চার মাজহাবের মতভেদের কারণ এবং দলিলের শক্তি বোঝার উপায়
প্রশ্নঃ ১৬৪১১৪. আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, আমাদের হানাফি মাজহাবের দলিলগুলো কেনো অন্য মাজহাব এর ইমামদের মত থেকে শক্তিশালি? আর অন্য মাজহাবের ইমামের মতে তাদের মাজহাবের মতগুলি কেনো বেশি শক্তিশালি, আমাদের মতগুলো তাদের কাছে কেনো শক্তিশালি নয়? এই ব্যাপারগুলো বুঝার জন্য কি আলেম হওয়া লাগবে? নাকি সাধারন জ্ঞানেই সম্ভব?
১০ আগস্ট, ২০২৬
Dhaka
উত্তর
و علَيْــــــــــــــــــــكُم السلام ورحمة الله وبركاته
بسم الله الرحمن الرحيم
প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি ভাই!
প্রথমে একটি বিষয় পরিষ্কার করা জরুরি:
১. এভাবে বলা ঠিক নয় যে হানাফি মাজহাবের সব দলিল অন্য সব মাজহাবের দলিলের চেয়ে শক্তিশালী। একইভাবে শাফেয়ি, মালেকি বা হাম্বলি মাজহাবের ক্ষেত্রেও বলা যাবে না যে তাদের সব মতই সবচেয়ে শক্তিশালী।
চার মাজহাবের ইমামই কুরআন, সুন্নাহ, সাহাবায়ে কেরামের আমল এবং অন্যান্য শরয়ি দলিলের ভিত্তিতে ইজতিহাদ করেছেন। তাঁদের মধ্যে মতভেদের অন্যতম প্রধান কারণ হলো একই দলিলকে গ্রহণ, যাচাই, সমন্বয় ও প্রয়োগ করার পদ্ধতিতে উসুলগত পার্থক্য থাকা।
২. তাহলে একই দলিল থেকে ভিন্ন মত কেন হলো?
একটি হাদীস একজন ইমামের কাছে সহীহ ও গ্রহণযোগ্য হিসেবে প্রমাণিত হতে পারে, অন্য ইমামের কাছে হয়তো সেই সূত্রে তা যথেষ্ট শক্তিশালী মনে হয়নি। আবার কখনো উভয় ইমামের কাছেই হাদীসটি গ্রহণযোগ্য ছিল, কিন্তু একটি হাদীসের সঙ্গে অন্য হাদীসকে কীভাবে সমন্বয় করা হবে, কোনো সাহাবির আমলকে কতটা গুরুত্ব দেওয়া হবে, কোনো সাধারণ আয়াতকে অন্য কোনো নির্দিষ্ট দলিল দ্বারা বিশেষায়িত করা হয়েছে কি না, নাসিখ ও মানসুখের বিষয় আছে কি না ইত্যাদিতে তাঁদের ইজতিহাদ ভিন্ন হয়েছে।
৩. একটি সহজ উদাহরণ
ধরুন, একটি বিষয়ে দুইটি হাদীস পাওয়া গেল। একটি হাদীসের বাহ্যিক অর্থ একদিকে যাচ্ছে, আর অন্য একটি হাদীস অন্যদিকে যাচ্ছে।
তখন কয়েকটি প্রশ্ন সামনে আসবে।
১. দুটি হাদীসের মধ্যে সমন্বয় করা সম্ভব কি না?
২. একটি কি অন্যটির ব্যাখ্যা করছে?
৩. কোনটি আগে বলা হয়েছে?
৪. কোনটি নাসিখ আর কোনটি মানসুখ?
৫. কোনটির সনদ অধিক শক্তিশালী?
৬. কোনো সাহাবির আমল বা ফতোয়া এর সঙ্গে সম্পর্কিত কি না?
৭. দলিল দুটির মধ্যে কোনটিকে কীভাবে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে?
এই প্রশ্নগুলোর উত্তর বের করতে শুধু হাদীসের অনুবাদ পড়লেই হয় না। হাদীসের সনদ, রাবিদের অবস্থা, উসুলুল হাদীস, উসুলুল ফিকহ, আরবি ভাষা, সাহাবায়ে কেরামের আমলসহ অনেক বিষয় জানতে হয়।
৪. উসুলের পার্থক্যও মতভেদের বড় কারণ:
ইমামদের মধ্যে মতভেদের একটি বড় কারণ হলো উসুলুল ফিকহের নীতিমালায় পার্থক্য। যেমন কোনো দলিলের সাধারণ অর্থকে পরবর্তী কোনো দলিল দ্বারা বিশেষায়িত করা হবে কি না, কোনো আদেশ দ্বারা ওয়াজিব বোঝানো হবে নাকি অন্য কোনো হুকুম, কোনো নিষেধ দ্বারা সরাসরি হারাম বোঝানো হবে কি না, কোনো হাদীস গ্রহণের ক্ষেত্রে কী কী শর্ত বিবেচনা করা হবে ইত্যাদি বিষয়ে তাঁদের পদ্ধতিতে পার্থক্য ছিল।
৫. ইমামদের কারও কাছে কোনো দলিল না পৌঁছানোও একটি কারণ হতে পারে:
কোনো ইমামের কাছে এমন কোনো হাদীস পৌঁছায়নি, যা পরবর্তী সময়ে অন্য ইমামের কাছে পৌঁছেছে। আবার একই হাদীস কারও কাছে নির্ভরযোগ্য সূত্রে প্রমাণিত হয়েছে, অন্যের কাছে সেই সূত্রে প্রমাণিত হয়নি। তাই একজন ইমাম কোনো দলিলের ভিত্তিতে যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, অন্য ইমাম সেই দলিল না পাওয়ায় বা তার গ্রহণযোগ্যতা সম্পর্কে ভিন্ন অবস্থান নেওয়ায় অন্য সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন। এর অর্থ এই নয় যে কোনো ইমাম কুরআন ও সুন্নাহকে মানতেন না।
৬. তাই একজন হানাফি যখন বলেন আমাদের দলিল শক্তিশালী, তার অর্থ কী?
একজন হানাফি আলেম যখন বলেন, এই মাসআলায় হানাফি মতের দলিল বেশি শক্তিশালী, তখন তিনি সাধারণত হানাফি উসুল ও দলিল বিশ্লেষণের পদ্ধতি অনুযায়ী কথা বলছেন।
অন্যদিকে একজন শাফেয়ি আলেম একই দলিল এবং অন্যান্য দলিলকে শাফেয়ি উসুল অনুযায়ী বিচার করে বলতে পারেন, তাঁদের মতের দলিল বেশি শক্তিশালী।
অর্থাৎ বিষয়টি অনেক সময় শুধু কে কোন হাদীস উল্লেখ করল তার ওপর নির্ভর করে না; বরং কোন দলিলকে কীভাবে যাচাই করা হলো, অন্যান্য দলিলের সঙ্গে কীভাবে সমন্বয় করা হলো এবং শরিয়তের সামগ্রিক উসুলের মধ্যে সেটিকে কীভাবে প্রয়োগ করা হলো, তার ওপরও নির্ভর করে।
৭. তাহলে কি একজনের মত সত্য আর অন্যজনের মত মিথ্যা?
ফিকহের ইজতিহাদি মতভেদের ক্ষেত্রে বিষয়টি এত সরল নয়। চার ইমামই কুরআন ও সুন্নাহ থেকে হুকুম বের করার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন। কোনো মুজতাহিদ সঠিক সিদ্ধান্তে পৌঁছালে দুই সওয়াব এবং ভুল ইজতিহাদ করলেও এক সওয়াব পাওয়ার ব্যাপারে সহীহ হাদীস রয়েছে। তাই যোগ্য মুজতাহিদ ইমামদের সম্মান করা এবং তাঁদের ইজতিহাদি মতভেদকে যথাযথভাবে বোঝা জরুরি।
৮. সাধারণ জ্ঞান দিয়ে কি এসব বোঝা সম্ভব?
বিষয়টির সাধারণ কাঠামো বোঝা অবশ্যই সম্ভব। আপনি সাধারণ শিক্ষার্থী হয়েও বুঝতে পারবেন যে কেন ইমাম আবু হানিফা রহ. একটি বিষয়ে এক মত গ্রহণ করলেন এবং ইমাম শাফেয়ি রহ. অন্য মত গ্রহণ করলেন।
কিন্তু কোন মতের দলিল প্রকৃতপক্ষে বেশি শক্তিশালী, কোন হাদীসের সনদ বেশি শক্তিশালী, কোন দলিল দ্বারা কোন দলিল বিশেষায়িত হয়েছে, কোথায় নাসিখ ও মানসুখ, কোন সাহাবির আমল গ্রহণযোগ্য এবং কোন উসুল এখানে প্রয়োগ হবে—এমন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সাধারণ জ্ঞান দিয়ে দেওয়া নিরাপদ নয়।
৯. তাহলে কি আলেম হওয়া লাগবে?
আপনি যদি নিজে নিজে গভীর গবেষণা করে বিভিন্ন মাজহাবের দলিল ও উসুল তুলনা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দিতে চান, তাহলে অবশ্যই যথেষ্ট ইলম অর্জন করতে হবে।
শুধু ফিকহের কয়েকটি কিতাব পড়লেই হবে না। উসুলুল ফিকহ, উসুলুল হাদীস, হাদীস, জারহ ও তাদীল, আরবি ভাষা, নাহু-সরফ, ফিকহ এবং বিভিন্ন মাজহাবের উসুল সম্পর্কে পর্যাপ্ত জ্ঞান প্রয়োজন।
তবে বিষয়টি বোঝার জন্য আলেম হওয়া জরুরি নয়। আপনি ধীরে ধীরে পড়াশোনা করে মাজহাবগুলোর পার্থক্যের কারণ বুঝতে পারবেন। এজন্য কোন উস্তাজের সান্যিধ্যে উসুলুল ফিকহের প্রাথমিক জ্ঞান অর্জন করা অত্যন্ত উপকারী। (তবে উসুলে ফিকহের গভীরতা বুঝতে হলে একাডেমিক জ্ঞাণ জরুরী। অন্যথায় শুধু কিছু বুলি শিখা ছাড়া কিছুই অর্জিত হবে না)
১০. সাধারণ মানুষের করণীয় কী?
সাধারণ মানুষ সব দলিল যাচাই করে নিজে নিজে কোনটি রাজেহ আর কোনটি মারজূহ নির্ধারণ করতে সক্ষম হতে পারবে না। তাই তার দায়িত্ব হলো বিশ্বস্ত ও জ্ঞানী আলেমের কাছে জিজ্ঞাসা করা। কুরআনেও বলা হয়েছে, না জানলে জ্ঞানীদের জিজ্ঞাসা করতে।
তাই একজন সাধারণ হানাফি মুসলিম নিজের মাজহাব অনুসরণ করতে পারেন এবং একই সঙ্গে অন্য মাজহাবের ইমামদেরও সম্মান করতে পারেন।
১১. নিজের মাজহাবের প্রতি আস্থা থাকবে, কিন্তু অন্য ইমামদের অবজ্ঞা করা যাবে না:
একজন হানাফি হিসেবে আপনি হানাফি মাজহাব অনুসরণ করতে পারেন এবং আপনার কাছে হানাফি মতই অধিক গ্রহণযোগ্য হতে পারে। কিন্তু এর অর্থ এই নয় যে ইমাম মালেক, ইমাম শাফেয়ি বা ইমাম আহমদ রহ. কুরআন ও সুন্নাহর ব্যাপারে কম জ্ঞানী ছিলেন বা তাঁরা দলিল ছাড়া কথা বলেছেন।
বরং চার ইমামই ছিলেন উম্মাহর মহান মুজতাহিদ। তাঁদের ইজতিহাদের মধ্যে যেসব ফিকহি মতভেদ হয়েছে, তার পেছনে দলিল ও উসুল রয়েছে। চার ইমামের মর্যাদা ও তাঁদের ইলমের ব্যাপারে পরবর্তী আলেমদের মধ্যে ব্যাপক স্বীকৃতি রয়েছে।
১২. সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথা:
মাজহাবের পার্থক্য মানেই এমন নয় যে একজনের কাছে কুরআন ও হাদীস আছে আর অন্যজনের কাছে নেই। বরং অধিকাংশ ক্ষেত্রে পার্থক্য হয়েছে দলিলের গ্রহণযোগ্যতা নির্ধারণ, দলিলগুলোর মধ্যে সমন্বয়, আরবি ভাষার অর্থ নির্ধারণ এবং উসুলুল ফিকহের বিভিন্ন নীতির প্রয়োগে।
তাই মাজহাব বুঝতে হলে শুধু “কোন হাদীস আছে” তা দেখলে হবে না; বরং দেখতে হবে “ইমাম সেই হাদীসকে কীভাবে বুঝেছেন এবং অন্য দলিলের সঙ্গে কীভাবে মিলিয়েছেন।”
এই জায়গাটিই ফিকহ ও উসুলুল ফিকহের সৌন্দর্য।
শরঈ দলীল:
فَاسْأَلُوا أَهْلَ الذِّكْرِ إِن كُنتُمْ لَا تَعْلَمُونَ
সূরা আন-নাহল, আয়াত ৪৩
عَنْ عَمْرِو بْنِ العَاصِ، أَنَّهُ سَمِعَ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: «إِذَا حَكَمَ الحَاكِمُ فَاجْتَهَدَ ثُمَّ أَصَابَ فَلَهُ أَجْرَانِ، وَإِذَا حَكَمَ فَاجْتَهَدَ ثُمَّ أَخْطَأَ فَلَهُ أَجْرٌ»
সহীহ বুখারী, হাদীস নং: ৬৮৫০
আন্তর্জাতিক নং: ৭৩৫২
وَمَاۤ اَرۡسَلۡنَا قَبۡلَکَ اِلَّا رِجَالًا نُّوۡحِیۡۤ اِلَیۡہِمۡ فَسۡـَٔلُوۡۤا اَہۡلَ الذِّکۡرِ اِنۡ کُنۡتُمۡ لَا تَعۡلَمُوۡنَ
সূরা আম্বিয়া, আয়াত নং: ৭
أولا : النقاط التي اختلف فيها الأئمة الأربعة المتبعون كثيرة ولا يمكن تتبعها في جميع أبواب الفقه في مثل هذا الجواب ، مع أن الوقوف عليها ممكن في كتب الخلاف ، مثل : :المغني" لابن قدامة ، و"بداية المجتهد" لابن رشد ، ونحوهما .
ولكن من الممكن هنا تسليط الضوء على بعض أسباب اختلاف الفقهاء بصفة عامة ، فمن أسباب اختلافهم على سبيل المثال :
1. تعارض الأدلة الشرعية في نظر المجتهد ، فتختلف طرائق الفقهاء في الترجيح أو الجمع بينها , قال علماء اللجنة الدائمة في بيان أسباب اختلاف العلماء : " تعارض الأدلة: فيختلف نظر الفقهاء في الترجيح أو الجمع بينها ، مثل : حديث النهي عن الصلاة بعد العصر حتى تغرب الشمس ، وحديث نهي من دخل المسجد عن الجلوس حتى يصلي ركعتين تحية للمسجد ؛ فاختلف الفقهاء في تطبيق ذلك على من دخل المسجد في وقت نهي عن الصلاة فيه ، فمنهم من قدم أحاديث النهي عن الصلاة ، ومنهم من قدم حديث تحية المسجد ، ولكل أدلة في ترجيح ما اختاره". انتهى من "فتاوى اللجنة الدائمة" - 1 (5 / 31).
2. اختلاف يرجع إلى اللغة العربية ، كاختلافهم في تفسير "المشترك" في اللغة ، وهو اللفظ الذي يدل في اللغة على معنيين أو أكثر ، مثل قوله تعالى ( وَالْمُطَلَّقَاتُ يَتَرَبَّصْنَ بِأَنفُسِهِنَّ ثَلاَثَةَ قُرُوَءٍ ) البقرة/ 228 ، فلفظ "القرء" في اللغة العربية مشترك بين معنيين ، يطلق لغة على الطهر ، وعلى الحيض أيضا ، والنص دل على أن المطلقات يتربصن ثلاثة قروء ، فيحتمل أن يراد ثلاثة أطهار ، ويحتمل أن يراد ثلاث حيضات ، وقد سبق بيان ذلك في الفتوى رقم (170581) . يقول ابن القيم – رحمه الله – في الصواعق المرسلة (2 / 565): " ومن هذا : الخلافُ العارض من جهة كون اللفظ مشتركا أو مجملا أو مترددا بين حمله على معناه عند الإطلاق ، وهو المسمى بالحقيقة ، أو على معناه عند التقييد ، وهو المسمى بالمجاز ، كاختلافهم في المراد من القرء : هل هو الحيض ، أو الأطهار ، ففهمت طائفة منه الحيض ، وأخرى الطهر" انتهى.
3. اختلافهم في الأدلة الإجمالية من حيث الاعتبار وعدمه ، مثال ذلك : عمل أهل المدينة فيما كان طريقه النقل ، فقد كان الإمام مالك - رحمه الله - شديد الاعتناء بعمل أهل المدينة ، ويرى أنه حجة في دين الله تعالى ، وأنه لا يجوز مخالفة جماعتهم . وقد سبق بيان ذلك في الفتوى رقم (179514).
4. اختلاف يرجع إلى التفاوت في الإحاطة بالعلم ، وقوة الفهم في النصوص الشرعية ، قال علماء اللجنة الدائمة: " أما أسباب اختلاف العلماء فكثيرة ، منها : أن كل واحد منهم لا يحيط بالعلم كله ، فقد يخفى عليه ما علم غيره ، وقد يفهم من النصوص ما لا يفهمه غيره عندما يختفي عليه الدليل الواضح ". انتهى من فتاوى اللجنة الدائمة - 1 (2 / 178).
5. اختلاف يرجع إلى السنة المطهرة ؛ كاختلافهم في تصحيح الحديث أو تضعيفه ، يقول ابن القيم – رحمه الله – في الصواعق المرسلة في الرد على الجهمية والمعطلة (2 / 556) وهو يوضح أسباب الخلاف : " السبب الثالث: اعتقاد ضعف الحديث باجتهاد قد خالفه فيه غيره , فقد يعتقد أحد المجتهدين ضعف رجل ويعتقد الآخر ثقته وقوته , وقد يكون الصواب مع المضعِّف ؛ لاطِّلاعه على سببٍ خَفِيَ على الموثق , وقد يكون الصواب مع الآخر لعلمه بأن ذلك السبب غير قادح في روايته وعدالته" انتهى. وكاشتراط بعضهم في خبر الواحد شروطاً لا يشترطها غيره , قال ابن القيم – رحمه الله – في الصواعق المرسلة (2 / 559) : "السبب الرابع : اشتراط بعضهم في خبر الواحد العدل شروطا يخالفه فيها غيره ، كاشتراط بعضهم أن يكون الراوي فقيها إذا خالف ما رواه القياس ، واشتراط بعضهم انتشار الحديث وظهوره إذا كان مما تعم به البلوى ، واشتراط بعضهم أن لا يكون الحديث قد تضمن زيادة على نص القرآن لئلا يلزم منه نسخ القرآن به ، وهذه مسائل معروفة" انتهى.
6. اختلافهم فيما يتعلق بالقواعد الأصولية ؛ كاختلافهم في المراد بنص معين هل هو باق على عمومه أم دخله التخصيص ؟ وهل باق على إطلاقه أم قُيِّد بنص آخر ، وكاختلافهم في دلالة الأمر والنهي ، واختلافهم في المنطوق والمفهوم ، إلي غير ذلك .
والله اعلم بالصواب
উত্তর দাতা:
শাহাদাত হুসাইন ফরায়েজী
মুফতী, ফাতাওয়া বিভাগ, মুসলিম বাংলা
লেখক ও গবেষক, হাদীস বিভাগ, মুসলিম বাংলা
খতীব, রৌশন আলী মুন্সীবাড়ী জামে মসজিদ, ফেনী
মুফতী, ফাতাওয়া বিভাগ, মুসলিম বাংলা
লেখক ও গবেষক, হাদীস বিভাগ, মুসলিম বাংলা
খতীব, রৌশন আলী মুন্সীবাড়ী জামে মসজিদ, ফেনী
মন্তব্য (0)
কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!
মন্তব্য করতে লগইন করুন
এ সম্পর্কিত আরও জিজ্ঞাসা/প্রশ্ন-উত্তর
মাসায়েল-এর বিষয়াদি
আল কুরআনুল কারীম
৪
হাদীস ও সুন্নাহ
৬
তাসাউফ-আত্মশুদ্ধি । ইসলাহী পরামর্শ
৩
শরীআত সম্পর্কিত
১৫
ফিতনাসমুহ; বিবরণ - করণীয়
২
আখিরাত - মৃত্যুর পরে
৩
ঈমান বিধ্বংসী কথা ও কাজ
৬
ফিরাকে বাতিলা - ভ্রান্ত দল ও মত
২
পবিত্রতা অর্জন
৮
নামাযের অধ্যায়
১৯
যাকাত - সদাকাহ
৫
রোযার অধ্যায়
৬
হজ্ব - ওমরাহ
২
কাফন দাফন - জানাযা
৫
কসম - মান্নত
১
কুরবানী - যবেহ - আকীকা
৪
বিবাহ শাদী
৮
মীরাছ-উত্তরাধিকার
২
লেনদেন - ব্যবসা - চাকুরী
৯
আধুনিক মাসায়েল
৬
দন্ড বিধি
২
দাওয়াত ও জিহাদ
৩
ইতিহাস ও ঐতিহ্য
৬
সীরাতুন নবী সাঃ । নবীজীর জীবনচরিত
৩
সাহাবা ও তাবেঈন
৩
ফাযায়েল ও মানাকেব
৩
কিতাব - পত্রিকা ও লেখক
৩
পরিবার - সামাজিকতা
৭
মহিলা অঙ্গন
২
আখলাক-চরিত্র
২
আদব- শিষ্টাচার
১২
রোগ-ব্যধি। চিকিৎসা
২
দোয়া - জিকির
২
নাম। শব্দ জ্ঞান
৩
নির্বাচিত
২
সাম্প্রতিক
১
বিবিধ মাসআলা
১