আপনার জিজ্ঞাসা/মাসায়েল

সকল মাসায়েল একত্রে দেখুন

৬৪৮২
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, আসসালামু আলাইকুম আমি আমার ফেসবুক একাউন্টে কুরআন ক্লাস শেয়ার করে সবাইকে দাওয়াত দিই।একদা এক যুবক আমাকে মেসেজ করে আসসালামুয়আলাইকুম লিখে। আমি প্রথমে তার রিপ্লাই দিতে চাইনি। পরে দিলাম তাকে আমি সব তথ্য দিলাম ক্লাসের।
তারপর একপর্যায়ে সে আমাকে জিজ্ঞেস করে আমি কোন ক্লাসে পড়ি? আমি তাকে বলতে চাইনি আমি তাকে বারসিসার গল্পের ইউটিউব লিংক দিয়ে বলি কোন মেয়ের সাথে যেন এভাবে করে কথা না বলে মেয়েরা অত্যন্ত ভয়ঙ্কর হয়। এভাবে আমি এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করি। তারপর হঠাৎ আরেকদিন আমাকে মেসেজ দেয়। রিপ্লাই দিতে চাইনি তারপরও হঠাৎ কেন জানি রিপ্লাই দিলাম। সে আমাকে আবার কিসে পড়ি জিজ্ঞেস করলে আমি তাকে তা বলে দিলাম এবং আবার আরেক দিন আমাকে ম্যাসেজ দেয়। আমাকে বলে বন্ধুত্ব করার জন্য। আমি তার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে। কিন্তু আমি জানতে চাই এই যে এত কথা বলার কারনে কি আমার গুনা হয়েছে? গুনাহ হলে সেটা থেকে আমি পানাহ কিভাবে চাইবো?। হলে কতো বেশি গুনাহ হয়েছে?
question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মুফতী ইসহাক মাহমুদ
৩ জুন, ২০২১
ঢাকা
৬৪৭০
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, আসসালামু আলাইকুম শায়খ।আমার একটা প্রশ্ন ছিল যেটা আমি কাউকেই খোলামেলা করতে পারিনা।প্রশ্নটি হল,
আমি শুনেছি যে হায়েজ থেকে পবিত্র হয় যখন সাদাস্রাব দেখা দেয়।তাই আমি কয়েকমাস ঔ নিয়মে গেসল সম্পন্ন করে নামায পরেছি।কিন্তু আবার পরে শুনি যে রক্তস্রাব বন্ধ হলেই নামায পরতে হবে।এখন আমার সমস্যা হল আমি তো বুঝিনা কখন রক্তস্রাব বন্ধ হয়।আর আমি সাদাস্রাব দেখা দেওয়ার আগেই গেসল করি কিন্তু পরে আর রক্ত দেখা যায় না। এতে কি কোন সমস্যা হবে? কারন আমি জানি যে যোহরের ওয়াক্তেই সাদাস্রাব হবে তাই আমি আগেই গোসল করি।
শায়খ আমার সমস্যাটা বিবেচনা করে আমায় চিন্তামুক্ত করুন।
question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মুফতী ইসহাক মাহমুদ
৩ জুন, ২০২১
ঢাকা
৬৪৩৩
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, আসসালামু আলাইকুম শায়েখ,

আমার প্রশ্ন কসম ভাঙ্গা এবং এর কাফফারা নিয়ে।

আমি অনেকের কাছে জেনেছি ও শুনেছি এর কাফফারা সম্পর্কে। আমার জন্য কাফফারার বিধান পেয়েছি ৩টি।

১। ১০ জন মিসকিনকে ২ বেলা খাওয়ানো।
২। ফিতরার সমপরিমাণ টাকা দিয়ে দেয়া।
৩। ১০ জন মিসকিন কে কাপড় প্রদান করা।

এখন আমি কি এর যেকোন একটাই করলে হবে নাকি আমাকে শুধু প্রথমটাই করতে হবে, যেহেতু কোরানের যে আয়াতে আমি এই সমাধান দেখেছি সেখানে শুধু ১ম টাই উল্লেখ আছে। আমি চাচ্ছি আমার এই কাফফারা সম্পর্কে আমি ছাড়া আর কেউ না জানুক, তাই আমার জন্য ২য় পদ্ধতিটি সবচেয়ে ভাল হয়।

আশা করি উত্তরটি দিয়ে আমাকে উপকৃত করবেন।

জাযাকাল্লাহু খইরান।
question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মুফতী ইসহাক মাহমুদ
২ জুন, ২০২১
ঢাকা ১২৩০
৬৩৯৭
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, আসসালামুআলাইকুম
১,আমাদের ৫ ওয়াক্ত সালাত এ ৩ ওয়াক্ত সালাত এ কেরাত উচ্চস্বরে বলা হয়,এবং ২ ওয়াক্ত মনে মনে.এটা কেন করা হয়? সঠিক বিশ্লেষণ জানতে চাই,
২,আমি গান শুনা ছেড়ে দিয়েছি আলহামদুলিল্লাহ। কিন্তু আমার রুমমেট গান সিনেমা দেখে এবং শুনে আমি বারণ করলে সাময়িক কিছু সময় অফ করে,আমর প্রশ্ন হচ্ছে আমি ত শুনতে চাইনা আমার কানে চলে আসে সেক্ষেত্রে কী আমি গুনাহগার হব?
৩,রোজা অবস্থা, ওযুর সময় যখন আমি মুখে বা নাকে পানি দেই মুখের কুলি করা অবশিষ্ট পানি যদি অনিচ্ছুক ভিতরে চলে যায়,তাহলে কী রোজা সমস্যা হবে?
আশা করি উওরগুলো রিপলে পাবো।ধন্যবাদ
question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মুফতী ইসহাক মাহমুদ
৩১ মে, ২০২১
ঢাকা
৬৩৯০
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, হুজুর আমার একটা মাসালা জানার ছিল।খুব পেরেশানির ভিতর ছিলাম আমরা পিতা মারা যাওয়ার পর থেকে আবার দুর্ঘটনায় আমার বড় ভাই মারা যায়।
হুজুর আমরা ২ ভাই ২ বোন আমার মা বেঁচে আছেন, আমার বড় ভাই বিবাহ করেছিলেন, তার কোন ছেলে,মেয়ে নাই । আমার দাদা দাদি বেচে নাই আমার বাপ চাচারা ৪ জন, দুই ফুফু ও এক চাচা তাদের সম্পদ তাদের সমান ভাবে দেওয়া হয়েছিল। এখন সমস্যা দেখা দিয়েছে আমাদের মধ্য।
আমরা এখন শরিয়াত হিসাবে কে কতো টুকু পাব এবং বড়ো ভায়ের বউ কতো টুকু পাবে,আমার নানা বড়ির থেকে সম্পদ সঠিক ভাবে পেয়েছে আমার মা আমার নানা নানি দুনোজন বেচে আছে। হুজুর মেহেরবানি করে সমাধান করে দিন আমাদের জন্য খুব উপকার হবে ইনশাআল্লাহ।
question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মুফতী ইসহাক মাহমুদ
৩১ মে, ২০২১
খুলনা