আত্-তারগীব ওয়াত্-তারহীব- ইমাম মুনযিরী রহঃ
الترغيب والترهيب للمنذري
২৪. অধ্যায়ঃ জানাযা - এর পরিচ্ছেদসমূহ
মোট হাদীস ২৮০ টি
হাদীস নং: ৫২৬০
অধ্যায়ঃ জানাযা
পরিচ্ছেদঃ অনুচ্ছেদ
৫২৬০. হযরত ইবন আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, আল্লাহ্ বলেনঃ যখন আমার বান্দার দুটি প্রিয় জিনিস নিয়ে নেই, তারপর সে সবর করে এবং এটাকে সাওয়াবের হেতু বলে জ্ঞান করে, আমি তাকে জান্নাত ব্যতীত অন্য কোন প্রতিফল দিতে রাযী নই।
(আবু ইয়াসা (র) হাদীসটি বর্ণনা করেছেন এবং তার সনদে ইবন হিব্বান স্বীয় 'সহীহ' কিতাবে হাদীসটি
উল্লেখ করেছেন।)
(আবু ইয়াসা (র) হাদীসটি বর্ণনা করেছেন এবং তার সনদে ইবন হিব্বান স্বীয় 'সহীহ' কিতাবে হাদীসটি
উল্লেখ করেছেন।)
كتاب الجنائز
فصل
5260- وَعَن ابْن عَبَّاس رَضِي الله عَنْهُمَا قَالَ قَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم يَقُول الله إِذا أخذت كَرِيمَتي عَبدِي فَصَبر واحتسب لم أَرض لَهُ ثَوابًا دون الْجنَّة
رَوَاهُ أَبُو يعلى
وَمن طَرِيقه ابْن حبَان فِي صَحِيحه
رَوَاهُ أَبُو يعلى
وَمن طَرِيقه ابْن حبَان فِي صَحِيحه
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫২৬১
অধ্যায়ঃ জানাযা
পরিচ্ছেদঃ অনুচ্ছেদ
৫২৬১. হযরত যায়িদ ইব্ন আরকাম (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, বান্দার দ্বীন বিদায় নিয়ে যাওয়ার পর তার চক্ষু চলে যাওয়ার চেয়ে কঠিনতম কোন বিপদে তাকে আক্রান্ত করা হয়নি। যাকে তার চক্ষুর ব্যাপারে মুসিবতে আক্রান্ত করা হয়। তারপর সে আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ করা (অর্থাৎ মৃত্যু) পর্যন্ত সবর করে, আল্লাহ্ তা'আলা তার সাথে সে এভাবে সাক্ষাৎ করবে যে, তার কোন হিসাব-নিকাশ হবে না।
(বাযযার (র) জাবির জু'ফীর রিওয়ায়েতে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
(বাযযার (র) জাবির জু'ফীর রিওয়ায়েতে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
كتاب الجنائز
فصل
5261- وَعَن زيد بن أَرقم رَضِي الله عَنهُ قَالَ قَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم مَا ابْتُلِيَ عبد بعد ذهَاب دينه بأشد من ذهَاب بَصَره وَمن ابْتُلِيَ ببصره فَصَبر حَتَّى يلقى الله لَقِي الله تبَارك وَتَعَالَى وَلَا حِسَاب عَلَيْهِ
رَوَاهُ الْبَزَّار من رِوَايَة جَابر الْجعْفِيّ
رَوَاهُ الْبَزَّار من رِوَايَة جَابر الْجعْفِيّ
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫২৬২
অধ্যায়ঃ জানাযা
পরিচ্ছেদঃ অনুচ্ছেদ
৫২৬২. হযরত বুরায়দা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) বলেছেন, আল্লাহর সাথে শরীক করার চেয়ে জঘন্যতম কোন কিছু দ্বারা কোন বান্দাকে পরীক্ষা করা হয় না এবং আল্লাহর সাথে শিরক করার পর কোন বান্দাকে তার দৃষ্টি শক্তি হারিয়ে যাওয়ার চেয়ে কঠিনতম কোন কিছু দ্বারা পরীক্ষা করা হয় না। কোন বান্দাকে (যদি) তার দৃষ্টি শক্তি কেড়ে নেওয়ার দ্বারা পরীক্ষা করা হয়, অতঃপর সে সবর করে আল্লাহ্ তা'আলা তাকে ক্ষমা করে দেন।
(বাযযার (র) জাবির-এর রিওয়ায়েতেই হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
(বাযযার (র) জাবির-এর রিওয়ায়েতেই হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
كتاب الجنائز
فصل
5262- وَعَن بُرَيْدَة رَضِي الله عَنهُ قَالَ قَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم لن يبتلى عبد بِشَيْء أَشد عَلَيْهِ من الشّرك بِاللَّه وَلنْ يبتلى عبد بِشَيْء بعد الشّرك بِاللَّه أَشد عَلَيْهِ من ذهَاب بَصَره وَلنْ يبتلى عبد بذهاب بَصَره فيصبر إِلَّا غفر الله لَهُ
رَوَاهُ الْبَزَّار من رِوَايَة جَابر أَيْضا
رَوَاهُ الْبَزَّار من رِوَايَة جَابر أَيْضا
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫২৬৩
অধ্যায়ঃ জানাযা
পরিচ্ছেদঃ অনুচ্ছেদ
৫২৬৩. হযরত ইবন উমার (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ্ (ﷺ) বলেছেন, আল্লাহ তা'আলা যার দৃষ্টিশক্তি কেড়ে নেন, তারপর সে সবর করে এবং এটাকে সে সাওয়াবের হেতু বলে জ্ঞান করে, তার দু‘চক্ষু জাহান্নাম না দেখুক, এটা আল্লাহ্ তা'আলার দায়িত্ব হয়ে যায়।
(তবারানী (র) 'আস-সাগীর' ও 'আল-আওসাত' গ্রন্থদ্বয়ে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
(তবারানী (র) 'আস-সাগীর' ও 'আল-আওসাত' গ্রন্থদ্বয়ে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
كتاب الجنائز
فصل
5263- وَرُوِيَ عَن ابْن عمر رَضِي الله عَنْهُمَا قَالَ قَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم من أذهب الله بَصَره فَصَبر واحتسب كَانَ حَقًا على الله وَاجِبا أَن لَا ترى عَيناهُ النَّار
رَوَاهُ الطَّبَرَانِيّ فِي الصَّغِير والأوسط
رَوَاهُ الطَّبَرَانِيّ فِي الصَّغِير والأوسط
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫২৬৪
অধ্যায়ঃ জানাযা
পরিচ্ছেদঃ অনুচ্ছেদ
৫২৬৪. হযরত আনাস (রা)-এর সূত্রে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) থেকে বর্ণিত। তিনি জিবরীল (আ)-এর মধ্যস্থতায় আল্লাহ তা'আলা থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, হে জিবরীল। যখন আমি আমার বান্দার প্রিয় দু'টি জিনিস (দু'চোখ) নিয়ে নিই তখন তার পুরস্কার একমাত্র আমার চেহারার দিকে তাকান এবং আমার গৃহের প্রতি বেশী হওয়া। আনাস (রা) বলেন, আমি নবী (ﷺ)-এর সাহাবীগণকে তাদের দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে যাওয়ার আকাঙ্ক্ষা করে তাঁর নিকটেই কাঁদতে দেখেছি।
(তবারানী (র) 'আল-আওসাত' গ্রন্থে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
(তবারানী (র) 'আল-আওসাত' গ্রন্থে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
كتاب الجنائز
فصل
5264- وَرُوِيَ عَن أنس رَضِي الله عَنهُ عَن رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم عَن جِبْرِيل عَلَيْهِ السَّلَام عَن ربه تبَارك وَتَعَالَى قَالَ يَا جِبْرِيل مَا ثَوَاب عَبدِي إِذا أخذت كريمتيه إِلَّا النّظر إِلَى وَجْهي والجوار فِي دَاري
قَالَ أنس فَلَقَد رَأَيْت أَصْحَاب النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم يَبْكُونَ حوله يُرِيدُونَ أَن تذْهب أَبْصَارهم
رَوَاهُ الطَّبَرَانِيّ فِي الْأَوْسَط
قَالَ أنس فَلَقَد رَأَيْت أَصْحَاب النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم يَبْكُونَ حوله يُرِيدُونَ أَن تذْهب أَبْصَارهم
رَوَاهُ الطَّبَرَانِيّ فِي الْأَوْسَط
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫২৬৫
অধ্যায়ঃ জানাযা
পরিচ্ছেদঃ এমন কিছু বাক্য পাঠে উদ্বুদ্ধকরণ, যা কোন কিছু দ্বারা শরীরে কষ্টপ্রাপ্ত ব্যক্তি বলে
৫২৬৫. হযরত উসমান ইবন আবুল আ'স (রা) থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ)-এর কাছে এমন এক ব্যাখার অভিযোগ করলেন, যা তিনি ইসলাম গ্রহণ অবধি তাঁর শরীরে অনুভব করছিলেন। তখন রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) তাঁকে বললেন, তোমার শরীরের যে অংশে ব্যথা অনুভূত হয় সেখানে তোমার হাত রাখবে এবং তিনবার বিসমিল্লাহ বলবে, অতঃপর সাতবার বলবে: أَعُوذُ باللَّهِ وَقُدْرَتِهِ مِن شَرِّ ما أَجِدُ وَأُحَاذِرُ "আমি যে ব্যাথা অনুভব করছি এবং যে আশংকা করছি তার অনিষ্ট থেকে আল্লাহ্ তা'আলা ও তাঁর কুদরতের অশ্রয় প্রার্থনা করছি।"
(মালিক, বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিযী ও নাসাঈ (র) হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। মালিক বর্ণিত রিওয়ায়েতের ভাষা এই: 'أعوذُ بعزَّةِ اللهِ وقدْرَتِهِ مِنْ شرِّ ما أجدُ "আমি যে ব্যথা অনুভব করছি, তার অনিষ্ট থেকে আমি আল্লাহ্ তা'আলার সম্মান ও কুদরাতের আশ্রয় প্রার্থনা করছি"।
বর্ণনাকারী বলেন, আমি তা-ই করলাম। ফলে আমার যে ব্যাথা ছিল আল্লাহ তা'আলা তা দূর করে দিলেন। এরপর থেকে আমি এ দু'আটি আমার পরিবার পরিজন ও অন্যান্যদেরকে পড়তে বলে থাকি। তিরমিযী ও আবু দাউদের রিওয়ায়েতে ও অনুরূপই। তবে তাঁরা উভয়ে তাঁদের বর্ণিত রিওয়ায়েতের শুরুতে বলেছেন: রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) আমার (উসমান ইবন আবুল আ'স-এর) কাছে এলেন। তখন আমার শরীরে এমন ব্যাথা ছিল, যে আমাকে ধ্বংস করার উপক্রম হয়েছিল। এ দেখে রাসূলুল্লাহ বললেন, তুমি তোমার ডান হাতকে (তোমার ব্যাথাযুক্ত স্থানে) সাতবার বুলাবে। তারপর বলবে - أعوذُ بعزَّةِ اللهِ وقدْرَتِهِ………. الحديث ।
(মালিক, বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিযী ও নাসাঈ (র) হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। মালিক বর্ণিত রিওয়ায়েতের ভাষা এই: 'أعوذُ بعزَّةِ اللهِ وقدْرَتِهِ مِنْ شرِّ ما أجدُ "আমি যে ব্যথা অনুভব করছি, তার অনিষ্ট থেকে আমি আল্লাহ্ তা'আলার সম্মান ও কুদরাতের আশ্রয় প্রার্থনা করছি"।
বর্ণনাকারী বলেন, আমি তা-ই করলাম। ফলে আমার যে ব্যাথা ছিল আল্লাহ তা'আলা তা দূর করে দিলেন। এরপর থেকে আমি এ দু'আটি আমার পরিবার পরিজন ও অন্যান্যদেরকে পড়তে বলে থাকি। তিরমিযী ও আবু দাউদের রিওয়ায়েতে ও অনুরূপই। তবে তাঁরা উভয়ে তাঁদের বর্ণিত রিওয়ায়েতের শুরুতে বলেছেন: রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) আমার (উসমান ইবন আবুল আ'স-এর) কাছে এলেন। তখন আমার শরীরে এমন ব্যাথা ছিল, যে আমাকে ধ্বংস করার উপক্রম হয়েছিল। এ দেখে রাসূলুল্লাহ বললেন, তুমি তোমার ডান হাতকে (তোমার ব্যাথাযুক্ত স্থানে) সাতবার বুলাবে। তারপর বলবে - أعوذُ بعزَّةِ اللهِ وقدْرَتِهِ………. الحديث ।
كتاب الجنائز
التَّرْغِيب فِي كَلِمَات يقولهن من آلمه شَيْء من جسده
5265- عَن عُثْمَان بن أبي العَاصِي رَضِي الله عَنهُ أَنه شكا إِلَى رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم وجعا يجده فِي جسده مُنْذُ أسلم
فَقَالَ لَهُ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم ضع يدك على الَّذِي يألم من جسدك وَقل بِسم الله ثَلَاثًا وَقل سبع مَرَّات أعوذ بِاللَّه وَقدرته من شَرّ مَا أجد وأحاذر
رَوَاهُ مَالك
وَالْبُخَارِيّ وَمُسلم وَأَبُو دَاوُد وَالتِّرْمِذِيّ وَالنَّسَائِيّ وَعند مَالك أعوذ بعزة الله وَقدرته من شَرّ مَا أجد
قَالَ فَفعلت ذَلِك فَأذْهب الله مَا كَانَ بِي فَلم أزل آمُر بهَا أَهلِي وَغَيرهم
وَعند التِّرْمِذِيّ وَأبي دَاوُد مثل ذَلِك وَقَالا فِي أول حَدِيثهمَا أَتَانِي رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم وَبِي وجع قد كَاد يهلكني فَقَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم امسح بيمينك سبع مَرَّات ثمَّ قل أعوذ بعزة الله وَقدرته
الحَدِيث
فَقَالَ لَهُ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم ضع يدك على الَّذِي يألم من جسدك وَقل بِسم الله ثَلَاثًا وَقل سبع مَرَّات أعوذ بِاللَّه وَقدرته من شَرّ مَا أجد وأحاذر
رَوَاهُ مَالك
وَالْبُخَارِيّ وَمُسلم وَأَبُو دَاوُد وَالتِّرْمِذِيّ وَالنَّسَائِيّ وَعند مَالك أعوذ بعزة الله وَقدرته من شَرّ مَا أجد
قَالَ فَفعلت ذَلِك فَأذْهب الله مَا كَانَ بِي فَلم أزل آمُر بهَا أَهلِي وَغَيرهم
وَعند التِّرْمِذِيّ وَأبي دَاوُد مثل ذَلِك وَقَالا فِي أول حَدِيثهمَا أَتَانِي رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم وَبِي وجع قد كَاد يهلكني فَقَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم امسح بيمينك سبع مَرَّات ثمَّ قل أعوذ بعزة الله وَقدرته
الحَدِيث
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫২৬৬
অধ্যায়ঃ জানাযা
পরিচ্ছেদঃ এমন কিছু বাক্য পাঠে উদ্বুদ্ধকরণ, যা কোন কিছু দ্বারা শরীরে কষ্টপ্রাপ্ত ব্যক্তি বলে
৫২৬৬. হযরত আবুদ দারদা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি, তোমাদের মধ্য থেকে কেউ যদি শরীরের কোথাও ব্যাথা অনুভব করে, অথবা তার কোন ভাই ব্যথা অনুভব করে, তবে সে উক্ত ব্যাথাস্থলের উপর (হাত রেখে) বলবেঃ
رَبُّنَا اللَّهُ الَّذِى فِى السَّمَاءِ تَقَدَّسَ اسْمُكَ أَمْرُكَ فِى السَّمَاءِ وَالأَرْضِ كَمَا رَحْمَتُكَ فِى السَّمَاءِ فَاجْعَلْ رَحْمَتَكَ فِى الأَرْضِ اغْفِرْ لَنَا حُوبَنَا وَخَطَايَانَا أَنْتَ رَبُّ الطَّيِّبِينَ أَنْزِلْ رَحْمَةً مِنْ رَحْمَتِكَ وَشِفَاءً مِنْ شِفَائِكَ
"আমাদের রব সেই আল্লাহ্, যিনি আকাশে রয়েছেন। আকাশ ও পৃথিবীতে তোমার নাম ও কর্ম পুণ্যময়, যেমন আকাশে তোমার রহমত রয়েছে। সুতরাং তুমি তোমার রহমত পৃথিবীতে বর্ণনা কর। তুমি আমাদের অপরাধ ও গুণাহসমূহ ক্ষমা করে দাও। তুমি তো পবিত্রাত্মাদের প্রতিপালক। তুমি তোমার রহমত থেকে কিছু রহমত এবং তোমার শিফা থেকে কিছু শিফা অবতীর্ণ কর।" তাতে সে সুস্থ হয়ে যাবে।
(আবু দাউদ। হাদীসটি (র) বর্ণনা করেছেন।)
رَبُّنَا اللَّهُ الَّذِى فِى السَّمَاءِ تَقَدَّسَ اسْمُكَ أَمْرُكَ فِى السَّمَاءِ وَالأَرْضِ كَمَا رَحْمَتُكَ فِى السَّمَاءِ فَاجْعَلْ رَحْمَتَكَ فِى الأَرْضِ اغْفِرْ لَنَا حُوبَنَا وَخَطَايَانَا أَنْتَ رَبُّ الطَّيِّبِينَ أَنْزِلْ رَحْمَةً مِنْ رَحْمَتِكَ وَشِفَاءً مِنْ شِفَائِكَ
"আমাদের রব সেই আল্লাহ্, যিনি আকাশে রয়েছেন। আকাশ ও পৃথিবীতে তোমার নাম ও কর্ম পুণ্যময়, যেমন আকাশে তোমার রহমত রয়েছে। সুতরাং তুমি তোমার রহমত পৃথিবীতে বর্ণনা কর। তুমি আমাদের অপরাধ ও গুণাহসমূহ ক্ষমা করে দাও। তুমি তো পবিত্রাত্মাদের প্রতিপালক। তুমি তোমার রহমত থেকে কিছু রহমত এবং তোমার শিফা থেকে কিছু শিফা অবতীর্ণ কর।" তাতে সে সুস্থ হয়ে যাবে।
(আবু দাউদ। হাদীসটি (র) বর্ণনা করেছেন।)
كتاب الجنائز
التَّرْغِيب فِي كَلِمَات يقولهن من آلمه شَيْء من جسده
5266- وَعَن أبي الدَّرْدَاء رَضِي الله عَنهُ قَالَ سَمِعت رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم يَقُول من اشْتَكَى مِنْكُم شَيْئا أَو اشتكاه أَخ لَهُ فَلْيقل رَبنَا الله الَّذِي فِي السَّمَاء تقدس اسْمك وأمرك فِي السَّمَاء وَالْأَرْض كَمَا رحمتك فِي السَّمَاء فَاجْعَلْ رحمتك فِي الأَرْض
اغْفِر لنا حوبنا وخطايانا أَنْت رب الطيبين أنزل رَحْمَة من رحمتك وشفاء من شفائك على هَذَا الوجع فَيبرأ
رَوَاهُ أَبُو دَاوُد
اغْفِر لنا حوبنا وخطايانا أَنْت رب الطيبين أنزل رَحْمَة من رحمتك وشفاء من شفائك على هَذَا الوجع فَيبرأ
رَوَاهُ أَبُو دَاوُد
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫২৬৭
অধ্যায়ঃ জানাযা
পরিচ্ছেদঃ এমন কিছু বাক্য পাঠে উদ্বুদ্ধকরণ, যা কোন কিছু দ্বারা শরীরে কষ্টপ্রাপ্ত ব্যক্তি বলে
৫২৬৭. হযরত মুহাম্মদ ইবন সালিম থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমাকে সাবিত বুনানী বলেছেন, হে মুহাম্মদ! যখন তুমি (তোমার শরীরের কোন স্থানে) ব্যাথা অনুভব করবে, তখন যেখানে ব্যাথা অনুভব কর সেখানে তোমার হাত রাখবে তারপর বলবে। بسم الله أعوذُ بعزَّةِ اللهِ وقدْرَتِهِ مِنْ شرِّ ما أجدُ তারপর তোমার হাত তুলে ফেলবে। এরপর এভাবে বেজোড় সংখ্যক বার করবে। কেননা, আনাস ইবন মালিকই আমাকে বলেছেন যে, রাসূলুল্লাহ্ তাঁকে একথাটি বলেছেন।
(তিরমিযী (র) হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
(তিরমিযী (র) হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
كتاب الجنائز
التَّرْغِيب فِي كَلِمَات يقولهن من آلمه شَيْء من جسده
5267- وَعَن مُحَمَّد بن سَالم قَالَ قَالَ لي ثَابت الْبنانِيّ يَا مُحَمَّد إِذا اشتكيت فضع يدك حَيْثُ تَشْتَكِي ثمَّ قل بِسم الله أعوذ بعزة الله وَقدرته من شَرّ مَا أجد من وجعي هَذَا ثمَّ ارْفَعْ يدك ثمَّ أعد ذَلِك وترا
فَإِن أنس بن مَالك حَدثنِي أَن رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم حَدثهُ بذلك
رَوَاهُ التِّرْمِذِيّ
فَإِن أنس بن مَالك حَدثنِي أَن رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم حَدثهُ بذلك
رَوَاهُ التِّرْمِذِيّ
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫২৬৮
অধ্যায়ঃ জানাযা
পরিচ্ছেদঃ মাদুলি ব্যবহারের ব্যাপারে সতর্কীকরণ
৫২৬৮. হযরত উকবা ইবন আমির (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি, যে
ব্যক্তি মাদুলি ব্যবহার করে আল্লাহ্ তা'আলা তার উদ্দেশ্য পূর্ণ না করুন এবং যে কড়ি-ঝিনুক ব্যবহার করে আল্লাহ তা'আলা তার কোন কল্যাণ না করুন।
(আহমাদ ও আবু ইয়া'লা (র) উৎকৃষ্ট সনদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। হাকিম (র) হাদীসটি বর্ণনা করে বলেন, এর সনদ সহীহ।)
ব্যক্তি মাদুলি ব্যবহার করে আল্লাহ্ তা'আলা তার উদ্দেশ্য পূর্ণ না করুন এবং যে কড়ি-ঝিনুক ব্যবহার করে আল্লাহ তা'আলা তার কোন কল্যাণ না করুন।
(আহমাদ ও আবু ইয়া'লা (র) উৎকৃষ্ট সনদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। হাকিম (র) হাদীসটি বর্ণনা করে বলেন, এর সনদ সহীহ।)
كتاب الجنائز
التَّرْهِيب من تَعْلِيق التمائم والحروز
5268- عَن عقبَة بن عَامر رَضِي الله عَنهُ قَالَ سَمِعت رَسُول الله يَقُول من علق تَمِيمَة فَلَا أتم الله لَهُ وَمن علق ودعة فَلَا ودع الله لَهُ
رَوَاهُ أَحْمد وَأَبُو يعلى بِإِسْنَاد جيد وَالْحَاكِم وَقَالَ صَحِيح الْإِسْنَاد
رَوَاهُ أَحْمد وَأَبُو يعلى بِإِسْنَاد جيد وَالْحَاكِم وَقَالَ صَحِيح الْإِسْنَاد
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫২৬৯
অধ্যায়ঃ জানাযা
পরিচ্ছেদঃ মাদুলি ব্যবহারের ব্যাপারে সতর্কীকরণ
৫২৬৯. হযরত উকবা (রা) থেকেই বর্ণিত আছে যে, এক কাফেলায় দশজন লোক রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কাছে এল। তিনি নয়জনকে বায়'আত করলেন এবং তাদের অবশিষ্ট একজনকে বায়'আত করা থেকে বিরত রইলেন। সাহাবায়ে কিরাম জিজ্ঞেস করলেন, তার ব্যাপারটা কি? উত্তরে তিনি বললেন, তার বাহুতে মাদুলি রয়েছে। তখন লোকটি উক্ত মাদুলি ছিড়ে ফেলল। অতঃপর রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) তাকে বায়'আত করলেন। এরপর বললেন, যে মাদুলি ব্যবহার করল, সে শিরক করল।
(আহমাদ ও হাকিম (র) হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। হাদীসটির উল্লিখিত ভাষা হাকিম বর্ণিত। আহমাদ (র) বর্ণিত রিওয়ায়েতের সকল বর্ণনাকারী নির্ভরযোগ্য। 'তামীমাহ'- মাদুলী যা আপাত বালা থেকে বাচার জন্য ঝুলাত। এরূপ বিশ্বাস মূর্খতা ও গুমরাহী। কেননা, আল্লাহ্ তা'আলা ব্যতীত অন্য কেউ বালা মুসিবত বারণ করতে পারেনা। খাত্তাবী অনুরূপ অভিমত ব্যক্ত করেছেন।)
(আহমাদ ও হাকিম (র) হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। হাদীসটির উল্লিখিত ভাষা হাকিম বর্ণিত। আহমাদ (র) বর্ণিত রিওয়ায়েতের সকল বর্ণনাকারী নির্ভরযোগ্য। 'তামীমাহ'- মাদুলী যা আপাত বালা থেকে বাচার জন্য ঝুলাত। এরূপ বিশ্বাস মূর্খতা ও গুমরাহী। কেননা, আল্লাহ্ তা'আলা ব্যতীত অন্য কেউ বালা মুসিবত বারণ করতে পারেনা। খাত্তাবী অনুরূপ অভিমত ব্যক্ত করেছেন।)
كتاب الجنائز
التَّرْهِيب من تَعْلِيق التمائم والحروز
5269- وَعَن عقبَة أَيْضا رَضِي الله عَنهُ أَنه جَاءَ فِي ركب عشرَة إِلَى رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم فَبَايع تِسْعَة وَأمْسك عَن رجل مِنْهُم فَقَالُوا مَا شَأْنه فَقَالَ إِن فِي عضده تَمِيمَة فَقطع الرجل التميمة فَبَايعهُ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم ثمَّ قَالَ من علق فقد أشرك
رَوَاهُ أَحْمد وَالْحَاكِم وَاللَّفْظ لَهُ ورواة أَحْمد ثِقَات
التميمة يُقَال إِنَّهَا خرزة كَانُوا يعلقونها يرَوْنَ أَنَّهَا تدفع عَنْهُم الْآفَات واعتقاد هَذَا الرَّأْي جهل وضلالة إِذْ لَا مَانع إِلَّا الله وَلَا دَافع غَيره
ذكره الْخطابِيّ
رَوَاهُ أَحْمد وَالْحَاكِم وَاللَّفْظ لَهُ ورواة أَحْمد ثِقَات
التميمة يُقَال إِنَّهَا خرزة كَانُوا يعلقونها يرَوْنَ أَنَّهَا تدفع عَنْهُم الْآفَات واعتقاد هَذَا الرَّأْي جهل وضلالة إِذْ لَا مَانع إِلَّا الله وَلَا دَافع غَيره
ذكره الْخطابِيّ
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫২৭০
অধ্যায়ঃ জানাযা
পরিচ্ছেদঃ মাদুলি ব্যবহারের ব্যাপারে সতর্কীকরণ
৫২৭০. হযরত ঈসা ইবন হামযা (র) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আবদুল্লাহ্ ইবন হাকীমের কাছে গেলাম। তখন তাঁর গায়ে রক্তিম ফোসকা পড়া ছিল। আমি তাঁকে বললাম, আপনি মাদুলি ব্যবহার করেন না কেন? তিনি বললেন, আল্লাহ্ তা'আলার কাছে এ থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করি। (কেননা) রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, যে (মাদুলি জাতীয়) কোন কিছু ব্যবহার করে তার উপর তাকে সমর্পিত করা হয়।
(আবু দাউদ ও তিরমিযী (র) হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তবে তিরমিযী বলেন: "অতঃপর আমরা বললাম, আপনি কেন (মাদুলি জাতীয়) কিছু ব্যবহার করেন না? তিনি বললেন, মৃত্যু এর চেয়ে নিকটবর্তী।" (তিরমিযী (র) বলেন, মুহাম্মদ ইবন আব্দুর রহমান ইব্ন আবু লায়লার রিওয়ায়েত ব্যতীত অন্য কোন সনদে হাদীসটি আমার জানা নেই। আল্লাহই সমধিক জ্ঞাত।)
(আবু দাউদ ও তিরমিযী (র) হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তবে তিরমিযী বলেন: "অতঃপর আমরা বললাম, আপনি কেন (মাদুলি জাতীয়) কিছু ব্যবহার করেন না? তিনি বললেন, মৃত্যু এর চেয়ে নিকটবর্তী।" (তিরমিযী (র) বলেন, মুহাম্মদ ইবন আব্দুর রহমান ইব্ন আবু লায়লার রিওয়ায়েত ব্যতীত অন্য কোন সনদে হাদীসটি আমার জানা নেই। আল্লাহই সমধিক জ্ঞাত।)
كتاب الجنائز
التَّرْهِيب من تَعْلِيق التمائم والحروز
5270- وَعَن عِيسَى بن حَمْزَة قَالَ دخلت على عبد الله بن حَكِيم وَبِه حمرَة فَقلت أَلا تعلق تَمِيمَة فَقَالَ نَعُوذ بِاللَّه من ذَلِك قَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم من علق شَيْئا وكل إِلَيْهِ
رَوَاهُ أَبُو دَاوُد وَالتِّرْمِذِيّ إِلَّا أَنه قَالَ فَقُلْنَا أَلا تعلق شَيْئا فَقَالَ الْمَوْت أقرب من ذَلِك
وَقَالَ التِّرْمِذِيّ لَا نعرفه إِلَّا من حَدِيث مُحَمَّد بن عبد الرَّحْمَن بن أبي ليلى
رَوَاهُ أَبُو دَاوُد وَالتِّرْمِذِيّ إِلَّا أَنه قَالَ فَقُلْنَا أَلا تعلق شَيْئا فَقَالَ الْمَوْت أقرب من ذَلِك
وَقَالَ التِّرْمِذِيّ لَا نعرفه إِلَّا من حَدِيث مُحَمَّد بن عبد الرَّحْمَن بن أبي ليلى
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫২৭১
অধ্যায়ঃ জানাযা
পরিচ্ছেদঃ মাদুলি ব্যবহারের ব্যাপারে সতর্কীকরণ
৫২৭১. হযরত ইমরান ইবন হুসায়ন (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এক ব্যক্তির বাহুতে একটি বাজুবন্দ দেখতে পেলেন। (বর্ণনাকারী বলেনঃ) আমার মনে হয়, ইমরান ইবন হুসায়ন (রা) বলেছেন, বাজুবন্দ পিতলের ছিল। অতঃপর তিনি বললেনঃ তোমার অকল্যাণ হোক। এটা কি? লোকটি বলল, এটা দুর্বলতাজনিত কারণে। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, তবে এটা তো তোমার দুর্বলতা ছাড়া আর কিছুই বৃদ্ধি করবে না। এটি তুমি তোমার কাছ থেকে দূরে ফেলে দাও। কেননা, তুমি যদি মৃত্যু মুখে পতিত হও এবং এটা তোমার কাছে থাকে তবে তুমি সফলকাম হতে পারবে না।
(আহমাদ (র) হাদীসটি বর্ণনা করেছেন এবং ইবন মাজাহ "এটি তুমি তোমার তোমার কাছ থেকে দূরে ফেলে নাও।" থেকে শেষ পর্যন্ত অংশটুকু ব্যতীত বাকি অংশটুকু বর্ণনা করেছেন। ইবন হিব্বান স্বীয় 'সহীহ' কিতাবে হাদীসটি উল্লেখ করেছেন। তাতে তিনি বলেন, "কেননা, তুমি যদি মৃত্যুমুখে পতিত হও এবং এটা তোমার কাছে থাকে তবে এর উপরই তুমি সমর্পিত হবে। হাকিম হাদীসটি বর্ণনা করে বলেন, এ সনদ সহীহ।
হাকিম (র) বলেন, তাঁরা সকলেই মুবারক ইব্ন ফুযালার সূত্রে হাসানের মধ্যস্থতায় ইমরান থেকে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন এবং ইবন হিব্বান ও অনুরূপ সনদে আবু আমির খাযযায-এর সূত্রে হাসানের মধ্যস্থতায় ইমরান থেকে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। এ সনদটি উত্তম। তবে ইমরান থেকে হাসানের হাদীস শ্রবণের ব্যাপারে দ্বিমত রয়েছে। ইবন মাদীনী প্রমুখ বলেন, তিনি ইমরানের নিকট থেকে কোন হাদীস শ্রবণ করেন নি। হাকিম বলেন, আমাদের অধিকাংশ হাদীস বিশারদ এ ব্যাপারে একমত যে, হাসান ইমরান থেকে হাদীসটি শ্রবণ করেছেন। আল্লাহই সমধিক জ্ঞাত।)
(আহমাদ (র) হাদীসটি বর্ণনা করেছেন এবং ইবন মাজাহ "এটি তুমি তোমার তোমার কাছ থেকে দূরে ফেলে নাও।" থেকে শেষ পর্যন্ত অংশটুকু ব্যতীত বাকি অংশটুকু বর্ণনা করেছেন। ইবন হিব্বান স্বীয় 'সহীহ' কিতাবে হাদীসটি উল্লেখ করেছেন। তাতে তিনি বলেন, "কেননা, তুমি যদি মৃত্যুমুখে পতিত হও এবং এটা তোমার কাছে থাকে তবে এর উপরই তুমি সমর্পিত হবে। হাকিম হাদীসটি বর্ণনা করে বলেন, এ সনদ সহীহ।
হাকিম (র) বলেন, তাঁরা সকলেই মুবারক ইব্ন ফুযালার সূত্রে হাসানের মধ্যস্থতায় ইমরান থেকে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন এবং ইবন হিব্বান ও অনুরূপ সনদে আবু আমির খাযযায-এর সূত্রে হাসানের মধ্যস্থতায় ইমরান থেকে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। এ সনদটি উত্তম। তবে ইমরান থেকে হাসানের হাদীস শ্রবণের ব্যাপারে দ্বিমত রয়েছে। ইবন মাদীনী প্রমুখ বলেন, তিনি ইমরানের নিকট থেকে কোন হাদীস শ্রবণ করেন নি। হাকিম বলেন, আমাদের অধিকাংশ হাদীস বিশারদ এ ব্যাপারে একমত যে, হাসান ইমরান থেকে হাদীসটি শ্রবণ করেছেন। আল্লাহই সমধিক জ্ঞাত।)
كتاب الجنائز
التَّرْهِيب من تَعْلِيق التمائم والحروز
5271- وَعَن عمرَان بن حُصَيْن رَضِي الله عَنهُ أَن رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم أبْصر على عضد رجل حَلقَة أرَاهُ قَالَ من صفر فَقَالَ وَيحك مَا هَذِه قَالَ من الواهنة
قَالَ أما إِنَّهَا لَا تزيدك إِلَّا وَهنا انبذها عَنْك فَإنَّك لَو مت وَهِي عَلَيْك مَا أفلحت أبدا
رَوَاهُ أَحْمد وَابْن مَاجَه دون قَوْله انبذها إِلَى آخِره وَابْن حبَان فِي صَحِيحه وَقَالَ فَإنَّك لَو مت وَهِي عَلَيْك وكلت إِلَيْهَا وَالْحَاكِم وَقَالَ صَحِيح الْإِسْنَاد
قَالَ الْحَافِظ رَوَوْهُ كلهم عَن مبارك بن فضَالة عَن الْحسن عَن عمرَان وَرَوَاهُ ابْن حبَان أَيْضا بِنَحْوِهِ عَن أبي عَامر الخزاز عَن الْحسن عَن عمرَان وَهَذِه جَيِّدَة إِلَّا أَن الْحسن اخْتلف فِي سَمَاعه من عمرَان وَقَالَ ابْن الْمَدِينِيّ وَغَيره لم يسمع مِنْهُ وَقَالَ الْحَاكِم أَكثر مَشَايِخنَا على أَن الْحسن سمع من عمرَان وَالله أعلم
قَالَ أما إِنَّهَا لَا تزيدك إِلَّا وَهنا انبذها عَنْك فَإنَّك لَو مت وَهِي عَلَيْك مَا أفلحت أبدا
رَوَاهُ أَحْمد وَابْن مَاجَه دون قَوْله انبذها إِلَى آخِره وَابْن حبَان فِي صَحِيحه وَقَالَ فَإنَّك لَو مت وَهِي عَلَيْك وكلت إِلَيْهَا وَالْحَاكِم وَقَالَ صَحِيح الْإِسْنَاد
قَالَ الْحَافِظ رَوَوْهُ كلهم عَن مبارك بن فضَالة عَن الْحسن عَن عمرَان وَرَوَاهُ ابْن حبَان أَيْضا بِنَحْوِهِ عَن أبي عَامر الخزاز عَن الْحسن عَن عمرَان وَهَذِه جَيِّدَة إِلَّا أَن الْحسن اخْتلف فِي سَمَاعه من عمرَان وَقَالَ ابْن الْمَدِينِيّ وَغَيره لم يسمع مِنْهُ وَقَالَ الْحَاكِم أَكثر مَشَايِخنَا على أَن الْحسن سمع من عمرَان وَالله أعلم
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫২৭২
অধ্যায়ঃ জানাযা
পরিচ্ছেদঃ মাদুলি ব্যবহারের ব্যাপারে সতর্কীকরণ
৫২৭২. হযরত আব্দুল্লাহ (ইবন মাসউদ (রা.)-এর স্ত্রী যায়নাবের ভাগিনের সূত্রে যায়নাব (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একজন বৃদ্ধা মহিলা আমাদের কাছে আসত, সে রক্তিম ফোসকার ঝাঁড় ফুক করত। আমাদের উঁচু পায়া বিশিষ্ট একটি খাট ছিল। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যখন ঘরে প্রবেশ করতেন তখন জোরে কাশি দিতেন। একদিন তিনি ঘরে প্রবেশ করলেন। যখন বৃদ্ধা মহিলাটি তাঁর শব্দ শুনল তখন তাঁর সৃষ্টি থেকে নিজেকে গোপন করল। তিনি এলেন এবং আমার কাছে বসে আমাকে স্পর্শ করলেন। তখন তিনি একটি তাগার ছোঁয়া অনুভব করলেন। তখন তিনি জিজ্ঞেস করলেন, এটা কি? আমি বললাম, এতে আমার রক্তিম ফোসকার জন্য ঝাঁড়ফুক দেওয়া হয়েছে। একথা শুনে তিনি তাগাটি টেনে নিয়ে ছিঁড়ে ফেললেন এবং তা ছুঁড়ে ফেলে দিলেন। এরপর বললেন, আব্দুল্লাহর পরিবার পরিজন শিরকের ঊর্ধ্বে। আমি রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি, নিশ্চয় ঝাঁড়ফুক, মাদুলি ও যাদু-টোনা শিরক। আমি বললাম, আমি একদিন বাইরে গিয়েছি। তখন আমাকে অমুক লোক দেখেছে। ফলে আমার সে চক্ষুটি থেকে পানি ঝরতে শুরু করেছে, যেটি তার দিকে ছিল। তারপর যখন আমি চক্ষুটি ঝাড়লাম তখন তার পানি পড়া বন্ধ হয়ে গেল। আবার যখন ঝাড়ানো ছেড়ে দিলাম তখন আবার পানি করতে শুরু করল। তিনি বললেন, এটা হচ্ছে শয়তান। যখন তুমি তার আনুগত্য করলে তখন সে তোমাকে ছেড়ে দিল। আর যখন তুমি তার বিরুদ্ধাচরণ করলে তখন সে তোমার চোখে তার অঙ্গুলি ঠেসে দিল। তবে তুমি যদি তা-ই করতে, যা রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) করেছেন, তবে তা তোমার জন্য অধিক কল্যাণকর এবং তোমার চক্ষু রোগমুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে অধিক কার্যকর হত। তুমি তোমার চোখে পানি ছিটে দাও এবং বলঃ
أذْهِبِ البَاسَ رَبَّ النَّاسِ، اشْفِ وأَنْتَ الشَّافِي، لا شِفَاءَ إلَّا شِفَاؤُكَ، شِفَاءً لا يُغَادِرُ سَقَمًا
‘‘ব্যথার উপশম করে দাও হে মানুষের প্রতিপালক, নিরাময় দাও, কেননা তুমি নিরাময়কারী এবং তোমার নিরাময় ব্যতীত নিরাময় নেই- এমন নিরাময় যা' কোন ব্যাধিকে ছেড়ে দেয় না’’।
(ইবন মাজাহ (র) হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। হাদীসটির উল্লিখিত ভাষা তাঁরই বর্ণিত। আবু দাউদ সংক্ষিপ্তাকারে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি বলেছেন, হাদীসটি যায়নাবের ভ্রাতৃপুত্র থেকে বর্ণিত। ইবন মাজার কোন কোন কপিতেও অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। উভয় বর্ণনা মতে, লোকটির নাম অজ্ঞাত। হাকিম তাঁদের উভয়ের চেয়ে সংক্ষিপ্তাকারে হাদীসটি বর্ণনা করে বলেন, এর সনদ সহীহ। আবু সুলায়মান খাত্তাবী বলেন, নিষিদ্ধ ঝাড়ফুক দ্বারা উদ্দেশ্য হচ্ছে এমন ঝাড়ফুক যা অনারবীয় ভাষায় করা হয় এবং যার অর্থ বোধগম্য নয়। কেননা, হয়ত তাতে যাদু অথবা কুফরী (কালাম) রয়েছে। কিন্তু যে ঝাড় ফুঁকের অর্থ বোধগম্য এবং তাতে আল্লাহ তা'আলার যিকির থাকে তা মুস্তাহাব ও বরকতময়। আল্লাহই সর্বধিক জ্ঞাত।)
أذْهِبِ البَاسَ رَبَّ النَّاسِ، اشْفِ وأَنْتَ الشَّافِي، لا شِفَاءَ إلَّا شِفَاؤُكَ، شِفَاءً لا يُغَادِرُ سَقَمًا
‘‘ব্যথার উপশম করে দাও হে মানুষের প্রতিপালক, নিরাময় দাও, কেননা তুমি নিরাময়কারী এবং তোমার নিরাময় ব্যতীত নিরাময় নেই- এমন নিরাময় যা' কোন ব্যাধিকে ছেড়ে দেয় না’’।
(ইবন মাজাহ (র) হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। হাদীসটির উল্লিখিত ভাষা তাঁরই বর্ণিত। আবু দাউদ সংক্ষিপ্তাকারে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি বলেছেন, হাদীসটি যায়নাবের ভ্রাতৃপুত্র থেকে বর্ণিত। ইবন মাজার কোন কোন কপিতেও অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। উভয় বর্ণনা মতে, লোকটির নাম অজ্ঞাত। হাকিম তাঁদের উভয়ের চেয়ে সংক্ষিপ্তাকারে হাদীসটি বর্ণনা করে বলেন, এর সনদ সহীহ। আবু সুলায়মান খাত্তাবী বলেন, নিষিদ্ধ ঝাড়ফুক দ্বারা উদ্দেশ্য হচ্ছে এমন ঝাড়ফুক যা অনারবীয় ভাষায় করা হয় এবং যার অর্থ বোধগম্য নয়। কেননা, হয়ত তাতে যাদু অথবা কুফরী (কালাম) রয়েছে। কিন্তু যে ঝাড় ফুঁকের অর্থ বোধগম্য এবং তাতে আল্লাহ তা'আলার যিকির থাকে তা মুস্তাহাব ও বরকতময়। আল্লাহই সর্বধিক জ্ঞাত।)
كتاب الجنائز
التَّرْهِيب من تَعْلِيق التمائم والحروز
5272- وَعَن ابْن أُخْت زَيْنَب امْرَأَة عبد الله عَن زَيْنَب رَضِي الله عَنْهَا قَالَت كَانَت عَجُوز تدخل علينا ترقي من الْحمرَة وَكَانَ لنا سَرِير طَوِيل القوائم وَكَانَ عبد الله إِذا دخل تنحنح
وَصَوت فَدخل يَوْمًا فَلَمَّا سَمِعت صَوته احْتَجَبت مِنْهُ فجَاء فَجَلَسَ إِلَى جَانِبي فمسني فَوجدَ مس خيط فَقَالَ مَا هَذَا فَقلت رقي لي فِيهِ من الْحمرَة فَجَذَبَهُ فَقَطعه فَرمى بِهِ ثمَّ قَالَ لقد أصبح آل عبد الله أَغْنِيَاء عَن الشّرك سَمِعت رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم يَقُول إِن الرقى والتمائم والتولة شرك
قلت فَإِنِّي خرجت يَوْمًا فأبصرني فلَان فَدَمَعَتْ عَيْني الَّتِي تليه فَإِذا رقيتها سكنت دمعتها وَإِذا تركتهَا دَمَعَتْ قَالَ ذَلِك الشَّيْطَان إِذا أطعته تَركك وَإِذا عصيته طعن بِأُصْبُعِهِ فِي عَيْنك وَلَكِن لَو فعلت كَمَا فعل رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم كَانَ خيرا لَك وأجدر أَن تشفي تنضحي فِي عَيْنك المَاء وتقولي أذهب الْبَأْس رب النَّاس واشف أَنْت الشافي لَا شِفَاء إِلَّا شفاؤك شِفَاء لَا يُغَادر سقما
رَوَاهُ ابْن مَاجَه وَاللَّفْظ لَهُ وَأَبُو دَاوُد بِاخْتِصَار عَنهُ إِلَّا أَنه قَالَ عَن ابْن أخي زَيْنَب وَهُوَ كَذَا فِي بعض نسخ ابْن مَاجَه وَهُوَ على كلا التَّقْدِير مَجْهُول وَرَوَاهُ الْحَاكِم أخصر مِنْهُمَا وَقَالَ صَحِيح الْإِسْنَاد قَالَ أَبُو سُلَيْمَان الْخطابِيّ الْمنْهِي عَنهُ من الرقى مَا كَانَ بِغَيْر لِسَان الْعَرَب فَلَا يدرى مَا هُوَ وَلَعَلَّه قد يدْخلهُ سحر أَو كفر فَأَما إِذا كَانَ مَفْهُوم الْمَعْنى وَكَانَ فِيهِ ذكر الله تَعَالَى فَإِنَّهُ مُسْتَحبّ متبرك بِهِ وَالله أعلم
وَصَوت فَدخل يَوْمًا فَلَمَّا سَمِعت صَوته احْتَجَبت مِنْهُ فجَاء فَجَلَسَ إِلَى جَانِبي فمسني فَوجدَ مس خيط فَقَالَ مَا هَذَا فَقلت رقي لي فِيهِ من الْحمرَة فَجَذَبَهُ فَقَطعه فَرمى بِهِ ثمَّ قَالَ لقد أصبح آل عبد الله أَغْنِيَاء عَن الشّرك سَمِعت رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم يَقُول إِن الرقى والتمائم والتولة شرك
قلت فَإِنِّي خرجت يَوْمًا فأبصرني فلَان فَدَمَعَتْ عَيْني الَّتِي تليه فَإِذا رقيتها سكنت دمعتها وَإِذا تركتهَا دَمَعَتْ قَالَ ذَلِك الشَّيْطَان إِذا أطعته تَركك وَإِذا عصيته طعن بِأُصْبُعِهِ فِي عَيْنك وَلَكِن لَو فعلت كَمَا فعل رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم كَانَ خيرا لَك وأجدر أَن تشفي تنضحي فِي عَيْنك المَاء وتقولي أذهب الْبَأْس رب النَّاس واشف أَنْت الشافي لَا شِفَاء إِلَّا شفاؤك شِفَاء لَا يُغَادر سقما
رَوَاهُ ابْن مَاجَه وَاللَّفْظ لَهُ وَأَبُو دَاوُد بِاخْتِصَار عَنهُ إِلَّا أَنه قَالَ عَن ابْن أخي زَيْنَب وَهُوَ كَذَا فِي بعض نسخ ابْن مَاجَه وَهُوَ على كلا التَّقْدِير مَجْهُول وَرَوَاهُ الْحَاكِم أخصر مِنْهُمَا وَقَالَ صَحِيح الْإِسْنَاد قَالَ أَبُو سُلَيْمَان الْخطابِيّ الْمنْهِي عَنهُ من الرقى مَا كَانَ بِغَيْر لِسَان الْعَرَب فَلَا يدرى مَا هُوَ وَلَعَلَّه قد يدْخلهُ سحر أَو كفر فَأَما إِذا كَانَ مَفْهُوم الْمَعْنى وَكَانَ فِيهِ ذكر الله تَعَالَى فَإِنَّهُ مُسْتَحبّ متبرك بِهِ وَالله أعلم
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫২৭৩
অধ্যায়ঃ জানাযা
পরিচ্ছেদঃ মাদুলি ব্যবহারের ব্যাপারে সতর্কীকরণ
৫২৭৩. হযরত ইবন মাসউদ (রা) থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি তার স্ত্রীর কাছে গেলেন। তখন তার গলায় কিছু একটা ঝুলানো ছিল। তিনি তা টেনে নিয়ে ছিড়ে ফেললেন। এরপর বললেন, আব্দুল্লাহর পরিবার পরিজন আল্লাহর সাথে এমন কিছুকে শরীক করার ঊর্ধ্বে, যার ব্যাপারে তিনি কোন সনদ অবতীর্ণ করেননি। এরপর বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি, নিশ্চয় ঝাড়ফুঁক, মাদুলি কবজ ও যাদু-টোনা শিরক। উপস্থিত লোকজন জিজ্ঞেস করল, হে আবু আব্দুর রহমান। ঝাড়ফুঁক ও মাদুলি তো আমরা বুঝলাম, কিন্তু যাদু-টোনা আবার কি? তিনি বললেন, এটা এমন বিশেষ কিছু তদবীর, যা মহিলারা তাদের স্বামীদের কাছে প্রিয় হওয়ার জন্য ব্যবহার করে।
(ইবন হিব্বান (র) তাঁর সহীহ্ কিতাবে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। হাকিম আব্দুল্লাহ ইবন মাসউদ (রা) থেকে সংক্ষিপ্তাকারে হাদীসটি বর্ণনা করে বলেন, এর সনদ সহীহ।)
(ইবন হিব্বান (র) তাঁর সহীহ্ কিতাবে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। হাকিম আব্দুল্লাহ ইবন মাসউদ (রা) থেকে সংক্ষিপ্তাকারে হাদীসটি বর্ণনা করে বলেন, এর সনদ সহীহ।)
كتاب الجنائز
التَّرْهِيب من تَعْلِيق التمائم والحروز
5273- وَعَن ابْن مَسْعُود رَضِي الله عَنهُ أَنه دخل على امْرَأَته وَفِي عُنُقهَا شَيْء مَعْقُود فَجَذَبَهُ فَقَطعه ثمَّ قَالَ لقد أصبح آل عبد الله أَغْنِيَاء عَن أَن يشركوا بِاللَّه مَا لم ينزل بِهِ سُلْطَانا ثمَّ قَالَ سَمِعت رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم يَقُول إِن الرقى والتمائم والتولة شرك قَالُوا يَا أَبَا عبد الرَّحْمَن هَذِه الرقى والتمائم قد عرفناهما فَمَا التولة قَالَ شَيْء تَصنعهُ النِّسَاء يتحببن إِلَى أَزوَاجهنَّ
رَوَاهُ ابْن حبَان فِي صَحِيحه وَالْحَاكِم بِاخْتِصَار عَنهُ وَقَالَ صَحِيح الْإِسْنَاد
التولة بِكَسْر الْمُثَنَّاة فَوق وبفتح الْوَاو شَيْء شَبيه بِالسحرِ أَو من أَنْوَاعه تَفْعَلهُ الْمَرْأَة ليحببها إِلَى زَوجهَا
رَوَاهُ ابْن حبَان فِي صَحِيحه وَالْحَاكِم بِاخْتِصَار عَنهُ وَقَالَ صَحِيح الْإِسْنَاد
التولة بِكَسْر الْمُثَنَّاة فَوق وبفتح الْوَاو شَيْء شَبيه بِالسحرِ أَو من أَنْوَاعه تَفْعَلهُ الْمَرْأَة ليحببها إِلَى زَوجهَا
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫২৭৪
অধ্যায়ঃ জানাযা
পরিচ্ছেদঃ মাদুলি ব্যবহারের ব্যাপারে সতর্কীকরণ
৫২৭৪. হযরত আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, বালা মুসিবতের পর যা ব্যবহার করা হয়, তা (নিষিদ্ধ) তাবিজ কবজ নয়, বরং তাবিজ কবজ হচ্ছে, যা বালা-মুসিবতের পূর্বে ব্যবহার করা হয়।
(হাকিম (র) হাদীসটি বর্ণনা করে বলেন, এর সনদ সহীহ।)
(হাকিম (র) হাদীসটি বর্ণনা করে বলেন, এর সনদ সহীহ।)
كتاب الجنائز
التَّرْهِيب من تَعْلِيق التمائم والحروز
5274- وَعَن عَائِشَة رَضِي الله عَنْهَا قَالَت لَيْسَ التميمة مَا تعلق بِهِ بعد الْبلَاء إِنَّمَا التميمة مَا تعلق بِهِ قبل الْبلَاء
رَوَاهُ الْحَاكِم وَقَالَ صَحِيح الْإِسْنَاد
رَوَاهُ الْحَاكِم وَقَالَ صَحِيح الْإِسْنَاد
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫২৭৫
অধ্যায়ঃ জানাযা
পরিচ্ছেদঃ শিঙা লাগানোর প্রতি উৎসাহ দান এবং কখন শিঙা লাগাবে
৫২৭৫. হযরত জাবির ইবন আব্দুল্লাহ্ (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি, যদি তোমাদের কোন ঔষধে কল্যাণ থাকে তবে তা শিঙাদাতার শিঙা গ্রহণ (রক্তমোক্ষনে) অথবা একচাট মধু কিংবা আগুনের একটি সেঁকের মধ্যে রয়েছে। তবে আমি সেঁকে নিতে ভালবাসি না।
(বুখারী ও মুসলিম (র) হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
(বুখারী ও মুসলিম (র) হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
كتاب الجنائز
التَّرْغِيب فِي الْحجامَة وَمَتى يحتجم
5275- عَن جَابر بن عبد الله رَضِي الله عَنْهُمَا قَالَ سَمِعت رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم يَقُول إِن كَانَ
فِي شَيْء من أدويتكم خير فَفِي شرطة محجم أَو شربة من عسل أَو لدغة بِنَار وَمَا أحب أَن أكتوي
رَوَاهُ البُخَارِيّ وَمُسلم
فِي شَيْء من أدويتكم خير فَفِي شرطة محجم أَو شربة من عسل أَو لدغة بِنَار وَمَا أحب أَن أكتوي
رَوَاهُ البُخَارِيّ وَمُسلم
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫২৭৬
অধ্যায়ঃ জানাযা
পরিচ্ছেদঃ শিঙা লাগানোর প্রতি উৎসাহ দান এবং কখন শিঙা লাগাবে
৫২৭৬. হযরত আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, তোমরা যেসব ঔষধ ব্যবহার কর, তন্মধ্যে কোনটিতে যদি কল্যাণ থাকে, তবে তা হচ্ছে শিঙা গ্রহণ রক্তমোক্ষণ।
(আবু দাউদ ও ইবন মাজাহ (র) হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
(আবু দাউদ ও ইবন মাজাহ (র) হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
كتاب الجنائز
التَّرْغِيب فِي الْحجامَة وَمَتى يحتجم
5276- وَعَن أبي هُرَيْرَة رَضِي الله عَنهُ قَالَ قَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم إِن كَانَ فِي شَيْء مِمَّا تداويتم بِهِ خير فالحجامة
رَوَاهُ أَبُو دَاوُد وَابْن مَاجَه
رَوَاهُ أَبُو دَاوُد وَابْن مَاجَه
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫২৭৭
অধ্যায়ঃ জানাযা
পরিচ্ছেদঃ শিঙা লাগানোর প্রতি উৎসাহ দান এবং কখন শিঙা লাগাবে
৫২৭৭. উক্ত হযরত আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আবুল কাসিম আমাকে বলেছেন, জিবরীল (আ) তাকে জানিয়েছেন, মানুষ যেসব ঔষধ ব্যবহার করে, তন্মধ্যে শিঙা গ্রহণ সবচেয়ে বেশি উপকারী।
(হাকিম (র) হাদীসটি বর্ণনা করে বলেন, হাদীসটি বুখারী ও মুসলিমের শর্ত অনুযায়ী সহীহ।)
(হাকিম (র) হাদীসটি বর্ণনা করে বলেন, হাদীসটি বুখারী ও মুসলিমের শর্ত অনুযায়ী সহীহ।)
كتاب الجنائز
التَّرْغِيب فِي الْحجامَة وَمَتى يحتجم
5277- وَعنهُ رَضِي الله عَنهُ قَالَ أَخْبرنِي أَبُو الْقَاسِم صلى الله عَلَيْهِ وَسلم أَن جِبْرِيل أخبرهُ أَن الحجم أَنْفَع مَا تداوى بِهِ النَّاس
رَوَاهُ الْحَاكِم وَقَالَ صَحِيح على شَرطهمَا
رَوَاهُ الْحَاكِم وَقَالَ صَحِيح على شَرطهمَا
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫২৭৮
অধ্যায়ঃ জানাযা
পরিচ্ছেদঃ শিঙা লাগানোর প্রতি উৎসাহ দান এবং কখন শিঙা লাগাবে
৫২৭৮. হযরত মালিক (র) থেকে বর্ণিত। তার কাছে পৌঁছেছে যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, কোন ঔষধ যদি রোগের জন্য কার্যকরী হয়ে থাকে তবে তা হচ্ছে শিঙা গ্রহণ।
(মালিক মুওয়াত্তায় এভাবে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
(মালিক মুওয়াত্তায় এভাবে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
كتاب الجنائز
التَّرْغِيب فِي الْحجامَة وَمَتى يحتجم
5278- وَعَن مَالك بلغه أَن رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم قَالَ إِن كَانَ دَوَاء يبلغ الدَّاء فَإِن الْحجامَة تبلغه
ذكره فِي الْمُوَطَّأ هَكَذَا
ذكره فِي الْمُوَطَّأ هَكَذَا
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫২৭৯
অধ্যায়ঃ জানাযা
পরিচ্ছেদঃ শিঙা লাগানোর প্রতি উৎসাহ দান এবং কখন শিঙা লাগাবে
৫২৭৯. হযরত রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ)-এর সেবিকা সালমা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, যে কেউই রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ)-এর কাছে মাথা ব্যাথার অভিযোগ করত তাকে বলতেন, তুমি শিঙা লাগাও এবং যে কেউই তার দু'পায়ে ব্যাথার অভিযোগ করত তাকে তিনি বলতেন, তুমি তোমার পা দু'টিতে খেযাব বা প্রলেপ দাও।
(আবু দাউদ, ইবন মাজাহ ও তিরমিযী হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তিরমিযী (র) বলেন, হাদীসটি গরীব। আমার জানা মতে কেবল ফাইদ-এর সূত্রে হাদীসটি বর্ণিত।
[হাফিয (র) বলেনঃ] এর সনদ গরীব। 'ফাইদ' উবায়দুল্লাহ ইবন আলী ইবন আবু রাফি' কর্তৃক আপনকৃত গোলাম। তাঁরও তাঁর শায়খ উবায়দুল্লাহ সম্পর্কে পরবর্তীতে আলোচনা আসছে।)
(আবু দাউদ, ইবন মাজাহ ও তিরমিযী হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তিরমিযী (র) বলেন, হাদীসটি গরীব। আমার জানা মতে কেবল ফাইদ-এর সূত্রে হাদীসটি বর্ণিত।
[হাফিয (র) বলেনঃ] এর সনদ গরীব। 'ফাইদ' উবায়দুল্লাহ ইবন আলী ইবন আবু রাফি' কর্তৃক আপনকৃত গোলাম। তাঁরও তাঁর শায়খ উবায়দুল্লাহ সম্পর্কে পরবর্তীতে আলোচনা আসছে।)
كتاب الجنائز
التَّرْغِيب فِي الْحجامَة وَمَتى يحتجم
5279- وَعَن سلمى خَادِم رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم قَالَت مَا كَانَ أحد يشتكي إِلَى رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم وجعا فِي رَأسه إِلَّا قَالَ احْتجم وَلَا وجعا فِي رجلَيْهِ إِلَّا قَالَ اخضبهما
رَوَاهُ أَبُو دَاوُد وَابْن مَاجَه وَالتِّرْمِذِيّ وَقَالَ حَدِيث غَرِيب إِنَّمَا نعرفه من حَدِيث فائد
قَالَ الْحَافِظ إِسْنَاده غَرِيب
فائد هُوَ مولى عبيد الله بن عَليّ بن أبي رَافع يَأْتِي الْكَلَام عَلَيْهِ وعَلى شَيْخه عبيد الله بن عَليّ
رَوَاهُ أَبُو دَاوُد وَابْن مَاجَه وَالتِّرْمِذِيّ وَقَالَ حَدِيث غَرِيب إِنَّمَا نعرفه من حَدِيث فائد
قَالَ الْحَافِظ إِسْنَاده غَرِيب
فائد هُوَ مولى عبيد الله بن عَليّ بن أبي رَافع يَأْتِي الْكَلَام عَلَيْهِ وعَلى شَيْخه عبيد الله بن عَليّ
তাহকীক: