ওয়াকফকৃত না হলেও মসজিদের জিনিস বিনামূল্যে নেওয়া বৈধ নয়
প্রশ্নঃ ১৫৪৮০১. আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, কোন মসজিদ যদি ওয়াকফকৃত না হয়। এবং সে মসজিদে কেউ একজন কোন কিছু দিয়ে দিল। আর ওই জিনিসটি যদি অন্য কেউ মসজিদে ব্যবহৃত হচ্ছে না বলে টাকা দিয়ে ক্রয় করে। বা এমনিতেই ব্যবহার করে। তাহলে কি কোন সমস্যা হবে কিনা।
৪ জুন, ২০২৬
ঢাকা
উত্তর
و علَيْــــــــــــــــــــكُم السلام ورحمة الله وبركاته
بسم الله الرحمن الرحيم
ওয়াকফকৃত না হলেও অস্থায়ী মসজিদের জন্য কেউ কিছু দিলে তা উক্ত মসজিদের বলেই গণ্য হবে। কেননা কোন প্রতিষ্ঠান কোন কিছুর মালিক হওয়ার জন্য তা ওয়াকফকৃত হওয়া জরুরি নয়। আর মসজিদের কোন জিনিস কারও জন্য বিনা মূল্যে ব্যবহার করা বৈধ নয়। তবে ক্রয় করে ব্যবহার করতে বাধা নেই।
সুতরাং প্রশ্নোক্ত ক্ষেত্রে ওয়াকফকৃত না হলেও উক্ত মসজিদের জন্য কেউ কিছু দিলে তা মসজিদের মালিকানা বলেই গণ্য হবে। আর মসজিদের কোন জিনিস কাজে না লাগলে তা বিক্রি করা এবং যে কেউ তা ক্রয় করে ব্যবহার করা জায়েয আছে। সেক্ষেত্রে বিক্রিলব্ধ মূল্য অবশ্যই মসজিদের অন্য প্রয়োজনে ব্যয় করতে হবে। কোন অবস্থায়ই মসজিদের জিনিস বিনামূল্যে নিয়ে যাওয়া এবং ব্যবহার করা বৈধ নয়।
من المستندات الشرعية
** «البحر الرائق شرح كنز الدقائق (5/ 237):
«(ويصرف نقضه إلى عمارته إن احتاج وإلا حفظه للاحتياج ولا يقسمه بين مستحقي الوقف) بيان لما انهدم من بناء الوقف وخشبه والنقض بالضم البناء المنقوض»
** «حاشية ابن عابدين = رد المحتار » (4/ 360):
«وفي فتاوى النسفي: سئل شيخ الإسلام عن أهل قرية رحلوا وتداعى مسجدها إلى الخراب، وبعض المتغلبة يستولون على خشبه، وينقلونه إلى دورهم هل لواحد من أهل المحلة أن يبيع الخشب بأمر القاضي، ويمسك الثمن ليصرفه إلى بعض المساجد أو إلى هذا المسجد؟»
** ملتقى الأبحر» (ص587):
«يصرف إِلَى عِمَارَته إِن احْتَاجَ وإلاّ حفظ إِلَى وَقت الْحَاجة وَإِن تعذر صرف عينه يُبَاع وَيصرف ثمنه إِلَيْهَا وَلَا يقسم بَين مستحقي الْوَقْف.»
** «البحر الرائق شرح كنز الدقائق ومنحة الخالق وتكملة الطوري» (5/ 237):
«وفي الحاوي فإن خيف هلاك النقض باعه الحاكم وأمسك ثمنه لعمارته عند الحاجة. اهـ.»
والله اعلم بالصواب
উত্তর দাতা:
মুহাম্মাদ আশরাফুল আলম
মুফতি, ফতোয়া বিভাগ, জামিয়া দারুল উলুম আল ইসলামিয়া, পল্লবী, ঢাকা
খতিব, দারুল খুলদ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ, মুন্সিবাগ, নারায়ণগঞ্জ
মুফতি, ফতোয়া বিভাগ, জামিয়া দারুল উলুম আল ইসলামিয়া, পল্লবী, ঢাকা
খতিব, দারুল খুলদ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ, মুন্সিবাগ, নারায়ণগঞ্জ
মন্তব্য (0)
কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!
মন্তব্য করতে লগইন করুন
এ সম্পর্কিত আরও জিজ্ঞাসা/প্রশ্ন-উত্তর
সাম্প্রতিক প্রশ্নোত্তর
মাসায়েল-এর বিষয়াদি
আল কুরআনুল কারীম
৪
হাদীস ও সুন্নাহ
৬
তাসাউফ-আত্মশুদ্ধি । ইসলাহী পরামর্শ
৩
শরীআত সম্পর্কিত
১৫
ফিতনাসমুহ; বিবরণ - করণীয়
২
আখিরাত - মৃত্যুর পরে
৩
ঈমান বিধ্বংসী কথা ও কাজ
৬
ফিরাকে বাতিলা - ভ্রান্ত দল ও মত
২
পবিত্রতা অর্জন
৮
নামাযের অধ্যায়
১৯
যাকাত - সদাকাহ
৫
রোযার অধ্যায়
৬
হজ্ব - ওমরাহ
২
কাফন দাফন - জানাযা
৫
কসম - মান্নত
১
কুরবানী - যবেহ - আকীকা
৪
বিবাহ শাদী
৮
মীরাছ-উত্তরাধিকার
২
লেনদেন - ব্যবসা - চাকুরী
৯
আধুনিক মাসায়েল
৬
দন্ড বিধি
২
দাওয়াত ও জিহাদ
৩
ইতিহাস ও ঐতিহ্য
৬
সীরাতুন নবী সাঃ । নবীজীর জীবনচরিত
৩
সাহাবা ও তাবেঈন
৩
ফাযায়েল ও মানাকেব
৩
কিতাব - পত্রিকা ও লেখক
৩
পরিবার - সামাজিকতা
৭
মহিলা অঙ্গন
২
আখলাক-চরিত্র
২
আদব- শিষ্টাচার
১২
রোগ-ব্যধি। চিকিৎসা
২
দোয়া - জিকির
২
নাম। শব্দ জ্ঞান
৩
নির্বাচিত
২
সাম্প্রতিক
১
বিবিধ মাসআলা
১