দু’আ

মোট দু’আ - ৬৩৬ টি

সকল দু'আ একত্রে দেখুন

১.

মনের ব্যতিক্রম কিছু হলে পড়বে

۞ اَ لْحَمْدُ لِلّٰهِ عَلٰی كُلِّ حَالٍ
উচ্চারণঃ

আলহামদুলিল্লাহি ‘আলা কুল্লি হাল।

অর্থঃ

সর্বাবস্থায়ই আল্লাহ তা‘আলার প্রশংসা ও শোকর আদায় করছি।

২.

রাসূল (ﷺ) এর রওজা পাকের সামনে দাঁড়িয়ে সালাম বলা

۞ اَلسَّلَامُ عَلَيْكَ يَا رَسُوْلَ اللهِ ۞ اَلسَّلَامُ عَلَيْكَ يَا حَبِيْبَ اللهِ ۞ اَلسَّلَامُ عَلَيْكَ يَا نَبِىَّ اللهِ
উচ্চারণঃ

আসসালামু ‘আলাইকা ইয়া রাসূলাল্লাহ। আসসালামু ‘আলাইকা ইয়া হাবীবাল্লাহ। আসসালামু ‘আলাইকা ইয়া নাবিয়্যাল্লাহ।

অর্থঃ

হে আল্লাহর রাসূল! আপনার উপর সালাম। হে আল্লাহর হাবীব! আপনার উপর সালাম। হে আল্লাহর নবী! আপনার উপর সালাম। বি:দ্র: পারলে এ জাতীয় আরও বাক্য যোগ করা যায়। না পারলে বা বেশী সময় না পেলে যতটুকু সম্ভব বলবে, অন্তত প্রথম বাক্যটা বলবে।

৩.

সূরা আল-ইখলাস

قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ اللَّهُ الصَّمَدُ لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُولَدْ وَلَمْ يَكُن لَّهُ كُفُوًا أَحَدٌ
উচ্চারণঃ

কুল হুওয়াল্লা-হু আহাদ। আল্লা-হুসসামাদ। লাম ইয়ালিদ ওয়ালাম ইঊলাদ। ওয়া লাম ইয়াকুল্লাহূকুফুওয়ান আহাদ।

৪.

উভয় জগতের কল্যাণ চেয়ে দু‘আ অথবা রোকনে ইয়ামানী এবং হজরে আসওয়াদের মধ্যবর্তী স্থানের দু‘আ

۞ رَبَّـنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَّفِي الْآخِرَةِ حَسَنَةً وَّقِنَا عَذَابَ النَّارِ
উচ্চারণঃ

রাব্বানা আতিনা ফিদ্দুনিয়া হাসানাতাঁও ওয়া ফিল আখিরাতি হাসানাতাঁও ওয়া ক্কিনা আযাবান্নার।

অর্থঃ

হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদেরকে দান কর দুনিয়ার কল্যাণ এবং আখিরাতেরও কল্যাণ এবং আমাদেরকে জাহান্নামের শাস্তি থেকে রক্ষা কর।

৫.

আরাফার দিনের দু‘আ

۞ لَا إِلٰهَ إِلَّا اللهُ وَحْدَهٗ لَا شَرِيْكَ لَهٗ ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلٰى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ
উচ্চারণঃ

লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকা লাহ। লাহুল মুলকু, ওয়া লাহুল হামদু ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাইয়িন কাদির।

অর্থঃ

আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নাই। তিনি একক। তার কোন শরীক নাই। সকল ক্ষমতা তার এবং সকল প্রশংসার উপযুক্ত তিনিই। তিনি সব কিছুর উপর ক্ষমতাবান।

৬.

মুজদালিফার দু‘আ

۞ لَا إِلٰهَ إِلَّا اللهُ وَحْدَهٗ لَا شَرِيْكَ لَهٗ ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلٰى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ، لَا إِلٰهَ إِلَّا اللهُ وَحْدَهٗ ، أَنْجَزَ وَعْدَهٗ ، وَنَصَرَ عَبْدَهٗ ، وَهَزَمَ الأَحْزَابَ وَحْدَهٗ
উচ্চারণঃ

লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকা লাহ। লাহুল মুলকু, ওয়া লাহুল হামদু ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাইয়িন কাদির। লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু, আনজাযা ওয়াদাহু, ওয়া নাসারা আবদাহু, ওয়া হাযামাল আহযাবা ওয়াহদাহ।

৭.

ঈমান নবায়নের দু‘আ

۞ اَللّٰهُمَّ جَدِّدِ الْإِيْمَانَ فِيْ قُلُوْبِنَا
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা জাদ্দিদিল ঈমানা ফি কুলুবিনা।

অর্থঃ

হে আল্লাহ, তুমি আমাদের হৃদয়ে ইমানকে নবায়ন করে দাও।

৮.

রজব ও শা‘বান মাসের দু‘আ

۞ اَللّٰهُمَّ بَارِكْ لَنَا فِيْ رَجَبَ وَشَعْبَانَ وَبَلِّغْنَا رَمَضَانَ
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা বারিক লানা ফী রজাবা ওয়া শা‘বানা ওয়া বাল্লিগনা রমাযানা।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আপনি আমাদেরকে রজব ও শা’বান মাসের বরকত দান করুন ও আমাদেরকে রামাযান মাসে পৌঁছে দিন।

৯.

রমযান মাসে পড়ার দু‘আ

۞ اَللّٰهُمَّ اِنَّا نَسْئَلُكَ الْجَنَّةَ وَنَعُوْذُبِكَ مِنَ النَّارِ
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা ইন্না নাসআলুকাল জান্নাতা ওয়া না‘ঊযুবিকা মিনান নারি।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আপনি আমাদেরকে জান্নাত দান করেন এবং জাহান্নাম থেকে রক্ষা করেন।

১০.

ইফতারের সময় পড়বে-১

۞ يَا وَاسِعَ الْمَغْفِرَةِ اِغْفِرْ لِيْ
উচ্চারণঃ

ইয়া ওয়াসিয়াল মাগফিরাতি ইগফির্‌লী।

অর্থঃ

হে মহান ক্ষমাকারী! আমাকে ক্ষমা করুন।

১১.

ইফতারের সময় পড়বে-২

۞ اَللّٰهُمَّ لَكَ صُمْتُ وَعَلٰى رِزْقِكَ اَفْطَرْتُ
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা লাকা ছুমতু ওয়া আলা রিজকিকা আফত্বারতু।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমি আপনার জন্যেই রোযা রেখেছি এবং আপনার রিযিক দ্বারা ইফতার করছি।

১২.

তাকবীরে তাশরীক

۞ اَللهُ أَكْبَرْ اَللهُ أَكْبَرْ. لَاۤ اِلٰهَ اِلَّا اللهُ . وَللهُ أَكْبَرْ اَللهُ أَكْبَرْ. وَ لِلّٰهِ الْحَمْدُ
উচ্চারণঃ

আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু, ওয়াল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার ওয়া লিল্লাহিল হামদ।

অর্থঃ

আল্লাহ মহান! আল্লাহ মহান! আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই, এবং আল্লাহ মহান, আল্লাহ মহান। এবং সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য।

১৩.

আয়াতুল কুরসী

۞ اَللّٰهُ لَاۤ اِلٰهَ اِلَّا هُوَ الۡحَـىُّ الۡقَيُّوۡمُ لَا تَأْخُذُهٗ سِنَةٌ وَّلَا نَوۡمٌ‌ؕ لَهٗ مَا فِى السَّمٰوٰتِ وَمَا فِى الۡاَرۡضِ‌ؕ مَنۡ ذَا الَّذِىۡ يَشۡفَعُ عِنۡدَهٗۤ اِلَّا بِاِذۡنِهٖ‌ؕ يَعۡلَمُ مَا بَيۡنَ اَيۡدِيۡهِمۡ وَمَا خَلۡفَهُمۡ‌ۚ وَلَا يُحِيۡطُوۡنَ بِشَىۡءٍ مِّنۡ عِلۡمِهٖۤ اِلَّا بِمَا شَآءَ ۚ وَسِعَ كُرۡسِيُّهُ السَّمٰوٰتِ وَالۡاَرۡضَ‌‌ۚ وَلَا يَـــُٔوۡدُهٗ حِفۡظُهُمَا ‌ۚ وَ هُوَ الۡعَلِىُّ الۡعَظِيۡمُ‏
উচ্চারণঃ

আল্লা-হু লাইলা-হা ইল্লা-হুওয়া আল হাইয়ুল কাইয়ূমু লা-তা’খুযুহূ ছিনাতুওঁ ওয়ালা-নাওমুন লাহূ মা-ফিছ ছামা-ওয়া-তি ওয়ামা-ফিল আরদি মান যাল্লাযী ইয়াশফা‘উ ‘ইনদাহূইল্লা-বিইযনিহী ইয়া‘লামুমা-বাইনা আইদীহিম ওয়ামা-খালফাহুম ওয়ালা-ইউহীতূনা বিশাইইম মিন ‘ইলমিহীইল্লা-বিমা-শাআ ওয়াছি‘আ কুরছিইয়ুহুছ ছামা-ওয়া-তি ওয়াল আরদা ওয়ালা-ইয়াঊদুহু হিফজু হুমা-ওয়া হুওয়াল ‘আলিইয়ূল ‘আজীম।

অর্থঃ

আল্লাহ ছাড়া অন্য কোনো উপাস্য নেই, তিনি জীবিত, সবকিছুর ধারক। তাঁকে তন্দ্রাও স্পর্শ করতে পারে না এবং নিদ্রাও নয়। আসমান ও যমীনে যা কিছু রয়েছে, সবই তাঁর। কে আছে এমন, যে সুপারিশ করবে তাঁর কাছে তাঁর অনুমতি ছাড়া? দৃষ্টির সামনে কিংবা পিছনে যা কিছু রয়েছে সে সবই তিনি জানেন। তাঁর জ্ঞানসীমা থেকে তারা কোনো কিছুকেই পরিবেষ্টিত করতে পারে না, কিন্তু যতটুকু তিনি ইচ্ছা করেন। তাঁর সিংহাসন সমস্ত আসমান ও যমীনকে পরিবেষ্টিত করে আছে। আর সেগুলোকে ধারণ করা তাঁর পক্ষে কঠিন নয়। তিনিই সর্বোচ্চ এবং সর্বাপেক্ষা মহান।

১৪.

সূরা আন-নাসর

إِذَا جَآءَ نَصْرُ اللَّهِ وَالْفَتْحُ وَرَأَيْتَ النَّاسَ يَدْخُلُونَ فِي دِينِ اللَّهِ أَفْوَاجًا فَسَبِّحْ بِحَمْدِ رَبِّكَ وَاسْتَغْفِرْهُ ۚ إِنَّهُ كَانَ تَوَّابًا
উচ্চারণঃ

ইযা-জাআ নাসরুল্লা-হি ওয়াল ফাতহ। ওয়ারাআইতান্না-ছা ইয়াদখুলূনা ফী দীনিল্লা-হি আফওয়া-জা-। ফাছাব্বিহবিহামদি রাব্বিকা ওয়াছতাগফিরহু ইন্নাহূকা-না তাওওয়া-বা-।

১৫.

সাহরী খাওয়া

সাহরীর গুরুত্ব: রোযার নিয়তে সুবহে সাদিকের পূর্বে যে খাবার গ্রহণ করা হয় তা হল সাহরী। সাহরী খাওয়া সুন্নত। সাহরীতে পেট ভরে খাওয়া আবশ্যক নয়; এক দুই ঢোক পানি পান করেও এ সুন্নত আদায় করা যায়। শেষ ওয়াক্তে সাহরী গ্রহণ করা উত্তম: সাহরী করা যেমন মুস্তাহাব তেমনি তা ওয়াক্তের শেষ দিকে করাও উত্তম। অর্থাৎ সতর্কতামূলক সময় হাতে রেখে সুবহে সাদিকের পূর্ব-নিকটবর্তী সময়ে সাহরী করা ভালো। নবীজী (ﷺ) বলেন, আমরা নবীগণ এ মর্মে আদিষ্ট হয়েছি যে, সময় হওয়ার সাথে সাথেই ইফতার করব এবং শেষ ওয়াক্তে সাহরী গ্রহণ করব। (আল-মুজামুল আওসাত, তবারানী, হাদীস নং: ১৮৮৪; মাজমাউয যাওয়ায়েদ, হাদীস নং: ৪৮৮০) সাহাবায়ে কেরামের আমলও এরকম ছিল। হযরত আমর ইবনে মাইমুন আলআউদী রাহ. বলেন সাহাবায়ে কেরাম সময় হওয়ার সাথে সাথেই দ্রুত ইফতার করতেন আর শেষ ওয়াক্তে সাহরী করতেন। (মুসান্নাফে আবদুর রাযযাক, হাদীস ৭৫৯১; মুসান্নাফে ইবনে আবী শাইবা, হাদীস ৮৯৩২) সাহরীতে রয়েছে বরকত কিন্তু তা গ্রহণ করা ওয়াজিব নয়। কেননা নবী (ﷺ) ও তাঁর সাহাবীগণ একটানা রোযা পালন করেছেন অথচ সেখানে সাহরির কোন উল্লেখ নেই।

১৬.

অন্যের বাড়ীতে ইফতার করলে এ দু‘আ পাঠ করবে

۞ اَفْطَرَ عِنْدَكُمُ الصَّائِمُوْنَ وَاَكَلَ طَعَامَكُمُ الْاَ بْرَارُ وَصَلَّتْ عَلَيْكُمُ الْمَلَائِكَةُ
উচ্চারণঃ

আফত্বরা ‘ইনদাকুমুস সা-ইমূন ওয়া আকালা ত্ব‘আমাকুমুল আবরার, ওয়া সল্লাত ‘আলাইকুমুল মালাইকাতু।

অর্থঃ

রোযাদারগণ যেন তোমাদের বাড়ীতে ইফতার করে এবং নেক লোকেরা যেন তোমাদের খানা খায় এবং ফেরেশতাগণ যেন তোমাদের উপর রহমতের দু‘আ করে।

১৭.

ইলম চাওয়া এবং প্রশান্ত দেহ ও মন লাভের দু‘আ

۞ اَللّٰهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِكَ مِنْ عِلْمٍ لَا يَنْفَعُ وَمِنْ دُعَاءٍ لَا يُسْمَعُ وَ مِنْ قَلْبٍ لَا يَخْشَعُ وَمِنْ نَفْسٍ لَا تَشْبَعُ ‏
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা মিন ইলমিন লা-ইয়ান ফাউ’ ওয়ামিন দু‘আ ইন লা-ইয়ুস মাউ’ ওয়ামিন ক্বলবিন লা-ইয়াখশাউ’ ওয়ামিন নফসীন লা-তাশবাউ’

অর্থঃ

হে আল্লাহ্! আমি সেই জ্ঞান থেকে তোমার নিকট আশ্রয় চাই যা কোন উপকারে আসে না, এমন দু‘আ থেকে যা শোনা হয় না, সেই অন্তর থেকে যা ভীত হয় না এবং সেই দেহ থেকে যা তৃপ্ত হয় না।

১৮.

দু‘আ-৪৯

اَللّٰهُمَّ مُصَرِّفَ الْقُلُوْبِ! صَرِّفْ قُلُوْبَنَا عَلٰى طَاعَتِكَ.
অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! হে অন্তরের রোখ পরিবর্তনকারী! আমাদের অন্তর আপনার আনুগত্যের দিকে ঘুরিয়ে দিন।

১৯.

পশু জবাইয়ের দু‘আ সমূহ

কুরবানীর পশু জবাই করার পূর্বে-১ ۞ إِنِّيْ وَجَّهْتُ وَجْهِيَ لِلَّذِيْ فَطَرَ السَّمَاوَاتِ وَالأَرْضَ حَنِيْفًا وَّمَا أَنَا مِنَ الْمُشْرِكِيْنَ إِنَّ صَلَاتِيْ وَنُسُكِيْ وَمَحْيَاىَ وَمَمَاتِيْ لِلّٰهِ رَبِّ الْعَالَمِيْنَ لَا شَرِيْكَ لَهٗ وَبِذٰلِكَ أُمِرْتُ وَأَنَا أَوَّلُ الْمُسْلِمِيْنَ اَللّٰهُمَّ مِنْكَ وَلَكَ উচ্চারণ: ইন্নী ওয়াজ্জাহতু ওয়াজহিয়া লিল্লাযী ফাতারাস সামাওয়াতি ওয়াল আরদা হানীফাওঁ ওয়া মা আনা মিনাল মুশরিকীন। ইন্না সালাতী ওয়া নুসুকী ওয়া মাহইয়া-ইয়া ওয়া মামাতী লিল্লাহি রাব্বিল ‘আলামীন। লা শারীকা লাহু ওয়া বি-যালিকা উমিরতু ওয়া আনা আওয়ালুল মুসলিমীন। আল্লাহুম্মা মিনকা ওয়া লাকা। অর্থ: নিশ্চয়ই আমি দৃঢ়ভাবে সেই মহান সত্তার অভিমুখী হলাম, যিনি আসমান ও জমিন সৃষ্টি করেছেন। আমি মুশরিকদের অন্তর্গত নই। নিশ্চয়ই আমার নামাজ, আমার কোরবানি, আমার জীবন ও আমার মরণ—সবই বিশ্ব প্রতিপালক মহান আল্লাহর জন্য নিবেদিত। তাঁর কোনো শরিক নেই। আমি এ কাজের জন্য আদিষ্ট হয়েছি। আর আমি মুসলিমদের একজন। হে আল্লাহ্! এটি তোমারই পক্ষ থেকে এবং তোমারই জন্য। (সুনানে আবূ দাউদ, হাদীস নং: ২৭৯৫; সুনানে ইবনে মাজা, হাদীস নং: ৩১২১) পশু জবাই করার সময় পড়ার দু‘আ-২ ۞ بِسْمِ اللهِ اَللهُ أَكْبَرْ উচ্চারণ: বিসমিল্লাহি আল্লাহু আকবার অর্থ: শুরু করছি আল্লাহর নামে, (কুরবানী করছি) যিনি সবচেয়ে মহান। বি:দ্র: পুরো দু‘আ না পারলেও অন্তত বিসমিল্লাহি আল্লাহু আকবার বলে কুরবানী করতে হবে। আল্লাহর নাম ছাড়া কোনভাবেই কুরবানী জায়েজ হবে না। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, যার উপর আল্লাহর নাম (বিসমিল্লাহ) উচ্চারণ করা হয়েছে তা থেকে তোমরা আহার করো। (সূরা আনআম, আয়াত: ১১৮) হাদিসে এসেছে- রাসূলুল্লাহ (ﷺ) দুটি শিংওয়ালা ভেড়া জবাই করলেন, তখন ‘বিসমিল্লাহ’ ও আল্লাহু আকবার’ বললেন। (সুনানে দারিমী, হাদীস নং: ১৯৮৮) পশু জবাই করার পর -৩ ۞ اَللّٰهُمَّ تَقَبَّلْهُ مِنِّىْ كَمَا تَقَبَّلْتَ مِنْ حَبِيْبِكَ سَيِّدِنَا رَسُوْلِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَخَلِيْلِكَ سَيِّدِنَا إِبْرَاهِيْمَ عَلَيْهِ السَّلاَمِ উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা তাক্বাব্বালহু মিন্নী কামা তাক্বাব্বালতা মিন হাবীবিকা সাইয়্যিদিনা রসূলিল্লাহি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ওয়া খলীলিকা সাইয়্যিদিনা ইবরাহীমা আলাইহিস সালাম। অর্থ: হে আল্লাহ! আপনি এটি আমার পক্ষ থেকে কবুল করুন, যেভাবে কবুল করেছিলেন আপনার প্রিয় হাবীব হযরত মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এবং আপনার খলীল হযরত ইবরাহীম (আলাইহিস সালাম) এর কাছ থেকে। (সুনানে ইবনে মাজা, হাদীস নং: ৩১২১)

২০.

সূরা আল-কাওসার

إِنَّا أَعْطَيْنَاكَ الْكَوْثَرَ فَصَلِّ لِرَبِّكَ وَانْحَرْ إِنَّ شَانِئَكَ هُوَ الْأَبْتَرُ
উচ্চারণঃ

ইন্নাআ‘তাইনা-কাল কাওছার। ফাসাললি লিরাব্বিকা ওয়ানহার। ইন্না শা-নিআকা হুওয়াল আবতার।