رضي الله عنه قال: جاء رجل إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقال: يا رسول الله إني صليت فلم أدر أشفعت أم أوترت. فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: إياي (1) وأن يتلعب بكم الشيطان في صلاتكم، من صلى منكم فلم يدر أشفع أو أوتر (2) فليسجد سجدتين فإنهما تمام صلاته (3). وعنه من طريق ثان (4) قال: صلى بنا يزيد بن أبي كبشة العصر، فانصرف إلينا بعد صلاته، فقال: إني صليت مع مروان بن الحكم فسجد مثل هاتين السجدتين (5) ثم انصرف إلينا فأعلمنا أنه صلى مع عثمان (بن عفان رضي الله عنه) وحدث عن النبي صلى الله عليه وسلم فذكر مثله (6) أو نحوه.
তাহকীক:
হাদীস নং: ৮৮৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ সাহু সিজদা সংক্রান্ত অনুচ্ছেদসমূহ
(১) অনুচ্ছেদ: যার সালাতে সন্দেহ হয় তার যা করণীয়
(১) অনুচ্ছেদ: যার সালাতে সন্দেহ হয় তার যা করণীয়
(৮৮০) আবদুল্লাহ্ ইবন্ মাসউদ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী করীম (সা) একদিন সালাত আদায় করলেন। (রাবী বলেন) আমি জানি না তিনি তাতে বৃদ্ধি করলেন কিংবা হ্রাস করলেন। সালাম ফিরানোর পর তাঁকে বলা হল, ইয়া রাসূলাল্লাহ! সালাতের ব্যাপারে নতুন কিছু ঘটেছে কি? তিনি বললেন, না। তবে কি হয়েছে? লোকেরা বললঃ আপনি সালাত আদায় করেছেন এমন এমনভাবে। বর্ণনাকারী বলেন: অনন্তর তিনি তাঁর পদদ্বয় ফিরালেন এবং দুই সিজদা সাহু দিলেন। অতঃপর যখন সালাম ফিরালেন তখন বললেন: আমি তো একজন মানুষ। তোমরা যেমন ভুল কর, আমিও ভুল করি। সালাতে যদি তোমাদের কেহ সন্দেহ করে তবে সঠিক বিষয়টি চিন্তা করবে এবং সালাম শেষে দুইটি সিজদা (সাহু) দিবে।
(তাঁর থেকে দ্বিতীয় সূত্রেও অনুরূপ বর্ণিত আছে, তাতে আরও আছে তিনি (রাসূল সা) তাঁর পা ফিরালেন এবং কিবলামুখি হলেন আর দু'টি সিজদা (সাহু) দিলেন। এরপর আমাদের দিকে চেহারা ফিরিয়ে বসলেন এবং বললেন: সালাতের মধ্যে যদি কিছু ঘটত তাহলে আমি তোমাদের অবহিত করতাম। তবে আমি তো একজন মানুষ। তোমরা যেমন ভুল কর, আমিও ভুল করি। সুতরাং যখন আমি ভুলে যাই, তখন তোমরা আমাকে স্মরণ করিয়ে দিও। তোমাদের মধ্যে এমন আছে যে, তার সালাতে সন্দেহ করে না? যদি এমন হয় তা হলে সে যেন সঠিকের নিকটবর্তী হওয়ার জন্য চিন্তা করে এবং সে অনুযায়ী সালাত শেষ করে সালাম ফিরায়। পরে দুই সিজদা (সাহু) দেয়।
(বুখারী, মুসলিম ও অন্যান্য।)
(তাঁর থেকে দ্বিতীয় সূত্রেও অনুরূপ বর্ণিত আছে, তাতে আরও আছে তিনি (রাসূল সা) তাঁর পা ফিরালেন এবং কিবলামুখি হলেন আর দু'টি সিজদা (সাহু) দিলেন। এরপর আমাদের দিকে চেহারা ফিরিয়ে বসলেন এবং বললেন: সালাতের মধ্যে যদি কিছু ঘটত তাহলে আমি তোমাদের অবহিত করতাম। তবে আমি তো একজন মানুষ। তোমরা যেমন ভুল কর, আমিও ভুল করি। সুতরাং যখন আমি ভুলে যাই, তখন তোমরা আমাকে স্মরণ করিয়ে দিও। তোমাদের মধ্যে এমন আছে যে, তার সালাতে সন্দেহ করে না? যদি এমন হয় তা হলে সে যেন সঠিকের নিকটবর্তী হওয়ার জন্য চিন্তা করে এবং সে অনুযায়ী সালাত শেষ করে সালাম ফিরায়। পরে দুই সিজদা (সাহু) দেয়।
(বুখারী, মুসলিম ও অন্যান্য।)
كتاب الصلاة
أبواب سجود السهو
1 - باب ما يصنع من شك في صلاته
1 - باب ما يصنع من شك في صلاته
(884) عن إبراهيم (7) عن علقمة عن عبد الله (بن مسعود) رضي الله عنه قال: صلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فلا أدري (8) زاد أم نقص فلما سلم قيل له: يا رسول الله هل حدث في الصلاة شيء؟ قال: لا، وما ذاك؟ قالوا: صليت كذا وكذا. قال: فثني رجليه (1) فسجد سجدتي السهو، فلما سلم قال: إنما أنا بشر أنسى كما تنسون (2)، وإذا شك أحدكم في الصلاة فليتحر الصلاة، فإذا سلم فليسجد سجدتين وعنه من طريق ثان بنحوه (1) وفيه: فثنى رجله واستقبل القبلة وسجد سجدتين، ثم اقبل علينا بوجهه فقال: لو حدث في الصلاة شيء لأنبأتكموه (2) ولكن إنما أنا بشر أنسى كما تنسون، فإن نسيت فذكروني (3)، وأيكم ما شك في صلاته فليتحر أقرب ذلك للصواب (4) فليتم عليه ويسلم ثم يسجد سجدتين.
তাহকীক:
হাদীস নং: ৮৮৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ সাহু সিজদা সংক্রান্ত অনুচ্ছেদসমূহ
(১) অনুচ্ছেদ: যার সালাতে সন্দেহ হয় তার যা করণীয়
(১) অনুচ্ছেদ: যার সালাতে সন্দেহ হয় তার যা করণীয়
(৮৮১) আবদুল্লাহ্ ইবন মাসউদ (রা) নবী করীম (সা) থেকে বর্ণনা করেন। (তিনি (রাসূল সা) বলেন:) তুমি যদি সালাতের মধ্যে সন্দিহান হও যে, তুমি তিন রাকা'আত না চার রাকা'আত পড়েছ। এমতাবস্থায় তোমার যদি বেশী ধারণা হয় যে, তুমি চার রাকা'আত পড়েছ? তখন তুমি তাশাহহুদ পড়বে এবং সালামের পূর্বে বসা অবস্থায় দুই সাজদা সাহু দিবে। অতঃপর একইভাবে তাশাহহুদ পড়বে এবং সালাম ফিরাবে। (তার থেকে দ্বিতীয় সূত্রে বর্ণিত) রাসূল (সা) আবদুল্লাহ ইবন মাসউদ (রা) কে বলেন: তুমি যখন তোমার সালাতে বসা অবস্থায় সন্দিহান হবে যে, তুমি জান না যে, তিন রাকা'আত না চার রাকা'আত পড়েছ। এমতাবস্থায় যদি তোমার অধিক ধারণা হয় যে, তিন রাকা'আত পড়েছ, তাহলে দাঁড়িয়ে এক রুকু ও দুই সিজদা কর, অতঃপর তাশাহহুদ পড় তারপর সালাম ফিরাও। আর যদি তোমার অধিক ধারণা হয় যে, তুমি চার রাকাআত পড়েছ, তা'হলে সালাম ফিরাও। অতঃপর দুই সিজদা কর তারপর তাশাহহুদ পড়ে সালাম ফিরাও।
(আবু দাউদ, নাসায়ী, ইবন হাজর এ হাদীসটি দুর্বল বলে মন্তব্য করেছেন, আর বাইহাকী বলেন, এ হাদীসটি মারফু হওয়ার ও মতনের ব্যাপারে মতদ্বন্দআছে।)
(আবু দাউদ, নাসায়ী, ইবন হাজর এ হাদীসটি দুর্বল বলে মন্তব্য করেছেন, আর বাইহাকী বলেন, এ হাদীসটি মারফু হওয়ার ও মতনের ব্যাপারে মতদ্বন্দআছে।)
كتاب الصلاة
أبواب سجود السهو
1 - باب ما يصنع من شك في صلاته
1 - باب ما يصنع من شك في صلاته
(885) عن أبي عبيدة عن أبيه عبد الله بن مسعود عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: إذا كنت في الصلاة فشككت في ثلاث أو ربع، وأكثر ظنك على أربع تشهدت ثم سجدت سجدتين وأنت جالس قبل أن تسلم، ثم تشهدت أيضًا ثم سلمت. وعنه من طريق ثان (1) عن عبد الله بن مسعود قال: إذا شككت في صلاتك وأنت جالس فلم تدر ثلاثًا صليت أم أربعًا، فإن كان أكبر ظنك أنك صليت ثلاثًا فقم فاركع ركعة ثم سلم ثم اسجد سجدتين ثم تشهد ثم سلم، وإن كان أكبر ظنك أنك صليت أربعًا فسلم ثم اسجد سجدتين ثم تشهد ثم سلم.
তাহকীক:
হাদীস নং: ৮৮৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ সাহু সিজদা সংক্রান্ত অনুচ্ছেদসমূহ
(১) অনুচ্ছেদ: যার সালাতে সন্দেহ হয় তার যা করণীয়
(১) অনুচ্ছেদ: যার সালাতে সন্দেহ হয় তার যা করণীয়
(৮৮২) আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী করীম (সা)-এর নিকট থেকে এ খবর পৌঁছান তিনি (নবী সা) বলেন: তোমাদের কেউ যখন সালাতে থাক, তখন তার নিকট শয়তান আসে এবং তাকে সন্দেহে নিপতিত করে। এমনকি সে বুঝতে পারে না, কি পরিমাণ সালাত সে আদায় করল। তোমাদের কেউ এমতাবস্থার সম্মুখীন হলে সে যেন বসাবস্থায় দুই সিজদা (সাহু) করে।
(বুখারী, মুসলিম ও অন্যান্য।)
(বুখারী, মুসলিম ও অন্যান্য।)
كتاب الصلاة
أبواب سجود السهو
1 - باب ما يصنع من شك في صلاته
1 - باب ما يصنع من شك في صلاته
(886) عن أبي هريرة رضي الله عنه يبلغ به النبي صلى الله عليه وسلم (2) يأتي أحدكم الشيطان وهو في صلاته فيلبس عليه (1) حتى لا يدري كم صلى فمن وجد من ذلك شيئًا فليسجد سجدتين وهو جالس (2).
তাহকীক:
হাদীস নং: ৮৮৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ সাহু সিজদা সংক্রান্ত অনুচ্ছেদসমূহ
(১) অনুচ্ছেদ: যার সালাতে সন্দেহ হয় তার যা করণীয়
(১) অনুচ্ছেদ: যার সালাতে সন্দেহ হয় তার যা করণীয়
(৮৮৩) আবু সাঈদ আল খুদরী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসুলুল্লাহ (সা) বলেছেন: তোমাদের কেউ যখন সালাত আদায় করে। যদি তার স্মরণ না থাকে যে, কত রাক'আত সালাত সে আদায় করেছে। তাহলে সে যেন বসাবস্থায় দুইটি সিজদা (সাহু) করে নেয়। সালাতের মধ্যে যদি তোমাদের কারো কাছে শয়তান এসে (ধোকা দেয়ার উদ্দেশ্যে) বলে: তোমার তো ওযু নষ্ট হয়ে গেছে। সে তখন বলবে, মিথ্যা কথা। কিন্তু সে যদি নাক দিয়ে তার গন্ধ পায় বা কানে তার আওয়ায শোনে তবে ভিন্ন কথা।
(বুখারী, মুসলিম ও অন্যান্য।)
(বুখারী, মুসলিম ও অন্যান্য।)
كتاب الصلاة
أبواب سجود السهو
1 - باب ما يصنع من شك في صلاته
1 - باب ما يصنع من شك في صلاته
(887) عن أبي سعيد الخدري رضي الله عنه قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: إذا صلى أحدكم فلا يدري كم صلى فليسجد سجدتين وهو جالس (3)، وإذا جاء أحدكم الشيطان فقال: إنك قد أحدثت (4) فليقل كذبت إلا ما وجد ريحه بأنفه (5) أو سمع صوته بأذنه.
তাহকীক:
হাদীস নং: ৮৮৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ সাহু সিজদা সংক্রান্ত অনুচ্ছেদসমূহ
(১) অনুচ্ছেদ: যার সালাতে সন্দেহ হয় তার যা করণীয়
(১) অনুচ্ছেদ: যার সালাতে সন্দেহ হয় তার যা করণীয়
(৮৮৪) তাঁর (আবু সাঈদ আল খুদরী (রা)) থেকে আরও বর্ণিত যে, রাসুলুল্লাহ (সা) বলেছেন: তোমাদের কারো যদি তার সালাতে সন্দেহ সৃষ্টি হয় এবং সে যদি বুঝতে না পারে কত রাকা'আত সালাত আদায় করেছে, তবে সে, সন্দেহ পরিত্যাগ করবে এবং যতটুকু সন্দেহাতীত ততটুকুকে সালাতের ভিত্তি করে নিবে। যাতে সালাত পূর্ণ হওয়ার ব্যাপারে কোন রূপ সন্দেহ না থাকে। পরে সালাম ফিরানোর পূর্বে দুই সিজদা (সাহু) করবে। সুতরাং সালাত যদি বেজোড় হয় তাহলে তা জোড় হয়ে যাবে। আর যদি তা জোড় হয় তাহলে তা শয়তানের জন্য লাঞ্চনাদায়ক হবে।
(মুসলিম, আবু দাউদ, ইবন হিব্বান, হাকিম, বাইহাকী।)
(মুসলিম, আবু দাউদ, ইবন হিব্বান, হাকিম, বাইহাকী।)
كتاب الصلاة
أبواب سجود السهو
1 - باب ما يصنع من شك في صلاته
1 - باب ما يصنع من شك في صلاته
(888) وعنه أيضًا أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: إذا شك أحدكم في صلاته فلم يدر كم صلى فليبن على اليقين (1) حتى إذا استيقن أن 02) قد أتم فليسجد سجدتين قبل أن يسلم، فإنه إن كانت صلاته وترًا صارت شفعًا (3) وإن كانت شفعًا كان ذلك ترغيمًا للشيطان (4).
তাহকীক:
হাদীস নং: ৮৮৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ সাহু সিজদা সংক্রান্ত অনুচ্ছেদসমূহ
(১) অনুচ্ছেদ: যার সালাতে সন্দেহ হয় তার যা করণীয়
(১) অনুচ্ছেদ: যার সালাতে সন্দেহ হয় তার যা করণীয়
(৮৮৫) খত, আবদুর রহমান ইবন 'আউফ (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি কি তোমাদেরকে এমন একটি হাদীস বলবো না, যা আমি রাসূল (সা)-এর কাছে শুনেছি। তারা বললেন, হ্যাঁ। (অতঃপর তিনি বললেন,) -আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আমি রাসূল (সা)-কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি সালাত আদায় শেষে তার সালাতে কম হয়েছে বলে সন্দেহ পোষণ করে, সে যেন সালাত (এভাবে) আদায় করে, যাতে করে তার সালাত বেশী হওয়ার ব্যাপারে সন্দেহ হয়।
(ইবন মাজাহ। আহমদের এ হাদীসের সনদে ইসমাঈল ইবন মুসলিম নামক একজন দুর্বল রাবী আছেন। তবে এ অনুচ্ছেদের অন্যান্য হাদীস তাকে সমর্থন করে।)
(ইবন মাজাহ। আহমদের এ হাদীসের সনদে ইসমাঈল ইবন মুসলিম নামক একজন দুর্বল রাবী আছেন। তবে এ অনুচ্ছেদের অন্যান্য হাদীস তাকে সমর্থন করে।)
كتاب الصلاة
أبواب سجود السهو
1 - باب ما يصنع من شك في صلاته
1 - باب ما يصنع من شك في صلاته
(889) خط. عن عبد الرحمن بن عوف رضي الله عنه قال: ألا أحدثكم بحديث سمعته من رسول الله صلى الله عليه وسلم؟ قالوا: بلى. قال: فأشهد أني سمعت رسول الله صلى الله عليه وآله وسلم يقول: من صلى صلاة يشك في النقصان (5) فليصل حتى يشك في الزيادة.
তাহকীক: