কিডনি রোগে মৃত্যুবরণকারী কি শহীদের মর্যাদা পাবেন?
প্রশ্নঃ ১৬২১৪২. আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, যেকোনো অসুস্থ ব্যক্তি মারা গেলে কি শহীদের মর্যাদা পাবে? বিশেষ করে কিডনি রোগী।হযরত আমি দুঃখিত একসাথে ২টা প্রশ্ন করার জন্য,গত ০৬-০৭-২৬ তারিখ আমার বাবা কিডনি রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যায়, আব্বু অসুস্থতার কারণে দীর্ঘ ৪ মাস মতো নামাজ পড়তে পারেনি এবং রোজাও রাখতে পারেনি।
২১ জুলাই, ২০২৬
ঢাকা
উত্তর
و علَيْــــــــــــــــــــكُم السلام ورحمة الله وبركاته
بسم الله الرحمن الرحيم
সাধারণ রোগ-ব্যাধিতে মৃত্যুবরণকারী সব ব্যক্তি সরাসরি শহীদের মর্যাদা পায় না।
তবে হাদীসে কয়েক ধরনের রোগে মৃত্যুবরণকারীদের জন্য শহীদের সওয়াবের সুসংবাদ এসেছে। যেমন: প্লেগে মৃত্যু, পেটের রোগে মৃত্যু, পানিতে ডুবে মৃত্যু, আগুনে পুড়ে মৃত্যু, ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়ে মৃত্যু ইত্যাদি। এসবকে শহীদুল আখিরাহ বলা হয়। অর্থাৎ তারা দুনিয়ার শহীদের বিধান (যেমন গোসল না দেওয়া) পাবেন না; তবে আখিরাতে শহীদের সওয়াব লাভ করবেন, ইনশাআল্লাহ।
হাদীসে এসেছে,
2829 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يُوسُفَ، أَخْبَرَنَا مَالِكٌ، عَنْ سُمَيٍّ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ: أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: " الشُّهَدَاءُ خَمْسَةٌ: المَطْعُونُ، وَالمَبْطُونُ، وَالغَرِقُ، وَصَاحِبُ الهَدْمِ، وَالشَّهِيدُ فِي سَبِيلِ اللَّهِ "
অর্থ : আব্দুল্লাহ ইবনে ইউসুফ (রাহঃ) .... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, পাঁচ প্রকার মৃত ব্যক্তি শহীদঃ মহামারীতে মৃত ব্যক্তি, পেটের পীড়ায় মৃত ব্যক্তি, পানিতে ডুবে মৃত ব্যক্তি, ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়ে মৃত ব্যক্তি এবং যে আল্লাহর পথে শহীদ হল, সে ব্যক্তি।
সহীহ বুখারী, হাদীস নং: ২৮২৯
হাদীসের লিংক:https://muslimbangla.com/hadith/2633
অপর একটি হাদীসে এসেছে,
حَدَّثَنَا الْقَعْنَبِيُّ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ جَابِرِ بْنِ عَتِيكٍ، عَنْ عَتِيكِ بْنِ الْحَارِثِ بْنِ عَتِيكٍ، - وَهُوَ جَدُّ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ أَبُو أُمِّهِ - أَنَّهُ أَخْبَرَهُ أَنَّ عَمَّهُ جَابِرَ بْنَ عَتِيكٍ أَخْبَرَهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم جَاءَ يَعُودُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ ثَابِتٍ فَوَجَدَهُ قَدْ غُلِبَ فَصَاحَ بِهِ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَلَمْ يُجِبْهُ فَاسْتَرْجَعَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَقَالَ " غُلِبْنَا عَلَيْكَ يَا أَبَا الرَّبِيعِ " . فَصَاحَ النِّسْوَةُ وَبَكَيْنَ فَجَعَلَ ابْنُ عَتِيكٍ يُسْكِتُهُنَّ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " دَعْهُنَّ فَإِذَا وَجَبَ فَلاَ تَبْكِيَنَّ بَاكِيَةٌ " . قَالُوا وَمَا الْوُجُوبُ يَا رَسُولَ اللَّهِ قَالَ " الْمَوْتُ " . قَالَتِ ابْنَتُهُ وَاللَّهِ إِنْ كُنْتُ لأَرْجُو أَنْ تَكُونَ شَهِيدًا فَإِنَّكَ كُنْتَ قَدْ قَضَيْتَ جِهَازَكَ . قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِنَّ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ قَدْ أَوْقَعَ أَجْرَهُ عَلَى قَدْرِ نِيَّتِهِ وَمَا تَعُدُّونَ الشَّهَادَةَ " . قَالُوا الْقَتْلَ فِي سَبِيلِ اللَّهِ . قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " الشَّهَادَةُ سَبْعٌ سِوَى الْقَتْلِ فِي سَبِيلِ اللَّهِ الْمَطْعُونُ شَهِيدٌ وَالْغَرِقُ شَهِيدٌ وَصَاحِبُ ذَاتِ الْجَنْبِ شَهِيدٌ وَالْمَبْطُونُ شَهِيدٌ وَصَاحِبُ الْحَرِيقِ شَهِيدٌ وَالَّذِي يَمُوتُ تَحْتَ الْهَدْمِ شَهِيدٌ وَالْمَرْأَةُ تَمُوتُ بِجُمْعٍ شَهِيدٌ " .
অর্থ : জাবির ইবনে আতীক (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আব্দুল্লাহ ইবনে ছাবিত (রাযিঃ)-এর রোগের খোঁজ-খবর নেয়ার জন্য আসেন। এ সময় তিনি তাঁকে বেহুশ অবস্থায় পান। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁকে জোরে ডাকেন, কিন্তু তিনি কোন জওয়াব দেননি। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ’ইন্না লিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলায়হি রাজিউন’ পাঠ করেন এবং বলেনঃ হে আবু রাবী! আমি তোমার ব্যাপারে পরাস্ত হয়েছি। এ কথা শুনে মহিলারা চিৎকার দিয়ে কাঁদা শুরু করে। তখন ইবনে আতীক (রাযিঃ) তাদের শান্ত হতে বলেন। এমতাবস্থায় রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেনঃ তাদের ছেড়ে দাও, (অর্থাৎ কাঁদতে দাও)। অবশ্য যখন ওয়াজিব হবে, তখন যেন কোন ক্রন্দনকারী আর না কাঁদে। তখন তারা জিজ্ঞাসা করেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ! ওয়াজিব হওয়ার অর্থ কি? তিনি বলেনঃ মৃত্যু।
(রাবী বলেনঃ) তখন আব্দুল্লাহ ইবনে ছাবিত (রাযিঃ)-এর কন্যা বললঃ আল্লাহর শপথ! আমার তো এরূপ ধারণা ছিল যে, তুমি শহীদ হবে। কেননা, তুমি যুদ্ধের জন্য যাবতীয় সরঞ্জাম সংগ্রহ করছিলে। একথা শুনে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেনঃ নিশ্চয় আল্লাহ তাকে তার নিয়তের সাওয়াব প্রদান করবেন। তোমরা শাহাদত বলতে কি মনে কর? তিনি বলেনঃ আল্লাহর রাস্তায় কতল হয়ে যাওয়াকে। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেনঃ আল্লাহর রাস্তায় শহীদ হওয়া ছাড়াও আরো সাত ধরনের শহীদ আছে যথাঃ
(১) মহামরীতে মৃত্যু বরণকারীও শহীদ;
(২) পানিতে ডুবে মৃত্যু বরণকারীও শহীদ;
(৩) পক্ষাঘাতে মৃত্যু বরণকারীও শহীদ;
(৪) পেটের রোগের কারণে (কলেরা, ডায়রিয়া ইত্যাদিতে) মৃত্যু বরণকারীও শহীদ;
(৫) অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত্যু বরণকারীও শহীদ;
(৬) কোন কিছুর নীচে চাপা পড়ে মৃত্যু বরণকারীও শহীদ এবং
(৭) যে মহিলা গর্ভাবস্থায় মারা যাবে, সেও শহীদ।
সুনানে আবু দাউদ, হাদীস নং: ৩১১১
হাদীসের লিংক:https://muslimbangla.com/hadith/17444
কিডনি রোগে মৃত্যুবরণকারী ব্যক্তিকে নির্দিষ্টভাবে শহীদ বলা সম্পর্কে হাদীসে স্পষ্ট কোনো বর্ণনা পাওয়া যায় না। তবে মুহাদ্দীসীনে কেরামের ব্যাখ্যা থেকে বুঝে আসে, কিডনি রোগে মৃত্যুবরণকারী ব্যক্তিও শহীদের হুকুমের আওতায় পড়বে। কিডনি রোগও পেটের রোগের অন্তর্ভূক্ত হবে। এবং এমন ব্যক্তিও শহীদুল আখিরাহ হিসেবে গণ্য হবে।
আল্লামা মুল্লা আলী ক্বারী (রহ.) মিরকাতুল মাফাতীহ কিতাবে উল্লেখ করেন,
وَالْمَبْطُونُ) أَيِ: الَّذِي يَمُوتُ بِمَرَضِ الْبَطْنِ كَالِاسْتِسْقَاءِ وَنَحْوِهِ،
অর্থ: (মাবতূন হলো) ঐ ব্যক্তি, যে পেটের কোনো রোগে মারা যায়। চাই তা 'ইস্তিসকা' (উদররি বা পেটে পানি জমা) রোগ হোক কিংবা অন্য কোনো (আভ্যন্তরীণ) রোগ।
[মিরকাতুল মাফাতীহ ৩/১১৪৯]
মিশকাতের বিখ্যাত ব্যাখ্যাগ্রন্থ লামাআতু তানকীহ কিতাবে উল্লেখ আছে,
وقوله: (والمبطون) قيل: المراد به من مات من إسهال، أو استسقاء وانتفاخ بطن، أو ممن يشتكي بطنه، أو من يموت بداء بطنه مطلقًا، أقول: وإنما كان بهذه المعاني من الشهداء لشدتها وكثرة أَلَمها.
لمعات التنقيح في شرح مشكاة المصابيح، 4/27
অর্থ : নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণী: (المبطون - আল-মাবতূন) সম্পর্কে বলা হয়েছে, এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো এমন ব্যক্তি যে ডায়রিয়া, পেটে পানি জমা ও পেট ফোলা, পেটের যাতনা বা সাধারণভাবে পেটের যেকোনো মারাত্মক রোগে মৃত্যুবরণ করে। আমি (গ্রন্থকার) বলব: এসব রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিরা তাদের কষ্টের তীব্রতা ও যন্ত্রণার আধিক্যের কারণেই শাহাদাতের মর্যাদা পেয়ে থাকেন।
[লামাআতু তানকীহ ফি শারহি মিশকাতিল মাসাবীহ ৪/২৭]
অসুস্থতার কারণে কাজা হওয়া নামাজ ও রোজার বিধান :
যদি আপনার পিতার অবস্থা এমন পর্যায়ে পৌঁছে যে, তার হুস জ্ঞান ছিল না। ইশারা করেও নামায পড়ার সক্ষমতা ছিলা না। তাহলে এমন অবস্থায় তার উপর থেকে নামাযের বিধান রহিত হয়ে গেছে। এ অবস্থায় নামায রোযা আদায় করতে না পারার কারণে তার কোন গুনাহ হবে না।
আর যদি ইশারা করে হলেও সালাত আদায়ের সামর্থ্য থেকে থাকত তাহলে ঐ নামাজগুলো কাজা হিসেবে গণ্য হবে।
এ ক্ষেত্রে আপনার পিতা অসুস্থ অবস্থায় যে নামাজ ও রোজাগুলো আদায় করতে পারেননি, সেগুলোর দায় থেকে উনাকে পূর্ণ মুক্ত রাখতে ও উনার সওয়াব বৃদ্ধির জন্য ওয়ারিশ হিসেবে আপনারা উনার পক্ষ থেকে ফিদয়া দিয়ে দেওয়া উচিত। ফিদয়া হলো, প্রত্যেক নাময রোযার জন্য গরিব মিসকীনদের কে দুই বেলা খাবার দিতে হবে বা বা সদকায়ে ফিতির পরিমাণ ফিদয়া আদায় করতে হবে।
(وَلَوْ مَاتَ وَعَلَيْهِ صَلَوَاتٌ فَائِتَةٌ وَأَوْصَى بِالْكَفَّارَةِ يُعْطَى لِكُلِّ صَلَاةٍ نِصْفَ صَاعٍ مِنْ بُرٍّ) كَالْفِطْرَةِ
(قَوْلُهُ وَعَلَيْهِ صَلَوَاتٌ فَائِتَةٌ إلَخْ) أَيْ بِأَنْ كَانَ يَقْدِرُ عَلَى أَدَائِهَا وَلَوْ بِالْإِيمَاءِ، فَيَلْزَمُهُ الْإِيصَاءُ بِهَا وَإِلَّا فَلَا يَلْزَمُهُ وَإِنْ قَلَّتْ، بِأَنْ كَانَتْ دُونَ سِتِّ صَلَوَاتٍ، لِقَوْلِهِ عليه الصلاة والسلام «فَإِنْ لَمْ يَسْتَطِعْ فَاَللَّهُ أَحَقُّ بِقَبُولِ الْعُذْرِ مِنْهُ» وَكَذَا حُكْمُ الصَّوْمِ فِي رَمَضَانَ إنْ أَفْطَرَ فِيهِ الْمُسَافِرُ وَالْمَرِيضُ وَمَاتَا قَبْلَ الْإِقَامَةِ وَالصِّحَّةِ، وَتَمَامُهُ فِي الْإِمْدَادِ. مَطْلَبٌ فِي إسْقَاطِ الصَّلَاةِ عَنْ الْمَيِّتِ.
(قَوْلُهُ يُعْطَى) بِالْبِنَاءِ لِلْمَجْهُولِ: أَيْ يُعْطِي عَنْهُ وَلِيُّهُ: أَيْ مَنْ لَهُ وِلَايَةُ التَّصَرُّفِ فِي مَالِهِ بِوِصَايَةٍ أَوْ وِرَاثَةٍ فَيَلْزَمُهُ ذَلِكَ مِنْ الثُّلُثِ إنْ أَوْصَى، وَإِلَّا فَلَا يُلْزَمُ الْوَلِيُّ ذَلِكَ لِأَنَّهَا عِبَادَةٌ فَلَا بُدَّ فِيهَا مِنْ الِاخْتِيَارِ، فَإِذَا لَمْ يُوصِ فَاتَ الشَّرْطُ فَيَسْقُطُ فِي حَقِّ أَحْكَامِ الدُّنْيَا لِلتَّعَذُّرِ، بِخِلَافِ حَقِّ الْعِبَادِ فَإِنَّ الْوَاجِبَ فِيهِ وُصُولُهُ إلَى مُسْتَحَقِّهِ لَا غَيْرُ، وَلِهَذَا لَوْ ظَفِرَ بِهِ الْغَرِيمُ يَأْخُذُهُ بِلَا قَضَاءٍ وَلَا رِضَا، وَيَبْرَأُ مَنْ عَلَيْهِ الْحَقُّ بِذَلِكَ إمْدَادٌ.
ثُمَّ اعْلَمْ أَنَّهُ إذَا أَوْصَى بِفِدْيَةِ الصَّوْمِ يُحْكَمُ بِالْجَوَازِ قَطْعًا لِأَنَّهُ مَنْصُوصٌ عَلَيْهِ. وَأَمَّا إذَا لَمْ يُوصِ فَتَطَوَّعَ بِهَا الْوَارِثُ فَقَدْ قَالَ مُحَمَّدٌ فِي الزِّيَادَاتِ إنَّهُ يُجْزِيهِ إنْ شَاءَ اللَّهُ تَعَالَى، فَعَلَّقَ الْإِجْزَاءَ بِالْمَشِيئَةِ لِعَدَمِ النَّصِّ، وَكَذَا عَلَّقَهُ بِالْمَشِيئَةِ فِيمَا إذَا أَوْصَى بِفِدْيَةِ الصَّلَاةِ لِأَنَّهُمْ أَلْحَقُوهَا بِالصَّوْمِ احْتِيَاطًا لِاحْتِمَالِ كَوْنِ النَّصِّ فِيهِ مَعْلُولًا بِالْعَجْزِ فَتَشْمَلُ الْعِلَّةُ الصَّلَاةَ وَإِنْ لَمْ يَكُنْ مَعْلُولًا تَكُونُ الْفِدْيَةُ بِرًّا مُبْتَدَأً يَصْلُحُ مَاحِيًا لِلسَّيِّئَاتِ فَكَانَ فِيهَا شُبْهَةٌ كَمَا إذَا لَمْ يُوصِ بِفِدْيَةِ الصَّوْمِ فَلِذَا جَزَمَ مُحَمَّدٌ بِالْأَوَّلِ وَلَمْ يَجْزِمْ بِالْأَخِيرَيْنِ، فَعُلِمَ أَنَّهُ إذَا لَمْ يُوصِ بِفِدْيَةِ الصَّلَاةِ فَالشُّبْهَةُ أَقْوَى.
الدر المختار و رد المحتار 2/ 72
والله اعلم بالصواب
উত্তর দাতা:
মুফতী আবু সাঈদ
উস্তাজ, ইদারাতুত্ তাখাসসুস ফিল উলূমিল ইসলামিয়া, আজিমপুর
উস্তাজ, ইদারাতুত্ তাখাসসুস ফিল উলূমিল ইসলামিয়া, আজিমপুর
মন্তব্য (0)
কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!
মন্তব্য করতে লগইন করুন
এ সম্পর্কিত আরও জিজ্ঞাসা/প্রশ্ন-উত্তর
মাসায়েল-এর বিষয়াদি
আল কুরআনুল কারীম
৪
হাদীস ও সুন্নাহ
৬
তাসাউফ-আত্মশুদ্ধি । ইসলাহী পরামর্শ
৩
শরীআত সম্পর্কিত
১৫
ফিতনাসমুহ; বিবরণ - করণীয়
২
আখিরাত - মৃত্যুর পরে
৩
ঈমান বিধ্বংসী কথা ও কাজ
৬
ফিরাকে বাতিলা - ভ্রান্ত দল ও মত
২
পবিত্রতা অর্জন
৮
নামাযের অধ্যায়
১৯
যাকাত - সদাকাহ
৫
রোযার অধ্যায়
৬
হজ্ব - ওমরাহ
২
কাফন দাফন - জানাযা
৫
কসম - মান্নত
১
কুরবানী - যবেহ - আকীকা
৪
বিবাহ শাদী
৮
মীরাছ-উত্তরাধিকার
২
লেনদেন - ব্যবসা - চাকুরী
৯
আধুনিক মাসায়েল
৬
দন্ড বিধি
২
দাওয়াত ও জিহাদ
৩
ইতিহাস ও ঐতিহ্য
৬
সীরাতুন নবী সাঃ । নবীজীর জীবনচরিত
৩
সাহাবা ও তাবেঈন
৩
ফাযায়েল ও মানাকেব
৩
কিতাব - পত্রিকা ও লেখক
৩
পরিবার - সামাজিকতা
৭
মহিলা অঙ্গন
২
আখলাক-চরিত্র
২
আদব- শিষ্টাচার
১২
রোগ-ব্যধি। চিকিৎসা
২
দোয়া - জিকির
২
নাম। শব্দ জ্ঞান
৩
নির্বাচিত
২
সাম্প্রতিক
১
বিবিধ মাসআলা
১