আত্-তারগীব ওয়াত্-তারহীব- ইমাম মুনযিরী রহঃ

الترغيب والترهيب للمنذري

২৩. অধ্যায়ঃ তাওবা ও যুহদ - এর পরিচ্ছেদসমূহ

মোট হাদীস ৩৯৩ টি

হাদীস নং: ৫০৪৭
অধ্যায়ঃ তাওবা ও যুহদ
পরিচ্ছেদঃ দুনিয়ার প্রতি অনাসক্তি ও দুনিয়ার স্বল্পতায় তুষ্ট থাকার জন্য উৎসাহ দান এবং দুনিয়ার প্রতি ভালবাসা ও তজ্জন্য প্রতিযোগিতা-প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ব্যাপারে সতর্কীকরণ এবং পানাহার ও লেবাস পোষাক ইত্যাদিতে নবী (ﷺ)-এর জীবন-যাপন পদ্ধতি সম্পর্কিত কতিপয় হাদীস
৫০৪৭. হযরত আমের ইব্‌ন আব্দুল্লাহ্ (র) থেকে বর্ণিত আছে। যে, সালমান আল-খায়র (ফারেসী) (রা)-যখন মুমুর্ষু অবস্থায় উপনীত হলেন, তখন লোকেরা তাঁর কিছুটা অস্থিরতা অনুভব করল। তাই তাঁরা জিজ্ঞেস করল, হে আবু আব্দুল্লাহ্। আপনার এ অস্থিরতা কেন? অথচ আপনার তো নেক কাজে অগ্রণী ভূমিকা রয়েছে। আপনি রাসূলুল্লাহ্-এর সঙ্গে বহু যুদ্ধে এবং বড় বড় বিজয়ে অংশ গ্রহণের সুবর্ণ সুযোগ ঘটেছে। তিনি বলেন, আমাকে এ বিষয়টিই অস্থির করে তুলছে যে, আমাদের প্রিয় হাবীব (রাসূলুল্লাহ ﷺ) যখন আমাদের কাছ থেকে বিদায় নেন, তখন আমাদের কাছ থেকে একটি প্রতিশ্রুতি নিয়েছিলেন। তিনি তখন আমাদেরকে বলেছিলেন। মুসাফিরের পাথেয়ের সমপরিমাণ সামগ্রীই যেন তোমাদের প্রতিটি ব্যক্তির জন্য যথেষ্ট বিবেচিত হয়। এবিষয়টিই আমাকে অস্থির করে তুলেছে। অতঃপর সালমান (রা)-এর পরিত্যক্ত সম্পদগুলো একত্রিত করা হল। দেখা গেল তার মূল্য দাঁড়াল (মাত্র) পনের দিরহাম।
(ইবন হিব্বান তাঁর 'সহীহ' কিতাবে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
كتاب التوبة والزهد
التَّرْغِيب فِي الزّهْد فِي الدُّنْيَا والاكتفاء مِنْهَا بِالْقَلِيلِ والترهيب من حبها وَالتَّكَاثُر فِيهَا والتنافس وَبَعض مَا جَاءَ فِي عَيْش النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم فِي المأكل والملبس وَالْمشْرَب وَنَحْو ذَلِك
5047- وَعَن عَامر بن عبد الله أَن سلمَان الْخَيْر رَضِي الله عَنهُ حِين حَضَره الْمَوْت عرفُوا مِنْهُ بعض الْجزع فَقَالُوا مَا يجزعك يَا أَبَا عبد الله وَقد كَانَت لَك سَابِقَة فِي الْخَيْر شهِدت مَعَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم مغازي حَسَنَة وفتوحا عظاما
قَالَ يجزعني أَن حبيبنا صلى الله عَلَيْهِ وَسلم حِين فارقنا عهد إِلَيْنَا
قَالَ ليكف الْمَرْء مِنْكُم كزاد الرَّاكِب فَهَذَا الَّذِي أجزعني فَجمع مَال سلمَان فَكَانَ قِيمَته خَمْسَة عشر درهما

رَوَاهُ ابْن حبَان فِي صَحِيحه
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৫০৪৮
অধ্যায়ঃ তাওবা ও যুহদ
পরিচ্ছেদঃ দুনিয়ার প্রতি অনাসক্তি ও দুনিয়ার স্বল্পতায় তুষ্ট থাকার জন্য উৎসাহ দান এবং দুনিয়ার প্রতি ভালবাসা ও তজ্জন্য প্রতিযোগিতা-প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ব্যাপারে সতর্কীকরণ এবং পানাহার ও লেবাস পোষাক ইত্যাদিতে নবী (ﷺ)-এর জীবন-যাপন পদ্ধতি সম্পর্কিত কতিপয় হাদীস
৫০৪৮. হযরত আলী ইবন বুদায়মাতা থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ সালমান (রা)-এর আসবাবপত্রগুলো বিক্রি
করা হল। ফলে তার মূল্য দাঁড়ালো চৌদ্দ দিরহাম।
(তাবারানী (র) হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। এর সনদটি উত্তম। তবে আলী (ইবন বুদায়মা) সালমান (রা)-এর সাক্ষাৎ পাননি।
[হাফিয (র) বলেন:], সলফে সালেহীনের জীবন-চরিত ও তাঁদের দুনিয়া বিমুখতা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোকপাত করতে গেলে শুধু এ বিষয়েই কয়েক খণ্ড গ্রন্থ তৈরী হয়ে যাবে। তেমন বিস্তারিত আলোচনা আমার এ গ্রন্থের আঙ্গিকের সাথে সঙ্গতিশীল নয়। তাঁদের আলোচনার বরকত লাভের উদ্দেশ্য তাঁদের যেসব সীরাতের যৎসামান্য নিদর্শন স্বরূপ উপরে উল্লিখিত সামান্যটুকু লিখলাম। একমাত্র আল্লাহ তা'আলার তাওফীক ছাড়া। তিনি ব্যতীত অন্য কোন উপাস্য নেই।)
كتاب التوبة والزهد
التَّرْغِيب فِي الزّهْد فِي الدُّنْيَا والاكتفاء مِنْهَا بِالْقَلِيلِ والترهيب من حبها وَالتَّكَاثُر فِيهَا والتنافس وَبَعض مَا جَاءَ فِي عَيْش النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم فِي المأكل والملبس وَالْمشْرَب وَنَحْو ذَلِك
5048- وَعَن عَليّ بن بذيمة قَالَ بيع مَتَاع سلمَان رَضِي الله عَنهُ فَبلغ أَرْبَعَة عشر درهما

رَوَاهُ الطَّبَرَانِيّ وَإِسْنَاده جيد إِلَّا أَن عليا لم يدْرك سلمَان
قَالَ الْحَافِظ وَلَو بسطنا الْكَلَام على سيرة السّلف وزهدهم لَكَانَ من ذَلِك مجلدات لكنه لَيْسَ من شَرط كتَابنَا وَإِنَّمَا أملينا هَذِه النبذة اسْتِطْرَادًا تبركا بذكرهم ونموذجا لما تركنَا من سيرهم وَالله الْموقف من أَرَادَ لَا رب غَيره
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৫০৪৯
অধ্যায়ঃ তাওবা ও যুহদ
পরিচ্ছেদঃ আল্লাহ্ তা'আলার ভয়ে কাঁদার প্রতি উৎসাহ প্রদান
৫০৪৯. হযরত আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি, যেদিন আল্লাহর (আরশের) ছায়া ব্যতীত কোন ছায়া থাকবে না, সেদিন আল্লাহ্ তা'আলা সাত শ্রেণীর লোককে তাঁর। (আরশের) ছায়াতলে স্থান দেবেন। ১. ন্যায়পরায়ণ শাসক, ২. এমন যুবক, যে আল্লাহ্ তা'আলার ইবাদতে লালিত হয়েছে, ৩. এমন ব্যক্তি, যার অন্তর মসজিদসমূহের প্রতি লেগে যাকে, (৪-৫) এমন দুই ব্যক্তি, যারা একে অপরকে আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে ভালবাসে, এরই ভিত্তিতে তারা মিলিত হয় এবং এরই ভিত্তিতে তারা পরস্পরে বিচ্ছিন্ন হয়, ৬. এমন পুরুষ, যাকে কোন সম্ভ্রান্ত সুন্দরী রমনী (অপকর্মের জন্য) আহ্বান করে, তখন সে বলে, নিশ্চয় আমি আল্লাহকে ভয় করি এবং ৭. এমন ব্যক্তি যে নির্জনে আল্লাহর যিকির করে, ফলে তার দু'চক্ষু অশ্রুতে ভেসে যায়।
(বুখারী (র), মুসলিম (র) প্রমুখ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
كتاب التوبة والزهد
التَّرْغِيب فِي الْبكاء من خشيَة الله تَعَالَى
5049- عَن أبي هُرَيْرَة رَضِي الله عَنهُ قَالَ سَمِعت رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم يَقُول سَبْعَة يظلهم الله فِي ظله يَوْم لَا ظلّ إِلَّا ظله الإِمَام الْعَادِل وشاب نَشأ فِي عبَادَة الله عز وَجل وَرجل قلبه مُعَلّق بالمساجد ورجلان تحابا فِي الله اجْتمعَا على ذَلِك وتفرقا عَلَيْهِ وَرجل دَعَتْهُ امْرَأَة ذَات منصب وجمال فَقَالَ إِنِّي أَخَاف الله وَرجل ذكر الله خَالِيا فَفَاضَتْ عَيناهُ

رَوَاهُ البُخَارِيّ وَمُسلم وَغَيرهمَا
হাদীস নং: ৫০৫০
অধ্যায়ঃ তাওবা ও যুহদ
পরিচ্ছেদঃ আল্লাহ্ তা'আলার ভয়ে কাঁদার প্রতি উৎসাহ প্রদান
৫০৫০. হযরত আনাস (রা) থেকে বর্ণিত আছে যে, নবী (ﷺ) বলেন, যে ব্যক্তি আল্লাহর যিকির করে, ফলে আল্লাহর ভয়ে তার দু'চক্ষু অশ্রুতে ভেসে যায় এবং মাটিতে পর্যন্ত তার অশ্রু ফোঁটা গড়িয়ে পড়ে, তাকে কিয়ামতের দিন আযাব দেওয়া হবে না।
(হাকিম (র) হাদীসটি বর্ণনা করে বলেন, এর সনদ সহীহ।)
كتاب التوبة والزهد
التَّرْغِيب فِي الْبكاء من خشيَة الله تَعَالَى
5050- وَعَن أنس رَضِي الله عَنهُ أَن النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم قَالَ من ذكر الله فَفَاضَتْ عَيناهُ من خشيَة الله حَتَّى يُصِيب الأَرْض من دُمُوعه لم يعذب يَوْم الْقِيَامَة
رَوَاهُ الْحَاكِم وَقَالَ صَحِيح الْإِسْنَاد
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৫০৫১
অধ্যায়ঃ তাওবা ও যুহদ
পরিচ্ছেদঃ আল্লাহ্ তা'আলার ভয়ে কাঁদার প্রতি উৎসাহ প্রদান
৫০৫১. হযরত আবু রায়হানা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, এমন চক্ষুর জন্যে জাহান্নাম হারাম করে দেয়া হয়েছে যে আল্লাহর ভয়ে অশ্রুসিক্ত হয়েছে অথবা কান্নাকাটি করেছে এবং এমন চক্ষুর জন্য জাহান্নাম হারাম করে দেওয়া হয়েছে, যে আল্লাহর ভয়ে বিনিদ্র রয়েছে এবং তিনি তৃতীয় একটি চক্ষুর কথা উল্লেখ করেছেন।
(আহমাদ (র) হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। হাদীসের উল্লিখিত পাঠ তাঁরই বর্ণিত। নাসাঈও এ হাদীস বর্ণনা করেছেন। হাকিম হাদীসটি উল্লেখ করে বলেন, এর সনদ সহীহ।)
كتاب التوبة والزهد
التَّرْغِيب فِي الْبكاء من خشيَة الله تَعَالَى
5051- وَعَن أبي رَيْحَانَة رَضِي الله عَنهُ عَن النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم قَالَ حرمت النَّار على عين دَمَعَتْ أَو بَكت من خشيَة الله وَحرمت النَّار على عين سهرت فِي سَبِيل الله وَذكر عينا ثَالِثَة

رَوَاهُ أَحْمد وَاللَّفْظ لَهُ وَالنَّسَائِيّ وَالْحَاكِم وَقَالَ صَحِيح الْإِسْنَاد
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৫০৫২
অধ্যায়ঃ তাওবা ও যুহদ
পরিচ্ছেদঃ আল্লাহ্ তা'আলার ভয়ে কাঁদার প্রতি উৎসাহ প্রদান
৫০৫২. হযরত ইব্‌ন আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি, দু'টি চোখকে জাহান্নামের আগুন স্পর্শ করবে না। যে চোখ আল্লাহর ভয়ে কান্নাকাটি করেছে এবং যে চোখ আল্লাহর পথে পাহারারত অবস্থায় রাত কাটিয়েছে।
(তিরমিযী (র) হাদীসটি বর্ণনা করে বলেন, হাদীসটি হাসান গারীব।)
كتاب التوبة والزهد
التَّرْغِيب فِي الْبكاء من خشيَة الله تَعَالَى
5052- وَعَن ابْن عَبَّاس رَضِي الله عَنْهُمَا قَالَ سَمِعت رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم يَقُول عينان لَا تمسهما النَّار عين بَكت من خشيَة الله وَعين باتت تحرس فِي سَبِيل الله

رَوَاهُ التِّرْمِذِيّ وَقَالَ حَدِيث حسن غَرِيب
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৫০৫৩
অধ্যায়ঃ তাওবা ও যুহদ
পরিচ্ছেদঃ আল্লাহ্ তা'আলার ভয়ে কাঁদার প্রতি উৎসাহ প্রদান
৫০৫৩. হযরত আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) বলেন, দু'টি চক্ষুকে অগ্নি স্পর্শ করা হারাম করে দেওয়া হয়েছে। যে চক্ষু আল্লাহর ভয়ে কান্নাকাটি করেছে এবং যে চক্ষু ইসলাম ও মুসলমানদেরকে কুফর থেকে রক্ষা করার জন্য পাহারারত অবস্থায় রাত কাটিয়েছে।
(হাকিম হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। এ হাদীসের সনদে বিচ্ছিন্নতা রয়েছে।)
كتاب التوبة والزهد
التَّرْغِيب فِي الْبكاء من خشيَة الله تَعَالَى
5053- وَعَن أبي هُرَيْرَة رَضِي الله عَنهُ أَن رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم قَالَ حرم على عينين أَن تنالهما النَّار عين بَكت من خشيَة الله وَعين باتت تحرس الْإِسْلَام وَأَهله من الْكفْر

رَوَاهُ الْحَاكِم وَفِي مُسْنده انْقِطَاع
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৫০৫৪
অধ্যায়ঃ তাওবা ও যুহদ
পরিচ্ছেদঃ আল্লাহ্ তা'আলার ভয়ে কাঁদার প্রতি উৎসাহ প্রদান
৫০৫৪. হযরত আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, যে ব্যক্তি আল্লাহর ভয়ে কাঁদে, সে জাহান্নামে প্রবেশ করবে না, যে পর্যন্ত না স্তনে দুধ ফিরে যায় এবং আল্লাহর পথের ধূলোবালি ও জাহান্নামের ধোঁয়া একত্রিত হবে না।
(তিরমিযী (র) হাদীসটি বর্ণনা করে বলেন, হাদীসটি হাসান সহীহ। নাসাঈ ও হাদীসটি উল্লেখ করেছেন। হাকিম হাদীসটি বর্ণনা করে বলেন, এর সনদ সহীহ্।)
كتاب التوبة والزهد
التَّرْغِيب فِي الْبكاء من خشيَة الله تَعَالَى
5054- وَعَن أبي هُرَيْرَة رَضِي الله عَنهُ قَالَ قَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم لَا يلج النَّار رجل بَكَى من خشيَة الله حَتَّى يعود اللَّبن فِي الضَّرع وَلَا يجْتَمع غُبَار فِي سَبِيل الله ودخان جَهَنَّم

رَوَاهُ التِّرْمِذِيّ وَقَالَ حَدِيث حسن صَحِيح وَالنَّسَائِيّ وَالْحَاكِم وَقَالَ صَحِيح الْإِسْنَاد
لَا يلج أَي لَا يدْخل
হাদীস নং: ৫০৫৫
অধ্যায়ঃ তাওবা ও যুহদ
পরিচ্ছেদঃ আল্লাহ্ তা'আলার ভয়ে কাঁদার প্রতি উৎসাহ প্রদান
৫০৫৫. হযরত আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন যখন এ আয়াতটি নাযিল হয় :
( أَفَمِنْ هَذَا الْحَدِيثِ تَعْجَبُونَ () وَتَضْحَكُونَ وَلَا تَبْكُونَ ) হাসি-ঠাট্টা করছঃ ক্রন্দন করছ না?" (৫৩: ৫৯-৬০) তখন সুফফাবাসী সাহাবীগণ কেঁদে উঠলেন এমন কি তাঁদের অশ্রু তাদের গণ্ডদেশ বেয়ে পড়ল। তারপর রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) যখন তাদের কান্নার আওয়ায শুনলেন, তখন তিনিও তাঁদের সাথে কাঁদলেন। ফলে আমরাও তাঁর কান্না দেখে কাঁদলাম। তখন রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) বললেন, যে আল্লাহর ভয়ে কাঁদে, সে জাহান্নামে প্রবেশ করবে না এবং যে বারবার গুনাহ করে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে না। যদি তোমরা গুণাহ না করতে তবে আল্লাহ্ অপর এক সম্প্রদায়ের অবির্ভাব ঘটাতেন। তারা গুনাহ করত এবং তিনি তাদেরকে ক্ষমা করে দিতেন।
(বায়হাকী (র) হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
كتاب التوبة والزهد
التَّرْغِيب فِي الْبكاء من خشيَة الله تَعَالَى
5055- وَرُوِيَ عَن أبي هُرَيْرَة رَضِي الله عَنهُ قَالَ لما نزلت أَفَمَن هَذَا الحَدِيث تعْجبُونَ وَتَضْحَكُونَ وَلَا تَبْكُونَ النَّجْم 95 06 بَكَى أَصْحَاب الصّفة حَتَّى جرت دموعهم على خدودهم فَلَمَّا سمع رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم حسهم بَكَى مَعَهم فبكينا ببكائه فَقَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم لَا يلج النَّار من بَكَى من خشيَة الله وَلَا يدْخل الْجنَّة مصر على مَعْصِيّة وَلَو لم تذنبوا لجاء الله بِقوم يذنبون فَيغْفر لَهُم

رَوَاهُ الْبَيْهَقِيّ
হাদীস নং: ৫০৫৬
অধ্যায়ঃ তাওবা ও যুহদ
পরিচ্ছেদঃ আল্লাহ্ তা'আলার ভয়ে কাঁদার প্রতি উৎসাহ প্রদান
৫০৫৬. হযরত আনাস ইব্‌ন মালিক (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, দু'টি চক্ষুকে
জাহান্নামের অগ্নি স্পর্শ করবে না। যে চক্ষু আল্লাহর পথে পাহারারত অবস্থায় রাত কাটায় এবং যে চক্ষু
আল্লাহর ভয়ে কাঁদে।
(আবু ইয়া'লা হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। এর সকল বর্ণনাকারী নির্ভরযোগ্য। তাবারানীও 'আল-আওসাত'-এ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি বলেন, দু'টি চক্ষু জাহান্নামের আগুন দেখবে না।)
كتاب التوبة والزهد
التَّرْغِيب فِي الْبكاء من خشيَة الله تَعَالَى
5056- وَعَن أنس بن مَالك رَضِي الله عَنهُ قَالَ قَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم عينان لَا تمسهما النَّار عين باتت تكلأ فِي سَبِيل الله وَعين بَكت من خشيَة الله
رَوَاهُ أَبُو يعلى وَرُوَاته ثِقَات وَالطَّبَرَانِيّ فِي الْأَوْسَط إِلَّا أَنه قَالَ عينان لَا تريان النَّار
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৫০৫৭
অধ্যায়ঃ তাওবা ও যুহদ
পরিচ্ছেদঃ আল্লাহ্ তা'আলার ভয়ে কাঁদার প্রতি উৎসাহ প্রদান
৫০৫৭. হযরত যায়িদ ইবন আরকাম (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক ব্যক্তি বলল, ইয়া রাসুলাল্লাহ (ﷺ)। আমি কিভাবে জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচতে পারব না? তিনি বললেন, তোমার দু'চোখের অশ্রু দ্বারা। কেননা, যে চোখ আল্লাহর ভয়ে কাঁদে তাকে কখনও জাহান্নামের আগুন স্পর্শ করবে না।
(ইব্‌ন আবিদ-দুনিয়া ও ইস্পাহানী (র) হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
كتاب التوبة والزهد
التَّرْغِيب فِي الْبكاء من خشيَة الله تَعَالَى
5057- وَرُوِيَ عَن زيد بن أَرقم رَضِي الله عَنهُ قَالَ قَالَ رجل يَا رَسُول الله بِمَ أتقي النَّار قَالَ بدموع عَيْنَيْك فَإِن عينا بَكت من خشيَة الله لَا تمسها النَّار أبدا

رَوَاهُ ابْن أبي الدُّنْيَا والأصبهاني
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৫০৫৮
অধ্যায়ঃ তাওবা ও যুহদ
পরিচ্ছেদঃ আল্লাহ্ তা'আলার ভয়ে কাঁদার প্রতি উৎসাহ প্রদান
৫০৫৮. হযরত মু'আবিয়া ইবন হায়দা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, তিন শ্রেণীর মানুষের চক্ষু জাহান্নামের আগুন দেখবে না। ১. যে চক্ষু আল্লাহর পথে পাহারা দেয়, ২. যে চক্ষু আল্লাহর ভয়ে কাঁদে এবং ৩. যে চক্ষু আল্লাহর নিষিদ্ধ বিষয়াদি দর্শন থেকে বিরত থাকে।
(তাবারানী (র) হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। এর সকল বর্ণনাকারী নির্ভরযোগ্য। তবে এর একজন রাবী আবু হাবীব উনকুরীর পরিচয় আমার কাছে এখনও অজ্ঞাত।)
كتاب التوبة والزهد
التَّرْغِيب فِي الْبكاء من خشيَة الله تَعَالَى
5058- وَعَن مُعَاوِيَة بن حيدة رَضِي الله عَنهُ قَالَ قَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم ثَلَاثَة لَا ترى أَعينهم النَّار عين حرست فِي سَبِيل الله وَعين بَكت من خشيَة الله وَعين كفت عَن محارم الله

رَوَاهُ الطَّبَرَانِيّ وَرُوَاته ثِقَات إِلَّا أَن أَبَا حبيب العنقري لَا يحضرني الْآن حَاله
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৫০৫৯
অধ্যায়ঃ তাওবা ও যুহদ
পরিচ্ছেদঃ আল্লাহ্ তা'আলার ভয়ে কাঁদার প্রতি উৎসাহ প্রদান
৫০৫৯. হযরত আব্বাস ইবন আব্দুল মুত্তালিব (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি, দু'টি চক্ষুকে জাহান্নামের অগ্নি স্পর্শ করবে না। যে চক্ষু আল্লাহর ভয়ে রাত্রিকালে (নির্জনে) কাঁদে এবং যে চক্ষু আল্লাহর পথে পাহারারত অবস্থায় রাত কাটায়।
(তাবারানী (র) উসমানের সনদে আতা খুরাসানীর সূত্রে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তাঁর প্রতিও আস্থা রয়েছে।)
كتاب التوبة والزهد
التَّرْغِيب فِي الْبكاء من خشيَة الله تَعَالَى
5059 - وَعَن الْعَبَّاس بن عبد الْمطلب رَضِي الله عَنهُ قَالَ سَمِعت رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم يَقُول عينان لَا تمسهما النَّار عين بَكت فِي جَوف اللَّيْل من خشيَة الله وَعين باتت تحرس فِي
سَبِيل الله

رَوَاهُ الطَّبَرَانِيّ من رِوَايَة عُثْمَان عَن عَطاء الْخُرَاسَانِي وَقد وثق
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৫০৬০
অধ্যায়ঃ তাওবা ও যুহদ
পরিচ্ছেদঃ আল্লাহ্ তা'আলার ভয়ে কাঁদার প্রতি উৎসাহ প্রদান
৫০৬০. হযরত আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, সকল চক্ষু কিয়ামতের দিন কাঁদবে। কেবল এমন চক্ষু ব্যতীত, যে আল্লাহর নিষিদ্ধ বিষয়াদির ক্ষেত্রে অবনমিত থাকে, এমন চক্ষু যে আল্লাহর পথে বিনিদ্র থাকে এবং এমন চক্ষু যার থেকে আল্লাহর তা'আলার ভয়ে মাছির মাথার মত (পানির ফোঁটা) গড়িয়ে পড়ে।
(ইস্পাহানী (র) হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
كتاب التوبة والزهد
التَّرْغِيب فِي الْبكاء من خشيَة الله تَعَالَى
5060- وَرُوِيَ عَن أبي هُرَيْرَة رَضِي الله عَنهُ قَالَ قَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم كل عين باكية يَوْم الْقِيَامَة إِلَّا عين غضت عَن محارم الله وَعين سهرت فِي سَبِيل الله وَعين خرج مِنْهَا مثل رَأس الذُّبَاب من خشيَة الله عز وَجل

رَوَاهُ الْأَصْبَهَانِيّ
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৫০৬১
অধ্যায়ঃ তাওবা ও যুহদ
পরিচ্ছেদঃ আল্লাহ্ তা'আলার ভয়ে কাঁদার প্রতি উৎসাহ প্রদান
৫০৬১. হযরত ইবন মাসউদ (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, যে মু'মিনেরই দু'চোখ থেকে আল্লাহর ভয়ে অশ্রু বের হয়। অতঃপর তা তার চেহারার অগ্রভাগে একটু গড়িয়েও পড়ে, আল্লাহ্ জাহান্নামের আগুনের পক্ষে তাকে হারাম করে দেন। যদিও সে অশ্রু মাছির মাথার মত (সামান্য পানির ফোঁটা)-ই হয়।
(ইবন মাজাহ, বায়হাকী ও ইস্পাহানী (র) হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। ইবন মাজার সনদটি মুকারিব।)
كتاب التوبة والزهد
التَّرْغِيب فِي الْبكاء من خشيَة الله تَعَالَى
5061- وَعَن ابْن مَسْعُود رَضِي الله عَنهُ قَالَ قَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم مَا من مُؤمن يخرج من عَيْنَيْهِ دموع وَإِن كَانَ مثل رَأس الذُّبَاب من خشيَة الله ثمَّ تصيب شَيْئا من حر وَجهه إِلَّا حرمه الله على النَّار

رَوَاهُ ابْن مَاجَه وَالْبَيْهَقِيّ والأصبهاني وَإسْنَاد ابْن مَاجَه مقارب
হাদীস নং: ৫০৬২
অধ্যায়ঃ তাওবা ও যুহদ
পরিচ্ছেদঃ আল্লাহ্ তা'আলার ভয়ে কাঁদার প্রতি উৎসাহ প্রদান
৫০৬২. হযরত আবু উমামা (রা) সূত্রে নবী (ﷺ) থেকে বর্ণিত। (তিনি বলেনঃ) আল্লাহর কাছে দু'টি ফোঁটা ও দু'টি চিহ্নের চেয়ে অধিক প্রিয় কোন কিছু নেই। এক, আল্লাহর ভয়ে বিগলিত অশ্রুর ফোঁটা। দুই, আল্লাহর পথে প্রবাহিত রক্তের ফোঁটা। আর চিহ্ন দু'টি হচ্ছে আল্লাহর পথে পরিচালিত পদচিহ্ন এবং আল্লাহ্ তা'আলার নির্ধারিত কোন ফরয আমল সম্পাদনে পরিচালিত পদচিহ্ন।
(তিরমিযী (র) হাদীসটি বর্ণনা করে বলেন: এটা হাসান হাদীস।)
كتاب التوبة والزهد
التَّرْغِيب فِي الْبكاء من خشيَة الله تَعَالَى
5062- وَعَن أبي أُمَامَة رَضِي الله عَنهُ عَن النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم لَيْسَ شَيْء أحب إِلَى الله من قطرتين وأثرين قَطْرَة دموع من خشيَة الله وقطرة دم تهراق فِي سَبِيل الله وَأما الأثران فأثر فِي سَبِيل الله وَأثر فِي فَرِيضَة من فَرَائض الله عز وَجل

رَوَاهُ التِّرْمِذِيّ وَقَالَ حَدِيث حسن
হাদীস নং: ৫০৬৩
অধ্যায়ঃ তাওবা ও যুহদ
পরিচ্ছেদঃ আল্লাহ্ তা'আলার ভয়ে কাঁদার প্রতি উৎসাহ প্রদান
৫০৬৩. হযরত মুসলিম ইবন ইয়াসার (র) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, যার চোখ থেকে অশ্রু উপচিয়ে পড়ে আল্লাহ্ জাহান্নামের জন্য তার গোটা দেহ হারাম করে দেবেন। যে গণ্ডদেশের উপর অশ্রুফোঁটা বেয়ে পড়ে। সে চেহারা (জাহান্নামের) ধোঁয়া ও লাঞ্ছনায় আচ্ছন্ন হবেনা। কোন ক্রন্দনশীল ব্যক্তি যদি কোন জাতির জন্য কান্নাকাটি করে, তাদের প্রতি রহমত বর্ষিত হয়। যে কোন বস্তুর একটা পরিমাপ ও পরিমাণ আছে, কেবল অশ্রুর ফোঁটা ব্যতীত। কেননা, এর দ্বারা (জাহান্নামের) অগ্নি-সমুদ্রসমূহ নিভিয়ে দেয়া হবে।
(বায়হাকী (র) হাদীসটি এরূপ মুরসাল হিসাবেই বর্ণনা করেছেন। এতে সনদে এমন এক রাবী রয়েছে যার নাম উল্লেখ করা হয়নি। হাদীসটি হাসান বাসরী, আবু ইমরান জাওনী ও খালিদ ইবন মা'দান থেকেও গায়রে মারফু'রূপে বর্ণিত হয়েছে। এটাই অধিকতর বিশুদ্ধ।)
كتاب التوبة والزهد
التَّرْغِيب فِي الْبكاء من خشيَة الله تَعَالَى
5063- وَعَن مُسلم بن يسَار قَالَ قَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم مَا اغرورقت عين بِمَائِهَا إِلَّا حرم الله سَائِر ذَلِك الْجَسَد على النَّار وَلَا سَالَتْ قَطْرَة على خدها فيرهق ذَلِك الْوَجْه قتر وَلَا ذلة وَلَو أَن باكيا بَكَى فِي أمة من الْأُمَم رحموا وَمَا من شَيْء إِلَّا لَهُ مِقْدَار وميزان إِلَّا الدمعة فَإِنَّهُ تطفأ بهَا بحار من نَار

رَوَاهُ الْبَيْهَقِيّ هَكَذَا مُرْسلا وَفِيه راو لم يسم وَرُوِيَ عَن الْحسن الْبَصْرِيّ وَأبي عمرَان الْجونِي وخَالِد بن معدان غير مَرْفُوع وَهُوَ أشبه
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৫০৬৪
অধ্যায়ঃ তাওবা ও যুহদ
পরিচ্ছেদঃ আল্লাহ্ তা'আলার ভয়ে কাঁদার প্রতি উৎসাহ প্রদান
৫০৬৪. হযরত আবু মুলায়কা থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমরা হিজর নামক স্থানে আব্দুল্লাহ ইব্‌ন আমর (রা)-এর কাছে বসা ছিলাম। তখন তিনি বললেন, তোমরা কাঁদ, যদি তোমাদের কান্না না আসে, তবে কান্নার ভান কর। যদি তোমাদের (পরকালের) জ্ঞান থাকত, তবে তোমাদের প্রত্যেকে এমন সালাত আদায় করতে যে তার পিঠ ভেঙ্গে যেতো এবং এমন কাঁদাই কাঁদতে যে, তার (গলার) আওয়ায বসে যেতো।
(হাকিম মারফু'রূপে হাদীসটি বর্ণনা করে বলেনঃ এ হাদীস বুখারী ও মুসলিমের শর্ত অনুযায়ী সহীহ।)
كتاب التوبة والزهد
التَّرْغِيب فِي الْبكاء من خشيَة الله تَعَالَى
5064- وَعَن ابْن أبي مليكَة قَالَ جلسنا إِلَى عبد الله بن عَمْرو رَضِي الله عَنْهُمَا فِي الْحجر فَقَالَ ابكوا فَإِن لم تَجدوا بكاء فتباكوا لَو تعلمُوا الْعلم لصلى أحدكُم حَتَّى ينكسر ظَهره ولبكى حَتَّى يَنْقَطِع صَوته

رَوَاهُ الْحَاكِم مَرْفُوعا وَقَالَ صَحِيح على شَرطهمَا
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৫০৬৫
অধ্যায়ঃ তাওবা ও যুহদ
পরিচ্ছেদঃ আল্লাহ্ তা'আলার ভয়ে কাঁদার প্রতি উৎসাহ প্রদান
৫০৬৫. হযরত মুতারিফ-এর সূত্রে তাঁর পিতা থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে এভাবে সালাত আদায় করতে দেখেছি যে, কান্নার কারণে তাঁর বুকের ভেতরে যাঁতার শব্দের মত শব্দ হচ্ছে।
(আবু দাউদ (র) হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। হাদীসের উল্লিখিত পাঠ তাঁরই বর্ণিত। নাসাঈ (স্বীয়-সুনানে), ইবন খুযায়মা ও ইবন হিব্বান নিজ নিজ 'সহীহ্'-এ এ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। কেউ কেউ এভাবে রিওয়ায়েত করেছেন, তাঁর পেটের ভেতরে পাতিলের (ফুটন্ত পানির) শব্দের মত শব্দ হচ্ছিল।)
كتاب التوبة والزهد
التَّرْغِيب فِي الْبكاء من خشيَة الله تَعَالَى
5065- وَعَن مطرف عَن أَبِيه قَالَ رَأَيْت رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم يُصَلِّي ولصدره أزيز كأزيز الرحا من الْبكاء

رَوَاهُ أَبُو دَاوُد وَاللَّفْظ لَهُ وَالنَّسَائِيّ وَابْن خُزَيْمَة وَابْن حبَان فِي صَحِيحَيْهِمَا وَقَالَ بَعضهم ولجوفه أزيز كأزيز الْمرجل
قَوْله أزيز كأزيز الرحا أَي صَوت كصوت الرحا وَيُقَال أزت الرحا إِذا صوتت والمرجل الْقدر وَمَعْنَاهُ أَن لجوفه حنينا كصوت غليان الْقدر إِذا اشْتَدَّ
হাদীস নং: ৫০৬৬
অধ্যায়ঃ তাওবা ও যুহদ
পরিচ্ছেদঃ আল্লাহ্ তা'আলার ভয়ে কাঁদার প্রতি উৎসাহ প্রদান
৫০৬৬. হযরত আলী (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ বদর যুদ্ধের দিন মিকদাদ ব্যতীত আমাদের মধ্যে কোন অশ্বারোহী ছিল না এবং আমরা নিজেদেরকে দেখতে পেলাম যে, আমাদের সবাই ঘুমন্ত। কেবল রাসূলুল্লাহ (ﷺ) একটি গাছের তলে সালাত আদায় করছেন আর কাঁদছেন। এভাবে ভোর হয়ে গেল।
(ইবন খুযায়মা (র) স্বীয় 'সহীহ' কিতাবে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
كتاب التوبة والزهد
التَّرْغِيب فِي الْبكاء من خشيَة الله تَعَالَى
5066- وَعَن عَليّ رَضِي الله عَنهُ قَالَ مَا كَانَ فِينَا فَارس يَوْم بدر غير الْمِقْدَاد وَلَقَد رَأَيْتنَا وَمَا فِينَا إِلَّا نَائِم إِلَّا رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم تَحت شَجَرَة يُصَلِّي ويبكي حَتَّى أصبح

رَوَاهُ ابْن خُزَيْمَة فِي صَحِيحه
tahqiq

তাহকীক: