আত্-তারগীব ওয়াত্-তারহীব- ইমাম মুনযিরী রহঃ

الترغيب والترهيب للمنذري

২৬. অধ্যায়ঃ জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা - এর পরিচ্ছেদসমূহ

মোট হাদীস ২৪৮ টি

হাদীস নং: ৫৭৩১
অধ্যায়ঃ জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদঃ জান্নাতীদের পোষাক পরিচ্ছেদের বর্ণনা
৫৭৩১. হযরত আবু উমামা (রা) সূত্রে নবী (ﷺ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, তোমাদের যে কেউ জান্নাতে প্রবেশ করবে, তাকে 'তুবা' বৃক্ষের কাছে নিয়ে যাওয়া হবে এবং তার জন্য ফলের খোসাগুলো উন্মুক্ত করা হবে। সে যেটা থেকে ইচ্ছা নেবে। ইচ্ছা হয়, সাদা নেবে, ইচ্ছা হয় লাল নেবে, ইচ্ছা হয় সবুজ নেবে, ইচ্ছা হয় হলুদ নেবে, ইচ্ছা হয় কালো নেবে। লালাফুলের মত এবং তার চেয়ে স্বচ্ছ ও সুন্দর।
(ইবন আবিদ-দুনিয়া হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
كتاب صفة الجنة والنار
فصل فِي ثِيَابهمْ وحللهم
5731- وَرُوِيَ عَن أبي أُمَامَة رَضِي الله عَنهُ عَن رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم قَالَ مَا مِنْكُم من أحد يدْخل الْجنَّة إِلَّا انْطلق بِهِ إِلَى طُوبَى فتفتح لَهُ أكمامها فَيَأْخُذ من أَي ذَلِك شَاءَ إِن شَاءَ أَبيض وَإِن شَاءَ أَحْمَر وَإِن شَاءَ أَخْضَر وَإِن شَاءَ أصفر وَإِن شَاءَ أسود مثل شقائق النُّعْمَان وأرق وَأحسن

رَوَاهُ ابْن أبي الدُّنْيَا
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৫৭৩২
অধ্যায়ঃ জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদঃ জান্নাতীদের পোষাক পরিচ্ছেদের বর্ণনা
৫৭৩২. হযরত আবু সাঈদ খুদরী (রা)-এর সূত্রে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নিশ্চয় কোন পুরুষ জান্নাতে পার্শ্ব পরিবর্তনের পূর্বে সত্তর বছর হেলান দিয়ে থাকবে। এরপর একজন মহিলা তার কাছে আসবে এবং কাঁধে চাপড়াবে। তখন জান্নাতী লোকটি মহিলাটির আয়নার চেয়ে অধিক স্বচ্ছ গণ্ডদেশে তার চেহারা দেখতে পাবে আর গায়ে পরিহিত সাধারণ একটি মুক্তা পৃথিবীর পূর্ব প্রান্ত থেকে পশ্চিম প্রান্ত পর্যন্ত আলোকিত করবে। মহিলাটি জান্নাতী ব্যক্তিকে সালাম দেবে। সে সালামের জবাব দেবে এবং জিজ্ঞেস করবে, তুমি কে? সে বলবে, আমি অতিরিক্ত পুরস্কারের মধ্যকার একটি। তার পরনে থাকবে সত্তরটি পোষাক। তন্মধ্যে সর্ব নিম্নটি তুবা বৃক্ষ থেকে তৈরী, রক্তের মত লাল। তার প্রতি জান্নাতী ব্যক্তির দৃষ্টি নিক্ষিপ্ত হবে। তখন এসবের উপর থেকে তার পায়ের গোচার মগজ দেখা যাবে। তার মাথায় থাকবে শাহী মুকুট, তার একটি মুক্তা পৃথিবীর পূর্বপ্রান্ত থেকে পশ্চিম প্রান্ত পর্যন্ত আলোকিত করবে।
(আহমাদ ইবন লাহীআর সনদে দাররাজের সূত্রে আবুল হায়সাম থেকে এবং ইবন হিব্বান তাঁর 'সহীহ'-এ আমর ইবন হারিসের সনদে দাররাজের সূত্রে আবুল হায়সাম থেকে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।
তিরমিযী রিশদীনের রিওয়ায়েতে আমর ইবন হারিস থেকে কেবল হাদীসের মুকুটের আলোচনাটুকু উল্লেখ করে বলেন, আমাদের জানা মতে, হাদীসটি কেবল রিশদীনের রিওয়ায়েতে বর্ণিত।)
كتاب صفة الجنة والنار
فصل فِي ثِيَابهمْ وحللهم
5732- وَعَن أبي سعيد الْخُدْرِيّ رَضِي الله عَنهُ عَن رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم قَالَ إِن الرجل ليتكىء فِي الْجنَّة سبعين سنة قبل أَن يتَحَوَّل ثمَّ تَأتيه امْرَأَة فَتضْرب مَنْكِبه فَينْظر وَجهه فِي خدها أصفى من الْمرْآة وَإِن أدنى لؤلؤة عَلَيْهَا تضيء مَا بَين الْمشرق وَالْمغْرب فتسلم عَلَيْهِ فَيرد السَّلَام ويسألها من أَنْت فَتَقول أَنا من الْمَزِيد وَإنَّهُ ليَكُون عَلَيْهَا سَبْعُونَ ثوبا أدناها مثل النُّعْمَان من طُوبَى فينفذها بَصَره حَتَّى يرى مخ سَاقهَا من وَرَاء ذَلِك وَإِن عَلَيْهَا من التيجان إِن أدنى لؤلؤة مِنْهَا لتضيء مَا بَين الْمشرق وَالْمغْرب

رَوَاهُ أَحْمد من طَرِيق ابْن لَهِيعَة عَن دراج عَن أبي الْهَيْثَم وَابْن حبَان فِي صَحِيحه من طَرِيق عَمْرو بن الْحَارِث عَن دراج عَن أبي الْهَيْثَم
وروى التِّرْمِذِيّ مِنْهُ ذكر التيجان فَقَط من رِوَايَة رشدين عَن عَمْرو بن الْحَارِث وَقَالَ لَا نعرفه إِلَّا من حَدِيث رشدين
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৫৭৩৩
অধ্যায়ঃ জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদঃ জান্নাতীদের পোষাক পরিচ্ছেদের বর্ণনা
৫৭৩৩. হযরত আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, জান্নাতে মু'মিনের গৃহ হবে একটি মুক্তা, যার মধ্যে থাকবে চল্লিশ হাজার গৃহ। সেখানে একটি বৃক্ষ রয়েছে, যা থেকে পোষাক উৎপন্ন হবে। তখন মু'মিন লোকটি তার দুই আঙ্গুল দ্বারা মুক্তা ও প্রবালে বাঁধা সত্তরটি পোষাক নেবে। দুই আঙ্গুল বলে তিনি শাহাদাত ও কনিষ্ঠ যারা ইশারা করে দেখালেন।
(ইব্‌ন আবিদ-দুনিয়া মাওকুফরূপ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
كتاب صفة الجنة والنار
فصل فِي ثِيَابهمْ وحللهم
5733- وَرُوِيَ عَن أبي هُرَيْرَة رَضِي الله عَنهُ قَالَ دَار الْمُؤمن فِي الْجنَّة لؤلؤة فِيهَا أَرْبَعُونَ ألف دَار فِيهَا شَجَرَة تنْبت الْحلَل فَيَأْخُذ الرجل بِأُصْبُعَيْهِ وَأَشَارَ بالسبابة والإبهام سبعين حلَّة متمنطقة بِاللُّؤْلُؤِ والمرجان

رَوَاهُ ابْن أبي الدُّنْيَا مَوْقُوفا
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৫৭৩৪
অধ্যায়ঃ জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদঃ জান্নাতীদের পোষাক পরিচ্ছেদের বর্ণনা
৫৭৩৪. হযরত শুরায়হ্ ইবন উবায়দ (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, কা'ব (রা) বলেছেন, যদি জান্নাতবাসীদের পোষাকসমূহ থেকে কোন একটি পোষাক আজ দুনিয়াতে পরিধান করা হয়, তবে যে তার প্রতি থাকাবে সেই বেহুঁশ হয়ে যাবে। তাদের দৃষ্টিশক্তি তা ধারণ করতে সক্ষম হবে না।
(ইব্‌ন আবিদ-দুনিয়া হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। আনাস (রা)-এর মারফু হাদীসটি পরে উল্লিখিত হবেঃ "যদি জান্নাতীদের স্ত্রীগণ থেকে কোন রমণী পৃথিবীর প্রতি উঁকি মারে, তবে আকাশ ও পৃথিবীর মধ্যবর্তীস্থল গ্রাণে ভরে দেবে এবং উভয়ের মধ্যবর্তী স্থান আলোকিত করে দেবে। এবং তার ওড়না অর্থাৎ মস্তকাবরণ দুনিয়া ও দুনিয়ার সবকিছু থেকে উত্তম।"
বুখারী ও মুসলিম হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
كتاب صفة الجنة والنار
فصل فِي ثِيَابهمْ وحللهم
5734- وَعَن شُرَيْح بن عبيد رَضِي الله عَنهُ قَالَ قَالَ كَعْب لَو أَن ثوبا من ثِيَاب أهل الْجنَّة لبس الْيَوْم فِي الدُّنْيَا لصعق من ينظر إِلَيْهِ وَمَا حَملته أَبْصَارهم

رَوَاهُ ابْن أبي الدُّنْيَا وَيَأْتِي حَدِيث أنس الْمَرْفُوع وَلَو اطَّلَعت امْرَأَة من نسَاء أهل الْجنَّة إِلَى الأَرْض لملأت مَا
بَينهمَا ريحًا ولأضاءت بَينهمَا وَلنَصِيفهَا يَعْنِي خمارها على رَأسهَا خير من الدُّنْيَا وَمَا فِيهَا
رَوَاهُ البُخَارِيّ وَمُسلم
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৫৭৩৫
অধ্যায়ঃ জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: জান্নাতের বিছানার বর্ণনা
৫৭৩৫. হযরত আবু সাঈদ খুদরী (রা) সূত্রে নবী (ﷺ) থেকে আল্লাহ্ তা'আলার বাণী: وَفُرُشٍ مَرْفُوعَةٍ "এবং উঁচু বিছানার মাঝে" (৫৬ঃ ৩৪) প্রসঙ্গে বর্ণিত। তিনি বলেন, তার উচ্চতা হবে আকাশ ও পৃথিবীর মধ্যবর্তীস্থানের সমান। উভয়ের মধ্যবর্তী স্থানের দূরত্ব হচ্ছে পাঁচশ বছরের পথ।
(ইবন আবিদ-দুনিয়া ও তিরমিযী হাদীসটি বর্ণনা করেছেন তিরমিযী বলেন, হাদীসটি হাসান গরীব। আমাদের জানা মতে, হাদীসটি কেবল রিশদীনের রিওয়ায়েতে অর্থাৎ আমর ইবন হারিসের সূত্রে দাররাজ থেকে বর্ণিত।)
[হাফিয বলেন], ইবন হিব্বান তাঁর সহীহ্-এ বায়হাকী প্রমুখ ইবন ওয়াহাবের রেওয়ায়েতে আমর ইবন হারিস-এর সূত্রে দাররাজ থেকে ও হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
كتاب صفة الجنة والنار
فصل فِي فرش الْجنَّة
5735- عَن أبي سعيد الْخُدْرِيّ رَضِي الله عَنهُ عَن النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم فِي قَوْله تَعَالَى وفرش مَرْفُوعَة الْوَاقِعَة 43 قَالَ ارتفاعها كَمَا بَين السَّمَاء وَالْأَرْض ومسيرة مَا بَينهمَا خَمْسمِائَة عَام

رَوَاهُ ابْن أبي الدُّنْيَا وَالتِّرْمِذِيّ وَقَالَ حَدِيث حسن غَرِيب لَا نعرفه إِلَّا من حَدِيث رشدين يَعْنِي عَن عَمْرو بن الْحَارِث عَن دراج
قَالَ الْحَافِظ قد رَوَاهُ ابْن حبَان فِي صَحِيحه وَالْبَيْهَقِيّ وَغَيرهمَا من حَدِيث ابْن وهب أَيْضا عَن عَمْرو بن الْحَارِث عَن دراج
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৫৭৩৬
অধ্যায়ঃ জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: জান্নাতের বিছানার বর্ণনা
৫৭৩৬. হযরত আবূ উমামা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, فُرُشٍ مَرْفُوعَةٍ উঁচু বিছানাসমূহ" (৫৬ঃ ৩৪)
সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে জিজ্ঞেস করা হল, তখন তিনি বললেন, যদি একটি বিছানা তার উপর থেকে
ফেলে দেওয়া হয়, তবে একশ' বছরে তার নিম্ন স্তরে পৌঁছবে।
(তাবারানী হাদীসটি বর্ণনা করেছেন এবং অন্যরা আবু উমামা (রা)-এর উপর মাওকুফ রেখে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। এটাই সঠিক হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।)
كتاب صفة الجنة والنار
فصل فِي فرش الْجنَّة
5736- وَرُوِيَ عَن أبي أُمَامَة رَضِي الله عَنهُ قَالَ سُئِلَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم عَن الْفرش المرفوعة فَقَالَ لَو طرح فرَاش من أَعْلَاهَا لهوى إِلَى قَرَارهَا مائَة خريف

رَوَاهُ الطَّبَرَانِيّ وَرَوَاهُ غَيره مَوْقُوفا على أبي أُمَامَة وَهُوَ أشبه بِالصَّوَابِ
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৫৭৩৭
অধ্যায়ঃ জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: জান্নাতের বিছানার বর্ণনা
৫৭৩৭. হযরত ইবন মাসউদ (রা) থেকে আল্লাহ্ তা'আলার বাণী: بَطَائِنُهَا مِنْ إِسْتَبْرَقٍ " ভেতরাংশ হবে ইসতাবরাকের" (৫৫ঃ ৫৪) প্রসঙ্গে বর্ণিত। তিনি বলেন, ভেতরাংশ সম্পর্কে তোমরা অবিহিত হয়েছ, সুতরাং তার বহিরাবরণ কেমন হবে?
(বায়হাকী হাসান সনদে মাওকুফরূপে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
كتاب صفة الجنة والنار
فصل فِي فرش الْجنَّة
5737- وَعَن ابْن مَسْعُود رَضِي الله عَنهُ فِي قَوْله عز وَجل بطائنها من إستبرق الرَّحْمَن 45
قَالَ أخبرتم بالبطائن
فَكيف بالظهائر رَوَاهُ الْبَيْهَقِيّ مَوْقُوفا بِإِسْنَاد حسن
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৫৭৩৮
অধ্যায়ঃ জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদঃ জান্নাতবাসীদের স্ত্রীদের বর্ণনা

হাফিয (র) বলেন, সর্বনিম্ন জান্নাতী সম্পর্কে ইবন উমর (রা)-এর হাদীসটি পূর্বে উল্লিখিত হয়েছে। তাতে
তখন সে তাকিয়ে দেখবে যে, আয়তলোচনা হুরদের থেকে একজন গৌরী রমনী তার রাজত্বের সিংহাসনের উপর বসে আছে। তার পরণে থাকবে সত্তরটি পোষাক। তন্মধ্যে একটি পোষাক অপর পোষাকের সমজাতীয় নয়। তার মাংস, রক্ত, হাঁড়, তদুপরি কাপড়ের উপর থেকে তার পায়ের গোছার মগজ দেখা যাবে। সে তার (গৌরী রমণীটির) দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করবে, তুমি কে হে? সে বলবে, আমি সেসব আয়তলোচনা হুরদের একজন যাদেরকে তোমার জন্য সংরক্ষিত রাখা হয়েছে। এরপর সে তার প্রতি চল্লিশ বছর অবধি তাকিয়ে থাকবে। তার থেকে যেন ব্যক্তি তার দৃষ্টি ফেরাবে না। এরপর সে কামরার প্রতি দৃষ্টি তুলে দেখবে যে, সেখানে এর চেয়ে অধিক সুন্দরী আরেকজন রয়েছে। সে (সুন্দরী রমনী) বলবে, তোমার থেকে আমাদের অংশ পাওয়ার সময় তোমার এখনও হলো না বুঝি? সুতরাং সে চল্লিশ বছর যাবৎ তার পানে আবলোকন করতে থাকবে, তার থেকে জান্নাতী ব্যক্তি তার দৃষ্টি ফেরাবে না।
৫৭৩৮. হযরত আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, নিশ্চয় মর্যাদার দিক থেকে সর্বনিম্ন জান্নাতীর জন্য সাততলা বিশিষ্ট প্রাসাদ রয়েছে, সে ষষ্ঠ তলার উপর থাকবে এবং তার উপর থাকবে সপ্তম তলা। তার জন্য রয়েছে তিনশ' খেদমতগার। প্রতিদিন সকালে ও বিকালে তিনশ' খাঞ্চা তার
সামনে পেশ করা হবে এবং আমার জানা মতে, একমাত্র তিনি বলেছেন, 'সোনার তৈরী'। প্রতিটি খাঞ্চায় এমন খাবার থাকবে, যা অপরটিতে থাকবে না। সে প্রথম খাঞ্চার খাবার থেকে এভাবে স্বাদ পাবে, যেমন সে সর্বশেষ খাঞ্চা থেকে পাবে। এবং পানীয় থাকবে তিনশ' পাত্র। প্রতিটি পাত্রে এমন পানীয় থাকবে, যা অপরটিতে থাকবে না। সে প্রথম পাত্র থেকে এভাবে স্বাদ পাবে, যেমন সর্বশেষ পাত্র থেকে পাবে এবং সে বলবে, হে আমার প্রতিপালক। যদি আপনি আমাকে অনুমতি দেন, তবে আমি জান্নাতবাসীদেরকে খাওয়াব ও পান করাব। অথচ আমার কাছে যা কিছু রয়েছে, তা থেকে কিছু কমবে না। তার দুনিয়ার স্ত্রীগণ ব্যতীত তার জন্য রয়েছে বাহাত্তর জন আয়তলোচনা হুর স্ত্রী। তাদের মধ্য থেকে এক একজনের উপবেশন স্থল হবে এক মাইল পরিমাণ জায়গা নিয়ে।
(আহমাদ শাহর সূত্রে আবূ হুরায়রা (রা) থেকে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
كتاب صفة الجنة والنار
فصل فِي وصف نسَاء أهل الْجنَّة
قَالَ الْحَافِظ تقدم حَدِيث ابْن عمر فِي أَسْفَل أهل الْجنَّة وَفِيه فَينْظر فَإِذا حوراء من الْحور الْعين جالسة على سَرِير ملكهَا عَلَيْهَا سَبْعُونَ حلَّة لَيْسَ مِنْهَا حلَّة من لون صاحبتها فَيرى مخ سَاقهَا من وَرَاء اللَّحْم وَالدَّم والعظم وَالْكِسْوَة فَوق ذَلِك فَينْظر إِلَيْهَا فَيَقُول من أَنْت فَتَقول أَنا من الْحور الْعين من اللَّاتِي خبئن لَك فَينْظر إِلَيْهَا أَرْبَعِينَ سنة لَا يصرف بَصَره عَنْهَا ثمَّ يرفع بَصَره إِلَى الغرفة فَإِذا أُخْرَى أجمل مِنْهَا فَتَقول مَا آن لَك أَن يكون لنا مِنْك نصيب فيرتقي إِلَيْهَا أَرْبَعِينَ سنة لَا يصرف بَصَره عَنْهَا الحَدِيث
5738- وَعَن أبي هُرَيْرَة رَضِي الله عَنهُ قَالَ قَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم إِن أدنى أهل الْجنَّة منزلَة إِن لَهُ لسبع دَرَجَات وَهُوَ على السَّادِسَة وفوقه السَّابِعَة وَإِن لَهُ لثلاثمائة خَادِم وَيغدى عَلَيْهِ كل يَوْم وَيرَاح بثلاثمائة صَحْفَة وَلَا أعلمهُ إِلَّا قَالَ من ذهب فِي كل صَحْفَة لون لَيْسَ فِي الْأُخْرَى وَإنَّهُ ليلذ أَوله كم يلذ آخِره وَإنَّهُ ليقول يَا رب لَو أَذِنت لي لأطعمت أهل الْجنَّة وسقيتهم لم ينقص مِمَّا عِنْدِي شَيْء وَإِن لَهُ من الْحور الْعين لاثْنَتَيْنِ وَسبعين زَوْجَة سوى أَزوَاجه من الدُّنْيَا وَإِن الْوَاحِدَة مِنْهُنَّ لتأْخذ مقعدتها قدر ميل من الأَرْض

رَوَاهُ أَحْمد عَن شهر عَنهُ
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৫৭৩৯
অধ্যায়ঃ জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদঃ জান্নাতবাসীদের স্ত্রীদের বর্ণনা
৫৭৩৯. হযরত আব্দুল্লাহ্ ইবন আবু আওফা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, নিশ্চয় জান্নাতী একজন পুরুষকে পাঁচশ' হুর, চারহাজার কুমারী ও আট হাজার অকুমারী স্ত্রী স্বরূপ দেওয়া হবে। তাদের প্রত্যেকেই জান্নাতী লোকটির দুনিয়ার বয়স অনুপাতে তার সাথে গলাগলি করে থাকবে।
(বায়হাকী হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। এ হাদীসের সনদে একজন অজ্ঞাত পরিচয় রাবী রয়েছেন।)
كتاب صفة الجنة والنار
فصل فِي وصف نسَاء أهل الْجنَّة
5739- وَعَن عبد الله بن أبي أوفى رَضِي الله عَنْهُمَا قَالَ قَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم إِن الرجل من أهل الْجنَّة ليزوج خَمْسمِائَة حوراء وَأَرْبَعَة آلَاف بكر وَثَمَانِية آلَاف ثيب يعانق كل وَاحِدَة مِنْهُنَّ مِقْدَار عمره فِي الدُّنْيَا

رَوَاهُ الْبَيْهَقِيّ وَفِي إِسْنَاده راو لم يسم
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৫৭৪০
অধ্যায়ঃ জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদঃ জান্নাতবাসীদের স্ত্রীদের বর্ণনা
৫৭৪০. হযরত আনাস ইবন মালিক (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, আল্লাহর পথের এক সকাল
অথবা বিকাল, দুনিয়া ও দুনিয়ার মধ্যে যা কিছু রয়েছে, সবকিছু থেকে উত্তম এবং তোমাদের প্রত্যেকের ধনুক পরিমাণ অথবা তার ছিলা পরিমাণ জান্নাতের জায়গা দুনিয়া ও দুনিয়ার মধ্যে যা কিছু রয়েছে, সবকিছু থেকে উত্তম। যদি জান্নাতবাসীদের স্ত্রীদের মধ্য থেকে কোন মহিলা পৃথিবীর প্রতি উঁকি মারে, তবে আকাশ ও পৃথিবীর মধ্যবর্তী স্থান ঘ্রাণে ভরে দেবে এবং উভয়ের মধ্যবর্তী স্থান আলোকিত করে দেবে এবং তার মাথার ওড়না দুনিয়া ও দুনিয়ার মধ্যে যা কিছু রয়েছে, সবকিছু থেকে উত্তম।
(বুখারী, মুসলিম ও তাবারানী সংক্ষিপ্তাকারে উৎকৃষ্ট সনদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তবে তাবারানী বলেন, এবং তার মাথার তাজ দুনিয়া ও দুনিয়ার মধ্যে যা কিছু রয়েছে, সবকিছু থেকে উত্তম।)
كتاب صفة الجنة والنار
فصل فِي وصف نسَاء أهل الْجنَّة
5740- وَعَن أنس بن مَالك رَضِي الله عَنهُ أَن رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم قَالَ لغدوة فِي سَبِيل الله أَو رَوْحَة خير من الدُّنْيَا وَمَا فِيهَا وَلَقَاب قَوس أحدكُم أَو مَوضِع قَيده يَعْنِي سَوْطه من الْجنَّة خير من الدُّنْيَا وَمَا فِيهَا وَلَو اطَّلَعت امْرَأَة من نسَاء أهل الْجنَّة إِلَى الأَرْض لملأت مَا بَينهمَا ريحًا ولأضاءت مَا بَينهمَا وَلنَصِيفهَا على رَأسهَا خير من الدُّنْيَا وَمَا فِيهَا

رَوَاهُ البُخَارِيّ وَمُسلم وَالطَّبَرَانِيّ مُخْتَصرا بِإِسْنَاد جيد إِلَّا أَنه قَالَ ولتاجها على رَأسهَا خير من الدُّنْيَا وَمَا فِيهَا
النصيف الْخمار
والقاب هُوَ الْقدر وَقَالَ أَبُو معمر قاب الْقوس من مقبضه إِلَى رَأسه
হাদীস নং: ৫৭৪১
অধ্যায়ঃ জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদঃ জান্নাতবাসীদের স্ত্রীদের বর্ণনা
৫৭৪১. হযরত আবু হুরায়রা (রা) সূত্রে নবী থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নিশ্চয় প্রথম দল পূর্ণিমা রাতের চাঁদের মত চেহারা নিয়ে জান্নাতে প্রবেশ করবে এবং তার পরবর্তী দল আকাশের সবচেয়ে উজ্জ্বল তারকার মত চেহারা নিয়ে প্রবেশ করবে। তাদের প্রত্যেকের জন্য এমন দু'জন স্ত্রী রয়েছে, খাদের পায়ের গোছার মগজ তাদের মাংসের উপর থেকে দেখা যাবে। জান্নাতে কোন অবিবাহিত লোক থাকবে না।
(বুখারী ও মুসলিম হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
كتاب صفة الجنة والنار
فصل فِي وصف نسَاء أهل الْجنَّة
5741- وَعَن أبي هُرَيْرَة رَضِي الله عَنهُ عَن النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم قَالَ إِن أول زمرة يدْخلُونَ الْجنَّة على صُورَة الْقَمَر لَيْلَة الْبَدْر وَالَّتِي تَلِيهَا على أضوإ كَوْكَب دري فِي السَّمَاء وَلكُل امرىء
مِنْهُم زوجتان اثْنَتَانِ يرى مخ سوقهما من وَرَاء اللَّحْم وَمَا فِي الْجنَّة أعزب

رَوَاهُ البُخَارِيّ وَمُسلم
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৫৭৪২
অধ্যায়ঃ জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদঃ জান্নাতবাসীদের স্ত্রীদের বর্ণনা
৫৭৪২. হযরত ইবন মাসউদ (রা) থেকে বর্ণিত। নবী (ﷺ) বলেছেন, নিশ্চয় জান্নাতবাসীদের নারীগণের মধ্য থেকে এক মহিলার পায়ের গোছার শুভ্রতা সত্তরটি পোষাকের উপর থেকে দেখা যাবে। এমনকি তার মগজ পর্যন্ত দেখা যাবে। এটা এই কারণে যে, আল্লাহ্ তা'আলা বলেন, "তারা ইয়াকূত ও মারজানের মত" (৫৫ঃ ৫৮)। কেননা, ইয়াকূত এমন এক প্রকার পাথর, যদি তুমি তাতে সুতা প্রবেশ করাও এবং এরপর পাথরটি তুমি তুলে নাও, তবে তুমি পাথরের উপর থেকে সুতাটি দেখতে পাবে।
(ইব্‌ন আবুদ দুনিয়া (র) ইবন হিব্বান তাঁর 'সহীহ'-এ- এবং তিরমিযী হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। হাদীসটির
উল্লিখিত ভাষা তিরমিযী বর্ণিত। তিনি বলেন, হাদীসটি ইবন মাসউদ (রা) থেকে বর্ণিত হয়েছে, অথচ তিনি মারফু'রূপে বর্ণণা করেন নি। এটাই অধিকতর বিশুদ্ধ।)
كتاب صفة الجنة والنار
فصل فِي وصف نسَاء أهل الْجنَّة
5742- وَعَن ابْن مَسْعُود رَضِي الله عَنهُ أَن النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم قَالَ إِن الْمَرْأَة من نسَاء أهل الْجنَّة ليرى بَيَاض سَاقهَا من وَرَاء سبعين حلَّة حَتَّى يرى مخها وَذَلِكَ بِأَن الله عز وَجل يَقُول كأنهن الْيَاقُوت والمرجان الرَّحْمَن 85 فَأَما الْيَاقُوت فَإِنَّهُ حجر لَو أدخلت فِيهِ سلكا ثمَّ استصفيته لأريته من وَرَائه

رَوَاهُ ابْن أبي الدُّنْيَا وَابْن حبَان فِي صَحِيحه وَالتِّرْمِذِيّ وَاللَّفْظ لَهُ وَقَالَ وَقد رُوِيَ عَن ابْن مَسْعُود وَلم يرفعهُ وَهُوَ أصح
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৫৭৪৩
অধ্যায়ঃ জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদঃ জান্নাতবাসীদের স্ত্রীদের বর্ণনা
৫৭৪৩. হযরত সাঈদ ইবন আমির ইবন খুরায়ম (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি, যদি জান্নাত বাসীদের স্ত্রীদের থেকে কোন মহিলা (পৃথিবীর দিকে) উকি মারে, তবে পৃথিবীকে মেশকের ঘ্রাণে ভরে দেবে এবং সূর্য ও চন্দ্রের আলোকে ম্লান করে দেবে।
(তাবারানী ও বাযযার হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। মুতাবি'আতের ক্ষেত্রে এর সনদ হাসান।)
كتاب صفة الجنة والنار
فصل فِي وصف نسَاء أهل الْجنَّة
5743- وَعَن سعيد بن عَامر بن خريم رَضِي الله عَنهُ قَالَ سَمِعت رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم يَقُول لَو أَن امْرَأَة من نسَاء أهل الْجنَّة أشرفت لملأت الأَرْض ريح مسك ولأذهبت ضوء الشَّمْس وَالْقَمَر
الحَدِيث
رَوَاهُ الطَّبَرَانِيّ وَالْبَزَّار وَإِسْنَاده حسن فِي المتابعات
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৫৭৪৪
অধ্যায়ঃ জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদঃ জান্নাতবাসীদের স্ত্রীদের বর্ণনা
৫৭৪৪. হযরত আনাস ইবন মালিক (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাকে বলেছেন, জিব্‌রীল (আ) আমাকে বলেন, (জান্নাতী) একটি লোক হুরের কাছে গমন করবে। হুর তাকে অলিঙ্গন ও করমর্দনের মাধ্যমে তাকে অভ্যর্থনা জানাবে। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, সে কোন আঙ্গুল দ্বারা তার সাথে করমর্দন করবে। যদি তার আঙ্গুলের কোন অংশ প্রকাশ পায়, তবে তার আলো সূর্য ও চন্দ্রের আলোকে ম্লান করে দেবে। যদি তার একমুষ্ঠি চুল প্রকাশ পায়, তবে উদয়াচল থেকে অস্তাচল পর্যন্ত তার সুগন্ধিতে ভরে দেবে। সে যখন তার সাথে নিজ সিংহাসনে হেলান দিয়ে থাকবে এমন সময় হঠাৎ তার কাছে তার উপর থেকে একটি আলো উদ্ভাসিত হবে। সে ধারণা করবে যে, আল্লাহ তা'আলা তার মাখলুকের কাছে আত্মপ্রকাশ করেছেন। কিন্তু দেখা যাবে যে, একজন হুর তাকে ডেকে বলছে, হে আল্লাহর ওলী। আপনার কাছে কি আমাদের কোন পালা নেই? সে জিজ্ঞেস করবে, হে রমণী! তুমি কে? সে বলবে, আমি তাদের একজন, যাদের সম্পর্কে আল্লাহ্ তা'আলা বলেছেন, وَلَدَيْنَا مَزِيدٌ "আমার কাছে রয়েছে অতিরিক্ত পুরস্কার (৫০ঃ ৩৫)। তখন সে তার কাছে পালা পরিবর্তন করবে। দেখা যাবে যে, তার কাছে এমন রূপ-গুণ রয়েছে, যা প্রথমটির কাছে নেই। সে তার সাথে যখন নিজ সিংহাসনে হেলান দিয়ে থাকবে, দেখা যাবে যে, আরেকজন চুর তাকে ডেকে বলছে, হে আল্লাহর ওলী। আপনার কাছে কি আমাদের কোন পালা নেই? সে জিজ্ঞেস করবে, হে রমণী! তুমি কে? সে বলবে, আমি তাদের একজন যাদের সম্পর্কে আল্লাহ তা'আলা বলেছেন, مَا أُخْفِيَ لَهُمْ مِنْ قُرَّةِ أَعْيُنٍ جَزَاءً بِمَا كَانُوا يَعْمَلُونَ ‘‘মানুষের কৃতকর্মের পুরুস্কার স্বরূপ তাদের চক্ষু জুড়ানোর জন্য যা কিছু গোপন রাখা হয়েছে, তা কোন মানুষ জানে না।" (৩২: ১৭) এভাবে সে এক স্ত্রী থেকে অপর স্ত্রীর কাছে পালা পরিবর্তন করতে থাকবে।
(তাবারানী 'আল-আওসাতে' হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
كتاب صفة الجنة والنار
فصل فِي وصف نسَاء أهل الْجنَّة
5744- وَرُوِيَ عَن أنس بن مَالك رَضِي الله عَنهُ قَالَ حَدثنِي رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم قَالَ حَدثنِي جِبْرِيل عَلَيْهِ السَّلَام قَالَ يدْخل الرجل على الْحَوْرَاء فتستقبله بالمعانقة والمصافحة قَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم فَبِأَي بنان تعاطيه لَو أَن بعض بنانها بدا لغلب ضوؤه ضوء الشَّمْس وَالْقَمَر وَلَو أَن طَاقَة من شعرهَا بَدَت لملأت مَا بَين الْمشرق وَالْمغْرب من طيب رِيحهَا فَبينا هُوَ متكىء مَعهَا على أريكته إِذْ أشرف عَلَيْهِ نور من فَوْقه فيظن أَن الله عز وَجل قد أشرف على خلقه فَإِذا حوراء تناديه يَا ولي الله أما لنا فِيك من دولة فَيَقُول من أَنْت يَا هَذِه فَتَقول أَنا من اللواتي قَالَ الله تبَارك وَتَعَالَى ولدينا مزِيد ق 53 فيتحول عِنْدهَا فَإِذا عِنْدهَا من الْجمال والكمال مَا لَيْسَ مَعَ الأولى فَبينا هُوَ متكىء مَعهَا على أريكته وَإِذا حوراء أُخْرَى تناديه يَا ولي الله أما لنا فِيك من دولة فَيَقُول من أَنْت يَا هَذِه فَتَقول أَنا من اللواتي قَالَ الله عز وَجل فَلَا تعلم نفس مَا أُخْفِي لَهُم من قُرَّة أعين جَزَاء بِمَا كَانُوا يعْملُونَ السَّجْدَة 71 فَلَا يزَال يتَحَوَّل من زَوْجَة إِلَى زَوْجَة

رَوَاهُ الطَّبَرَانِيّ فِي الْأَوْسَط
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৫৭৪৫
অধ্যায়ঃ জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদঃ জান্নাতবাসীদের স্ত্রীদের বর্ণনা
৫৭৪৫. হযরত আবু সাঈদ খুদরী (রা)-এর সূত্রে নবী (ﷺ) থেকে আল্লাহ তা‘আলার বাণীঃ كَأَنَّهُنَّ الْيَاقُوتُ وَالْمَرْجَانُ "তারা ইয়াকূত ও মারজানের মত" (৫৫ঃ ৫৮) প্রসঙ্গে বর্ণিত। তিনি বলেন, সে জান্নাতী হুরের চেয়ে স্বচ্ছ গণ্ডদেশের মধ্যে তার চেহারা দেখবে। তার গায়ের একটি অতি সাধারণ মুক্তা উদয়াচল থেকে আস্তাচলের মধ্যবর্তী সবকিছুকে আলোকিত করে দেবে এবং তার পরণে থাকবে সত্তরটি পোষাক। তার দৃষ্টি সেগুলোকে ভেদ করে যাবে, ফলে এসবের উপর থেকে তার পায়ের গোছার মগজ দেখতে পাবে।
(আহমাদ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। ইবন হিব্বান পূর্বে উল্লিখিত এরূপ একটি হাদীস প্রসঙ্গে তাঁর 'সহীহ'-এ এ হাীসটি সংকলন করেছেন এবং বায়হাকী ইবন হিব্বানের সনদে এ হাদীস বর্ণনা করেছেন। হাদীসটির উল্লিখিত ভাষা বায়হাকী বর্ণিত।)
كتاب صفة الجنة والنار
فصل فِي وصف نسَاء أهل الْجنَّة
5745- وَعَن أبي سعيد الْخُدْرِيّ رَضِي الله عَنهُ عَن النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم فِي قَوْله
كأنهن الْيَاقُوت والمرجان الرَّحْمَن 85 قَالَ ينظر إِلَى وَجهه فِي خدها أصفى من الْمرْآة وَإِن أدنى لؤلؤة عَلَيْهَا لتضيء مَا بَين الْمشرق وَالْمغْرب وَإنَّهُ ليَكُون عَلَيْهَا سَبْعُونَ حلَّة ينفذها بَصَره حَتَّى يرى مخ سَاقهَا من وَرَاء ذَلِك

رَوَاهُ أَحْمد وَابْن حبَان فِي صَحِيحه فِي حَدِيث تقدم بِنَحْوِهِ وَالْبَيْهَقِيّ بِإِسْنَاد ابْن حبَان وَاللَّفْظ لَهُ
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৫৭৪৬
অধ্যায়ঃ জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদঃ জান্নাতবাসীদের স্ত্রীদের বর্ণনা
৫৭৪৬. হযরত মুহাম্মদ ইব্‌ন কা'ব কুরাজীর সূত্রে এক আনসারী লোকের মধ্যস্থতায় আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (ﷺ) আমাদেরকে বললেন, তখন তিনি তাঁর একদল সাহাবীদের মাঝে ছিলেন।..... অতঃপর তিনি শিঙা সম্পর্কিত দীর্ঘ হাদীস বর্ণনা করলেন। এক পর্যায়ে বললেন, আমি বলব, হে আমার প্রতিপালক। আপনি আমার কাছে সুপারিশের ওয়াদা করেছেন, সুতরাং জান্নাতীদের ব্যাপারে আমার সুপারিশ গ্রহণ করুন। তারা জান্নাতে প্রবেশ করবে। তখন আল্লাহ্ বলবেন, আমি আপনার সুপারিশ গ্রহণ করলাম এবং তাদেরকে জান্নাতে প্রবেশ করার অনুমতি নিলাম।
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) প্রায়ই বলতেন, সেই সত্তার কসম, যিনি আমাকে সত্য দীন সহকারে প্রেরণ করেছেন, জান্নাতীগণ তাদের স্ত্রীদেরকে ও আবাস গৃহসময়হ যেরূপ চিনবে, তোমরা দুনিয়াতে তোমাদের স্ত্রীদেরকে ও আবাসগৃহসমূহ তার চেয়ে অধিক চেন না। জান্নাতীদের থেকে একজন পুরুষ যাদেরকে আল্লাহ্ তা'আলা সৃষ্টি করবেন এমন বাহাত্তর জন স্ত্রী ও আদম সন্তানের মধ্য থেকে দু'জন স্ত্রীর কাছে গমন করবে। যাদেরকে আল্লাহ সৃষ্টি করবেন, তাদের উপর এ দু'জনের মর্যাদা থাকবে। কারণ তারা দুনিয়াতে আল্লাহর ইবাদত করত। সে তাদের মধ্যে প্রথমজনের কাছে চুনির একটি কামরায় এমন একটি সোনার পালংকের উপর গমন করবে, যা মুক্তা খচিত। তার গায়ে থাকবে সত্তর জোড়া সুন্দুস ও ইসতাবরাক তথা পাতলা ও পুরু রেশমী তৈরী পোষাক। এরপর সে রমণীর দু'কাঁধের মাঝে তার হাত রাখবে এবং রমনীর বুকের দিক থেকে তার কাপড় চামড়া ও মাংসের উপর দিয়ে আপন হাতের প্রতি তাকাবে। সে রমনীর পায়ের গোছার মগজের দিকে এভাবে তাকাবে, যেমন তোমাদের প্রত্যেকে চুনির মালার মাঝে সুতার প্রতি তাকায়। পুরুষটির কলজে হবে মহিলাটির আয়না এবং মহিলাটির কলজে হবে পুরুষটির আয়না। যখন পুরুষ রমণীর কাছে থাকবে, তখন পুরুষ রমণীকে বিরক্ত করবে না এবং রমনী পুরুষকে বিরক্ত করবে না। যখনই পুরুষ রমনীর কাছে গমন করবে তখন তাকে কুমারী দেখতে পাবে। তার পুরুষাঙ্গ দুর্বল হবে না। রমনীর যৌনাঙ্গ ব্যথাগ্রস্ত হবে না। একদা সে এভাবে রমনরত থাকবে, হটাৎ তাকে ডেকে বলা হবে, আমরা জ্ঞাত আছি যে, তুমি বিরক্ত করবে না এবং তোমাকেও বিরক্ত করা হবে না। কারণ, পুরুষ রেতঃস্খলনকারী এবং মহিলা বেতঃস্খলকারিনী নয়। তবে তোমার এছাড়া আরও অনেক স্ত্রী রয়েছে। তখন সে বের হবে এবং তারপর এক একজন করে তাদের কাছে গমন করবে। যখনই এক একজনের কাছে যাবে, সে বলবে, আল্লাহর কসম, জান্নাতের মধ্যে তোমার চেয়ে সুন্দর কিছু নেই এবং আমার কাছে জান্নাতের মধ্যে তোমার চেয়ে প্রিয় কিছু নেই।
(আবু ইয়া'লা ও বায়হাকী তাঁর গ্রন্থের শেষাংশে ইসমাঈল ইবন রাফি' ইবন আবু রাফি'-এর রিওয়ায়েতে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তিনিই কেবল মুহাম্মদ ইবন ইয়াযীদ ইবন আবি যিয়াদের সূত্রে মুহাম্মদ ইবন কা'ব থেকে এ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
كتاب صفة الجنة والنار
فصل فِي وصف نسَاء أهل الْجنَّة
5746- وَعَن مُحَمَّد بن كَعْب الْقرظِيّ عَن رجل من الْأَنْصَار عَن أبي هُرَيْرَة قَالَ حَدثنَا رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم وَهُوَ فِي طَائِفَة من أَصْحَابه
فَذكر حَدِيث الصُّور بِطُولِهِ إِلَى أَن قَالَ فَأَقُول يَا رب وَعَدتنِي الشَّفَاعَة فشفعني فِي أهل الْجنَّة يدْخلُونَ الْجنَّة فَيَقُول الله قد شفعتك وأذنت لَهُم فِي دُخُول الْجنَّة فَكَانَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم يَقُول وَالَّذِي بَعَثَنِي بِالْحَقِّ مَا أَنْتُم فِي الدُّنْيَا بأعرف بأزواجكم ومساكنكم من أهل الْجنَّة بأزواجهم ومساكنهم فَيدْخل رجل مِنْهُم على ثِنْتَيْنِ وَسبعين زَوْجَة مِمَّا ينشىء الله وثنتين من ولد آدم لَهما فضل على من أنشأ الله لعبادتهما الله فِي الدُّنْيَا يدْخل على الأولى مِنْهُمَا فِي غرفَة من ياقوتة على سَرِير من ذهب مكلل بِاللُّؤْلُؤِ عَلَيْهِ سَبْعُونَ زوجا من سندس وإستبرق ثمَّ يضع يَده بَين كتفيها ثمَّ ينظر إِلَى يَده من صدرها من وَرَاء ثِيَابهَا وجلدها ولحمها وَإنَّهُ لينْظر إِلَى مخ سَاقهَا كَمَا ينظر أحدكُم إِلَى السلك فِي قَصَبَة الْيَاقُوت كبده لَهَا مرْآة وكبدها لَهُ مرْآة فَبينا هُوَ عِنْدهَا لَا يملها وَلَا تمله وَلَا يَأْتِيهَا مرّة إِلَّا وجدهَا عذراء مَا يفتر ذكره وَلَا يشتكي قبلهَا فَبينا هُوَ كَذَلِك إِذْ نُودي إِنَّا قد عرفنَا أَنَّك لَا تمل وَلَا تمل إِلَّا أَنه لَا مني وَلَا منية إِلَّا أَن لَك أَزْوَاجًا غَيرهَا فَيخرج فيأتيهن وَاحِدَة وَاحِدَة بعد كلما جَاءَ وَاحِدَة قَالَت وَالله مَا فِي الْجنَّة شَيْء أحسن مِنْك وَمَا فِي الْجنَّة شَيْء أحب إِلَيّ مِنْك
الحَدِيث

رَوَاهُ أَبُو يعلى وَالْبَيْهَقِيّ فِي آخر كِتَابه من رِوَايَة إِسْمَاعِيل بن رَافع بن أبي رَافع انْفَرد بِهِ عَن مُحَمَّد بن يزِيد بن أبي زِيَاد عَن مُحَمَّد بن كَعْب
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৫৭৪৭
অধ্যায়ঃ জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদঃ জান্নাতবাসীদের স্ত্রীদের বর্ণনা
৫৭৪৭. হযরত ইবন আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, যদি একজন হুর আকাশ ও পৃথিবীর মাঝে তার করতল বের করে দেয় তবে সমস্ত মানুষ তার সৌন্দর্যে আতঙ্ক হয়ে পড়বে। যদি সে তার ওড়না বের করে দেয়, তবে সূর্য তার সৌন্দর্যের সামনে এরূপ নিষ্প্রভ হয়ে যাবে, যেমন সূর্যের সামনে সলতের প্রদীপের কোন আলো থাকে না। যদি সে তার চেহারা বের করে দেয়, তবে তার সৌন্দর্য আকাশ ও পৃথিবীর মধ্যবর্তী স্থানকে আলোকিত করে দেবে।
(ইবন আবিদ-দুনিয়া মাওকুফরূপে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
كتاب صفة الجنة والنار
فصل فِي وصف نسَاء أهل الْجنَّة
5747- وَرُوِيَ عَن ابْن عَبَّاس رَضِي الله عَنْهُمَا قَالَ لَو أَن حوراء أخرجت كفها بَين السَّمَاء وَالْأَرْض لافتتن الْخَلَائق بحسنها وَلَو أخرجت نصيفها لكَانَتْ الشَّمْس عِنْد حسنه مثل الفتيلة فِي الشَّمْس لَا ضوء لَهَا وَلَو أخرجت وَجههَا لأضاء حسنها مَا بَين السَّمَاء وَالْأَرْض

رَوَاهُ ابْن أبي الدُّنْيَا مَوْقُوفا
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৫৭৪৮
অধ্যায়ঃ জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদঃ জান্নাতবাসীদের স্ত্রীদের বর্ণনা
৫৭৪৮. হযরত আনাস ইবন মালিক (রা) সূত্রে নবী (ﷺ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, যদি একজন হুর কোন
সমুদ্রে থুথু ফেলে তবে তার মিষ্টি থুথুর কারণে সে সমুদ্রের পানি সুমিষ্ট হয়ে যাবে।
(ইবন আবিদ-দুনিয়া বসরাবাসী একজন অজ্ঞাতনামা আলিমের সূত্রে আনাস ইবন মালিক (রা) থেকে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
كتاب صفة الجنة والنار
فصل فِي وصف نسَاء أهل الْجنَّة
5748- وَعَن أنس بن مَالك رَضِي الله عَنهُ عَن النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم قَالَ لَو أَن حوراء بزقت فِي بَحر لعذب ذَلِك الْبَحْر من عذوبة رِيقهَا

رَوَاهُ ابْن أبي الدُّنْيَا عَن شيخ من أهل الْبَصْرَة لم يسمه عَنهُ
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৫৭৪৯
অধ্যায়ঃ জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদঃ জান্নাতবাসীদের স্ত্রীদের বর্ণনা
৫৭৪৯. তিনি হযরত ইবন আব্বাস (রা) থেকেও মাওকুফরূপে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, যদি জান্নাতবাসীগণের স্ত্রীদের থেকে কোন মহিলা সাত সমুদ্রের মধ্যে থুথু ফেলে, তবে এসব সমুদ্রের পানি মধুর চেয়ে অধিক মিষ্ট হয়ে যাবে।
كتاب صفة الجنة والنار
فصل فِي وصف نسَاء أهل الْجنَّة
5749- وَرُوِيَ أَيْضا عَن ابْن عَبَّاس مَوْقُوفا قَالَ لَو أَن امْرَأَة من نسَاء أهل الْجنَّة بصقت فِي سَبْعَة أبحر لكَانَتْ تِلْكَ الأبحر أحلى من الْعَسَل
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৫৭৫০
অধ্যায়ঃ জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদঃ জান্নাতবাসীদের স্ত্রীদের বর্ণনা
৫৭৫০. হযরত ইবন আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা একদিন কা'বের সাথে বসা ছিলাম। তখন তিনি বললেন, যদি আকাশ থেকে হুরের একটি হাত তার শুভ্রতা ও আংটি সহ কারে নামিয়ে দেওয়া হয়,তবে তার জন্য ভূমণ্ডল আলোকিত হয়ে যাবে, যেমন সূর্য দুনিয়াবাসীকে আলো দেয়। এরপর তিনি বলেন, আমি তার হাতের কথা বললাম। সুতরাং তার চেহারার শুভ্রতা, সৌন্দর্য, কমনীয়তা, তাজ চুনি, মুক্তা ওযরজদের অবস্থা কি হবে!
(ইবন আবিদ-দুনিয়া হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। এ হাদীসের সনদে উবায়দুল্লাহ ইবন যাহর নামক একজন সন্দিগ্ধ রাবী রয়েছেন।)
كتاب صفة الجنة والنار
فصل فِي وصف نسَاء أهل الْجنَّة
5750- وَعَن ابْن عَبَّاس رَضِي الله عَنْهُمَا قَالَ كُنَّا جُلُوسًا مَعَ كَعْب يَوْمًا فَقَالَ لَو أَن يدا من الْحور من السَّمَاء ببياضها وخواتيمها دليت لَأَضَاءَتْ لَهَا الأَرْض كَمَا تضيء الشَّمْس لأهل الدُّنْيَا ثمَّ قَالَ إِنَّمَا قلت يَدهَا فَكيف بِالْوَجْهِ بياضه وَحسنه وجماله وتاجه وياقوته ولؤلؤه وزبرجده رَوَاهُ ابْن أبي الدُّنْيَا وَفِي إِسْنَاده عبيد الله بن زحر
tahqiq

তাহকীক: