মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)
الفتح الرباني لترتيب مسند الإمام أحمد بن حنبل الشيباني
৭. নামাযের অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ
মোট হাদীস ১৭২৪ টি
হাদীস নং: ৮৯০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ সাহু সিজদা সংক্রান্ত অনুচ্ছেদসমূহ
(১) অনুচ্ছেদ: যার সালাতে সন্দেহ হয় তার যা করণীয়
(১) অনুচ্ছেদ: যার সালাতে সন্দেহ হয় তার যা করণীয়
(৮৮৬) আব্দুল্লাহ্ ইবন্ জা'ফর (রা) থেকে বর্ণিত তিনি রাসূলুল্লাহ (সা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, যে মুসল্লির সালাতে সন্দেহের উদ্রেক হয়, সে যেন বসাবস্থায় দুইটি সিজদা সাহু করে। অপর রেওয়ায়াতে আছে, সে যেন সালামের পর দুইটি সিজদা (সাহু) করে।
(আবু দাউদ, নাসায়ী, বাইহাকী, ইবন হিব্বান, এর সনদে একজন বিতর্কিত রাবী আছেন।)
টিকা: এসব হাদীস থেকে প্রতয়ীমান হয় সালামের আগে ও পরে দুই অবস্থায়ই সাজদা সাহু জায়েয।
(আবু দাউদ, নাসায়ী, বাইহাকী, ইবন হিব্বান, এর সনদে একজন বিতর্কিত রাবী আছেন।)
টিকা: এসব হাদীস থেকে প্রতয়ীমান হয় সালামের আগে ও পরে দুই অবস্থায়ই সাজদা সাহু জায়েয।
كتاب الصلاة
أبواب سجود السهو
1 - باب ما يصنع من شك في صلاته
1 - باب ما يصنع من شك في صلاته
(890) عن عبد الله بن جعفر رضي الله عنهما عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: من شك في صلاته (1) فليسجد سجدتين وهو جالس (وفي لفظ «فليسجد سجدتين بعدما يسلم») (2).
তাহকীক:
হাদীস নং: ৮৯১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ সাহু সিজদা সংক্রান্ত অনুচ্ছেদসমূহ
(১) অনুচ্ছেদ: যার সালাতে সন্দেহ হয় তার যা করণীয়
(১) অনুচ্ছেদ: যার সালাতে সন্দেহ হয় তার যা করণীয়
(৮৮৭) আবূ হুরায়রা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সা) বলেছেন: সালাতে ও সালামে কোন কিছু হ্রাস করা যাবে না।
(আবু দাউদ, বাইহাকী, হাদীসটির সনদ উত্তম।)
যেমন রুকু, সিজদা, দু'আ, কিরা'আত ইত্যাদি যথাযথভাবে পালন করতে হবে) এবং সালামের মধ্যেও কোন প্রকার হ্রাস করা যাবে না, (যেমন সালামের জবাব দানকারী শুধু ওয়া আলাইকা বলা ইত্যাদি অর্থাৎ পূর্ণাঙ্গরূপে সালামের প্রতি উত্তর দিতে হবে।
(হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি, তবে তার সনদ উত্তম।)
(আবু দাউদ, বাইহাকী, হাদীসটির সনদ উত্তম।)
যেমন রুকু, সিজদা, দু'আ, কিরা'আত ইত্যাদি যথাযথভাবে পালন করতে হবে) এবং সালামের মধ্যেও কোন প্রকার হ্রাস করা যাবে না, (যেমন সালামের জবাব দানকারী শুধু ওয়া আলাইকা বলা ইত্যাদি অর্থাৎ পূর্ণাঙ্গরূপে সালামের প্রতি উত্তর দিতে হবে।
(হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি, তবে তার সনদ উত্তম।)
كتاب الصلاة
أبواب سجود السهو
1 - باب ما يصنع من شك في صلاته
1 - باب ما يصنع من شك في صلاته
(891) عن أبي هريرة رضي الله عنه قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: لا إغرار (3) في صلاة ولا تسليم.
তাহকীক:
হাদীস নং: ৮৯২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ সাহু সিজদা সংক্রান্ত অনুচ্ছেদসমূহ
(১) অনুচ্ছেদ: যার সালাতে সন্দেহ হয় তার যা করণীয়
(১) অনুচ্ছেদ: যার সালাতে সন্দেহ হয় তার যা করণীয়
(৮৮৮) সুফইয়ান সাওরী থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি যে, আমি আবূ আমর আশ-শায়বানীকে রাসূল (সা)-এর এই বাণী لَا إِغْرَارَ فِي الصَّلَاة সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, তখন তিনি জবাবে বলেন, তা হলো প্রকৃতপক্ষে لَا غِرَارَ فِي الصَّلَاة আর غِرَارَ শব্দের অর্থ হলো, সালাতের কিছু অংশ অবশিষ্ট থাকা। হাদীসের তাৎপর্য হল: এরূপ ধারণা নিয়ে সালাত শেষ করবে না। বরং সালাত পূর্ণ হয়েছে এরূপ বিশ্বাস ও ইয়াকীন নিয়ে সালাত শেষ করবে।
(আবু দাউদ, নাসায়ী, ইবন হিব্বান, বাইহাকী। হাদীসটির সনদ উত্তম।)
(আবু দাউদ, নাসায়ী, ইবন হিব্বান, বাইহাকী। হাদীসটির সনদ উত্তম।)
كتاب الصلاة
أبواب سجود السهو
1 - باب ما يصنع من شك في صلاته
1 - باب ما يصنع من شك في صلاته
(892) حدثنا عبد الله حدثني أبي ثنا عبد الرحمن (يعني بن مهدي) عن سفيان (يعني الثوري) قال: سمعت أبي يقول: سألت أبا عمر والشيباني عن قول رسول الله صلى الله عليه وسلم لا إغرار في الصلاة، فقال: إنما هو: لا غرار (1) في الصلاة، ومعنى غرار يقول: لا يخرج منها وهو يظن أنه قد بقي عليه منها شيء حتى يكون على اليقين والكمال.
তাহকীক:
হাদীস নং: ৮৯৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২) অনুচ্ছেদ: সালাতে মুসল্লীকে শয়তানের ধোঁকা দেয়া ও তার প্রতিকার সংক্রান্ত আগত হাদীসসমূহ
(৮৮৯) উমর ইবন আবূ বকর ইবন্ আব্দুর রহমান ইব্নুল হারিস তাঁর পিতার থেকে বর্ণনা করেন, একদা আম্মার ইবনু ইয়াসির দু'রাক'আত সালাত আদায় করলেন। (সালাত শেষে) আবদুর রহমান ইবনুল হারিস তাকে বলল: হে আবুল ইয়াকযান। আপনি সালাত দু'রাক'আতকে সংক্ষেপ করলেন। তিনি (আম্মার) বললেন: আমি কি সালাতের কোন রোকন বাদ দিয়েছি, তিনি বললেন: না (আপনি কোন রোকন বাদ দেন নি) কিন্তু আপনি দু'রাক'আত সালাতকে সংক্ষিপ্ত করেছেন। আম্মার বললেন: আমি এ দু'রাক'আত সালাতে ভুলের আশঙ্কা করছিলাম। (অর্থাৎ শয়তানের অছওয়াছার আশঙ্কা করছিলাম) আমি রাসূলুল্লাহ্ (সা)-কে বলতে শুনেছি যে, কিছু কিছু মানুষ সালাত আদায় করে অথচ সম্ভবত সে তার সালাতের এক দশমাংশ অথবা এক নবমাংশ অথবা এক অষ্টমাংশ অথবা এক সপ্তমাংশ প্রতিদান পায়। এভাবে তিনি (রাসূল সা) শেষ সংখ্যা পর্যন্ত বলে গেলেন।
(অপর এক বর্ণনা মতে) ইবন লাস আল খজায়ী থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আম্মার বিন-ইয়াসির মসজিদে প্রবেশ করে সংক্ষিপ্তভাবে দু'রাকা'আত সালাত সমাপ্ত করলেন। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর তিনি বসলেন। আমরা তাঁর নিকট এসে বসলাম এবং বললাম, হে আবুল ইয়াকযান! আপনি এ দু'রাক'আত সালাত অত্যন্ত সংক্ষেপে আদায় করলেন। তিনি বললেন, আমি এ দু'রাক'আত সালাতে শয়তানের প্ররোচনার আশঙ্কা করছিলাম। মনে করেছিলাম সে এসে তাতে আমাকে ধোকা দিবে। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর তিনি পূর্ণ হাদীসটি উল্লেখ করলেন।
(হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি। তবে তার সনদ উত্তম।)
(অপর এক বর্ণনা মতে) ইবন লাস আল খজায়ী থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আম্মার বিন-ইয়াসির মসজিদে প্রবেশ করে সংক্ষিপ্তভাবে দু'রাকা'আত সালাত সমাপ্ত করলেন। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর তিনি বসলেন। আমরা তাঁর নিকট এসে বসলাম এবং বললাম, হে আবুল ইয়াকযান! আপনি এ দু'রাক'আত সালাত অত্যন্ত সংক্ষেপে আদায় করলেন। তিনি বললেন, আমি এ দু'রাক'আত সালাতে শয়তানের প্ররোচনার আশঙ্কা করছিলাম। মনে করেছিলাম সে এসে তাতে আমাকে ধোকা দিবে। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর তিনি পূর্ণ হাদীসটি উল্লেখ করলেন।
(হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি। তবে তার সনদ উত্তম।)
كتاب الصلاة
2 - باب ما جاء في وسوسة الشيطان للمصلي وما يدفع ذلك
(893) عن عمر بن أبي بكر بن عبد الرحمن بن الحارث عن أبيه أن عمارًا (يعني بن ياسر) رضي الله عنه صلى ركعتين فقال له عبد الرحمن بن الحارث: يا أبا اليقظان (1) لا أراك إلا خففتهما، قال: هل نقصت من حدودهما شيئًا (2) قال: لا، ولكن خففتهما. قال: إني بادرت بهما السهو (3) إني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: إن الرجل ليصلي ولعله أن لا يكون له من صلاته إلا عشرها أو تسعها أو ثمنها أو سبعها حتى انتهى إلى آخر العدد. ومن طريق ثان (4) عن ابن لاس الخزاعي (5) قال: دخل عمار بن ياسر المسجد فركع فيه ركعتين أخفهما وأتمهما، قال: ثم جلس، فقمنا إليه، فجلسنا عنده ثم قلنا له: لقد خففت ركعتيك هاتين جدًا يا أبا اليقظان، فقال: إني بادرت بهما الشيطان أن يدخل علي فيهما. قال: فذكر الحديث (1).
তাহকীক:
হাদীস নং: ৮৯৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২) অনুচ্ছেদ: সালাতে মুসল্লীকে শয়তানের ধোঁকা দেয়া ও তার প্রতিকার সংক্রান্ত আগত হাদীসসমূহ
(৮৯০) আবুল আ'লা ইবনুশ শিখখির থেকে বর্ণিত যে, উসমান ইবন আবুল 'আস (রা) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল। শয়তান আমার সালাত এবং আমার কিরা'আতের মাঝে অন্তরায় সৃষ্টি করে। (তখন) রাসূল (সা) বললেন: তা হচ্ছে খানযাব নামীয় শয়তানের কারসাজি। যখন তুমি তার অনুভব করবে, তখন আল্লাহর নিকট তার থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করবে এবং তোমার বাম দিকে তিন বার থুথু নিক্ষেপ করবে।' উসমান ইবনুল 'আস বলেন, তারপর আমি সেরূপ করলাম, ফলে আল্লাহ্ তা'আলা আমাকে তা থেকে নিষ্কৃতি দান করেছেন।
টিকা: অর্থাৎ أَعُوذُ بِاللَّه বলে তিনবার বাম দিকে থুথু ফেলবে।
(হাদীসটির প্রথম বর্ণনা: বুখারী, মুসলিম ও অন্যান্য।)
(হাদীসটির দ্বিতীয় বর্ণনা: বুখারী, মুসলিম ও অন্যান্য।)
(হাদীসটির তৃতীয় বর্ণনা: নাসায়ী।)
(হাদীসটির চতুর্থ বর্ণনা। মুসলিম। আবু দাউদ, নাসায়ী।)
(হাদীসটির পঞ্চম বর্ণনা: মুসলিম।)
(হাদীসটির ষষ্ঠ বর্ণনা: আবু দাউদ, নাসায়ী। আর সকল সনদই উত্তম।)
টিকা: অর্থাৎ أَعُوذُ بِاللَّه বলে তিনবার বাম দিকে থুথু ফেলবে।
(হাদীসটির প্রথম বর্ণনা: বুখারী, মুসলিম ও অন্যান্য।)
(হাদীসটির দ্বিতীয় বর্ণনা: বুখারী, মুসলিম ও অন্যান্য।)
(হাদীসটির তৃতীয় বর্ণনা: নাসায়ী।)
(হাদীসটির চতুর্থ বর্ণনা। মুসলিম। আবু দাউদ, নাসায়ী।)
(হাদীসটির পঞ্চম বর্ণনা: মুসলিম।)
(হাদীসটির ষষ্ঠ বর্ণনা: আবু দাউদ, নাসায়ী। আর সকল সনদই উত্তম।)
كتاب الصلاة
2 - باب ما جاء في وسوسة الشيطان للمصلي وما يدفع ذلك
(894) عن أبي العلاء بن الشخير أن عثمان (بن أبي العاص) رضي الله عنه قال: يا رسول الله حال الشيطان بيني وبين صلاتي وبين قراءتي (2). قال: ذاك شيطان يقال له خنزب (3)، فإذا أنت حسسته (4) فتعوذ بالله منه واتفل عن يسارك ثلاثًا، قال: ففعلت ذاك فأذهب الله عز وجل عني
তাহকীক:
হাদীস নং: ৮৯৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৩) অনুচ্ছেদ: যে ব্যক্তি দু' রাক'আতে সালাম ফিরায় (তার করণীয়) এবং এতে যুলইয়াদাইনের ঘটনার বিবরণ আছে
(৮৯১) মুহাম্মদ (ইবন সিরীন থেকে বর্ণিত, তিনি আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা) একবার বিকালের দুই সালাতের একটি আদায় করলেন (পরবর্তী) বর্ণনাকারী বলেন, আবূ হুরায়রা তা উল্লেখ করেছিলেন, আর মুহাম্মদ ইবন্ সিরীন ভুলে গিয়েছেন। তখন তিনি দুই রাক'আত সালাত শেষে সালাম ফিরালেন। তারপর মসজিদে আড়াআড়িভাবে রক্ষিত একটা কাঠ খণ্ডের নিকট আসলেন। (অন্য বর্ণনায় আছে, তিনি কিবলার দিকে অবস্থিত একটি খর্জ্জুর খুঁটির নিকটে আসলেন। তিনি প্রায় তার উপর ঠেস দিয়ে দাঁড়াতেন। অতঃপর তার উপর তাঁর পিঠ ঠেকিয়ে দাঁড়ালেন, অতঃপর তার উপর হাত রাখলেন এমনভাবে যে, তিনি যেন ক্রদ্ধ ও রাগান্বিত। আর তাড়াহুড়াকারীরা মসজিদের দরজা দিয়ে দ্রুত বের হয়ে গেল। আর তারা বলতে থাকল যে, সালাত সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে। রাবী বলেন, মুসল্লীদের মধ্যে আবু বকর ও উমর (রা) ও ছিলেন। কিন্তু তাঁরা মহানবীর সঙ্গে কথা বলতে ভয় পাচ্ছিলেন। তাদের মধ্যে এক ব্যক্তি ছিল যার হাত লম্বা ছিল, একারণেই তাকে যুলইয়াদাইন নামে ডাকা হত। তিনি বললেন হে আল্লাহর রাসূল! আপনি কি ভুল করেছেন? না কি সালাত হ্রাস করা হল? তিনি বললেন আমি ভুলি নি, সালাত ও হ্রাস করা হয় নি। (অন্য বর্ণনায় مَا قُصِرَتِ وَمَا نَسِیت বলা হয়েছে যার অর্থ একই।) যুলইয়াদাইন বললেন, আপনি মাত্র দু'রাক'আত সালাত আদায় করেছেন। তিনি সকলকে লক্ষ্য করে বললেন, যুলইয়াদাইন যা বলছে তা কি সত্য? সকলে বললেন, হ্যাঁ। অতঃপর ফিরে এসে অবশিষ্ট সালাত আদায় করে সালাম ফিরালেন। তারপর তাকবীর দিলেন এবং পূর্বানুরূপ বা এর চেয়ে দীর্ঘ সিজদা করলেন। এরপর মাথা তুললেন এবং তাকবীর দিলেন। তারপর পূর্বানুরূপ বা তার চেয়ে দীর্ঘ সিজদা করলেন। তারপর মাথা তুললেন ও তাকবীর দিলেন। তিনি বলেন, মুহাম্মদ ইবন সীরিন (রা)-কে প্রশ্ন করা হলো, তারপর কি সালাম ফিরালেন? তিনি বললেন, আমাকে জানানো হয়েছে যে, ইমরান ইবন হুসাইন বলেছেন, অতঃপর সালাম ফিরালেন।
(দ্বিতীয় বর্ণনায় আছে আমাদেরকে) আবদুল্লাহ বলেছেন, আমাকে আমার বাবা বলেছেন, তাদেরকে সুফইয়ান বলেছিলেন যে, আইয়ুব মুহাম্মদ ইবন সিরীন থেকে শুনেছেন, (তিনি বলেন) আমি আবূ হুরায়রা (রা)-কে বলতে শুনেছি যে, রাসুলুল্লাহ্ (সা) বিকালের দুই সালাতের একটি আদায় করলেন। হয়ত যোহরের সালাত, তবে আমার অধিক ধারণা যে, সেটা আসরের সালাত ছিল। অতঃপর পূর্বে বর্ণিত হাদীসটি উল্লেখ করেন।
(তৃতীয় সূত্রে) আবু হুরায়রা থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা) যোহর অথবা আসরের সালাত আদায় করলেন তখন দু'রাক'আতেই সালাম ফিরালেন। তখন জুশশিমালাইন ইবন্ আবদ আমর যিনি বনী যুহরার সাথে মৈত্রীবদ্ধ ছিলেন, তিনি জিজ্ঞাসা করলেন। সালাত কি লাঘব করা হয়েছে? না ভুলে গিয়েছেন? তখন নবী করীম (সা) বললেন: জুলইয়াদাইন কি বলছে? তাঁরা (সাহাবীগণ) বললেন: হে আল্লাহর নবী। সে সত্য বলছে। অতঃপর তাঁদের নিয়ে ছুটে যাওয়া দুই রাক'আত সালাত আদায় করলেন।
(তাঁর থেকে চতুর্থ এক বর্ণনায় আছে) রাসুলুল্লাহ (সা) যোহরের দুই রাক'আত সালাত আদায় করেই সালাম ফিরালেন। তাঁরা (সাহাবাগণ) জিজ্ঞাসা করলেন। সালাত কি সংক্ষেপ করা হয়েছে? রাবী বলেন, তখন রাসূল (সা) খাড়িয়ে (বাকি) দুই রাক'আত সালাত আদায় করলেন এবং সালামের পরে দু'টি সিজদা (সাহু) দিলেন।
(তাঁর থেকে পঞ্চম সূত্রে বর্ণিত আছে) তিনি বলেন, যখন আমি রাসূলুল্লাহ (সা)-এর সাথে যোহরের সালাত আদায় করছিলাম। তখন রাসূল (সা) দু' রাক'আতেই সালাম ফিরালেন। অতঃপর বনী সুলাইম গোত্রের এক লোক দাঁড়ালো এবং বলল, হে আল্লাহর রাসূল। সালাত কি সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে না ভুলে গিয়েছেন। তখন রাসূল (সা) বললেন: সংক্ষিপ্ত করা হয় নি এবং ভুলেও যায় নি। (লোকটি) বলল, হে আল্লাহর রাসূল। বস্তুত আপনি দুই রাকা'আত সালাত আদায় করেছেন। তখন নবী করীম (সা) বললেন:যুলইয়াদাইন যা বলছে তা কি সত্য? তাঁরা বললেন, হ্যাঁ। রাবী বলেন, তখন রাসূল (সা) তাঁদেরকে নিয়ে পরের দুই রাক'আত সালাত আদায় করলেন।
ইয়াহইয়া বলেন, আমাকে দমদম ইবন্ জাওস বর্ণনা করেছেন। তিনি আবু হুরায়রা (রা)-কে বলতে শুনেছেন যে, (তারপর) রাসূল (সা) দুইটি সিজদা (সাহু) করলেন।
(তাঁর থেকে যষ্ঠ সূত্রে বর্ণিত।) যে, তিনি বলেন, রাসূল (সা) আমাদেরকে নিয়ে আসরের সালাত আদায় করলেন। তখন দু'রাক'আতেই সালাম ফিরালেন। তখন যুলইয়াদাইন দাঁড়িয়ে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল। সালাত কি সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে, নাকি আপনি ভুলে গিয়েছেন। রাসূলুল্লাহ (সা) বললেন, এসব কিছুই হয় নি। তখন সে বলল, হে আল্লাহর রাসূল। (হ্যাঁ) এরূপ হয়েছে। তখন রাসূল (সা) সকলের দিকে ফিরলেন এবং বললেন: যুলইয়াদাইন কি সত্য বলছে? তাঁরা বললেন, হ্যাঁ। অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সা) সালাতের অবশিষ্ট অংশ পূর্ণ করলেন এবং বসাবস্থায় দু'টি সাজদা (সাহু) করলেন।
(তবারানী, মু'জামুল কাবীর এবং মু'জামুল আওসাতে, বাযযার হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।
হাইছামী বলেন, আহমদের রাবীগণ নির্ভরযোগ্য।)
(দ্বিতীয় বর্ণনায় আছে আমাদেরকে) আবদুল্লাহ বলেছেন, আমাকে আমার বাবা বলেছেন, তাদেরকে সুফইয়ান বলেছিলেন যে, আইয়ুব মুহাম্মদ ইবন সিরীন থেকে শুনেছেন, (তিনি বলেন) আমি আবূ হুরায়রা (রা)-কে বলতে শুনেছি যে, রাসুলুল্লাহ্ (সা) বিকালের দুই সালাতের একটি আদায় করলেন। হয়ত যোহরের সালাত, তবে আমার অধিক ধারণা যে, সেটা আসরের সালাত ছিল। অতঃপর পূর্বে বর্ণিত হাদীসটি উল্লেখ করেন।
(তৃতীয় সূত্রে) আবু হুরায়রা থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা) যোহর অথবা আসরের সালাত আদায় করলেন তখন দু'রাক'আতেই সালাম ফিরালেন। তখন জুশশিমালাইন ইবন্ আবদ আমর যিনি বনী যুহরার সাথে মৈত্রীবদ্ধ ছিলেন, তিনি জিজ্ঞাসা করলেন। সালাত কি লাঘব করা হয়েছে? না ভুলে গিয়েছেন? তখন নবী করীম (সা) বললেন: জুলইয়াদাইন কি বলছে? তাঁরা (সাহাবীগণ) বললেন: হে আল্লাহর নবী। সে সত্য বলছে। অতঃপর তাঁদের নিয়ে ছুটে যাওয়া দুই রাক'আত সালাত আদায় করলেন।
(তাঁর থেকে চতুর্থ এক বর্ণনায় আছে) রাসুলুল্লাহ (সা) যোহরের দুই রাক'আত সালাত আদায় করেই সালাম ফিরালেন। তাঁরা (সাহাবাগণ) জিজ্ঞাসা করলেন। সালাত কি সংক্ষেপ করা হয়েছে? রাবী বলেন, তখন রাসূল (সা) খাড়িয়ে (বাকি) দুই রাক'আত সালাত আদায় করলেন এবং সালামের পরে দু'টি সিজদা (সাহু) দিলেন।
(তাঁর থেকে পঞ্চম সূত্রে বর্ণিত আছে) তিনি বলেন, যখন আমি রাসূলুল্লাহ (সা)-এর সাথে যোহরের সালাত আদায় করছিলাম। তখন রাসূল (সা) দু' রাক'আতেই সালাম ফিরালেন। অতঃপর বনী সুলাইম গোত্রের এক লোক দাঁড়ালো এবং বলল, হে আল্লাহর রাসূল। সালাত কি সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে না ভুলে গিয়েছেন। তখন রাসূল (সা) বললেন: সংক্ষিপ্ত করা হয় নি এবং ভুলেও যায় নি। (লোকটি) বলল, হে আল্লাহর রাসূল। বস্তুত আপনি দুই রাকা'আত সালাত আদায় করেছেন। তখন নবী করীম (সা) বললেন:যুলইয়াদাইন যা বলছে তা কি সত্য? তাঁরা বললেন, হ্যাঁ। রাবী বলেন, তখন রাসূল (সা) তাঁদেরকে নিয়ে পরের দুই রাক'আত সালাত আদায় করলেন।
ইয়াহইয়া বলেন, আমাকে দমদম ইবন্ জাওস বর্ণনা করেছেন। তিনি আবু হুরায়রা (রা)-কে বলতে শুনেছেন যে, (তারপর) রাসূল (সা) দুইটি সিজদা (সাহু) করলেন।
(তাঁর থেকে যষ্ঠ সূত্রে বর্ণিত।) যে, তিনি বলেন, রাসূল (সা) আমাদেরকে নিয়ে আসরের সালাত আদায় করলেন। তখন দু'রাক'আতেই সালাম ফিরালেন। তখন যুলইয়াদাইন দাঁড়িয়ে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল। সালাত কি সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে, নাকি আপনি ভুলে গিয়েছেন। রাসূলুল্লাহ (সা) বললেন, এসব কিছুই হয় নি। তখন সে বলল, হে আল্লাহর রাসূল। (হ্যাঁ) এরূপ হয়েছে। তখন রাসূল (সা) সকলের দিকে ফিরলেন এবং বললেন: যুলইয়াদাইন কি সত্য বলছে? তাঁরা বললেন, হ্যাঁ। অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সা) সালাতের অবশিষ্ট অংশ পূর্ণ করলেন এবং বসাবস্থায় দু'টি সাজদা (সাহু) করলেন।
(তবারানী, মু'জামুল কাবীর এবং মু'জামুল আওসাতে, বাযযার হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।
হাইছামী বলেন, আহমদের রাবীগণ নির্ভরযোগ্য।)
كتاب الصلاة
3 - باب من سلم من ركعتين وفيه ذكر قصة ذي اليدين
(895) حدثنا عبد الله حدثني أبي ثنا محمد بن أبي عدي عن ابن عون عن محمد (يعني ابن سيرين) عن أبي هريرة رضي الله عنه قال: صلى رسول الله (1) صلى الله عليه وسلم إحدى صلاتي العشي (1) قال: ذكرها أبو هريرة ونسيها محمد، فصلى ركعتين ثم سلم، وأتى خشبة معروضة في المسجد (وفي رواية «ثم أتى جذعًا في القبلة (2) كان يسند إليه ظهره فأسند إليه ظهره» فقال بيده (3) عليها كأنه غضبان وخرجت السرعان (1) من أبواب المسجد قالوا: قصرت الصلاة؟ قال: وفي القوم أبو بكر وعمر (رضي الله عنهما) فهاباه (2) أن يكلماه، وفي القوم رجل في يديه طول يسمى ذا اليدين (3) فقال: يا رسول الله أنسيت أم قصرت الصلاة؟ فقال: لم انس ولم تقصر الصلاة (4) (وفي رواية «ما قصرت وما نسيت؟ قال: فإنك لم تصل إلا ركعتين. قال: كما يقول ذو اليدين؟ (1) قالوا: نعم. فجاء فصلى الذي ترك ثم سلم ثم كبر (2) فسجد مثل سجوده أو أطول، ثم رفع رأسه وكبر وسجد مثل سجوده أو أطول، ثم رفع رأسه وكبر، قال: فكان محمد (3) يسئل: ثم سلم؟ فيقول: نبئت أن عمران بن حصين قال: ثم سلم. ومن طريق ثان حدثنا عبد الله حدثني أبي ثنا سفيان سمع أيوب عن محمد بن سيرين يقول: سمعت أبا هريرة رضي الله عنه يقول: صلى صلى الله عليه وسلم إحدى صلاتي العشي إما الظهر وأكثر ظني أنها العصر فذكر نحو ما تقدم (4). ومن طريق ثالث (5) عن أبي هريرة رضي الله عنه قال: صلى رسول الله صلى الله عليه وسلم الظهر أو العصر فسلم في ركعتين فقال له ذو الشمالين (6) بن عبد عمرو وكان حليفًا لبني زهرة: أخففت الصلاة أم نسيت؟ فقال النبي صلى الله عليه وسلم: ما يقول ذو اليدين؟ قالوا: صدق يا نبي الله. فأتم بهم الركعتين اللتين نقص. وعنه من طريق رابع (1) أن رسول الله صلى الله عليه وسلم صلى الظهر ركعتين ثم سلم، قالوا: أقصرت الصلاة؟ قال: فقام فصلى ركعتين ثم سجد سجدتين بعدما سلم. وعنه من طريق خامس (2) قال: بينما أنا أصلي مع رسول الله صلى الله عليه وسلم صلاة الظهر سلم رسول الله صلى الله عليه وسلم من ركعتين، فقام رجل من بني سليم فقال: يا رسول الله أقصرت الصلاة أم نسيت؟ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: لم تقصر ولم أنسه. قال: يا رسول الله إنما صليت ركعتين. فقال النبي صلى الله عليه وسلم: أحق ما يقول ذو اليدين؟ قالوا: نعم. قال: فقام فصلى بهم ركعتين آخرتين قال يحيى (3) حدثني ضمضم بن جوس أنه سمع أبا هريرة يقول: ثم سجد رسول الله صلى الله عليه وسلم سجدتين. وعنه من طريق سادس (1) ز. قال: صلى بنا رسول الله صلى الله عليه وسلم صلاة العصر فسلم من ركعتين فقام ذو اليدين فقال: أقصرت الصلاة يا رسول الله أم نسيت؟ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: كل ذلك لم يكن. فقال: قد كان ذلك يا رسول الله. فأقبل رسول الله صلى الله عليه وسلم على الناس فقال: أصدق ذو اليدين؟ فقالوا: نعم. فأتم رسول الله صلى الله عليه وسلم ما بقي من صلاته ثم سجد سجدتين وهو جالس.
তাহকীক:
হাদীস নং: ৮৯৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৩) অনুচ্ছেদ: যে ব্যক্তি দু' রাক'আতে সালাম ফিরায় (তার করণীয়) এবং এতে যুলইয়াদাইনের ঘটনার বিবরণ আছে
(৮৯২) 'আতা (রা) থেকে বর্ণিত যে, ইবন যুবাইর মাগরিবের সালাত আদায় করলেন এবং দু'রাক'আতেই সালাম ফিরালেন তারপর ইস্তিলামে হাজর বা পাথর স্পর্শ করার জন্য উঠে দাঁড়ালেন। তখন লোকজন (মুসল্লীগণ) তাসবীহ পাঠ করলেন। তিনি বললেন, তোমাদের কি হয়েছে? (অর্থাৎ তোমাদের তাসবীহ পড়ার কারণ কি? তারা বললেন, আপনি দু'রাক'আতেই সালাম ফিরিয়েছেন।) রাবী বলেন: তখন তিনি সালাতের বাকি অংশ আদায় করে দু'টি সিজদা (সাহু) দিলেন। রাবী বলেন: আব্দুল্লাহ্ ইবন আব্বাসের নিকট এ ঘটনা উল্লেখ করা হলে তিনি বললেন যে, সে নবী করীম (সা)-এর সুন্নাত থেকে দূরে সরে যায় নাই।
(মুসলিম, আবু দাউদ, নাসায়ী, ইবন মাজাহ, বাইহাকী।)
(মুসলিম, আবু দাউদ, নাসায়ী, ইবন মাজাহ, বাইহাকী।)
كتاب الصلاة
3 - باب من سلم من ركعتين وفيه ذكر قصة ذي اليدين
(896) عن عطاء أن ابن الزبير صلى المغرب فسلم في ركعتين ونهض ليستلم الحجر فسبح القوم، فقال: ما شأنكم؟ قال: فصلى ما بقي وسجد سجدتين قال: فذكر ذلك لابن عباس فقال: ما أماط (1) عن سنة نبيه صلى الله عليه وسلم
তাহকীক:
হাদীস নং: ৮৯৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৪) নং অনুচ্ছেদঃ সালাতের এক রাক'আত বাকি থাকতে যে সালাম ফিরাল তার কি করণীয়?
(৮৯৩) ইমরান ইবন হুসাইন (রা) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ (সা) আসরের সালাতে তিন রাক'আতে সালাম ফিরালেন। অতঃপর দাঁড়ালেন এবং তাঁর কামরায় প্রবেশ করলেন। তখন তাঁর নিকট এক ব্যক্তি গেলেন যাকে খিরবাক বলা হয় এবং যার হাত লম্বা ছিল। সে ডাক দিল হে আল্লাহর রাসূল! তখন রাসূল (সা) তাঁর নিকট বের হয়ে আসলেন। অতঃপর তাঁর নিকট তাঁর আগমনের (উদ্দেশ্য) উল্লেখ করল, তখন তিনি (রাসূল) সকলের সামনে আসলেন এবং (তাঁদেরকে) জিজ্ঞাসা করলেন সে যা বলছে তা কি সত্য? সকলেই বললেন, হ্যাঁ। তখন রাসূল ছেড়ে দেয়া রাক'আতটি আদায় করে সালাম ফিরালেন। তারপর দুইটি সিজদা (সাহু) করে সালাম ফিরালেন।
(আবু দাউদ, নাসায়ী, হাকিম। হাদীসটির সনদ উত্তম।)
(আবু দাউদ, নাসায়ী, হাকিম। হাদীসটির সনদ উত্তম।)
كتاب الصلاة
4 - باب ما يفعل من سلم وقد بقي من الصلاة ركعة
(897) عن عمران بن حصين رضي الله عنه أن النبي صلى الله عليه وآله وسلم سلَّم في ثلاث ركعات من العصر ثم قام فدخل (1) فقام إليه رجل يقال له الخرباق (2) وكان في يده طول، فقال: يا رسول الله، فخرج إليه، فذكر له صنيعه، فجاء فقال: اصدق هذا؟ قالوا: نعم، فصلى الركعة التي ترك ثم سلم ثم سجد سجدتين ثم سلم.
তাহকীক:
হাদীস নং: ৮৯৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৪) নং অনুচ্ছেদঃ সালাতের এক রাক'আত বাকি থাকতে যে সালাম ফিরাল তার কি করণীয়?
(৮৯৪) মু'আবিয়া ইবন খুদাইজ (রা) থেকে বর্ণিত যে, একদিন রাসূল (সা) সালাত আদায় করেন এবং এক রাক'আত থাকতেই ফিরে আসেন। তখন এক বাক্তি তাঁকে গিয়ে ধরল এবং বলল: সালাতে আপনি এক রাক'আত ভুল করেছেন। অনন্তর তিনি ফিরে এলেন এবং মসজিদে প্রবেশ করলেন। বিলালকে ইকামতের নির্দেশ দিলেন। বিলাল সালাতের ইকামত দিলেন। অনন্তর রাসূল (সা) লোকদের নিয়ে এক রাক'আত আদায় করলেন।
বর্ণনাকারী বলেন: লোকজনকে এই বিষয়টি আমি অবহিত করলাম। তারা বলল। ঐ ব্যক্তিটিকে তুমি চিন কি? আমি বললাম: না। আমি যদি তাকে দেখি তবে চিনতে পারব। অনন্তর ঐ লোকটি আমার পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। আমি বললামঃ ইনিই তিনি, লোকেরা বলল ইনি তো তালহা ইবন উবায়দুল্লাহ।
(বুখারী, মুসলিম ও অন্যান্য।)
বর্ণনাকারী বলেন: লোকজনকে এই বিষয়টি আমি অবহিত করলাম। তারা বলল। ঐ ব্যক্তিটিকে তুমি চিন কি? আমি বললাম: না। আমি যদি তাকে দেখি তবে চিনতে পারব। অনন্তর ঐ লোকটি আমার পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। আমি বললামঃ ইনিই তিনি, লোকেরা বলল ইনি তো তালহা ইবন উবায়দুল্লাহ।
(বুখারী, মুসলিম ও অন্যান্য।)
كتاب الصلاة
4 - باب ما يفعل من سلم وقد بقي من الصلاة ركعة
(898) عن معاوية بن حديج (1) رضي الله عنه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم صلى يومًا وانصرف وقد بقي من الصلاة ركعة فأدركه رجل فقال: نسيت من الصلاة ركعة، فرجع فدخل المسجد وأمر بلالاً فأقام الصلاة (2) فصلى بالناس ركعة، فأخبرت بذلك الناس فقالوا لي: أتعرف الرجل؟ (3) قلت: لا، إلا أن أراه، فمر بي فقلت: هو ذا. فقالوا: طلحة بن عبيد الله (4) رضي الله عنه
তাহকীক:
হাদীস নং: ৮৯৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৫) নং অনুচ্ছেদঃ যে ব্যক্তি প্রথম বৈঠকের কথা ভুলে গিয়ে পূর্ণভাবে দাঁড়িয়ে যায় সে তখন ফিরে আসবে না
(৮৯৫) আবদুর রহমান ইবন আ'রাজ থেকে বর্ণিত যে, তাঁকে ইবন বুহাইনাহ জানিয়েছেন যে, একবার রাসূলুল্লাহ (স) যোহরের সালাতে দুই রাক'আতে বসতে ভুলে গিয়ে দাঁড়িয়ে গেলেন। অতঃপর যখন প্রায় সালাত শেষে সালাম ফিরানো পর্যায়ে উপনীত হলেন, তখন দু'টি সিজদা (সাহু) করলেন। অতঃপর সালামের মাধ্যমে সালাত শেষ করলেন। অন্য বর্ণনায় আছে, যখন রাসূল (সা) শেষ দুই রাক'আতও আদায় করলেন তখন মানুষ তাঁর সালাম ফিরানোর অপেক্ষা করছিল। তখন তিনি তাকবীর বলে সিজদা করলেন তারপর আবার তাকবীর বলে সিজদা করলেন। অতঃপর সালাম ফিরালেন।
ইবন বুহাইনা থেকে অন্য সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূল (সা) আমাদেরকে নিয়ে কোন এক সালাত আদায় করলেন। আমার মনে হয় তা আসরের সালাত ছিল। দ্বিতীয় রাক'আতে না বসে দাঁড়িয়ে গেলেন। যখন সালাত শেষ করার পূর্ব সময় হল তখন দুইটি সিজদা আদায় করলেন। অন্য এক রেওয়ায়াতে অতিরিক্ত বলা হয়েছে যে, বসতে ভুলে গেলেন, একথার স্থলে সকল মানুষও তাঁর সাথে সিজদা দু'টি করলেন।
(আবু দাউদ, তিরমিযী, বাইহাকী, তাহাবী।)
ইবন বুহাইনা থেকে অন্য সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূল (সা) আমাদেরকে নিয়ে কোন এক সালাত আদায় করলেন। আমার মনে হয় তা আসরের সালাত ছিল। দ্বিতীয় রাক'আতে না বসে দাঁড়িয়ে গেলেন। যখন সালাত শেষ করার পূর্ব সময় হল তখন দুইটি সিজদা আদায় করলেন। অন্য এক রেওয়ায়াতে অতিরিক্ত বলা হয়েছে যে, বসতে ভুলে গেলেন, একথার স্থলে সকল মানুষও তাঁর সাথে সিজদা দু'টি করলেন।
(আবু দাউদ, তিরমিযী, বাইহাকী, তাহাবী।)
كتاب الصلاة
5 - باب من نسي الجلوس الأول حتى انتصب قائمًا لم يرجع
(899) عن عبد الرحمن بن الأعرج أن ابن بحينة (1) أخبره أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قام في الثنتين من الظهر نسي الجلوس حتى إذا فرغ من صلاته إلى أن يسلم سجد سجدتين ثم ختم بالتسليم. (وفي رواية «فلما صلى الأخريين انتظر الناس تسليمه فكبر فسجد ثم كبر فسجد ثم سلم»). وعنه من طريق ثان (2) عن ابن بحينة أيضًا: صلى بنا رسول الله صلى الله عليه وسلم صلاة نظن أنها العصر فقام في الثانية لم يجلس، فلما كان قبل أن يسلم سجد سجدتين. (زاد في رواية «وسجدهما الناس معه مكان ما نسي من الجلوس») (1).
তাহকীক:
হাদীস নং: ৯০০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৫) নং অনুচ্ছেদঃ যে ব্যক্তি প্রথম বৈঠকের কথা ভুলে গিয়ে পূর্ণভাবে দাঁড়িয়ে যায় সে তখন ফিরে আসবে না
(৮৯৬) উসমানের আযাদকৃত গোলাম মুহাম্মদ ইবন ইউসুফ তাঁর পিতা ইউসুফ থেকে বর্ণনা করেন যে, মু'আবিয়া ইবন আবূ সুফইয়ান (রা) একদিন তাঁদের সামনে (বা তাঁদের ইমাম হিসেবে) সালাত আদায় করলেন। তিনি সালাতে না বসে দাঁড়িয়ে গেলেন। মুসল্লীরা সুবহানাল্লাহ্ বললেন। কিন্তু তিনি দাঁড়ানো অবস্থায়ই থাকলেন। অতঃপর সালাত শেষ করারপর বসা অবস্থায় দুইটি সিজদা করলেন। তারপর মিম্বারের উপর বসে বললেন: আমি রাসূল (সা)-কে বলতে শুনেছি যে, মুসল্লী যদি তার সালাতের কোন কিছু ভুলে যায়, সে যেন এ দু'টি সিজদার ন্যায় (দু'টি) সিজদা করে নেয়।
(আবু দাউদ, ইবন মাজাহ, দারাকুতনী, বাইহাকী।)
(আবু দাউদ, ইবন মাজাহ, দারাকুতনী, বাইহাকী।)
كتاب الصلاة
5 - باب من نسي الجلوس الأول حتى انتصب قائمًا لم يرجع
(900) عن محمد بن يوسف مولى عثمان عن أبيه يوسف عن معاوية بن أبي سفيان رضي الله عنهما أنه صلى إمامهم فقام في الصلاة وعليه جلوس فسبح الناس فتم علي قيامه، ثم سجد سجدتين وهو جالس بعد أن أتم الصلاة، ثم قعد على المنبر فقال: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: من نسي من صلاته شيئًا (2) فليسجد مثل هاتين السجدتين.
তাহকীক:
হাদীস নং: ৯০১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৫) নং অনুচ্ছেদঃ যে ব্যক্তি প্রথম বৈঠকের কথা ভুলে গিয়ে পূর্ণভাবে দাঁড়িয়ে যায় সে তখন ফিরে আসবে না
(৮৯৭) যিয়াদ ইবন ইলাকা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, মুগীরা ইবন্ শু'বা আমাদেরকে নিয়ে সালাত আদায় করলেন। যখন দু'রাক'আত পড়লেন, তখন না বসে দাঁড়িয়ে গেলেন। তখন তাঁর পিছনে যে ছিল সে সুবহানাল্লাহ বলল। তখন তিনি তাদের (মুসল্লীদের)-কে দাঁড়ানোর জন্য ইঙ্গিত করলেন। তারপর সালাত শেষ করে সালাম ফিরালেন তারপর দুইটি সিজদা (সাহু) করলেন ও পুনরায় সালাম ফিরালেন এবং বললেন, রাসূল্লাহ (সা)-ও এরূপ করেছিলেন।
(বুখারী, মুসলিম ও অন্যান্য।)
(বুখারী, মুসলিম ও অন্যান্য।)
كتاب الصلاة
5 - باب من نسي الجلوس الأول حتى انتصب قائمًا لم يرجع
(901) عن زياد بن علاقة قال: صلى بنا المغيرة بن شعبة فلما صلى ركعتين قام ولم يجلس فسبح به من خلفه (3) فأشار إليهم أن قوموا، فلما فرغ من صلاته سلم ثم سجد سجدتين وسلم، ثم قال: هكذا صنع رسول الله صلى الله عليه وآله وسلم.
তাহকীক:
হাদীস নং: ৯০২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৫) নং অনুচ্ছেদঃ যে ব্যক্তি প্রথম বৈঠকের কথা ভুলে গিয়ে পূর্ণভাবে দাঁড়িয়ে যায় সে তখন ফিরে আসবে না
(৮৯৮) মুগীরা ইবন শু'বা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূল (সা) যোহর অথবা আসরের সালাতে আমাদের ইমামতি করলেন। অতঃপর (দু'রাক'আতে না বসে) দাঁড়িয়ে যাওয়াতে আমরা বললাম "সুবহানাল্লাহ"। তখন তিনিও সুবহানাল্লাহ বললেন এবং তাঁর হাতের ইঙ্গিতে আমাদেরকে দাঁড়াতে বললেন, আমরা দাঁড়িয়ে গেলাম। যখন তিনি সালাত পূর্ণ করলেন। তখন দু'টি সিজদা করলেন। অতঃপর তিনি (রাসূল সা) বললেন, পুরোপুরি দাঁড়ানোর পূর্বে যখন তোমাদের কারো স্মরণ হবে, তখন সে যেন বসে যায়। আর যখন পুরোপুরি দাঁড়িয়ে যায় তখন যেন না বসে।
(আবু দাউদ, ইবন মাজাহ, তবারানী, বাইহাকী, ও আবদুর রাযযাক।)
(আবু দাউদ, ইবন মাজাহ, তবারানী, বাইহাকী, ও আবদুর রাযযাক।)
كتاب الصلاة
5 - باب من نسي الجلوس الأول حتى انتصب قائمًا لم يرجع
(902) عن المغيرة بن شعبة رضي الله عنه قال: أمنا رسول الله صلى الله عليه وسلم في الظهر أو العصر فقام فقلنا: سبحان الله. فقال: سبحان الله. وأشار بيده، يعني قوموا، فقمنا فلما فرغ من صلاته سجد سجدتين، ثم قال: إذا ذكر أحدكم قبل أن يستتم قائمًا فليجلس (1) وإذا استتم قائمًا فلا يجلس.
তাহকীক:
হাদীস নং: ৯০৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৬) অনুচ্ছেদ: যে চার রাক'আতের সালাত পাঁচ রাক'আত আদায় করল, তার কি করণীয়?
(৮৯৯) আবদুল্লাহ ইবন মাসউদ থেকে বর্ণিত যে, রাসুল (সা) যোহরের সালাত পাঁচ রাক'আত আদায় করলেন। তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হল, সালাত কি বৃদ্ধি করা হয়েছে? তাঁকে বলা হলো, আপনি পাঁচ রাকাআত সালাত আদায় করেছেন। তখন তিনি দু'টি সিজদা করলেন।
তাঁর থেকে অন্য সূত্রে বর্ণিত। নবী করীম (সা) তাঁদের নিয়ে পাঁচ রাক'আত সালাত আদায় করলেন তারপর সালাত শেষ করলেন। অতঃপর কিছু লোক পরস্পরের মধ্যে কানাঘুষা করতে লাগলেন এবং তাঁরা রাসুল (সা)-কে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল। আপনি তো সালাত পাঁচ রাক'আত আদায় করেছেন। তখন তিনি ফিরে আসলেন অতঃপর তাদেরকে নিয়ে দুইটি সিজদা করলেন এবং সালাম ফিরালেন তারপর বললেন: আমি একজন মানুষ। তোমরা যেমন ভুল কর আমিও ভুল করি।
তৃতীয় এক সূত্রে আলকামা থেকে বর্ণিত, তিনি আবদুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী করীম (সা) সালাম ফিরানোর পূর্বে সিজদা দু'টি করলেন। আর একবার বলেন: নবী করীম (সা) সালাম ফিরানোর পরে দুই সিজদা সাহু করেছেন।
চতুর্থ এক সূত্রে আল আসওয়াদ থেকে বর্ণিত, তিনি আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী করীম (সা) যোহর অথবা আসর-এর সালাত পাঁচ রাক'আত আদায় করেন। অতঃপর সিজদা সাহুর দু'টি সিজদা করেন। তারপর রাসূল (সা) বললেন, সিজদা দুইটি তার জন্য, যে তোমাদের মধ্যে ধারণা করে যে, সে সালাতে কম বা বেশী করেছে।
পঞ্চম এক সূত্রে আলকামা আবদুল্লাহ থেকে রেওয়ায়াত করেন যে, রাসূল (সা) একদা সালাতে ভুল করেন, অতঃপর কথাবার্তা বলার পর তাদের নিয়ে দুইটি সিজদা করেন।
(তিরমিযী, বুখারী, মুসলিম ইত্যাদি মুহাদ্দিসগণ এ জাতীয় হাদীস বর্ণনা করেছেন।)
তাঁর থেকে অন্য সূত্রে বর্ণিত। নবী করীম (সা) তাঁদের নিয়ে পাঁচ রাক'আত সালাত আদায় করলেন তারপর সালাত শেষ করলেন। অতঃপর কিছু লোক পরস্পরের মধ্যে কানাঘুষা করতে লাগলেন এবং তাঁরা রাসুল (সা)-কে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল। আপনি তো সালাত পাঁচ রাক'আত আদায় করেছেন। তখন তিনি ফিরে আসলেন অতঃপর তাদেরকে নিয়ে দুইটি সিজদা করলেন এবং সালাম ফিরালেন তারপর বললেন: আমি একজন মানুষ। তোমরা যেমন ভুল কর আমিও ভুল করি।
তৃতীয় এক সূত্রে আলকামা থেকে বর্ণিত, তিনি আবদুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী করীম (সা) সালাম ফিরানোর পূর্বে সিজদা দু'টি করলেন। আর একবার বলেন: নবী করীম (সা) সালাম ফিরানোর পরে দুই সিজদা সাহু করেছেন।
চতুর্থ এক সূত্রে আল আসওয়াদ থেকে বর্ণিত, তিনি আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী করীম (সা) যোহর অথবা আসর-এর সালাত পাঁচ রাক'আত আদায় করেন। অতঃপর সিজদা সাহুর দু'টি সিজদা করেন। তারপর রাসূল (সা) বললেন, সিজদা দুইটি তার জন্য, যে তোমাদের মধ্যে ধারণা করে যে, সে সালাতে কম বা বেশী করেছে।
পঞ্চম এক সূত্রে আলকামা আবদুল্লাহ থেকে রেওয়ায়াত করেন যে, রাসূল (সা) একদা সালাতে ভুল করেন, অতঃপর কথাবার্তা বলার পর তাদের নিয়ে দুইটি সিজদা করেন।
(তিরমিযী, বুখারী, মুসলিম ইত্যাদি মুহাদ্দিসগণ এ জাতীয় হাদীস বর্ণনা করেছেন।)
كتاب الصلاة
6 - باب ما يفعل من صلى الرباعية خمسًا
(903) عن عبد الله (بن مسعود رضي الله عنه) أن النبي صلى الله عليه وسلم صلى الظهر خمسًا فقيل: زيد في الصلاة؟ قيل: صليت خمسًا. فسجد سجدتين (1). وعنه من طريق ثان (2): أن النبي صلى الله عليه وآله وسلم صلى بهم خمسًا ثم انفتل (1) فجعل بعض القوم يوشوش إلى بعض فقالوا له: يا رسول الله صليت خمسًا؟ فانفتل فسجد بهم سجدتين وسلم وقال: إنما أنا بشر أنسى كما تنسون. ومن طريق ثالث (2) عن علقمة عن عبد الله أن النبي صلى الله عليه وسلم سجدهما قبل السلام، وقال مرة: إن النبي صلى الله عليه وسلم سجد السجدتين في السهو بعد السلام (3). ومن طريق رابع (4) عن الأسود عن عبد الله أن النبي صلى الله عليه وسلم صلى الظهر أو العصر خمسًا ثم سجد سجدتي السهو ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: هاتان السجدتان لمن ظن منكم أنه زاد أو نقص (5). ومن طريق خامس (6) عن علقمة عن عبد الله أن رسول الله صلى الله عليه وسلم سها في الصلاة فسجد بهم سجدتي السهو بعد الكلام (7)
তাহকীক:
হাদীস নং: ৯০৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৭) অনুচ্ছেদ: প্রতিটি ভুলের জন্য সালামের পরে সিজদা করা প্রসঙ্গে আগত হাদীসসমূহ
(৯০০) রাসূল (সা)-এর আযাদকৃত গোলাম সাওবান (রা) রাসূলুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি (রাসূল সা) বলেছেন: সালাতে প্রতিটি ভুলের জন্য সালামের পরে দু'টি সিজদা করা (প্রয়োজন)।
(আবু দাউদ, ইবন মাজাহ, তবারানী, বাইহাকী, ও আবদুর রাজ্জাক, বাইহাকী বলেন এ হাদীসের সনদ দুর্বল।)
(আবু দাউদ, ইবন মাজাহ, তবারানী, বাইহাকী, ও আবদুর রাজ্জাক, বাইহাকী বলেন এ হাদীসের সনদ দুর্বল।)
كتاب الصلاة
7 - باب ما جاء في السجود بعد السلام لكل سهو
(904) عن ثوبان رضي الله عنه (مولى رسول الله صلى الله عليه وسلم) عن النبي صلى الله عليه وآله وسلم أنه قال: لكل سهو سجدتان بعدما يسلم (1).
তাহকীক:
হাদীস নং: ৯০৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৭) অনুচ্ছেদ: প্রতিটি ভুলের জন্য সালামের পরে সিজদা করা প্রসঙ্গে আগত হাদীসসমূহ
(৯০১) আবূ হুরায়রা থেকে বর্ণিত যে, রাসুলুল্লাহ (সা) তাঁদেরকে নিয়ে সালাত আদায় করলেন এবং তাতে ভুল করে ফেললেন। যখন তিনি সালাম ফিরালেন। তখন দুইটি সিজদা (সাহু) দিলেন, অতঃপর আবার সালাম ফিরালেন।
(তিরমিযী, বুখারী, মুসলিম ইত্যাদি মুহাদ্দিসগণ এ জাতীয় হাদীস বর্ণনা করেছেন।)
(তিরমিযী, বুখারী, মুসলিম ইত্যাদি মুহাদ্দিসগণ এ জাতীয় হাদীস বর্ণনা করেছেন।)
كتاب الصلاة
7 - باب ما جاء في السجود بعد السلام لكل سهو
(905) عن أبي هريرة رضي الله عنه أن رسول الله صلى الله عليه وآله وسلم صلى بهم فسها فلما سلم سجد سجدتين ثم سلم.
তাহকীক:
হাদীস নং: ৯০৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৭) অনুচ্ছেদ: প্রতিটি ভুলের জন্য সালামের পরে সিজদা করা প্রসঙ্গে আগত হাদীসসমূহ
(৯০২) আবদুল্লাহ ইবন জা'ফর থেকে বর্ণিত যে, রাসূল (সা) বলেছেন: সালাতে যদি কারো সন্দেহের উদ্রেক হয়, তবে সে যেন সালামের পর দুটি সিজদা করে।
(আবু দাউদ, নাসায়ী, বাইহাকী, ইবন হাব্বান। এর সনদে কিছু দুর্বলতা রয়েছে।)
(আবু দাউদ, নাসায়ী, বাইহাকী, ইবন হাব্বান। এর সনদে কিছু দুর্বলতা রয়েছে।)
كتاب الصلاة
7 - باب ما جاء في السجود بعد السلام لكل سهو
(906) عن عبد الله بن جعفر رضي الله عنه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: من شك في صلاته فليسجد سجدتين بعدما يسلم.
তাহকীক:
হাদীস নং: ৯০৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ কুরআন তিলাওয়াত এবং শুকরিয়া জ্ঞাপনের সাজদার অধ্যায়সমূহ
(১) নং অনুচ্ছেদ : তিলাওয়াতে সিজদার ফযীলত ও স্থানসমূহের বর্ণনা প্রসঙ্গে
(১) নং অনুচ্ছেদ : তিলাওয়াতে সিজদার ফযীলত ও স্থানসমূহের বর্ণনা প্রসঙ্গে
(৯০৩) আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুল (সা) বলেছেন: যখন আদম সন্তান সিজদার আয়াত পাঠ করে আর (সাথে সাথে) সিজদা করে। তখন শয়তান কাঁদতে কাঁদতে এবং হায়রে আমার কপাল! বলতে বলতে চলে যায়। (আদম সন্তান) সিজদার আদেশ প্রাপ্ত হয়ে সিজদা করল ফলে তার জন্য নির্ধারিত হল জান্নাত। আর আমাকে সিজদা করতে আদেশ করা হলে আমি তা আদায় করতে অস্বীকার কালাম। ফলে আমার জন্য ধার্য হল জাহান্নামের আগুন।
(মুসলিম, ইবন মাজাহ, বাইহাকী।)
(মুসলিম, ইবন মাজাহ, বাইহাকী।)
كتاب الصلاة
أبواب سجود التلاوة والشكر
1 - باب ما جاء في فضله وعدد مواضعه
1 - باب ما جاء في فضله وعدد مواضعه
(907) عن أبي هريرة رضي الله عنه قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: إذا قرأ ابن آدم السجدة فسجد (1) اعتزل الشيطان يبكي يقول: يا ويله، أمر بالسجود فسجد فله الجنة، وأمرت بالسجود فعصيت فلي النار.
তাহকীক:
হাদীস নং: ৯০৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ কুরআন তিলাওয়াত এবং শুকরিয়া জ্ঞাপনের সাজদার অধ্যায়সমূহ
(১) নং অনুচ্ছেদ : তিলাওয়াতে সিজদার ফযীলত ও স্থানসমূহের বর্ণনা প্রসঙ্গে
(১) নং অনুচ্ছেদ : তিলাওয়াতে সিজদার ফযীলত ও স্থানসমূহের বর্ণনা প্রসঙ্গে
(৯০৪) আবু দারদা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূল (সা)- এর সাথে এগারটি সিজদা করলাম। তার মধ্যে একটি হল সূরা নাজমের সিজদা।
(আবু দাউদ-এ হাদীসটি ইবন মাজাহ ও তিরমিযী বিভিন্ন সূত্রে বর্ণনা করেছেন। তার মধ্যে কিছু সূত্র দুর্বল, আর কিছু গ্রহণযোগ্য ।)
(আবু দাউদ-এ হাদীসটি ইবন মাজাহ ও তিরমিযী বিভিন্ন সূত্রে বর্ণনা করেছেন। তার মধ্যে কিছু সূত্র দুর্বল, আর কিছু গ্রহণযোগ্য ।)
كتاب الصلاة
أبواب سجود التلاوة والشكر
1 - باب ما جاء في فضله وعدد مواضعه
1 - باب ما جاء في فضله وعدد مواضعه
(908) عن أبي الدرداء رضي الله عنه قال: سجدت مع النبي صلى الله عليه وآله وسلم إحدى عشرة سجدة، منهن سجدة النجم.
তাহকীক:
হাদীস নং: ৯০৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২) অনুচ্ছেদ: তিলাওয়াতে সিজদায় যা বলতে হয়
(৯০৫) আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সা) পবিত্র কুরআনের (তিলাওয়াতে) সিজদায় বলতেন, আমার মুখমণ্ডল তাঁরই সিজদা করে যিনি তাঁর আপন পরিক্রমা ও শক্তিতে তাকে সৃষ্টি করেছেন এবং তাতে শ্রবণ শক্তি ও দৃষ্টি শক্তির ব্যবস্থা করেছেন।
(আবু দাউদ, নাসায়ী, দারাকুতনী, বায়হাকী, হাতিম ও তিরমিযী। তিনি হাদীসটিকে সহীহ বলে মন্তব্য করেছেন। ইবন সিক্কিন ও সহীহ বলেছেন।)
(আবু দাউদ, নাসায়ী, দারাকুতনী, বায়হাকী, হাতিম ও তিরমিযী। তিনি হাদীসটিকে সহীহ বলে মন্তব্য করেছেন। ইবন সিক্কিন ও সহীহ বলেছেন।)
كتاب الصلاة
2 - باب ما يقال في سجدة التلاوة
(909) عن عائشة رضي الله عنها قالت: كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول في سجود القرآن: سجد وجهي للذي خلقه وشق سمعه وبصره بحوله وقوته.
তাহকীক: