আত্-তারগীব ওয়াত্-তারহীব- ইমাম মুনযিরী রহঃ
الترغيب والترهيب للمنذري
২২. অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার - এর পরিচ্ছেদসমূহ
মোট হাদীস ৭৫৪ টি
হাদীস নং: ৪৩৭২
অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
পরিচ্ছেদঃ কল্যাণকর কথাবার্তা ব্যতীত নীরবতা অবলম্বন করার প্রতি অনুপ্রেরণা এবং অধিক বাক্যালাপের প্রতি ভীতি প্রদর্শন
৪৩৭২. যুগের প্রতি সর্তক দৃষ্টি রাখা, সমাজ সংস্কারের এগিয়ে আসা, রসনা সংযত রাখা বুদ্ধি মানের পরিচয়। যে ব্যক্তি কথা অনুযায়ী কাজের সাথে সামাঞ্জস্য রাখে, তার বাক্যালাপ কমই হয়েই থাকে, তবে অর্থবোধক কথা হলে তা স্বতন্ত্র। আল-হাদীস।
كتاب الأدب
التَّرْغِيب فِي الصمت إِلَّا عَن خير والترهيب من كَثْرَة الْكَلَام
4372 - وَعَلَى الْعَاقِلِ أَنْ يَكُونَ بَصِيرًا بِزَمَانِهِ ، مُقْبِلاً عَلَى شَانِهِ حَافِظًا لِلسانِهِ وَمَنْ حسِبَ كَلَامَهُ مِنْ عَمَلِهِ قل كَلَامُهُ إِلَّا فِيمَا يَعْنِيهِ الحديث -
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৩৭৩
অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
পরিচ্ছেদঃ কল্যাণকর কথাবার্তা ব্যতীত নীরবতা অবলম্বন করার প্রতি অনুপ্রেরণা এবং অধিক বাক্যালাপের প্রতি ভীতি প্রদর্শন
৪৩৭৩. হযরত আবু সাঈদ (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট এসে বলল: ইয়া রাসূলাল্লাহ্। আপনি আমাকে উপদেশ দিন। তিনি বলেন: তুমি নিজের জন্য আল্লাহ্ ভীতি অপরিহার্য করে নেবে। কেননা, তা সকল কল্যাণের ভাণ্ডার। তুমি নিজের জন্য আল্লাহর পথে জিহাদ করা অপরিহার্য করে নেবে। কেননা, তা মুসলমানের বৈরাগ্যতা। তুমি নিজের জন্য আল্লাহর যিকর কুরআন তিলাওয়াত অপরিহার্য করে নেবে। কেননা, তা যমীনে তোমার জন্য জ্যোতি এবং আসমানে তোমার স্মরণ। উত্তম বাক্যালাপ ব্যতীত তোমার রসনা সংযত রাখবে। কেননা, এর দ্বারা শয়তান পরাভূত হয়।
(তাবারানীর সাগীর গ্রন্থ, আবু শায়খের সাওয়াব গ্রন্থে বর্ণিত। তাঁরা উভয়ের লায়স ইব্ন আবু সুলায়ম থেকে বর্ণনা করেন। উক্ত হাদীসটি ইবন আবুদ দুনিয়া আবু শায়খ সংক্ষিপ্তভাবে মারফু সূত্রে বর্ণনা করেছেন।)
(তাবারানীর সাগীর গ্রন্থ, আবু শায়খের সাওয়াব গ্রন্থে বর্ণিত। তাঁরা উভয়ের লায়স ইব্ন আবু সুলায়ম থেকে বর্ণনা করেন। উক্ত হাদীসটি ইবন আবুদ দুনিয়া আবু শায়খ সংক্ষিপ্তভাবে মারফু সূত্রে বর্ণনা করেছেন।)
كتاب الأدب
التَّرْغِيب فِي الصمت إِلَّا عَن خير والترهيب من كَثْرَة الْكَلَام
4373- وَعَن أبي سعيد رَضِي الله عَنهُ قَالَ جَاءَ رجل إِلَى رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم فَقَالَ يَا رَسُول الله أوصني
قَالَ عَلَيْك بتقوى الله فَإِنَّهَا جماع كل خير وَعَلَيْك بِالْجِهَادِ فِي سَبِيل الله فَإِنَّهَا رَهْبَانِيَّة الْمُسلمين وَعَلَيْك بِذكر الله وتلاوة كِتَابه فَإِنَّهُ نور لَك فِي الأَرْض وَذكر لَك فِي السَّمَاء واخزن لسَانك إِلَّا من خير فَإنَّك بذلك تغلب الشَّيْطَان
رَوَاهُ الطَّبَرَانِيّ فِي الصَّغِير وَأَبُو الشَّيْخ فِي الثَّوَاب كِلَاهُمَا من رِوَايَة لَيْث بن أبي سليم وَرَوَاهُ ابْن أبي الدُّنْيَا وَأَبُو الشَّيْخ أَيْضا مَرْفُوعا عَلَيْهِ مُخْتَصرا
قَالَ عَلَيْك بتقوى الله فَإِنَّهَا جماع كل خير وَعَلَيْك بِالْجِهَادِ فِي سَبِيل الله فَإِنَّهَا رَهْبَانِيَّة الْمُسلمين وَعَلَيْك بِذكر الله وتلاوة كِتَابه فَإِنَّهُ نور لَك فِي الأَرْض وَذكر لَك فِي السَّمَاء واخزن لسَانك إِلَّا من خير فَإنَّك بذلك تغلب الشَّيْطَان
رَوَاهُ الطَّبَرَانِيّ فِي الصَّغِير وَأَبُو الشَّيْخ فِي الثَّوَاب كِلَاهُمَا من رِوَايَة لَيْث بن أبي سليم وَرَوَاهُ ابْن أبي الدُّنْيَا وَأَبُو الشَّيْخ أَيْضا مَرْفُوعا عَلَيْهِ مُخْتَصرا
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৩৭৪
অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
পরিচ্ছেদঃ কল্যাণকর কথাবার্তা ব্যতীত নীরবতা অবলম্বন করার প্রতি অনুপ্রেরণা এবং অধিক বাক্যালাপের প্রতি ভীতি প্রদর্শন
৪৩৭৪. হযরত মু'আয (রা) থেকে বর্ণিত। একদা তিনি বলেনঃ ইয়া রাসুলাল্লাহ্। আপনি আমাকে উপদেশ দিন। তিনি বলেন: তুমি এমনভাবে আল্লাহর ইবাদত করবে, যেন তাঁকে দেখতে পাচ্ছ। তুমি নিজেকে মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত রাখবে। তুমি যদি চাও তবে আমি তোমাকে এমন বস্তু সম্পর্কে অবহিত করতে পারি, যা যাবতীয় বস্তু থেকে তোমার কাছে সর্বাধিক নিয়ন্ত্রণে, এই কথা বলে তিনি হাত দ্বারা নিজ জিহ্বার দিকে ইশারা করেন।
(ইব্ন আবুদ দুনিয়া উত্তম সনদে বর্ণনা করেন।)
(ইব্ন আবুদ দুনিয়া উত্তম সনদে বর্ণনা করেন।)
كتاب الأدب
التَّرْغِيب فِي الصمت إِلَّا عَن خير والترهيب من كَثْرَة الْكَلَام
4374- وَعَن معَاذ رَضِي الله عَنهُ قَالَ يَا رَسُول الله أوصني
قَالَ اعبد الله كَأَنَّك ترَاهُ واعدد نَفسك فِي الْمَوْتَى وَإِن شِئْت أَنْبَأتك بِمَا هُوَ أملك بك من هَذَا كُله قَالَ هَذَا وَأَشَارَ بِيَدِهِ إِلَى لِسَانه
رَوَاهُ ابْن أبي الدُّنْيَا بِإِسْنَاد جيد
قَالَ اعبد الله كَأَنَّك ترَاهُ واعدد نَفسك فِي الْمَوْتَى وَإِن شِئْت أَنْبَأتك بِمَا هُوَ أملك بك من هَذَا كُله قَالَ هَذَا وَأَشَارَ بِيَدِهِ إِلَى لِسَانه
رَوَاهُ ابْن أبي الدُّنْيَا بِإِسْنَاد جيد
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৩৭৫
অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
পরিচ্ছেদঃ কল্যাণকর কথাবার্তা ব্যতীত নীরবতা অবলম্বন করার প্রতি অনুপ্রেরণা এবং অধিক বাক্যালাপের প্রতি ভীতি প্রদর্শন
৪৩৭৫. হযরত আনাস (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) আবূ যার (রা)-এর কাছে গিয়ে বলেন: হে আবু যার! আমি কি তোমাকে এমন দু'টি বিষয়ে অবহিত করব না, যা কাজে পরিণত করা তোমার পক্ষে সহজ এবং যা পাল্লায় অত্যন্ত ভারী? সে বলল: জি-হাঁ, ইয়া রাসূলাল্লাহ্। তিনি বলেন: তুমি নিজের জন্য উত্তম চরিত্র ও দীর্ঘ নীরবতা অপরিহার্য করে নেবে। ঐ সত্তার শপথ, যাঁর হাতে আমার জীবন! উক্ত দু'টি গুণে গুণান্বিত ব্যক্তি অপেক্ষা সৃষ্টি জগতে কেউ তার সক্ষম হতে পারে না।
(ইবন আবুন দুনিয়া, বাযযার, তাবারানী ও আবু ই'আলা বর্ণিত। তাঁর বর্ণনাকারীগণ বিশ্বস্ত এবং বায়হাকী ইমাম বায়হাকী (র) আরো বাড়িয়ে বলেন। আবু শায়খ ইব্ন হিব্বান (র) হযরত আবু দারদা (রা) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, নবী (ﷺ) বলেছেন: হে আবু দারদা! আমি কি তোমাকে এমন দু'টি বিষয়ে
অবহিত করব না, যা সাধন করা অতি সহজ অথচ তার পুরস্কার বিরাট। কোন ব্যক্তি আল্লাহর সাক্ষাতে এই ধরনের দু'টি আমল নিয়ে যেতে পারবে না। একটি হল দীর্ঘ নীরবতা এবং অপরটি হল উত্তম চরিত্র। ইবন আবুদ দুনিয়া অনুরূপ হাদীস সাফওয়ান ইবন সুলায়ম হতে মুরসাল সূত্রেও বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) বলেছেন: আমি কি তোমাদেরকে সহজতর ইবাদত, যা বাস্তবায়নে শরীরের জন্য খুবই সহজ, তা কি অবহিত করব না? তিনি বলেনঃ তা হল, নীরবতা অবলম্বন করা, এবং উত্তম চরিত্রে অধিকারী হওয়া।)
(ইবন আবুন দুনিয়া, বাযযার, তাবারানী ও আবু ই'আলা বর্ণিত। তাঁর বর্ণনাকারীগণ বিশ্বস্ত এবং বায়হাকী ইমাম বায়হাকী (র) আরো বাড়িয়ে বলেন। আবু শায়খ ইব্ন হিব্বান (র) হযরত আবু দারদা (রা) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, নবী (ﷺ) বলেছেন: হে আবু দারদা! আমি কি তোমাকে এমন দু'টি বিষয়ে
অবহিত করব না, যা সাধন করা অতি সহজ অথচ তার পুরস্কার বিরাট। কোন ব্যক্তি আল্লাহর সাক্ষাতে এই ধরনের দু'টি আমল নিয়ে যেতে পারবে না। একটি হল দীর্ঘ নীরবতা এবং অপরটি হল উত্তম চরিত্র। ইবন আবুদ দুনিয়া অনুরূপ হাদীস সাফওয়ান ইবন সুলায়ম হতে মুরসাল সূত্রেও বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) বলেছেন: আমি কি তোমাদেরকে সহজতর ইবাদত, যা বাস্তবায়নে শরীরের জন্য খুবই সহজ, তা কি অবহিত করব না? তিনি বলেনঃ তা হল, নীরবতা অবলম্বন করা, এবং উত্তম চরিত্রে অধিকারী হওয়া।)
كتاب الأدب
التَّرْغِيب فِي الصمت إِلَّا عَن خير والترهيب من كَثْرَة الْكَلَام
4375- وَعَن أنس رَضِي الله عَنهُ قَالَ لَقِي رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم أَبَا ذَر فَقَالَ يَا أَبَا ذَر أَلا أدلك على خَصْلَتَيْنِ هما خفيفتان على الظّهْر وأثقل فِي الْمِيزَان من غَيرهمَا قَالَ بلَى يَا رَسُول الله قَالَ عَلَيْك بِحسن الْخلق وَطول الصمت فوالذي نَفسِي بِيَدِهِ مَا عمل الْخَلَائق بمثلهما
رَوَاهُ ابْن أبي الدُّنْيَا وَالْبَزَّار وَالطَّبَرَانِيّ وَأَبُو يعلى وَرُوَاته ثِقَات وَالْبَيْهَقِيّ بِزِيَادَة وَرَوَاهُ أَبُو الشَّيْخ ابْن حبَان من حَدِيث أبي الدَّرْدَاء قَالَ قَالَ النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم يَا أَبَا الدَّرْدَاء أَلا أنبئك بأمرين خَفِيف مؤنتهما عَظِيم أجرهما لم تلق الله عز وَجل بمثلهما طول الصمت وَحسن الْخلق
رَوَاهُ ابْن أبي الدُّنْيَا أَيْضا عَن صَفْوَان بن سليم مُرْسلا قَالَ قَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم أَلا أخْبركُم بأيسر الْعِبَادَة وأهونها على الْبدن الصمت وَحسن الْخلق
رَوَاهُ ابْن أبي الدُّنْيَا وَالْبَزَّار وَالطَّبَرَانِيّ وَأَبُو يعلى وَرُوَاته ثِقَات وَالْبَيْهَقِيّ بِزِيَادَة وَرَوَاهُ أَبُو الشَّيْخ ابْن حبَان من حَدِيث أبي الدَّرْدَاء قَالَ قَالَ النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم يَا أَبَا الدَّرْدَاء أَلا أنبئك بأمرين خَفِيف مؤنتهما عَظِيم أجرهما لم تلق الله عز وَجل بمثلهما طول الصمت وَحسن الْخلق
رَوَاهُ ابْن أبي الدُّنْيَا أَيْضا عَن صَفْوَان بن سليم مُرْسلا قَالَ قَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم أَلا أخْبركُم بأيسر الْعِبَادَة وأهونها على الْبدن الصمت وَحسن الْخلق
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৩৭৬
অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
পরিচ্ছেদঃ কল্যাণকর কথাবার্তা ব্যতীত নীরবতা অবলম্বন করার প্রতি অনুপ্রেরণা এবং অধিক বাক্যালাপের প্রতি ভীতি প্রদর্শন
৪৩৭৬. হযরত আবু সাঈদ খুদরী (রা) থেকে মারফু' সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন: বনী আদমের প্রভাত হবে তখন তার শরীরের প্রত্যেকটি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ এই বলে সতর্ক করে দেয় যে, তুমি আমার ব্যাপারে আল্লাহকে ভয় কর। কেননা, আমরা তোমার সাথে সম্পৃক্ত। তুমি অবিচল থাকলে আমরাও অবিচল থাকব এবং তুমি বেঁকে থাকলে আমরাও বেঁকে যাব।
(তিরমিযী, ইব্ন আবুদ দুনিয়া ও অন্যান্যগণ কর্তৃক বর্ণিত। ইমাম তিরমিযী (র) বলেনঃ হাম্মাদ ইবন যায়িদ (র) ব্যতীত অন্যান্যগণও হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তবে তারা মারফু' সূত্রে বর্ণনা করেননি। আর এ কথাই বিশুদ্ধ।)
(তিরমিযী, ইব্ন আবুদ দুনিয়া ও অন্যান্যগণ কর্তৃক বর্ণিত। ইমাম তিরমিযী (র) বলেনঃ হাম্মাদ ইবন যায়িদ (র) ব্যতীত অন্যান্যগণও হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তবে তারা মারফু' সূত্রে বর্ণনা করেননি। আর এ কথাই বিশুদ্ধ।)
كتاب الأدب
التَّرْغِيب فِي الصمت إِلَّا عَن خير والترهيب من كَثْرَة الْكَلَام
4376- وَعَن أبي سعيد الْخُدْرِيّ رَضِي الله عَنهُ رَفعه قَالَ إِذا أصبح ابْن آدم فَإِن الْأَعْضَاء كلهَا تفكر اللِّسَان فَتَقول اتَّقِ الله فِينَا فَإِنَّمَا نَحن بك فَإِن اسْتَقَمْت استقمنا وَإِن اعوججت اعوججنا
رَوَاهُ التِّرْمِذِيّ وَابْن أبي الدُّنْيَا وَغَيرهمَا وَقَالَ التِّرْمِذِيّ رَوَاهُ غير وَاحِد عَن حَمَّاد بن زيد وَلم يرفعوه قَالَ وَهُوَ أصح
رَوَاهُ التِّرْمِذِيّ وَابْن أبي الدُّنْيَا وَغَيرهمَا وَقَالَ التِّرْمِذِيّ رَوَاهُ غير وَاحِد عَن حَمَّاد بن زيد وَلم يرفعوه قَالَ وَهُوَ أصح
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৩৭৭
অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
পরিচ্ছেদঃ কল্যাণকর কথাবার্তা ব্যতীত নীরবতা অবলম্বন করার প্রতি অনুপ্রেরণা এবং অধিক বাক্যালাপের প্রতি ভীতি প্রদর্শন
৪৩৭৭. হযরত আবু ওয়াইল (র) থেকে বর্ণিত। তিনি আবদুল্লাহ্ (রা) হতে বর্ণনা করেন যে, একবার তিনি সাফা পাহাড়ে আরোহন করেন। তখন তিনি নিজের জিহবা ধরেন এবং বলেনঃ হে জিহ্বা! তুমি উত্তম কথা বলবে লাভবান হবে এবং লাঞ্ছিত হওয়ার পূর্বেই তুমি অকল্যাণকর বাক্যালাপ থেকে নীরব থাকবে, এতে তুমি নিরাপত্তা লাভ করবে। এরপর তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)কে বলতে শুনেছি: বনী আদমের বেশীর ভাগ গুনাহ তার রসনার কারণেই হয়ে থাকে।
(তাবারানী বর্ণিত। তার বর্ণনাকারীগণের বর্ণনা বিশুদ্ধ। আবু শায়খের সাওয়ার অধ্যয়ের এবং বায়হাকী (র) উত্তম সনদে বর্ণনা করেন।)
(তাবারানী বর্ণিত। তার বর্ণনাকারীগণের বর্ণনা বিশুদ্ধ। আবু শায়খের সাওয়ার অধ্যয়ের এবং বায়হাকী (র) উত্তম সনদে বর্ণনা করেন।)
كتاب الأدب
التَّرْغِيب فِي الصمت إِلَّا عَن خير والترهيب من كَثْرَة الْكَلَام
4377- وَعَن أبي وَائِل عَن عبد الله رَضِي الله عَنْهُمَا أَنه ارْتقى الصَّفَا فَأخذ بِلِسَانِهِ فَقَالَ يَا لِسَان قل خيرا تغنم واسكت عَن شَرّ تسلم من قبل أَن تندم ثمَّ قَالَ سَمِعت رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم يَقُول أَكثر خطإ ابْن آدم فِي لِسَانه
رَوَاهُ الطَّبَرَانِيّ وَرُوَاته رُوَاة الصَّحِيح وَأَبُو الشَّيْخ فِي الثَّوَاب وَالْبَيْهَقِيّ بِإِسْنَاد حسن
رَوَاهُ الطَّبَرَانِيّ وَرُوَاته رُوَاة الصَّحِيح وَأَبُو الشَّيْخ فِي الثَّوَاب وَالْبَيْهَقِيّ بِإِسْنَاد حسن
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৩৭৮
অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
পরিচ্ছেদঃ কল্যাণকর কথাবার্তা ব্যতীত নীরবতা অবলম্বন করার প্রতি অনুপ্রেরণা এবং অধিক বাক্যালাপের প্রতি ভীতি প্রদর্শন
৪৩৭৮. হযরত আসলাম (র) থেকে বর্ণিত। একদিন হযরত উমার (রা) হযরত আবূ বাকর (রা)-এর সাক্ষাতে এসে দেখেন যে, তিনি তাঁর জিহবা ধরে টানছেন। হযরত উমার (রা) বলেন: খামুন! আল্লাহ্ আপনাকে ক্ষমা করুন। হযরত আবু বাকর (রা) তাকে বলেন: এটি আমাকে অন্যায়ের স্থলে উপনীত করেছে।
(মালিক, ইবন আবুদ দুনিয়া ও বায়হাকী বর্ণিত।)
(মালিক, ইবন আবুদ দুনিয়া ও বায়হাকী বর্ণিত।)
كتاب الأدب
التَّرْغِيب فِي الصمت إِلَّا عَن خير والترهيب من كَثْرَة الْكَلَام
4378- وَعَن أسلم أَن عمر دخل يَوْمًا على أبي بكر الصّديق رَضِي الله عَنْهُمَا وَهُوَ يجبذ لِسَانه فَقَالَ عمر مَه غفر الله لَك فَقَالَ لَهُ أَبُو بكر إِن هَذَا أوردني شَرّ الْمَوَارِد
رَوَاهُ مَالك وَابْن أبي الدُّنْيَا وَالْبَيْهَقِيّ
رَوَاهُ مَالك وَابْن أبي الدُّنْيَا وَالْبَيْهَقِيّ
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৩৭৯
অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
পরিচ্ছেদঃ কল্যাণকর কথাবার্তা ব্যতীত নীরবতা অবলম্বন করার প্রতি অনুপ্রেরণা এবং অধিক বাক্যালাপের প্রতি ভীতি প্রদর্শন
৪৩৭৯. বায়হাকীর শব্দমালা এরূপ। তিনি বলেনঃ এটি আমাকে নিকৃষ্ট স্থানে উপনীত করেছে। রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) বলেছেনঃ শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গসমূহের মধ্যে একমাত্র জিহ্বা-ই অন্যায় ও অশ্লীল কাজে সর্বাধিক ব্যবহৃত হয়।
مهه: আপনি যা করছেন, তা থেকে বিরত থাকুন।
وذرب اللسان : রসনা তীক্ষ্ণ, নিকৃষ্ট ও অশ্লীল হওয়া।
مهه: আপনি যা করছেন, তা থেকে বিরত থাকুন।
وذرب اللسان : রসনা তীক্ষ্ণ, নিকৃষ্ট ও অশ্লীল হওয়া।
كتاب الأدب
التَّرْغِيب فِي الصمت إِلَّا عَن خير والترهيب من كَثْرَة الْكَلَام
4379- وَفِي لفظ للبيهقي قَالَ إِن هَذَا أوردني شَرّ الْمَوَارِد
إِن رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم قَالَ لَيْسَ شَيْء من الْجَسَد إِلَّا يشكو ذرب اللِّسَان على حِدته
مَه أَي اكفف عَمَّا تَفْعَلهُ
وذرب اللِّسَان بِفَتْح الذَّال الْمُعْجَمَة وَالرَّاء جَمِيعًا هُوَ حِدته وشره وفحشه
إِن رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم قَالَ لَيْسَ شَيْء من الْجَسَد إِلَّا يشكو ذرب اللِّسَان على حِدته
مَه أَي اكفف عَمَّا تَفْعَلهُ
وذرب اللِّسَان بِفَتْح الذَّال الْمُعْجَمَة وَالرَّاء جَمِيعًا هُوَ حِدته وشره وفحشه
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৩৮০
অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
পরিচ্ছেদঃ কল্যাণকর কথাবার্তা ব্যতীত নীরবতা অবলম্বন করার প্রতি অনুপ্রেরণা এবং অধিক বাক্যালাপের প্রতি ভীতি প্রদর্শন
৪৩৮০. হযরত আনাস (রা) সূত্রে রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেন: চারটি বস্তু আমলকারীকে সর্বাধিক আনন্দ দেবে। তা হল : ১. নীরবতা অবলম্বন করা, আর এটি ইবাদতের প্রথম ধাপ, ২. বিনয়ী হওয়া, ৩. আল্লাহর যিকর করা এবং ৪. স্বল্প সম্পদ নিয়ে সন্তুষ্ট থাকা।
(হাকিম বর্ণিত। তিনি বলেন: হাদীসটির সনদ সহীহ্।
[হাফিয মুনযিরী (র) বলেন: উক্ত সনদে আওয়াম ইবন জুয়াইরিয়া নামে একজন বর্ণনাকারী রয়েছে। ইবন হিব্বান (র) তাঁর সম্পর্কে বলেন, তিনি একজন জাল হাদীস বর্ণনাকারী। তিনি অত্র হাদীসটিকে মুনকার হাদীস বলে মনে করেন। তবে তিনি হযরত আনাস (রা) থেকে মাওকুফ সনদ সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন। আর একথাই অধিক সামঞ্জস্যপূর্ণ। আবু শায়খ সাওয়াবও অন্যান্য অধ্যায়ে এই হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
(হাকিম বর্ণিত। তিনি বলেন: হাদীসটির সনদ সহীহ্।
[হাফিয মুনযিরী (র) বলেন: উক্ত সনদে আওয়াম ইবন জুয়াইরিয়া নামে একজন বর্ণনাকারী রয়েছে। ইবন হিব্বান (র) তাঁর সম্পর্কে বলেন, তিনি একজন জাল হাদীস বর্ণনাকারী। তিনি অত্র হাদীসটিকে মুনকার হাদীস বলে মনে করেন। তবে তিনি হযরত আনাস (রা) থেকে মাওকুফ সনদ সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন। আর একথাই অধিক সামঞ্জস্যপূর্ণ। আবু শায়খ সাওয়াবও অন্যান্য অধ্যায়ে এই হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
كتاب الأدب
التَّرْغِيب فِي الصمت إِلَّا عَن خير والترهيب من كَثْرَة الْكَلَام
4380- وَعَن أنس رَضِي الله عَنهُ عَن رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم قَالَ أَربع لَا يصبن إِلَّا بعجب الصمت وَهُوَ أول الْعِبَادَة والتواضع وَذكر الله عز وَجل وَقلة الشَّيْء
رَوَاهُ الْحَاكِم وَقَالَ صَحِيح الْإِسْنَاد
قَالَ الْحَافِظ فِي إِسْنَاده الْعَوام وَهُوَ ابْن جوَيْرِية
قَالَ ابْن حبَان كَانَ يروي الموضوعات وَقد عد هَذَا الحَدِيث من مَنَاكِيره وَرُوِيَ عَن أنس مَوْقُوفا عَلَيْهِ وَهُوَ أشبه أخرجه أَبُو الشَّيْخ فِي الثَّوَاب وَغَيره
رَوَاهُ الْحَاكِم وَقَالَ صَحِيح الْإِسْنَاد
قَالَ الْحَافِظ فِي إِسْنَاده الْعَوام وَهُوَ ابْن جوَيْرِية
قَالَ ابْن حبَان كَانَ يروي الموضوعات وَقد عد هَذَا الحَدِيث من مَنَاكِيره وَرُوِيَ عَن أنس مَوْقُوفا عَلَيْهِ وَهُوَ أشبه أخرجه أَبُو الشَّيْخ فِي الثَّوَاب وَغَيره
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৩৮১
অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
পরিচ্ছেদঃ কল্যাণকর কথাবার্তা ব্যতীত নীরবতা অবলম্বন করার প্রতি অনুপ্রেরণা এবং অধিক বাক্যালাপের প্রতি ভীতি প্রদর্শন
৪৩৮১. হযরত আনাস (রা) জনৈক পাদ্রী থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, হযরত ঈসা, ইবন মারইয়াম (আ) বলেছেন: কোন ব্যক্তির মধ্যে চারটি গুণ পাওয়া গেলে সে হবে সর্বোত্তম ব্যক্তি।
আল-হাদীস। উক্ত হাদীসটি ইবন আবুদ দুনিয়া সামত অধ্যায়ে এবং আবু শায়খ অন্যান্য কিতাবে বর্ণনা করেছেন।
আল-হাদীস। উক্ত হাদীসটি ইবন আবুদ দুনিয়া সামত অধ্যায়ে এবং আবু শায়খ অন্যান্য কিতাবে বর্ণনা করেছেন।
كتاب الأدب
التَّرْغِيب فِي الصمت إِلَّا عَن خير والترهيب من كَثْرَة الْكَلَام
4381- وَرُوِيَ أَيْضا عَن وهيب قَالَ قَالَ عِيسَى ابْن مَرْيَم صلوَات الله عَلَيْهِ أَربع لَا يجتمعن فِي أحد من النَّاس إِلَّا بعجب
الحَدِيث أخرجه ابْن أبي الدُّنْيَا فِي كتاب الصمت وَأَبُو الشَّيْخ وَغَيرهمَا
الحَدِيث أخرجه ابْن أبي الدُّنْيَا فِي كتاب الصمت وَأَبُو الشَّيْخ وَغَيرهمَا
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৩৮২
অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
পরিচ্ছেদঃ কল্যাণকর কথাবার্তা ব্যতীত নীরবতা অবলম্বন করার প্রতি অনুপ্রেরণা এবং অধিক বাক্যালাপের প্রতি ভীতি প্রদর্শন
৪৩৮২. মুজাহিদ (র) থেকে বর্ণিত। তিনি হযরত ইব্ন আব্বাস (রা) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, আমি হযরত ইব্ন আব্বাস (রা)-কে বলতে শুনেছি। কারো মধ্যে পাঁচটি গুণ থাকলে তা দামী অসংখ্য উট লাভ করা অপেক্ষা উত্তম। তা হল: ১. তুমি নিরর্থক কথা বলবে না, কেননা, এতে রয়েছে মর্যাদা এবং তা তোমার ঘাড়ে পাপ চাপিয়ে দেবে না; ২. তুমি অর্থবহ কথা বলবে এবং যথাস্থান ব্যতীত কথা বলবে না। কেননা, অনেক সময় বক্তার অর্থবহ কথাও অপাত্রে প্রয়োগের কারণে দূষণীয় হয়, ৩. তুমি ধৈর্যশীল অথবা বোকা লোকের সাথে ঝগড়ায় জড়িয়ে পড়বে না। কেননা, ধৈর্যশীল ব্যক্তি তোমার প্রতি ক্ষুব্ধ হবে, আর বোকা লোক তোমাকে কষ্ট দেবে, ৪. তুমি যদি তোমার ভাল আলোচনা শুনতে চাও, তবে তোমার ভাইয়ের অনুপস্থিতিতে ঐ জাতীয় আলোচনা কর। তুমি যার থেকে ক্ষমাপ্রাপ্তির আশা কর, তুমিও তাকে ক্ষমা করে দাও এবং ৫. তুমি এমন কাজ করবে, যাতে তুমি পুরস্কার লাভ করতে পার, আর তুমি এমন কজ করবে না, যা শাস্তিযোগ্য। ইব্ন (আবুদ দুনিয়া মাওকুফ সনদ সূত্রে বর্ণনা করেন।)
كتاب الأدب
التَّرْغِيب فِي الصمت إِلَّا عَن خير والترهيب من كَثْرَة الْكَلَام
4382- وَرُوِيَ عَن مُجَاهِد عَن ابْن عَبَّاس رَضِي الله عَنْهُمَا قَالَ سمعته يَقُول خمس لَهُنَّ أحسن من الدهم الموقفة لَا تكلم فِيمَا لَا يَعْنِيك فَإِنَّهُ فضل وَلَا آمن عَلَيْك الْوزر
وَلَا تكلم فِيمَا يَعْنِيك حَتَّى تَجِد لَهُ موضعا فَإِنَّهُ رب مُتَكَلم فِي أَمر يعنيه قد وَضعه فِي غير مَوْضِعه فعيب وَلَا تمار حَلِيمًا وَلَا سَفِيها فَإِن الْحَلِيم يقليك وَإِن السَّفِيه يُؤْذِيك وَاذْكُر أَخَاك إِذا تغيب عَنْك بِمَا تحب أَن يذكرك بِهِ وأعفه مِمَّا تحب أَن يعفيك مِنْهُ واعمل عمل رجل يرى أَنه مجازى بِالْإِحْسَانِ مَأْخُوذ بالإجرام
رَوَاهُ ابْن أبي الدُّنْيَا مَوْقُوفا
وَلَا تكلم فِيمَا يَعْنِيك حَتَّى تَجِد لَهُ موضعا فَإِنَّهُ رب مُتَكَلم فِي أَمر يعنيه قد وَضعه فِي غير مَوْضِعه فعيب وَلَا تمار حَلِيمًا وَلَا سَفِيها فَإِن الْحَلِيم يقليك وَإِن السَّفِيه يُؤْذِيك وَاذْكُر أَخَاك إِذا تغيب عَنْك بِمَا تحب أَن يذكرك بِهِ وأعفه مِمَّا تحب أَن يعفيك مِنْهُ واعمل عمل رجل يرى أَنه مجازى بِالْإِحْسَانِ مَأْخُوذ بالإجرام
رَوَاهُ ابْن أبي الدُّنْيَا مَوْقُوفا
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৩৮৩
অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
পরিচ্ছেদঃ কল্যাণকর কথাবার্তা ব্যতীত নীরবতা অবলম্বন করার প্রতি অনুপ্রেরণা এবং অধিক বাক্যালাপের প্রতি ভীতি প্রদর্শন
৪৩৮৩. হযরত ইবন উমার (রা) থেকে বর্ণিত। রাসুলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি নীরব থাকে, সে-ই মুক্তি পায়।
(তিরমিযী বর্ণিত। তিনি বলেন: হাদীসটি গরীব। তাবারানী বর্ণিত। তাঁর বর্ণনাকারীগণ বিশ্বস্ত।)
(তিরমিযী বর্ণিত। তিনি বলেন: হাদীসটি গরীব। তাবারানী বর্ণিত। তাঁর বর্ণনাকারীগণ বিশ্বস্ত।)
كتاب الأدب
التَّرْغِيب فِي الصمت إِلَّا عَن خير والترهيب من كَثْرَة الْكَلَام
4383- وَعَن ابْن عمر رَضِي الله عَنْهُمَا أَن رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم قَالَ من صمت نجا
رَوَاهُ التِّرْمِذِيّ وَقَالَ حَدِيث غَرِيب وَالطَّبَرَانِيّ وَرُوَاته ثِقَات
رَوَاهُ التِّرْمِذِيّ وَقَالَ حَدِيث غَرِيب وَالطَّبَرَانِيّ وَرُوَاته ثِقَات
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৩৮৪
অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
পরিচ্ছেদঃ কল্যাণকর কথাবার্তা ব্যতীত নীরবতা অবলম্বন করার প্রতি অনুপ্রেরণা এবং অধিক বাক্যালাপের প্রতি ভীতি প্রদর্শন
৪৩৮৪. হযরত আনাস (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: যে ব্যক্তি নিরাপদ থাকতে ভালবাসে, সে যেন অবশ্যই নীবরতা অবলম্বন করে।
(ইবন আবুদ দুনিয়া, আবু শায়খ ও অন্যান্যগণ বর্ণনা করেন।)
(ইবন আবুদ দুনিয়া, আবু শায়খ ও অন্যান্যগণ বর্ণনা করেন।)
كتاب الأدب
التَّرْغِيب فِي الصمت إِلَّا عَن خير والترهيب من كَثْرَة الْكَلَام
4384- وَرُوِيَ عَن أنس رَضِي الله عَنهُ قَالَ قَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم من سره أَن يسلم فليلزم الصمت
رَوَاهُ ابْن أبي الدُّنْيَا وَأَبُو الشَّيْخ وَغَيرهمَا
رَوَاهُ ابْن أبي الدُّنْيَا وَأَبُو الشَّيْخ وَغَيرهمَا
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৩৮৫
অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
পরিচ্ছেদঃ কল্যাণকর কথাবার্তা ব্যতীত নীরবতা অবলম্বন করার প্রতি অনুপ্রেরণা এবং অধিক বাক্যালাপের প্রতি ভীতি প্রদর্শন
৪৩৮৫. হযরত আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি নবী (ﷺ)-কে বলতে শুনেছেন: বান্দা কখনো কখনো চিন্তা না করে এমন কথা বলে, যার পরিণামে সে জাহান্নামে পতিত হয়। জাহান্নামের এক একটি স্তর পূর্ব থেকে পশ্চিম পর্যন্ত বিস্তৃত।
(বুখারী, মুসলিম, নাসাঈ, ইবন মাজা ও তিরমিযয়ী বর্ণিত। তবে তাদের উভয়ের শব্দমালা এরূপ: বান্দা কখনো কখনো এমন কথা বলে, যা সে দূষণীয় মনে করে না। পক্ষান্তরে এই কথা তাকে জাহান্নামের সত্তর বছরের দূরবর্তী স্থানে নিক্ষেপ করবে।
قوله ما يتبين فيها - ভালো মন্দ চিন্তা না করে কথা বলা।)
(বুখারী, মুসলিম, নাসাঈ, ইবন মাজা ও তিরমিযয়ী বর্ণিত। তবে তাদের উভয়ের শব্দমালা এরূপ: বান্দা কখনো কখনো এমন কথা বলে, যা সে দূষণীয় মনে করে না। পক্ষান্তরে এই কথা তাকে জাহান্নামের সত্তর বছরের দূরবর্তী স্থানে নিক্ষেপ করবে।
قوله ما يتبين فيها - ভালো মন্দ চিন্তা না করে কথা বলা।)
كتاب الأدب
التَّرْغِيب فِي الصمت إِلَّا عَن خير والترهيب من كَثْرَة الْكَلَام
4385- وَعَن أبي هُرَيْرَة رَضِي الله عَنهُ أَنه سمع النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم يَقُول إِن العَبْد ليَتَكَلَّم بِالْكَلِمَةِ مَا يتَبَيَّن فِيهَا يزل بهَا فِي النَّار أبعد مَا بَين الْمشرق وَالْمغْرب
رَوَاهُ البُخَارِيّ وَمُسلم وَالنَّسَائِيّ وَرَوَاهُ ابْن مَاجَه وَالتِّرْمِذِيّ إِلَّا أَنَّهُمَا قَالَا إِن الرجل ليَتَكَلَّم بِالْكَلِمَةِ لَا يرى بهَا بَأْسا يهوي بهَا سبعين خَرِيفًا
قَوْله مَا يتَبَيَّن فِيهَا أَي مَا يتفكر هَل هِيَ خير أَو شَرّ
رَوَاهُ البُخَارِيّ وَمُسلم وَالنَّسَائِيّ وَرَوَاهُ ابْن مَاجَه وَالتِّرْمِذِيّ إِلَّا أَنَّهُمَا قَالَا إِن الرجل ليَتَكَلَّم بِالْكَلِمَةِ لَا يرى بهَا بَأْسا يهوي بهَا سبعين خَرِيفًا
قَوْله مَا يتَبَيَّن فِيهَا أَي مَا يتفكر هَل هِيَ خير أَو شَرّ
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৩৮৬
অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
পরিচ্ছেদঃ কল্যাণকর কথাবার্তা ব্যতীত নীরবতা অবলম্বন করার প্রতি অনুপ্রেরণা এবং অধিক বাক্যালাপের প্রতি ভীতি প্রদর্শন
৪৩৮৬. নবী (ﷺ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেন: বান্দা কখনো কখনো স্বাভাবিকভাবে এমন কথা বলে, যা আল্লাহর সন্তুষ্টির কারণ হয়ে যায়। আর এর বিনিময়ে আল্লাহ্ তাকে জান্নাতে উচ্চমর্যাদা দান করবেন। আবার কখনো কখনো বান্দা স্বাভাবিকভাবে এমন কথা বলে, যা আল্লাহর ক্রোধের কারণ হয়ে যায়। আর এর বিনিময়ে আল্লাহ তাকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করবেন।
(মালিক, বুখারী (র) নিজ শব্দে, নাসাঈ ও হাকিম বর্ণিত। ইমাম হাকিম (র) বলেন: হাদীসটি ইমাম মুসলিমের শর্তানুযায়ী সহীহ্। তাঁর শব্দমালা এরূপ: বান্দা কোন কোন সময় এমন কথা বলে, যার ভয়াবহ পরিণতি সম্পর্কে সে চিন্তাও করে না অথচ পরিণামে সে জাহান্নামের সত্তর হাজার বছরের দূরত্বে গভীরতায় পৌছবে" এবং বায়হাকী ও বায়হাকীর শব্দমালা এরূপ: "রাসুলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: বান্দা কখনো কখনো রসনা দ্বারা এমন আছাড় খায়, যা পায়ের আছাড় থেকেও ভয়াবহ"।)
(মালিক, বুখারী (র) নিজ শব্দে, নাসাঈ ও হাকিম বর্ণিত। ইমাম হাকিম (র) বলেন: হাদীসটি ইমাম মুসলিমের শর্তানুযায়ী সহীহ্। তাঁর শব্দমালা এরূপ: বান্দা কোন কোন সময় এমন কথা বলে, যার ভয়াবহ পরিণতি সম্পর্কে সে চিন্তাও করে না অথচ পরিণামে সে জাহান্নামের সত্তর হাজার বছরের দূরত্বে গভীরতায় পৌছবে" এবং বায়হাকী ও বায়হাকীর শব্দমালা এরূপ: "রাসুলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: বান্দা কখনো কখনো রসনা দ্বারা এমন আছাড় খায়, যা পায়ের আছাড় থেকেও ভয়াবহ"।)
كتاب الأدب
التَّرْغِيب فِي الصمت إِلَّا عَن خير والترهيب من كَثْرَة الْكَلَام
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৩৮৭
অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
পরিচ্ছেদঃ কল্যাণকর কথাবার্তা ব্যতীত নীরবতা অবলম্বন করার প্রতি অনুপ্রেরণা এবং অধিক বাক্যালাপের প্রতি ভীতি প্রদর্শন
৪৩৮৭. হযরত আবু সাঈদ খুদরী (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: মানুষ কখনো কখনো খারাপ উদ্দেশ্য না নিয়ে কেবলমাত্র সঙ্গী-সাথীদেরকে হাসানোর উদ্দেশ্যে কথা বলে, পরিণামে সে
আসমানের দূরত্ব পরিমাণ জহান্নামের পড়ে যায়।
(আবু শায়খ (র) আবু ইসরাঈল হতে, তিনি আতীয়া উফী হতে বর্ণনা করেন।)
আসমানের দূরত্ব পরিমাণ জহান্নামের পড়ে যায়।
(আবু শায়খ (র) আবু ইসরাঈল হতে, তিনি আতীয়া উফী হতে বর্ণনা করেন।)
كتاب الأدب
التَّرْغِيب فِي الصمت إِلَّا عَن خير والترهيب من كَثْرَة الْكَلَام
4387- وَعَن أبي سعيد رَضِي الله عَنهُ قَالَ قَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم إِن الرجل ليتحدث
بِالْحَدِيثِ مَا يُرِيد بِهِ سوءا إِلَّا ليضحك بِهِ الْقَوْم يهوي بِهِ أبعد من السَّمَاء
رَوَاهُ أَبُو الشَّيْخ عَن أبي إِسْرَائِيل عَن عَطِيَّة وَهُوَ الْعَوْفِيّ عَنهُ
بِالْحَدِيثِ مَا يُرِيد بِهِ سوءا إِلَّا ليضحك بِهِ الْقَوْم يهوي بِهِ أبعد من السَّمَاء
رَوَاهُ أَبُو الشَّيْخ عَن أبي إِسْرَائِيل عَن عَطِيَّة وَهُوَ الْعَوْفِيّ عَنهُ
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৩৮৮
অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
পরিচ্ছেদঃ কল্যাণকর কথাবার্তা ব্যতীত নীরবতা অবলম্বন করার প্রতি অনুপ্রেরণা এবং অধিক বাক্যালাপের প্রতি ভীতি প্রদর্শন
৪৩৮৮. হযরত আনাস ইবন মালিক (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) বলেছেন: সাবধান! সম্ভবত তোমাদের মধ্যে এমন কেউ থাকতে পারে, যে সাথীদের হাসানোর উদ্দেশ্যে কথা বলে। ফলে, সে আসমানের দূরত্ব পরিমাণ জাহান্নামের তলদেশে পতিত হয়। সাবধান! সম্ভবত তোমাদের মধ্যে এমন লোক থাকতে পারে, যে তার সাথীদের হাসানোর উদ্দেশ্যে কথা বলে। ফলে, আল্লাহ তার প্রতি অসন্তুষ্ট হন এবং তাকে জাহান্নামে প্রবেশ না করানো পর্যন্ত তিনি সন্তুষ্ট হন না।
(আবু শায়খ উত্তম সনদে উক্ত হাদীসটি বর্ণনা করেন। অনুরূপ তিনি আলী ইবন যায়িদ (র) থেকে, তিনি হাসান (র) থেকে মুরসাল সূত্রে বর্ণনা করেন।)
(আবু শায়খ উত্তম সনদে উক্ত হাদীসটি বর্ণনা করেন। অনুরূপ তিনি আলী ইবন যায়িদ (র) থেকে, তিনি হাসান (র) থেকে মুরসাল সূত্রে বর্ণনা করেন।)
كتاب الأدب
التَّرْغِيب فِي الصمت إِلَّا عَن خير والترهيب من كَثْرَة الْكَلَام
4388- وَعَن أنس بن مَالك رَضِي الله عَنهُ أَن رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم قَالَ أَلا هَل عَسى رجل مِنْكُم أَن يتَكَلَّم بِالْكَلِمَةِ يضْحك بهَا الْقَوْم فَيسْقط بهَا أبعد من السَّمَاء أَلا هَل عَسى رجل مِنْكُم يتَكَلَّم بِالْكَلِمَةِ يضْحك بهَا أَصْحَابه فيسخط الله بهَا عَلَيْهِ لَا يرضى عَنهُ حَتَّى يدْخلهُ النَّار
رَوَاهُ أَبُو الشَّيْخ أَيْضا بِإِسْنَاد حسن وَرَوَاهُ عَن عَليّ بن زيد عَن الْحسن مُرْسلا
رَوَاهُ أَبُو الشَّيْخ أَيْضا بِإِسْنَاد حسن وَرَوَاهُ عَن عَليّ بن زيد عَن الْحسن مُرْسلا
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৩৮৯
অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
পরিচ্ছেদঃ কল্যাণকর কথাবার্তা ব্যতীত নীরবতা অবলম্বন করার প্রতি অনুপ্রেরণা এবং অধিক বাক্যালাপের প্রতি ভীতি প্রদর্শন
৪৩৮৯. হযরত বিলাল ইবন হারিস মুযানী (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: কোন কোন লোক স্বাভাবিকভাবে এমন কথা বলে, যা আল্লাহর সন্তুষ্টির কারণ হয়ে যায়, অথচ লোকটি এতবড় মর্যাদা লাভের ধারণাও করেনি। আল্লাহ তাকে তার সাক্ষাতের দিন পর্যন্ত তার প্রতি সন্তুষ্টি লিখে দেন। আর কোন কোন বান্দা স্বাভাবিকভাবে এমন কথা বলে, যা আল্লাহর অসন্তুষ্টির কারণ হয়ে দাঁড়ায়, অথচ সে এ পর্যায় পৌছবে এমনটি ধারণাও করেনি। আল্লাহ্ তাকে তার সাক্ষাতের দিন পর্যন্ত তার প্রতি অসন্তুষ্টি লিখে দেন।
(মালিক ও তিরমিযী (র) বর্ণিত। তিনি বলেন: হাদীসটি হাসান-সহীহ্ এবং নাসাঈ ও ইবন মাজা এবং ইবনে হিব্বানের সহীহ্ গ্রন্থ ও হাকিম। তিনি বলেন, হাদীসটির সনদসূত্রে সহীহ্।)
(মালিক ও তিরমিযী (র) বর্ণিত। তিনি বলেন: হাদীসটি হাসান-সহীহ্ এবং নাসাঈ ও ইবন মাজা এবং ইবনে হিব্বানের সহীহ্ গ্রন্থ ও হাকিম। তিনি বলেন, হাদীসটির সনদসূত্রে সহীহ্।)
كتاب الأدب
التَّرْغِيب فِي الصمت إِلَّا عَن خير والترهيب من كَثْرَة الْكَلَام
4389- وَعَن بِلَال بن الْحَارِث الْمُزنِيّ رَضِي الله عَنهُ أَن رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم قَالَ إِن الرجل ليَتَكَلَّم بِالْكَلِمَةِ من رضوَان الله مَا كَانَ يظنّ أَن تبلغ مَا بلغت يكْتب الله تَعَالَى لَهُ بهَا رضوانه إِلَى يَوْم يلقاه وَإِن الرجل ليَتَكَلَّم بِالْكَلِمَةِ من سخط الله مَا كَانَ يظنّ أَن تبلغ مَا بلغت يكْتب الله لَهُ بهَا سخطه إِلَى يَوْم يلقاه
رَوَاهُ مَالك وَالتِّرْمِذِيّ وَقَالَ حَدِيث حسن صَحِيح وَالنَّسَائِيّ وَابْن مَاجَه وَابْن حبَان فِي صَحِيحه وَالْحَاكِم وَقَالَ صَحِيح الْإِسْنَاد
رَوَاهُ مَالك وَالتِّرْمِذِيّ وَقَالَ حَدِيث حسن صَحِيح وَالنَّسَائِيّ وَابْن مَاجَه وَابْن حبَان فِي صَحِيحه وَالْحَاكِم وَقَالَ صَحِيح الْإِسْنَاد
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৩৯০
অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
পরিচ্ছেদঃ কল্যাণকর কথাবার্তা ব্যতীত নীরবতা অবলম্বন করার প্রতি অনুপ্রেরণা এবং অধিক বাক্যালাপের প্রতি ভীতি প্রদর্শন
৪৩৯০. হযরত আমাতা বিনত হাকাম গিফারীয়া (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)কে বলতে শুনেছিঃ কোন কোন বান্দা কিয়ামতের দিন জান্নাতের এত নিকটবর্তী হবে যে, তারাও জান্নাতের মাঝে একটি তীর পরিমাণ দূরত্ব থাকবে। কিন্তু সে দুনিয়াতে এমন একটি কথা বলেছিল, যার কারণে সে জান্নাত থেকে সান'আ পর্যন্ত দূরে অবস্থান করবে।
(ইবন আবুদ দুনিয়া ও ইস্পাহানী বর্ণিত, তাঁরা উভয়ে ইসহাক ইবন মুহাম্মদ হতে বর্ণনা করেন।)
(ইবন আবুদ দুনিয়া ও ইস্পাহানী বর্ণিত, তাঁরা উভয়ে ইসহাক ইবন মুহাম্মদ হতে বর্ণনা করেন।)
كتاب الأدب
التَّرْغِيب فِي الصمت إِلَّا عَن خير والترهيب من كَثْرَة الْكَلَام
4390- وَعَن أمة بنت الحكم الغفارية رَضِي الله عَنْهَا قَالَت سَمِعت رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم يَقُول إِن الرجل ليدنو من الْجنَّة حَتَّى مَا يكون بَينه وَبَينهَا إِلَّا قيد رمح فيتكلم بِالْكَلِمَةِ فيتباعد مِنْهَا أبعد من صنعاء
رَوَاهُ ابْن أبي الدُّنْيَا والأصبهاني كِلَاهُمَا من رِوَايَة مُحَمَّد بن إِسْحَاق
رَوَاهُ ابْن أبي الدُّنْيَا والأصبهاني كِلَاهُمَا من رِوَايَة مُحَمَّد بن إِسْحَاق
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৩৯১
অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
পরিচ্ছেদঃ কল্যাণকর কথাবার্তা ব্যতীত নীরবতা অবলম্বন করার প্রতি অনুপ্রেরণা এবং অধিক বাক্যালাপের প্রতি ভীতি প্রদর্শন
৪৩৯১. হযরত ইবন উমর (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: তোমরা আল্লাহর যিকর ব্যতীত অতিরিক্ত বাক্যালাপ করবে না। কেননা, আল্লাহর যিকর ব্যতীত অতিরিক্ত কথাবার্তা অন্তর কঠিন হয়ে যায়। যার অন্তর কঠিন, সেই আল্লাহর রহমত থেকে অতি দূরে অবস্থান করে।
(তিরমিযী, বায়হাকী বর্ণিত। ইমাম তিরমিযী (র) বলেনঃ হাদীসটি হাসান-গরীব।)
(তিরমিযী, বায়হাকী বর্ণিত। ইমাম তিরমিযী (র) বলেনঃ হাদীসটি হাসান-গরীব।)
كتاب الأدب
التَّرْغِيب فِي الصمت إِلَّا عَن خير والترهيب من كَثْرَة الْكَلَام
4391- وَعَن ابْن عمر رَضِي الله عَنْهُمَا قَالَ قَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم لَا تكثروا الْكَلَام بِغَيْر ذكر الله فَإِن كَثْرَة الْكَلَام بِغَيْر ذكر الله قسوة للقلب وَإِن أبعد النَّاس من الله تَعَالَى الْقلب القاسي
رَوَاهُ التِّرْمِذِيّ وَالْبَيْهَقِيّ وَقَالَ التِّرْمِذِيّ حَدِيث حسن غَرِيب
رَوَاهُ التِّرْمِذِيّ وَالْبَيْهَقِيّ وَقَالَ التِّرْمِذِيّ حَدِيث حسن غَرِيب
তাহকীক: