আত্-তারগীব ওয়াত্-তারহীব- ইমাম মুনযিরী রহঃ
الترغيب والترهيب للمنذري
২৬. অধ্যায়ঃ জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা - এর পরিচ্ছেদসমূহ
মোট হাদীস ২৪৮ টি
হাদীস নং: ৫৬৩১
অধ্যায়ঃ জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: জাহান্নামীদের দেহাকৃতি বড় হওয়া ও তাদের কুৎসিত হওয়ার বর্ণনা
৫৬৩১. হযরত আবূ হুরায়রা (রা)-এ সূত্রে নবী (ﷺ) থেকে আল্লাহ তা'আলার বাণী: يَوْمَ نَدْعُو كُلَّ أُنَاسٍ بِإِمَامِهِمْ " যে দিন সমস্ত মানুষকে তাদের আমলনামা সহকারে আহবান করবে”। (১৭: ৭১) প্রসঙ্গে বর্ণিত। তিনি বলেন, তাদের প্রত্যেককে আহ্বান করা হবে, তার ডান হাতে তার আমলনামা দেওয়া হবে, তার দেহ ষাট হাত লম্বা করে দেওয়া হবে, তার চেহারা উজ্জ্বল হবে এবং তার মাথায় চমকপ্রদ নূরের মুকুট দেওয়া হবে। তারপর সে তার সাথী-সঙ্গীদের কাছে যাবে। তারা তাকে দূর থেকে দেখবে। এবং বলবে, হে আল্লাহ্! একে আমাদের কাছে নিয়ে আস এবং তার ব্যাপারে আমাদেরকে বরকতময় কর। এরপর সে তাদের কাছে পৌছে তাদেরকে বলবে, তোমরা সুসংবাদ গ্রহণ কর, তোমাদের প্রত্যেকের জন্য এরূপ পুরস্কার রয়েছে। পক্ষান্তরে কাফিরের চেহারা কালিমা আচ্ছাদিত হবে, তার দেহ আদম (আ)-এর আকৃতিতে ষাট হাত দীর্ঘ করে দেওয়া হবে এবং তাকে জাহান্নামের টুপি পরানো হবে। তার সাথী-সঙ্গীরা তাকে দেখে বলবে, আমরা আল্লাহর কাছে এর অকল্যাণ থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করি। হে আল্লাহ্। আপনি একে আমাদের কাছে আনবেন না। এরপর সে তাদের কাছে পৌছে বলবে, হে আল্লাহ! তুমি তাকে লাঞ্ছিত কর। সে বলবে আল্লাহ্ তোমাদেরকে দূর করুন। তোমাদের প্রত্যেকের জন্য এরূপ শাস্তি রয়েছে।
(তিরমিযী (র) হাদীসটি বর্ণনা করে বলেন, হাদীসটি হাসান গরীব। হাদীসটির উল্লেখিত ভাষা তাঁরই বর্ণিত। ইবন হিব্বান (র) তাঁর সহীহ্ কিতাব-এবং বায়হাকী ও এ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
(তিরমিযী (র) হাদীসটি বর্ণনা করে বলেন, হাদীসটি হাসান গরীব। হাদীসটির উল্লেখিত ভাষা তাঁরই বর্ণিত। ইবন হিব্বান (র) তাঁর সহীহ্ কিতাব-এবং বায়হাকী ও এ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
كتاب صفة الجنة والنار
فصل فِي عظم أهل النَّار وقبحهم فِيهَا
5631- وَعَن أبي هُرَيْرَة رَضِي الله عَنهُ عَن النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم فِي قَوْله تَعَالَى يَوْم ندعوا كل أنَاس بإمامهم الْإِسْرَاء 17 قَالَ يدعى أحدهم فَيعْطى كِتَابه بِيَمِينِهِ ويمد لَهُ فِي جِسْمه سِتُّونَ ذِرَاعا ويبيض وَجهه وَيجْعَل على رَأسه تَاج من نور يتلألأ فَينْطَلق إِلَى أَصْحَابه فيرونه من بعيد فَيَقُولُونَ اللَّهُمَّ آتنا بِهَذَا وَبَارك لنا فِي هَذَا حَتَّى يَأْتِيهم فَيَقُول لَهُم أَبْشِرُوا
لكل رجل مِنْكُم مثل هَذَا قَالَ وَأما الْكَافِر فيسود وَجهه ويمد لَهُ فِي جِسْمه سِتُّونَ ذِرَاعا فِي صُورَة آدم ويلبس تاجا من نَار فيراه أَصْحَابه فَيَقُولُونَ نَعُوذ بِاللَّه من شَرّ هَذَا
اللَّهُمَّ لَا تأتنا بِهَذَا فيأتيهم فَيَقُولُونَ اللَّهُمَّ اخزه فَيَقُول أبعدكم الله فَإِن لكل رجل مِنْكُم مثل هَذَا
رَوَاهُ التِّرْمِذِيّ وَقَالَ حَدِيث حسن غَرِيب وَاللَّفْظ لَهُ وَابْن حبَان فِي صَحِيحه وَالْبَيْهَقِيّ
لكل رجل مِنْكُم مثل هَذَا قَالَ وَأما الْكَافِر فيسود وَجهه ويمد لَهُ فِي جِسْمه سِتُّونَ ذِرَاعا فِي صُورَة آدم ويلبس تاجا من نَار فيراه أَصْحَابه فَيَقُولُونَ نَعُوذ بِاللَّه من شَرّ هَذَا
اللَّهُمَّ لَا تأتنا بِهَذَا فيأتيهم فَيَقُولُونَ اللَّهُمَّ اخزه فَيَقُول أبعدكم الله فَإِن لكل رجل مِنْكُم مثل هَذَا
رَوَاهُ التِّرْمِذِيّ وَقَالَ حَدِيث حسن غَرِيب وَاللَّفْظ لَهُ وَابْن حبَان فِي صَحِيحه وَالْبَيْهَقِيّ
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৬৩২
অধ্যায়ঃ জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: জাহান্নামীদের দেহাকৃতি বড় হওয়া ও তাদের কুৎসিত হওয়ার বর্ণনা
৫৬৩২. হযরত আবু সাঈদ (রা) এ সূত্রে নবী (ﷺ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, জাহান্নামে কাফিরের বসার স্থান (এর আয়তন) হবে তিন দিনের দূরত্ব, তার প্রতিটি পেষণ দাঁত হবে উহুদের মত, তার উরু হবে ওয়ারকানের মত এবং তার মাংস ও হাড় ব্যতীত শুধু চামড়াই হবে চল্লিশ হাত।
(আহমাদ, আবূ ইয়ালা, হাকিম সকলেই ইবন লাহী‘আর রিওয়ায়েতে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
(আহমাদ, আবূ ইয়ালা, হাকিম সকলেই ইবন লাহী‘আর রিওয়ায়েতে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
كتاب صفة الجنة والنار
فصل فِي عظم أهل النَّار وقبحهم فِيهَا
5632- وَعَن أبي سعيد رَضِي الله عَنهُ عَن النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم قَالَ مقْعد الْكَافِر فِي النَّار مسيرَة ثَلَاثَة أَيَّام وكل ضرس مثل أحد وَفَخذه مثل ورقان وَجلده سوى لَحْمه وعظامه أَرْبَعُونَ ذِرَاعا
رَوَاهُ أَحْمد وَأَبُو يعلى وَالْحَاكِم كلهم من رِوَايَة ابْن لَهِيعَة
رَوَاهُ أَحْمد وَأَبُو يعلى وَالْحَاكِم كلهم من رِوَايَة ابْن لَهِيعَة
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৬৩৩
অধ্যায়ঃ জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: জাহান্নামীদের দেহাকৃতি বড় হওয়া ও তাদের কুৎসিত হওয়ার বর্ণনা
৫৬৩৩. হযরত ইবন মাজাহ ঈসা ইবন মুখতারের সনদে, তিনি মুহাম্মদ ইবন আবু লায়লা থেকে, তিনি আতিয়্যা আওফী থেকে তিনি আবু সাঈদ (রা) থেকে, তিনি নবী (ﷺ) থেকে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, (কিয়ামতের দিন) নিশ্চয় কাফিরের আকৃতি এত বিশাল হবে যে, তার পেষণ দাঁত উহুদের চেয়ে বড় হবে এবং পেষণ দাঁতের তুলনায় তার দেহ এত বড় হবে, যেমন তোমাদের প্রত্যেকের পেষণ দাঁতের তুলনায় তার দেহ বড় হয়।
كتاب صفة الجنة والنار
فصل فِي عظم أهل النَّار وقبحهم فِيهَا
5633- وروى ابْن مَاجَه من طَرِيق عِيسَى بن الْمُخْتَار عَن مُحَمَّد بن أبي ليلى عَن عَطِيَّة الْعَوْفِيّ عَن أبي سعيد عَن النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم أَنه قَالَ إِن الْكَافِر ليعظم حَتَّى إِن ضرسه لأعظم من أحد وفضيلة جسده على ضرسه كفضيلة جَسَد أحدكُم على ضرسه
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৬৩৪
অধ্যায়ঃ জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: জাহান্নামীদের দেহাকৃতি বড় হওয়া ও তাদের কুৎসিত হওয়ার বর্ণনা
৫৬৩৪. হযরত মুজাহিদ (র.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন একদা ইবন আব্বাস (রা) বললেন, তুমি কি জান জাহান্নামের প্রশস্ততা কতটুকু? আমি বললাম জ্বী না। তিনি বললেন, হ্যাঁ। আল্লাহর কসম। আল্লাহর কসম। তুমি জাননা। তাদের প্রত্যেকের কানের লতি ও কাঁধের মধ্যবর্তী স্থান হবে সত্তর বছরে দুরত্ব। জাহান্নামের মধ্যে পূজ ও রক্তের অনেক উপত্যকা প্রবাহিত হবে। আমি জিজ্ঞেস করলাম অনেক নদী? তিনি বললেন, না, বরং অনেক উপত্যকা।
(আহমাদ (র) সহীহ সনদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। হাকিম এ হাদীস বর্ণনা করে বলেন, এর সনদ সহীহ।)
(আহমাদ (র) সহীহ সনদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। হাকিম এ হাদীস বর্ণনা করে বলেন, এর সনদ সহীহ।)
كتاب صفة الجنة والنار
فصل فِي عظم أهل النَّار وقبحهم فِيهَا
5634- وَعَن مُجَاهِد قَالَ قَالَ ابْن عَبَّاس رَضِي الله عَنْهُمَا أَتَدْرِي مَا سَعَة جَهَنَّم قلت لَا
قَالَ أجل وَالله وَالله مَا تَدْرِي إِن بَين شحمة أذن أحدهم وَبَين عَاتِقه مسيرَة سبعين خَرِيفًا تجْرِي فِيهِ أَوديَة الْقَيْح وَالدَّم
قلت أَنهَار قَالَ لَا بل أَوديَة
رَوَاهُ أَحْمد بِإِسْنَاد صَحِيح وَالْحَاكِم وَقَالَ صَحِيح الْإِسْنَاد
قَالَ أجل وَالله وَالله مَا تَدْرِي إِن بَين شحمة أذن أحدهم وَبَين عَاتِقه مسيرَة سبعين خَرِيفًا تجْرِي فِيهِ أَوديَة الْقَيْح وَالدَّم
قلت أَنهَار قَالَ لَا بل أَوديَة
رَوَاهُ أَحْمد بِإِسْنَاد صَحِيح وَالْحَاكِم وَقَالَ صَحِيح الْإِسْنَاد
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৬৩৫
অধ্যায়ঃ জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: জাহান্নামীদের দেহাকৃতি বড় হওয়া ও তাদের কুৎসিত হওয়ার বর্ণনা
৫৬৩৫. হযরত আবু সাঈদ (রা) -এ সূত্রে নবী (ﷺ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, সেখানে (وَهُمْ فِيهَا كَالِحُونَ) (জাহান্নামে) বিকৃত চেহারা বিশিষ্ট হবে" (২৩: ১০৪) তিনি বলেন, জাহান্নামের আগুন তাদের চেহারা জলসিয়ে দেবে। ফলে তার উপরের ঠোঁট সংকুচিত হয়ে তার মধ্যমাথা পর্যন্ত পৌছে যাবে এবং তার নিচের ঠোঁট ফুলে তার নাভিতে গিয়ে পড়বে।
(আহমাদ ও তিরমিযী হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তিরমিযী (র) বলেন, হাদীসটি হাসান সহীহ গরীব। হাকিম এ হাদীস বর্ননা করে বলেন, এর সনদ সহীহ্।)
হাফিয আব্দুল আযীম (র) বলেনঃ], হাদীসে বর্ণিত হয়েছে যে, জাহান্নামের মধ্যে যেভাবে কাফিরদের দেহ বিশাল হবে, তেমনিভাবে এ উম্মতের থেকে কিছু লোকের দেহ ও বিশাল হবে। ইবন মাজাহ, ও বায়হাকী প্রমুখ আব্দুল্লাহ ইবন কায়স (রা)-এর রিওয়ায়েতে হাদীসটি বর্ণনা করে বলেন, আমি এক রাত্রে আবু বুরদা (রা) -এর কাছে ছিলাম। তখন হারিস ইবন উকায়ল (রা) আমাদের কাছে এলেন এবং সেই রাত্রে হারিস (রা) আমাদেরকে বললেন যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, আমার উম্মতের মধ্যে এমন লোক রয়েছে, যার সুপারিশে মুদার গোত্রের চেয়ে অধিক লোক জান্নাতে প্রবেশ করবে এবং আমার উম্মতের মধ্যে এমন লোক রয়েছে যার দেহ জাহান্নামে পোড়ার জন্য বিশালকার হবে। ফলে তার দেহ হবে জাহান্নামের একটি কোণ সমান (বিশাল)। হাদীসটি উল্লিখিত ভাষা ইবন মাজাহ বর্ণিত। এর সনদ উৎকৃষ্ট। হাকিম (র) বলেন, হাদীসটি মুসলিমের শর্ত অনুযায়ী সহীহ। "যার তিন জন সন্তান মৃত্যুবরণ করেছে এ প্রসঙ্গে এ হাদীস পূর্বে বর্ণিত হয়েছে, আহমাদ ও উৎকৃষ্ট সনদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি বলেন, "আব্দুল্লাহ ইবন উকায়শ (রা)-কে বর্ণনা করতে শুনেছি যে, আবু বারযা (রা) বলেছেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কে বর্ণনা করতে শুনেছি, এ বলে তিনি হাদীসটি বর্ণনা করেন। আমার 'আসল'-এ এরূপ রয়েছে। আমার মতে এটা বিকৃত। সঠিক হল, আমি হারিস ইবন উকায়ল (রা)-কে আবূ বুরদা (রা) -এর কাছে বর্ণনা করতে শুনেছি। ইবন মাজায় এরূপই বর্ণিত হয়েছে। আল্লাহই সর্বাধিক জ্ঞাত।)
(আহমাদ ও তিরমিযী হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তিরমিযী (র) বলেন, হাদীসটি হাসান সহীহ গরীব। হাকিম এ হাদীস বর্ননা করে বলেন, এর সনদ সহীহ্।)
হাফিয আব্দুল আযীম (র) বলেনঃ], হাদীসে বর্ণিত হয়েছে যে, জাহান্নামের মধ্যে যেভাবে কাফিরদের দেহ বিশাল হবে, তেমনিভাবে এ উম্মতের থেকে কিছু লোকের দেহ ও বিশাল হবে। ইবন মাজাহ, ও বায়হাকী প্রমুখ আব্দুল্লাহ ইবন কায়স (রা)-এর রিওয়ায়েতে হাদীসটি বর্ণনা করে বলেন, আমি এক রাত্রে আবু বুরদা (রা) -এর কাছে ছিলাম। তখন হারিস ইবন উকায়ল (রা) আমাদের কাছে এলেন এবং সেই রাত্রে হারিস (রা) আমাদেরকে বললেন যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, আমার উম্মতের মধ্যে এমন লোক রয়েছে, যার সুপারিশে মুদার গোত্রের চেয়ে অধিক লোক জান্নাতে প্রবেশ করবে এবং আমার উম্মতের মধ্যে এমন লোক রয়েছে যার দেহ জাহান্নামে পোড়ার জন্য বিশালকার হবে। ফলে তার দেহ হবে জাহান্নামের একটি কোণ সমান (বিশাল)। হাদীসটি উল্লিখিত ভাষা ইবন মাজাহ বর্ণিত। এর সনদ উৎকৃষ্ট। হাকিম (র) বলেন, হাদীসটি মুসলিমের শর্ত অনুযায়ী সহীহ। "যার তিন জন সন্তান মৃত্যুবরণ করেছে এ প্রসঙ্গে এ হাদীস পূর্বে বর্ণিত হয়েছে, আহমাদ ও উৎকৃষ্ট সনদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি বলেন, "আব্দুল্লাহ ইবন উকায়শ (রা)-কে বর্ণনা করতে শুনেছি যে, আবু বারযা (রা) বলেছেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কে বর্ণনা করতে শুনেছি, এ বলে তিনি হাদীসটি বর্ণনা করেন। আমার 'আসল'-এ এরূপ রয়েছে। আমার মতে এটা বিকৃত। সঠিক হল, আমি হারিস ইবন উকায়ল (রা)-কে আবূ বুরদা (রা) -এর কাছে বর্ণনা করতে শুনেছি। ইবন মাজায় এরূপই বর্ণিত হয়েছে। আল্লাহই সর্বাধিক জ্ঞাত।)
كتاب صفة الجنة والنار
فصل فِي عظم أهل النَّار وقبحهم فِيهَا
5635- وَعَن أبي سعيد رَضِي الله عَنهُ عَن النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم قَالَ وهم فِيهَا كَالِحُونَ الْمُؤْمِنُونَ 401 قَالَ تَشْوِيه النَّار فتقلص شفته الْعليا حَتَّى تبلغ وسط رَأسه وَتَسْتَرْخِي شفته السُّفْلى حَتَّى تضرب سرته
رَوَاهُ أَحْمد وَالتِّرْمِذِيّ وَقَالَ حَدِيث حسن صَحِيح غَرِيب وَالْحَاكِم وَقَالَ صَحِيح الْإِسْنَاد
قَالَ الْحَافِظ عبد الْعَظِيم وَقد ورد أَن من هَذِه الْأمة من يعظم فِي النَّار كَمَا يعظم فِيهَا الْكفَّار فروى ابْن مَاجَه وَالْحَاكِم وَغَيرهمَا من حَدِيث عبد الله بن قيس قَالَ كنت عِنْد أبي بردة ذَات لَيْلَة فَدخل علينا الْحَارِث بن أقيش رَضِي الله عَنهُ فحدثنا الْحَارِث ليلتئذ أَن رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم قَالَ إِن من أمتِي من يدْخل الْجنَّة بِشَفَاعَتِهِ أَكثر من مُضر وَإِن من أمتِي من يعظم للنار حَتَّى يكون أحد زواياها
اللَّفْظ لِابْنِ مَاجَه وَإِسْنَاده جيد وَقَالَ الْحَاكِم صَحِيح على شَرط مُسلم وَتقدم لَفظه فِيمَن مَاتَ لَهُ ثَلَاثَة من الْأَوْلَاد وَرَوَاهُ أَحْمد بِإِسْنَاد جيد أَيْضا إِلَّا أَنه قَالَ عَن عبد الله بن قيس قَالَ سَمِعت الْحَارِث بن أقيش يحدث أَن أَبَا بَرزَة قَالَ سَمِعت رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم يَقُول
فَذكره كَذَا فِي أُصَلِّي وَأرَاهُ تصحيفا وَصَوَابه سَمِعت الْحَارِث بن أقيش يحدث أَبَا بردة كَمَا فِي ابْن مَاجَه وَالله أعلم
رَوَاهُ أَحْمد وَالتِّرْمِذِيّ وَقَالَ حَدِيث حسن صَحِيح غَرِيب وَالْحَاكِم وَقَالَ صَحِيح الْإِسْنَاد
قَالَ الْحَافِظ عبد الْعَظِيم وَقد ورد أَن من هَذِه الْأمة من يعظم فِي النَّار كَمَا يعظم فِيهَا الْكفَّار فروى ابْن مَاجَه وَالْحَاكِم وَغَيرهمَا من حَدِيث عبد الله بن قيس قَالَ كنت عِنْد أبي بردة ذَات لَيْلَة فَدخل علينا الْحَارِث بن أقيش رَضِي الله عَنهُ فحدثنا الْحَارِث ليلتئذ أَن رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم قَالَ إِن من أمتِي من يدْخل الْجنَّة بِشَفَاعَتِهِ أَكثر من مُضر وَإِن من أمتِي من يعظم للنار حَتَّى يكون أحد زواياها
اللَّفْظ لِابْنِ مَاجَه وَإِسْنَاده جيد وَقَالَ الْحَاكِم صَحِيح على شَرط مُسلم وَتقدم لَفظه فِيمَن مَاتَ لَهُ ثَلَاثَة من الْأَوْلَاد وَرَوَاهُ أَحْمد بِإِسْنَاد جيد أَيْضا إِلَّا أَنه قَالَ عَن عبد الله بن قيس قَالَ سَمِعت الْحَارِث بن أقيش يحدث أَن أَبَا بَرزَة قَالَ سَمِعت رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم يَقُول
فَذكره كَذَا فِي أُصَلِّي وَأرَاهُ تصحيفا وَصَوَابه سَمِعت الْحَارِث بن أقيش يحدث أَبَا بردة كَمَا فِي ابْن مَاجَه وَالله أعلم
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৬৩৬
অধ্যায়ঃ জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: জাহান্নামীদের দেহাকৃতি বড় হওয়া ও তাদের কুৎসিত হওয়ার বর্ণনা
৫৬৩৬. হযরত আবূ গাসসান দাব্বী (র) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আবু হুরায়রা (রা) যাহরুল হায়রা নামক স্থানে বললেন, তুমি আব্দুল্লাহ ইবন জিরাশকে চেন? আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)কে বলতে শুনেছি, জাহান্নামে তার উরু হবে উহুদের মত এবং তার পেষন দাঁত হবে বায়দার মত। আমি জিজ্ঞেস করলাম ইয়া রাসূলাল্লাহ! এটা কেন? তিনি বললেন, সেছিল তার পিতামাতার অবাধ্যকারী।
(তাবারানী (র) এমন একটি সনদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন, যার সনদ আমার কাছে পৌছেনি।)
(তাবারানী (র) এমন একটি সনদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন, যার সনদ আমার কাছে পৌছেনি।)
كتاب صفة الجنة والنار
فصل فِي عظم أهل النَّار وقبحهم فِيهَا
5636- وَعَن أبي غَسَّان الضَّبِّيّ قَالَ قَالَ أَبُو هُرَيْرَة رَضِي الله عَنهُ بِظهْر الْحيرَة تعرف عبد الله بن جراش وَإِنِّي سَمِعت رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم يَقُول فَخذه فِي جَهَنَّم مثل أحد وضرسه مثل الْبَيْضَاء
قلت لم ذَاك يَا رَسُول الله قَالَ كَانَ عاقا بِوَالِديهِ
رَوَاهُ الطَّبَرَانِيّ بِإِسْنَاد لَا يحضرني
قلت لم ذَاك يَا رَسُول الله قَالَ كَانَ عاقا بِوَالِديهِ
رَوَاهُ الطَّبَرَانِيّ بِإِسْنَاد لَا يحضرني
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৬৩৭
অধ্যায়ঃ জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদঃ আযাবের ক্ষেত্রে জাহান্নামীদের ব্যবধান ও তাদের মধ্যে সবচেয়ে কম আযাবপ্রাপ্ত ব্যক্তির বর্ণনা
৫৬৩৭. হযরত নু'মান ইবন বাশীর (রা) এর সূত্রে নবী (ﷺ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, জাহান্নামীদের মধ্যে সবচেয়ে কম আযাবপ্রাপ্ত লোক হবে এমন ব্যক্তি, যার পদযুগলের তলায় থাকবে দু'টো জ্বলন্ত অঙ্গার সে অঙ্গার দু'টির কারণে তার মগজ এভাবে টগবগ করে ফুটবে, যেমন আমার পাতিলে পানি ফুটে।
(বুখারী ও মুসলিম হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। মুসলিম বর্ণিত রিওয়ায়েতের ভাষা এরূপঃ "জাহান্নামীদের মধ্যে সবচেয়ে কম আযাবপ্রাপ্ত ব্যক্তি হবে সেই লোক, যার আগুনের দু'টি পাদুকা ও দু'টি ফিতা থাকবে। এ দুটির কারণে তার মগজ এভাবে টগবগ করে ফুটবে, যেমন পাতিল (ইত্যাদিতে পানি) ফুটে। কেউ তার চেয়ে ভীষণ যাবপ্রাপ্ত বলে মনে হবে না। অথচ সে ব্যক্তিই হবে সবচেয়ে কম আযাবপ্রাপ্ত।")
(বুখারী ও মুসলিম হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। মুসলিম বর্ণিত রিওয়ায়েতের ভাষা এরূপঃ "জাহান্নামীদের মধ্যে সবচেয়ে কম আযাবপ্রাপ্ত ব্যক্তি হবে সেই লোক, যার আগুনের দু'টি পাদুকা ও দু'টি ফিতা থাকবে। এ দুটির কারণে তার মগজ এভাবে টগবগ করে ফুটবে, যেমন পাতিল (ইত্যাদিতে পানি) ফুটে। কেউ তার চেয়ে ভীষণ যাবপ্রাপ্ত বলে মনে হবে না। অথচ সে ব্যক্তিই হবে সবচেয়ে কম আযাবপ্রাপ্ত।")
كتاب صفة الجنة والنار
فصل فِي تفاوتهم فِي الْعَذَاب وَذكر أهونهم عذَابا
5637- عَن النُّعْمَان بن بشير رَضِي الله عَنْهُمَا عَن النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم قَالَ إِن أَهْون أهل النَّار عذَابا رجل فِي أَخْمص قَدَمَيْهِ جمرتان يغلي مِنْهُمَا دماغه كَمَا يغلي الْمرجل بالقمقم
رَوَاهُ البُخَارِيّ وَمُسلم وَلَفظه إِن أَهْون أهل النَّار عذَابا من لَهُ نَعْلَانِ وشراكان من نَار يغلي مِنْهُمَا دماغه كَمَا يغلي الْمرجل مَا يرى أَن أحدا أَشد مِنْهُ عذَابا وَإنَّهُ لأهونهم عذَابا
رَوَاهُ البُخَارِيّ وَمُسلم وَلَفظه إِن أَهْون أهل النَّار عذَابا من لَهُ نَعْلَانِ وشراكان من نَار يغلي مِنْهُمَا دماغه كَمَا يغلي الْمرجل مَا يرى أَن أحدا أَشد مِنْهُ عذَابا وَإنَّهُ لأهونهم عذَابا
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৬৩৮
অধ্যায়ঃ জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদঃ আযাবের ক্ষেত্রে জাহান্নামীদের ব্যবধান ও তাদের মধ্যে সবচেয়ে কম আযাবপ্রাপ্ত ব্যক্তির বর্ণনা
৫৬৩৮. হযরত আবু সাঈদ খুদরী (রা) সূত্রে নবী (ﷺ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নিশ্চয় জাহান্নামীদের মধ্যে
সবচেয়ে কম আযাবপ্রাপ্ত হবে সেই ব্যক্তি, যে আগুনের দু'টি পাদুকা পরিহিত হবে। সে পাদুকা দু'টির কারণে তার মগজ টগবগ করে ফুটবে। তার সাথে থাকবে আযাবের অন্যান্য অংশ। তন্মধ্যে কেউ অন্যান্য আংশিক আযাব সহকারে তার উভয় পায়ের গিট পর্যন্ত আগুনে থাকবে, কেউ অন্যান্য আংশিক আযাব সহকারে তার দুই হাঁটু পর্যন্ত আগুনে থাকবে, আর কেউ তাতে সম্পূর্ণ ডুবে যাবে।
(আহমাদ ও বাযযার হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। এ হাদীসের বর্ণনাকারীগণ সহীহ হাদীসের রাবী। হাদীসটি মুসলিম শরীফে সংক্ষিপ্তাকারে বর্ণিত হয়েছে এভাবে: "নিশ্চয়ই জাহান্নামীদের মধ্যে সবচেয়ে কম আযাবপ্রাপ্ত হবে সেই ব্যক্তি, যে আগুনের দু'টি পাদুকা পরিহিত হবে। তার মগজ তার পাদুকা দু'টির তাপে টগবগ করে ফুটতে থাকবে।")
সবচেয়ে কম আযাবপ্রাপ্ত হবে সেই ব্যক্তি, যে আগুনের দু'টি পাদুকা পরিহিত হবে। সে পাদুকা দু'টির কারণে তার মগজ টগবগ করে ফুটবে। তার সাথে থাকবে আযাবের অন্যান্য অংশ। তন্মধ্যে কেউ অন্যান্য আংশিক আযাব সহকারে তার উভয় পায়ের গিট পর্যন্ত আগুনে থাকবে, কেউ অন্যান্য আংশিক আযাব সহকারে তার দুই হাঁটু পর্যন্ত আগুনে থাকবে, আর কেউ তাতে সম্পূর্ণ ডুবে যাবে।
(আহমাদ ও বাযযার হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। এ হাদীসের বর্ণনাকারীগণ সহীহ হাদীসের রাবী। হাদীসটি মুসলিম শরীফে সংক্ষিপ্তাকারে বর্ণিত হয়েছে এভাবে: "নিশ্চয়ই জাহান্নামীদের মধ্যে সবচেয়ে কম আযাবপ্রাপ্ত হবে সেই ব্যক্তি, যে আগুনের দু'টি পাদুকা পরিহিত হবে। তার মগজ তার পাদুকা দু'টির তাপে টগবগ করে ফুটতে থাকবে।")
كتاب صفة الجنة والنار
فصل فِي تفاوتهم فِي الْعَذَاب وَذكر أهونهم عذَابا
5638- وَعَن أبي سعيد الْخُدْرِيّ رَضِي الله عَنهُ عَن النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم قَالَ إِن أَهْون أهل النَّار عذَابا رجل منتعل بنعلين من نَار يغلي مِنْهُمَا دماغه مَعَ أَجزَاء الْعَذَاب وَمِنْهُم من فِي النَّار إِلَى كعبيه مَعَ أَجزَاء الْعَذَاب وَمِنْهُم من فِي النَّار إِلَى رُكْبَتَيْهِ مَعَ أَجزَاء الْعَذَاب وَمِنْهُم من قد اغتمر
رَوَاهُ أَحْمد وَالْبَزَّار وَرُوَاته رُوَاة الصَّحِيح وَهُوَ فِي مُسلم مُخْتَصرا إِن أدنى أهل النَّار عذَابا منتعل بنعلين من نَار يغلي دماغه من حر نَعْلَيْه
رَوَاهُ أَحْمد وَالْبَزَّار وَرُوَاته رُوَاة الصَّحِيح وَهُوَ فِي مُسلم مُخْتَصرا إِن أدنى أهل النَّار عذَابا منتعل بنعلين من نَار يغلي دماغه من حر نَعْلَيْه
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৬৩৯
অধ্যায়ঃ জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদঃ আযাবের ক্ষেত্রে জাহান্নামীদের ব্যবধান ও তাদের মধ্যে সবচেয়ে কম আযাবপ্রাপ্ত ব্যক্তির বর্ণনা
৫৬৩৯. হযরত আবু হুরায়রা (রা) সূত্রে নবী (ﷺ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নিশ্চয় জাহান্নামীদের মধ্যে সবচেয়ে কম আযাবপ্রাপ্ত হবে সেই ব্যক্তি, যার আগুনের দু'টি পাদুকা থাকবে, সে দু'টির কারণে তার মগজ টগবগ করে ফুটবে।
(তাবারানী (র) সহীহ্ সনদে এবং ইব্ন হিব্বান তাঁর 'সহীহ' কিতাবে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
(তাবারানী (র) সহীহ্ সনদে এবং ইব্ন হিব্বান তাঁর 'সহীহ' কিতাবে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
كتاب صفة الجنة والنار
فصل فِي تفاوتهم فِي الْعَذَاب وَذكر أهونهم عذَابا
5639- وَعَن أبي هُرَيْرَة رَضِي الله عَنهُ عَن النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم قَالَ إِن أدنى أهل النَّار عذَابا الَّذِي لَهُ نَعْلَانِ من نَار يغلي مِنْهُمَا دماغه
رَوَاهُ الطَّبَرَانِيّ بِإِسْنَاد صَحِيح وَابْن حبَان فِي صَحِيحه
رَوَاهُ الطَّبَرَانِيّ بِإِسْنَاد صَحِيح وَابْن حبَان فِي صَحِيحه
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৬৪০
অধ্যায়ঃ জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদঃ আযাবের ক্ষেত্রে জাহান্নামীদের ব্যবধান ও তাদের মধ্যে সবচেয়ে কম আযাবপ্রাপ্ত ব্যক্তির বর্ণনা
৫৬৪০. হযরত ইব্ন আব্বাস (রা) সূত্রে নবী (ﷺ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নিশ্চয় জাহান্নামীদের মধ্যে সবচেয়ে কম আযাবপ্রাপ্ত হবেন আবু তালিব। তিনি (আগুনের) দু'টি পাদুকা পরিহিত থাকলে। সে দু'টির
কারণে তাঁর মগজ ফুটতে থাকবে।
(মুসলিম (র) হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
কারণে তাঁর মগজ ফুটতে থাকবে।
(মুসলিম (র) হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
كتاب صفة الجنة والنار
فصل فِي تفاوتهم فِي الْعَذَاب وَذكر أهونهم عذَابا
5640- وَعَن ابْن عَبَّاس رَضِي الله عَنْهُمَا عَن النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم قَالَ إِن أَهْون أهل النَّار عذَابا أَبُو طَالب وَهُوَ منتعل بنعلين يغلي مِنْهُمَا دماغه
رَوَاهُ مُسلم
رَوَاهُ مُسلم
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৬৪১
অধ্যায়ঃ জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদঃ আযাবের ক্ষেত্রে জাহান্নামীদের ব্যবধান ও তাদের মধ্যে সবচেয়ে কম আযাবপ্রাপ্ত ব্যক্তির বর্ণনা
৫৬৪১. হযরত উবায়দ ইবন উমায়র (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, নিশ্চয় জাহান্নামীদের মধ্যে সবচেয়ে কম আযাবপ্রাপ্ত হবে সেই ব্যক্তি, যার থাকবে (আগুনের) দু'টি পাদুকা। সে দু'টির কারণে তার মগজ এভাবে ফুটবে, যেন একটি পাতিল, তার কানগুলো হবে জ্বলন্ত অঙ্গার, তার ঘোষণা দাঁতগুলো হবে জ্বলন্ত অঙ্গার এবং তার ঠোঁটগুলো হবে আগুনের শিখা। তার দু'পার্শ্বের ভেতরস্থ সব কিছু তার দু'পায়ের তলা দিয়ে বের হয়ে পড়ে যাবে। সমস্ত জাহান্নামী হবে বিশাল জলরাশির মধ্যে পতিত অল্প ক'টা শস্যদানার মত। আর তা টগবগ করে ফুটতে থাকবে।
(বাযযার সহীহ্ সনদে মুরসাল সূত্রে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
(বাযযার সহীহ্ সনদে মুরসাল সূত্রে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
كتاب صفة الجنة والنار
فصل فِي تفاوتهم فِي الْعَذَاب وَذكر أهونهم عذَابا
5641- وَعَن عبيد بن عُمَيْر رَضِي الله عَنْهُمَا قَالَ قَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم إِن أدنى أهل النَّار عذَابا لرجل عَلَيْهِ نَعْلَانِ يغلي مِنْهُمَا دماغه كَأَنَّهُ مرجل مسامعه جمر وأضراسه جمر وأشفاره لَهب النَّار وَتخرج أحشاء جَنْبَيْهِ من قَدَمَيْهِ وسائرهم كالحب الْقَلِيل فِي المَاء الْكثير فَهُوَ يفور
رَوَاهُ الْبَزَّار مُرْسلا بِإِسْنَاد صَحِيح
رَوَاهُ الْبَزَّار مُرْسلا بِإِسْنَاد صَحِيح
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৬৪২
অধ্যায়ঃ জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদঃ আযাবের ক্ষেত্রে জাহান্নামীদের ব্যবধান ও তাদের মধ্যে সবচেয়ে কম আযাবপ্রাপ্ত ব্যক্তির বর্ণনা
৫৬৪২. হযরত সামুরা ইবন জুনদুব (রা) সূত্রে নবী (ﷺ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, তাদের (জাহান্নামীদের) মধ্যে কেউ আগুন তার দু'পায়ের গিট পর্যন্ত ধরবে, কাউকে আগুন তার দু'হাঁটু পর্যন্ত ধরবে, কাউকে আগুন তার কোমার পর্যন্ত ধরবে, কাউকে আগুন তার ঘাড় পর্যন্ত গ্রাস করবে এবং কাউকে আগুন তার ঘাড়ের উপরি ভাগ পর্যন্ত গ্রাস করে ফেলবে।
(মুসলিম (র) হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। মুসলিমের অপর এক রিওয়ায়েতে আছে, তাদের কাউকে আগুন তার দু'পায়ের গিঁট পর্যন্ত ধরবে, কাউকে তার কোমার পর্যন্ত ধরবে এবং কাউকে তার ঘাড় পর্যন্ত গ্রাস করে নেবে।)
(মুসলিম (র) হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। মুসলিমের অপর এক রিওয়ায়েতে আছে, তাদের কাউকে আগুন তার দু'পায়ের গিঁট পর্যন্ত ধরবে, কাউকে তার কোমার পর্যন্ত ধরবে এবং কাউকে তার ঘাড় পর্যন্ত গ্রাস করে নেবে।)
كتاب صفة الجنة والنار
فصل فِي تفاوتهم فِي الْعَذَاب وَذكر أهونهم عذَابا
5642- وَعَن سَمُرَة بن جُنْدُب رَضِي الله عَنهُ عَن النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم قَالَ مِنْهُم من تَأْخُذهُ النَّار إِلَى كعبيه وَمِنْهُم من تَأْخُذهُ النَّار إِلَى رُكْبَتَيْهِ وَمِنْهُم من تَأْخُذهُ النَّار إِلَى حجزته وَمِنْهُم من تَأْخُذهُ النَّار إِلَى عُنُقه وَمِنْهُم من تَأْخُذهُ النَّار إِلَى ترقوته
رَوَاهُ مُسلم
وَفِي رِوَايَة لَهُ مِنْهُم من تَأْخُذهُ النَّار إِلَى كعبيه وَمِنْهُم من تَأْخُذهُ إِلَى حجزته وَمِنْهُم من تَأْخُذهُ إِلَى عُنُقه
رَوَاهُ مُسلم
وَفِي رِوَايَة لَهُ مِنْهُم من تَأْخُذهُ النَّار إِلَى كعبيه وَمِنْهُم من تَأْخُذهُ إِلَى حجزته وَمِنْهُم من تَأْخُذهُ إِلَى عُنُقه
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৬৪৩
অধ্যায়ঃ জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদঃ আযাবের ক্ষেত্রে জাহান্নামীদের ব্যবধান ও তাদের মধ্যে সবচেয়ে কম আযাবপ্রাপ্ত ব্যক্তির বর্ণনা
৫৬৪৩. হযরত আবু হুরায়রা (রা) সূত্রে নবী (ﷺ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন জাহান্নামীদেরকে জাহান্নামের দিকে হাঁকিয়ে নেওয়া হবে তখন জাহান্নাম তাদেরকে অভ্যর্থনা জানাবে এবং তাদের উপর তাপ ও ফুলিঙ্গ ফেলবে। ফলে কোন হাড়ের উপর কোন মাংস বাকি রাখবে না। সবই পায়ের গোড়ালিতে নামিয়ে দেবে।
(তাবারানী 'আল আওসাতে' ও বায়হাকী মারফু' সূত্রে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। কিন্তু অন্যান্যরা আবু হুরায়র (রা)-এর উপর মাওকূফ রেখে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। এটাই বিশুদ্ধতর।)
(তাবারানী 'আল আওসাতে' ও বায়হাকী মারফু' সূত্রে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। কিন্তু অন্যান্যরা আবু হুরায়র (রা)-এর উপর মাওকূফ রেখে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। এটাই বিশুদ্ধতর।)
كتاب صفة الجنة والنار
فصل فِي تفاوتهم فِي الْعَذَاب وَذكر أهونهم عذَابا
5643- وَعَن أبي هُرَيْرَة رَضِي الله عَنهُ عَن النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم قَالَ إِن جَهَنَّم لما سيق إِلَيْهَا أَهلهَا
تلقتهم فلفحتهم لفحة فَلم تدع لَحْمًا على عظم إِلَّا ألقته على العرقوب
رَوَاهُ الطَّبَرَانِيّ فِي الْأَوْسَط وَالْبَيْهَقِيّ مَرْفُوعا وَرَوَاهُ غَيرهمَا مَوْقُوفا عَلَيْهِ وَهُوَ أصح
تلقتهم فلفحتهم لفحة فَلم تدع لَحْمًا على عظم إِلَّا ألقته على العرقوب
رَوَاهُ الطَّبَرَانِيّ فِي الْأَوْسَط وَالْبَيْهَقِيّ مَرْفُوعا وَرَوَاهُ غَيرهمَا مَوْقُوفا عَلَيْهِ وَهُوَ أصح
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৬৪৪
অধ্যায়ঃ জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদঃ আযাবের ক্ষেত্রে জাহান্নামীদের ব্যবধান ও তাদের মধ্যে সবচেয়ে কম আযাবপ্রাপ্ত ব্যক্তির বর্ণনা
৫৬৪৪. হযরত ইবন আব্বাস (রা) থেকে আল্লাহ তা'আলার বাণী : فَيُؤْخَذُ بِالنَّوَاصِي وَالْأَقْدَامِ “অতঃপর তাদের কপালের চুল ও পা ধরা হবে" (৫৫ঃ ৪১) প্রসঙ্গে বর্ণিত। তিনি বলেন, তার মাথা ও তার দু'পা একত্রে ধরা হবে এবং তাকে এভাবে ভেঙ্গে দেওয়া হবে, যেমন লাকড়ী ভেঙ্গে ফেলা হয়।
(বাইহাকী হাদীসটি মাওকুফ ভাবে বর্ণনা করেছেন।)
(বাইহাকী হাদীসটি মাওকুফ ভাবে বর্ণনা করেছেন।)
كتاب صفة الجنة والنار
فصل فِي تفاوتهم فِي الْعَذَاب وَذكر أهونهم عذَابا
5644- وَرُوِيَ عَن ابْن عَبَّاس رَضِي الله عَنْهُمَا فِي قَوْله تَعَالَى فَيُؤْخَذ بالنواصي والأقدام الرَّحْمَن 14 قَالَ يجمع بَين رَأسه وَرجلَيْهِ ثمَّ يقصف كَمَا يقصف الْحَطب
رَوَاهُ الْبَيْهَقِيّ مَوْقُوفا
رَوَاهُ الْبَيْهَقِيّ مَوْقُوفا
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৬৪৫
অধ্যায়ঃ জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদঃ আযাবের ক্ষেত্রে জাহান্নামীদের ব্যবধান ও তাদের মধ্যে সবচেয়ে কম আযাবপ্রাপ্ত ব্যক্তির বর্ণনা
৫৬৪৫. হযরত উমর ইবন খাত্তাব (রা) থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি এ আয়াতটি তিলাওয়াত করলেন।
كُلَّمَا نَضِجَتْ جُلُودُهُمْ بَدَّلْنَاهُمْ جُلُودًا غَيْرَهَا لِيَذُوقُوا الْعَذَابَ 'যখনই তাদের চর্ম দগ্ধ দিবে, তখনই তার স্থলে নূতন চর্ম সৃষ্টি করবে। যাতে তারা শাস্তি ভোগ করে।” (৪ঃ ৫৬) তিনি বললেন, হে কা'ব! তুমি আমাকে এ আয়াতের তাফসীর বল। যদি তুমি যথার্থ বল, তবে আমি তোমাকে (অর্থাৎ তোমার বক্তব্য) অনুমোদন করব। আর যদি তুমি (যথার্থ) না বল, তবে আমি তোমার মুখের উপর ছুড়ে মারব। তিনি বললেন, নিশ্চয় আদম সন্তানের চামড়া জ্বালানো হবে এবং মুহূর্তে অথবা দিনে ছয় হাজার বার তা নতুন করে দেওয়া হবে। তিনি বললেন, তুমি যথার্থই বলেছ।
(বায়হাকী হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
كُلَّمَا نَضِجَتْ جُلُودُهُمْ بَدَّلْنَاهُمْ جُلُودًا غَيْرَهَا لِيَذُوقُوا الْعَذَابَ 'যখনই তাদের চর্ম দগ্ধ দিবে, তখনই তার স্থলে নূতন চর্ম সৃষ্টি করবে। যাতে তারা শাস্তি ভোগ করে।” (৪ঃ ৫৬) তিনি বললেন, হে কা'ব! তুমি আমাকে এ আয়াতের তাফসীর বল। যদি তুমি যথার্থ বল, তবে আমি তোমাকে (অর্থাৎ তোমার বক্তব্য) অনুমোদন করব। আর যদি তুমি (যথার্থ) না বল, তবে আমি তোমার মুখের উপর ছুড়ে মারব। তিনি বললেন, নিশ্চয় আদম সন্তানের চামড়া জ্বালানো হবে এবং মুহূর্তে অথবা দিনে ছয় হাজার বার তা নতুন করে দেওয়া হবে। তিনি বললেন, তুমি যথার্থই বলেছ।
(বায়হাকী হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
كتاب صفة الجنة والنار
فصل فِي تفاوتهم فِي الْعَذَاب وَذكر أهونهم عذَابا
5645- وَرُوِيَ عَن عمر بن الْخطاب رَضِي الله عَنهُ أَنه قَرَأَ هَذِه الْآيَة كلما نَضِجَتْ جُلُودهمْ بَدَّلْنَاهُمْ جُلُودًا غَيرهَا ليذوقوا الْعَذَاب النِّسَاء 65 قَالَ يَا كَعْب أَخْبرنِي عَن تَفْسِيرهَا فَإِن صدقت صدقتك وَإِن كذبت رددت عَلَيْك فَقَالَ إِن جلد ابْن آدم يحرق ويجدد فِي سَاعَة أَو فِي يَوْم مِقْدَار سِتَّة آلَاف مرّة قَالَ صدقت
رَوَاهُ الْبَيْهَقِيّ
رَوَاهُ الْبَيْهَقِيّ
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৬৪৬
অধ্যায়ঃ জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদঃ আযাবের ক্ষেত্রে জাহান্নামীদের ব্যবধান ও তাদের মধ্যে সবচেয়ে কম আযাবপ্রাপ্ত ব্যক্তির বর্ণনা
৫৬৪৬. হযরত হাসান বাসরী (রঃ) থেকেও বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, 'যখনই তাদের চর্ম দগ্ধ হইবে, তখনই তার স্থলে নূতন চর্ম সৃষ্টি করব যাতে তারা শান্তি ভোগ করে।" (৪: ৫৬) দগ্ধীভূত করবে। তিনি বলেন, আগুন তাদেরকে প্রতিদিন সত্তর হাজার বার দগ্ধীভূত করবে। যতবার আগুন তাদেরকে দগ্ধ করবে, ততবার তাদেরকে বলা হবে, তোমরা আগের মত হয়ে যাও। ফলে তারা আগের মত হয়ে যাবে।
كتاب صفة الجنة والنار
فصل فِي تفاوتهم فِي الْعَذَاب وَذكر أهونهم عذَابا
5646- وَرُوِيَ أَيْضا عَن الْحسن وَهُوَ الْبَصْرِيّ قَالَ كلما نَضِجَتْ جُلُودهمْ بَدَّلْنَاهُمْ جُلُودًا غَيرهَا ليذوقوا الْعَذَاب قَالَ تأكلهم النَّار كل يَوْم سبعين ألف مرّة كلما أكلتهم قيل لَهُم عودوا فيعودون كَمَا كَانُوا
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৬৪৭
অধ্যায়ঃ জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদঃ আযাবের ক্ষেত্রে জাহান্নামীদের ব্যবধান ও তাদের মধ্যে সবচেয়ে কম আযাবপ্রাপ্ত ব্যক্তির বর্ণনা
৫৬৪৭. হযরত আনাস (রা) সূত্রে নবী (ﷺ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, জাহান্নামীদের মাঝ থেকে দুনিয়ার সেরা সুখী স্বাচ্ছন্দ্যশালী লোককে হাযির করা হবে এবং তাকে আগুনে একটি চুবানি দিয়ে তারপর তাকে জিজ্ঞেস করা হবে, হে আদম সন্তান! তুমি কি কখনও কল্যাণ দেখেছ? কখনও কি তোমার কাছে কোন সমৃদ্ধি পৌঁছে ছিল? সে বলবে, না। আল্লাহর কসম, হে আমার প্রতিপালক! এরপর জান্নাতীদের মাঝ থেকে দুনিয়ার সবচেয়ে কষ্টকর ও অসচ্ছল জীবন যাপনকারী লোকটিকে হাযির করা হবে এবং তাকে জান্নাতে একবার অবগাহন করানো হবে। তারপর তাকে জিজ্ঞেস করা হবে। হে আদম সন্তান! তুমি কি কখনও অস্বচ্ছন্দ দেখেছ? তোমার কাছে কি কখনও সংকট পৌছেছিল? সে বলবে জ্বী না। আল্লাহর কসম, হে আমার রব! আমার কাছে কখনও অস্বচ্ছন্দ পৌছে নি এবং আমি কখনও কোন সংকট দেখিনি।
(মুসলিম হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
(মুসলিম হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
كتاب صفة الجنة والنار
فصل فِي تفاوتهم فِي الْعَذَاب وَذكر أهونهم عذَابا
5647- وَعَن أنس رَضِي الله عَنهُ عَن النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم قَالَ يُؤْتى بأنعم أهل الدُّنْيَا من أهل النَّار فيصبغ فِي النَّار صبغة ثمَّ يُقَال لَهُ يَا ابْن آدم هَل رَأَيْت خيرا قطّ هَل مر بك نعيم قطّ فَيَقُول لَا وَالله يَا رب وَيُؤْتى بأشد النَّاس بؤسا فِي الدُّنْيَا من أهل الْجنَّة فيصبغ صبغة فِي الْجنَّة فَيُقَال لَهُ يَا ابْن آدم هَل رَأَيْت بؤسا قطّ هَل مر بك من شدَّة قطّ فَيَقُول لَا وَالله يَا رب مَا مر بِي بؤس قطّ وَلَا رَأَيْت شدَّة قطّ
رَوَاهُ مُسلم
رَوَاهُ مُسلم
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৬৪৮
অধ্যায়ঃ জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদঃ আযাবের ক্ষেত্রে জাহান্নামীদের ব্যবধান ও তাদের মধ্যে সবচেয়ে কম আযাবপ্রাপ্ত ব্যক্তির বর্ণনা
৫৬৪৮. হযরত সুওয়ায়দ ইবন গাফালা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন আল্লাহ্ তা'আলা জাহান্নামীদেরকে বিস্মৃত করে দিতে ইচ্ছা করবেন তখন তাদের এক একজনের জন্য তার দৈহিক মাপ অনুসারে আগুনের একটি সিন্দুক তৈরি করবেন। তার কোন রগ নড়ে উঠলে তাতে আগুনের পেরেক ঠুসে দেওয়া হবে, এরপর তার মধ্যে আগুন জ্বালিয়ে দেওয়া হবে এবং আগুনের তালা লাগিয়ে দেওয়া হবে, তারপর সে সিন্দুক আগুনের একটি সিন্দুকের মধ্যে রাখা হবে, তারপর উভয় সিন্দুকের মাঝে আগুন জ্বালিয়ে দেওয়া হবে। তারপর আগুনের তালা লাগিয়ে দেওয়া হবে। তারপর সিন্দুক আগুনের আরেকটি সিন্দুকের মধ্যে রাখা হবে। তারপর উভয় সিন্দুর মধ্যে আগুন জ্বালিয়ে দেওয়া হবে। তারপর তালা লাগিয়ে দেওয়া হবে। তারপর সে সিন্দুক জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে অথবা বলেছেন ফেলে দেওয়া হবে। এটাই আল্লাহ্ তা'আলা বলেছেন,لَهُمْ مِنْ فَوْقِهِمْ ظُلَلٌ مِنَ النَّارِ وَمِنْ تَحْتِهِمْ ظُلَلٌ ذَلِكَ يُخَوِّفُ اللَّهُ بِهِ عِبَادَهُ يَاعِبَادِ فَاتَّقُونِ
তাদের উপরেও আগুনের বেষ্টনকারী স্ফুলিঙ্গ থাকবে এবং তাদের নিচেও আগুনের বেষ্টনকারী স্ফুলিঙ্গ থাকবে। এ থেকেই আল্লাহ্ তা'আলা তাঁর বান্দীদেরকে ভয় দেখান। হে আমার বান্দারা! আমাকে ভয় কর" (৩৯ঃ ১৬)। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ তা‘আলা আরও বলেছেন لَهُمْ فِيهَا زَفِيرٌ وَهُمْ فِيهَا لَا يَسْمَعُونَ "তারা সেখানে আর্তনাদ করবে এবং তারা সেখানে কোন কথা শুনবে না" (২১: ১০০) তিনি বলেন, সুতরাং সে দেখবে না যে, সে ব্যতীত জাহান্নামে কেউ রয়েছে।
(বায়হাকী (র) হাসান সনদে মাওকুফ সূত্রে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। এবং তিনি মুনকাতি' সনদেও ইবন মাসউদ (রা)-এর রিওয়ায়েতে এরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন।
[হাফিয (র) বলেনঃ], সুওয়ায়দ ইবন গাফলা সেই বছর জন্যগ্রহণ করেছেন, যে বছর নবী (ﷺ) জন্ম গ্রহন করেছেন। অর্থাৎ হস্তী বর্ষে এবং তিনি যখন মদীনায় এসেছেন তখন সাহাবায়ে কিরাম নবী (ﷺ)কে দাফন করে ফেলেছেন। তাই তিনি তাঁকে স্বচক্ষে দেখেন নি। তিনি হাজ্জাজের আমলে একশ' পঁচিশ অথবা একশ' সাতাশ বছর বয়সে ইনতিকাল করেন।)
তাদের উপরেও আগুনের বেষ্টনকারী স্ফুলিঙ্গ থাকবে এবং তাদের নিচেও আগুনের বেষ্টনকারী স্ফুলিঙ্গ থাকবে। এ থেকেই আল্লাহ্ তা'আলা তাঁর বান্দীদেরকে ভয় দেখান। হে আমার বান্দারা! আমাকে ভয় কর" (৩৯ঃ ১৬)। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ তা‘আলা আরও বলেছেন لَهُمْ فِيهَا زَفِيرٌ وَهُمْ فِيهَا لَا يَسْمَعُونَ "তারা সেখানে আর্তনাদ করবে এবং তারা সেখানে কোন কথা শুনবে না" (২১: ১০০) তিনি বলেন, সুতরাং সে দেখবে না যে, সে ব্যতীত জাহান্নামে কেউ রয়েছে।
(বায়হাকী (র) হাসান সনদে মাওকুফ সূত্রে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। এবং তিনি মুনকাতি' সনদেও ইবন মাসউদ (রা)-এর রিওয়ায়েতে এরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন।
[হাফিয (র) বলেনঃ], সুওয়ায়দ ইবন গাফলা সেই বছর জন্যগ্রহণ করেছেন, যে বছর নবী (ﷺ) জন্ম গ্রহন করেছেন। অর্থাৎ হস্তী বর্ষে এবং তিনি যখন মদীনায় এসেছেন তখন সাহাবায়ে কিরাম নবী (ﷺ)কে দাফন করে ফেলেছেন। তাই তিনি তাঁকে স্বচক্ষে দেখেন নি। তিনি হাজ্জাজের আমলে একশ' পঁচিশ অথবা একশ' সাতাশ বছর বয়সে ইনতিকাল করেন।)
كتاب صفة الجنة والنار
فصل فِي تفاوتهم فِي الْعَذَاب وَذكر أهونهم عذَابا
5648- وَعَن سُوَيْد بن غَفلَة رَضِي الله عَنهُ قَالَ إِذا أَرَادَ الله أَن ينسى أهل النَّار جعل للرجل مِنْهُم صندوقا على قدره من نَار لَا ينبض مِنْهُ عرق إِلَّا فِيهِ مِسْمَار من نَار ثمَّ تضرم فِيهِ النَّار ثمَّ يقفل بقفل من نَار ثمَّ يَجْعَل ذَلِك الصندوق فِي صندوق من نَار ثمَّ يضرم بَينهمَا نَار ثمَّ يقفل بقفل من نَار ثمَّ يَجْعَل ذَلِك الصندوق فِي صندوق من نَار ثمَّ يضرم بَينهمَا نَار ثمَّ يقفل ثمَّ يلقى أَو يطْرَح فِي النَّار فَذَلِك قَوْله
من فَوْقهم ظلل من النَّار وَمن تَحْتهم ظلل ذَلِك يخوف الله بِهِ عباده يَا عباد فاتقون
الزمر 61 وَذَلِكَ قَوْله لَهُم فِيهَا زفير وهم فِيهَا لَا يسمعُونَ الْأَنْبِيَاء 001 قَالَ فَمَا يرى أَن فِي النَّار أحدا غَيره
رَوَاهُ الْبَيْهَقِيّ بِإِسْنَاد حسن مَوْقُوفا وَرَوَاهُ أَيْضا بِنَحْوِهِ من حَدِيث ابْن مَسْعُود بِإِسْنَاد مُنْقَطع
قَالَ الْحَافِظ سُوَيْد بن غَفلَة ولد فِي الْعَام الَّذِي ولد فِيهِ النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم وَهُوَ عَام الْفِيل وَقدم الْمَدِينَة حِين دفنُوا النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم وَلم يره وَتُوفِّي فِي زمن الْحجَّاج وَهُوَ ابْن خمس وَعشْرين وَقيل سبع وَعشْرين وَمِائَة
من فَوْقهم ظلل من النَّار وَمن تَحْتهم ظلل ذَلِك يخوف الله بِهِ عباده يَا عباد فاتقون
الزمر 61 وَذَلِكَ قَوْله لَهُم فِيهَا زفير وهم فِيهَا لَا يسمعُونَ الْأَنْبِيَاء 001 قَالَ فَمَا يرى أَن فِي النَّار أحدا غَيره
رَوَاهُ الْبَيْهَقِيّ بِإِسْنَاد حسن مَوْقُوفا وَرَوَاهُ أَيْضا بِنَحْوِهِ من حَدِيث ابْن مَسْعُود بِإِسْنَاد مُنْقَطع
قَالَ الْحَافِظ سُوَيْد بن غَفلَة ولد فِي الْعَام الَّذِي ولد فِيهِ النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم وَهُوَ عَام الْفِيل وَقدم الْمَدِينَة حِين دفنُوا النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم وَلم يره وَتُوفِّي فِي زمن الْحجَّاج وَهُوَ ابْن خمس وَعشْرين وَقيل سبع وَعشْرين وَمِائَة
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৬৪৯
অধ্যায়ঃ জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদঃ জাহান্নামীদের কান্নাকাটি ও আর্তনাদের বর্ণনা
৫৬৪৯. হযরত আব্দুল্লাহ ইবন আমর (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, জাহান্নামীরা 'মালিক'কে আহ্বান করবে। কিন্তু তিনি চল্লিশ বছর পর্যন্ত তাদের আহ্বানে কোন সাড়াই দিলেন না। তারপর তিনি বললেনঃ তোমরা তোমাদের অবস্থায়ই বহাল থাকবে। তারপর তারা তাদের প্রতিপালককে ফরিয়াদ জানিয়ে বলবে, হে আমাদের রব! আমাদেরকে এখান থেকে বের করে দিন। যদি আমরা পুনরায় এসব কাজ করি তবে আমরা হব যালিম। কিন্তু তিনি তাদেরকে দুনিয়ার মত জবাব দেবেন না। এরপর বলবেন, "তোমরা এতে লাঞ্ছিত হয়ে পড়ে থাক, তোমরা আমার সাথে কথা বলো না"। (২৩ঃ ১০৭, ১০৮)। এরপর লোকেরা হতাশ হয়ে যাবে। তখন কেবল তাদের চিৎকার ও আর্তনাদই বিরাজ করবে। তাদের আওয়াজ গাধার আওয়াজের মত হবে। তাদের প্রথমে শুরু হবে মুখের ডাক, তার হবে গলার ডাক।
(তাবারানী মাওকূফ সূত্রে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। এ বাদীকে বর্ণনাকারীগণ সহীহ হাদীসের ক্ষেত্রে গ্রহণযোগ্য বলেছেন। হাকিম হাদীসটি বর্ণনা করে বলেন, হাদীসটি বুখারী ও মুসলিমের শর্ত অনুযায়ী সহীহ।
الشهيق -বুকের আওয়াজ
الزفير -গলার আওয়াজ। ইব্ন ফারিস বলেন, 'শাহীক' হচ্ছে যাফীরের বিপরীত শব্দ। শাহীক মানে শ্বাস নেওয়া এবং যাফীর মানে শ্বাস বের করা।)
(তাবারানী মাওকূফ সূত্রে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। এ বাদীকে বর্ণনাকারীগণ সহীহ হাদীসের ক্ষেত্রে গ্রহণযোগ্য বলেছেন। হাকিম হাদীসটি বর্ণনা করে বলেন, হাদীসটি বুখারী ও মুসলিমের শর্ত অনুযায়ী সহীহ।
الشهيق -বুকের আওয়াজ
الزفير -গলার আওয়াজ। ইব্ন ফারিস বলেন, 'শাহীক' হচ্ছে যাফীরের বিপরীত শব্দ। শাহীক মানে শ্বাস নেওয়া এবং যাফীর মানে শ্বাস বের করা।)
كتاب صفة الجنة والنار
فصل فِي بكائهم وشهيقهم
5649- عَن عبد الله بن عَمْرو رَضِي الله عَنْهُمَا قَالَ إِن أهل النَّار يدعونَ مَالِكًا فَلَا يُجِيبهُمْ أَرْبَعِينَ عَاما ثمَّ يَقُول إِنَّكُم مَاكِثُونَ ثمَّ يدعونَ رَبهم فَيَقُولُونَ رَبنَا أخرجنَا مِنْهَا فَإِن عدنا فَإنَّا ظَالِمُونَ فَلَا يُجِيبهُمْ مثل الدُّنْيَا ثمَّ يَقُول اخسؤوا فِيهَا وَلَا تكَلمُون الْمُؤْمِنُونَ 801 ثمَّ ييأس الْقَوْم فَمَا هُوَ إِلَّا الزَّفِير والشهيق تشبه أَصْوَاتهم أصوات الْحمير أَولهَا شهيق وَآخِرهَا زفير
رَوَاهُ الطَّبَرَانِيّ مَوْقُوفا وَرُوَاته مُحْتَج بهم فِي الصَّحِيح وَالْحَاكِم وَقَالَ صَحِيح على شَرطهمَا
الشهيق فِي الصَّدْر
والزفير فِي الْحلق وَقَالَ ابْن فَارس الشهيق ضد الزَّفِير لِأَن الشهيق رد النَّفس والزفير إِخْرَاج النَّفس
رَوَاهُ الطَّبَرَانِيّ مَوْقُوفا وَرُوَاته مُحْتَج بهم فِي الصَّحِيح وَالْحَاكِم وَقَالَ صَحِيح على شَرطهمَا
الشهيق فِي الصَّدْر
والزفير فِي الْحلق وَقَالَ ابْن فَارس الشهيق ضد الزَّفِير لِأَن الشهيق رد النَّفس والزفير إِخْرَاج النَّفس
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৬৫০
অধ্যায়ঃ জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদঃ জাহান্নামীদের কান্নাকাটি ও আর্তনাদের বর্ণনা
৫৬৫০. বায়হাকী মু'আবিয়া ইবন সালিহ-এর রিওয়ায়েতে আলী ইবন আবি তালহার সূত্রে ইব্ন আব্বাস (রা) থেকে আল্লাহ্ তা'আলার বাণী: لَهُمْ فِيهَا زَفِيرٌ وَشَهِيقٌ প্রসঙ্গ বর্ণনা করেছেন যে, 'যাফীর' মানে সশব্দ আর্তনাদ এবং 'শাহীক' মানে ক্ষীণ শব্দ বা কাতরানী।
[হাফিয (র) বলেনঃ], আবু দারদা (রা)-এর হাদীসটি পূর্বে উল্লিখিত হয়েছে। তাতে আছেঃ তারপর তারা বলবে, 'মালিককে' আহবান কর। তারা হে মালিক, তোমার রব আমাদের ফয়সালা করে দিন।
জবাবে তিনি বলবেন, তোমরা তোমাদের অবস্থায় বহাল থাকবে।
আ'মাশ বলেন, আমাকে জানানো হয়েছে যে, তাদের মালিককে আহ্বান করা এবং মালিকের তাদেরকে জবাব দেওয়ার মধ্যে এক হাজার বছরের ব্যবধান থাকবে। তিনি বলেন, তারা বলাবলি করবে। তোমাদের রবকে আহ্বান কর। কেননা, তোমাদের রবের উত্তম হইতে কেউ নেই। তারপর তারা বলবে, হে আমাদের রব! দুর্ভাগ্য আমাদের উপর ছেয়ে গিয়েছিল এবং আমরা ছিলাম ভ্রষ্ট সম্প্রদায়। হে আমাদের রব! আমাদেরকে এখান থেকে মুক্তি দিন। এরপর যদি আমরা পুনরায় করি, তবে নিশ্চয় আমরা অপরাধী হব" (২৩ঃ ১০৬, ১০৭)। তিনি বলেন, তখন আল্লাহ্ তা'আলা তাদেরকে জবাব দেবেন, তোমরা এখানে লাঞ্ছিত অবস্থায় পড়ে থাক এবং আমার সাথে কথা বলো না। তিনি বলেন, তখন তারা সব রকম কল্যাণ থেকে হতাশ হয়ে যাবে এবং তখন তারা চিৎকার, আর্তনাদ ও ধ্বংস কামনা করতে শুরু করবে।
(তিরমিযী হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
[হাফিয (র) বলেনঃ], আবু দারদা (রা)-এর হাদীসটি পূর্বে উল্লিখিত হয়েছে। তাতে আছেঃ তারপর তারা বলবে, 'মালিককে' আহবান কর। তারা হে মালিক, তোমার রব আমাদের ফয়সালা করে দিন।
জবাবে তিনি বলবেন, তোমরা তোমাদের অবস্থায় বহাল থাকবে।
আ'মাশ বলেন, আমাকে জানানো হয়েছে যে, তাদের মালিককে আহ্বান করা এবং মালিকের তাদেরকে জবাব দেওয়ার মধ্যে এক হাজার বছরের ব্যবধান থাকবে। তিনি বলেন, তারা বলাবলি করবে। তোমাদের রবকে আহ্বান কর। কেননা, তোমাদের রবের উত্তম হইতে কেউ নেই। তারপর তারা বলবে, হে আমাদের রব! দুর্ভাগ্য আমাদের উপর ছেয়ে গিয়েছিল এবং আমরা ছিলাম ভ্রষ্ট সম্প্রদায়। হে আমাদের রব! আমাদেরকে এখান থেকে মুক্তি দিন। এরপর যদি আমরা পুনরায় করি, তবে নিশ্চয় আমরা অপরাধী হব" (২৩ঃ ১০৬, ১০৭)। তিনি বলেন, তখন আল্লাহ্ তা'আলা তাদেরকে জবাব দেবেন, তোমরা এখানে লাঞ্ছিত অবস্থায় পড়ে থাক এবং আমার সাথে কথা বলো না। তিনি বলেন, তখন তারা সব রকম কল্যাণ থেকে হতাশ হয়ে যাবে এবং তখন তারা চিৎকার, আর্তনাদ ও ধ্বংস কামনা করতে শুরু করবে।
(তিরমিযী হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
كتاب صفة الجنة والنار
فصل فِي بكائهم وشهيقهم
5650- وروى الْبَيْهَقِيّ عَن مُعَاوِيَة بن صَالح عَن عَليّ بن أبي طَلْحَة عَن ابْن عَبَّاس فِي قَوْله لَهُم فِيهَا زفير وشهيق قَالَ صَوت شَدِيد وَصَوت ضَعِيف
قَالَ الْحَافِظ وَتقدم حَدِيث أبي الدَّرْدَاء وَفِيه فَيَقُولُونَ ادعوا مَالِكًا فَيَقُولُونَ يَا مَالك ليَقْضِ علينا رَبك قَالَ إِنَّكُم مَاكِثُونَ الزخرف 77
قَالَ الْأَعْمَش نبئت أَن بَين دُعَائِهِمْ وَبَين إِجَابَة مَالك لَهُم ألف عَام
قَالَ فَيَقُولُونَ ادعوا ربكُم فَلَا أحد خير من ربكُم فَيَقُولُونَ رَبنَا غلبت علينا شِقْوَتنَا وَكُنَّا قوما ضَالِّينَ رَبنَا أخرجنَا مِنْهَا فَإِن عدنا فَإنَّا ظَالِمُونَ الْمُؤْمِنُونَ 601 701 قَالَ فَيُجِيبهُمْ
اخسؤوا فِيهَا وَلَا تكَلمُون المؤ 801
قَالَ فَعِنْدَ ذَلِك يئسوا من كل خير وَعند ذَلِك يَأْخُذُونَ فِي الزَّفِير والشهيق وَالْوَيْل
رَوَاهُ التِّرْمِذِيّ
قَالَ الْحَافِظ وَتقدم حَدِيث أبي الدَّرْدَاء وَفِيه فَيَقُولُونَ ادعوا مَالِكًا فَيَقُولُونَ يَا مَالك ليَقْضِ علينا رَبك قَالَ إِنَّكُم مَاكِثُونَ الزخرف 77
قَالَ الْأَعْمَش نبئت أَن بَين دُعَائِهِمْ وَبَين إِجَابَة مَالك لَهُم ألف عَام
قَالَ فَيَقُولُونَ ادعوا ربكُم فَلَا أحد خير من ربكُم فَيَقُولُونَ رَبنَا غلبت علينا شِقْوَتنَا وَكُنَّا قوما ضَالِّينَ رَبنَا أخرجنَا مِنْهَا فَإِن عدنا فَإنَّا ظَالِمُونَ الْمُؤْمِنُونَ 601 701 قَالَ فَيُجِيبهُمْ
اخسؤوا فِيهَا وَلَا تكَلمُون المؤ 801
قَالَ فَعِنْدَ ذَلِك يئسوا من كل خير وَعند ذَلِك يَأْخُذُونَ فِي الزَّفِير والشهيق وَالْوَيْل
رَوَاهُ التِّرْمِذِيّ
তাহকীক: