আত্-তারগীব ওয়াত্-তারহীব- ইমাম মুনযিরী রহঃ
الترغيب والترهيب للمنذري
২৬. অধ্যায়ঃ জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা - এর পরিচ্ছেদসমূহ
মোট হাদীস ২৪৮ টি
হাদীস নং: ৫৭১১
অধ্যায়ঃ জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদঃ জান্নাতের বৃক্ষরাজি ও ফলমূলের বর্ণনা
৫৭১১. হযরত বারা ইবন আযিব (রা) থেকে আল্লাহ তা'আলার বাণীঃ وَذُلِّلَتْ قُطُوفُهَا تَذْلِيلًا এবং তার ফলমূল সম্পূর্ণরূপে তাদের আয়ত্তাধীন করে দেওয়া হবে।" (৭৬ঃ ১৪) প্রসঙ্গে বর্ণিত। তিনি বলেন, জান্নাতীরা দাঁড়ানো, বসা ও শায়িত অবস্থায় জান্নাতের ফলমূল খাবে।
(বায়হাকী প্রমুখ মাওকুফরূপে হাসান সনদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
(বায়হাকী প্রমুখ মাওকুফরূপে হাসান সনদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
كتاب صفة الجنة والنار
فصل فِي شجر الْجنَّة وثمارها
5711- وَعَن الْبَراء بن عَازِب رَضِي الله عَنهُ فِي قَوْله وذللت قطوفها تذليلا الْإِنْسَان 41 قَالَ إِن أهل الْجنَّة يَأْكُلُون من ثمار الْجنَّة قيَاما وقعودا ومضطجعين
رَوَاهُ الْبَيْهَقِيّ وَغَيره مَوْقُوفا بِإِسْنَاد حسن
رَوَاهُ الْبَيْهَقِيّ وَغَيره مَوْقُوفا بِإِسْنَاد حسن
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৭১২
অধ্যায়ঃ জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদঃ জান্নাতের বৃক্ষরাজি ও ফলমূলের বর্ণনা
৫৭১২. হযরত আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, নিশ্চয় জান্নাতে একটি বৃক্ষ রয়েছে, যার মোটা ডালগুলো সোনার এবং সরু ডালগুলো পান্না ও মুক্তার। বৃক্ষটির উপর বায়ু প্রবাহিত হবে, তখন বৃক্ষটি এত সুমধুর আওয়াজ করবে যে, কখনও তার চেয়ে সুমধুর কোন কিছুর শব্দ শ্রোতাগণ শোনেনি।
(আবু নু'আয়ম সিফাতুল জান্নাত'-এ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
(আবু নু'আয়ম সিফাতুল জান্নাত'-এ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
كتاب صفة الجنة والنار
فصل فِي شجر الْجنَّة وثمارها
5712- وَرُوِيَ عَن أبي هُرَيْرَة رَضِي الله عَنهُ قَالَ قَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم إِن فِي الْجنَّة شَجَرَة جذوعها من ذهب وفروعها من زبرجد ولؤلؤ فتهب لَهَا ريح فتصطفق فَمَا سمع السامعون بِصَوْت شَيْء قطّ ألذ مِنْهُ
رَوَاهُ أَبُو نعيم فِي صفة الْجنَّة
رَوَاهُ أَبُو نعيم فِي صفة الْجنَّة
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৭১৩
অধ্যায়ঃ জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদঃ জান্নাতের বৃক্ষরাজি ও ফলমূলের বর্ণনা
৫৭১৩. হযরত ইবন আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, জান্নাতের খর্জুর বৃক্ষের ডালগুলো সবুজ পান্নার, তার খোরৈর গোড়ার ভাগ লাল সোনার এবং তার খোল হবে জান্নাতীদের পরিধেয়। তা থেকেই তৈরী হবে তাদের ছোট ছোট লেবাস পোষাক। তার পল হবে মটকাও ডোলের মত এবং দুধের চেয়ে অধিক সাদা, মধুর চেয়ে অধিক মিষ্ট ও মাখনের চেয়ে অধিক নরম। তার কোন বীচি থাকবে না।
(ইবন আবিদ-দুনিয়া উৎকৃষ্ট সনদে মাওকুফরূপে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। হাকিম হাদীসটি বর্ণনা করে বলেন, এ হাদীস মুসলিমের শর্ত অনুযায়ী সহীহ।)
(ইবন আবিদ-দুনিয়া উৎকৃষ্ট সনদে মাওকুফরূপে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। হাকিম হাদীসটি বর্ণনা করে বলেন, এ হাদীস মুসলিমের শর্ত অনুযায়ী সহীহ।)
كتاب صفة الجنة والنار
فصل فِي شجر الْجنَّة وثمارها
5713- وَعَن ابْن عَبَّاس رَضِي الله عَنْهُمَا قَالَ نخل الْجنَّة جذوعها من زمرد خضر وكربها ذهب أَحْمَر وسعفها كسْوَة لأهل الْجنَّة مِنْهَا مقطعاتهم وحللهم وَثَمَرهَا أَمْثَال القلال والدلاء أَشد بَيَاضًا من اللَّبن وَأحلى من الْعَسَل وألين من الزّبد لَيْسَ فِيهَا عجم
رَوَاهُ ابْن أبي الدُّنْيَا مَوْقُوفا بِإِسْنَاد جيد وَالْحَاكِم وَقَالَ صَحِيح على شَرط مُسلم
رَوَاهُ ابْن أبي الدُّنْيَا مَوْقُوفا بِإِسْنَاد جيد وَالْحَاكِم وَقَالَ صَحِيح على شَرط مُسلم
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৭১৪
অধ্যায়ঃ জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদঃ জান্নাতের বৃক্ষরাজি ও ফলমূলের বর্ণনা
৫৭১৪. হযরত আবু সাঈদ খুদরী (রা) সূত্রে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) থেকে বর্ণিত। এক ব্যক্তি তাঁকে জিজ্ঞেস করল, ইয়া রাসূলাল্লাহ। তুবা কি? তিনি বললেন, একটি বৃক্ষ, যাঁর একশ' বছরের দূরত্ব পর্যন্ত বিস্তৃত হবে। তার ফলের খোল থেকে জান্নাতীদের পোষাক বের হবে।
(ইবন হিব্বান, তাঁর 'সহীহ' কিতাবে দাররাজের সনদে আবুল হায়সাম থেকে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
(ইবন হিব্বান, তাঁর 'সহীহ' কিতাবে দাররাজের সনদে আবুল হায়সাম থেকে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
كتاب صفة الجنة والنار
فصل فِي شجر الْجنَّة وثمارها
5714- وَعَن أبي سعيد الْخُدْرِيّ رَضِي الله عَنهُ عَن رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم أَنه قَالَ لَهُ رجل يَا رَسُول الله مَا طُوبَى قَالَ شَجَرَة مسيرَة مائَة سنة ثِيَاب أهل الْجنَّة تخرج من أكمامها
رَوَاهُ ابْن حبَان فِي صَحِيحه من طَرِيق دراج عَن أبي الْهَيْثَم
رَوَاهُ ابْن حبَان فِي صَحِيحه من طَرِيق دراج عَن أبي الْهَيْثَم
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৭১৫
অধ্যায়ঃ জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদঃ জান্নাতীদের পানাহারে ইত্যাদির বর্ণনা
৫৭১৫. হযরত জাবির (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, জান্নাতবাসীগণ খাবে এবং পান করবে, তাদের নাকের শ্লেষ্মা এবং মলমূত্র ত্যাগের প্রয়োজন হবে না। তাদের এ খাবার হবে মেশকের ঘ্রাণের মত একটি ঢেকুর। তাদের তাসবীহ ও তাকবীর হবে, তাদের শ্বাস প্রশ্বাসের মত সহজাত ও আল্লাহর প্রদত্ত।
(মুসলিম ও আবূ দাউদ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
(মুসলিম ও আবূ দাউদ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
كتاب صفة الجنة والنار
فصل فِي أكل أهل الْجنَّة وشربهم وَغير ذَلِك
5715- عَن جَابر رَضِي الله عَنهُ قَالَ قَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم يَأْكُل أهل الْجنَّة وَيَشْرَبُونَ وَلَا يَمْتَخِطُونَ وَلَا يَتَغَوَّطُونَ وَلَا يَبُولُونَ طعامهم ذَلِك جشاء كريح الْمسك يُلْهمُون التَّسْبِيح وَالتَّكْبِير كَمَا يُلْهمُون النَّفس
رَوَاهُ مُسلم وَأَبُو دَاوُد
رَوَاهُ مُسلم وَأَبُو دَاوُد
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৭১৬
অধ্যায়ঃ জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদঃ জান্নাতীদের পানাহারে ইত্যাদির বর্ণনা
৫৭১৬. হযরত আবূ উমামা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নিশ্চয় জান্নাতের অধিবাসী এক ব্যক্তি জান্নাতের পানীয় থেকে পান করতে আগ্রহ করবে, তখন পানপাত্র চলে আসবে এবং তার হাতের মধ্যে এসে পড়বে।
তারপর সে পান করবে। এরপর পানপাত্রটি স্বস্থানে ফিরে যাবে।
(ইবন আবিদ-দুনিয়া উৎকৃষ্ট সনদে মাওকুফরূপে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
তারপর সে পান করবে। এরপর পানপাত্রটি স্বস্থানে ফিরে যাবে।
(ইবন আবিদ-দুনিয়া উৎকৃষ্ট সনদে মাওকুফরূপে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
كتاب صفة الجنة والنار
فصل فِي أكل أهل الْجنَّة وشربهم وَغير ذَلِك
5716- وَعَن أبي أُمَامَة رَضِي الله عَنهُ قَالَ إِن الرجل من أهل الْجنَّة ليشتهي الشَّرَاب من شراب الْجنَّة فَيَجِيء الإبريق فَيَقَع فِي يَده فيشرب ثمَّ يعود إِلَى مَكَانَهُ
رَوَاهُ ابْن أبي الدُّنْيَا مَوْقُوفا بِإِسْنَاد جيد
رَوَاهُ ابْن أبي الدُّنْيَا مَوْقُوفا بِإِسْنَاد جيد
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৭১৭
অধ্যায়ঃ জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদঃ জান্নাতীদের পানাহারে ইত্যাদির বর্ণনা
৫৭১৭. হযরত যায়িদ ইবন আরকাম (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একজন আহলে কিতাব নবী (ﷺ)-এর কাছে এসে বলল, হে আবুল কাসিম। আপনার ধারণা কি এই যে, জান্নাতীরা খাবে এবং পান করবে? তিনি বললেন, হ্যাঁ, সেই সত্তার কসম যাঁর হাতে মুহাম্মদের প্রাণ রয়েছে, নিশ্চয় তাদের প্রত্যেককে পানাহার ও সঙ্গমের ক্ষেত্রে একশ' পুরুষের শক্তি প্রদান করা হবে। লোকটি বলল, যে পানাহার করে তার তো মলমূত্র ত্যাগের প্রয়োজন হয়, অথচ জান্নাতে তো কোন কষ্ট থাকবে না। তিনি বললেন, তাদের প্রত্যেকের সে প্রয়োজন পূর্ণ হবে ঘামের মাধ্যমে। তাদের শরীরের চামড়া থেকে মেশকের ছিটার মত ঘাম বের হবে। ফলে তার পেট হাল্কা হয়ে যাবে।
(আহমাদ ও নাসাঈ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। এ হাদীসের বর্ণনাকারীগণ সহীহ হাদীসের ক্ষেত্রে গ্রহণযোগ্য।)
(আহমাদ ও নাসাঈ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। এ হাদীসের বর্ণনাকারীগণ সহীহ হাদীসের ক্ষেত্রে গ্রহণযোগ্য।)
كتاب صفة الجنة والنار
فصل فِي أكل أهل الْجنَّة وشربهم وَغير ذَلِك
5717- وَعَن زيد بن أَرقم رَضِي الله عَنهُ قَالَ جَاءَ رجل من أهل الْكتاب إِلَى النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم فَقَالَ يَا أَبَا الْقَاسِم تزْعم أَن أهل الْجنَّة يَأْكُلُون وَيَشْرَبُونَ قَالَ نعم وَالَّذِي نفس مُحَمَّد بِيَدِهِ إِن أحدهم ليُعْطى قُوَّة مائَة رجل فِي الْأكل وَالشرب وَالْجِمَاع قَالَ فَإِن الَّذِي يَأْكُل وَيشْرب تكون لَهُ الْحَاجة وَلَيْسَ فِي الْجنَّة أَذَى قَالَ تكون حَاجَة أحدهم رشحا يفِيض من جُلُودهمْ كَرَشْحِ الْمسك فيضمر بَطْنه
رَوَاهُ أَحْمد وَالنَّسَائِيّ وَرُوَاته مُحْتَج بهم فِي الصَّحِيح
رَوَاهُ أَحْمد وَالنَّسَائِيّ وَرُوَاته مُحْتَج بهم فِي الصَّحِيح
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৭১৮
অধ্যায়ঃ জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদঃ জান্নাতীদের পানাহারে ইত্যাদির বর্ণনা
৫৭১৮. তাবারানী সহীহ সনদে বর্ণনা করেছেন। তাঁর বর্ণিত রিওয়ায়েতসমূহ থেকে একটি রেওয়ায়েতের পাঠ এরূপ: তিনি বলেন, একদা আমরা নবী (ﷺ)-এর কাছে ছিলাম। হঠাৎ এক ইয়াহূদী আগমন করল, তাকে সা'লাবা ইবন হারিস বলা হয়। সে বলল, আসসালামু আলায়কা হে মুহাম্মদ! তিনি বললেন, ওয়া আলায়কুম। ইয়াহুদীটি তাঁকে জিজ্ঞেল, আপনার ধারণা কি এই যে, জান্নাতে খাবার পানীয় ও স্ত্রীবর্গ রয়েছে? নবী (ﷺ) বললেন, হ্যাঁ। তুমি কি মেশকের বৃক্ষের ব্যাপারে বিশ্বাস রাখ? লোকটি বলল, জ্বী, হ্যাঁ। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কি তোমাদের গ্রন্থে এ ব্যাপারে কোন বর্ণনা পাও? লোকটি বলল, জ্বী হ্যাঁ। তিনি বললেন, নিশ্চয় প্রস্রাব ও বীর্যপাত হবে ঘাম, যা তাদের মাথার চুলের নিচ থেকে প্রবাহিত হয়ে তাদের পায়ের তলার দিকে যাবে। তা হবে মেশক।
كتاب صفة الجنة والنار
فصل فِي أكل أهل الْجنَّة وشربهم وَغير ذَلِك
5718- وَالطَّبَرَانِيّ بِإِسْنَاد صَحِيح وَلَفظه فِي إِحْدَى رواياته قَالَ بَينا نَحن عِنْد النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم إِذْ أقبل رجل من الْيَهُود يُقَال لَهُ ثَعْلَبَة بن الْحَارِث فَقَالَ السَّلَام عَلَيْك يَا مُحَمَّد فَقَالَ وَعَلَيْكُم فَقَالَ لَهُ الْيَهُودِيّ تزْعم أَن فِي الْجنَّة طَعَاما وَشَرَابًا وأزواجا فَقَالَ النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم نعم تؤمن بشجرة الْمسك قَالَ نعم
قَالَ وتجدها فِي كتابكُمْ قَالَ نعم
قَالَ فَإِن الْبَوْل والجنابة عرق يسيل من تَحت ذوائبهم إِلَى أَقْدَامهم مسك
قَالَ وتجدها فِي كتابكُمْ قَالَ نعم
قَالَ فَإِن الْبَوْل والجنابة عرق يسيل من تَحت ذوائبهم إِلَى أَقْدَامهم مسك
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৭১৯
অধ্যায়ঃ জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদঃ জান্নাতীদের পানাহারে ইত্যাদির বর্ণনা
৫৭১৯. হযরত ইবন হিব্বান তাঁর 'সহীহ'-এ কিতাবে এবং হাকিম হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। উভয়ের বর্ণিত রিওয়ায়েতের পাঠ এরূপঃ একজন ইয়াহুদী নবী (ﷺ)-এর কাছে এসে বলল, হে আবুল কাসিম! আপনি কি মনে করেন না যে, জান্নাতবাসীরা জান্নাতে খাবে এবং পান করবে? এবং সে তার সঙ্গীদেরকে বলছে, যদি তিনি একথা আমার কাছে স্বীকার করেন, তবে আমি তাঁর সাথে বিতর্ক করব। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, হ্যাঁ। সেই সত্তার কসম, যাঁর হাতে মুহাম্মদ এর প্রাণ রয়েছে, নিশ্চয় তাদের প্রত্যেককে পানাহার ও ভোগ-সঙ্গমের ক্ষেত্রে একশ' পুরুষের শক্তি প্রদান করা হবে। তখন ইয়াহুদী লোকটি বলল, নিশ্চয় যে পানাহার করে তার মলমূত্র ত্যাগের প্রযোজন হয়। উত্তরে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, তাদের সে প্রয়োজন পূর্ণ হবে ঘামের মাধ্যমে, যা তাদের শরীরের চামড়া থেকে মেশকের মত প্রবাহিত হবে। ফলে দেখা যাবে যে, পেট হালকা হয়ে গেছে।
(নাসাঈ বর্ণিত রিওয়ায়েতের পাঠ এরূপই।)
(নাসাঈ বর্ণিত রিওয়ায়েতের পাঠ এরূপই।)
كتاب صفة الجنة والنار
فصل فِي أكل أهل الْجنَّة وشربهم وَغير ذَلِك
5719- وَرَوَاهُ ابْن حبَان فِي صَحِيحه وَالْحَاكِم وَلَفْظهمَا أَتَى النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم رجل من الْيَهُود فَقَالَ يَا أَبَا الْقَاسِم أَلَسْت تزْعم أَن أهل الْجنَّة يَأْكُلُون فِيهَا وَيَشْرَبُونَ وَيَقُول لأَصْحَابه إِن أقرّ لي بِهَذَا خصمته فَقَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم بلَى وَالَّذِي نفس مُحَمَّد بِيَدِهِ إِن أحدهم ليُعْطى قُوَّة مائَة رجل فِي الْمطعم وَالْمشْرَب والشهوة وَالْجِمَاع فَقَالَ لَهُ الْيَهُودِيّ فَإِن الَّذِي يَأْكُل وَيشْرب تكون لَهُ الْحَاجة فَقَالَ لَهُ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم حَاجتهم عرق يفِيض من جُلُودهمْ مثل الْمسك فَإِذا الْبَطن قد ضمر
وَلَفظ النَّسَائِيّ نَحْو هَذَا
وَلَفظ النَّسَائِيّ نَحْو هَذَا
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৭২০
অধ্যায়ঃ জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদঃ জান্নাতীদের পানাহারে ইত্যাদির বর্ণনা
৫৭২০. হযরত আনাস ইবন মালিক (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি হাদীসটি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, সমস্ত জান্নাতবাসীর মধ্যে সর্বনিম্ন জান্নাতী হবে সেই ব্যক্তি, যার খেদমতের জন্য দশ হাজার সেবক প্রস্তুত থাকবে। প্রত্যেক সেবকের সাথে থাকবে দু'টি থালা। একটি রূপার, অপরটি সোনার। প্রতিটি থালায় এমন খাবার থাকবে, যেরূপ খাবার অপরটিতে থাকবে না। সে সর্বশেষ থালাটি থেকে এভাবে খাবে, যেমন সর্বপ্রথম থালাটি থেকে খাবে। সে সর্বশেষ থালার খাবার থেকে এরূপ স্বাদ ও মজা পাবে, যেমন সর্বপ্রথম থালা থেকে পাবে না। এরপর আবার হবে মেশকের ঘাম ও মেশকের ঢেঁকুর। তাদের মলমূত্র ত্যাগ ও নাকের শ্লেষ্মা বের করার প্রয়োজন হবে না।
(ইবন আবিদ-দুনিয়া ও তাবারানী হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। হাদীসটির উল্লিখিত পাঠ ইবন আবিদ-দুনিয়া বর্ণিত। হাদীসটির বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
(ইবন আবিদ-দুনিয়া ও তাবারানী হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। হাদীসটির উল্লিখিত পাঠ ইবন আবিদ-দুনিয়া বর্ণিত। হাদীসটির বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
كتاب صفة الجنة والنار
فصل فِي أكل أهل الْجنَّة وشربهم وَغير ذَلِك
5720- وَعَن أنس بن مَالك رَضِي الله عَنهُ يرفعهُ قَالَ إِن أَسْفَل أهل الْجنَّة أَجْمَعِينَ من يقوم على رَأسه عشرَة آلَاف خَادِم مَعَ كل خَادِم صحفتان وَاحِدَة من فضَّة وَوَاحِدَة من ذهب فِي كل صَحْفَة لون لَيْسَ فِي الْأُخْرَى مثلهَا يَأْكُل من آخِره كَمَا يَأْكُل من أَوله يجد لآخره من اللَّذَّة والطعم مَا لَا يجد لأوله ثمَّ يكون فَوق ذَلِك رشح مسك وجشاء مسك لَا يَبُولُونَ وَلَا يَتَغَوَّطُونَ وَلَا يَمْتَخِطُونَ
رَوَاهُ ابْن أبي الدُّنْيَا وَاللَّفْظ لَهُ وَالطَّبَرَانِيّ وَرُوَاته ثِقَات
رَوَاهُ ابْن أبي الدُّنْيَا وَاللَّفْظ لَهُ وَالطَّبَرَانِيّ وَرُوَاته ثِقَات
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৭২১
অধ্যায়ঃ জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদঃ জান্নাতীদের পানাহারে ইত্যাদির বর্ণনা
৫৭২১. হযরত আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, নিশ্চয় মর্যাদার দিক থেকে সর্বনিম্ন জান্নাতীর জন্য সাততলা বিশিষ্ট প্রাসাদ রয়েছে, সে যষ্ঠ তলার উপর থাকবে এবং তার উপর থাকবে সপ্তম তালা। তার জন্য রয়েছে তিনশ' খেদমতগার। প্রতিদিন সকালে ও বিকালে তিনশ' করে খাঞ্চা তার সামনে পেশ করা হবে এবং আমার জানা মতে, একমাত্র তিনি বলেছেন, "সোনার তৈরী" প্রতিটি খাঞ্চায় এমন খাবার থাকবে, যা অপরটিতে থাকবে না। সে প্রথম খাঞ্চার খাবার থেকে এভাবে স্বাদ পাবে, যেমন সে সর্বশেষ খাঞ্চা থেকে পাবে। এবং পানীয় থাকবে তিনশ' পাত্র করে। প্রতিটি পাত্রে এমন পানীয় থাকবে, যা অপরটিতে থাকবে না। সে প্রথম পাত্র থেকে এভাবে স্বাদ পাবে, যেমন সর্বশেষ পাত্র থেকে পাবে এবং সে বলবে, হে আমার প্রতিপালক! যদি আপনি আমাকে অনুমতি দেন, তবে আমি জান্নাতবাসীদেরকে খাওয়াব ও পান করাব। অথচ আমার কাছে যা কিছু রয়েছে, তা থেকে কিছু কমবে না।
(আহমদ শাহরের সূত্রে আবূ হুরায়রা (রা) থেকে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
(আহমদ শাহরের সূত্রে আবূ হুরায়রা (রা) থেকে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
كتاب صفة الجنة والنار
فصل فِي أكل أهل الْجنَّة وشربهم وَغير ذَلِك
5721- وَعَن أبي هُرَيْرَة رَضِي الله عَنهُ قَالَ قَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم إِن أدنى أهل الْجنَّة
منزلَة إِن لَهُ لسبع دَرَجَات وَهُوَ على السَّادِسَة وفوقه السَّابِعَة إِن لَهُ لثلاثمائة خَادِم ويغذى عَلَيْهِ كل يَوْم وَيرَاح بثلاثمائة صَحْفَة وَلَا أعلمهُ إِلَّا قَالَ من ذهب فِي كل صَحْفَة لون لَيْسَ فِي الْأُخْرَى وَإنَّهُ ليلذ أَوله كَمَا يلذ آخِره وَمن الْأَشْرِبَة ثَلَاثمِائَة إِنَاء فِي كل إِنَاء لون لَيْسَ فِي الآخر وَإنَّهُ ليلذ أَوله كَمَا يلذ آخِره وَإنَّهُ ليقول يَا رب لَو أَذِنت لي لأطعمت أهل الْجنَّة وسقيتهم لم ينقص مِمَّا عِنْدِي شَيْء
الحَدِيث
رَوَاهُ أَحْمد عَن شهر عَنهُ
منزلَة إِن لَهُ لسبع دَرَجَات وَهُوَ على السَّادِسَة وفوقه السَّابِعَة إِن لَهُ لثلاثمائة خَادِم ويغذى عَلَيْهِ كل يَوْم وَيرَاح بثلاثمائة صَحْفَة وَلَا أعلمهُ إِلَّا قَالَ من ذهب فِي كل صَحْفَة لون لَيْسَ فِي الْأُخْرَى وَإنَّهُ ليلذ أَوله كَمَا يلذ آخِره وَمن الْأَشْرِبَة ثَلَاثمِائَة إِنَاء فِي كل إِنَاء لون لَيْسَ فِي الآخر وَإنَّهُ ليلذ أَوله كَمَا يلذ آخِره وَإنَّهُ ليقول يَا رب لَو أَذِنت لي لأطعمت أهل الْجنَّة وسقيتهم لم ينقص مِمَّا عِنْدِي شَيْء
الحَدِيث
رَوَاهُ أَحْمد عَن شهر عَنهُ
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৭২২
অধ্যায়ঃ জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদঃ জান্নাতীদের পানাহারে ইত্যাদির বর্ণনা
৫৭২২. হযরত আনাস (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, নিশ্চয় জান্নাতের পাখিগুলো খুরাসানী উটের মত। সেগুলো জান্নাতের বৃক্ষসমূহে বিচরণ করে। তখন আবূ বকর (রা) বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ। এগুলোতো অত্যন্ত মনোরম পাখি। তিনি বললেন, সেগুলোর ভক্ষণকারীরা সেগুলোর চেয়ে অধিক মনোরম ও কমনীয় হবে। তিনি একথাটি তিনবার বললেন। (তারপর বললেন) এবং আমি আশা করি, তুমি তাদের একজন হবে, যারা সেগুলো খাবে।
(আহমাদ উৎকৃষ্ট সনদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তিরমিযী এ হাদীসটি বর্ণনা করে বলেন, হাদীসটি হাসান। তার বর্ণিত। রিওয়ায়েতের ভাষা এরূপ: তিনি বলেন, নবী (ﷺ)-কে জিজ্ঞেস করা হল, কাওসার কি? তিনি বললেন, এটা একটি নহর, যা আল্লাহ আমাকে জান্নাতে দান করেছেন। তার পানি দুধের চেয়ে অধিক সাদা, মধুর চেয়ে অধিক মিষ্টি। সেখানে এমন পাখি রয়েছে, যেগুলোর ঘাড় উটের ঘাড়ের মত। ইমরান বললেন, এসব পাখি নিশ্চয়ই খুব মনোহর হবে। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, সেগুলোর ভক্ষণকারীরা সেগুলোর চেয়ে অধিক মনোরম হবে।)
(আহমাদ উৎকৃষ্ট সনদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তিরমিযী এ হাদীসটি বর্ণনা করে বলেন, হাদীসটি হাসান। তার বর্ণিত। রিওয়ায়েতের ভাষা এরূপ: তিনি বলেন, নবী (ﷺ)-কে জিজ্ঞেস করা হল, কাওসার কি? তিনি বললেন, এটা একটি নহর, যা আল্লাহ আমাকে জান্নাতে দান করেছেন। তার পানি দুধের চেয়ে অধিক সাদা, মধুর চেয়ে অধিক মিষ্টি। সেখানে এমন পাখি রয়েছে, যেগুলোর ঘাড় উটের ঘাড়ের মত। ইমরান বললেন, এসব পাখি নিশ্চয়ই খুব মনোহর হবে। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, সেগুলোর ভক্ষণকারীরা সেগুলোর চেয়ে অধিক মনোরম হবে।)
كتاب صفة الجنة والنار
فصل فِي أكل أهل الْجنَّة وشربهم وَغير ذَلِك
5722- وَعَن أنس رَضِي الله عَنهُ قَالَ قَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم إِن طير الْجنَّة كأمثال البخت ترعى فِي شجر الْجنَّة فَقَالَ أَبُو بكر يَا رَسُول الله إِن هَذِه لطير ناعمة فَقَالَ أكلتها أنعم مِنْهَا قَالَهَا ثَلَاثًا وَإِنِّي لأرجو أَن تكون مِمَّن يَأْكُل مِنْهَا
رَوَاهُ أَحْمد بِإِسْنَاد جيد وَالتِّرْمِذِيّ وَقَالَ حَدِيث حسن وَلَفظه قَالَ سُئِلَ النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم مَا الْكَوْثَر قَالَ ذَاك نهر أعطانيه الله يَعْنِي فِي الْجنَّة أَشد بَيَاضًا من اللَّبن وَأحلى من الْعَسَل فِيهِ طير أعناقها كأعناق الجزر قَالَ عمرَان هَذِه لناعمة فَقَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم أكلتها أنعم مِنْهَا
رَوَاهُ أَحْمد بِإِسْنَاد جيد وَالتِّرْمِذِيّ وَقَالَ حَدِيث حسن وَلَفظه قَالَ سُئِلَ النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم مَا الْكَوْثَر قَالَ ذَاك نهر أعطانيه الله يَعْنِي فِي الْجنَّة أَشد بَيَاضًا من اللَّبن وَأحلى من الْعَسَل فِيهِ طير أعناقها كأعناق الجزر قَالَ عمرَان هَذِه لناعمة فَقَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم أكلتها أنعم مِنْهَا
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৭২৩
অধ্যায়ঃ জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদঃ জান্নাতীদের পানাহারে ইত্যাদির বর্ণনা
৫৭২৩. হযরত আব্দুল্লাহ ইবন মাসউদ (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, নিশ্চয় তুমি জান্নাতে পাখির প্রতি তাকাবে এবং তার প্রতি আগ্রহ করবে। ফলে, সে তোমার সামনে ভুণা অবস্থায় আসবে।
(ইবন আবূদ-দুনিয়া, বাযযার ও বায়হাকী হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
(ইবন আবূদ-দুনিয়া, বাযযার ও বায়হাকী হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
كتاب صفة الجنة والنار
فصل فِي أكل أهل الْجنَّة وشربهم وَغير ذَلِك
5723- وَرُوِيَ عَن عبد الله بن مَسْعُود رَضِي الله عَنهُ قَالَ قَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم إِنَّك لتنظر إِلَى الطير فِي الْجنَّة فتشتهيه فَيَجِيء مشويا بَين يَديك
رَوَاهُ ابْن أبي الدُّنْيَا وَالْبَزَّار وَالْبَيْهَقِيّ
رَوَاهُ ابْن أبي الدُّنْيَا وَالْبَزَّار وَالْبَيْهَقِيّ
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৭২৪
অধ্যায়ঃ জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদঃ জান্নাতীদের পানাহারে ইত্যাদির বর্ণনা
৫৭২৪. হযরত আবূ উমামা (রা) থেকে বর্ণিত আছে যে, জান্নাতবাসী কোন লোক জান্নাতের পাখিসমূহ থেকে কোন পাখির প্রতি আগ্রহ করবে। তখন পাখিটি একেবারে ভূনা ও খাবার উপযোগী হয়েই তার হাতে পড়বে।
(ইবন আবুদ-দুনিয়া মাওকুফরূপে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
(ইবন আবুদ-দুনিয়া মাওকুফরূপে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
كتاب صفة الجنة والنار
فصل فِي أكل أهل الْجنَّة وشربهم وَغير ذَلِك
5724- وَعَن أبي أُمَامَة رَضِي الله عَنهُ أَن الرجل من أهل الْجنَّة ليشتهي الطير من طيور الْجنَّة فَيَقَع فِي يَده منفلقا نضجا
رَوَاهُ ابْن أبي الدُّنْيَا مَوْقُوفا
رَوَاهُ ابْن أبي الدُّنْيَا مَوْقُوفا
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৭২৫
অধ্যায়ঃ জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদঃ জান্নাতীদের পানাহারে ইত্যাদির বর্ণনা
৫৭২৫. হযরত মায়মুনা (রা) থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি নবী (ﷺ)-কে বলতে শুনেছেন, নিশ্চয় কোন মানুষ জান্নাতে কোন পাখির প্রতি আগ্রহ করবে। তখন পাখিটি খুরাসানী উটের মত আসবে এবং তার দস্তরখানে এসে পড়বে। কোন ধোঁয়া তাকে পাবে না এবং কোন আগুন তাকে স্পর্শ করবে না। সে তা থেকে খেয়ে
পরিতৃপ্ত হবে। তারপর সে উড়ে যাবে।
(ইবন আবিদ-দুনিয়া হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।
পরিতৃপ্ত হবে। তারপর সে উড়ে যাবে।
(ইবন আবিদ-দুনিয়া হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।
كتاب صفة الجنة والنار
فصل فِي أكل أهل الْجنَّة وشربهم وَغير ذَلِك
5725- وَرُوِيَ عَن مَيْمُونَة رَضِي الله عَنْهَا أَنَّهَا سَمِعت النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم يَقُول إِن الرجل ليشتهي الطير فِي الْجنَّة فَيَجِيء مثل البختي حَتَّى يَقع على خوانه لم يصبهُ دُخان وَلم تمسه نَار
فيأكل مِنْهُ حَتَّى يشْبع ثمَّ يطير
رَوَاهُ ابْن أبي الدُّنْيَا
فيأكل مِنْهُ حَتَّى يشْبع ثمَّ يطير
رَوَاهُ ابْن أبي الدُّنْيَا
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৭২৬
অধ্যায়ঃ জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদঃ জান্নাতীদের পানাহারে ইত্যাদির বর্ণনা
৫৭২৬. হযরত আবু সাঈদ খুদরী (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, নিশ্চয় জান্নাতে একটি পাখি রয়েছে, যার সত্তর হাজার পালক আছে। পাখিটি জান্নাতী কোন একটি লোকের থালায় এসে পড়বে এবং তার প্রতিটি পালক থেকে এমন এক প্রকার খাবার বের হবে, যা বরফের চেয়ে অধিক সাদা, মাখনের চেয়ে অধিক নরম ও মধুর চেয়ে অধিকতর সুস্বাদু। তন্মধ্যে এমন খাবার থাকবে না, যা অন্য খাবারের সাথে সামঞ্জস্য রাখবে। এরপর পাখিটি উড়ে যাবে।
(ইবন আবিদ-দুনিয়া হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তিরমিযী অন্য শব্দমালায় বর্ণিত এ মর্মের হাদীসের সম্পর্কে "হাসান" সাব্যস্ত করেছেন।)
(ইবন আবিদ-দুনিয়া হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তিরমিযী অন্য শব্দমালায় বর্ণিত এ মর্মের হাদীসের সম্পর্কে "হাসান" সাব্যস্ত করেছেন।)
كتاب صفة الجنة والنار
فصل فِي أكل أهل الْجنَّة وشربهم وَغير ذَلِك
5726- وَرُوِيَ عَن أبي سعيد الْخُدْرِيّ رَضِي الله عَنهُ قَالَ قَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم إِن فِي
الْجنَّة طائرا لَهُ سَبْعُونَ ألف ريشة يَجِيء فَيَقَع على صَحْفَة الرجل من أهل الْجنَّة فينتفض فَيَقَع من كل ريشة لون أَبيض من الثَّلج وألين من الزّبد وألذ من الشهد لَيْسَ مِنْهَا لون يشبه صَاحبه ثمَّ يطير
رَوَاهُ ابْن أبي الدُّنْيَا وَقد حسن التِّرْمِذِيّ إِسْنَاده لغير هَذَا الْمَتْن
الْجنَّة طائرا لَهُ سَبْعُونَ ألف ريشة يَجِيء فَيَقَع على صَحْفَة الرجل من أهل الْجنَّة فينتفض فَيَقَع من كل ريشة لون أَبيض من الثَّلج وألين من الزّبد وألذ من الشهد لَيْسَ مِنْهَا لون يشبه صَاحبه ثمَّ يطير
رَوَاهُ ابْن أبي الدُّنْيَا وَقد حسن التِّرْمِذِيّ إِسْنَاده لغير هَذَا الْمَتْن
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৭২৭
অধ্যায়ঃ জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদঃ জান্নাতীদের পানাহারে ইত্যাদির বর্ণনা
৫৭২৭. হযরত সুলায়ম ইবন আমির (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সাহাবীগণ নিশ্চয়
আল্লাহ্ তা'আলা গ্রামীণ লোক ও তাদের জিজ্ঞাসা দ্বারা আমাদেরকে উপকৃত করবেন। তিনি বলেন, একদিন একজন গ্রামীণ লোক এসে বলল, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আল্লাহ্ তা'আলা জান্নাতে একটি কষ্টদায়ক বৃক্ষ থাকার কথা উল্লেখ করেছেন, অথচ জান্নাতে তার অধিবাসীকে কষ্ট দেয়, এমন কোন বৃক্ষ রয়েছে বলে আমি মনে করতাম না। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) জিজ্ঞেস করলেন, সে বৃক্ষটি কি? লোকটি বলল, কুল বৃক্ষ। কেননা, তার কষ্টদায়ক কাঁটা রয়েছে। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, আল্লাহ তা'আলা কি বলেন নি? فِي سِدْرٍ مَخْضُودٍ (তারা আয়েশে থাকবে) কাঁটাবিহীন কুল গাছের মাঝে (৫৬: ২৮)। আল্লাহ্ তা'আলা তার কাঁটা কেটে প্রতিটি কাঁটার স্থলে এক একটি ফল লাগিয়ে দিয়েছেন। বৃক্ষটি এমন ফল উৎপন্ন করবে, যার এক একটি ফল বাহাত্তর প্রকারের স্বাদ দেবে। তন্মধ্যে কোন একটি স্বাদও এমন থাকবে না, যার অপরটির সাথে সামঞ্জস্য থাকে।
(ইবন আবিদ-দুনিয়া হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। এর সনদ হাসান। তিনি সুলায়ম ইবন আমির সূত্রে আবূ উমামা বাহিলীর মধ্যস্থতায় ও নবী (ﷺ) থেকে এরূপই হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
আল্লাহ্ তা'আলা গ্রামীণ লোক ও তাদের জিজ্ঞাসা দ্বারা আমাদেরকে উপকৃত করবেন। তিনি বলেন, একদিন একজন গ্রামীণ লোক এসে বলল, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আল্লাহ্ তা'আলা জান্নাতে একটি কষ্টদায়ক বৃক্ষ থাকার কথা উল্লেখ করেছেন, অথচ জান্নাতে তার অধিবাসীকে কষ্ট দেয়, এমন কোন বৃক্ষ রয়েছে বলে আমি মনে করতাম না। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) জিজ্ঞেস করলেন, সে বৃক্ষটি কি? লোকটি বলল, কুল বৃক্ষ। কেননা, তার কষ্টদায়ক কাঁটা রয়েছে। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, আল্লাহ তা'আলা কি বলেন নি? فِي سِدْرٍ مَخْضُودٍ (তারা আয়েশে থাকবে) কাঁটাবিহীন কুল গাছের মাঝে (৫৬: ২৮)। আল্লাহ্ তা'আলা তার কাঁটা কেটে প্রতিটি কাঁটার স্থলে এক একটি ফল লাগিয়ে দিয়েছেন। বৃক্ষটি এমন ফল উৎপন্ন করবে, যার এক একটি ফল বাহাত্তর প্রকারের স্বাদ দেবে। তন্মধ্যে কোন একটি স্বাদও এমন থাকবে না, যার অপরটির সাথে সামঞ্জস্য থাকে।
(ইবন আবিদ-দুনিয়া হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। এর সনদ হাসান। তিনি সুলায়ম ইবন আমির সূত্রে আবূ উমামা বাহিলীর মধ্যস্থতায় ও নবী (ﷺ) থেকে এরূপই হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
كتاب صفة الجنة والنار
فصل فِي أكل أهل الْجنَّة وشربهم وَغير ذَلِك
5727- وَعَن سليم بن عَامر رَضِي الله عَنهُ قَالَ كَانَ أَصْحَاب رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم يَقُولُونَ إِن الله لينفعنا بالأعراب ومسائلهم قَالَ أقبل أَعْرَابِي يَوْمًا فَقَالَ يَا رَسُول الله ذكر الله عز وَجل فِي الْجنَّة شَجَرَة مؤذية وَمَا كنت أرى أَن فِي الْجنَّة شَجَرَة تؤذي صَاحبهَا قَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم وَمَا هِيَ قَالَ السدر فَإِن لَهُ شوكا مُؤْذِيًا قَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم أَلَيْسَ الله يَقُول فِي سدر مخضود الْوَاقِعَة 82 خضد الله شوكه فَجعل مَكَان كل شَوْكَة ثَمَرَة فَإِنَّهَا لتنبت ثمرا تفتق الثَّمَرَة مِنْهَا عَن اثْنَيْنِ وَسبعين لونا من طَعَام مَا فِيهَا لون يشبه الآخر
رَوَاهُ ابْن أبي الدُّنْيَا وَإِسْنَاده حسن وَرَوَاهُ أَيْضا عَن سليم بن عَامر عَن أبي أُمَامَة الْبَاهِلِيّ عَن النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم مثله
رَوَاهُ ابْن أبي الدُّنْيَا وَإِسْنَاده حسن وَرَوَاهُ أَيْضا عَن سليم بن عَامر عَن أبي أُمَامَة الْبَاهِلِيّ عَن النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم مثله
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৭২৮
অধ্যায়ঃ জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদঃ জান্নাতীদের পানাহারে ইত্যাদির বর্ণনা
৫৭২৮. হযরত ইবন আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, জান্নাতের ডালিমসমূহ থেকে একটি ডালিমের গাছে অনেক মানুষ সমবেত হবে। তারা তা থেকে খাবে। যদি তাদের থেকে কারও মনে কোন কিছু খেতে ইচ্ছা জাগে, তবে তা সে তার হাতের মুঠোই পাবে এবং সে খাবে।
(ইবন আবিদ-দুনিয়া হাদীসটি বর্ণনা করেছেন এবং তিনি নিজ সনদে ইবন আব্বাস (রা) থেকেই বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেন, জান্নাতের খেজুরসমূহ থেকে একটি খেজুরের দৈর্ঘ্য হবে বার হাত। তার কোন বীচি থাকবে না।)
(ইবন আবিদ-দুনিয়া হাদীসটি বর্ণনা করেছেন এবং তিনি নিজ সনদে ইবন আব্বাস (রা) থেকেই বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেন, জান্নাতের খেজুরসমূহ থেকে একটি খেজুরের দৈর্ঘ্য হবে বার হাত। তার কোন বীচি থাকবে না।)
كتاب صفة الجنة والنار
فصل فِي أكل أهل الْجنَّة وشربهم وَغير ذَلِك
5728- وَرُوِيَ عَن ابْن عَبَّاس رَضِي الله عَنْهُمَا قَالَ الرمانة من رمان الْجنَّة يجْتَمع حولهَا بشر كثير يَأْكُلُون مِنْهَا فَإِن جرى على ذكر أحدهم شَيْء يُريدهُ وجده فِي مَوضِع يَده حَيْثُ يَأْكُل
رَوَاهُ ابْن أبي الدُّنْيَا
وَرُوِيَ بِإِسْنَادِهِ أَيْضا عَنهُ قَالَ إِن التمرة من تمر الْجنَّة طولهَا اثْنَا عشر ذِرَاعا لَيْسَ لَهَا عجم
رَوَاهُ ابْن أبي الدُّنْيَا
وَرُوِيَ بِإِسْنَادِهِ أَيْضا عَنهُ قَالَ إِن التمرة من تمر الْجنَّة طولهَا اثْنَا عشر ذِرَاعا لَيْسَ لَهَا عجم
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৭২৯
অধ্যায়ঃ জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদঃ জান্নাতীদের পোষাক পরিচ্ছেদের বর্ণনা
৫৭২৯. হযরত আবূ হুরায়রা (রা) সূত্রে নবী (ﷺ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, যে ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করবে, সে যাবতীয় নিয়ামতপ্রাপ্ত হবে, কোনরূপ অভাব বোধ করবে না। তার পোষাক পুরনো হবে না এবং তার যৌবন ক্ষয়প্রাপ্ত হবে না। জান্নাতে এমন নিয়ামত রয়েছে, যা কোন চোখ দেখেনি, কোন কান শুনেনি এবং কোন মানুষের অন্তরে তার কল্পনাও জাগেনি।
(মুসলিম হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
(মুসলিম হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
كتاب صفة الجنة والنار
فصل فِي ثِيَابهمْ وحللهم
5729- عَن أبي هُرَيْرَة رَضِي الله عَنهُ عَن النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم قَالَ من يدْخل الْجنَّة ينعم وَلَا يبأس لَا تبلى ثِيَابه وَلَا يفنى شبابه فِي الْجنَّة مَا لَا عين رَأَتْ وَلَا أذن سَمِعت وَلَا خطر على قلب بشر
رَوَاهُ مُسلم
رَوَاهُ مُسلم
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৭৩০
অধ্যায়ঃ জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদঃ জান্নাতীদের পোষাক পরিচ্ছেদের বর্ণনা
৫৭৩০. হযরত আব্দুল্লাহ্ ইব্ন আব্বাস (রা) সূত্রে নবী (ﷺ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, প্রথম দল, যারা জান্নাতে প্রবেশ করবে, তাদের চেহারা হবে পূর্ণিমার চাঁদের আলোর মত। দ্বিতীয় দলটির চেহারা হবে আকাশের সবচেয়ে উজ্জ্বল তারকার আলোর মত। তাদের প্রত্যেকের জন্য রয়েছে দু'জন আয়তলোচনা স্ত্রী। প্রতিটি স্ত্রীর গায়ে থাকবে সত্তরটি পোষাক। তাদের মাংস ও পোষাকসমূহের উপর থেকে এভাবে তাদের পায়ের গোছার মগজ দেখা যাবে, যেমন সাদা কাঁচের পাত্রে লাল শরাব দেখা যায়।
(তাবারানী সহীহ সনদে এবং বায়হাকী হাসান সনদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। বুখারী ও মুসলিম সংকলিত, আবূ হুরায়রা (রা)-এর রিওয়ায়েতটি এরূপই পূর্বে উল্লিখিত হয়েছে।)
(তাবারানী সহীহ সনদে এবং বায়হাকী হাসান সনদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। বুখারী ও মুসলিম সংকলিত, আবূ হুরায়রা (রা)-এর রিওয়ায়েতটি এরূপই পূর্বে উল্লিখিত হয়েছে।)
كتاب صفة الجنة والنار
فصل فِي ثِيَابهمْ وحللهم
5730- وَعَن عبد الله يَعْنِي ابْن مَسْعُود رَضِي الله عَنهُ عَن النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم قَالَ أول زمرة يدْخلُونَ الْجنَّة كَأَن وُجُوههم ضوء الْقَمَر لَيْلَة الْبَدْر والزمرة الثَّانِيَة على لون أحسن كَوْكَب دري فِي السَّمَاء لكل وَاحِد مِنْهُم زوجتان من الْحور الْعين على كل زَوْجَة سَبْعُونَ حلَّة
يرى مخ سوقهما من وَرَاء لحومهما وحللهما كَمَا يرى الشَّرَاب الْأَحْمَر فِي الزجاجة الْبَيْضَاء
رَوَاهُ الطَّبَرَانِيّ بِإِسْنَاد صَحِيح وَالْبَيْهَقِيّ بِإِسْنَاد حسن وَتقدم حَدِيث أبي هُرَيْرَة الْمُتَّفق عَلَيْهِ بِنَحْوِهِ
يرى مخ سوقهما من وَرَاء لحومهما وحللهما كَمَا يرى الشَّرَاب الْأَحْمَر فِي الزجاجة الْبَيْضَاء
رَوَاهُ الطَّبَرَانِيّ بِإِسْنَاد صَحِيح وَالْبَيْهَقِيّ بِإِسْنَاد حسن وَتقدم حَدِيث أبي هُرَيْرَة الْمُتَّفق عَلَيْهِ بِنَحْوِهِ
তাহকীক: