আত্-তারগীব ওয়াত্-তারহীব- ইমাম মুনযিরী রহঃ
الترغيب والترهيب للمنذري
১৭. অধ্যায়ঃ পোশাক-পরিচ্ছদ - এর পরিচ্ছেদসমূহ
মোট হাদীস ১১৭ টি
হাদীস নং: ৩১১৭
অধ্যায়ঃ পোশাক-পরিচ্ছদ
পরিচ্ছেদঃ জামা পরিধান করার প্রতি অনুপ্রেরণা এবং জামা ও অন্যান্য পোশাক, যা পরিধেয়, তা শরী'আত পরিপন্থী লম্বা করা, অহংকার করে পোশাক টেনে চলা এবং সালাত ও অন্যান্য সময়ে (পায়ের নিচে) ঝুলিয়ে দেয়ার প্রতি ভীতি প্রদর্শন
৩১১৭. হযরত ইবনে মাসউদ (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি: যে ব্যক্তি সালাতে অহংকারবশত তার পরিধেয় বস্ত্র টাখনুর নিচে ঝুলিয়ে পরিধান করে তার কোন ভাল বা মন্দ আল্লাহর কাছে গৃহীত হবে না।
(আবূ দাউদ। ইমাম আবু দাউদ (র) বলেন, একদল মুহাদ্দিস হযরত ইবনে মাসউদ (রা) পর্যন্ত উক্ত হাদীসটি মাওকুফ সূত্রে বর্ণনা করেন।)
(আবূ দাউদ। ইমাম আবু দাউদ (র) বলেন, একদল মুহাদ্দিস হযরত ইবনে মাসউদ (রা) পর্যন্ত উক্ত হাদীসটি মাওকুফ সূত্রে বর্ণনা করেন।)
كتاب اللباس
التَّرْغِيب فِي الْقَمِيص والترهيب من طوله وَطول غَيره مِمَّا يلبس وجره خُيَلَاء وإسباله فِي الصَّلَاة وَغَيرهَا
3117- وَعَن ابْن مَسْعُود رَضِي الله عَنهُ قَالَ سَمِعت رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم يَقُول من أسبل إزَاره فِي صلَاته خُيَلَاء فَلَيْسَ من الله فِي حل وَلَا حرَام
رَوَاهُ أَبُو دَاوُد وَقَالَ وَرَوَاهُ جمَاعَة مَوْقُوفا على ابْن مَسْعُود
رَوَاهُ أَبُو دَاوُد وَقَالَ وَرَوَاهُ جمَاعَة مَوْقُوفا على ابْن مَسْعُود
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩১১৮
অধ্যায়ঃ পোশাক-পরিচ্ছদ
পরিচ্ছেদঃ জামা পরিধান করার প্রতি অনুপ্রেরণা এবং জামা ও অন্যান্য পোশাক, যা পরিধেয়, তা শরী'আত পরিপন্থী লম্বা করা, অহংকার করে পোশাক টেনে চলা এবং সালাত ও অন্যান্য সময়ে (পায়ের নিচে) ঝুলিয়ে দেয়ার প্রতি ভীতি প্রদর্শন
৩১১৮. হযরত আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমাদের মধ্যকার এক ব্যক্তি টাখনুর নিচে পরিধেয় বস্ত্র ঝুলিয়ে রেখে সালাত আদায় করল। তখন রাসুলুল্লাহ (ﷺ) তাকে বললেনঃ তুমি চলে যাও এবং ওযু করে এসো। সে গেল এবং ওযু করে এলো। এরপর তিনি তাকে আবার বলেন: তুমি চলে যাও এবং ওষু করে এসো। অন্য এক ব্যক্তি তাঁকে বলল: ইয়া রাসূলাল্লাহ্! আপনি তাকে কেন ওযু করার নির্দেশ দিলেন। এরপর আপনি কেন নীরব রইলেন। তিনি বলেন: সে টাখনুর নিচে পরিধেয় বস্ত্র ঝুলিয়ে রেখে সালাত আদায় করেছিল, আর আল্লাহ্ টাখনুর নিচে ঝুলিয়ে বস্ত্র পরিধানকারীর সালাত কবুল করেন না।
(আবু দাউদ, আবু জাফর মাদানী, মুহাম্মাদ ইবনে আলী ইবনে হুসাইন (র) হযরত আবু হুরায়রা (রা) সূত্রে বর্ণনা করেন, তবে বর্ণনাটি মুরসাল অন্যথায় এ সম্পর্কে আমার জানা নেই।)
(আবু দাউদ, আবু জাফর মাদানী, মুহাম্মাদ ইবনে আলী ইবনে হুসাইন (র) হযরত আবু হুরায়রা (রা) সূত্রে বর্ণনা করেন, তবে বর্ণনাটি মুরসাল অন্যথায় এ সম্পর্কে আমার জানা নেই।)
كتاب اللباس
التَّرْغِيب فِي الْقَمِيص والترهيب من طوله وَطول غَيره مِمَّا يلبس وجره خُيَلَاء وإسباله فِي الصَّلَاة وَغَيرهَا
3118- وَعَن أبي هُرَيْرَة رَضِي الله عَنهُ قَالَ بَيْنَمَا رجل يُصَلِّي مسبلا إزَاره فَقَالَ لَهُ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم اذْهَبْ فَتَوَضَّأ فَذهب فَتَوَضَّأ ثمَّ جَاءَ ثمَّ قَالَ لَهُ اذْهَبْ فَتَوَضَّأ فَقَالَ لَهُ رجل آخر يَا رَسُول الله مَا لَك أَمرته أَن يتَوَضَّأ ثمَّ سكت عَنهُ قَالَ إِنَّه كَانَ يُصَلِّي وَهُوَ مُسبل إزَاره وَإِن الله لَا يقبل صَلَاة رجل مُسبل
رَوَاهُ أَبُو دَاوُد وَأَبُو جَعْفَر الْمدنِي إِن كَانَ مُحَمَّد بن عَليّ بن الْحُسَيْن فروايته عَن أبي هُرَيْرَة مُرْسلَة وَإِن كَانَ غَيره فَلَا أعرفهُ
رَوَاهُ أَبُو دَاوُد وَأَبُو جَعْفَر الْمدنِي إِن كَانَ مُحَمَّد بن عَليّ بن الْحُسَيْن فروايته عَن أبي هُرَيْرَة مُرْسلَة وَإِن كَانَ غَيره فَلَا أعرفهُ
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩১১৯
অধ্যায়ঃ পোশাক-পরিচ্ছদ
পরিচ্ছেদঃ নুতন কাপড় পরিধানকালে দু'আ পড়ার প্রতি অনুপ্রেরণা
৩১১৯. হযরত মু'আয ইবনে আনাস (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: যে ব্যক্তি আহার করার পর এই দু‘আ- الْحَمْدُ للهِ الَّذِي أَطْعَمَنِي هَذَا وَرَزَقَنِيهِ مِنْ غَيْرِ حَوْلٍ مِنِّي، وَلاَ قُوَّةٍ - সমস্ত প্রশংসা একমাত্র আল্লাহর জন্য, যিনি আমাকে এইখানা আহার করালেন এবং আমার শক্তি সামর্থ্য ব্যতিরেকেই তিনি তা আমাকে দান করেছেন", পাঠ করবে, তার পূর্বের কৃত গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে। আর যে ব্যক্তি নতুন কাপড় পরে এ দু‘আ- الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي كَسَانِي هَذَا وَرَزَقَنِيهِ مِنْ غَيْرِ حَوْلٍ مِنِّي وَلَا قُوَّةٍ সমস্ত প্রশংসা একমাত্র আল্লাহর জন্য, যিনি আমাকে শক্তি সামর্থ্য ব্যতিরেকেই পরিধান করালেন", পাঠ করবে, তার পূর্বাপর গুনাহ ক্ষমা করা হবে।
(আবু দাউদ, হাকিম বর্ণিত, তবে হাকিম (র) وما تاخر বলেন নি। তিনি বলেন: হাদীসটি সহীহ্ সনদে বর্ণিত। তিরমিযী ও ইবনে মাজাহ (র) প্রথম অর্ধেক বর্ণনা করেন। ইমাম তিরমিযী (র) বলেন: হাদীসটি হাসান-গরীব। (হাফিয আবদুল আযীম মুনযিরী (র) বলেন): উপরে বর্ণিত চারজন মুহাদ্দিস আবদুর রহীম আবু মারহুম থেকে, তিনি সাহল ইবনে মু'আয (রা) থেকে, তিনি তাঁর পিতা (মু'আয (রা) থেকে বর্ণনা করেন। আবদুর রহীম এবং সাহল সম্পর্কে বিস্তারিত বিবরণ সামনে আসবে।)
(আবু দাউদ, হাকিম বর্ণিত, তবে হাকিম (র) وما تاخر বলেন নি। তিনি বলেন: হাদীসটি সহীহ্ সনদে বর্ণিত। তিরমিযী ও ইবনে মাজাহ (র) প্রথম অর্ধেক বর্ণনা করেন। ইমাম তিরমিযী (র) বলেন: হাদীসটি হাসান-গরীব। (হাফিয আবদুল আযীম মুনযিরী (র) বলেন): উপরে বর্ণিত চারজন মুহাদ্দিস আবদুর রহীম আবু মারহুম থেকে, তিনি সাহল ইবনে মু'আয (রা) থেকে, তিনি তাঁর পিতা (মু'আয (রা) থেকে বর্ণনা করেন। আবদুর রহীম এবং সাহল সম্পর্কে বিস্তারিত বিবরণ সামনে আসবে।)
كتاب اللباس
التَّرْغِيب فِي كَلِمَات يقولهن من لبس ثوبا جَدِيدا
3119- عَن معَاذ بن أنس رَضِي الله عَنهُ قَالَ قَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم من أكل طَعَاما فَقَالَ
الْحَمد لله الَّذِي أَطْعمنِي هَذَا ورزقنيه من غير حول مني وَلَا قُوَّة غفر لَهُ مَا تقدم من ذَنبه وَمن لبس ثوبا جَدِيدا فَقَالَ الْحَمد لله الَّذِي كساني هَذَا ورزقنيه من غير حول مني وَلَا قُوَّة غفر لَهُ مَا تقدم من ذَنبه وَمَا تَأَخّر
رَوَاهُ أَبُو دَاوُد وَالْحَاكِم وَلم يقل وَمَا تَأَخّر
وَقَالَ صَحِيح الْإِسْنَاد وروى التِّرْمِذِيّ وَابْن مَاجَه شطره الأول وَقَالَ التِّرْمِذِيّ حَدِيث حسن غَرِيب
قَالَ الْحَافِظ عبد الْعَظِيم رَوَاهُ هَؤُلَاءِ الْأَرْبَعَة من طَرِيق عبد الرَّحِيم أبي مَرْحُوم عَن سهل بن معَاذ عَن أَبِيه وَعبد الرَّحِيم وَسَهل يَأْتِي الْكَلَام عَلَيْهِمَا
الْحَمد لله الَّذِي أَطْعمنِي هَذَا ورزقنيه من غير حول مني وَلَا قُوَّة غفر لَهُ مَا تقدم من ذَنبه وَمن لبس ثوبا جَدِيدا فَقَالَ الْحَمد لله الَّذِي كساني هَذَا ورزقنيه من غير حول مني وَلَا قُوَّة غفر لَهُ مَا تقدم من ذَنبه وَمَا تَأَخّر
رَوَاهُ أَبُو دَاوُد وَالْحَاكِم وَلم يقل وَمَا تَأَخّر
وَقَالَ صَحِيح الْإِسْنَاد وروى التِّرْمِذِيّ وَابْن مَاجَه شطره الأول وَقَالَ التِّرْمِذِيّ حَدِيث حسن غَرِيب
قَالَ الْحَافِظ عبد الْعَظِيم رَوَاهُ هَؤُلَاءِ الْأَرْبَعَة من طَرِيق عبد الرَّحِيم أبي مَرْحُوم عَن سهل بن معَاذ عَن أَبِيه وَعبد الرَّحِيم وَسَهل يَأْتِي الْكَلَام عَلَيْهِمَا
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩১২০
অধ্যায়ঃ পোশাক-পরিচ্ছদ
পরিচ্ছেদঃ নুতন কাপড় পরিধানকালে দু'আ পড়ার প্রতি অনুপ্রেরণা
৩১২০. হযরত আবু উমামা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, হযরত উমার ইবনে খাত্তাব (রা) নূতন কাপড় পরিধান করে এই দু‘আ- الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي كَسَانِي مَا أُوَارِي بِهِ عَوْرَتِي، وَأَتَجَمَّلُ بِهِ فِي حَيَاتِي সমস্ত প্রশংসা একমাত্র আল্লাহর জন্য, যিনি আমাকে এই পোষাক পরিধান করালেন, যার দ্বারা আমি গুপ্তাঙ্গ আবৃত করেছি", পাঠ করেন। পরে তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি নূতন কাপড় পরিধান করে এই দু'আ- الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي كَسَانِي مَا أُوَارِي بِهِ عَوْرَتِي، وَأَتَجَمَّلُ بِهِ فِي حَيَاتِي এমস্ত প্রশংসা একমাত্র আল্লাহর জন্য, যিনি আমাকে এই পোষাক পরিধান করালেন, যার দ্বারা আমি লজ্জাস্থান আবৃত করেছি এবং আমার শরীরকে সৌন্দর্যমণ্ডিত করেছি", পাঠ করবে, এরপর ব্যবহৃত পুরান কাপড় দান করে দেবে, সে জীবনে মরণে (সর্বাবস্থায়) আল্লাহর তত্ত্বাবধানে ও হিফাযতে এবং আল্লাহর রহমতের আঁচলে অবস্থান করবে।
(তিরমিযী নিজ শব্দযোগে বর্ণনা করেন এবং তিনি বলেন, হাদীসটি গরীব। ইবনে মাজাহ এবং হাকিম (র) বর্ণিত। তাঁরা প্রত্যেকেই আসবাগ ইবনে যায়িদ থেকে, তিনি আবুল আলা থেকে বর্ণনা করেন। আবুল আ'লা অজ্ঞাত ব্যক্তি এবং আসবাগে সম্পর্কে আলোচনা সামনে আসবে। বায়হাকী ও অন্যান্যগণ উবায়দুল্লাহ্ ইবনে যাহর থেকে, তিনি আলী ইবনে ইয়াযীদ থেকে, তিনি কাসিম থেকে বর্ণনা করেন।
এ বর্ণনায় তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ্ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি কাপড় পরিধান করে অথবা (রাবীর সন্দেহ) নতুন কাপড় পরিধান করে। তিনি বলেন, যখন কাপড় কণ্ঠনালী পর্যন্ত পৌঁছে, তখন সে উপরোক্ত দু'আ পাঠ করে, এরপর কাপড় পুরান হলে কোন মিসকিনকে দান করে। এ ব্যক্তি সর্বদা আল্লাহর রহমতের আশ্রয়ে তাঁর যিম্মাদারীতে এবং তাঁর রক্ষণাবেক্ষণে জীবনে-মরণে থাকবে, যতদিন পর্যন্ত কাপড়ের একটি সুতাও বর্তমান থাকে। বায়হাকীর অন্য বর্ণনায় আছে, ইয়াসীন বলেছেন: আমি উবায়দুল্লাহকে জিজ্ঞেস করলাম: দুই কাপড়ের কোনটি? তিনি বললেনঃ তা জানি না।)
(তিরমিযী নিজ শব্দযোগে বর্ণনা করেন এবং তিনি বলেন, হাদীসটি গরীব। ইবনে মাজাহ এবং হাকিম (র) বর্ণিত। তাঁরা প্রত্যেকেই আসবাগ ইবনে যায়িদ থেকে, তিনি আবুল আলা থেকে বর্ণনা করেন। আবুল আ'লা অজ্ঞাত ব্যক্তি এবং আসবাগে সম্পর্কে আলোচনা সামনে আসবে। বায়হাকী ও অন্যান্যগণ উবায়দুল্লাহ্ ইবনে যাহর থেকে, তিনি আলী ইবনে ইয়াযীদ থেকে, তিনি কাসিম থেকে বর্ণনা করেন।
এ বর্ণনায় তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ্ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি কাপড় পরিধান করে অথবা (রাবীর সন্দেহ) নতুন কাপড় পরিধান করে। তিনি বলেন, যখন কাপড় কণ্ঠনালী পর্যন্ত পৌঁছে, তখন সে উপরোক্ত দু'আ পাঠ করে, এরপর কাপড় পুরান হলে কোন মিসকিনকে দান করে। এ ব্যক্তি সর্বদা আল্লাহর রহমতের আশ্রয়ে তাঁর যিম্মাদারীতে এবং তাঁর রক্ষণাবেক্ষণে জীবনে-মরণে থাকবে, যতদিন পর্যন্ত কাপড়ের একটি সুতাও বর্তমান থাকে। বায়হাকীর অন্য বর্ণনায় আছে, ইয়াসীন বলেছেন: আমি উবায়দুল্লাহকে জিজ্ঞেস করলাম: দুই কাপড়ের কোনটি? তিনি বললেনঃ তা জানি না।)
كتاب اللباس
التَّرْغِيب فِي كَلِمَات يقولهن من لبس ثوبا جَدِيدا
3120- وَعَن أبي أُمَامَة رَضِي الله عَنهُ قَالَ لبس عمر بن الْخطاب رَضِي الله عَنهُ ثوبا جَدِيدا فَقَالَ الْحَمد لله الَّذِي كساني مَا أواري بِهِ عورتي وأتجمل بِهِ فِي حَياتِي ثمَّ قَالَ سَمِعت رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم يَقُول من لبس ثوبا جَدِيدا فَقَالَ الْحَمد لله الَّذِي كساني مَا أواري بِهِ عورتي وأتجمل بِهِ فِي حَياتِي ثمَّ عمد إِلَى الثَّوْب الَّذِي أخلق فَتصدق بِهِ كَانَ فِي كنف الله وَفِي حفظ الله وَفِي ستر الله حَيا وَمَيتًا
رَوَاهُ التِّرْمِذِيّ وَاللَّفْظ لَهُ وَقَالَ حَدِيث غَرِيب وَابْن مَاجَه وَالْحَاكِم كلهم من رِوَايَة أصبغ بن زيد عَن أبي الْعَلَاء عَنهُ وَأَبُو الْعَلَاء مَجْهُول وَأصبغ يَأْتِي ذكره وَرَوَاهُ الْبَيْهَقِيّ وَغَيره من طَرِيق عبيد الله بن زحر عَن عَليّ بن يزِيد عَن الْقَاسِم عَنهُ فَذكره وَقَالَ فِيهِ سَمِعت رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم يَقُول من لبس ثوبا أَحْسبهُ قَالَ جَدِيدا فَقَالَ حِين يبلغ ترقوته مثل ذَلِك ثمَّ عمد إِلَى ثَوْبه الْخلق فَكَسَاهُ مِسْكينا لم يزل فِي جوَار الله وَفِي ذمَّة الله وَفِي كنف الله حَيا وَمَيتًا مَا بَقِي من الثَّوْب سلك
زَاد فِي بعض رواياته قَالَ يس فَقلت لِعبيد الله من أَي الثَّوْبَيْنِ قَالَ لَا أَدْرِي
رَوَاهُ التِّرْمِذِيّ وَاللَّفْظ لَهُ وَقَالَ حَدِيث غَرِيب وَابْن مَاجَه وَالْحَاكِم كلهم من رِوَايَة أصبغ بن زيد عَن أبي الْعَلَاء عَنهُ وَأَبُو الْعَلَاء مَجْهُول وَأصبغ يَأْتِي ذكره وَرَوَاهُ الْبَيْهَقِيّ وَغَيره من طَرِيق عبيد الله بن زحر عَن عَليّ بن يزِيد عَن الْقَاسِم عَنهُ فَذكره وَقَالَ فِيهِ سَمِعت رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم يَقُول من لبس ثوبا أَحْسبهُ قَالَ جَدِيدا فَقَالَ حِين يبلغ ترقوته مثل ذَلِك ثمَّ عمد إِلَى ثَوْبه الْخلق فَكَسَاهُ مِسْكينا لم يزل فِي جوَار الله وَفِي ذمَّة الله وَفِي كنف الله حَيا وَمَيتًا مَا بَقِي من الثَّوْب سلك
زَاد فِي بعض رواياته قَالَ يس فَقلت لِعبيد الله من أَي الثَّوْبَيْنِ قَالَ لَا أَدْرِي
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩১২১
অধ্যায়ঃ পোশাক-পরিচ্ছদ
পরিচ্ছেদঃ নুতন কাপড় পরিধানকালে দু'আ পড়ার প্রতি অনুপ্রেরণা
৩১২১. হযরত আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: কোন বান্দাকে যখন আল্লাহ্ কোন নি'আমত দান করেন এবং সে জানে যে, তা একমাত্র আল্লাহর পক্ষ হতে, কেউ তাঁর প্রশংসা করার পূর্বে আল্লাহ্ তার আমলনামায় তাকে শোকরওযার বান্দারূপে লেখে নেন। যখন কোন বান্দা গুনাহের কাজ করে এবং গুনাহের কারণে লজ্জিত হয়, সে ক্ষমা চাওয়ার পূর্বে আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দেন। কোন বান্দা যখন এক দীনার অথবা অর্ধ দীনার মূল্যে একটি কাপড় ক্রয় করে, পরে তা পরিধান করে, আল্লাহর প্রশংসা করে, উক্ত কাপড় হাটু পর্যন্ত পৌঁছা পর্যন্ত আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দেন।
(ইবনে আবু দুনিয়া, হাকিম ও বায়হাকী বর্ণিত। ইমাম হাকিম (র) বলেন: আমি উল্লিখিত বর্ণনা সূত্রে কাউকে অভিযুক্ত বলে মনে করি না।)
(ইবনে আবু দুনিয়া, হাকিম ও বায়হাকী বর্ণিত। ইমাম হাকিম (র) বলেন: আমি উল্লিখিত বর্ণনা সূত্রে কাউকে অভিযুক্ত বলে মনে করি না।)
كتاب اللباس
التَّرْغِيب فِي كَلِمَات يقولهن من لبس ثوبا جَدِيدا
3121- وَعَن عَائِشَة رَضِي الله عَنْهَا قَالَت قَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم مَا أنعم الله على عبد نعْمَة فَعلم أَنَّهَا من الله إِلَّا كتب الله لَهُ شكرها قبل أَن يحمده عَلَيْهَا وَمَا أذْنب عبد ذَنبا فندم عَلَيْهِ إِلَّا كتب الله لَهُ مغْفرَة قبل أَن يَسْتَغْفِرهُ وَمَا اشْترى عبد ثوبا بِدِينَار أَو نصف دِينَار فلبسه فَحَمدَ الله عز وَجل إِلَّا لم يبلغ رُكْبَتَيْهِ حَتَّى يغْفر الله لَهُ
رَوَاهُ ابْن أبي الدُّنْيَا وَالْحَاكِم وَالْبَيْهَقِيّ وَقَالَ الْحَاكِم رُوَاته لَا أعلم فيهم مجروحا كَذَا قَالَ
رَوَاهُ ابْن أبي الدُّنْيَا وَالْحَاكِم وَالْبَيْهَقِيّ وَقَالَ الْحَاكِم رُوَاته لَا أعلم فيهم مجروحا كَذَا قَالَ
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩১২২
অধ্যায়ঃ পোশাক-পরিচ্ছদ
পরিচ্ছেদঃ মহিলাদের এমন পাতলা কাপড় পরা, যাতে তাদের শরীরের অবস্থা বুঝা যায়, তার প্রতি ভীতি প্রদর্শন
৩১২২. হযরত আবদুল্লাহ্ ইবনে উমার (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি: শেষ যামানায় আমার উম্মাতের একদল লোক মানুষের ন্যায় উঁচু উটের পালানে আরোহণ করবে, আর তারা মসজিদে অহংকারবশে আসবে। তাদের নারীগণ কাপড় পরিহিত হওয়া সত্ত্বেও উলঙ্গ হবে। তাদের মাথায় বুখত উটের কুঁজের ন্যায় খোপা হবে। তাদের অন্তর কঠিন হবে। তোমরা তাদের লা'নত কর। কেননা, তারা অভিশপ্ত। তোমাদের পরে যদি কোন উম্মাত আসত, তাহলে তোমাদের স্ত্রীগণ তাদের খিদমত করত, যেমন পূর্ববর্তী উম্মাতের নারীগণ তোমাদের খিদমত করেছে।
(ইবনে হিব্বানের নিজ শব্দে ও হাকিম বর্ণিত। ইমাম হাকিম (র) বলেন: হাদীসটি মুসলিমের শর্তানুযায়ী বিশুদ্ধ।)
(ইবনে হিব্বানের নিজ শব্দে ও হাকিম বর্ণিত। ইমাম হাকিম (র) বলেন: হাদীসটি মুসলিমের শর্তানুযায়ী বিশুদ্ধ।)
كتاب اللباس
التَّرْهِيب من لبس النِّسَاء الرَّقِيق من الثِّيَاب الَّتِي تصف الْبشرَة
3122- عَن عبد الله بن عمر رَضِي الله عَنْهُمَا قَالَ سَمِعت رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم يَقُول يكون فِي آخر أمتِي رجال يركبون على سرج كأشباه الرّحال ينزلون على أَبْوَاب الْمَسَاجِد نِسَاؤُهُم كاسيات عاريات على رؤوسهن كأسنمة البخت الْعِجَاف العنوهن فَإِنَّهُنَّ ملعونات لَو كَانَ وراءكم أمة من الْأُمَم خدمتهن نِسَاؤُكُمْ كَمَا خدمكم نسَاء الْأُمَم قبلكُمْ
رَوَاهُ ابْن حبَان فِي صَحِيحه وَاللَّفْظ لَهُ وَالْحَاكِم وَقَالَ صَحِيح على شَرط مُسلم
رَوَاهُ ابْن حبَان فِي صَحِيحه وَاللَّفْظ لَهُ وَالْحَاكِم وَقَالَ صَحِيح على شَرط مُسلم
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩১২৩
অধ্যায়ঃ পোশাক-পরিচ্ছদ
পরিচ্ছেদঃ মহিলাদের এমন পাতলা কাপড় পরা, যাতে তাদের শরীরের অবস্থা বুঝা যায়, তার প্রতি ভীতি প্রদর্শন
৩১২৩. হযরত আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ জাহান্নামীদের এমন দু'টি দল, যাদের আমি দেখিনি। তাদের এক দলের হাতে গরুর লেজের মত চাবুক থাকবে। তারা তা দিয়ে লোকদের মারবে। আর একদল হবে নারীদের। তাদের পোশাক-পরিচ্ছদ পরিধান করা সত্ত্বেও উলঙ্গ দেখাবে। তারা গর্বের সাথে নৃত্যের ভঙ্গিতে বাহু দুলিয়ে পথ চলবে। তারা বুধূর্তী উটের উঁচু কুঁজের মত করে খোপা বাঁধবে। এমন নারীরা কখনো জান্নাতে প্রবেশ লাভ করবে না এবং তারা জান্নাতের সুগন্ধিও পাবে না। অথচ জান্নাতের সুগন্ধি অনেক অনেক দূর থেকে পাওয়া যাবে।
(মুসলিম ও অন্যান্য হাদীস গ্রন্থে।)
(মুসলিম ও অন্যান্য হাদীস গ্রন্থে।)
كتاب اللباس
التَّرْهِيب من لبس النِّسَاء الرَّقِيق من الثِّيَاب الَّتِي تصف الْبشرَة
3123- عَن أبي هُرَيْرَة رَضِي الله عَنهُ قَالَ قَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم صنفان من أهل النَّار لم أرهما قوم مَعَهم سياط كأذناب الْبَقر يضْربُونَ بهَا النَّاس وَنسَاء كاسيات عاريات مميلات مائلات رؤوسهن كأسنمة البخت المائلة لَا يدخلن الْجنَّة وَلَا يجدن رِيحهَا وَإِن رِيحهَا ليوجد من مسيرَة كَذَا وَكَذَا
رَوَاهُ مُسلم وَغَيره
رَوَاهُ مُسلم وَغَيره
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩১২৪
অধ্যায়ঃ পোশাক-পরিচ্ছদ
পরিচ্ছেদঃ মহিলাদের এমন পাতলা কাপড় পরা, যাতে তাদের শরীরের অবস্থা বুঝা যায়, তার প্রতি ভীতি প্রদর্শন
৩১২৪. হযরত আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত। একদা আসমা বিনত আবু বাকর (রা) পাতলা কাপড় পরে বাসুলুল্লাহ (ﷺ) -এর নিকট আসেন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তার থেকে অন্য দিকে চেহারা ফিরিয়ে নেন এবং বলেন। হে আসমা! কোন মেয়ে যখন বালিগ হয়, তখন তার শরীরের কোন অঙ্গ দেখা যাওয়া উচিত নয়, তবে এছাড়া এই বলে তিনি তার চেহারা ও হাতের তালুর দিকে ইঙ্গিত করেন।
(আবু দাউদ, ইমাম আবু দাউদ (র) বলেন, এই হাদীসটি মুরসাল। কেননা, হযরত খালিদ ইবনে দারীক (রা) হযরত আয়েশা (রা)-এর সাক্ষাৎ পান নি।)
(আবু দাউদ, ইমাম আবু দাউদ (র) বলেন, এই হাদীসটি মুরসাল। কেননা, হযরত খালিদ ইবনে দারীক (রা) হযরত আয়েশা (রা)-এর সাক্ষাৎ পান নি।)
كتاب اللباس
التَّرْهِيب من لبس النِّسَاء الرَّقِيق من الثِّيَاب الَّتِي تصف الْبشرَة
3124- وَعَن عَائِشَة رَضِي الله عَنْهَا أَن أَسمَاء بنت أبي بكر دخلت على رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم وَعَلَيْهَا ثِيَاب رقاق فَأَعْرض عَنْهَا رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم وَقَالَ يَا أَسمَاء إِن الْمَرْأَة إِذا بلغت الْمَحِيض لم يصلح أَن يرى مِنْهَا إِلَّا هَذَا
وَأَشَارَ إِلَى وَجهه وكفيه
رَوَاهُ أَبُو دَاوُد وَقَالَ هَذَا مُرْسل وخَالِد بن دريك لم يدْرك عَائِشَة
وَأَشَارَ إِلَى وَجهه وكفيه
رَوَاهُ أَبُو دَاوُد وَقَالَ هَذَا مُرْسل وخَالِد بن دريك لم يدْرك عَائِشَة
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩১২৫
অধ্যায়ঃ পোশাক-পরিচ্ছদ
পরিচ্ছেদঃ পুরুষের রেশমের পোশাক পরা তার উপর বসা ও স্বর্ণের অলংকার ব্যবহারের প্রতি ভীতি প্রদর্শন এবং উপরোক্ত দু'টি মহিলাদের বর্জনের প্রতি অনুপ্রেরণা
৩১২৫. হযরত উমার ইবনে খাত্তাব (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: তোমরা রেশমের পোশাক পরিধান করবে না। কেননা, যে ব্যক্তি দুনিয়ায় রেশমের পোশাক পরিধান করবে, সে আখিরাতে তা পরিধান করবে না। (অর্থাৎ তাকে রেশমের পোশাক পরিধান করতে দেওয়া হবে না)।
(বুখারী, মুসলিম, তিরমিযী ও নাসাঈ বর্ণিত।
[ইমাম নাসাঈ (র) আরো বাড়িয়ে বলেছেন: ইবনে যুবায়র (র) বলেন, যে ব্যক্তি দুনিয়াতে তা পরিধান করবে, সে জান্নাতে যেতে পারবে নাঁ। মহান আল্লাহ্ বলেনঃ "জান্নাতে তাদের পোশাক হবে রেশমের"।)
(বুখারী, মুসলিম, তিরমিযী ও নাসাঈ বর্ণিত।
[ইমাম নাসাঈ (র) আরো বাড়িয়ে বলেছেন: ইবনে যুবায়র (র) বলেন, যে ব্যক্তি দুনিয়াতে তা পরিধান করবে, সে জান্নাতে যেতে পারবে নাঁ। মহান আল্লাহ্ বলেনঃ "জান্নাতে তাদের পোশাক হবে রেশমের"।)
كتاب اللباس
ترهيب الرِّجَال من لبسهم الْحَرِير وجلوسهم عَلَيْهِ والتحلي بِالذَّهَب وترغيب النِّسَاء فِي تَركهمَا
3125- عَن عمر بن الْخطاب رَضِي الله عَنهُ قَالَ قَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم لَا تلبسوا الْحَرِير فَإِنَّهُ من لبسه فِي الدُّنْيَا لم يلْبسهُ فِي الْآخِرَة
رَوَاهُ البُخَارِيّ وَمُسلم وَالتِّرْمِذِيّ وَالنَّسَائِيّ
وَزَاد وَقَالَ ابْن الزبير من لبسه فِي الدُّنْيَا لم يدْخل الْجنَّة
قَالَ الله تَعَالَى ولباسهم فِيهَا حَرِير الْحَج 32
رَوَاهُ البُخَارِيّ وَمُسلم وَالتِّرْمِذِيّ وَالنَّسَائِيّ
وَزَاد وَقَالَ ابْن الزبير من لبسه فِي الدُّنْيَا لم يدْخل الْجنَّة
قَالَ الله تَعَالَى ولباسهم فِيهَا حَرِير الْحَج 32
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩১২৬
অধ্যায়ঃ পোশাক-পরিচ্ছদ
পরিচ্ছেদঃ পুরুষের রেশমের পোশাক পরা তার উপর বসা ও স্বর্ণের অলংকার ব্যবহারের প্রতি ভীতি প্রদর্শন এবং উপরোক্ত দু'টি মহিলাদের বর্জনের প্রতি অনুপ্রেরণা
৩১২৬. হযরত উমার ইবনে খাত্তাব (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছিঃ দুনিয়াতে সেই রেশমী পোশাক পরিধান করে থাকে। (অখিরাতে) যার কোন হিস্সা নেই।
(বুখারী, ইবনে মাজাহ ও নাসাঈ বর্ণিত। ইমাম নাসাঈর বর্ণনায় আছে: من لا خلاق له فى الآخرة "আখিরাতে তার কোন হিসসা নেই।")
(বুখারী, ইবনে মাজাহ ও নাসাঈ বর্ণিত। ইমাম নাসাঈর বর্ণনায় আছে: من لا خلاق له فى الآخرة "আখিরাতে তার কোন হিসসা নেই।")
كتاب اللباس
ترهيب الرِّجَال من لبسهم الْحَرِير وجلوسهم عَلَيْهِ والتحلي بِالذَّهَب وترغيب النِّسَاء فِي تَركهمَا
3126- وَعنهُ رَضِي الله عَنهُ قَالَ سَمِعت رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم يَقُول إِنَّمَا يلبس الْحَرِير من لَا خلاق لَهُ
رَوَاهُ البُخَارِيّ وَابْن مَاجَه وَالنَّسَائِيّ فِي رِوَايَة من لَا خلاق لَهُ فِي الْآخِرَة
رَوَاهُ البُخَارِيّ وَابْن مَاجَه وَالنَّسَائِيّ فِي رِوَايَة من لَا خلاق لَهُ فِي الْآخِرَة
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩১২৭
অধ্যায়ঃ পোশাক-পরিচ্ছদ
পরিচ্ছেদঃ পুরুষের রেশমের পোশাক পরা তার উপর বসা ও স্বর্ণের অলংকার ব্যবহারের প্রতি ভীতি প্রদর্শন এবং উপরোক্ত দু'টি মহিলাদের বর্জনের প্রতি অনুপ্রেরণা
৩১২৭. হযরত আবু সাঈদ খুদরী (রা) থেকে বর্ণিত। নবী (ﷺ) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি দুনিয়াতে রেশমী পোশাক পরিধান করবে, সে আখিরাতে তা পরিধান করতে পারবে না। যদিও সে জান্নাতী হয়। অন্যান্য জান্নাতীরা পরিধান করবে অথচ সে পরিধান করতে পারবে না।
(নাসাঈ, ইবনে হিব্বানের সহীহ্ গ্রন্থ এবং হাফিয বর্ণিত। ইমাম হাকিম (র) বলেন: হাদীসটি বিশুদ্ধ সনদে বর্ণিত।)
(নাসাঈ, ইবনে হিব্বানের সহীহ্ গ্রন্থ এবং হাফিয বর্ণিত। ইমাম হাকিম (র) বলেন: হাদীসটি বিশুদ্ধ সনদে বর্ণিত।)
كتاب اللباس
ترهيب الرِّجَال من لبسهم الْحَرِير وجلوسهم عَلَيْهِ والتحلي بِالذَّهَب وترغيب النِّسَاء فِي تَركهمَا
3127- وَعَن أبي سعيد الْخُدْرِيّ رَضِي الله عَنهُ أَن نَبِي الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم قَالَ من لبس الْحَرِير فِي الدُّنْيَا لم يلْبسهُ فِي الْآخِرَة وَإِن دخل الْجنَّة لبسه أهل الْجنَّة وَلم يلْبسهُ
رَوَاهُ النَّسَائِيّ وَابْن حبَان فِي صَحِيحه وَالْحَاكِم وَقَالَ صَحِيح الْإِسْنَاد
رَوَاهُ النَّسَائِيّ وَابْن حبَان فِي صَحِيحه وَالْحَاكِم وَقَالَ صَحِيح الْإِسْنَاد
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩১২৮
অধ্যায়ঃ পোশাক-পরিচ্ছদ
পরিচ্ছেদঃ পুরুষের রেশমের পোশাক পরা তার উপর বসা ও স্বর্ণের অলংকার ব্যবহারের প্রতি ভীতি প্রদর্শন এবং উপরোক্ত দু'টি মহিলাদের বর্জনের প্রতি অনুপ্রেরণা
৩১২৮. হযরত আনাস (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: যে ব্যক্তি দুনিয়াতে রেশমী পোশাক পরিধান করবে, সে আখিরাতে তা পরিধান করতে পারবে না।
(বুখারী ও মুসলিম, ইবনে মাজাহ বর্ণিত।)
(বুখারী ও মুসলিম, ইবনে মাজাহ বর্ণিত।)
كتاب اللباس
ترهيب الرِّجَال من لبسهم الْحَرِير وجلوسهم عَلَيْهِ والتحلي بِالذَّهَب وترغيب النِّسَاء فِي تَركهمَا
3128- وَعَن أنس رَضِي الله عَنهُ قَالَ قَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم من لبس الْحَرِير فِي الدُّنْيَا لم يلْبسهُ فِي الْآخِرَة
رَوَاهُ البُخَارِيّ وَمُسلم وَابْن مَاجَه
رَوَاهُ البُخَارِيّ وَمُسلم وَابْن مَاجَه
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩১২৯
অধ্যায়ঃ পোশাক-পরিচ্ছদ
পরিচ্ছেদঃ পুরুষের রেশমের পোশাক পরা তার উপর বসা ও স্বর্ণের অলংকার ব্যবহারের প্রতি ভীতি প্রদর্শন এবং উপরোক্ত দু'টি মহিলাদের বর্জনের প্রতি অনুপ্রেরণা
৩১২৯. হযরত আলী (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ)-কে ডান হাতে রেশমী পোশাক এবং বাম হাতে স্বর্ণ নিয়ে এই কথা বলতে শুনেছি। এ দু'টি জিনিস আমার উম্মাতের পুরুষের জন্য হারাম।
(আবু দাউদ ও নাসাঈ বর্ণিত।)
(আবু দাউদ ও নাসাঈ বর্ণিত।)
كتاب اللباس
ترهيب الرِّجَال من لبسهم الْحَرِير وجلوسهم عَلَيْهِ والتحلي بِالذَّهَب وترغيب النِّسَاء فِي تَركهمَا
3129- وَعَن عَليّ رَضِي الله عَنهُ قَالَ رَأَيْت رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم أَخذ حَرِيرًا فَجعله فِي يَمِينه وذهبا فَجعله فِي شِمَاله ثمَّ قَالَ إِن هذَيْن حرَام على ذُكُور أمتِي
رَوَاهُ أَبُو دَاوُد وَالنَّسَائِيّ
رَوَاهُ أَبُو دَاوُد وَالنَّسَائِيّ
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩১৩০
অধ্যায়ঃ পোশাক-পরিচ্ছদ
পরিচ্ছেদঃ পুরুষের রেশমের পোশাক পরা তার উপর বসা ও স্বর্ণের অলংকার ব্যবহারের প্রতি ভীতি প্রদর্শন এবং উপরোক্ত দু'টি মহিলাদের বর্জনের প্রতি অনুপ্রেরণা
৩১৩০. হযরত আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: যে ব্যক্তি দুনিয়াতে রেশমের পোশাক পরিধান করবে, সে আখিরাতে তা পরিধান করতে পারবে না। যে ব্যক্তি দুনিয়াতে মদ পান করবে, সে আখিরাতে মদ পান করতে পারবে না। যে ব্যক্তি দুনিয়াতে স্বর্ণ ও রৌপ্যের পাত্রে পানাহার করবে, সে অখিরাতে তাতে পানাহার করতে পারবে না। এরপর তিনি বলেন: জান্নাতীদের জন্য রয়েছে পোশাক, জান্নাতীদের জন্য রয়েছে পানীয় এবং জান্নাতীদের জন্য রয়েছে পান পাত্র।
(হাকিম, তিনি বলেন, হাদীসটি বিশুদ্ধ সনদে বর্ণিত।)
(হাকিম, তিনি বলেন, হাদীসটি বিশুদ্ধ সনদে বর্ণিত।)
كتاب اللباس
ترهيب الرِّجَال من لبسهم الْحَرِير وجلوسهم عَلَيْهِ والتحلي بِالذَّهَب وترغيب النِّسَاء فِي تَركهمَا
3130- وَعَن أبي هُرَيْرَة رَضِي الله عَنهُ أَن رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم قَالَ من لبس الْحَرِير فِي الدُّنْيَا لم يلْبسهُ فِي الْآخِرَة وَمن شرب الْخمر فِي الدُّنْيَا لم يشْربهَا فِي الْآخِرَة وَمن شرب فِي آنِية الذَّهَب وَالْفِضَّة لم يشرب بهَا فِي الْآخِرَة ثمَّ قَالَ لِبَاس أهل الْجنَّة وشراب أهل الْجنَّة وآنية أهل الْجنَّة
رَوَاهُ الْحَاكِم وَقَالَ صَحِيح الْإِسْنَاد
رَوَاهُ الْحَاكِم وَقَالَ صَحِيح الْإِسْنَاد
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩১৩১
অধ্যায়ঃ পোশাক-পরিচ্ছদ
পরিচ্ছেদঃ পুরুষের রেশমের পোশাক পরা তার উপর বসা ও স্বর্ণের অলংকার ব্যবহারের প্রতি ভীতি প্রদর্শন এবং উপরোক্ত দু'টি মহিলাদের বর্জনের প্রতি অনুপ্রেরণা
৩১৩১. হযরত উকবা ইবনে আমির (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার রাসুলুল্লাহ (ﷺ)-কে হাদীয়া স্বরূপ একটি রেশমী কাবা দেওয়া হয়েছিল। তিনি তা পরিধান করেন। এরপর তিনি (তা পরিধান অবস্থায়) সালাত আদায় করেন। সালাত থেকে অবসর হয়ে তিনি এটিকে খুলে এমনভাবে ছুঁড়ে মারেন, যেন এটি তিনি খুবই অপসন্দ করেছেন। এরপর বলেন। মুত্তাকীদের জন্য (এ জাতীয় পোশাক) শোভনীয় নয়।
(বুখারী ও মুসলিম বর্ণিত।
والفرج - কাবা যার পেছন দিক খোলা।)
(বুখারী ও মুসলিম বর্ণিত।
والفرج - কাবা যার পেছন দিক খোলা।)
كتاب اللباس
ترهيب الرِّجَال من لبسهم الْحَرِير وجلوسهم عَلَيْهِ والتحلي بِالذَّهَب وترغيب النِّسَاء فِي تَركهمَا
3131- وَعَن عقبَة بن عَامر رَضِي الله عَنهُ قَالَ أهدي لرَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم فروج حَرِير فلبسه ثمَّ صلى فِيهِ ثمَّ انْصَرف فَنَزَعَهُ نزعا شَدِيدا كالكاره لَهُ ثمَّ قَالَ لَا يَنْبَغِي هَذَا لِلْمُتقين
رَوَاهُ البُخَارِيّ وَمُسلم
والفروج بِفَتْح الْفَاء وَتَشْديد الرَّاء وَضمّهَا وبالجيم هُوَ القباء الَّذِي شقّ من خَلفه
رَوَاهُ البُخَارِيّ وَمُسلم
والفروج بِفَتْح الْفَاء وَتَشْديد الرَّاء وَضمّهَا وبالجيم هُوَ القباء الَّذِي شقّ من خَلفه
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩১৩২
অধ্যায়ঃ পোশাক-পরিচ্ছদ
পরিচ্ছেদঃ পুরুষের রেশমের পোশাক পরা তার উপর বসা ও স্বর্ণের অলংকার ব্যবহারের প্রতি ভীতি প্রদর্শন এবং উপরোক্ত দু'টি মহিলাদের বর্জনের প্রতি অনুপ্রেরণা
৩১৩২. হযরত আবু রুকায়্যা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি মাসলামা ইবনে মাখলাদ (রা)-কে মিম্বরে দাঁড়িয়ে লোকের উদ্দেশ্যে ভাষণ দিতে শুনেছি। তিনি বলেছেনঃ হে মানবমণ্ডলী! রেশমী কাপড় বাদ দিয়ে আসবে এবং কাতান কি তোমাদের জন্য যথেষ্ট নয়। এই ব্যক্তি (নিকটের এক বাক্তির প্রতি লক্ষ্য করে) রাসূলুল্লাহ (ﷺ) থেকে হাদীস বর্ণনা করেন। তিনি বলেনঃ হে উকবা! তুমি দাঁড়াও। উকবা ইবনে আমির (রা) দাঁড়ালেন। (রাবী বলেন) আমি তার বর্ণনা শুনেছি। তিনি বলেছেন: আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি। যে ব্যক্তি আমার প্রতি স্বেচ্ছায় মিথ্যারোপ করবে, সে যেন তার ঠিকানা জাহান্নামে তৈরী করে নেয়। আর আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, রাসুলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: যে ব্যক্তি দুনিয়াতে রেশমী কাপড় পরিধান করবে, আখিরাতে আল্লাহ তাকে রেশমী কাপড় পরা থেকে বঞ্চিত করবেন।
(ইবনে হিব্বান তার সহীহ গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন।
العصب - এক প্রকার শীতল চাদর।)
(ইবনে হিব্বান তার সহীহ গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন।
العصب - এক প্রকার শীতল চাদর।)
كتاب اللباس
ترهيب الرِّجَال من لبسهم الْحَرِير وجلوسهم عَلَيْهِ والتحلي بِالذَّهَب وترغيب النِّسَاء فِي تَركهمَا
3132- وَعَن أبي رقية رَضِي الله عَنهُ قَالَ سَمِعت مسلمة بن مخلد وَهُوَ على الْمِنْبَر يخْطب النَّاس يَقُول يَا أَيهَا النَّاس أما لكم فِي العصب والكتان مَا يغنيكم عَن الْحَرِير وَهَذَا رجل يخبر عَن رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم قُم يَا عقبَة فَقَامَ عقبَة بن عَامر وَأَنا أسمع فَقَالَ إِنِّي سَمِعت رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم يَقُول من كذب عَليّ مُتَعَمدا فَليَتَبَوَّأ مَقْعَده من النَّار وَأشْهد أَنِّي سَمِعت رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم يَقُول من لبس الْحَرِير فِي الدُّنْيَا حرمه أَن يلْبسهُ فِي الْآخِرَة
رَوَاهُ ابْن حبَان فِي صَحِيحه
العصب بِفَتْح الْعين وَسُكُون الصَّاد مهملتين هُوَ ضرب من البرود
رَوَاهُ ابْن حبَان فِي صَحِيحه
العصب بِفَتْح الْعين وَسُكُون الصَّاد مهملتين هُوَ ضرب من البرود
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩১৩৩
অধ্যায়ঃ পোশাক-পরিচ্ছদ
পরিচ্ছেদঃ পুরুষের রেশমের পোশাক পরা তার উপর বসা ও স্বর্ণের অলংকার ব্যবহারের প্রতি ভীতি প্রদর্শন এবং উপরোক্ত দু'টি মহিলাদের বর্জনের প্রতি অনুপ্রেরণা
৩১৩৩. হযরত হুযায়ফা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাদেরকে সোনা ও রূপার পাত্রে পান করতে এবং খানা খেতে, মোটা ও মিহি রেশমী পোশাক পরতে এবং তাতে বসতে নিষেধ করেছেন।
(বুখারী বর্ণিত।)
(বুখারী বর্ণিত।)
كتاب اللباس
ترهيب الرِّجَال من لبسهم الْحَرِير وجلوسهم عَلَيْهِ والتحلي بِالذَّهَب وترغيب النِّسَاء فِي تَركهمَا
3133- وَعَن حُذَيْفَة رَضِي الله عَنهُ قَالَ نهى رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم أَن نشرب فِي آنِية الذَّهَب وَالْفِضَّة وَأَن نَأْكُل فِيهَا وَعَن لبس الْحَرِير والديباج وَأَن نجلس عَلَيْهِ
رَوَاهُ البُخَارِيّ
رَوَاهُ البُخَارِيّ
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩১৩৪
অধ্যায়ঃ পোশাক-পরিচ্ছদ
পরিচ্ছেদঃ পুরুষের রেশমের পোশাক পরা তার উপর বসা ও স্বর্ণের অলংকার ব্যবহারের প্রতি ভীতি প্রদর্শন এবং উপরোক্ত দু'টি মহিলাদের বর্জনের প্রতি অনুপ্রেরণা
৩১৩৪. হযরত আবু উমামা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: যে ব্যক্তি আখিরাতে আল্লাহর নি'আমতের আশা করে, সে যেন (দুনিয়াতে) রেশমী পোশাক দ্বারা উপকৃত না হয়। (পরিধান না করে)
(আহমাদ বর্ণিত। এই হাদীসের মধ্যে একটি ঘটনা বর্ণিত আছে।)
(আহমাদ বর্ণিত। এই হাদীসের মধ্যে একটি ঘটনা বর্ণিত আছে।)
كتاب اللباس
ترهيب الرِّجَال من لبسهم الْحَرِير وجلوسهم عَلَيْهِ والتحلي بِالذَّهَب وترغيب النِّسَاء فِي تَركهمَا
3134- وَرُوِيَ عَن أبي أُمَامَة رَضِي الله عَنهُ قَالَ قَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم لَا يسْتَمْتع بالحرير من يَرْجُو أَيَّام الله
رَوَاهُ أَحْمد وَفِيه قصَّة
رَوَاهُ أَحْمد وَفِيه قصَّة
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩১৩৫
অধ্যায়ঃ পোশাক-পরিচ্ছদ
পরিচ্ছেদঃ পুরুষের রেশমের পোশাক পরা তার উপর বসা ও স্বর্ণের অলংকার ব্যবহারের প্রতি ভীতি প্রদর্শন এবং উপরোক্ত দু'টি মহিলাদের বর্জনের প্রতি অনুপ্রেরণা
৩১৩৫. হযরত আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি দুনিয়াতে রেশমী পোশাক পরিধান করবে, সে যেন আখিরাতে তা পরিধানের আশা না করে। হাসান (র) বলেন, লোকদের কী হল যে, তাদের নবী (ﷺ)-এর পক্ষ থেকে এই সংবাদ পৌঁছার পরও তারা রেশমী বস্ত্র পরিধান করে এবং রেশম দ্বারা তাদের ঘর সাজায়।
(আহমাদ (র) মুবারক ইবনে ফাযালা থেকে, তিনি হাসান (র)-এর সূত্রে বর্ণনা করেন।)
(আহমাদ (র) মুবারক ইবনে ফাযালা থেকে, তিনি হাসান (র)-এর সূত্রে বর্ণনা করেন।)
كتاب اللباس
ترهيب الرِّجَال من لبسهم الْحَرِير وجلوسهم عَلَيْهِ والتحلي بِالذَّهَب وترغيب النِّسَاء فِي تَركهمَا
3135- وَعَن أبي هُرَيْرَة رَضِي الله عَنهُ قَالَ سَمِعت رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم يَقُول إِنَّمَا يلبس الْحَرِير فِي الدُّنْيَا من لَا يَرْجُو أَن يلْبسهُ فِي الْآخِرَة قَالَ الْحسن فَمَا بَال أَقوام يبلغهم هَذَا عَن نَبِيّهم فيجعلون حَرِيرًا فِي ثِيَابهمْ وَبُيُوتهمْ
رَوَاهُ أَحْمد من طَرِيق مبارك بن فضَالة عَن الْحسن عَنهُ
رَوَاهُ أَحْمد من طَرِيق مبارك بن فضَالة عَن الْحسن عَنهُ
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩১৩৬
অধ্যায়ঃ পোশাক-পরিচ্ছদ
পরিচ্ছেদঃ পুরুষের রেশমের পোশাক পরা তার উপর বসা ও স্বর্ণের অলংকার ব্যবহারের প্রতি ভীতি প্রদর্শন এবং উপরোক্ত দু'টি মহিলাদের বর্জনের প্রতি অনুপ্রেরণা
৩১৩৬. হযরত আনাস (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: আমার উম্মাত যখন পাঁচটি কাজ বৈধ মনে করবে, তখন তাদের উপর ধ্বংস নেমে আসবে। তা হল। ১. পরস্পরে লা'নত করা, ২ মদপান করা, ৩. রেশমের পোশাক পরিধান করা, ৪. নর্তকীদের লালন করা এবং ৫. পুরুষ পুরুষকে এবং নারী নারীকে যথেষ্ট মনে করা।
(বায়হাকী (র) একটি হাদীসের পরে উপরোক্ত হাদীসটি বর্ণনা করেন। তবে উল্লেখিত হাদীসের সনদ সূত্র পৃথকভাবে দুর্বল। কিন্তু একটি অপরটির সাথে সংযোগ করলে বর্ণনাসূত্র শক্তিশালী হয়।)
(বায়হাকী (র) একটি হাদীসের পরে উপরোক্ত হাদীসটি বর্ণনা করেন। তবে উল্লেখিত হাদীসের সনদ সূত্র পৃথকভাবে দুর্বল। কিন্তু একটি অপরটির সাথে সংযোগ করলে বর্ণনাসূত্র শক্তিশালী হয়।)
كتاب اللباس
ترهيب الرِّجَال من لبسهم الْحَرِير وجلوسهم عَلَيْهِ والتحلي بِالذَّهَب وترغيب النِّسَاء فِي تَركهمَا
3136- وَعَن أنس رَضِي الله عَنهُ قَالَ قَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم إِذا استحلت أمتِي خمْسا فَعَلَيْهِم الدمار إِذا ظهر التلاعن وَشَرِبُوا الْخُمُور ولبسوا الْحَرِير وَاتَّخذُوا الْقَيْنَات وَاكْتفى الرِّجَال بِالرِّجَالِ وَالنِّسَاء بِالنسَاء
رَوَاهُ الْبَيْهَقِيّ عقيب حَدِيث ثمَّ قَالَ إِسْنَاده وَإسْنَاد مَا قبله غير قوي غير أَنه إِذا ضم بعضه إِلَى بعض أَخذ قُوَّة
رَوَاهُ الْبَيْهَقِيّ عقيب حَدِيث ثمَّ قَالَ إِسْنَاده وَإسْنَاد مَا قبله غير قوي غير أَنه إِذا ضم بعضه إِلَى بعض أَخذ قُوَّة
তাহকীক: