দু’আ

মোট দু’আ - ৬২০ টি

সকল দু'আ একত্রে দেখুন

.

রুকাইয়ার দু‘আ-১

۞ اَللّٰهُ اَكْبَرُ كَبِيْرًا وَالْحَمْدُ لِلّٰهِ كَثِيْرًا وَسُبْحَانَ اللّٰهِ بُكْرَةً وَّأَصِيْلًا أَعُوْذُ بِاللّٰهِ مِنَ الشَّيْطَانِ مِنْ نَفْخِه وَنَفْثِه وَهَمْزِه
উচ্চারণঃ

আল্লাহু আকবারু কাবীরান, আল্লাহু আকবার কাবীরান, আল্লাহু আকবার কাবীরান, আলহামদুলিল্লাহি কাছীরান, আলহামদুলিল্লাহি কাছীরান ওয়া সুব্হানাল্লাহে বুকরাতাও ওয়া আসীলা (তিনবার বলেন), আউযু বিল্লাহি মিনাশ–শায়তানির রাজীমি মিন নাফখিহী ওয়া নাফসিহী ওয়া হামযিহী।

.

রুকাইয়ার দু‘আ-৫

۞ اَللّٰهُمَّ اشْفِ عَبْدَكَ يَنْكَأُ لَكَ عَدُوًّا ، أَوْ يَمْشِيْ لَكَ إِلٰى صَلَاةٍ
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মাশফি আ’বদাকা ইয়ানকাউ লাকা আদুওয়ান, আউ ইয়ামশী লাকা ইলা সালাতিন।

অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! আপনি আপনার বান্দাকে রোগমুক্ত করুন, যে আপনার দুশমনকে যখম করবে এবং আপনার সন্তুষ্টি লাভের জন্য কোন (মৃতের) জানাযার সাথে চলবে।

.

সূরা সাফফাতের প্রথম ১১ আয়াত

۞ وَالصّٰٓفّٰتِ صَفًّا ۙ‏ ﴿۱﴾ فَالزّٰجِرٰتِ زَجۡرًا ۙ‏ ﴿۲﴾ فَالتّٰلِيٰتِ ذِكۡرًا ۙ‏ ﴿۳﴾ اِنَّ اِلٰهَكُمۡ لَوَاحِدٌ ﴿۴﴾ رَبُّ السَّمٰوٰتِ وَالۡاَرۡضِ وَمَا بَيۡنَهُمَا وَرَبُّ الۡمَشَارِقِ ؕ‏ ﴿۵﴾ اِنَّا زَيَّنَّا السَّمَآءَ الدُّنۡيَا بِزِيۡنَةِ اۨلۡكَوَاكِبِۙ‏ ﴿۶﴾ وَحِفۡظًا مِّنۡ كُلِّ شَيۡطٰنٍ مَّارِدٍ‌ۚ‏ ﴿۷﴾ لَّا يَسَّمَّعُوۡنَ اِلَى الۡمَلَاِ الۡاَعۡلٰى وَيُقۡذَفُوۡنَ مِنۡ كُلِّ جَانِبٍۖ ‏ ﴿۸﴾ دُحُوۡرًا وَّلَهُمۡ عَذَابٌ وَّاصِبٌ  ۙ‏ ﴿۹﴾ اِلَّا مَنۡ خَطِفَ الۡخَطۡفَةَ فَاَتۡبَعَهٗ شِهَابٌ ثَاقِبٌ‏ ﴿۱۰﴾ فَاسۡتَفۡتِهِمۡ اَهُمۡ اَشَدُّ خَلۡقًا اَمۡ مَّنۡ خَلَقۡنَاؕ اِنَّا خَلَقۡنٰهُمۡ مِّنۡ طِيۡنٍ لَّازِبٍ‏ ﴿۱۱﴾
উচ্চারণঃ

(১) ওয়াসসাফফা-তি সাফফা-। (২) ফাঝঝা-জিরা-তি ঝাজরা-। (৩) ফাত্তা-লিয়া-তি যিকরা-। (৪) ইন্না ইলা-হাকুম লাওয়া-হিদ। (৫) রাব্বুছ ছামা-ওয়া-তি ওয়াল আরদিওয়ামা-বাইনাহুমা-ওয়া রাব্বুল মাশা-রিক। (৬) ইন্না-ঝাইয়ান্নাছছামাআদ্দুনইয়া-বিঝীনাতিনিল কাওয়া-কিব। (৭) ওয়া হিফজাম মিন কুল্লি শাইতা-নিম মা-রিদ। (৮) লা ইয়াছছাম্মা‘ঊনা ইলাল মালাইল আ‘লা-ওয়া ইউকযাফূনা মিন কুল্লি জা-নিব। (৯) দুহূ রাও ওয়ালাহুম ‘আযা-বুন ওয়া-সিব। (১০) ইল্লা-মান খাতিফাল খাতফাতা ফাআতবা‘আহূশিহা-বুন ছাকিব। (১১) ফাছতাফতিহিম আহুম আশাদ্দু খাল কান আম্মান খালাকনা- ইন্না-খালাকনা-হুম মিন ত্বীনিল লা-ঝিব।

অর্থঃ

(১) শপথ তাদের, যারা সারিবদ্ধ হয়ে দাঁড়ায়। (২) তারপর তাদের, যারা কঠোরভাবে বাধা প্রদান করে। (৩) তারপর তাদের, যারা ‘যিকর’-এর তেলাওয়াত করে। (৪) নিশ্চয়ই তোমাদের মাবুদ একই। (৫) যিনি আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবী এবং এর মধ্যবর্তী সমস্ত কিছুর মালিক এবং তিনি মালিক নক্ষত্ররাজি উদয়স্থলেরও। (৬) নিশ্চয়ই আমি নিকটবর্তী আকাশকে সৌন্দর্যমণ্ডিত করেছি (বিভিন্ন) নকশা দ্বারা অর্থাৎ নক্ষত্রমণ্ডলী দ্বারা। (৭) এবং প্রত্যেক দুষ্ট (শয়তান) থেকে হেফাজতের মাধ্যম বানিয়েছি। (৮) তারা ঊর্ধ্ব জগতের কথাবার্তা শুনতে পারে না এবং সকল দিক থেকে তাদের উপর মার আসে। (৯) তাদেরকে করা হয় বিতাড়িত এবং (আখেরাতে) তাদের জন্য আছে স্থায়ী শাস্তি। (১০) তবে কেউ কোন কিছু ছোঁ মেরে নিয়ে যেতে চাইলে জ্বলন্ত উল্কাপিণ্ড তার পশ্চাদ্ধাবন করে। (১১) সুতরাং তাদেরকে (অর্থাৎ কাফেরদেরকে) জিজ্ঞেস কর, তাদেরকে সৃষ্টি করা বেশি কঠিন, না আমার অন্যান্য মাখলুককে? আমি তো তাদেরকে সৃষ্টি করেছি আঠাল কাদা হতে।

.

আযান এবং আযানের উত্তর

اَللهُ اَكْبَرْ উত্তরে বলবে: اَللهُ اَكْبَرْ (৪ বার ) اَشْهَدُ اَنْ لَّا اِلٰهَ اِلَّا اللهْ উত্তরে বলবে: اَشْهَدُ اَنْ لَّا اِلٰهَ اِلَّا الله ( ২ বার ) اَشْهَدُ اَنَّ مُحَمَّدًا رَّسُوْلُ اللهِ উত্তরে বলবে: اَشْهَدُ اَنَّ مُحَمَّدًا رَّسُوْلُ اللهِ ( ২ বার ) حَيَّ عَلَي الصَّلٰوةِ উত্তরে বলবে: لَا حَوْلَ وَ لَا قُوَّةَ اِلَّا بِاللهِ (২ বার) حَيَّ عَلَي الفَلَاحِ উত্তরে বলবে: لَا حَوْلَ وَ لَا قُوَّةَ اِلَّا بِاللهِ (২ বার ) (শুধুমাত্র ফজরের সময়) اَلصّلٰوةُ خَيْرٌمِّنَ النَّوْمِ উত্তরে বলবে: صَدَقْتَ وَ بَرَرْتَ (২ বার) اَللهُ اَكْبَرْ উত্তরে বলবে: اَللهُ اَكْبَرْ (২ বার ) لَا اِلٰهَ اِلَّا الله উত্তরে বলবে: لَا اِلَهَ اِلَّا الله (১ বার )
উচ্চারণঃ

আল্লা-হু আকবর উত্তরঃ আল্লা-হু আকবর (৪ বার) আশহাদু-আল্‌ লা- ইলাহা ইল্লাল্লাহ উত্তরঃ আশহাদু-আল্‌ লা- ইলাহা ইল্লাল্লাহ (২ বার) আশহাদু-আন্না মুহাম্মাদার রাসুলুল্লাহ উত্তরঃ আশহাদু-আন্না মুহাম্মাদার রাসুলুল্লাহ (২ বার) হাইয়া আলাস সালা উত্তরঃ লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লাবিল্লাহ্‌ (২ বার) হাইয়া আলাল ফালা উত্তরঃ লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লাবিল্লাহ্‌ (২ বার) (শুধুমাত্র ফযরের আযানের জন্য) আসসালাতু খাইরুম মিনান নাউম উত্তরঃ সাদাকতা ও বারারতা (২ বার) আল্লা-হু আকবর উত্তরঃ আল্লা-হু আকবার (২ বার) লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ উত্তরঃ লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ (১ বার)

অর্থঃ

আল্লাহ সর্বশক্তিমান উত্তরঃ আল্লাহ সর্বশক্তিমান (৪ বার) আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ্ ছাড়া অন্য কোন মাবুদ নেই উত্তরঃ আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ্ ছাড়া অন্য কোন মাবুদ নেই (২ বার) আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ (স) আল্লাহর প্রেরিত দূত উত্তরঃ আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ (স) আল্লাহর প্রেরিত দূত (২ বার) নামাজের জন্য এসো উত্তরঃ আল্লাহর আশ্রয় ও শক্তি ছাড়া আর কারো কোন ক্ষমতা নাই (২ বার) সাফল্যের জন্য এসো উত্তরঃ আল্লাহর আশ্রয় ও শক্তি ছাড়া আর কারো কোন ক্ষমতা নাই (শুধুমাত্র ফযরের আযানের জন্য) ঘুম হতে নামাজ উত্তম উত্তরঃ সত্য বলেছেন, কল্যানের কথা বলেছেন (২ বার) আল্লাহ্ মহান উত্তরঃ আল্লাহ্ মহান (২ বার) আল্লাহ্ ছাড়া অন্য কোন উপাস্য নেই উত্তরঃ আল্লাহ্ ছাড়া অন্য কোন উপাস্য নেই (১ বার)

.

সালাম

۞ اَلسَّلَامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللهِ
উচ্চারণঃ

আস্‌সালামু আলাইকুম ওয়া রাহ্‌মাতুল্লাহ।

অর্থঃ

আল্লাহর পক্ষ হতে আপনার উপর শান্তি ও অনুগ্রহ বর্ষিত হউক

.

সূরা আর-রহমান এর ৩৩ থেকে ৪০ আয়াত পর্যন্ত

۞ يٰمَعۡشَرَ الۡجِنِّ وَالۡاِنۡسِ اِنِ اسۡتَطَعۡتُمۡ اَنۡ تَنۡفُذُوۡا مِنۡ اَقۡطَارِ السَّمٰوٰتِ وَالۡاَرۡضِ فَانْفُذُوۡا‌ؕ لَا تَنۡفُذُوۡنَ اِلَّا بِسُلۡطٰنٍ‌ۚ‏ ﴿۳۳﴾ فَبِاَىِّ اٰلَاۤءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبٰنِ‏ ﴿۳۴﴾ يُرۡسَلُ عَلَيۡكُمَا شُوَاظٌ مِّنۡ نَّارٍ وَّنُحَاسٌ فَلَا تَنۡتَصِرٰنِ‌ۚ‏ ﴿۳۵﴾ فَبِاَىِّ اٰلَاۤءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبٰنِ‏ ﴿۳۶﴾ فَاِذَا انْشَقَّتِ السَّمَآءُ فَكَانَتۡ وَرۡدَةً كَالدِّهَانِ‌ۚ‏ ﴿۳۷﴾ فَبِاَىِّ اٰلَاۤءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبٰنِ‏ ﴿۳۸﴾ فَيَوۡمَٮِٕذٍ لَّا يُسۡـٴَـلُ عَنۡ ذَنۡۢبِهٖۤ اِنۡسٌ وَّلَا جَآنٌّ‌ۚ‏ ﴿۳۹﴾ فَبِاَىِّ اٰلَاۤءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبٰنِ‏ ﴿۴۰﴾
উচ্চারণঃ

(৩৩) ইয়া-মা‘শারাল জিন্নি ওয়াল ইনছি ইনিছতাতা‘তুম আন তানফুযূ মিন আকতা-রিছ ছামাওয়া-তি ওয়াল আরদিফানফুযূ লা-তানফুযূনা ইল্লা-বিছুলতা-ন। (৩৪) ফাবিআইয়ি আ-লাই রাব্বিকুমা- তুকাযযিবা-ন । (৩৫) ইউরছালু‘আলাইকুমা-শুওয়া-জু ম মিন্না-রিওঁ ওয়া নুহা-ছুন ফালা-তানতাসিরা-ন। (৩৬) ফাবিআইয়ি আ-লাই রাব্বিকুমা- তুকাযযিবা-ন । (৩৭) ফাইযান শাককাতিছ ছামাউ ফাকা-নাত ওয়ারদাতান কাদ্দিহা-ন। (৩৮) ফাবিআইয়ি আ-লাই রাব্বিকুমা- তুকাযযিবা-ন । (৩৯) ফাইয়াওমা ইযিল্লা-ইউছআলু‘আন যামবিহী ইনছুওঁ ওয়ালা-জান। (৪০) ফাবিআইয়ি আ-লাই রাব্বিকুমা- তুকাযযিবা-ন ।

অর্থঃ

(৩৩) হে মানুষ ও জিন্ন সম্প্রদায়! তোমাদের যদি আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর সীমানা অতিক্রম করার সামর্থ্য থাকে, তবে তা অতিক্রম কর। তোমরা প্রচণ্ড শক্তি ছাড়া তা অতিক্রম করতে পারবে না। (৩৪) সুতরাং তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন কোন নি‘আমতকে অস্বীকার করবে? (৩৫) তোমাদের উপর ছেড়ে দেওয়া হবে আগুনের শিখা এবং তাম্রবর্ণের ধোঁয়া। তখন তোমরা পারবে না আত্মরক্ষা করতে। (৩৬) সুতরাং তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন কোন নি‘আমতকে অস্বীকার করবে? (৩৭) (সেই সময় অবশ্যম্ভাবী) যখন আকাশ ফেটে যাবে এবং তা লাল চামড়ার মত লাল-গোলাপী হয়ে যাবে। (৩৮) সুতরাং তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন কোন নি‘আমতকে অস্বীকার করবে? (৩৯) সেই দিন না কোন মানুষকে তার অপরাধ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হবে, না কোন জিন্নকে। (৪০) সুতরাং তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন কোন নি‘আমতকে অস্বীকার করবে?

.

সর্বপ্রকার গুনাহ থেকে ক্ষমা প্রার্থনা

۞ اَللّٰهُمَّ اغْفِرْ لِيْ خَطِيْئَتِيْ وَجَهْلِيْ وَإِسْرَافِيْ فِيْ أَمْرِيْ وَمَا أَنْتَ أَعْلَمُ بِه مِنِّيْ، اَللّٰهُمَّ اغْفِرْ لِيْ جَدِّيْ وَهَزْلِيْ وَخَطَئِْ وَعَمْدِيْ وَكُلُّ ذٰلِكَ عِنْدِيْ اَللّٰهُمَّ اغْفِرْ لِيْ مَا قَدَّمْتُ وَمَا أَخَّرْتُ وَمَا أَسْرَرْتُ وَمَا أَعْلَنْتُ وَمَا أَنْتَ بِه أَعْلَمُ بِه مِنِّيْ أَنْتَ الْمُقَدِّمُ وَأَنْتَ الْمُؤَخِّرُ وَأَنْتَ عَلٰى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيْرٌ
উচ্চারণঃ

আল্ল-হুম্মাগ্ ফিরলী খত্বীআতী ওয়া জাহলী ওয়া ইস্‌রা-ফী ফী আম্‌রী ওয়ামা- আন্‌তা আ’লামু বিহী মিন্নী, আল্ল-হুম্মাগ্ ফির্‌লী জিদ্দী ওয়া হাযলী ওয়া খত্বায়ি ওয়া ’আম্‌দী ওয়া কুল্লু যা-লিকা ’ইনদী, আল্ল-হুম্মাগ্ ফিরলী মা- কদ্দামতু ওয়ামা- আখখারতু ওয়ামা- আসরারতু ওয়ামা- আ’লানতু ওয়ামা- আনতা বিহী আ’লামু বিহী মিন্নী আনতাল মুকদ্দিমু ওয়া আনতাল মুআখখিরু ওয়া আনতা ’আলা- কুল্লি শাইয়িন কদীর।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আপনি মাফ করে দিন আমার অনিচ্ছাকৃত গুনাহ, আমার অজ্ঞতা, আমার কাজের সকল বাড়াবাড়ি এবং আমার যেসব গুনাহ আপনি আমার চাইতে বেশী জানেন। হে আল্লাহ! আপনি ক্ষমা করে দিন আমার ভুল–ত্রুটি, আমার ইচ্ছাকৃত গুনাহ ও আমার অজ্ঞতা এবং আমার উপহাসমূলক গুনাহ, আর এ রকম গুনাহ, যা আমার মধ্যে আছে। হে আল্লাহ! আপনি আমার পূর্বের ও পরের এবং গোপনীয় ও প্রকাশ্য গুনাহসমূহ মাফ করে দিন। আপনিই আগে বাড়ান এবং আপনিই পশ্চাতে ফেলেন এবং আপনিই সবকিছুর উপর সর্বশক্তিমান।

.

হিদায়াত ও তাকওয়ার জন্য দু‘আ

۞ اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَسْأَلُكَ الْهُدَى وَالتُّقَى وَالْعَفَافَ وَالْغِنَى
উচ্চারণঃ

আল্ল-হুম্মা ইন্নী আস্আলুকাল হুদা ওয়াত তুকা ওয়াল “আফা-ফা ওয়াল গিনা।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে হিদায়াত, তাকওয়া, বিপদমুক্ততা ও সচ্চলতার জন্য প্রার্থনা করছি।

.

আল্লাহর ভালোবাসা লাভের দু‘আ

۞ اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَسْأَلُكَ حُبَّكَ وَحُبَّ مَنْ يُحِبُّكَ وَالْعَمَلَ الَّذِيْ يُبَلِّغُنِيْ حُبَّكَ اَللّٰهُمَّ اجْعَلْ حُبَّكَ أَحَبَّ إِلَيَّ مِنْ نَفْسِيْ وَمَالِيْ وَأَهْلِيْ وَمِنَ الْمَاءِ الْبَارِدِ
উচ্চারণঃ

আল্ল-হুম্মা ইন্নী আস্আলুকা হুব্বাকা ওয়াহুব্বা মান্ ইউহিব্বুকা ওয়াল ’আমালাল্লাযী ইউবাল্লিগুনী হুব্বাকা, আল্ল-হুম্মাজ্’আল হুব্বাকা আহাব্বা ইলাইয়্যা মিন্ নাফসী ওয়ামা- লী ওয়া আহলী ওয়ামিনাল মা-য়িল বা-রিদ।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে তোমার ভালবাসা চাই, আর যে তোমাকে ভালবাসে তার ভালবাসা এবং ঐ কাজের শক্তি চাই, যা আমাকে তোমার ভালবাসার দিকে পৌছিয়ে দেয়। হে আল্লাহ! তোমার ভালবাসাকে আমার কাছে আমার জান, আমার মাল, আমার পরিজন এবং ঠাণ্ডা পানি অপেক্ষাও অধিক প্রিয় কর।

১০.

বদনজরের আয়াত-৫

۞ اَلَّذِيْ خَلَقَ سَبْعَ سَمَاوَاتٍ طِبَاقًا مَا تَرٰى فِيْ خَلْقِ الرَّحْمٰنِ مِنْ تَفَاوُتٍ فَارْجِعِ الْبَصَرَ هَلْ تَرٰى مِنْ فُطُوْرٍ ﴿ۙ۳﴾ ثُمَّ ارْجِعِ الْبَصَرَ كَرَّتَيْنِ يَنْقَلِبْ إِلَيْكَ الْبَصَرُ خَاسِئًا وَهُوَ حَسِيْرٌ ﴿ۙ۴﴾
উচ্চারণঃ

আল্লাযী খালাকা ছাব‘আ ছামা-ওয়া-তিন তিবা-কান মা- তারা- ফী খালকির রাহমা-নি মিন তাফা-উত ফারজি‘ইল বাসারা হাল তারা- মিন ফুতূর। ছু ম্মার জি‘ইলবাসারা কাররাতাইনি ইয়ানকালিব ইলাইকাল বাসারু খা-ছিআওঁ ওয়া হুওয়া হাছীর।

অর্থঃ

যিনি সাত আসমান স্তরে স্তরে সৃষ্টি করেছেন। পরম করুণাময়ের সৃষ্টিতে তুমি কোন অসামঞ্জস্য দেখতে পাবে না। তুমি আবার দৃষ্টি ফিরাও, কোন ত্রুটি দেখতে পাও কি? অতঃপর তুমি দৃষ্টি ফিরাও একের পর এক, সেই দৃষ্টি অবনমিত ও ক্লান্ত হয়ে তোমার দিকে ফিরে আসবে।

১১.

রুকাইয়ার দু‘আ-৩

۞ رَبُّنَا اللّٰهُ الَّذِيْ فِي السَّمَاءِ تَقَدَّسَ اِسْمُكَ، أَمْرُكَ فِي السَّمَاءِ وَالْأَرْضِ، كَمَا رَحْمَتُكَ فِي السَّمَاءِ فَاجْعَلْ رَحمَتَكَ فِي الْأَرْضِ، وَاغْفِرْ لَنَا حُوْبَنَا وَخَطَايَانَا، أَنْتَ رَبُّ الطَّيِّبِيْنَ أَنْزِلْ رَحْمَةً مِّنْ رَحْمَتِكَ وَشِفَاءً مِّنْ شِفَائِكَ عَلٰى كُلِّ وَجَعٍ،
উচ্চারণঃ

রাব্বুনাল্লাহুল্লাযি ফিস সামাই তাকাদ্দাসা ইসমুকা, আমরুকা ফিস সামাই ওয়াল আরদি, কামা রাহমাতুকা ফিস সামায়ি, ফাজআ'ল রাহমাতাকা ফিল আরদি, ইগফির লানা হুবানা ওয়া খাতায়ানা আনতা রাব্বুত–তায়্যিবীন, আনযিল রাহমাতাম মিন রাহমাতিকা ওয়া শিফায়ান মিন শিফায়িকা আলা হাজাল ওয়াজা’ই।

অর্থঃ

আমাদের রব্ব আল্লাহ্ যিনি আসমানে আছেন। হে রব্ব! তোমার নাম পবিত্র। তোমার নির্দেশ আসমান যমীন উভয়ে প্রযোজ্য – যেভাবে আসমানে তোমার অশেষ রহমত রহিয়াছে, সেভাবে তুমি যমীনেও অশেষ রহমত বিস্তার কর। হে রব! তুমি ক্ষমা কর আমাদের ইচ্ছাকৃত অপরাধ ও অনিচ্ছাকৃত অপরাধসমূহ। তুমি পবিত্র লোকদের রব্ব। প্রেরণ কর তুমি তোমার রহমতসমূহ থেকে বিশেষ রহমত এবং তোমার আরোগ্যসমূহ থেকে বিশেষ আরোগ্য এই বেদনার প্রতি।

১২.

রুকাইয়ার দু‘আ-৪

۞ اَللّٰهُمَّ رَبَّ النَّاسِ أَذْهِبِ الْبَاْسَ اِشْفِ وَأَنْتَ الشَّافِيْ لَا شِفَاءَ إِلَّا شِفَاؤُكَ شِفَاءً لَّا يُغَادِرُ سَقَمًا
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা রাব্বান নাসি, আযহিবিল বাসা, ইশফি, ওয়া আনতাশ শাফি, লা শিফাআ ইল্লা শিফাউকা, শিফাআন লা ইউগাদিরু সাক্বমা।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! মানুষের পালনকর্তা, যন্ত্রণা নিবারণ করুন, সুস্থতা দান করুন, আপনিই সুস্থতা প্রদানকারী, আপনার দেয়া সুস্থতাই প্রকৃত সুস্থতা, এমন সুস্থতা দান করুন যাতে কোন রোগই বাকি না থাকে। (৩বার)

১৩.

রুকাইয়ার দু‘আ-৭

۞ أَعُوْذُ بِكَلِمَاتِ اللّٰهِ التَّامَّاتِ الَّتِيْ لَا يُجَاوِزُهُنَّ بَرٌّ وَلَا فَاجِرٌ ، مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ وَذَرَأَ وَبَرَأَ ، وَمِنْ شَرِّ مَا يَنْزِلُ مِنَ السَّمَاءِ وَمِنْ شَرِّ مَا يَعْرُجُ فِيْهَا ، وَمِنْ شَرِّ مَا ذَرَأَ فِى الْأَرْضِ ، وَمِنْ شَرِّ مَا يَخْرُجُ مِنْهَا ، وَمِنْ فِتَنِ اللَّيْلِ وَالنَّهَارِ، وَمِنْ طَوَارِقِ اللَّيْلِ وَالنَّهَارِ، إِلَّا طَارِقًا يَطْرُقُ بِخَيْرٍ يَا رَحْمٰنُ
উচ্চারণঃ

আউযু বিকালিমাতিল্লাহিত তাম্মাতিল্লাতি, লা ইউজায়ুযুহুন্না বার্রুন ওয়া লা ফাজিরুন, মিন শাররি মা খলাক্বা ওয়া যারআ ওয়া বারআ, ওয়া মিন শাররি মা ইয়ানযিলু মিনাস সামাই, ওয়া মিন শাররি মা ইয়া’রুজু ফীহা, ওয়া মিন শাররি মা যারআ ফিল আরদি, ওয়া মিন শাররি মা ইয়াখরুজু মিনহা, ওয়া মিন ফিতানিল্লাইলি ওয়ান্নাহারি, ওয়া মিন ত্বওয়ারিক্বিল্লাইলি ওয়ান্নাহারি, ইল্লা ত্বারিক্বান ইয়াত্বরুক্বু বিখাইরিন ইয়া রহমান।

অর্থঃ

আমি আল্লাহ্‌র ঐ সকল পরিপূর্ণ বাণীসমূহের সাহায্যে আশ্রয় চাই যা কোনো সৎলোক বা অসৎলোক অতিক্রম করতে পারে না— আল্লাহ যা সৃষ্টি করেছেন, অস্তিত্বে এনেছেন এবং তৈরি করেছেন তার অনিষ্ট থেকে, আসমান থেকে যা নেমে আসে তার অনিষ্ট থেকে, যা আকাশে উঠে তার অনিষ্ট থেকে, যা পৃথিবীতে তিনি সৃষ্টি করেছেন তার অনিষ্ট থেকে, যা পৃথিবী থেকে বেরিয়ে আসে তার অনিষ্ট থেকে, দিনে-রাতে সংঘটিত ফেতনার অনিষ্ট থেকে, আর রাত্রিবেলা হঠাৎ করে আগত অনিষ্ট থেকে, তবে রাতে আগত যে বিষয় কল্যাণ নিয়ে আসে তা ব্যতীত; হে দয়াময়!

১৪.

অপমৃত্যু থেকে বাঁচা ও বিভিন্ন মুসীবত থেকে নিরাপত্তার দু‘আ

۞ اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَسْأَلُكَ الْعَفْوَ وَالْعَافِيَةَ فِيْ دِيْنِيْ وَدُنْيَايَ وَأَهْلِيْ وَمَالِيْ. اَللّٰهُمَّ اسْتُرْ عَوْرَاتِيْ وَاۤمِنْ رَوْعَاتِيْ. اَللّٰهُمَّ احْفَظْنِيْ مِنْۢ بَيْنِ يَدَيَّ وَمِنْ خَلْفِيْ، وَعَنْ يَّمِيْنِيْ وَعَنْ شِمَالِيْ وَمِنْ فَوْقِيْ، وَأَعُوْذُ بِعَظَمَتِكَ أَنْ أُغْتَالَ مِنْ تَحْتِيْ.
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকাল আ’ফওয়া ওয়াল আ’ফিয়াতা ফি দিনি ওয়া দুনইয়ায়া, ওয়া আহলি ওয়া মালি, আল্লাহুম্মাসতুর আ’ওরাতি, ওয়া আমিন রাওআ’তি, আল্লাহুম্মাহ’ফাযনি মিন বাইনি ইয়াদাইয়া ওয়া মিন খালফি, ওয়া আ’ই ইয়ামিনি ওয়া আ’ন শিমালি, ওয়া মিন ফাওক্বি, ওয়া আউ’যু বিআ’যমাতিকা আন উগতালা মিন তাহ’তি।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট দুনিয়া ও আখেরাতে ক্ষমা ও নিরাপত্তা প্রার্থনা করছি। হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট ক্ষমা এবং নিরাপত্তা চাচ্ছি আমার দ্বীন, দুনিয়া, পরিবার ও অর্থ-সম্পদের। হে আল্লাহ! আপনি আমার গোপন ত্রুটিসমূহ ঢেকে রাখুন, আমার উদ্বিগ্নতাকে রূপান্তরিত করুন নিরাপত্তায়। হে আল্লাহ! আপনি আমাকে হেফাযত করুন আমার সামনের দিক থেকে, আমার পিছনের দিক থেকে, আমার ডান দিক থেকে, আমার বাম দিক থেকে এবং আমার উপরের দিক থেকে। আর আপনার মহত্ত্বের অসিলায় আশ্রয় চাই আমার নিজ থেকে হঠাৎ আক্রান্ত হওয়া থেকে।

১৫.

মৃত্যু নিকটবর্তী অনুভব হলে পড়ার দু‘আ-১

۞ اَللّٰهُمَّ اغْفِرْلِيْ وَارْحَمْنِيْ وَاَلْحِقْنِيْ بِالرَّفِيْقِ الْاَعْلٰى
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মাগফিরলী ওয়ার হামনী ওয়া আলহিক্বনী বিররফী-ক্বিল আ‘লা

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আপনি আমাকে ক্ষমা করে দিন এবং আমার উপর রহমত ও দয়া বর্ষণ করুন এবং আমাকে রফিকে আ’লা (নবী ও সালেহগণ)-এর সাথে মিলিত করে দিন।

১৬.

মৃত্যু নিকটবর্তী অনুভব হলে পড়ার দু‘আ-২

۞ لٓاَ إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ إِنَّ لِلْمَوْتِ سَكَرَاتٌ
উচ্চারণঃ

লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু, ইন্না লিল মাওতি সাকারাত

অর্থঃ

আল্লাহ ব্যতীত কোনো ইলাহ নেই, নিশ্চয় মৃত্যুর রয়েছে বিভিন্ন প্রকার ভয়াবহ কষ্ট।

১৭.

মুমূর্ষু ব্যক্তিকে তালকীন (পড়ে শোনানো) করবে

۞ لٓاَ اِلٰهَ اِلَّا اللهُ مُحَمَّدٌ رَّسُوْلُ اللهِ
উচ্চারণঃ

লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ।

অর্থঃ

একমাত্র আল্লাহ তা’আলা ব্যতীত অন্য কোনো মা’বূদ নেই এবং মুহাম্মদ (ﷺ) আল্লাহ তা’আলার রাসূল।

১৮.

রহমত ও নিরাপত্তার দু‘আ

۞ اَللّٰهُمَّ اغْفِرْ لِيْ وَارْحَمْنِيْ وَاهْدِنِيْ وَعَافِنِيْ وَارْزُقْنِيْ
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মাগফির লী, ওয়ারহামনী, ওয়াহদিনী, ওয়া ’আফিনী, ওয়ারযুক্বনী।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমাকে ক্ষমা করুন, আমার প্রতি রহমত বর্ষণ করুন, আমাকে হিদায়াত দান করুন, আমাকে রোগমুক্ত করে দিন এবং আমাকে রিযিক দান করুন।

১৯.

উপকারী ইলমের জন্য দু‘আ-২

۞ اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَسْأَلُكَ عِلْمًا نَافِعًا وَعَمَلًا مُتَقَبَّلًا وَرِزْقًا طَيِّبًا
উচ্চারণঃ

আল্ল-হুম্মা ইন্নী আস্আলুকা ’ইলমান না-ফি’আন ওয়া ’আমালান মুতাকাব্বালান ওয়া রিযকন ত্বইয়্যিবা।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে উপকারী 'ইলম, উত্তম রিযিক এবং মকবূল আমল চাই।

২০.

মৃত্যু নিকটবর্তী অনুভব হলে পড়ার দু‘আ-৩

۞ لٓاَ إِلٰهَ إِلاَّ اللّٰهُ وَاللّٰهُ أَكْبَرُ، لٓاَ إِلٰهَ إِلاَّ اللّٰهُ وَحْدَهُ، لٓاَ إِلٰهَ إِلاَّ اللّٰهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيْكَ لَهُ، لٓاَ إِلٰهَ إِلاَّ اللّٰهُ لَهُ المُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ، لٓاَ إِلٰهَ إِلاَّ اللّٰهُ وَلاَ حَوْلَ وَلاَ قُوَّةَ إِلاَّ بِاللّٰهِ
উচ্চারণঃ

লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু, আল্লা-হু আকবার, লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহদাহু, লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু, লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়ালা হাউলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লা-হ

অর্থঃ

আল্লাহ ব্যতীত কোনো ইলাহ নেই, আল্লাহ মহান। একমাত্র আল্লাহ ব্যতীত কোনো ইলাহ নেই। একমাত্র আল্লাহ ব্যতীত কোনো হক্ব ইলাহ নেই, তাঁর কোনো শরীক নেই। আল্লাহ ব্যতীত কোনো ইলাহ নেই, যাবতীয় রাজত্ব তাঁরই, তার জন্যই সকল প্রশংসা, আল্লাহ ব্যতীত কোনো ইলাহ নেই, আল্লাহর সাহায্য ছাড়া (পাপ কাজ থেকে দূরে থাকার) কোনো উপায় এবং (সৎকাজ করার) কোনো শক্তি নেই।