দু'আ (হজ্জ অধ্যায়)

মোট বিষয় - ২৪ টি

সকল দু'আ একত্রে দেখুন

১.

সফরকারীদের জন্য বাসিন্দাদের দু‘আ-৩

۞ اَللّٰهُمَّ اطْوِ لَهُ الْبُعْدَ، وَهَوِّنْ عَلَيْهِ السَّفَرَ
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মাত্ববি লাহুল বু’দা ওয়াহাওবিন আলাইহিস সাফার।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! তুমি তার পথের দূরত্ব গুটিয়ে দিয়ো এবং তার জন্য সফর আসান করে দিয়ো।

২.

বাড়ি থেকে বের হওয়ার দু‘আ

۞ اَللّٰهُمَّ إنيْ أَعُوْذُ بِكَ أَنْ أَضِلَّ أَوْ أُضَلَّ ، أَوْ أَزِلَّ أَوْ أُزَلَّ ، أَوْ أَظْلِمَ أَوْ أُظْلَمَ ، أَوْ أَجْهَلَ أَوْ يُجْهَلَ عَلَيَّ
উচ্চারণঃ

আল্লা-হুম্মা ইন্নী আ‘ঊযু বিকা আন আদ্বিল্লা, আও উদ্বাল্লা, আও আযিল্লা, আও উযাল্লা, আও আযলিমা, আও উযলামা, আও আজহালা, আও ইয়ুজহালা ‘আলাইয়্যা।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট আশ্রয় চাই যেন নিজেকে বা অন্যকে পথভ্রষ্ট না করি, অথবা অন্যের দ্বারা পথভ্রষ্ট না হই; আমার নিজের বা অন্যের পদস্খলন না করি, অথবা আমায় যেন পদস্খলন করানো না হয়; আমি যেন নিজের বা অন্যের উপর যুলম না করি অথবা আমার প্রতি যুলম না করা হয়; আমি যেন নিজে মুর্খতা না করি, অথবা আমার উপর মূর্খতা করা না হয়।

৩.

সফরকারীদের জন্য বাসিন্দাদের দু‘আ-২

۞ زَوَّدَكَ اللهُ التَّقْوَى ، وَغَفَرَ ذَنْبَكَ ، وَيَسَّرَ لَكَ الْخَيْرَ حَيْثُمَا كُنْتَ
উচ্চারণঃ

যাউওয়াদাকাল্লা-হুত্ তাক্বওয়া, ওয়াগাফারা যামবাকা, ওয়া ইয়াসসারা লাকাল খাইরা হাইসুমা কুন্ত্।

অর্থঃ

আল্লাহ তোমাকে তাকওয়া (সংযমশীলতার-পাথেয়) প্রদান করুন, তোমার গোনাহ মাফ করে দিন, তুমি যেখানেই থাক, আল্লাহ যেন তোমার জন্য কল্যাণ সহজ করে দেন।

৪.

আল-মাশআর আল-হারামের সন্নিকটে দোয়া করা

لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَىْءٍ قَدِيرٌ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَحْدَهُ أَنْجَزَ وَعْدَهُ وَنَصَرَ عَبْدَهُ وَهَزَمَ الأَحْزَابَ وَحْدَهُ.
উচ্চারণঃ

লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকা লাহ। লাহুল মুলকু, ওয়া লাহুল হামদু ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাইয়িন কাদির। লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু, আনজাযা ওয়াদাহু, ওয়া নাসারা আবদাহু, ওয়া হাযামাল আহযাবা ওয়াহদাহ।

অর্থঃ

নেই কোন উপাস্য এক আল্লাহ ব্যতীত। তাঁর শরীক নেই। রাজত্ব তাঁর জন্য। প্রশংসা তাঁর জন্য। তিনি সর্ববিষয়ে ক্ষমতাবান। নেই কোন উপাস্য এক আল্লাহ ব্যতীত। তিনি প্রতিশ্রুতি পূর্ণ করেছেন। তাঁর বান্দাকে সাহায্য করেছেন এবং তিনি একাই সকল দলকে পরাজিত করেছেন।

৫.

সফরের দু‘আ

۞ اَللهُ أَكْبَرْ ، اَللهُ أَكْبَرْ ، اَللهُ أَكْبَرْ، سُبْحَانَ الَّذِيْ سَخَّرَ لَنَا هَذَا وَمَا كُنَّا لَهٗ مُقْرِنِيْنَ ، وَإِنَّا إِلٰى رَبِّنَا لَمُنْقَلِبُوْنَ ، اَللّٰهُمَّ إِنَّا نَسْأَلُكَ فِي سَفَرِنَا هَذَا الْبِرَّ وَالتَّقْوَى ، وَمِنَ الْعَمَلِ مَا تَرْضَى ، اَللّٰهُمَّ هَوِّنْ عَلَيْنَا سَفَرَنَا هَذَا وَاطْوِ عَنَّا بُعْدَهٗ ، اَللّٰهُمَّ أَنْتَ الصَّاحِبُ فِي السَّفَرِ ، وَالْخَلِيْفَةُ فِي الْأَهْلِ اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَعُوْذُ بِكَ مِنْ وَعْثَاءِ السَّفَرِ ، وَكَآبَةِ الْمَنْظَرِ، وَسُوْءِ الْمُنْقَلَبِ فِي الْمَالِ وَالْأَهْلِ
উচ্চারণঃ

আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার। সুবহানাল্লাযী সাখখারা লানা হা-যা ওয়ামা কুন্না লাহু মুক্বরিনীন। ওয়াইন্না ইলা রাবিবনা লামুনক্বালিবূন। আল্লাহুম্মা ইন্না নাসআলুকা ফী সাফারিনা হা-যাল বিররা ওয়াত্তাক্বওয়া, ওয়ামিনাল আমালি মা-তারদ্বা। আল্লাহুম্মা হাওওয়িন আলাইনা সাফারানা হা-যা ওয়া আত্বওয়ি আন্না বু‘দাহ। আল্লাহুম্মা আন্তাস সা-হিবু ফিস সাফারি ওয়ালখালীফাতু ফিল আহলি। আল্লাহুম্মা ইন্নী আঊযুবিকা মিন ওয়া সা-ইস সাফারি, ওয়াকাআবাতিল মানযারি, ওয়াসূ-ইল মুনক্কালাবি ফিল মা-লি ওয়াল আহলি।

অর্থঃ

আল্লাহ সর্বশক্তিমান, আল্লাহ সর্বশক্তিমান, আল্লাহ সর্বশক্তিমান। পবিত্র ও মহান যিনি একে আমাদের বশীভূত করে দিয়েছেন। যদিও আমরা একে বশীভূত করতে সমর্থ ছিলাম না। অবশ্যই আমরা আমাদের প্রতিপালকের নিকট প্রত্যাবর্তনকারী। ওগো আল্লাহ! নিশ্চয় আমরা তোমার কাছে প্রার্থনা করছি আমাদের এই যাত্রায় পুণ্যকর্ম, সংযমশীলতা এবং তোমার সন্তোষজনক কার্যকলাপ। হে আল্লাহ! আমাদের এ যাত্রাকে আমাদের জন্য সহজ করে দাও। আমাদের থেকে ওর দূরত্ব গুটিয়ে নাও। হে আল্লাহ! তুমিই সফরের সঙ্গী। আর পরিবার-পরিজনের জন্য (আমাদের) প্রতিনিধি। হে আল্লাহ! সফরের কষ্ট ও ক্লান্তি থেকে, ভয়ংকর দৃশ্য থেকে এবং বাড়ি ফিরে ধন-সম্পদ, পরিবার ও সন্তান-সন্ততির মধ্যে কোন অপ্রীতিকর দৃশ্য থেকে তোমার আশ্রয় প্রার্থনা করছি।

৬.

যানবাহনে আরোহণের দু‘আ-১

۞ بِسْمِ اللهِ اَلْحَمْدُ لِلّٰهِ ، سُبْحَانَ الَّذِيْ سَخَّرَ لَنَا هَذَا وَمَا كُنَّا لَهٗ مُقْرِنِيْنَ ، وَإِنَّا إِلٰى رَبِّنَا لَمُنْقَلِبُوْنَ ، اَلْحَمْدُ لِلّٰهِ ، اَلْحَمْدُ لِلّٰهِ ، اَلْحَمْدُ لِلّٰهِ ، اَللهُ أَكْبَرُ ، اَللهُ أَكْبَرُ ، اَللهُ أَكْبَرُ ، سُبْحَانَكَ اللّٰهُمَّ إِنِّيْ ظَلَمْتُ نَفْسِيْ فَاغْفِرْ لِيْ ، فَإِنَّهٗ لَا يَغْفِرُ الذُّنُوْبَ إِلَّا أَنْتَ
উচ্চারণঃ

বিসমিল্লাহ আলহামদুলিল্লাহি, সুবহানাল্লাযি সাখখারা লানা হাযা ওয়ামা কুন্না লাহু মুক্বরিনীন, ওয়া ইন্না ইলা রব্বিনা লামুনক্বলিবুন। আলহামদুলিল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ। আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার। সুবহানাকাল্লাহুম্মা ইন্নী যালামতু নাফসী ফাগফিরলী, ফা-ইন্নাহু লা ইয়াগফিরুয্ যুনূবা ইল্লা আনতা।

অর্থঃ

আল্লাহর নামে শুরু করছি। সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, পবিত্রতা ঘোষণা করছি সেই সত্তার, যিনি এসব কিছুকে আমাদের নিয়ন্ত্রণে এনে দিয়েছেন। নিশ্চয় আমরা আমাদের রবের দিকে প্রত্যাবর্তন করব। সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য। আল্লাহ সর্বশক্তিমান, আল্লাহ সর্বশক্তিমান, আল্লাহ সর্বশক্তিমান।

৭.

শহরে প্রবেশের দু‘আ

۞ اَللّٰهُمَّ رَبَّ السَّمَوَاتِ السَّبْعِ وَمَا أَظْلَلْنَ ، وَرَبَّ الأَرَاضِيْنَ السَّبْعِ وَمَا أَقْلَلْنَ ، وَرَبّْ الشَّيَاطِيْنِ وَمَا أَضْلَلْنَ ، وَرَبَّ الرِّيَاحِ وَمَا ذَرَيْنَ ، أَسْأَلُكَ خَيْرَ هَذِهِ الْقَرْيَةِ وَخَيْرَ أَهْلِهَا وَخَيْرَ مَا فِيْهَا ، وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ شَرِّهَا وَشَرِّ أَهْلِهَا وَشَرِّ مَا فِيْهَا
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা রব্বাস সামাওয়াতিস সাবয়ি ওমা আদলালনা, ওরব্বাল আরাদিনা-স-সাবয়ী ওয়ামা আকলালনা, ওরব্বাশ-শায়াতিনি ওয়ামা আদলালনা ও রব্বার-রিয়াহি ওয়ামা যারাইনা। আসআলুকা খাইরা হা-যিহিল-করয়াতি ও-খাইরা আহলিহা ও-খাইরা মা ফিহা ও আউজুবিকা মিন শাররিহা ওয়া-শাররি আহলিহা ওয়া-শাররি মা ফিহা।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আপনি সাত আসমানের এবং তার নীচে যা কিছু আছে তার রব। সাত জমিন এবং সেগুলো যা ধারন করে তার রব। সমস্ত শয়তানগুলো এবং তারা যাদের পথভ্রষ্ট করেছে তাদের রব। বাতাসের এবং বাতাস যা উড়িয়ে নিয়ে যায় তার রব। আমি আপনার নিকট এই গ্রাম এবং এর অধিবাসীদের অকল্যান থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি।

৮.

বাসিন্দাদের জন্য সফরকারীদের দু‘আ

۞ أَسْتَوْدِعُكَ اللهَ الَّذِيْ لَا تَضِيْعُ وَدَائِعُهٗ ۞ أَسْتَوْدِعُكِ اللهَ الَّذِيْ لَا تَضِيْعُ وَدَائِعُهٗ ۞ أَسْتَوْدِعُكُمُ اللهَ الَّذِيْ لَا تَضِيْعُ وَدَائِعُهٗ
উচ্চারণঃ

একজন পুরুষের জন্য, উচ্চারণ: আসতাওদিউকাল্লাহাল্লাজি লা তাদিয়ু ওয়া দা-ই-য়ুহ। একজন মহিলার জন্য, উচ্চারণ: আসতাওদিউকিল্লাহাল্লাজি লা তাদিয়ু ওয়া দা-ই-য়ুহ। গোষ্ঠীর লোকেদের জন্য, উচ্চারণ: আসতাওদিউকুমুল্লাহাল্লাজি লা তাদিয়ু ওয়া দা-ই-য়ুহ

অর্থঃ

আল্লাহর উপর ভরসা করে তোমাদেরকে রাখলাম। যার উপর ভরসা করলে কখনো বিফলে যাবে না।

৯.

তালবিয়া

ইহরাম অবস্থায় ‘তালবিয়া’ পাঠ করতে হয়। তালবিয়ার বাক্যগুলো এরূপ:- ۞ لَبَّيْكَ اَللّٰهُمَّ لَبَّيْكَ، لَبَّيْكَ لَا شَرِيْكَ لَكَ لَبَّيْكَ، إِنَّ الْحَمْدَ وَالنِّعْمَةَ لَكَ وَالْمُلْكَ، لاَ شَرِيْكَ لَكَ
উচ্চারণঃ

লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক, লাব্বাইকা লা-শারীকা লাকা লাব্বাইক, ইন্নাল হামদা ওয়ান্নি'মাতা লাকা ওয়াল মুলক লা-শারীকা লাক।

অর্থঃ

আমি উপস্থিত, হে আল্লাহ্! আমি উপস্থিত; আমি উপস্থিত, তোমার কোন শরীক নেই, আমি উপস্থিত; নিশ্চয় সব প্রশংসা এবং অশেষ অনুগ্রহ এবং আধিপত্যের তুমিই মালিক তোমার কোন অংশীদার নেই।

১০.

হজরে আসওয়াদকে চুমু দিয়ে বা ইশারা করে তাওয়াফ শুরু করার দু‘আ

۞ اَللّٰهُ أَكْبَرْ
উচ্চারণঃ

আল্লাহু আকবার।

অর্থঃ

আল্লাহ সবার চেয়ে বড়।

১১.

উভয় জগতের কল্যাণ চেয়ে দু‘আ অথবা রোকনে ইয়ামানী এবং হজরে আসওয়াদের মধ্যবর্তী স্থানের দু‘আ

۞ رَبَّـنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَّفِي الْآخِرَةِ حَسَنَةً وَّقِنَا عَذَابَ النَّارِ
উচ্চারণঃ

রাব্বানা আতিনা ফিদ্দুনিয়া হাসানাতাঁও ওয়া ফিল আখিরাতি হাসানাতাঁও ওয়া ক্কিনা আযাবান্নার।

অর্থঃ

হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদেরকে দান কর দুনিয়ার কল্যাণ এবং আখিরাতেরও কল্যাণ এবং আমাদেরকে জাহান্নামের শাস্তি থেকে রক্ষা কর।

১২.

সাফা এবং মারওয়া পাহাড়ে আরোহণের দু‘আ

۞ إِنَّ الصَّفَا وَالْمَرْوَةَ مِنْ شَعَائِرِ اللهِ أَبْدَأُ بِمَا بَدَأَ اللهُ بِه اَللّٰهُ أَكْبَرْ ، اَللّٰهُ أَكْبَرْ ، اَللّٰهُ أَكْبَرْ ، لَا إِلٰهَ إِلَّا اللهُ وَحْدَهٗ لَا شَرِيْكَ لَهٗ ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلٰى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ، لَا إِلٰهَ إِلَّا اللهُ وَحْدَهٗ ، أَنْجَزَ وَعْدَهٗ ، وَنَصَرَ عَبْدَهٗ ، وَهَزَمَ الأَحْزَابَ وَحْدَهٗ
উচ্চারণঃ

ইন্নাস সাফা ওয়াল মারওয়াতা মিন শা‘আইরিল্লাহ। আবদাউ বিমা বাদাআল্লাহু বিহী। আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার। লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু, ওয়াহদাহু লা শরীকালাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু, ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাইন কাদির। লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু আনজাযা ওয়াদাহু, ওয়া নাসারা আবদাহু, ওয়া হাযামাল আহযাবা ওয়াহদাহু।

অর্থঃ

নিশ্চয়ই সাফা-মারওয়া পাহাড় আল্লাহর নিদর্শানাবলীর মধ্য থেকে অন্যতম নিদশর্ন। আল্লাহ যেভাবে শুরু করেছেন, আমিও সেভাবে শুরু করছি। আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ, আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ, আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ। আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নাই। তিনি একক। তার কোন শরীক নাই। সকল ক্ষমতা তার এবং সকল প্রশংসার উপযুক্ত তিনিই। তিনি সব কিছুর উপর ক্ষমতাবান। আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নাই, তিনি একক, তিনি তার ওয়াদা পূরন করেন, তার বান্দাদের সাহায্য করেন এবং একাই সম্মিলিত দুশমন বাহিনীকে পরাজিত করেন।

১৩.

যমযমের পানি পান করার দু‘আ

اَللّٰهُمَّ اِنِّيْ اَسْئَلُكَ عِلْمًا نَافِعًا وَّرِزْقًا وَّاسِعًا وَّشِفَاءً مِّنْ كُلِّ دَاءٍ ۞
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা ইন্নী আসআলুকা ‘ইলমান নাফি‘আও, ওয়া রিযক্বন ওয়াসি‘আও, ওয়া শিফাআম মিন কুল্লি দাইন।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! নিশ্চয়ই আমি আপনার নিকট উপকারী ইলম এবং প্রশস্ত রিযিক এবং সর্বপ্রকার রোগের শিফা চাচ্ছি।

১৪.

আরাফার দিনের দু‘আ

۞ لَا إِلٰهَ إِلَّا اللهُ وَحْدَهٗ لَا شَرِيْكَ لَهٗ ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلٰى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ
উচ্চারণঃ

লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকা লাহ। লাহুল মুলকু, ওয়া লাহুল হামদু ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাইয়িন কাদির।

অর্থঃ

আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নাই। তিনি একক। তার কোন শরীক নাই। সকল ক্ষমতা তার এবং সকল প্রশংসার উপযুক্ত তিনিই। তিনি সব কিছুর উপর ক্ষমতাবান।

১৫.

মুজদালিফার দু‘আ

۞ لَا إِلٰهَ إِلَّا اللهُ وَحْدَهٗ لَا شَرِيْكَ لَهٗ ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلٰى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ، لَا إِلٰهَ إِلَّا اللهُ وَحْدَهٗ ، أَنْجَزَ وَعْدَهٗ ، وَنَصَرَ عَبْدَهٗ ، وَهَزَمَ الأَحْزَابَ وَحْدَهٗ
উচ্চারণঃ

লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকা লাহ। লাহুল মুলকু, ওয়া লাহুল হামদু ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাইয়িন কাদির। লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু, আনজাযা ওয়াদাহু, ওয়া নাসারা আবদাহু, ওয়া হাযামাল আহযাবা ওয়াহদাহ।

১৬.

জামরাতে কঙ্কর নিক্ষেপের দু‘আ

۞ اَللّٰهُ أَكْبَرْ
উচ্চারণঃ

আল্লাহু আকবর।

অর্থঃ

আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ।

১৭.

জবাই করার দু‘আ

۞ بِسْمِ اللهِ وَاللهُ أَكْبَرْ ، اَللّٰهُمَّ هَذَا مِنْكَ وَلَكَ
উচ্চারণঃ

বিসমিল্লাহি ওয়াল্লাহু আকবার, আল্লাহুম্মা হা-জা মিনকা ওয়া-লাক।

অর্থঃ

শুরু করছি আল্লাহর নামে, এবং আল্লাহ সবার চেয়ে বড়। হে আল্লাহ, এটি আপনার থেকে এবং আপনার জন্যে।

১৮.

৯ই যিলহজ্ব এর দু‘আ (তাকবীরে তাশরীক)

۞ اَللهُ أَكْبَرْ اَللهُ أَكْبَرْ. لَاۤ اِلٰهَ اِلَّا اللهُ . وَللهُ أَكْبَرْ اَللهُ أَكْبَرْ. وَ لِلّٰهِ الْحَمْدُ
উচ্চারণঃ

আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু, ওয়াল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার ওয়া লিল্লাহিল হামদ।

অর্থঃ

আল্লাহ মহান! আল্লাহ মহান! আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই, এবং আল্লাহ মহান, আল্লাহ মহান। এবং সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য।

১৯.

রাসূল (ﷺ) এর রওজা পাকের সামনে দাঁড়িয়ে সালাম বলা

۞ اَلسَّلَامُ عَلَيْكَ يَا رَسُوْلَ اللهِ ۞ اَلسَّلَامُ عَلَيْكَ يَا حَبِيْبَ اللهِ ۞ اَلسَّلَامُ عَلَيْكَ يَا نَبِىَّ اللهِ
উচ্চারণঃ

আসসালামু ‘আলাইকা ইয়া রাসূলাল্লাহ। আসসালামু ‘আলাইকা ইয়া হাবীবাল্লাহ। আসসালামু ‘আলাইকা ইয়া নাবিয়্যাল্লাহ।

অর্থঃ

হে আল্লাহর রাসূল! আপনার উপর সালাম। হে আল্লাহর হাবীব! আপনার উপর সালাম। হে আল্লাহর নবী! আপনার উপর সালাম। বি:দ্র: পারলে এ জাতীয় আরও বাক্য যোগ করা যায়। না পারলে বা বেশী সময় না পেলে যতটুকু সম্ভব বলবে, অন্তত প্রথম বাক্যটা বলবে।

২০.

বাইতুল্লাহ থেকে বিদায় নেয়ার সময় দু‘আ

۞ اَللّٰهُمَّ لَا تَجْعَلْ هٰذَا اَۤخِرَ الْعَهْدِ بِبَيْتِكَ
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা লা তাজ‘আল হাযা আ-খিরাল আহদি বিবাইতিক।

অর্থঃ

হে আল্লাহ, তোমার ঘরের এই (সফর) শেষ বিদায় যেন না হয়।

দু'আ (হজ্জ অধ্যায়) | মুসলিম বাংলা