দু’আ

মোট দু’আ - ৬২০ টি

সকল দু'আ একত্রে দেখুন

.

জাহান্নাম থেকে পরিত্রাণের দু‘আ

۞  رَبَّـنَـا اصْرِفْ عَنَّا عَذَابَ جَهَنَّمَ إِنَّ عَذَابَهَا كَانَ غَرَامًا إنَّهَا سَآءَتْ مُسْتَقَرًّ وَّمُقَاماً
উচ্চারণঃ

রাব্বানাসরিফ ‘আন্না আযাবা জাহান্নামা, ইন্না আযাবাহা কানা গারামা, ইন্নাহা সাআত মুস্তাক্বার্‌রাও ওয়া মুকামা।

অর্থঃ

হে আমাদের রব! আমাদের থেকে জাহান্নামের শাস্তি হটিয়ে দাও। নিশ্চয় এর শাস্তি নিশ্চিত বিনাশ। বসবাস ও আবাসস্থল হিসেবে তা কত নিকৃষ্ট জায়গা

.

রুকুর দু‘আ

۞ سُبْحَانَ رَبِّيَ الْعَظِيْمْ
উচ্চারণঃ

সুবহানা রাব্বিয়াল আযীম।

অর্থঃ

মহাপবিত্র আমার প্রতিপালক যিনি মহান

.

দু‘আ-ই মাসুরাহ-২

۞ اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَعُوْذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ جَهَنَّمَ وَمِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ وَمِنْ فِتْنَةِ الْمَحْيَا وَالْمَمَاتِ وَمِنْ شَرِّ فِتْنَةِ الْمَسِيْحِ الدَّجَّالِ
উচ্চারণঃ

আল্লহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা মিন আজাবি জাহান্নাম ওয়া মিন আজাবিল কবরি ওয়া মিন ফিতনাতিল মাহইয়া ওয়াল মামাতি ওয়া মিন শাররি ফিতনাতিল মাসিহিদ দাজ্জাল।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমি তোমার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি জাহান্নামের আযাব থেকে, কবরের আযাব থেকে, জীবন-মৃত্যুর ফিতনা থেকে এবং মাসীহ দাজ্জালের অনিষ্ট থেকে।

.

শয়তান হতে হিফাযতের দু‘আ

۞ لٓا اِلٰهَ اِلَّا اللّٰهُ وَحْدَهٗ لا شَرِيْكَ لَهٗ، لَهُ الْمُلْكُ وَ لَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلى كُلِّ شَئٍْ قَدِيْرٌ
উচ্চারণঃ

লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু ওয়া হু ওয়া ’আলা কুল্লি শাইয়িন ক্বাদীর।

অর্থঃ

আল্লাহ ব্যতীত কোন উপাস্য নেই, তিনি একক, তাঁর কোন শরীক নেই। রাজত্ব তাঁরই, প্রশংসা কেবল তাঁর জন্যই। তিনি সকল বিষয়ে ক্ষমতাবান।

.

দরূদ ও সালাম: উপকারিতা ও ফযীলত

উচ্চারণঃ

হযরত মুহাম্মাদ (ﷺ) আল্লাহ তা‘আলার আখেরী রাসূল। তাই তাঁর প্রতি বিশ্বাস ও আনুগত্য ছাড়া আল্লাহকে বিশ্বাস ও আল্লাহর আনুগত্যের দাবি অর্থহীন। কুরআন কারীমের বিভিন্ন জায়গায় এ বিষয়টি ঘোষিত হয়েছে। আল্লাহ তাআলাকে পাওয়ার একমাত্র পথ হযরত মুহাম্মাদ (ﷺ)-এর অনুসরণ। তাই তাঁর জন্য হৃদয়ের গভীরে মহববত ও ভালবাসা পোষণ করা এবং দু‘আ করা প্রত্যেক উম্মতের ঈমানী কর্তব্য। কুরআন মাজীদে আল্লাহ তা‘আলা নবী (ﷺ)-এর জন্য দরূদ পাঠের আদেশ করেছেন। এটা একদিকে যেমন আল্লাহর কাছে তাঁর রাসূলের মর্যাদার প্রমাণ অন্যদিকে মুমিন বান্দার রহমত ও বরকত লাভের অন্যতম উপায়। আল্লাহ তা‘আলা ইরশাদ করেন, ۞ اِنَّ اللّٰہَ وَمَلٰٓئِکَتَہٗ یُصَلُّوۡنَ عَلَی النَّبِیِّ ؕ یٰۤاَیُّہَا الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا صَلُّوۡا عَلَیۡہِ وَسَلِّمُوۡا تَسۡلِیۡمًا অর্থ: নিশ্চয়ই আল্লাহ ও তাঁর ফেরেশতাগণ নবীর প্রতি দরূদ পাঠান। হে মুমিনগণ! তোমরাও তার প্রতি দরূদ পাঠাও এবং অধিক পরিমাণে সালাম পাঠাও।

.

জুমার দিন আসরের পরের দরূদ

۞ اَللّٰهُمَّ صَلِّ عَلٰى مُحَمَّدِنِ النَّبِيِّ الأُمِّىِّ وَعَلٰى اٰلِهٖ وَسَلِّمْ تَسْلِيْمًا
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা সাল্লি ’আলা মুহাম্মাদিনিন্নাবিয়্যিল উম্মিয়্যি ওয়া আ’লা আ-লিহী ওয়া সাল্লিম তাসলিমা।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! তুমি শান্তি ও রহমত বর্ষণ কর উম্মী নবী মুহাম্মদ (ﷺ) এর উপর ও তার পরিবারবর্গের উপর।

.

সংক্ষিপ্ত দরূদ-২

۞ صَلَّى اللهُ (تَعَالٰى) عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
উচ্চারণঃ

সাল্লাল্লাহু (তা‘আলা) আলাইহি ওয়াসাল্লাম

অর্থঃ

“আল্লাহ্‌ (তাআ’লা) তাঁর (মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের) প্রতি রহমত বর্ষণ করুন এবং তাঁকে শান্তি দান করুন।”

.

অতীব গুরুত্বপূর্ন একটি দরূদ

۞ اَللّٰهُمَّ صَلِّ عَلٰى مُحَمَّدٍ وَّاَنْزِلْهُ الْمَقْعَدَ الْمُقَرَّبَ عِنْدَكَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা সল্লিআ’লা- মুহাম্মাদিও ওয়া আনযিলহুল মাক্ব’আদাল মুক্বার্‌রবা ই’নদাকা ইয়াওমাল ক্বিয়ামাহ্‌।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! তুমি মুহাম্মাদ (ﷺ)-এর উপর রহমত বর্ষিত কর, এবং কিয়ামতের দিন তুমি তাঁকে তোমার নিকটতম স্থানে অধিষ্ঠিত কর।

.

ইস্তিগফার

۞  أَسْتَغْفِرُ اللهَ
উচ্চারণঃ

আস্তাগ্‌ফিরুল্লাহ

অর্থঃ

আমি আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করছি।

১০.

খাবার সামনে এলে পড়বে

۞  اَللّٰهُمَّ بَارِكْ لَنَا فِيْمَا رَزَقْتَنَا وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা বারিক লানা ফী মা রযাক্বতানা ওয়াক্বিনা আযাবান্নার।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আপনি আমাদেরকে যে রিয্‌ক দান করেছেন তাতে বরকত দান করুন, এবং আমাদেরকে জাহান্নামের শাস্তি থেকে রক্ষা করুন।

১১.

খানা খাওয়ার সময় পড়বে

۞  اَللّٰهُمَّ بَارِكْ لَنَا فِيْهِ وَأَطْعِمْنَا خَيْرًا مِّنْهُ
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা বারিক লানা ফীহি ওয়া আত‘ইমনা খাইরাম-মিনহু।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আপনি আমাদেরকে এই খাদ্যে বরকত দিন এবং এর চেয়েও উত্তম খাদ্য আহার করান।

১২.

খানার শুরুতে বিসমিল্লাহ্‌ ভুলে গেলে বলবে

۞  بِسْمِ اللهِ أَوَّلَهٗ وَآخِرَهٗ
উচ্চারণঃ

বিসমিল্লাহি আউওয়ালাহু ওয়াআখিরাহু।

অর্থঃ

আল্লাহর নামে খাবার শুরু করছি। খাবারের প্রারম্বে ও সমাপ্তিতে।

১৩.

পানি পান করার পর পড়বে

۞  اَلْحَمْدُ لِلّٰهِ الَّذِيْ سَقَانَا مَاءً عَذْبًا فُرَاتًا بِرَحْمَتِه، وَلَمْ يَجْعَلْهُ مِلْحًا أُجَاجًا بِذُنُوْبِنَا
উচ্চারণঃ

আলহাম্‌দু লিল্লাহিল্লাজি ছাকানা আজবান ফুরতান বিরহমাতিহ্‌ ওয়ালাম ইয়াজ্‌ আ’লহু মিলহান উজাজান বিযুনুবিনা।

অর্থঃ

সকল প্রশংসা আল্লাহ তা’আলার জন্যে, যিনি আমাদেরকে স্বীয় রহমতে সুস্বাদু, সুমিষ্ট পানি পান করিয়েছেন এবং আমাদের গুনাহের কারণে তা তিক্ত ও লবণাক্ত করেননি।

১৪.

খাওয়ার শেষে পড়ার দু‘আ-১

۞ اَلْحَمْدُ لِلّٰهِ الَّذِيْ اَطْعَمَنَا وَسَقَانَا وَجَعَلَنَا مُسْلِمِيْنَ
উচ্চারণঃ

আলহামদু লিল্লা হিল্লাযী আত্ব ‘আমানা ওয়াসাক্বানা ওয়াজা ‘আলানা মুসলিমীন।

অর্থঃ

সকল প্রশংসা আল্লাহ তা’আলার জন্যে যিনি আমাদের পানাহার করিয়েছেন এবং আমাদেরকে মুসলমান বানিয়েছেন।

১৫.

খাওয়ার শেষে পড়ার দু‘আ-২

۞ اَلْحَمْدُ لِلّٰهِ الَّذِيْ اَطْعَمَنِيْ هٰذَا الطَّعَامَ وَرَزَقَنِيْهِ مِنْ غَيْرِ حَوْلٍ مِّنِّيْ وَلَا قُوَّةٍ
উচ্চারণঃ

আলহামদু লিল্লা হিল্লাযী আত্ব ‘আমানী হাযাত ত্ব‘আামা ওয়া রযাক্বনীহি মিন গইরি হাওলিম মিন্নী ওয়ালা কুউওয়াহ।

অর্থঃ

সকল প্রশংসা একমাত্র আল্লাহ পাকের জন্য, যিনি আমাকে এই খানা খাওয়ালেন এবং আমার শক্তি ও সামর্থ ব্যতীতই এটা আমাকে দান করলেন।

১৬.

মৌসুমের নতুন ফল খাওয়ার দু‘আ

۞ اَللّٰهُمَّ بَارِكْ لَنَا فيْ ثَمَرِنَا. وَبَارِكْ لَنَا فِيْ مَدِيْنَتِنَا. وَبَارِكْ لَنَا فِيْ صَاعِنَا. وَبَارِكْ لَنَا فِيْ مُدِّنَا
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা বারিক লানা ফী সামারিনা ওয়া বারিক লানা ফী মাদীনাতিনা ওয়া বারিক লানা ফী সা ‘ইনা ওয়া বারিক লানা ফী মুদ্দি না।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আপনি আমাদের ফল-ফলাদিতে বরকত দিন, আমাদের শহরে বরকত দিন, আমাদের সা’ তথা বড় পরিমাপক যন্ত্রে বরকত দিন, আমাদের মুদ্দ তথা ছোট পরিমাপক যন্ত্রে বরকত দিন।

১৭.

দাওয়াত খেলে এই দু‘আ পড়বে-১

۞ اَللّٰهُمَّ بَارِكْ لَهُمْ فِيْمَا رَزَقْتَهُمْ، وَاغْفِرْ لَهُمْ وَارْحَمْهُمْ
উচ্চারণঃ

আল্লা-হুম্মা বা-রিক লাহুম ফীমা রাযাক্তাহুম ওয়াগফির লাহুম ওয়ারহামহুম

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আপনি তাদেরকে যে রিযিক দান করেছেন তাতে তাদের জন্য বরকত দিন এবং তাদের গুনাহ মাফ করুন, আর তাদের প্রতি দয়া করুন।

১৮.

রুহ্‌ বের হচ্ছে অনুভব হলে পড়বে

۞ اَللّٰهُمَّ اَعِنِّيْ عَلٰى غَمَرَاتِ الْمَوْتِ وَ سَكَرَاتِ الْمَوْتِ
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা আ‘ইন্নী ‘আলা গমারাতিল মাউতি ওয়া সাকারাতিল মাঊত।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আপনি মৃত্যুর কষ্ট ও মৃত্যুর যন্ত্রণায় আমাকে সাহায্য করুন।

১৯.

সালামের উত্তরে বলবে

۞ وَعَلَيْكُمُ السَّلَامُ وَ رَحْمَةُ اللهِ وَبَرَكَاتُهٗ
উচ্চারণঃ

ওয়া আলাইকুমুস্‌ সালাম ওয়া রাহ্‌মাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ।

অর্থঃ

এবং আপনার উপরেও শান্তি ও আল্লাহ পাকের রহমত ও বরকত বর্ষিত হোক।

২০.

বাজারে যাওয়ার পর এই দু‘আ পড়বে

۞ لَا اِلٰهَ اِلَّااللّٰهُ وَحْدَهٗ لَا شَرِيْكَ لَهٗ . لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ. يُحْيِيْ ويُمِيْتُ وَهُوَ حَيٌّ لَا يَمُوْتُ. بِيَدِه الْخَيْرُ وَهُوَ عَلٰی كُلِّ شَيْءٍ قَدِيْرٌ
উচ্চারণঃ

লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকালাহু লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু ইউহয়ী ওয়া ইউমীতু ওয়া হুয়া হাইয়্যুন লা ইয়ামূতু বিয়াদিহিল খইর, ওয়া হুওয়া আলা কুল্লি শাইয়িন ক্বদীর।

অর্থঃ

এক আল্লাহ তা’আলা ব্যতীত অন্য কোনো মা’বূদ নেই। তিনি এক। তাঁর কোনো শরিক নেই। সকল রাজত্ব তাঁরই জন্যে। সকল প্রশংসা তাঁরই। তিনিই জীবিত করেন, তিনিই মৃত্যু দেন। এবং তিনিই চিরঞ্জীব। তিনি কখনো মৃত্যু বরণ করেন না। তাঁর হাতেই সকল কল্যাণের চাবিকাঠি। তিনিই সর্বশক্তিমান।