আত্-তারগীব ওয়াত্-তারহীব- ইমাম মুনযিরী রহঃ
الترغيب والترهيب للمنذري
২৩. অধ্যায়ঃ তাওবা ও যুহদ - এর পরিচ্ছেদসমূহ
মোট হাদীস ৩৯৩ টি
হাদীস নং: ৪৮০৭
অধ্যায়ঃ তাওবা ও যুহদ
পরিচ্ছেদঃ অধ্যায়: তাওবা ও যুহদ।
তাওবা করা, তাওবার প্রতি ধাবিত হওয়া এবং মন্দকাজের পর ভালকাজ করার প্রতি উৎসাহ প্রদান
তাওবা করা, তাওবার প্রতি ধাবিত হওয়া এবং মন্দকাজের পর ভালকাজ করার প্রতি উৎসাহ প্রদান
৪৮০৭. আহমাদ উত্তম সনদে আবু যর ও মু'আয ইব্ন জাবাল (রা)-এর সূত্রে বর্ণনা করেছেন যে, নবী (ﷺ) বলেন : হে আবু যর। ছয়দিন অপেক্ষা কর, তারপর তোমাকে যা বলা হবে, তা বুঝতে চেষ্টা কর। যখন সপ্তম দিন। উপনীত হল, তখন তিনি বললেন: আমি তোমাকে উপদেশ দিচ্ছি তোমার গোপনীয় ও প্রকাশ্য কাজে আল্লাহকে ভয় করার জন্যে এবং যখন তুমি কোন মন্দকাজ করে ফেলবে তখন তারপরই (কোন) ভাল কাজও করবে। কারও কাছে কিছু যাঞ্চা করবে না। যদিও তোমার (হাতের) ছড়িটি পড়ে যায় (তাও তুমি কাউকে তুলে দিতে বলবে; বরং নিজেই তুল নেবে এবং কোন আমানত (নিজের কাছে) রাখবে না।
كتاب التوبة والزهد
كتاب التَّوْبَة والزهد
التَّرْغِيب فِي التَّوْبَة والمبادرة بهَا وإتباع السَّيئَة الْحَسَنَة
التَّرْغِيب فِي التَّوْبَة والمبادرة بهَا وإتباع السَّيئَة الْحَسَنَة
4807- وروى أَحْمد بِإِسْنَاد جيد عَن أبي ذَر ومعاذ بن جبل رَضِي الله عَنْهُمَا أَن النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم قَالَ سِتَّة أَيَّام ثمَّ اعقل يَا أَبَا ذَر مَا يُقَال لَك بعد فَلَمَّا كَانَ الْيَوْم السَّابِع قَالَ أوصيك بتقوى الله فِي سر أَمرك وعلانيته وَإِذا أَسَأْت فَأحْسن وَلَا تسألن أحدا شَيْئا
وَإِن سقط سَوْطك وَلَا تقبض أَمَانَة
وَإِن سقط سَوْطك وَلَا تقبض أَمَانَة
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৮০৮
অধ্যায়ঃ তাওবা ও যুহদ
পরিচ্ছেদঃ অধ্যায়: তাওবা ও যুহদ।
তাওবা করা, তাওবার প্রতি ধাবিত হওয়া এবং মন্দকাজের পর ভালকাজ করার প্রতি উৎসাহ প্রদান
তাওবা করা, তাওবার প্রতি ধাবিত হওয়া এবং মন্দকাজের পর ভালকাজ করার প্রতি উৎসাহ প্রদান
৪৮০৮. হযরত আবু দারদা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন: আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ্ (ﷺ)। আমাকে উপদেশ দিন। তিনি বললেন। যখন তুমি কোন পাপ কাজ করে ফেল, তখন কোন একটি পুণ্যও করবে যা পাপকে মিটিয়ে দেবে। আবূ দারদা বলেন। আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ (ﷺ)। লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ (বলা)ও কি পুণ্য কাজ সমূহের অন্তর্ভুক্ত? তিনি বললেন: তা' সর্বোৎকৃষ্ট পুণ্য কাজ।
(আহমাদ শামর ইবন আতিয়্যার সূত্রে তাঁর কোন এক উস্তাদ থেকে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
(আহমাদ শামর ইবন আতিয়্যার সূত্রে তাঁর কোন এক উস্তাদ থেকে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
كتاب التوبة والزهد
كتاب التَّوْبَة والزهد
التَّرْغِيب فِي التَّوْبَة والمبادرة بهَا وإتباع السَّيئَة الْحَسَنَة
التَّرْغِيب فِي التَّوْبَة والمبادرة بهَا وإتباع السَّيئَة الْحَسَنَة
4808- وَعَن أبي الدَّرْدَاء رَضِي الله عَنهُ قَالَ قلت يَا رَسُول الله أوصني قَالَ إِذا عملت سَيِّئَة فأتبعها حَسَنَة تمحها
قَالَ قلت يَا رَسُول الله أَمن الْحَسَنَات لَا إِلَه إِلَّا الله قَالَ هِيَ أفضل الْحَسَنَات
رَوَاهُ أَحْمد عَن شمر بن عَطِيَّة عَن بعض أشياخه عَنهُ
قَالَ قلت يَا رَسُول الله أَمن الْحَسَنَات لَا إِلَه إِلَّا الله قَالَ هِيَ أفضل الْحَسَنَات
رَوَاهُ أَحْمد عَن شمر بن عَطِيَّة عَن بعض أشياخه عَنهُ
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৮০৯
অধ্যায়ঃ তাওবা ও যুহদ
পরিচ্ছেদঃ অধ্যায়: তাওবা ও যুহদ।
তাওবা করা, তাওবার প্রতি ধাবিত হওয়া এবং মন্দকাজের পর ভালকাজ করার প্রতি উৎসাহ প্রদান
তাওবা করা, তাওবার প্রতি ধাবিত হওয়া এবং মন্দকাজের পর ভালকাজ করার প্রতি উৎসাহ প্রদান
৪৮০৯. হযরত আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, জনৈক ব্যক্তি কোন এক মহিলাকে চুমু খেয়ে বসল। অপর এক রিওয়ায়েতে আছে, এক ব্যক্তি নবী (ﷺ)-এর কাছে এসে বলল: ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি শহরের প্রান্ত সীমায় এক মহিলাকে চুমু খেয়েছি, আমি তার সাথে সহবাস ছাড়া আর সবকিছুই করেছি। এ হচ্ছে আমার অবস্থা। সুতরাং আপনার যেমন মর্জি হয় আমার ব্যাপারে কিছু একটা সিদ্ধান্ত নিন। উমর (রা) তাকে বললেন: আল্লাহ তা'আলা তোমার দোষ গোপন রেখেছেন, যদি তুমি নিজেকে গোপন রাখতে (তবেই তো ভাল হত)। রাবী বলেন: নবী (ﷺ) তার কোন জবাবই দিলেন না। ফলে লোকটি উঠে চলে যেতে লাগল। তখন নবী (ﷺ) তার পেছনে এক ব্যক্তিকে পাঠিয়ে তাকে ডেকে আনলেন এবং তার সামনে এ আয়াতটিঃ وَاَقِمِ الصَّلٰوۃَ طَرَفَیِ النَّہَارِ وَزُلَفًا مِّنَ الَّیۡلِ ؕ اِنَّ الۡحَسَنٰتِ یُذۡہِبۡنَ السَّیِّاٰتِ ؕ ذٰلِکَ ذِکۡرٰی لِلذّٰکِرِیۡنَ
রাতের কিছু অংশে নামায কায়েম কর। নিশ্চয়ই পুণ্যরাজি পাপরাশিকে মিটিয়ে দেয়। যারা উপদেশ মানে তাদের জন্য এটা এক উপদেশ। (১১: ১১৪)। উপস্থিত জনতার মধ্য থেকে এক ব্যক্তি জিজ্ঞেস করলঃ হে আল্লাহর নবী (ﷺ)। এ বিধান কি কেবল তারই জন্য? তিনি বললেনঃ (না), বরং সমস্ত মানব জাতির জন্য।
(মুসলিম প্রমুখ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
রাতের কিছু অংশে নামায কায়েম কর। নিশ্চয়ই পুণ্যরাজি পাপরাশিকে মিটিয়ে দেয়। যারা উপদেশ মানে তাদের জন্য এটা এক উপদেশ। (১১: ১১৪)। উপস্থিত জনতার মধ্য থেকে এক ব্যক্তি জিজ্ঞেস করলঃ হে আল্লাহর নবী (ﷺ)। এ বিধান কি কেবল তারই জন্য? তিনি বললেনঃ (না), বরং সমস্ত মানব জাতির জন্য।
(মুসলিম প্রমুখ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
كتاب التوبة والزهد
كتاب التَّوْبَة والزهد
التَّرْغِيب فِي التَّوْبَة والمبادرة بهَا وإتباع السَّيئَة الْحَسَنَة
التَّرْغِيب فِي التَّوْبَة والمبادرة بهَا وإتباع السَّيئَة الْحَسَنَة
4809- وَعَن أبي هُرَيْرَة رَضِي الله عَنهُ قَالَ إِن رجلا أصَاب من امْرَأَة قبْلَة
وَفِي رِوَايَة جَاءَ رجل إِلَى النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم فَقَالَ يَا رَسُول الله إِنِّي عَالَجت امْرَأَة فِي أقْصَى الْمَدِينَة وَإِنِّي أصبت مِنْهَا مَا دون أَن أَمسهَا فَأَنا هَذَا فَاقْض فِي مَا شِئْت فَقَالَ لَهُ عمر لقد سترك الله لَو سترت نَفسك
قَالَ وَلم يرد عَلَيْهِ النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم شَيْئا فَقَامَ الرجل فَانْطَلق فَأتبعهُ النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم رجلا فَدَعَاهُ فَتلا عَلَيْهِ هَذِه الْآيَة وأقم الصَّلَاة طرفِي النَّهَار وَزلفًا من اللَّيْل
إِن الْحَسَنَات يذْهبن السَّيِّئَات ذَلِك ذكرى لِلذَّاكِرِينَ هود 411
فَقَالَ رجل من الْقَوْم يَا نَبِي الله هَذَا لَهُ خَاصَّة قَالَ بل للنَّاس كَافَّة
رَوَاهُ مُسلم وَغَيره
وَفِي رِوَايَة جَاءَ رجل إِلَى النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم فَقَالَ يَا رَسُول الله إِنِّي عَالَجت امْرَأَة فِي أقْصَى الْمَدِينَة وَإِنِّي أصبت مِنْهَا مَا دون أَن أَمسهَا فَأَنا هَذَا فَاقْض فِي مَا شِئْت فَقَالَ لَهُ عمر لقد سترك الله لَو سترت نَفسك
قَالَ وَلم يرد عَلَيْهِ النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم شَيْئا فَقَامَ الرجل فَانْطَلق فَأتبعهُ النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم رجلا فَدَعَاهُ فَتلا عَلَيْهِ هَذِه الْآيَة وأقم الصَّلَاة طرفِي النَّهَار وَزلفًا من اللَّيْل
إِن الْحَسَنَات يذْهبن السَّيِّئَات ذَلِك ذكرى لِلذَّاكِرِينَ هود 411
فَقَالَ رجل من الْقَوْم يَا نَبِي الله هَذَا لَهُ خَاصَّة قَالَ بل للنَّاس كَافَّة
رَوَاهُ مُسلم وَغَيره
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৮১০
অধ্যায়ঃ তাওবা ও যুহদ
পরিচ্ছেদঃ অধ্যায়: তাওবা ও যুহদ।
তাওবা করা, তাওবার প্রতি ধাবিত হওয়া এবং মন্দকাজের পর ভালকাজ করার প্রতি উৎসাহ প্রদান
তাওবা করা, তাওবার প্রতি ধাবিত হওয়া এবং মন্দকাজের পর ভালকাজ করার প্রতি উৎসাহ প্রদান
৪৮১০. হযরত আবু তাবীল শাতাব আল-মামদুদ (রা) থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি নবী-এর কাছে গিয়ে বললেন। আপনি সে ব্যক্তি সম্পর্কে কি বলেন, যে সমস্ত গুণাহর কাজ করেছে এবং তা থেকে কোন কিছুই সে বাদ দেয়নি। সে এ ব্যাপারে ছোট বড় কোন কিছুই ছাড়েনি সবই করেছে। সুতরাং তার কি তাওবার কোন সুযোগ আছে? তিনি বললেন। তবে কি তুমি ইসলাম গ্রহণ করো? শাৎব বললেনঃ আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে আল্লাহ যাতীত কোন মাবুদ নেই এবং আপনি আল্লাহর রাসুল। রাসুলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ তুমি সৎকর্মাদি করবে এবং অসৎ কর্মাদি ছেড়ে দেবে। তবে আল্লাহ্ তা'আলা সব কিছুকেই তোমার জন্য পুণ্যে পরিণত করে দেবেন। শাৎব বললেন, আমার প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ ও আমার পাপাচারসমূহ? রাসুলল্লাহ (ﷺ) বললেন, হ্যাঁ (তাও তিনি ক্ষমা করে দেবেন)। শাৎব বলে উঠলেন। আল্লাহু আকবার। সাহাবায়ে কিরাম ও তাঁর (দৃষ্টিপথের বাইরে চলে যাওয়া) পর্যন্ত আল্লাহ আকবর বলতে লাগলেন।
(বাযযার ও তাবারানী হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। হাদীসটির উল্লিখিত ভাষা তাবারানী বর্ণিত। এর সনদ উত্তম ও মযবুত।)
শাৎব-কে একাধিক মুহাদিস সাহাবায়ে কিরামের মধ্যে গণ্য করেছেন। তবে বাগাবী স্বীয় মু'জাম এ বলেছেন যে, সঠিক অভিমত হচ্ছে, আব্দুর রহমান ইবন জুবায়র ইবন নুফায়র-এর সূত্রে মুরসাল হাদীসরূপে বর্ণিত আছে যে, নবী (ﷺ)-এর কাছে আগত ব্যক্তিটি ছিলেন طویل شطب (অতিশয় দীর্ঘাকৃতি)। শাৎব-এর আভিধানিক অর্থ, দীর্ঘাকৃতি। পরবর্তীতে কোন বর্ণনাকারী একে পরিবর্তন করে ফেলেছেন এবং ধারণা করেছেন যে, এটা বুঝ কোন ব্যক্তির নাম। আল্লাহই উত্তমরূপে জ্ঞাত।
(বাযযার ও তাবারানী হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। হাদীসটির উল্লিখিত ভাষা তাবারানী বর্ণিত। এর সনদ উত্তম ও মযবুত।)
শাৎব-কে একাধিক মুহাদিস সাহাবায়ে কিরামের মধ্যে গণ্য করেছেন। তবে বাগাবী স্বীয় মু'জাম এ বলেছেন যে, সঠিক অভিমত হচ্ছে, আব্দুর রহমান ইবন জুবায়র ইবন নুফায়র-এর সূত্রে মুরসাল হাদীসরূপে বর্ণিত আছে যে, নবী (ﷺ)-এর কাছে আগত ব্যক্তিটি ছিলেন طویل شطب (অতিশয় দীর্ঘাকৃতি)। শাৎব-এর আভিধানিক অর্থ, দীর্ঘাকৃতি। পরবর্তীতে কোন বর্ণনাকারী একে পরিবর্তন করে ফেলেছেন এবং ধারণা করেছেন যে, এটা বুঝ কোন ব্যক্তির নাম। আল্লাহই উত্তমরূপে জ্ঞাত।
كتاب التوبة والزهد
كتاب التَّوْبَة والزهد
التَّرْغِيب فِي التَّوْبَة والمبادرة بهَا وإتباع السَّيئَة الْحَسَنَة
التَّرْغِيب فِي التَّوْبَة والمبادرة بهَا وإتباع السَّيئَة الْحَسَنَة
4810- وَعَن أبي طَوِيل شطب الْمَمْدُود أَنه أَتَى النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم فَقَالَ أَرَأَيْت من عمل الذُّنُوب كلهَا وَلم يتْرك مِنْهَا شَيْئا وَهُوَ فِي ذَلِك لم يتْرك حَاجَة وَلَا داجة إِلَّا أَتَاهَا فَهَل لذَلِك من تَوْبَة قَالَ فَهَل أسلمت قَالَ أما أَنا فَأشْهد أَن لَا إِلَه إِلَّا الله وَأَنَّك رَسُول الله
قَالَ تفعل الْخيرَات وتترك السَّيِّئَات فيجعلهن الله لَك خيرات كُلهنَّ
قَالَ وغدراتي وفجراتي قَالَ نعم قَالَ الله أكبر فَمَا زَالَ يكبر حَتَّى توارى
رَوَاهُ الْبَزَّار وَالطَّبَرَانِيّ وَاللَّفْظ لَهُ وَإِسْنَاده جيد قوي وشطب قد ذكره غير وَاحِد فِي الصَّحَابَة إِلَّا أَن الْبَغَوِيّ ذكر فِي مُعْجَمه أَن الصَّوَاب عَن عبد الرَّحْمَن بن جُبَير بن نفير مُرْسلا أَن رجلا أَتَى النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم طَوِيل شطب
والشطب فِي اللُّغَة الْمَمْدُود فصحفه بعض الروَاة وظنه اسْم رجل وَالله أعلم
قَالَ تفعل الْخيرَات وتترك السَّيِّئَات فيجعلهن الله لَك خيرات كُلهنَّ
قَالَ وغدراتي وفجراتي قَالَ نعم قَالَ الله أكبر فَمَا زَالَ يكبر حَتَّى توارى
رَوَاهُ الْبَزَّار وَالطَّبَرَانِيّ وَاللَّفْظ لَهُ وَإِسْنَاده جيد قوي وشطب قد ذكره غير وَاحِد فِي الصَّحَابَة إِلَّا أَن الْبَغَوِيّ ذكر فِي مُعْجَمه أَن الصَّوَاب عَن عبد الرَّحْمَن بن جُبَير بن نفير مُرْسلا أَن رجلا أَتَى النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم طَوِيل شطب
والشطب فِي اللُّغَة الْمَمْدُود فصحفه بعض الروَاة وظنه اسْم رجل وَالله أعلم
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৮১১
অধ্যায়ঃ তাওবা ও যুহদ
পরিচ্ছেদঃ ইবাদতের জন্য ফারেগ হওয়া ও আল্লাহ তা'আলার প্রতি মনোযোগী হওয়ার জন্য উৎসাহ প্রদান এবং দুনিয়া নিয়ে ব্যস্ত হওয়া ও দুনিয়ার প্রতি ঝুঁকে পড়া সম্পর্কে সতর্কীকরণ
৪৮১১. হযরত মা'কিল ইবন ইয়াসার (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, তোমাদের প্রতিপালক বলেনঃ হে আদম সন্তান। তুমি আমার ইবাদতের জন্য ফারেগ হও আমি তোমার হৃদয়কে অভাবমুক্ত এবং হস্ত রিযিকে পূর্ণ করে দেব। হে আদম সন্তান। তুমি আমার থেকে দূরে সরে যেয়ো না, তাহলে আমি তোমার হৃদয় অভাবে পূর্ণ এবং তোমার হস্ত ঝঞ্ঝাটে পূর্ণ করে দেব।
(হাকিম (র) হাদীসটি বর্ণনা করে বলেন, এর সনদ সহীহ।)
(হাকিম (র) হাদীসটি বর্ণনা করে বলেন, এর সনদ সহীহ।)
كتاب التوبة والزهد
التَّرْغِيب فِي الْفَرَاغ لِلْعِبَادَةِ والإقبال على الله تَعَالَى والترهيب من الاهتمام بالدنيا والانهماك عَلَيْهَا
4811- عَن معقل بن يسَار رَضِي الله عَنهُ قَالَ قَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم يَقُول ربكُم يَا ابْن آدم تفرغ لعبادتي أملأ قَلْبك غنى وَأَمْلَأُ يدك رزقا يَا ابْن آدم لَا تبَاعد مني أملأ قَلْبك فقرا وَأَمْلَأُ يدك شغلا
رَوَاهُ الْحَاكِم وَقَالَ صَحِيح الْإِسْنَاد
رَوَاهُ الْحَاكِم وَقَالَ صَحِيح الْإِسْنَاد
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৮১২
অধ্যায়ঃ তাওবা ও যুহদ
পরিচ্ছেদঃ ইবাদতের জন্য ফারেগ হওয়া ও আল্লাহ তা'আলার প্রতি মনোযোগী হওয়ার জন্য উৎসাহ প্রদান এবং দুনিয়া নিয়ে ব্যস্ত হওয়া ও দুনিয়ার প্রতি ঝুঁকে পড়া সম্পর্কে সতর্কীকরণ
৪৮১২. হযরত আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এ আয়াত তিলাওয়াত করলেন।
مَنْ كَانَ يُرِيدُ حَرْثَ الآخِرَةِ الآية "যে ব্যক্তি আখিরাতের ফসল কামনা করে, তার জন্য আমি তার ফসল বর্ধিত করে দেই এবং যে ব্যক্তি দুনিয়ার ফসল কামনা করে, আমি তাকে তারই কিছু অংশ দেই। আখিরাতে তার জন্য কিছুই থাকবে না" (৪২৪ ২০)। (তারপর) তিনি বললেন। আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ হে আদম সন্তান। তুমি আমার ইবাদতের জন্য ফারেগ হও, আমি তোমার বক্ষ অভাবমুক্ত করে দেব, তোমার অভাব মোচন করে দেব। আর যদি তুমি তা না কর তবে আমি তোমার বক্ষ ঝঞ্ঝাটে পূর্ণ করে দেব এবং তোমার অভাব মোচন করব না।
(ইবন মাজাহও তিরমিযী হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। হাদীসের উল্লিখিত ভাষা তিরমিযী বর্ণিত। তিনি বলেন। এটা হাসান হাদীস। ইবন হিব্বান তাঁর সহীহ এ হাদীসটি সংক্ষিপ্তাকারে উল্লেখ করেছেন। তাতে তিনি এভাবে বলেছেন : 'আমি তোমার হস্ত ব্যস্ততায় পূর্ণ করে দেব।" হাকিম ও বায়হাকী 'কিতাবুয যুহদ'-এ এ হাদীস উল্লেখ করেছেন। হাকিম (র) বলেন, এর সনদ সহীহ।)
مَنْ كَانَ يُرِيدُ حَرْثَ الآخِرَةِ الآية "যে ব্যক্তি আখিরাতের ফসল কামনা করে, তার জন্য আমি তার ফসল বর্ধিত করে দেই এবং যে ব্যক্তি দুনিয়ার ফসল কামনা করে, আমি তাকে তারই কিছু অংশ দেই। আখিরাতে তার জন্য কিছুই থাকবে না" (৪২৪ ২০)। (তারপর) তিনি বললেন। আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ হে আদম সন্তান। তুমি আমার ইবাদতের জন্য ফারেগ হও, আমি তোমার বক্ষ অভাবমুক্ত করে দেব, তোমার অভাব মোচন করে দেব। আর যদি তুমি তা না কর তবে আমি তোমার বক্ষ ঝঞ্ঝাটে পূর্ণ করে দেব এবং তোমার অভাব মোচন করব না।
(ইবন মাজাহও তিরমিযী হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। হাদীসের উল্লিখিত ভাষা তিরমিযী বর্ণিত। তিনি বলেন। এটা হাসান হাদীস। ইবন হিব্বান তাঁর সহীহ এ হাদীসটি সংক্ষিপ্তাকারে উল্লেখ করেছেন। তাতে তিনি এভাবে বলেছেন : 'আমি তোমার হস্ত ব্যস্ততায় পূর্ণ করে দেব।" হাকিম ও বায়হাকী 'কিতাবুয যুহদ'-এ এ হাদীস উল্লেখ করেছেন। হাকিম (র) বলেন, এর সনদ সহীহ।)
كتاب التوبة والزهد
التَّرْغِيب فِي الْفَرَاغ لِلْعِبَادَةِ والإقبال على الله تَعَالَى والترهيب من الاهتمام بالدنيا والانهماك عَلَيْهَا
4812 - وَعَن أبي هُرَيْرَة رَضِي الله عَنهُ قَالَ تَلا رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم من كَانَ يُرِيد حرث الْآخِرَة الشورى 02 الْآيَة
قَالَ يَقُول الله ابْن آدم تفرغ لعبادتي أملأ صدرك غنى وَأسد فقرك وَإِلَّا تفعل مَلَأت صدرك شغلا وَلم أَسد فقرك
رَوَاهُ ابْن مَاجَه وَالتِّرْمِذِيّ وَاللَّفْظ لَهُ وَقَالَ حَدِيث حسن وَابْن حبَان فِي صَحِيحه بِاخْتِصَار إِلَّا أَنه قَالَ مَلَأت يدك شغلا وَالْحَاكِم وَالْبَيْهَقِيّ فِي كتاب الزّهْد وَقَالَ الْحَاكِم صَحِيح الْإِسْنَاد
قَالَ يَقُول الله ابْن آدم تفرغ لعبادتي أملأ صدرك غنى وَأسد فقرك وَإِلَّا تفعل مَلَأت صدرك شغلا وَلم أَسد فقرك
رَوَاهُ ابْن مَاجَه وَالتِّرْمِذِيّ وَاللَّفْظ لَهُ وَقَالَ حَدِيث حسن وَابْن حبَان فِي صَحِيحه بِاخْتِصَار إِلَّا أَنه قَالَ مَلَأت يدك شغلا وَالْحَاكِم وَالْبَيْهَقِيّ فِي كتاب الزّهْد وَقَالَ الْحَاكِم صَحِيح الْإِسْنَاد
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৮১৩
অধ্যায়ঃ তাওবা ও যুহদ
পরিচ্ছেদঃ ইবাদতের জন্য ফারেগ হওয়া ও আল্লাহ তা'আলার প্রতি মনোযোগী হওয়ার জন্য উৎসাহ প্রদান এবং দুনিয়া নিয়ে ব্যস্ত হওয়া ও দুনিয়ার প্রতি ঝুঁকে পড়া সম্পর্কে সতর্কীকরণ
৪৮১৩. হযরত আবু দারদা (রা)-এর সূত্রে নবী থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখনই সূর্য উদিত হয়, তখন তার দু'পাশে দু'জন ফিরিশতা প্রেরিত হন। তাঁরা জিন ও মানব ব্যতীত সমস্ত পৃথিবীবাসীকে শুনিয়ে ঘোষণা করেনঃ "হে মানব সম্প্রদায়। তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের প্রতি ধাবিত হও। কেননা, যা কম, অথচ যথেষ্ট, তা এমন বস্তু থেকে উত্তম, যা অধিক, অথচ (আল্লাহর ইবাদত থেকে) গাফিল করে দেয়। আর সূর্য যখনই অস্ত যায়, তখন তার দু'পাশে দু'জন ফিরিশতা প্রেরিত হন, যারা ডেকে বলেনঃ হে আল্লাহ্! তুমি দানশীলকে দ্রুত উত্তম বিনিময় দান কর এবং কৃপণকে দ্রুত ধ্বংস কর।"
(আহমাদ ইবন হিব্বান (র) স্বীয় 'সহীহ্ কিতাবে ও হাকিম হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। হাদীসের উল্লিখিত ভাষা হাকিম বর্ণিত। তিনি বলেনঃ এর সনদ সহীহ। বায়হাকী হাকিমের সনদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তাঁর বর্ণিত রিওয়ায়েতের ভাষা এরকমঃ"রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেনঃ প্রতিদিনই (যখন) সূর্য উদিত হয়, তখন তার দু'পাশে দু'জন ফিরিশতা থাকেনা। তাঁরা এভাবে ডেকে বলেন যে, জিন ও মানব ব্যতীত আল্লাহর সকল সৃষ্ট জীব তা শুনতে পায়। তারা বলেন (৪) হে মানব মণ্ডলী। তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের প্রতি ধাবিত হও। নিশ্চয় যা কম, অথচ যথেষ্ট, তা এরূপ বস্তু থেকে উত্তম, যা অধিক, অথচ (আল্লাহর ইবাদত থেকে) গাফিল করে দেয়। আর যখনই সূর্য অস্ত যায়, তখন তার দু'পাশে দু'জন ফিরিশতা থাকেন, যাঁরা এভাবে ডেকে বলেন 'যে জিন ও মানব ব্যতীত আল্লাহর সকল সৃষ্টজীব তা শূন্যে। (তারা বলেনঃ) হে আল্লাহ। তুমি দানশীলকে উত্তম বিনিময় দান কর এবং কৃপণকে ধ্বংস করে দাও। হে মানব মণ্ডলী। তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের দিকে ধাবিত হও ফিরিশতাদের এ ঘোষণা মুতাবিক,সূরা ইউনুস-এ এ সম্পর্কে আল্লাহ তা'আলা কুরআনের এ আয়াত অবতীর্ণ করেছেন।
وَاللَّهُ يَدْعُو إِلَىٰ دَارِ السَّلَامِ وَيَهْدِي مَن يَشَاءُ إِلَىٰ صِرَاطٍ مُّسْتَقِيمٍ
আহ্বান করেন এবং যাকে ইচ্ছা সরল পথে পরিচালিত করেন"। (১০ঃ ২৫) আর "হে আল্লাহ্ দানশীলকে উত্তম বিনিময়ে দান কর এবং কৃপণকে ধ্বংস করে দাও" অপর দুই ফিরিশতার এই দু'আ মুতাবিক আল্লাহ তা'আলা অবতীর্ণ করেছেন।
وَاللَّيْلِ إِذَا يَغْشَىٰ (1) وَالنَّهَارِ إِذَا تَجَلَّىٰ (2) وَمَا خَلَقَ الذَّكَرَ وَالْأُنثَىٰ (3) إِنَّ سَعْيَكُمْ لَشَتَّىٰ (4) فَأَمَّا مَنْ أَعْطَىٰ وَاتَّقَىٰ (5) وَصَدَّقَ بِالْحُسْنَىٰ (6) فَسَنُيَسِّرُهُ لِلْيُسْرَىٰ (7) وَأَمَّا مَن بَخِلَ وَاسْتَغْنَىٰ (8) وَكَذَّبَ بِالْحُسْنَىٰ (9) فَسَنُيَسِّرُهُ لِلْعُسْرَىٰ (10)
"শপথ রজনীর, যখন সে আচ্ছন্ন করে, শপথ দিবসের, যখন তা আবির্ভূত হয় এবং শপথ তাঁর যিনি নর ও নারী সৃষ্টি করেছেন- অবশ্যই তোমাদের কর্ম-প্রচেষ্টা বিভিন্ন প্রকৃতির। সুতরাং যে ব্যক্তি দান করে, মুত্তাকী হয় এবং যা উত্তম, তা গ্রহণ করে আমি তার জন্য সহজপথ সুগম করে দেব এবং যে কার্পণ্য করে ও নিজেকে স্বয়ং সম্পূর্ণ মনে করে, আর যা উত্তম, তা বর্জন করে আমি তার জন্য কঠোর পরিণামের পথ সুগম করে দেব" (৯২:১-১০)
(আহমাদ ইবন হিব্বান (র) স্বীয় 'সহীহ্ কিতাবে ও হাকিম হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। হাদীসের উল্লিখিত ভাষা হাকিম বর্ণিত। তিনি বলেনঃ এর সনদ সহীহ। বায়হাকী হাকিমের সনদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তাঁর বর্ণিত রিওয়ায়েতের ভাষা এরকমঃ"রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেনঃ প্রতিদিনই (যখন) সূর্য উদিত হয়, তখন তার দু'পাশে দু'জন ফিরিশতা থাকেনা। তাঁরা এভাবে ডেকে বলেন যে, জিন ও মানব ব্যতীত আল্লাহর সকল সৃষ্ট জীব তা শুনতে পায়। তারা বলেন (৪) হে মানব মণ্ডলী। তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের প্রতি ধাবিত হও। নিশ্চয় যা কম, অথচ যথেষ্ট, তা এরূপ বস্তু থেকে উত্তম, যা অধিক, অথচ (আল্লাহর ইবাদত থেকে) গাফিল করে দেয়। আর যখনই সূর্য অস্ত যায়, তখন তার দু'পাশে দু'জন ফিরিশতা থাকেন, যাঁরা এভাবে ডেকে বলেন 'যে জিন ও মানব ব্যতীত আল্লাহর সকল সৃষ্টজীব তা শূন্যে। (তারা বলেনঃ) হে আল্লাহ। তুমি দানশীলকে উত্তম বিনিময় দান কর এবং কৃপণকে ধ্বংস করে দাও। হে মানব মণ্ডলী। তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের দিকে ধাবিত হও ফিরিশতাদের এ ঘোষণা মুতাবিক,সূরা ইউনুস-এ এ সম্পর্কে আল্লাহ তা'আলা কুরআনের এ আয়াত অবতীর্ণ করেছেন।
وَاللَّهُ يَدْعُو إِلَىٰ دَارِ السَّلَامِ وَيَهْدِي مَن يَشَاءُ إِلَىٰ صِرَاطٍ مُّسْتَقِيمٍ
আহ্বান করেন এবং যাকে ইচ্ছা সরল পথে পরিচালিত করেন"। (১০ঃ ২৫) আর "হে আল্লাহ্ দানশীলকে উত্তম বিনিময়ে দান কর এবং কৃপণকে ধ্বংস করে দাও" অপর দুই ফিরিশতার এই দু'আ মুতাবিক আল্লাহ তা'আলা অবতীর্ণ করেছেন।
وَاللَّيْلِ إِذَا يَغْشَىٰ (1) وَالنَّهَارِ إِذَا تَجَلَّىٰ (2) وَمَا خَلَقَ الذَّكَرَ وَالْأُنثَىٰ (3) إِنَّ سَعْيَكُمْ لَشَتَّىٰ (4) فَأَمَّا مَنْ أَعْطَىٰ وَاتَّقَىٰ (5) وَصَدَّقَ بِالْحُسْنَىٰ (6) فَسَنُيَسِّرُهُ لِلْيُسْرَىٰ (7) وَأَمَّا مَن بَخِلَ وَاسْتَغْنَىٰ (8) وَكَذَّبَ بِالْحُسْنَىٰ (9) فَسَنُيَسِّرُهُ لِلْعُسْرَىٰ (10)
"শপথ রজনীর, যখন সে আচ্ছন্ন করে, শপথ দিবসের, যখন তা আবির্ভূত হয় এবং শপথ তাঁর যিনি নর ও নারী সৃষ্টি করেছেন- অবশ্যই তোমাদের কর্ম-প্রচেষ্টা বিভিন্ন প্রকৃতির। সুতরাং যে ব্যক্তি দান করে, মুত্তাকী হয় এবং যা উত্তম, তা গ্রহণ করে আমি তার জন্য সহজপথ সুগম করে দেব এবং যে কার্পণ্য করে ও নিজেকে স্বয়ং সম্পূর্ণ মনে করে, আর যা উত্তম, তা বর্জন করে আমি তার জন্য কঠোর পরিণামের পথ সুগম করে দেব" (৯২:১-১০)
كتاب التوبة والزهد
التَّرْغِيب فِي الْفَرَاغ لِلْعِبَادَةِ والإقبال على الله تَعَالَى والترهيب من الاهتمام بالدنيا والانهماك عَلَيْهَا
4813- وَعَن أبي الدَّرْدَاء رَضِي الله عَنهُ عَن النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم قَالَ مَا طلعت شمس قطّ إِلَّا بعث بجنبتيها ملكان إنَّهُمَا يسمعان أهل الأَرْض إِلَّا الثقلَيْن يَا أَيهَا النَّاس هلموا إِلَى ربكُم فَإِن مَا قل وَكفى خير مِمَّا كثر وألهى وَلَا غربت شمس قطّ إِلَّا وَبعث بجنبتيها ملكان يناديان اللَّهُمَّ عجل لمنفق خلفا وَعجل لممسك تلفا
رَوَاهُ أَحْمد وَابْن حبَان فِي صَحِيحه وَالْحَاكِم وَاللَّفْظ لَهُ وَقَالَ صَحِيح الْإِسْنَاد
وَرَوَاهُ الْبَيْهَقِيّ من طَرِيق الْحَاكِم وَلَفظه قَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم مَا من يَوْم طلعت شمسه إِلَّا وَكَانَ بجنبتيها ملكان يناديان نِدَاء يسمعهُ مَا خلق الله كلهم غير الثقلَيْن ياأيها النَّاس هلموا إِلَى ربكُم
إِن مَا قل وَكفى خير مِمَّا كثر وألهى وَلَا آبت الشَّمْس إِلَّا وَكَانَ بجنبتيها ملكان يناديان نِدَاء يسمعهُ خلق الله كلهم غير الثقلَيْن اللَّهُمَّ أعْط منفقا خلفا وَأعْطِ ممسكا تلفا وَأنزل الله عز وَجل فِي ذَلِك قُرْآنًا فِي قَول الْملكَيْنِ يَا أَيهَا النَّاس هلموا إِلَى ربكُم فِي سُورَة يُونُس وَالله يَدْعُو إِلَى دَار السَّلَام وَيهْدِي من يَشَاء إِلَى صِرَاط مُسْتَقِيم يُونُس 52 وَأنزل الله فِي قَوْلهمَا اللَّهُمَّ أعْط منفقا خلفا وَأعْطِ ممسكا تلفا وَاللَّيْل إِذا يغشى وَالنَّهَار إِذا تجلى وَمَا خلق الذّكر وَالْأُنْثَى إِلَى قَوْله للعسرى اللَّيْل 1 01
رَوَاهُ أَحْمد وَابْن حبَان فِي صَحِيحه وَالْحَاكِم وَاللَّفْظ لَهُ وَقَالَ صَحِيح الْإِسْنَاد
وَرَوَاهُ الْبَيْهَقِيّ من طَرِيق الْحَاكِم وَلَفظه قَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم مَا من يَوْم طلعت شمسه إِلَّا وَكَانَ بجنبتيها ملكان يناديان نِدَاء يسمعهُ مَا خلق الله كلهم غير الثقلَيْن ياأيها النَّاس هلموا إِلَى ربكُم
إِن مَا قل وَكفى خير مِمَّا كثر وألهى وَلَا آبت الشَّمْس إِلَّا وَكَانَ بجنبتيها ملكان يناديان نِدَاء يسمعهُ خلق الله كلهم غير الثقلَيْن اللَّهُمَّ أعْط منفقا خلفا وَأعْطِ ممسكا تلفا وَأنزل الله عز وَجل فِي ذَلِك قُرْآنًا فِي قَول الْملكَيْنِ يَا أَيهَا النَّاس هلموا إِلَى ربكُم فِي سُورَة يُونُس وَالله يَدْعُو إِلَى دَار السَّلَام وَيهْدِي من يَشَاء إِلَى صِرَاط مُسْتَقِيم يُونُس 52 وَأنزل الله فِي قَوْلهمَا اللَّهُمَّ أعْط منفقا خلفا وَأعْطِ ممسكا تلفا وَاللَّيْل إِذا يغشى وَالنَّهَار إِذا تجلى وَمَا خلق الذّكر وَالْأُنْثَى إِلَى قَوْله للعسرى اللَّيْل 1 01
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৮১৪
অধ্যায়ঃ তাওবা ও যুহদ
পরিচ্ছেদঃ ইবাদতের জন্য ফারেগ হওয়া ও আল্লাহ তা'আলার প্রতি মনোযোগী হওয়ার জন্য উৎসাহ প্রদান এবং দুনিয়া নিয়ে ব্যস্ত হওয়া ও দুনিয়ার প্রতি ঝুঁকে পড়া সম্পর্কে সতর্কীকরণ
৪৮১৪. হযরত আবু দারদা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, তোমরা যথা সম্ভব দুনিয়ার দুশ্চিন্তা থেকে বিমুক্ত থাক, কেননা, দুনিয়া যার বড় দুশ্চিন্তার বস্তু হয়ে দাঁড়ায়, আল্লাহ্ তা'আলা তার সম্পদকে বিক্ষিপ্ত করে দেন এবং অভাবকে তার দু'চোখের মাঝে স্থাপন করে দেন।* পক্ষান্তরে আখিরাত যার বড় চিন্তার বস্তু হয়, আল্লাহ্ তা'আলা তার সমস্ত বিষয়কে গুছিয়ে দেন এবং তার অন্তরে অভাবমুক্ত করেন। যখনই বান্দা আল্লাহ্ তা'আলার দিকে তার মনকে ধাবিত করে, তখন আল্লাহ তা'আলা মু'মিনদের অন্তরসমূহকে দয়া ও ভালবাসা সহকারে তার প্রতি ধাবিত করে দেন এবং আল্লাহ তা'আলা তার সার্বিক
কল্যাণের দ্রুত ব্যবস্থা করেন।
(তাবারানী (র) তাঁর 'আল-কাবীর' ও 'আল-আওসাত' গ্রন্থদ্বয়ে এবং বায়হাকী তাঁর 'কিতাবুয যুহদ'-এ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
*অর্থাৎ সে সবসময় দু‘চোখে কেবল অভাবই দেখতে থাকে।
কল্যাণের দ্রুত ব্যবস্থা করেন।
(তাবারানী (র) তাঁর 'আল-কাবীর' ও 'আল-আওসাত' গ্রন্থদ্বয়ে এবং বায়হাকী তাঁর 'কিতাবুয যুহদ'-এ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
*অর্থাৎ সে সবসময় দু‘চোখে কেবল অভাবই দেখতে থাকে।
كتاب التوبة والزهد
التَّرْغِيب فِي الْفَرَاغ لِلْعِبَادَةِ والإقبال على الله تَعَالَى والترهيب من الاهتمام بالدنيا والانهماك عَلَيْهَا
4814- وَرُوِيَ عَن أبي الدَّرْدَاء رَضِي الله عَنهُ قَالَ قَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم تفرغوا من هموم الدُّنْيَا مَا اسْتَطَعْتُم فَإِنَّهُ من كَانَت الدُّنْيَا أكبر همه أفشى الله ضيعته وَجعل فقره بَين عَيْنَيْهِ وَمن كَانَت الْآخِرَة أكبر همه جمع الله عز وَجل لَهُ أُمُوره وَجعل غناهُ فِي قلبه وَمَا أقبل عبد بِقَلْبِه إِلَى الله عز وَجل إِلَّا جعل الله قُلُوب الْمُؤمنِينَ تفد إِلَيْهِ بالود وَالرَّحْمَة وَكَانَ الله عز وَجل إِلَيْهِ بِكُل خير أسْرع
رَوَاهُ الطَّبَرَانِيّ فِي الْكَبِير والأوسط وَالْبَيْهَقِيّ فِي الزّهْد
رَوَاهُ الطَّبَرَانِيّ فِي الْكَبِير والأوسط وَالْبَيْهَقِيّ فِي الزّهْد
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৮১৫
অধ্যায়ঃ তাওবা ও যুহদ
পরিচ্ছেদঃ ইবাদতের জন্য ফারেগ হওয়া ও আল্লাহ তা'আলার প্রতি মনোযোগী হওয়ার জন্য উৎসাহ প্রদান এবং দুনিয়া নিয়ে ব্যস্ত হওয়া ও দুনিয়ার প্রতি ঝুঁকে পড়া সম্পর্কে সতর্কীকরণ
৪৮১৫. হযরত যায়িদ ইবন সাবিত (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি রাসূলাল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি।
দুনিয়ার যার দুশ্চিন্তার বস্তু হয় আল্লাহ্ তা'আলা তার কাজ-কারবার বিক্ষিপ্ত করে দেন, অভাবকে তার
দু'চোখের মাঝে স্থাপন করে দেন এবং দুনিয়ার যতটুকু তার জন্য লিপিবদ্ধ রয়েছে। তাই তার কাছে আসে। পক্ষান্তরে, আখিরাত যার উদ্দেশ্য হয়, আল্লাহ্ তা'আলা তার কাজ কারবার গুছিয়ে দেন, তার অন্তরে অভাব মুক্ত করেন এবং দুনিয়া অবনত হয়ে তার কাছে আসে।
(ইবন মাজাহ (র) হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। এর সকল বর্ণনাকারী নির্ভরযোগ্য। তারাবানীও হাদীসটি উল্লেখ করেছেন। তার বর্ণিত রিওয়ায়েতের ভাষা এরকমঃ রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন। নিশ্চয় দুনিয়া যার উদ্দিষ্ট হয়, আল্লাহ্ তা'আলা অভাবকে তার দু'চোখের মাঝে স্থাপন করে দেন, তার সম্পদকে বিক্ষিপ্ত করে দেন এবং দুনিয়ার যেটুকু তার জন্য লিপিবদ্ধ রয়েছে, ততটুকুই কেবল তার কাছে আসে। পক্ষান্তরে আখিরাত যার উদ্দিষ্ট হয়, আল্লাহ্ তা'আলা তার অন্তরকে অভাবমুক্ত করেন, তার সম্পদ তার জন্য যথেষ্ট হয় এবং দুনিয়া তার কাছে অবনত হয়ে আসে।
(তাবারানী হাদীসটি গ্রহণযোগ্য সনদে বর্ণনা করেছেন। ইবন হিব্বান ও তাঁর 'সহীহ্'-এ অনুরূপ সনদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তাঁর বর্ণিত রিওয়ায়েতের ভাষা 'ইলম অধ্যায়ে' উল্লিখিত হয়েছে।)
দুনিয়ার যার দুশ্চিন্তার বস্তু হয় আল্লাহ্ তা'আলা তার কাজ-কারবার বিক্ষিপ্ত করে দেন, অভাবকে তার
দু'চোখের মাঝে স্থাপন করে দেন এবং দুনিয়ার যতটুকু তার জন্য লিপিবদ্ধ রয়েছে। তাই তার কাছে আসে। পক্ষান্তরে, আখিরাত যার উদ্দেশ্য হয়, আল্লাহ্ তা'আলা তার কাজ কারবার গুছিয়ে দেন, তার অন্তরে অভাব মুক্ত করেন এবং দুনিয়া অবনত হয়ে তার কাছে আসে।
(ইবন মাজাহ (র) হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। এর সকল বর্ণনাকারী নির্ভরযোগ্য। তারাবানীও হাদীসটি উল্লেখ করেছেন। তার বর্ণিত রিওয়ায়েতের ভাষা এরকমঃ রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন। নিশ্চয় দুনিয়া যার উদ্দিষ্ট হয়, আল্লাহ্ তা'আলা অভাবকে তার দু'চোখের মাঝে স্থাপন করে দেন, তার সম্পদকে বিক্ষিপ্ত করে দেন এবং দুনিয়ার যেটুকু তার জন্য লিপিবদ্ধ রয়েছে, ততটুকুই কেবল তার কাছে আসে। পক্ষান্তরে আখিরাত যার উদ্দিষ্ট হয়, আল্লাহ্ তা'আলা তার অন্তরকে অভাবমুক্ত করেন, তার সম্পদ তার জন্য যথেষ্ট হয় এবং দুনিয়া তার কাছে অবনত হয়ে আসে।
(তাবারানী হাদীসটি গ্রহণযোগ্য সনদে বর্ণনা করেছেন। ইবন হিব্বান ও তাঁর 'সহীহ্'-এ অনুরূপ সনদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তাঁর বর্ণিত রিওয়ায়েতের ভাষা 'ইলম অধ্যায়ে' উল্লিখিত হয়েছে।)
كتاب التوبة والزهد
التَّرْغِيب فِي الْفَرَاغ لِلْعِبَادَةِ والإقبال على الله تَعَالَى والترهيب من الاهتمام بالدنيا والانهماك عَلَيْهَا
4815- وَعَن زيد بن ثَابت رَضِي الله عَنهُ قَالَ سَمِعت رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم يَقُول من كَانَت الدُّنْيَا همه فرق الله عَلَيْهِ أمره وَجعل فقره بَين عَيْنَيْهِ وَلم يَأْته من الدُّنْيَا إِلَّا مَا كتب لَهُ وَمن كَانَت الْآخِرَة نِيَّته جمع الله لَهُ أمره وَجعل غناهُ فِي قلبه وأتته الدُّنْيَا وَهِي راغمة
رَوَاهُ ابْن مَاجَه وَرُوَاته ثِقَات وَالطَّبَرَانِيّ وَلَفظه
قَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم إِنَّه من تكن الدُّنْيَا نِيَّته يَجْعَل الله فقره بَين عَيْنَيْهِ ويشتت عَلَيْهِ ضيعته وَلَا يؤتيه مِنْهَا إِلَّا مَا كتب لَهُ وَمن تكن الْآخِرَة نِيَّته يَجْعَل الله غناهُ فِي قلبه ويكفيه ضيعته وتأتيه الدُّنْيَا وَهِي راغمة
رَوَاهُ فِي حَدِيث بِإِسْنَاد لَا بَأْس بِهِ وَرَوَاهُ ابْن حبَان فِي صَحِيحه بِنَحْوِهِ وَتقدم لَفظه فِي الْعلم
قَوْله شتت عَلَيْهِ ضيعته بِفَتْح الضَّاد الْمُعْجَمَة وَإِسْكَان الْمُثَنَّاة تَحت مَعْنَاهُ فرق عَلَيْهِ حَاله وصناعته ومعاشه وَمَا هُوَ مهتم بِهِ وشعبه عَلَيْهِ ليكْثر كده ويعظم تَعبه
رَوَاهُ ابْن مَاجَه وَرُوَاته ثِقَات وَالطَّبَرَانِيّ وَلَفظه
قَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم إِنَّه من تكن الدُّنْيَا نِيَّته يَجْعَل الله فقره بَين عَيْنَيْهِ ويشتت عَلَيْهِ ضيعته وَلَا يؤتيه مِنْهَا إِلَّا مَا كتب لَهُ وَمن تكن الْآخِرَة نِيَّته يَجْعَل الله غناهُ فِي قلبه ويكفيه ضيعته وتأتيه الدُّنْيَا وَهِي راغمة
رَوَاهُ فِي حَدِيث بِإِسْنَاد لَا بَأْس بِهِ وَرَوَاهُ ابْن حبَان فِي صَحِيحه بِنَحْوِهِ وَتقدم لَفظه فِي الْعلم
قَوْله شتت عَلَيْهِ ضيعته بِفَتْح الضَّاد الْمُعْجَمَة وَإِسْكَان الْمُثَنَّاة تَحت مَعْنَاهُ فرق عَلَيْهِ حَاله وصناعته ومعاشه وَمَا هُوَ مهتم بِهِ وشعبه عَلَيْهِ ليكْثر كده ويعظم تَعبه
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৮১৬
অধ্যায়ঃ তাওবা ও যুহদ
পরিচ্ছেদঃ ইবাদতের জন্য ফারেগ হওয়া ও আল্লাহ তা'আলার প্রতি মনোযোগী হওয়ার জন্য উৎসাহ প্রদান এবং দুনিয়া নিয়ে ব্যস্ত হওয়া ও দুনিয়ার প্রতি ঝুঁকে পড়া সম্পর্কে সতর্কীকরণ
৪৮১৬. হযরত আনাস (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, আখিরাত যার চিন্তার বস্তু হয়, আল্লাহ তা'আলা তার অন্তরে অভাবশূন্যতার ভাব দান করেন, তার বিক্ষিপ্ত কাজ-কারবারকে গুছিয়ে দেন এবং দুনিয়া তার কাছে অবনত হয়ে আসে। পক্ষান্তরে দুনিয়া যার চিন্তার বস্তু হয়, আল্লাহ তা'আলা অভাবকে তার দু'চোখের মাঝখানে স্থাপন করে দেন, তার গোছালো কাজ-কারবারকে বিক্ষিপ্ত করে দেন এবং দুনিয়ার যতটুকু তার জন্যে নির্ধারিত রয়েছে, তাই তার কাছে আসে।
(তিরমিযী ইয়াযীদ রাক্কাশীর সূত্রে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। ইয়াযীদ রাক্কাশীর নির্ভরযোগ্যতা স্বীকার করা হয়েছে অন্যান্য রিওয়ায়েতের পোষকতায় তার বর্ণিত রিওয়ায়েত গ্রহণে কোন অসুবিধা নেই। বাযযারও তা বর্ণিত রেওয়ায়েতের ভাষা এরকম: রাসূলুল্লাহ বলেন: আখিরাতই যার উদ্দিষ্ট হয়, আল্লাহ্ তাবারাকা ওয়া তা'আলা তার অন্তরে অভাব শূন্যতার ভাব দান করেন, তার বিক্ষিপ্ত কাজ-কারবারকে তার জন্য গুছিয়ে দেন, তার দু'চোখের সামনে থেকে অভাব তুলে নেন এবং দুনিয়া তার কাছে অবনত হয়ে আসে। সুতরাং সে অভাবমুক্ত অবস্থায়ই ভোরবেলায় জাগ্রত হয় এবং অভাবমুক্ত অবস্থায়ই সন্ধ্যায় উপনীত হয়। পক্ষান্তরে দুনিয়া যার উদ্দিষ্ট হয়, আল্লাহ তা'আলা অভাবকে তার দুচোখের সামনে স্থাপন করে দেন। ফলে সে অভাবগ্রস্ত অবস্থায়ই ভোরবেলায় জাগ্রত হয় এবং অভাবগ্রস্ত অবস্থায়ই সন্ধ্যায় উপনীত হয়। তাবারানী (র) হাদীসটি ভিন্ন ভাষায় বর্ণনা করেছেন, যা 'ইকতিসাদ অধ্যায়ে' উল্লিখিত হয়েছে।)
(তিরমিযী ইয়াযীদ রাক্কাশীর সূত্রে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। ইয়াযীদ রাক্কাশীর নির্ভরযোগ্যতা স্বীকার করা হয়েছে অন্যান্য রিওয়ায়েতের পোষকতায় তার বর্ণিত রিওয়ায়েত গ্রহণে কোন অসুবিধা নেই। বাযযারও তা বর্ণিত রেওয়ায়েতের ভাষা এরকম: রাসূলুল্লাহ বলেন: আখিরাতই যার উদ্দিষ্ট হয়, আল্লাহ্ তাবারাকা ওয়া তা'আলা তার অন্তরে অভাব শূন্যতার ভাব দান করেন, তার বিক্ষিপ্ত কাজ-কারবারকে তার জন্য গুছিয়ে দেন, তার দু'চোখের সামনে থেকে অভাব তুলে নেন এবং দুনিয়া তার কাছে অবনত হয়ে আসে। সুতরাং সে অভাবমুক্ত অবস্থায়ই ভোরবেলায় জাগ্রত হয় এবং অভাবমুক্ত অবস্থায়ই সন্ধ্যায় উপনীত হয়। পক্ষান্তরে দুনিয়া যার উদ্দিষ্ট হয়, আল্লাহ তা'আলা অভাবকে তার দুচোখের সামনে স্থাপন করে দেন। ফলে সে অভাবগ্রস্ত অবস্থায়ই ভোরবেলায় জাগ্রত হয় এবং অভাবগ্রস্ত অবস্থায়ই সন্ধ্যায় উপনীত হয়। তাবারানী (র) হাদীসটি ভিন্ন ভাষায় বর্ণনা করেছেন, যা 'ইকতিসাদ অধ্যায়ে' উল্লিখিত হয়েছে।)
كتاب التوبة والزهد
التَّرْغِيب فِي الْفَرَاغ لِلْعِبَادَةِ والإقبال على الله تَعَالَى والترهيب من الاهتمام بالدنيا والانهماك عَلَيْهَا
4816- وَعَن أنس رَضِي الله عَنهُ قَالَ قَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم من كَانَت الْآخِرَة همه جعل الله غناهُ فِي قلبه وَجمع لَهُ شَمله وأتته الدُّنْيَا وَهِي راغمة وَمن كَانَت الدُّنْيَا همه جعل الله فقره بَين عَيْنَيْهِ وَفرق عَلَيْهِ شَمله وَلم يَأْته من الدُّنْيَا إِلَّا مَا قدر لَهُ
رَوَاهُ التِّرْمِذِيّ عَن يزِيد الرقاشِي عَنهُ وَيزِيد قد وثق وَلَا بَأْس بِهِ فِي المتابعات وَرَوَاهُ الْبَزَّار وَلَفظه قَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم من كَانَت نِيَّته الْآخِرَة جعل الله تبَارك وَتَعَالَى الْغنى فِي قلبه وَجمع لَهُ شَمله وَنزع الْفقر من بَين عَيْنَيْهِ وأتته الدُّنْيَا وَهِي راغمة فَلَا يصبح إِلَّا غَنِيا وَلَا يُمْسِي إِلَّا غَنِيا وَمن كَانَت نِيَّته الدُّنْيَا جعل الله الْفقر بَين عَيْنَيْهِ فَلَا يصبح إِلَّا فَقِيرا وَلَا يُمْسِي إِلَّا فَقِيرا
وَرَوَاهُ الطَّبَرَانِيّ بِلَفْظ تقدم فِي الاقتصاد
رَوَاهُ التِّرْمِذِيّ عَن يزِيد الرقاشِي عَنهُ وَيزِيد قد وثق وَلَا بَأْس بِهِ فِي المتابعات وَرَوَاهُ الْبَزَّار وَلَفظه قَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم من كَانَت نِيَّته الْآخِرَة جعل الله تبَارك وَتَعَالَى الْغنى فِي قلبه وَجمع لَهُ شَمله وَنزع الْفقر من بَين عَيْنَيْهِ وأتته الدُّنْيَا وَهِي راغمة فَلَا يصبح إِلَّا غَنِيا وَلَا يُمْسِي إِلَّا غَنِيا وَمن كَانَت نِيَّته الدُّنْيَا جعل الله الْفقر بَين عَيْنَيْهِ فَلَا يصبح إِلَّا فَقِيرا وَلَا يُمْسِي إِلَّا فَقِيرا
وَرَوَاهُ الطَّبَرَانِيّ بِلَفْظ تقدم فِي الاقتصاد
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৮১৭
অধ্যায়ঃ তাওবা ও যুহদ
পরিচ্ছেদঃ ইবাদতের জন্য ফারেগ হওয়া ও আল্লাহ তা'আলার প্রতি মনোযোগী হওয়ার জন্য উৎসাহ প্রদান এবং দুনিয়া নিয়ে ব্যস্ত হওয়া ও দুনিয়ার প্রতি ঝুঁকে পড়া সম্পর্কে সতর্কীকরণ
৪৮১৭. হযরত ইমরান ইবন হুসায়ন (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, যে ব্যক্তি একান্তই আল্লাহমুখী হয়ে পড়ে, আল্লাহ্ তা'আলা তার সকল সমস্যার সমাধান করে দেন এবং এমন স্থান থেকে তার রিযকের ব্যবস্থা করে দেন, যা সে কল্পনা করতে পারে না। পক্ষান্তরে, যে ব্যক্তি একান্তই দুনিয়ামুখী হয়ে পড়ে, আল্লাহ্ তা'আলা তাকে দুনিয়ার হাতেই অর্পণ করেন। (সাহায্য করেন না।)
(আবু শায়খ ইবন হিব্বান ও বায়হাকী হাদীসটি হাসান-এর সূত্রে ইমরান থেকে বর্ণনা করেছেন। তবে ইমরান থেকে হাসানের হাদীস শোনার ব্যাপারে মতভেদ রয়েছে।)
(আবু শায়খ ইবন হিব্বান ও বায়হাকী হাদীসটি হাসান-এর সূত্রে ইমরান থেকে বর্ণনা করেছেন। তবে ইমরান থেকে হাসানের হাদীস শোনার ব্যাপারে মতভেদ রয়েছে।)
كتاب التوبة والزهد
التَّرْغِيب فِي الْفَرَاغ لِلْعِبَادَةِ والإقبال على الله تَعَالَى والترهيب من الاهتمام بالدنيا والانهماك عَلَيْهَا
4817- وَعَن عمرَان بن حُصَيْن رَضِي الله عَنهُ قَالَ قَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم من انْقَطع إِلَى الله عز وَجل كَفاهُ الله كل مُؤنَة ورزقه من حَيْثُ لَا يحْتَسب وَمن انْقَطع إِلَى الدُّنْيَا وَكله الله إِلَيْهَا
رَوَاهُ أَبُو الشَّيْخ ابْن حبَان وَالْبَيْهَقِيّ من رِوَايَة الْحسن عَن عمرَان وَاخْتلف فِي سَمَاعه مِنْهُ
رَوَاهُ أَبُو الشَّيْخ ابْن حبَان وَالْبَيْهَقِيّ من رِوَايَة الْحسن عَن عمرَان وَاخْتلف فِي سَمَاعه مِنْهُ
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৮১৮
অধ্যায়ঃ তাওবা ও যুহদ
পরিচ্ছেদঃ ইবাদতের জন্য ফারেগ হওয়া ও আল্লাহ তা'আলার প্রতি মনোযোগী হওয়ার জন্য উৎসাহ প্রদান এবং দুনিয়া নিয়ে ব্যস্ত হওয়া ও দুনিয়ার প্রতি ঝুঁকে পড়া সম্পর্কে সতর্কীকরণ
৪৮১৮. হযরত ইবন উমর (রা)-এর সূত্রে নবী (ﷺ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, যে ব্যক্তি একটি মাত্র চিন্তাকে (আল্লাহর সন্তুষ্টিকে) নিজের চিন্তারূপে গ্রহণ করে, আল্লাহ তা'আলা তার দুনিয়ার দুশ্চিন্তার জন্যে যথেষ্ট হয়ে যান। পক্ষান্তরে, যাকে বহুবিধ চিন্তা-ভাবনা পেয়ে বসেছে সে দুনিয়ার কোন বিয়াবানে গিয়ে ধ্বংস হল, তা আল্লাহ্ তা'আলা তার পরওয়া করেন না।
(হাকিম (র) হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। বায়হাকী হাদীসটি হাকিমের সনদে এবং ভিন্ন সনদে উল্লেখ করেছেন। হাকিম (র) বলেন: এর সনদ সহীহ। ইবন মাজা হাদীসটি ইবন মাসউদ (রা)-এর সূত্রে বর্ণনা করেছেন।)
(হাকিম (র) হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। বায়হাকী হাদীসটি হাকিমের সনদে এবং ভিন্ন সনদে উল্লেখ করেছেন। হাকিম (র) বলেন: এর সনদ সহীহ। ইবন মাজা হাদীসটি ইবন মাসউদ (রা)-এর সূত্রে বর্ণনা করেছেন।)
كتاب التوبة والزهد
التَّرْغِيب فِي الْفَرَاغ لِلْعِبَادَةِ والإقبال على الله تَعَالَى والترهيب من الاهتمام بالدنيا والانهماك عَلَيْهَا
4818- وَعَن ابْن عمر رَضِي الله عَنْهُمَا عَن النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم قَالَ من جعل الْهم هما وَاحِدًا كَفاهُ الله هم دُنْيَاهُ وَمن تشعبته الهموم لم يبال الله فِي أَي أَوديَة الدُّنْيَا هلك
رَوَاهُ الْحَاكِم وَالْبَيْهَقِيّ من طَرِيقه وَغَيرهَا وَقَالَ الْحَاكِم صَحِيح الْإِسْنَاد وَرَوَاهُ ابْن مَاجَه فِي حَدِيث عَن ابْن مَسْعُود
رَوَاهُ الْحَاكِم وَالْبَيْهَقِيّ من طَرِيقه وَغَيرهَا وَقَالَ الْحَاكِم صَحِيح الْإِسْنَاد وَرَوَاهُ ابْن مَاجَه فِي حَدِيث عَن ابْن مَسْعُود
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৮১৯
অধ্যায়ঃ তাওবা ও যুহদ
পরিচ্ছেদঃ ইবাদতের জন্য ফারেগ হওয়া ও আল্লাহ তা'আলার প্রতি মনোযোগী হওয়ার জন্য উৎসাহ প্রদান এবং দুনিয়া নিয়ে ব্যস্ত হওয়া ও দুনিয়ার প্রতি ঝুঁকে পড়া সম্পর্কে সতর্কীকরণ
৪৮১৯. ইবন মাজার অপর এক রিওয়ায়েতে হযরত ইবন মাসউদ (রা)-থেকেই বর্ণিত আছে। তিনি বলেনঃ আমি তোমাদের নবী (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি আখিরাতের চিন্তাকে নিজের একমাত্র চিন্তারূপে গ্রহণ করে আল্লাহ্ তা'আলা তার দুনিয়ার চিন্তা-ভাবনার জন্যে যথেষ্ট হয়ে যান। পক্ষান্তরে, যাকে দুনিয়ার চিন্তা-ভাবনা গ্রাস করে বসে, সে দুনিয়ার কোন বিয়াবানে গিয়ে ধ্বংস হয়, আল্লাহ্ তা'আলা তার পরওয়া করেন না।
كتاب التوبة والزهد
التَّرْغِيب فِي الْفَرَاغ لِلْعِبَادَةِ والإقبال على الله تَعَالَى والترهيب من الاهتمام بالدنيا والانهماك عَلَيْهَا
4819- وَفِي رِوَايَة لَهُ عَن ابْن مَسْعُود أَيْضا قَالَ سَمِعت نَبِيكُم صلى الله عَلَيْهِ وَسلم يَقُول من جعل الهموم
هما وَاحِدًا هم الْمعَاد كَفاهُ الله هم دُنْيَاهُ وَمن تشعبت بِهِ الهموم أَحْوَال الدُّنْيَا لم يبال الله عز وَجل فِي أَي أوديته هلك
هما وَاحِدًا هم الْمعَاد كَفاهُ الله هم دُنْيَاهُ وَمن تشعبت بِهِ الهموم أَحْوَال الدُّنْيَا لم يبال الله عز وَجل فِي أَي أوديته هلك
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৮২০
অধ্যায়ঃ তাওবা ও যুহদ
পরিচ্ছেদঃ ইবাদতের জন্য ফারেগ হওয়া ও আল্লাহ তা'আলার প্রতি মনোযোগী হওয়ার জন্য উৎসাহ প্রদান এবং দুনিয়া নিয়ে ব্যস্ত হওয়া ও দুনিয়ার প্রতি ঝুঁকে পড়া সম্পর্কে সতর্কীকরণ
৪৮২০. হযরত আবূ যর (র) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, প্রভাতে যে দুনিয়ার দুশ্চিন্তা নিয়ে উঠল তার জন্যে আল্লাহ্ তা'আলার পক্ষ থেকে কোন দায়িত্ব নেই।
(তাবারানী হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
(তাবারানী হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
كتاب التوبة والزهد
التَّرْغِيب فِي الْفَرَاغ لِلْعِبَادَةِ والإقبال على الله تَعَالَى والترهيب من الاهتمام بالدنيا والانهماك عَلَيْهَا
4820- وَرُوِيَ عَن أبي ذَر رَضِي الله عَنهُ قَالَ قَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم من أصبح وهمه الدُّنْيَا فَلَيْسَ من الله فِي شَيْء
الحَدِيث رَوَاهُ الطَّبَرَانِيّ
الحَدِيث رَوَاهُ الطَّبَرَانِيّ
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৮২১
অধ্যায়ঃ তাওবা ও যুহদ
পরিচ্ছেদঃ ইবাদতের জন্য ফারেগ হওয়া ও আল্লাহ তা'আলার প্রতি মনোযোগী হওয়ার জন্য উৎসাহ প্রদান এবং দুনিয়া নিয়ে ব্যস্ত হওয়া ও দুনিয়ার প্রতি ঝুঁকে পড়া সম্পর্কে সতর্কীকরণ
৪৮২১. হযরত আনাস ইবন মালিক (রা)-এর সূত্রে নবী (ﷺ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ দুনিয়ার ব্যাপারে
দুশ্চিন্তা নিয়ে যার প্রভাত হয়, তার প্রতিপালকের প্রতি অসন্তুষ্ট অবস্থায়ী তার প্রভাত হয়।
(তাবারানী হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
[হাফিয (র) বলেনঃ] "রিযক অবলম্বনের ক্ষেত্রে মাঝামাঝি পন্থা অবলম্বন" ইত্যাদি অধ্যায়ে আলোচ্য অধ্যায়ের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ একাধিক হাদীস উল্লিখিত হয়েছে এবং যুহদ অধ্যায়েও এতদসম্পর্কিত আরও কিছু হাদীস ইনশাআল্লাহ্ বর্ণিত হবে।
দুশ্চিন্তা নিয়ে যার প্রভাত হয়, তার প্রতিপালকের প্রতি অসন্তুষ্ট অবস্থায়ী তার প্রভাত হয়।
(তাবারানী হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
[হাফিয (র) বলেনঃ] "রিযক অবলম্বনের ক্ষেত্রে মাঝামাঝি পন্থা অবলম্বন" ইত্যাদি অধ্যায়ে আলোচ্য অধ্যায়ের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ একাধিক হাদীস উল্লিখিত হয়েছে এবং যুহদ অধ্যায়েও এতদসম্পর্কিত আরও কিছু হাদীস ইনশাআল্লাহ্ বর্ণিত হবে।
كتاب التوبة والزهد
التَّرْغِيب فِي الْفَرَاغ لِلْعِبَادَةِ والإقبال على الله تَعَالَى والترهيب من الاهتمام بالدنيا والانهماك عَلَيْهَا
4821- وَرُوِيَ عَن أنس بن مَالك رَضِي الله عَنهُ عَن النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم قَالَ من أصبح حَزينًا على الدُّنْيَا أصبح ساخطا على ربه
رَوَاهُ الطَّبَرَانِيّ
قَالَ الْحَافِظ وَتقدم فِي الاقتصاد فِي طلب الرزق وَغَيره غير مَا حَدِيث يَلِيق بِهَذَا الْبَاب وَيَأْتِي فِي الزّهْد إِن شَاءَ الله تَعَالَى أَحَادِيث أخر
رَوَاهُ الطَّبَرَانِيّ
قَالَ الْحَافِظ وَتقدم فِي الاقتصاد فِي طلب الرزق وَغَيره غير مَا حَدِيث يَلِيق بِهَذَا الْبَاب وَيَأْتِي فِي الزّهْد إِن شَاءَ الله تَعَالَى أَحَادِيث أخر
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৮২২
অধ্যায়ঃ তাওবা ও যুহদ
পরিচ্ছেদঃ ফিতনার যুগে নেক আমলে ব্রতী হওয়ার প্রতি উৎসাহ প্রদান
৪৮২২. হযরত আবু উমায়্যা শা'বানী (র) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি আবু সা'লাবা খুসানীকে জিজ্ঞেস করলাম (অর্থাৎ) তিনি বলেন, আমি বললাম। হে আবূ সা'লাবা। আপনি عَلَيْكُمْ أَنْفُسَكُمْ الآية "আত্মসংশোধন করাই তোমাদের কর্তব্য; তোমরা যদি সৎপথে পরিচালিত হও তবে যে পথভ্রষ্ট হয়েছ, সে তোমাদের কোন ক্ষতি করতে পারবে না।" (৫ঃ ১০৫) এ আয়াত সম্পর্কে কি বলেন। তিনি বলেন: আল্লাহর কসম। তুমি এ আয়াত সম্পর্কে একজন অবগত লোককে (আমাকে) জিজ্ঞেস করেছ। (কেননা) আমি এ আয়াত সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে জিজ্ঞেস করেছিলাম। উত্তরে তিনি বলেন: সৎকাজের আদেশ করবে অসৎ কাজ থেকে নিষেধ করবে তারপর যখন তুমি লক্ষ্য করবে যে, কার্পণ্য অনুসৃত হচ্ছে, প্রবৃত্তির তাবেদারী হচ্ছে, পার্থিব স্বার্থ অগ্রাধিকার পাচ্ছে এবং প্রত্যেক রায়সম্পন্ন ব্যক্তি নিজ রায় নিজে আত্মপ্রসাদ লাভ করছে, তখন তুমি নিজেকে রক্ষা করবে এবং সাধারণ মানুষকে তোমার নিকট থেকে দূরে সরিয়ে দেবে। কেননা, তোমাদের পেছনে রয়েছে ধৈর্যের দিন। সেদিনগুলোতে ধৈর্যধারণ করা জ্বলন্ত অঙ্গার হাতে ধারণ করার মতই। (কষ্টসাধ্য হবে।) এ সময় যারা নেক আমল করবে, তারা এরূপ পঞ্চাশ ব্যক্তির সমপরিমাণ সাওয়াব পাবে, যারা (অন্য সময়) তার মত আমল করে।
(ইবন মাজাহ ও তিরমিযী (র) হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তিরমিযী (র) বলেন: হাদীসটি হাসান গরীব। আবু দাউদ ও হাদীসটি উল্লেখ করেছেন, তবে তিনি এতটুকু বেশী বর্ণনা করেছেন যে, "জিজ্ঞেস করা হল, ইয়া রাসূলাল্লাহ! (তারা কি) আমাদের মধ্য থেকে পঞ্চাশ জনের সাওয়াব পাবে, না-কি তাদের মধ্য থেকে পঞ্চাশ জনের। তিনি বললেন: বরং তোমাদের মধ্য থেকে পঞ্চাশ জনের।")
(ইবন মাজাহ ও তিরমিযী (র) হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তিরমিযী (র) বলেন: হাদীসটি হাসান গরীব। আবু দাউদ ও হাদীসটি উল্লেখ করেছেন, তবে তিনি এতটুকু বেশী বর্ণনা করেছেন যে, "জিজ্ঞেস করা হল, ইয়া রাসূলাল্লাহ! (তারা কি) আমাদের মধ্য থেকে পঞ্চাশ জনের সাওয়াব পাবে, না-কি তাদের মধ্য থেকে পঞ্চাশ জনের। তিনি বললেন: বরং তোমাদের মধ্য থেকে পঞ্চাশ জনের।")
كتاب التوبة والزهد
التَّرْغِيب فِي الْعَمَل الصَّالح عِنْد فَسَاد الزَّمَان
4822- عَن أبي أُميَّة الشَّعْبَانِي قَالَ سَأَلت أَبَا ثَعْلَبَة الْخُشَنِي قَالَ قلت يَا أَبَا ثَعْلَبَة كَيفَ تَقول فِي هَذِه الْآيَة عَلَيْكُم أَنفسكُم الْمَائِدَة 501 قَالَ أما وَالله لقد سَأَلت عَنْهَا خَبِيرا سَأَلت عَنْهَا رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم فَقَالَ ائْتَمرُوا بِالْمَعْرُوفِ وانتهوا عَن الْمُنكر حَتَّى إِذا رَأَيْت شحا مُطَاعًا وَهوى مُتبعا وَدُنْيا مُؤثرَة وَإِعْجَاب كل ذِي رَأْي برأيهفعليك بِنَفْسِك ودع عَنْك الْعَوام فَإِن من وَرَائِكُمْ أَيَّام الصَّبْر فِيهِنَّ مثل الْقَبْض على الْجَمْر لِلْعَامِلِ فِيهِنَّ مثل أجر خمسين رجلا يعْملُونَ مثل عمله
رَوَاهُ ابْن مَاجَه وَالتِّرْمِذِيّ وَقَالَ حَدِيث حسن غَرِيب وَأَبُو دَاوُد وَزَاد قيل يَا رَسُول الله أجر خمسين رجلا منا أَو مِنْهُم قَالَ بل أجر خمسين مِنْكُم
رَوَاهُ ابْن مَاجَه وَالتِّرْمِذِيّ وَقَالَ حَدِيث حسن غَرِيب وَأَبُو دَاوُد وَزَاد قيل يَا رَسُول الله أجر خمسين رجلا منا أَو مِنْهُم قَالَ بل أجر خمسين مِنْكُم
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৮২৩
অধ্যায়ঃ তাওবা ও যুহদ
পরিচ্ছেদঃ ফিতনার যুগে নেক আমলে ব্রতী হওয়ার প্রতি উৎসাহ প্রদান
৪৮২৩. হযরত মা'কিল ইবন ইয়াসার (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, ফিতনার সময় ইবাদত করা
এর সাওয়াব আমার কাছে হিজরত করে আসার মতই।
(মুসলিম, তিরমিযী ও ইবন মাজাহ (র) হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
শব্দ বিশ্লেষণ: হাদীসে উক্ত الهرج শব্দটির অর্থ ফিতনা-ফাসাদ। কোন কোন হাদীসে 'হত্যা' দ্বারা এর ব্যাখ্যা করা হয়েছে। কেননা, ফিতনা-ফাসাদ হত্যা-জিঘাংসার উপকরণ। তাই আসল লক্ষ্যকে উপকরণের স্থলে স্থলাভিষিক্ত করা হয়েছে।
এর সাওয়াব আমার কাছে হিজরত করে আসার মতই।
(মুসলিম, তিরমিযী ও ইবন মাজাহ (র) হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
শব্দ বিশ্লেষণ: হাদীসে উক্ত الهرج শব্দটির অর্থ ফিতনা-ফাসাদ। কোন কোন হাদীসে 'হত্যা' দ্বারা এর ব্যাখ্যা করা হয়েছে। কেননা, ফিতনা-ফাসাদ হত্যা-জিঘাংসার উপকরণ। তাই আসল লক্ষ্যকে উপকরণের স্থলে স্থলাভিষিক্ত করা হয়েছে।
كتاب التوبة والزهد
التَّرْغِيب فِي الْعَمَل الصَّالح عِنْد فَسَاد الزَّمَان
4823- وَعَن معقل بن يسَار رَضِي الله عَنهُ أَن رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم قَالَ عبَادَة فِي الْهَرج كهجرة إِلَيّ
رَوَاهُ مُسلم وَالتِّرْمِذِيّ وَابْن مَاجَه
الْهَرج هُوَ الِاخْتِلَاف والفتن وَقد فسر فِي بعض الْأَحَادِيث بِالْقَتْلِ لِأَن الْفِتَن وَالِاخْتِلَاف من أَسبَابه فأقيم الْمُسَبّب مقَام السَّبَب
\
رَوَاهُ مُسلم وَالتِّرْمِذِيّ وَابْن مَاجَه
الْهَرج هُوَ الِاخْتِلَاف والفتن وَقد فسر فِي بعض الْأَحَادِيث بِالْقَتْلِ لِأَن الْفِتَن وَالِاخْتِلَاف من أَسبَابه فأقيم الْمُسَبّب مقَام السَّبَب
\
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৮২৪
অধ্যায়ঃ তাওবা ও যুহদ
পরিচ্ছেদঃ কম হলেও নিয়মিত আমল করার প্রতি উৎসাহ প্রদান
৪৮২৪. হযরত আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলাল্লাহ্ (ﷺ)-এর একটি মাদুর ছিল। সেটি তিনি রাত্রিকালে পর্দাস্বরূপ ব্যবহার করতেন। অতঃপর তার উপর সালাত আদায় করতেন এবং দিনের বেলায় তা বিছিয়ে তার উপর বসতেন। লোকেরা নবী (ﷺ)-এর দিকে ধাবিত হতে লাগল এবং তাঁর সাথে তারা (তাহাজ্জুদের) সালাত আদায় করতে লাগল। যখন তাদের সংখ্যা বৃদ্ধি পেল তখন একদিন তাদের প্রতি লক্ষ্য করে তিনি বলেনঃ হে লোক সকল। তোমাদের সামর্থ্যে যতটুকু কুলায় তোমরা ততটুকু আমলই কর। কেননা, তোমরা (ইবাদত করে) যে পর্যন্ত বিরক্ত না হও, আল্লাহ্ তা'আলা বিরক্ত হন না, নিশ্চয় আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয় আমল হচ্ছে তাই, যা সর্বদা করা হয়। যদিও তা কম হয়।
كتاب التوبة والزهد
التَّرْغِيب فِي المداومة على الْعمل وَإِن قل
4824 - عَن عَائِشَة رَضِي الله عَنْهَا قَالَت كَانَ لرَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم حَصِير وَكَانَ يحجزه بِاللَّيْلِ فَيصَلي عَلَيْهِ ويبسطه بِالنَّهَارِ فيجلس عَلَيْهِ فَجعل النَّاس يثوبون إِلَى النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم فيصلون بِصَلَاتِهِ حَتَّى كَثُرُوا فَأقبل عَلَيْهِم فَقَالَ يَا أَيهَا النَّاس خُذُوا من الْأَعْمَال مَا تطيقون فَإِن الله لَا يمل حَتَّى تملوا وَإِن أحب الْأَعْمَال إِلَى الله مَا دَامَ وَإِن قل
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৮২৫
অধ্যায়ঃ তাওবা ও যুহদ
পরিচ্ছেদঃ কম হলেও নিয়মিত আমল করার প্রতি উৎসাহ প্রদান
৪৮২৫. অপর এক রিওয়ায়েতে আছে, মুহাম্মদ (ﷺ) এর পরিবারের লোকেরা যখন কোন আমল করতেন, তখন তাঁরা তার উপর অবিচল থাকতেন।
كتاب التوبة والزهد
التَّرْغِيب فِي المداومة على الْعمل وَإِن قل
4825- وَفِي رِوَايَة وَكَانَ آل مُحَمَّد إِذا عمِلُوا عملا أثبتوه
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৮২৬
অধ্যায়ঃ তাওবা ও যুহদ
পরিচ্ছেদঃ কম হলেও নিয়মিত আমল করার প্রতি উৎসাহ প্রদান
৪৮২৬. অপর এক রিওয়ায়েতে আয়েশা (রা) বলেন: রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কে জিজ্ঞেস করা হল যে, আল্লাহ্ তা'আলার কাছে কোন আমলটি সবচেয়ে প্রিয়? তিনি বলেনঃ নিয়মিত যে আমলটি করা হয়ে থাকে- যদি তা কম হয়।
كتاب التوبة والزهد
التَّرْغِيب فِي المداومة على الْعمل وَإِن قل
4826- وَفِي رِوَايَة قَالَت إِن رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم سُئِلَ أَي الْأَعْمَال أحب إِلَى الله قَالَ أَدْوَمه وَإِن قل
তাহকীক: