মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)
الفتح الرباني لترتيب مسند الإمام أحمد بن حنبل الشيباني
৭. নামাযের অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ
মোট হাদীস ১৭২৪ টি
হাদীস নং: ৯১০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৩) অনুচ্ছেদ: উচ্চস্বরে ও চুপিস্বরের নামাযে সিজদার আয়াত পড়া প্রসঙ্গে
(৯০৬) আবু রাফে' (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আবু হুরায়রা (রা)-এর সাথে আতামার নামায অথবা বলেছেন, ইশার নামায পড়েছি। তিনি নামাযে সূরা ইনশিকাক পাঠ করলেন এবং তাতে তিলাওয়াতে সিজদা করলেন। তখন আমি বললাম, হে আবু হুরায়রা (এটি কিসের সিজদা) তিনি বললেন, আমি আবুল কাসিম (সা)-এর পিছনে উক্ত সূরা পাঠে সিজদা করেছি, সুতরাং তাঁর সাথে সাক্ষাৎ না হওয়া পর্যন্ত আমি নিয়মিত ঐ রকম সিজদা করতে থাকব।
(বুখারী, মুসলিম, মুয়াত্তা মালিক, আবু দাউদ, নাসায়ী ও বায়হাকী।)
(বুখারী, মুসলিম, মুয়াত্তা মালিক, আবু দাউদ, নাসায়ী ও বায়হাকী।)
كتاب الصلاة
3 - باب قراءة السجدة في الصلاة الجهرية والسرية
(910) عن أبي رافع (1) قال: صليت مع أبي هريرة صلاة العتمة أو قال صلاة العشاء فقرأ {إِذَا السَّمَاءُ انْشَقَّتْ} [الإنشقاق/1] فسجد فيها فقلت: يا أبا هريرة «ما هذه السجدة» (1) فقال: سجدت فيها خلف أبي القاسم صلى الله عليه وآله وسلم فلا أزال أسجدها حتى ألقاه.
তাহকীক:
হাদীস নং: ৯১১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৩) অনুচ্ছেদ: উচ্চস্বরে ও চুপিস্বরের নামাযে সিজদার আয়াত পড়া প্রসঙ্গে
(৯০৭) সুলায়মান আত-তায়মী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি আবু মিজলায থেকে, তিনি ইবন উমর (রা) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী করীম (সা) যোহরের নামাযের প্রথম রাক'আতে (তিলাওয়াতে) সিজদা করলেন। তখন তাঁর সঙ্গী সাহাবীগণ দেখলেন যে, তিনি সিজদার আয়াত পাঠ করেছেন। রাবী বলেন, আমি (এ বর্ণনা) আবূ মিজলায় থেকে শুনি নি।
(আবু দাউদ ও হাকিম তাঁর মুস্তাদরাক গ্রন্থে এবং তাহাবীও বর্ণনা করেছেন, হাকিম বলেন, এ হাদীসটি বুখারী মুসলিমের শর্তে উপনীত। কিন্তু তাঁরা বর্ণনা করেন নি। যাহাবী তাঁর এ অভিমত সমর্থন করেছেন।)
(আবু দাউদ ও হাকিম তাঁর মুস্তাদরাক গ্রন্থে এবং তাহাবীও বর্ণনা করেছেন, হাকিম বলেন, এ হাদীসটি বুখারী মুসলিমের শর্তে উপনীত। কিন্তু তাঁরা বর্ণনা করেন নি। যাহাবী তাঁর এ অভিমত সমর্থন করেছেন।)
كتاب الصلاة
3 - باب قراءة السجدة في الصلاة الجهرية والسرية
(911) عن سليمان التيمي عن أبي مجلز عن ابن عمر رضي الله عنهما أن النبي صلى الله عليه وآله وسلم سجد في الركعة الأولى من صلاة الظهر فرأى أصحابه أنه قرأ تنزيل السجدة قال: ولم أسمعه من أبي مجلز (2).
তাহকীক:
হাদীস নং: ৯১২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৪) অনুচ্ছেদ: পাঠক যখন সিজদা করবে তখন শ্রোতাকেও সিজদা করতে হবে
(৯০৮) ইবন উমর (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল আমাদের নিকট (কুরআনের) সূরা পাঠ করতেন এবং নামায ছাড়াও তিনি যখন সিজদার আয়াত পাঠ করতেন তখন তিনি সিজদা করতেন, আমরাও তাঁর সাথে সিজদা করতাম। এমনকি আমাদের কেউ কেউ তাঁর ললাট রাখার স্থানটুকুও পেতো না।
(বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ ও তাবরানী তাঁর মু'জামুল কবীর গ্রন্থে হাদীসটি উল্লেখ করেছেন।)
(বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ ও তাবরানী তাঁর মু'জামুল কবীর গ্রন্থে হাদীসটি উল্লেখ করেছেন।)
كتاب الصلاة
4 - باب إذا سجد القارئ سجد المستمع
(912) عن ابن عمر رضي الله عنهما قال: كان رسول الله صلى الله عليه وآله وسلم يقرأ علينا السورة (1) فيقرأ السجدة في غير صلاة (2) فيسجد ونسجد معه حتى ما يجد أحدنا مكانًا لموضع جبهته (3).
তাহকীক:
হাদীস নং: ৯১৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৪) অনুচ্ছেদ: পাঠক যখন সিজদা করবে তখন শ্রোতাকেও সিজদা করতে হবে
(৯০৯) তাঁর (আব্দুল্লাহ ইবন উমর (রা) থেকে আরও বর্ণিত, তিনি বলেন। আল্লাহর রাসুল (সা) আমাদেরকে পবিত্র কুরআন শিক্ষা দিতেন। তিনি যখন পবিত্র কুরআনের সিজদার আয়াত অতিক্রম করতেন তখনই সিজদা করতেন এবং আমরাও তাঁর সাথে সিজদা করতাম।
(আবু দাউদ ও বাইহাকী। হাফিজ ইবন হাজার বলেন, এ হাদীদের মুল বুখারী মুসলিমেই বর্ণিত আছে।)
(আবু দাউদ ও বাইহাকী। হাফিজ ইবন হাজার বলেন, এ হাদীদের মুল বুখারী মুসলিমেই বর্ণিত আছে।)
كتاب الصلاة
4 - باب إذا سجد القارئ سجد المستمع
(913) وعنه أيضًا قال: كان رسول الله صلى الله عليه وآله وسلم يعلمنا القرآن (1) فإذا مر بسجود القرآن سجد وسجدنا معه (2).
তাহকীক:
হাদীস নং: ৯১৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৫) অনুচ্ছেদ: যারা বলে বড় সূরার ক্ষেত্রে তিলাওয়াতে সিজদার প্রয়োজন নেই তার দলীল
(৯১০) যায়দ ইবন ছাবিত (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি মহানবী (সা)-এর নিকট সূরা নাজম পাঠ করেছি তখন তিনি সিজদা করেন নি।
(বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ, নাসায়ী, তিরমিযী, বায়হাকী ও দারাকুতনী।)
(বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ, নাসায়ী, তিরমিযী, বায়হাকী ও দারাকুতনী।)
كتاب الصلاة
5 - باب حجة من قال بعدم سجدات التلاوة في سور المفصل
(914) عن زيد بن ثابت رضي الله عنه قال: قرأت على النبي صلى الله عليه وآله وسلم النجم فلم يسجد (1).
তাহকীক:
হাদীস নং: ৯১৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৬) অনুচ্ছেদ: বড় সূরাসমূহে তিলাওয়াতে সিজদা শরীয়ত সম্মত এ মতের প্রবক্তাদের দলীল
(৯১১) ইবন মাসউদ (রা) থেকে বর্ণিত, নবী (সা) সূরা নাজমে (তিলাওয়াতে) সিজদা করেছেন এবং কুরাইশ গোত্রের এক ব্যক্তি ব্যতীত অন্যান্য মুসলমানগণও সিজদা করেছেন। উক্ত ব্যক্তি এক খণ্ড মাটি তার কপাল পর্যন্ত উঁচু করে তার উপর সিজদা করেন। (রাবী) আব্দুল্লাহ বলেন, এরপর আমি তাকে কাফির অবস্থায় নিহত হতে দেখেছি।
(বুখারী, মুসলিম, নাসায়ী ও বায়হাকী।)
(বুখারী, মুসলিম, নাসায়ী ও বায়হাকী।)
كتاب الصلاة
6 - باب حجة القائلين بمشروعية سجود التلاوة في سور المفصل
(915) عن ابن مسعود رضي الله عنه أن النبي صلى الله عليه وآله وسلم سجد بالنجم وسجد المسلمون (1) إلا رجل (2) من قريش أخذ كفًا من تراب فرفعه إلى جبهته فسجد عليه قال: عبد الله (2) فرأيته بعد قُتل كافرًا.
তাহকীক:
হাদীস নং: ৯১৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৬) অনুচ্ছেদ: বড় সূরাসমূহে তিলাওয়াতে সিজদা শরীয়ত সম্মত এ মতের প্রবক্তাদের দলীল
(৯১২) আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, নবী (সা) সূরা নাজম পাঠ করার পর সিজদা করলেন এবং দুই জন বাক্তি ব্যতীত অন্যান্য মানুষও তাঁর সাথে সিজদা করেছেন। উক্ত ব্যক্তিদ্বয় এর দ্বারা প্রসিদ্ধি অর্জন করতে চেয়েছেন।
(হাদীসটি ইবন আবী শায়বা বর্ণনা করেছেন। হাইছামী বলেছেন যে, তবারানী তাঁর মু'জামুল কবীর গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন এবং রাবী সিকাহ বলে মন্তব্য করেছেন।)
(হাদীসটি ইবন আবী শায়বা বর্ণনা করেছেন। হাইছামী বলেছেন যে, তবারানী তাঁর মু'জামুল কবীর গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন এবং রাবী সিকাহ বলে মন্তব্য করেছেন।)
كتاب الصلاة
6 - باب حجة القائلين بمشروعية سجود التلاوة في سور المفصل
(916) عن أبي هريرة رضي الله عنه أن النبي صلى الله عليه وسلم قرأ النجم فسجد وسجد الناس معه إلا رجلين (3) أرادا الشهرة
তাহকীক:
হাদীস নং: ৯১৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৬) অনুচ্ছেদ: বড় সূরাসমূহে তিলাওয়াতে সিজদা শরীয়ত সম্মত এ মতের প্রবক্তাদের দলীল
(৯১৩) জা'ফর ইবন মুত্তালিব ইবন আবূ ওদা'আহ আস-সাহমী থেকে বর্ণিত, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, রাসূল (সা.) মক্কায় সূরা নাজম পাঠ করলেন, তারপর সিজদা করলেন এবং তাঁর কাছে যারা ছিল তারাও সিজদা করলেন। (রাবী বলেন) আমি আমার মাথা উঁচু করলাম এবং সিজদা করা থেকে বিরত থাকলাম। মুত্তালিব তখনও ইসলাম গ্রহণ করেন নি। এরপর থেকে তিনি কাউকে উক্ত সূরা পাঠ করতে শুনলে সিজদা দিতেন। (উক্ত রাবী হতে দ্বিতীয় সূত্রে অনুরূপ বর্ণনার একটি বর্ণনা পাওয়া যায়- সেখানে আরও আছে) মুত্তালিব বলেন, এরপর আমি আর কখনও উক্ত সুরা পাঠের পর সিজদা পরিহার করব না।
(নাসায়ী ও বায়হাকী। হাদীসটির সনদ উত্তম।)
(নাসায়ী ও বায়হাকী। হাদীসটির সনদ উত্তম।)
كتاب الصلاة
6 - باب حجة القائلين بمشروعية سجود التلاوة في سور المفصل
(917) عن جعفر بن المطلب بن أبي وداعة السهمي عن أبي رضي الله عنه قال: قرأ النبي صلى الله عليه وسلم بمكة سورة النجم فسجد وسجد من عنده، فرفعت رأسي وأبيت أن أسجد، ولم يكن أسلم يومئذ المطلب، وكان بعد لا يسمع أحدًا قرأها إلا سجد. وعنه من طريق ثان (1) بنحوه، وفيه «فقال المطلب فلا أدع السجود فيها أبدًا».
তাহকীক:
হাদীস নং: ৯১৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৬) অনুচ্ছেদ: বড় সূরাসমূহে তিলাওয়াতে সিজদা শরীয়ত সম্মত এ মতের প্রবক্তাদের দলীল
(৯১৪) আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা إِذَا السَّمَاءُ انْشَقَّتْ এবং اقْرَأْ بِاسْم সূরাদ্বয় পাঠ করার পর রাসূল (সা)-এর সাথে (তিলাওয়াতে) সিজদা করেছিলাম।
(মুসলিম, ইমাম শাফেয়ী, তিরমিযী, দারাকুতনী ও হাকিম তাঁর মুস্তাদরাক গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন।)
(মুসলিম, ইমাম শাফেয়ী, তিরমিযী, দারাকুতনী ও হাকিম তাঁর মুস্তাদরাক গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন।)
كتاب الصلاة
6 - باب حجة القائلين بمشروعية سجود التلاوة في سور المفصل
(918) عن أبي هريرة رضي الله عنه قال: سجدنا مع رسول الله صلى الله عليه وآله وسلم في {إِذَا السَّمَاءُ انْشَقَّتْ} [الإنشقاق/1] و {اقْرَأْ بِاسْمِ رَبِّكَ} [العلق/1].
তাহকীক:
হাদীস নং: ৯১৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৭) অনুচ্ছেদ: সূরা হাজ্জ ও সূরা সোয়াদ-এর তিলাওয়াতে সিজদা সম্পর্কে যা এসেছে
(৯১৫) 'উকবাহ ইবন 'আমির (রা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, আমি বললাম ইয়া রাসূলাল্লাহ! দু'টি
(তিলায়াতে) সিজদার মাধ্যমে সূরা হাজ্জকে কি সমস্ত কুরআনের উপর মর্যাদা দান করা হয়েছে? রাসুল (সা) বললেন, 'হ্যা'। সুতরাং যে, এ দু'টি সিজদা করবে না সে যেন ঐ দু'টি আয়াত পাঠ না করে।
(আবু দাউদ, বায়হাকী, তিরমিযী, দারাকুতনী ও হাকিম তাঁর মুস্তাদরাক গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন।)
(তিলায়াতে) সিজদার মাধ্যমে সূরা হাজ্জকে কি সমস্ত কুরআনের উপর মর্যাদা দান করা হয়েছে? রাসুল (সা) বললেন, 'হ্যা'। সুতরাং যে, এ দু'টি সিজদা করবে না সে যেন ঐ দু'টি আয়াত পাঠ না করে।
(আবু দাউদ, বায়হাকী, তিরমিযী, দারাকুতনী ও হাকিম তাঁর মুস্তাদরাক গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন।)
كتاب الصلاة
7 - باب ما جاء في سجدتي سورة الحج وسجدة سورة ص
(919) عن عقبة بن عامر رضي الله عنه قال: قلت: يا رسول الله أفضلت سورة الحج على سائر القرآن بسجدتين؟ قال: نعم، فمن لم يسجدهما فلا يقرأهما.
তাহকীক:
হাদীস নং: ৯২০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৭) অনুচ্ছেদ: সূরা হাজ্জ ও সূরা সোয়াদ-এর তিলাওয়াতে সিজদা সম্পর্কে যা এসেছে
(৯১৬) ইবন আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসুল (সা)-কে সূরা সোয়াদ পাঠে (তিলাওয়াতে) সিজদা করতে দেখেছি।
(ইমাম শাফেয়ী ও নাসায়ী।)
(ইমাম শাফেয়ী ও নাসায়ী।)
كتاب الصلاة
7 - باب ما جاء في سجدتي سورة الحج وسجدة سورة ص
(920) عن ابن عباس رضي الله عنهما قال: رأيت رسول الله صلى الله عليه وآله وسلم سجد في ص.
তাহকীক:
হাদীস নং: ৯২১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৭) অনুচ্ছেদ: সূরা হাজ্জ ও সূরা সোয়াদ-এর তিলাওয়াতে সিজদা সম্পর্কে যা এসেছে
(৯১৭) তাঁর (ইবন আব্বাস (রা)) থেকে আরও বর্ণিত। তিনি বলেন, সূরা সোয়াদের (তিলাওয়াতে) সিজদা বাধ্যতামূলক তিলাওয়াতে সিজদাসমূহের অন্তর্ভুক্ত নয়। তবে আমি রাসূল (সা)-কে এই সূরা পাঠে সিজদা করতে দেখেছি।
(বুখারী, আবু দাউদ, তিরমিযী ও বায়হাকী।)
(বুখারী, আবু দাউদ, তিরমিযী ও বায়হাকী।)
كتاب الصلاة
7 - باب ما جاء في سجدتي سورة الحج وسجدة سورة ص
(921) وعنه أيضًا أنه قال في السجود في ص ليست من عزائم السجود (1) وقد رأيت رسول الله صلى الله عليه وآله وسلم يسجد فيها.
তাহকীক:
হাদীস নং: ৯২২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৭) অনুচ্ছেদ: সূরা হাজ্জ ও সূরা সোয়াদ-এর তিলাওয়াতে সিজদা সম্পর্কে যা এসেছে
(৯১৮) য, সায়িব ইবন ইয়াযিদ থেকে বর্ণিত যে, উসমান ইবন আফফান (রা) সূরা সোয়াদ পাঠে (তিলাওয়াত) সিজদা করতেন।
(বায়হাকী। হাইছামী বলেন, আবদুল্লাহ ইবন আহমদ এ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তার রাবীগণ নির্ভরযোগ্য।)
(বায়হাকী। হাইছামী বলেন, আবদুল্লাহ ইবন আহমদ এ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তার রাবীগণ নির্ভরযোগ্য।)
كتاب الصلاة
7 - باب ما جاء في سجدتي سورة الحج وسجدة سورة ص
(922) ز. عن السائب بن يزيد أن عثمان بن عفان (رض) سجد في ص.
তাহকীক:
হাদীস নং: ৯২৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৭) অনুচ্ছেদ: সূরা হাজ্জ ও সূরা সোয়াদ-এর তিলাওয়াতে সিজদা সম্পর্কে যা এসেছে
(৯১৯) আল-'আওয়াম ইবন্ হাওশাব (রা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, আমি সূরা সোয়াদের তিলাওয়াতে সিজদা সম্পর্কে মুজাহিদ (রা)-কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম। তিনি ইতিবাচক সাড়া দিয়েছেন। এরপর উক্ত সূরার তিলাওয়াতে সিজদা সম্পর্কে আমি ইবন আব্বাস (রা)-কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম তিনি উত্তরে বলেন, তুমি কি পবিত্র কুরআনের এ আয়াত ( وَمِنْ ذُرِّيَّتِهِ دَاوُدَ وَسُلَيْمَانَ ) পাঠ কর যার শেষে আছে ( فَبِهُدَاهُمُ اقْتَدِهِ ) তিনি বলেন তোমাদের নবী (সা)-কে আদেশ করা হয়েছে দাউদ (আ)-এর অনুকরণ করতে।
(বুখারী ও বায়হাকী।)
(বুখারী ও বায়হাকী।)
كتاب الصلاة
7 - باب ما جاء في سجدتي سورة الحج وسجدة سورة ص
(923) عن العوام بن حوشب قال: سألت مجاهدًا عن السجدة التي في ص فقال: نعم، سألت عنها ابن عباس رضي الله عنهما فقال: أتقرأ هذه الآية؟ {وَمِنْ ذُرِّيَّتِهِ دَاوُودَ وَسُلَيْمَانَ} [الأنعام/84] وفي آخرها {فَبِهُدَاهُمُ اقْتَدِهِ} [الأنعام/90] قال: أُمر نبيكم صلى الله عليه وآله وسلم أن يقتدي بداود (2).
তাহকীক:
হাদীস নং: ৯২৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: তিলাওয়াতে সিজদা সম্পর্কিত আবু সাঈদ খুদরী (রা)-এর স্বপ্নের বর্ণনা
(৯২০) আবু সাঈদ খুদরী (রা) হতে বর্ণিত, তিনি স্বপ্নে দেখেন যে, তিনি সূরা সোয়াদ লিখতে লিখতে যখন সিজদার আয়াতে পৌঁছলেন তখন তিনি দেখলেন যে, দোয়াত, কলম ও নিকটস্থ সকলবস্তু সিজদায় লুটিয়ে পড়েছে। তিনি বলেন: এ ঘটনা মহানবী (সা)-এর নিকট বর্ণনা করার পর থেকে তিনি (নিয়মিত) সর্বদা উক্ত স্থানে সিজদা করতেন।
(বায়হাকী, হাইছামী। তিনি হাদীসটি রেওয়ায়াত করার পর বলেন, এটা আহমদ বর্ণনা করেছেন, আহমদের রাবীগণ নির্ভরযোগ্য।)
(বায়হাকী, হাইছামী। তিনি হাদীসটি রেওয়ায়াত করার পর বলেন, এটা আহমদ বর্ণনা করেছেন, আহমদের রাবীগণ নির্ভরযোগ্য।)
كتاب الصلاة
فصل منه في رؤيا أبي سعيد الخدري رضي الله عنه
(924) عن أبي سعيد الخدري رضي الله عنه رأي رؤيا أنه يكتب ص فلما بلغ إلى سجدتها قال: رأى الدواة والقلم وكل شيء بحضرته انقلت ساجدًا، قال: فقصها على النبي صلى الله عليه وآله وسلم فلم يزل يسجد بها بعد
তাহকীক:
হাদীস নং: ৯২৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৮) অনুচ্ছেদ: কৃতজ্ঞতার সিজদা সম্পর্কে যা এসেছে
(৯২১) মুহাম্মদ ইবন যুবায়ের বিন মুত'ইম হতে বর্ণিত, তিনি আব্দুর রহমান ইবন 'আউফ (রা.) হতে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সা) বেরিয়ে পড়লেন (অন্য এক বর্ণনায় আছে যে. (তিনি বলেন,) আমি মসজিদে প্রবেশ করতে গিয়ে দেখলাম, মহানবী (সা) মসজিদ থেকে বেরিয়ে যাচ্ছেন। আমিও তাঁর অনুসরণ করলাম, অবশেষে তিনি খেজুর বাগানে প্রবেশ করলেন এবং সিজদাবনত হলেন। তিনি সিজদা এতো বেশী দীর্ঘ সময় ধরে করলেন যে, আমি ভয় পেয়ে গেলাম কিংবা আশংকাবোধ করলাম যে, মহান আল্লাহ তাঁর মৃত্যু ঘটালেন, না কি তাঁকে উঠিয়ে নিলেন। রাবী বলেন: এমতাবস্থায় আমি তাঁকে দেখার জন্য (তাঁর নিকটে) আসলাম। তখন তিনি (মহানবী সা) তাঁর মাথা উঠালেন এবং বললেন, আব্দুর রহমান। তোমার কি হলো? তিনি বলেন: আমি তার নিকট ঘটনা খুলে বললাম। তখন নবী (সা) বললেন: জিব্রাঈল (আ) আমাকে বললেন: আপনাকে আমি একটি সুসংবাদ দিব কি? মহান আল্লাহ আপনার জন্য ঘোষণা করছেন যে, যে ব্যক্তি আপনার প্রতি দরূদ পেশ করে আমিও তার প্রতি রহমত পেশ করে থাকি। আর আপনার প্রতি যে সালাম পেশ করে আমি তাকে সব কিছু থেকে নিরাপদ রাখি।
অন্য এক বর্ণনায়: আব্দুল ওয়াহিদ ইবন মুহাম্মদ ইবন আব্দুর রহমান ইবন্ আওফ থেকে বর্ণিত, তিনি আব্দুর রহমান ইবন আওফ (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা) একদা (তাঁর বাড়ি থেকে) বেরিয়ে উঁচু প্রাচীর বিশিষ্ট খেজুর বাগানে গেলেন , তারপর কেবলার দিকে সেজদাবনত হলেন। তিনি সিজদা এত দীর্ঘ করলেন যে, আমি ভাবলাম হয়তো মহান আল্লাহ এ সিজদার মধ্যেই তাঁর প্রাণ গ্রহণ করেছেন। তারপর আমি তাঁর নিকটবর্তী হলাম এবং বসে পড়লাম। তখন তিনি তাঁর মাথা উঠালেন এবং বললেন, কে এ ব্যক্তি? আমি উত্তরে বললাম: আব্দুর রহমান। তিনি বললেন: তোমার কি দরকার? আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি এমন একটি সিজদা দিয়েছেন যে, আমি ভয় পেয়ে গিয়েছি, এ সিজদার মধ্যে মহান আল্লাহ আপনার প্রাণ হরণ করে নিয়েছেন কি না। নবী (সা) উত্তরে বললেন, জিব্রাঈল (আ) আমার নিকট এসেছিলেন, তিনি আমাকে সুসংবাদ জানিয়ে বললেন: মহান আল্লাহ বলেন, যে ব্যক্তি আমার প্রতি দরূদ পড়ে আমি তার প্রতি রহমত বর্ষণ করি। আর যে ব্যক্তি তোমার প্রতি সালাম পেশ করে আমি তার প্রতি শান্তি বর্ষণ করি। তাই আমি কৃতজ্ঞতায় মহান আল্লাহর জন্য সিজদায় লুটিয়ে পড়েছি।
(বাযযার ও হাকিম তাঁর মুস্তাদরাক গ্রন্থে বলেন, হাদীসটি সহীহ বুখারী ও মুসলিমের শর্তে উপনীত। তবে তাঁরা তা সংকলন করেন নি। আমার জানা মতে, সিজদা শোকর প্রসেঙ্গ, এর চেয়ে বেশী সহীহ হাদীস আর নেই যাহাবী তাঁর এ অভিমত সমর্থন করেছেন।)
অন্য এক বর্ণনায়: আব্দুল ওয়াহিদ ইবন মুহাম্মদ ইবন আব্দুর রহমান ইবন্ আওফ থেকে বর্ণিত, তিনি আব্দুর রহমান ইবন আওফ (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা) একদা (তাঁর বাড়ি থেকে) বেরিয়ে উঁচু প্রাচীর বিশিষ্ট খেজুর বাগানে গেলেন , তারপর কেবলার দিকে সেজদাবনত হলেন। তিনি সিজদা এত দীর্ঘ করলেন যে, আমি ভাবলাম হয়তো মহান আল্লাহ এ সিজদার মধ্যেই তাঁর প্রাণ গ্রহণ করেছেন। তারপর আমি তাঁর নিকটবর্তী হলাম এবং বসে পড়লাম। তখন তিনি তাঁর মাথা উঠালেন এবং বললেন, কে এ ব্যক্তি? আমি উত্তরে বললাম: আব্দুর রহমান। তিনি বললেন: তোমার কি দরকার? আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি এমন একটি সিজদা দিয়েছেন যে, আমি ভয় পেয়ে গিয়েছি, এ সিজদার মধ্যে মহান আল্লাহ আপনার প্রাণ হরণ করে নিয়েছেন কি না। নবী (সা) উত্তরে বললেন, জিব্রাঈল (আ) আমার নিকট এসেছিলেন, তিনি আমাকে সুসংবাদ জানিয়ে বললেন: মহান আল্লাহ বলেন, যে ব্যক্তি আমার প্রতি দরূদ পড়ে আমি তার প্রতি রহমত বর্ষণ করি। আর যে ব্যক্তি তোমার প্রতি সালাম পেশ করে আমি তার প্রতি শান্তি বর্ষণ করি। তাই আমি কৃতজ্ঞতায় মহান আল্লাহর জন্য সিজদায় লুটিয়ে পড়েছি।
(বাযযার ও হাকিম তাঁর মুস্তাদরাক গ্রন্থে বলেন, হাদীসটি সহীহ বুখারী ও মুসলিমের শর্তে উপনীত। তবে তাঁরা তা সংকলন করেন নি। আমার জানা মতে, সিজদা শোকর প্রসেঙ্গ, এর চেয়ে বেশী সহীহ হাদীস আর নেই যাহাবী তাঁর এ অভিমত সমর্থন করেছেন।)
كتاب الصلاة
8 - باب ما جاء في سجدة الشكر
(925) عن محمد بن جبير بن مطعم عن عبد الرحمن بن عوف رضي الله عنه قال: خرج رسول الله صلى الله عليه وسلم (وفي رواية «دخلت المسجد فرأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم خارجًا من المسجد) فاتبعته حتى دخل نخلاً فسجد فأطال السجود حتى خفت أو خشيت أن يكون الله قد توفاه أو قبضه، قال: فجئت أنظر فرفع رأسه فقال: مالك يا عبد الرحمن؟ قال: فذكرت ذلك له، فقال: إن جبريل عليه السلام قال لي: ألا أبشرك؟ إن الله عز وجل يقول لك: من صلى عليك صليت عليه (1) ومن سلم عليك سلمت عليه. ومن طريق ثان (2) عن عبد الواحد بن محمد بن عبد الرحمن بن عوف عن عبد الرحمن بن عوف رضي الله عنه قال: خرج رسول الله صلى الله عليه وسلم فتوجه نحو صدفته (1) فدخل فاستقبل القبلة فخر ساجدًا فأطال السجود حتى ظننت أن الله عز وجل قبض نفسه فيها، فدنوت منه فجلست فرفع رأسه فقال: من هذا، قلت عبد الرحمن، قال: ما شأنك؟ قلت: يا رسول الله سجدت سجدة خشيت أن يكون الله عز وجل قد قبض نفسك فيها، فقال: إن جبريل عليه السلام أتاني فبشرني فقال: إن الله عز وجل يقول: من صلى عليك صليت عليه، ومن سلم عليك سلمت عليه، فسجدت لله عز وجل شكرًا.
তাহকীক:
হাদীস নং: ৯২৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৮) অনুচ্ছেদ: কৃতজ্ঞতার সিজদা সম্পর্কে যা এসেছে
(৯২২) আবু বাকরাহ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি দেখলেন যে, মহানবী (সা)-এর নিকট এক সুসংবাদ দাতা তাঁকে শত্রুদের উপর তাঁর সৈন্যবাহিনীর বিজয়ের সুসংবাদ দিলেন, এ সময় তাঁর মস্তক আয়েশা (রা)-এর কোলের উপর ছিল। তারপর তিনি উঠে দাঁড়ালেন এবং সিজদায় লুটিয়ে পড়লেন। তারপর সুসংবাদদাতাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলেন। তিনি অন্যান্য সংবাদের পাশাপাশি এ সংবাদ দিলেন যে, তাদের নেতৃত্বের দায়িত্ব এক নারীর উপর ন্যস্ত করেছেন। তখন নবী (সা) বললেন: তখনই পুরুষেরা পরাজিত হবে, যখন পুরুষেরা নারীদের আনুগত্য করতে শুরু করবে। পুরুষেরা যখনই নারীর আনুগত্য করতে শুরু করবে তখনই তারা ধ্বংস হবে (বা পরাজিত হবে) কথাটি তিনবার বললেন।
(আমি বললাম) আলী (রা) খারিজীদের মাঝে যুল সাদিয়্যাহকে পেয়ে সিজদা করেছিলেন এবং কা'ব বিন মালিক নবী (সা)-এর সময়কালে সিজদা করেছিলেন, যখন তাঁকে আল্লাহর নিকট তাঁর তওবা কবুল হওয়ার সুসংবাদ দেয়া হয়েছিল।
(আবু দাউদ, ইবন মাজাহ্ ও তিরমিযী, তিনি বলেন, হাদীসটি হাসান ও গরীব।)
(আমি বললাম) আলী (রা) খারিজীদের মাঝে যুল সাদিয়্যাহকে পেয়ে সিজদা করেছিলেন এবং কা'ব বিন মালিক নবী (সা)-এর সময়কালে সিজদা করেছিলেন, যখন তাঁকে আল্লাহর নিকট তাঁর তওবা কবুল হওয়ার সুসংবাদ দেয়া হয়েছিল।
(আবু দাউদ, ইবন মাজাহ্ ও তিরমিযী, তিনি বলেন, হাদীসটি হাসান ও গরীব।)
كتاب الصلاة
8 - باب ما جاء في سجدة الشكر
(926) عن أبي بكرة رضي الله عنه أنه شهد النبي صلى الله عليه وسلم أتاه بشير يبشره بظفر جند له على عدوهم ورأسه في حجر عائشة رضي الله عنها فقام فخر ساجدًا، ثم أنشأ يسائل البشير فأخبره فيما أخبره أنه ولى أمرهم امرأة، فقال النبي صلى الله عليه وسلم: الآن هلكت الرجال إذا أطاعت النساء، هلكت الرجال إذا أطاعت النساء ثلاثًا (1). قلت: وسجد عليّ رضي الله عنه حين وجد ذا الثدية في الخوارج (2)، وسجد كعب بن مالك رضي الله عنه في عهد النبي صلى الله عليه وسلم لما بشر بتوبة الله عليه (3)
তাহকীক:
হাদীস নং: ৯২৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ নফল নামাযের অনুচ্ছেদসমূহ
(১) অনুচ্ছেদ: নফল নামাযের ফযীলত এবং তার দ্বারা ফরয নামাযের ক্ষতিপূরণ হওয়া সম্পর্কিত যেসব বর্ণনা এসেছে
(১) অনুচ্ছেদ: নফল নামাযের ফযীলত এবং তার দ্বারা ফরয নামাযের ক্ষতিপূরণ হওয়া সম্পর্কিত যেসব বর্ণনা এসেছে
(৯২৩) নু'মান ইবন্ সালিম আমর ইবন 'আস থেকে এবং তিনি আনবাসা ইবন্ আবু সুফিয়ান থেকে বর্ণনা করেন। তিনি তাঁর বোন মহানবী (সা)-এর স্ত্রী হাবীবাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি মহানবী (সা)-কে বলতে শুনেছেন যে, যখন কোন মুসলিম বান্দা (অন্য বর্ণনায় আছে যখন কোন মুসলিম বান্দা যথাযথভাবে পূর্ণাঙ্গরূপে ওযু করে অতঃপর আল্লাহর উদ্দেশ্যে নামায আদায় করে) প্রতিদিন অন্য বর্ণনায় আছে, দিনে এবং রাতে, অন্য আরেক বর্ণনায় আছে তার রাত্রি ও দিবসে) বার রাকা'আত নামায (অন্য বর্ণনা মতে সিজদা) আদায় করেন ফরয নামায ব্যতীত অতিরিক্ত নফল হিসেবে, তবে তার জন্য বেহেশতে একটি গৃহ নির্মাণ করা হবে। কিংবা মহান আল্লাহ তা'আলা স্বয়ং তার জন্য বেহেশতে একটি গৃহ নির্মাণ করবেন। নবী পত্নী উম্মে হাবীবাহ বলেন: এরপর হতে আমি আর উক্ত নামায পড়া ছাড়ি নি। আমর (রা) বললেন: আমিও তারপর হতে উক্ত নামায পড়া বাদ দেই নি। নু'মান (রা) ও অনুরূপ কথা বললেন।
(মুসলিম, বায়হাকী, আবু দাউদ, নাসায়ী, তিরমিযী ও ইবন মাজাহ্।)
(মুসলিম, বায়হাকী, আবু দাউদ, নাসায়ী, তিরমিযী ও ইবন মাজাহ্।)
كتاب الصلاة
أبواب صلاة التطوع
1 - باب ما جاء في فضلها وأنها تجبر نقص الفريضة
1 - باب ما جاء في فضلها وأنها تجبر نقص الفريضة
(927) عن النعمان بن سالم عن عمرو بن أوس عن عنبسة بن أبي سفيان عن أخته أم حبيبة زوج النبي صلى الله عليه وآله وسلم أنها سمعت النبي صلى الله عليه وآله وصحبه وسلم يقول: ما من عبد مسلم يصلي (وفي رواية «ما من عبد مسلم توضأ فأسبغ الوضوء ثم صلى) لله عز وجل كل يوم (وفي رواية «في يوم وليلة» وفي أخرى «في ليله ونهاره») ثنتي عشرة ركعة (1) (وفي رواية «سجدة») تطوعًا غير فريضة إلا بني له بيت في الجنة، أو بنى الله عز وجل له بيتًا في الجنة، فقالت أم حبيبة: فما برحت أصليهن بعد، وقال عمر: وما برحت أصليهن بعد، وقال النعمان مثل ذلك.
তাহকীক:
হাদীস নং: ৯২৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ নফল নামাযের অনুচ্ছেদসমূহ
(১) অনুচ্ছেদ: নফল নামাযের ফযীলত এবং তার দ্বারা ফরয নামাযের ক্ষতিপূরণ হওয়া সম্পর্কিত যেসব বর্ণনা এসেছে
(১) অনুচ্ছেদ: নফল নামাযের ফযীলত এবং তার দ্বারা ফরয নামাযের ক্ষতিপূরণ হওয়া সম্পর্কিত যেসব বর্ণনা এসেছে
(৯২৪) আবূ বুরদাহ ইবন্ আবূ মূসা থেকে বর্ণিত, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সা) বলেছেন: যে ব্যক্তি ফরয নামায ব্যতীত প্রতি দিন ও রাতে বার রাক'আত নফল নামায পড়ে, তার জন্য বেহেশতে একটি গৃহ নির্মাণ করা হয়।
(হাইছামী। তিনি বলেন, হাদীসটি আহমদ বাযযার ও তবারানী আল কবির ও আল আউসাত উভয় গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন।)
(হাইছামী। তিনি বলেন, হাদীসটি আহমদ বাযযার ও তবারানী আল কবির ও আল আউসাত উভয় গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন।)
كتاب الصلاة
أبواب صلاة التطوع
1 - باب ما جاء في فضلها وأنها تجبر نقص الفريضة
1 - باب ما جاء في فضلها وأنها تجبر نقص الفريضة
(928) عن أبي بردة بن أبي موسى عن أبيه (2) قال: قال رسول الله صلى الله عليه وآله وسلم: من صلى في يوم وليلة ثنتي عشرة ركعة سوى الفريضة بني له بيت في الجنة.
তাহকীক:
হাদীস নং: ৯২৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ নফল নামাযের অনুচ্ছেদসমূহ
(১) অনুচ্ছেদ: নফল নামাযের ফযীলত এবং তার দ্বারা ফরয নামাযের ক্ষতিপূরণ হওয়া সম্পর্কিত যেসব বর্ণনা এসেছে
(১) অনুচ্ছেদ: নফল নামাযের ফযীলত এবং তার দ্বারা ফরয নামাযের ক্ষতিপূরণ হওয়া সম্পর্কিত যেসব বর্ণনা এসেছে
(৯২৫) আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, আব্দুল্লাহ বলেন, আমার পিতা বলেন। তিনি (আবু হুরায়রা) উক্ত হাদীসটি মারফু হিসেবে বর্ণনা করেন নি। যে ব্যক্তি স্বেচ্ছায় প্রতিদিন বার রাক'আত (নফল) নামায আদায় করবে তার জন্য বেহেশতে একটি গৃহ নির্মাণ করা হবে।
(নাসায়ী ও ইবন মাজাহ। ইমাম আহমদের সনদটি উত্তম।)
(নাসায়ী ও ইবন মাজাহ। ইমাম আহমদের সনদটি উত্তম।)
كتاب الصلاة
أبواب صلاة التطوع
1 - باب ما جاء في فضلها وأنها تجبر نقص الفريضة
1 - باب ما جاء في فضلها وأنها تجبر نقص الفريضة
(929) عن أبي هريرة رضي الله عنه قال عبد الله (3) قال أبي ولم يرفعه ما من عبد مسلم يصلي في يوم ثنتي عشرة ركعة تطوعًا إلا بني له بيت في الجنة.
তাহকীক: