দু’আ

মোট দু’আ - ৬২৩ টি

সকল দু'আ একত্রে দেখুন

.

দুর্বলতা থেকে মুক্তি এবং বদাণ্যতা লাভের দু‘আ

۞ اَللّٰهُمَّ إنّيْ ضَعِيْفٌ فَقَوِّنِيْ وَإِنِّيْ شَدِيْدٌ فَلَيِّنِيْ وَإِنِّيْ بَخِيْلٌ فَسَخِّنِيْ
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা ইন্নি দ্ব’য়িফুন ফা ক্বওওয়িনি, ওয়া ইন্নি শাদি-দুন ফা লায়্যিনি- ওয়া ইন্নি বাখি-লুন ফা সাখখিনি

অর্থঃ

হে আল্লাহ আমি দুর্বল, অতএব আমাকে শক্তিশালী করুন। আমি রূঢ়, আমাকে নম্রতা দান করুন। আমি কৃপণ, অতএব আমাকে বদাণ্যতা দান করুন।

.

বৃদ্ধ বয়সে প্রশস্ত রিজিকের জন্য দু‘আ

۞ اَللّٰهُمَّ اجْعَلْ أَوْسَعَ رِزْقِكَ عَلَيَّ عِنْدَ كِبَرِ سِنِّيْ , وَانْقِطَاعِ عُمُرِيْ
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মাজ’আল আওসা’আ রিজক্বিকা ’আলাইয়া ইনদা কিবারি সিন্নি, ওয়ানক্বিত্ব-ই ’উমুরি

অর্থঃ

হে আল্লাহ ! আপনার দেওয়া রিজককে আমার বৃদ্ধ বয়সে এবং জীবনের সমাপ্তি পর্যন্ত প্রশস্ত করে দিন।

.

মুনাজাত শেষ করার নিয়ম দু‘আ-মুনাজাত হামদ, সালাত এবং আমীনের মাধ্যমে শেষ করা সুন্নাত। যেমন এভাবে শেষ করা যেতে পারে-

۞ سُبْحَانَ رَبِّكَ رَبِّ الْعِزَّةِ عَمَّا يَصِفُوْنَ، وَسَلَامٌ عَلَى الْمُرْسَلِيْنَ. وَالْحَمْدُ لِلّٰهِ رَبِّ الْعَالَمِيْنَ- اَللّٰهُمَّ اٰمِيْنْ
উচ্চারণঃ

সুবহানা রাব্বিকা রাব্বিল ইযযাতি আম্মা ইয়াসিফুন, ওয়া সালামুন আ‘লাল মুরসালিন, ওয়াল হামদু লিল্লাহি রাব্বিল আলামিন।

অর্থঃ

আপনার প্রতিপালক যিনি সকল ক্ষমতার অধিকারী তিনি পবিত্র ঐ সকল কথা থেকে যা কাফিররা বলে থাকে এবং নবীদের প্রতি সালাম বর্ষিত হোক এবং সমস্ত প্রশংসা বিশ্ব প্রতিপালক আল্লাহ তা‘আলার জন্য।

.

নিঃসন্তান হওয়া থেকে বাঁচার দু‘আ

۞ رَبِّ لَا تَذَرْنِيْ فَرْدًا وَأَنتَ خَيْرُ الْوَارِثِيْنَ
উচ্চারণঃ

রব্বি লা-তাজারনি- ফারদাও ওয়া অাংতা খইরুল ওয়া-রিছি-ন।

অর্থঃ

হে আমার পালনকর্তা! আমাকে একা রেখো না/নিঃসন্তান করো না। তুমি তো উত্তম অভিভাবক।

.

কাউকে নতুন পোশাক পরিধান করতে দেখলে-২

۞ اِلْبَسْ جَدِيْدًا. وَعِشْ حَمِيْدًا. وَمُتْ شَهِيْدًا
উচ্চারণঃ

ইলবাস জাদীদান, ওয়া ‘ঈশ হামীদান, ওয়া মুত শাহী দান।

অর্থঃ

তুমি নতুন কাপড় পরো, প্রশংসিত জীবন লাভ করো এবং শহীদি মৃত্যুবরণ করো। (অর্থাৎ আল্লাহ যেন তোমাকে এ সকল নেয়ামত দান করেন।

.

৩০৯ সূরা আত তাওবাহ্ (আয়াত নং: ৪০)

۞ إِلَّا تَنْصُرُوْهُ فَقَدْ نَصَرَهُ اللّٰهُ إِذْ أَخْرَجَهُ الَّذِيْنَ كَفَرُوْا ثَانِيَ اثْنَيْنِ إِذْ هُمَا فِي الْغَارِ إِذْ يَقُوْلُ لِصَاحِبِه لَا تَحْزَنْ إِنَّ اللّٰهَ مَعَنَا فَأَنْزَلَ اللّٰهُ سَكِيْنَتَه عَلَيْهِ وَأَيَّدَه بِجُنُوْدٍ لَمْ تَرَوْهَا وَجَعَلَ كَلِمَةَ الَّذِيْنَ كَفَرُوْا السُّفْلَى وَكَلِمَةُ اللّٰهِ هِيَ الْعُلْيَا وَاللّٰهُ عَزِيْزٌ حَكِيْمٌ ﴿ۙ۴۰﴾
উচ্চারণঃ

ইল্লা-তানসুরূহু ফাকাদ নাসারাহুল্লা-হু ইযআখরাজাহুল্লাযীনা কাফারূ ছা-নিয়াছনাইনি ইযহুমা-ফিল গা-রি ইযইয়াকূলুলিসা-হিবিহী লা-তাহঝান ইন্নাল্লা-হা মা‘আনা- ফাআনাঝাল্লা-হু ছাকীনাতাহূ‘আলাইহি ওয়া আইইয়াদাহূবিজুনূদিল লাম তারাওহা-ওয়া জা‘আলা কালিমাতাল্লাযীনা কাফারুছছুফলা- ওয়া কালিমাতুল্লা-হি হিয়াল ‘ঊলইয়া- ওয়াল্লা-হু ‘আঝীঝুন হাকীম।

অর্থঃ

যদি তোমরা তাকে সাহায্য না কর, তবে আল্লাহ্ তো তাকে সাহায্য করেছিলেন যখন কাফিররা তাকে বহিষ্কার করেছিল আর সে ছিল দুইজনের দ্বিতীয় জন, যখন তারা উভয়ে গুহার মধ্যে ছিল ; সে তখন তার সঙ্গীকে বলেছিল, ‘বিষণ্ণ হয়ো না, আল্লাহ্ তো আমাদের সঙ্গে আছেন।’ এরপর আল্লাহ্ তাঁর উপর তাঁর প্রশান্তি বর্ষণ করেন এবং তাকে শক্তিশালী করেন এমন এক সৈন্যবাহিনী দিয়ে যা তোমরা দেখ নাই; আর তিনি কাফিরদের কথা হেয় করেন। আল্লাহর কথাই সর্বোপরি এবং আল্লাহ্ পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।

.

৩১৬ বদনজরের আয়াত-৪

۞ وَإِنْ يَّكَادُ الَّذِيْنَ كَفَرُوْا لَيُزْلِقُوْنَكَ بِأَبْصَارِهِمْ لَمَّا سَمِعُوْا الذِّكْرَ وَيَقُوْلُوْنَ إِنَّهٗ لَمَجْنُوْنٌ ﴿ۙ۵۱﴾ وَمَا هُوَ إِلَّا ذِكْرٌ لِّلْعَالَمِيْنَ ﴿ۙ۵۲﴾
উচ্চারণঃ

ওয়া ইয়ঁ ইয়াকা- দুল্লাযীনা কাফারূ লাইউঝলিকূনাকা বিআবসা-রিহিম লাম্মাছামি‘উযযিকরা ওয়া ইয়াকূলূনা ইন্নাহূলামাজনূন। ওয়ামা-হুওয়া ইল্লা- যিকরুলিলল‘আ- লামীন।

অর্থঃ

কাফিররা যখন কুরআন শ্রবণ করে তখন এরা যেন এদের তীক্ষ্ণ দৃষ্টি দিয়ে তোমাকে আছড়িয়ে ফেলিবে এবং বলে, ‘এ তো এক পাগল!’ অথচ এটা তো বিশ্বজগতের জন্য কেবলই উপদেশ।

.

কাউকে হাসিমুখে দেখলে পড়বে

۞ اَضْحَكَ اللّٰهُ سِنَّكَ
উচ্চারণঃ

আয হাকাল্লাহু সিন্নাকা।

অর্থঃ

আল্লাহ পাক আপনাকে সর্বদা হাসিমুখ রাখুন।

.

যে ব্যক্তি বলবে,আমি আপনাকে আল্লাহ্‌র জন্য ভালোবাসি তার জন্য দু‘আ

۞ أَحَبَّكَ الَّذِيْ أَحْبَبْتَنِيْ لَهٗ
উচ্চারণঃ

আহাব্বাকাল্লাযী আহবাবতানী লাহু

অর্থঃ

যাঁর (আল্লাহর) জন্য আপনি আমাকে ভালোবেসেছেন, তিনি আপনাকে ভালোবাসুন!

১০.

কেউ বরকতের দু‘আ করলে বলবে

۞ وَفِيْكَ بَارَكَ اللهُ
উচ্চারণঃ

ওয়াফীকা বারাকাল্লাহু

অর্থঃ

আপনাকেও আল্লাহ বরকত দান করুক।

১১.

ধর্ষণে উদ্যত ব্যক্তির শিকার বিপন্ন নারীর দু‘আ

۞ اَللّٰهُمَّ إِنْ كُنْتُ اٰمَنْتُ بِكَ وَبِرَسُوْ لِكَ فَلاَ تُسَلِّطْ عَلَىَّ الْكَافِرَ‏
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা ইন কুনতু আমানতু বিকা, ওয়া বিরাসূলিকা, ফালা তুসাল্লিত্ব আলাইয়্যাল কাফির।

অর্থঃ

হে আল্লাহ, আমি যদি আপনার উপর ও আপনার রাসূলের উপর বিশ্বাস স্থাপন করে থাকি, তাহলে এই কাফিরকে আমার উপর চাপিয়ে দিবেন না।

১২.

কুপ্রবৃত্তি থেকে বাঁচার দু‘আ

۞ يَاحَىُّ يَا قَيُّوْمُ بِرَحْمَتِكَ أَسْتَغِيْثْ أَصْلِحْ لِىْ شَأْنِىْ كُلَّهٗ وَلَا تَكِلْنِيْ إِلَى نَفْسِىْ طَرْفَةَ عَيْنِ
উচ্চারণঃ

ইয়া হাইয়্যু ইয়া কাইয়্যুম বি রহমাতিকা আসতাগিস, আসলিহলি শা’নি কুল্লাহু ওলা তাকিলনি ইলা নাফসি ত্বরফাতা আঈন।

অর্থঃ

হে চিরঞ্জীব, হে জমিন আসমান ও সমস্ত মাখলূকের রক্ষাকারী। আমি আপনার রহমতের উসীলায় ফরিয়াদ করছি যে, আমার সমস্ত কাজ দুরস্ত করেদিন এবং আমাকে এক পলকের জন্যও আমার নফসের কাছে সোপর্দ করবেন না।

১৩.

দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তির দু‘আ

۞ حَسْبِيَ اللهُ لاۤ اِلٰهَ اِلَّا هُوَ عَلَيْهِ تَوَكَّلْتُ وَهُوَ رَبُّ الْعَرْشِ الْعَظِيْمِ
উচ্চারণঃ

হাসবিয়াল্লাহু লা-ইলাহা ইল্লা হুওয়া আলাইহি তাওয়াক্কালতু ওয়া হুওয়া রাব্বুল আরশিল আযীম।

অর্থঃ

আল্লাহ্ই আমার জন্য যথেষ্ট। তিনি ব্যতীত কোন মা’বূদ নেই। তাঁর প্রতি ভরসা করেছি, তিনি মহান আরশের অধিপতি।

১৪.

গুরুদায়িত্ব থেকে মুক্তির দু‘আ

۞ رَبَّنَا وَلَا تُحَمِّلۡنَا مَا لَا طَاقَةَ لَنَا بِهٖ وَاعۡفُ عَنَّا، وَاغۡفِرۡ لَنَا، وَارۡحَمۡنَا، أَنْتَ مَوۡلَىٰنَا فَانْصُرۡنَا عَلَى الۡقَوۡمِ الۡكٰفِرِيْنَ
অর্থঃ

হে আমাদের প্রতিপালক! এমন ভার আমাদের উপর অর্পণ করো না, যা বহন করার শক্তি আমাদের নেই। আমাদের পাপ মোচন কর। আমাদের ক্ষমা কর। আমাদের প্রতি রহমত নাযিল কর। তুমি আমাদের অভিভাবক। কাফিরদের বিপরীতে তুমি আমাদের সাহায্য কর।

১৫.

কোনো সমস্যার সম্মুখীন হলে পড়বে

۞ يَا حَيُّ يَا قَيُّوْمُ بِرَحْمَتِكَ اَسْتَغِيْثُ
উচ্চারণঃ

ইয়া হাইয়ু ইয়া কাইয়ুম বিরাহ্‌মাতিকা আসতাগিস।

অর্থঃ

হে চিরঞ্জীব! হে সকল বস্তুর ধারক! আমি আপনারই রহমতের প্রার্থনা করছি।

১৬.

কারো থেকে অত্যাচারের আশঙ্কা হলে পড়বে

۞ اَللّٰهُمَّ اِنَّا نَجْعَلُكَ فِيْ نُحُوْرِهِمْ وَنَعُوْذُ بِكَ مِنْ شُرُوْرِهِمْ
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা ইন্না নাজ‘আলুকা ফী নুহূরিহিম, ওয়া না‘ঊযুবিকা মিন শুরূরিহিম।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমি আপনাকে এদের মুকাবেলায় (নিজের) ঢাল বানিয়েছি এবং তাদের অনিষ্ট থেকে আপনার আশ্রয় গ্রহণ করছি।

১৭.

মাগরিবের আযানের সময় পড়বে

۞ اَللّٰهُمَّ هَذَا اِقْبَالُ لَيْلِكَ وَاِدْبَارُ نَهَارِكَ وَاَصْوَاتُ دُعَاتِكَ فَاغْفِرْ لِيْ
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা হাযা ইক্ববালু লাইলিকা, ওয়া ইদবারু নাহারিকা, ওয়া আসওয়াতু দু‘আতিকা ফাগফিরলী।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! এখন আপনার রাত্রির আগমন ও দিনের গমন এবং আপনার প্রতি আহ্বানকারী মুআযযিনের ধ্বনির (আযানের) সময়। সুতরাং আপনি আমাদেরকে ক্ষমা করে দিন।

১৮.

গাধার ডাক শুনলে পড়বে

۞ أَعُوْذُ بِا للہِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيْمِ
উচ্চারণঃ

আ’ঊযু বিল্লা-হি মিনাশ শায়ত্বা-নির রজীম।

অর্থঃ

আমি অভিশপ্ত শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা করছি।

১৯.

মনে ওয়াসওয়াসা আসলে পড়ার দু‘আ

۞ اٰمَنْتُ بِاللّٰهِ وَرُسُلِهٖ
উচ্চারণঃ

আামানতু বিল্লাহি ওয়া রুসুলিহি।

অর্থঃ

আমি আল্লাহ ও তাঁর রাসূলগণের উপর ঈমান আনছি।

২০.

দুশ্চিন্তা বা বিপদগ্রস্তের দু‘আ-২

۞ اَللّٰهُ ، اَللّٰهُ رَبِّيْ لاَ أُشْرِكُ بِهِ شَيْئًا
উচ্চারণঃ

আল্লাহু, আল্লাহু রাব্বী, লা-উশরিকু বিহী শাইআন।

অর্থঃ

আল্লাহ, আল্লাহ, আমার রব, তার সাথে কাউকে শরীক করি না।