আত্-তারগীব ওয়াত্-তারহীব- ইমাম মুনযিরী রহঃ
الترغيب والترهيب للمنذري
২৩. অধ্যায়ঃ তাওবা ও যুহদ - এর পরিচ্ছেদসমূহ
মোট হাদীস ৩৯৩ টি
হাদীস নং: ৪৮২৭
অধ্যায়ঃ তাওবা ও যুহদ
পরিচ্ছেদঃ কম হলেও নিয়মিত আমল করার প্রতি উৎসাহ প্রদান
৪৮২৭. অপর এক রিওয়ায়েতে আছে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন তোমরা সঠিক পথ চলতে চেষ্টা কর এবং ভাল কাজে ব্রতী হও। জেনে রাখ, তোমাদের কারও আমল তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবে না এবং (আরও জেনে রাখ যে) আল্লাহর কাছে প্রিয়তম আমল হচ্ছে যে আমিলটি নিয়মিত করা হয়ে থাকে- যদিও তা কম হয়।
(বুখারী ও মুসলিম হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। মালিক ও বুখারী (র) বর্ণিত আরেকটি রিওয়ায়েত আছে, তাতে আয়েশা (রা) বলেন: আল্লাহ্ তা'আলার কাছে সেই আমলটিই সর্বাধিক প্রিয়, যা নিয়মিত করা হয়ে থাকে। মুসলিমের আরেক রিওয়ায়েতে আছে, আল্লাহর কাছে সর্বাধিক প্রিয় আমল হচ্ছে নিয়মিত যে আমলটি করা হয়ে থাকে। যদিও তা কমও হয়। আয়েশা (রা) যখন কোন আমল করতেন, তখন তা নিয়মিত করতেন।
(আবু দাউদ ও হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তাঁর বর্ণিত রিওয়ায়েতের ভাষা এরকমঃ রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন: তোমাদের যতটুকু সামর্থ্য আছে, ততটুকু আমলের দায়িত্বই গ্রহণ কর। কেননা, তোমরা যে পর্যন্ত (আমল করে) বিরক্ত না হও, আল্লাহ্ তা'আলা বিরক্ত হন না। নিশ্চয় আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয় আমল হচ্ছে সর্বাধিক নিয়মিতভাবে কৃত আমল যদি তা কমও হয়। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যখন কোন আমল করতেন, তখন তা নিয়মিত করতেন।)
(বুখারী ও মুসলিম হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। মালিক ও বুখারী (র) বর্ণিত আরেকটি রিওয়ায়েত আছে, তাতে আয়েশা (রা) বলেন: আল্লাহ্ তা'আলার কাছে সেই আমলটিই সর্বাধিক প্রিয়, যা নিয়মিত করা হয়ে থাকে। মুসলিমের আরেক রিওয়ায়েতে আছে, আল্লাহর কাছে সর্বাধিক প্রিয় আমল হচ্ছে নিয়মিত যে আমলটি করা হয়ে থাকে। যদিও তা কমও হয়। আয়েশা (রা) যখন কোন আমল করতেন, তখন তা নিয়মিত করতেন।
(আবু দাউদ ও হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তাঁর বর্ণিত রিওয়ায়েতের ভাষা এরকমঃ রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন: তোমাদের যতটুকু সামর্থ্য আছে, ততটুকু আমলের দায়িত্বই গ্রহণ কর। কেননা, তোমরা যে পর্যন্ত (আমল করে) বিরক্ত না হও, আল্লাহ্ তা'আলা বিরক্ত হন না। নিশ্চয় আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয় আমল হচ্ছে সর্বাধিক নিয়মিতভাবে কৃত আমল যদি তা কমও হয়। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যখন কোন আমল করতেন, তখন তা নিয়মিত করতেন।)
كتاب التوبة والزهد
التَّرْغِيب فِي المداومة على الْعمل وَإِن قل
4827- وَفِي رِوَايَة أَن رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم قَالَ سددوا وقاربوا وَاعْلَمُوا أَنه لن يدْخل أحدكُم عمله الْجنَّة وَإِن أحب الْأَعْمَال إِلَى الله أدومها وَإِن قل
رَوَاهُ البُخَارِيّ وَمُسلم
ولمالك وَالْبُخَارِيّ أَيْضا قَالَت كَانَ أحب الْأَعْمَال إِلَى الله عز وَجل الَّذِي يَدُوم عَلَيْهِ صَاحبه
وَلمُسلم كَانَ أحب الْأَعْمَال إِلَى الله أدومها وَإِن قل وَكَانَت عَائِشَة رَضِي الله عَنْهَا إِذا عملت الْعَمَل لَزِمته
وَرَوَاهُ أَبُو دَاوُد وَلَفظه أَن رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم قَالَ اكلفوا من الْعَمَل مَا تطيقون فَإِن الله لَا يمل حَتَّى تملوا وَإِن أحب الْعَمَل إِلَى الله أَدْوَمه وَإِن قل وَكَانَ إِذا عمل عملا أثْبته
رَوَاهُ البُخَارِيّ وَمُسلم
ولمالك وَالْبُخَارِيّ أَيْضا قَالَت كَانَ أحب الْأَعْمَال إِلَى الله عز وَجل الَّذِي يَدُوم عَلَيْهِ صَاحبه
وَلمُسلم كَانَ أحب الْأَعْمَال إِلَى الله أدومها وَإِن قل وَكَانَت عَائِشَة رَضِي الله عَنْهَا إِذا عملت الْعَمَل لَزِمته
وَرَوَاهُ أَبُو دَاوُد وَلَفظه أَن رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم قَالَ اكلفوا من الْعَمَل مَا تطيقون فَإِن الله لَا يمل حَتَّى تملوا وَإِن أحب الْعَمَل إِلَى الله أَدْوَمه وَإِن قل وَكَانَ إِذا عمل عملا أثْبته
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৮২৮
অধ্যায়ঃ তাওবা ও যুহদ
পরিচ্ছেদঃ কম হলেও নিয়মিত আমল করার প্রতি উৎসাহ প্রদান
৪৮২৮. আবূ দাউদ তাঁরই বর্ণিত অপর এক রিওয়ায়েতে বলেন। আমি আয়েশা (রা)কে জিজ্ঞেস করলাম যে, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ)-এর আমল কিরূপ ছিল? তিনি কি (আমলের জন্য) বিশেষ কোন দিন ঠিক নির্দিষ্ট করে নিতেন? আয়েশা (রা) বললেনঃ না; বরং তাঁর আমল ছিল অতি নিয়মিত। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যেরূপ আমল
করতে পারতেন, তোমাদের মধ্যে কে সেরূপ আমল করতে সক্ষম?
(তিরমিযীও হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তাঁর বর্ণিত রিওয়ায়েতের ভাষা এরকম: রাসূলুল্লাহ-এর কাছে সবচাইতে প্রিয় আমল ছিল, যা-সর্বদা করা হত।)
করতে পারতেন, তোমাদের মধ্যে কে সেরূপ আমল করতে সক্ষম?
(তিরমিযীও হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তাঁর বর্ণিত রিওয়ায়েতের ভাষা এরকম: রাসূলুল্লাহ-এর কাছে সবচাইতে প্রিয় আমল ছিল, যা-সর্বদা করা হত।)
كتاب التوبة والزهد
التَّرْغِيب فِي المداومة على الْعمل وَإِن قل
4828- وَفِي رِوَايَة لَهُ قَالَ سَأَلت عَائِشَة رَضِي الله عَنْهَا كَيفَ كَانَ عمل رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم
هَل كَانَ يخص شَيْئا من الْأَيَّام قَالَت لَا كَانَ عمله دِيمَة وَأَيكُمْ يَسْتَطِيع مَا كَانَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم يَسْتَطِيع
وَرَوَاهُ التِّرْمِذِيّ
وَلَفظه كَانَ أحب الْأَعْمَال إِلَى رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم مَا ديم عَلَيْهِ
هَل كَانَ يخص شَيْئا من الْأَيَّام قَالَت لَا كَانَ عمله دِيمَة وَأَيكُمْ يَسْتَطِيع مَا كَانَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم يَسْتَطِيع
وَرَوَاهُ التِّرْمِذِيّ
وَلَفظه كَانَ أحب الْأَعْمَال إِلَى رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم مَا ديم عَلَيْهِ
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৮২৯
অধ্যায়ঃ তাওবা ও যুহদ
পরিচ্ছেদঃ কম হলেও নিয়মিত আমল করার প্রতি উৎসাহ প্রদান
৪৮২৯. তিরমিযীর অপর এক রিওয়ায়েতে আছে; আয়েশা ও উম্মে সালামা (রা)-কে জিজ্ঞেস করা হল যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কাছে কোন আমল চাইতে প্রিয় ছিল। তাঁরা উভয়ে বললেন: যে আমল নিয়মিত করা হয়- যদি তা কমও হয়।
كتاب التوبة والزهد
التَّرْغِيب فِي المداومة على الْعمل وَإِن قل
4829- وَفِي رِوَايَة لَهُ سُئِلت عَائِشَة وَأم سَلمَة رَضِي الله عَنْهُمَا أَي الْعَمَل كَانَ أحب إِلَى رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم قَالَا مَا ديم عَلَيْهِ وَإِن قل
يحجره أَي يَتَّخِذهُ حجرَة وناحية ينْفَرد عَلَيْهِ فِيهَا
يثوبون بثاء مُثَلّثَة ثمَّ وَاو ثمَّ بَاء مُوَحدَة أَي يرجعُونَ إِلَيْهِ ويجتمعون عِنْده
يحجره أَي يَتَّخِذهُ حجرَة وناحية ينْفَرد عَلَيْهِ فِيهَا
يثوبون بثاء مُثَلّثَة ثمَّ وَاو ثمَّ بَاء مُوَحدَة أَي يرجعُونَ إِلَيْهِ ويجتمعون عِنْده
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৮৩০
অধ্যায়ঃ তাওবা ও যুহদ
পরিচ্ছেদঃ কম হলেও নিয়মিত আমল করার প্রতি উৎসাহ প্রদান
৪৮৩০. হযরত উম্মে সালামা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ এমতাবস্থায় ইনতিকাল করেছেন যে, তিনি অধিকাংশ সালাত বসে আদায় করতেন। তাঁর কাছে সবচাইতে প্রিয় আমল ছিল তাই যা' বান্দা নিয়মিত করে, যদি তা সামান্যও হয়।
(ইবন হিব্বান তাঁর 'সহীহ্'-এর হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
(ইবন হিব্বান তাঁর 'সহীহ্'-এর হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
كتاب التوبة والزهد
التَّرْغِيب فِي المداومة على الْعمل وَإِن قل
4830- وَعَن أم سَلمَة قَالَت مَا مَاتَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم حَتَّى كَانَ أَكثر صلَاته وَهُوَ جَالس وَكَانَ أحب الْعَمَل مَا داوم عَلَيْهِ العَبْد وَإِن كَانَ شَيْئا يَسِيرا
رَوَاهُ ابْن حبَان فِي صَحِيحه
رَوَاهُ ابْن حبَان فِي صَحِيحه
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৮৩১
অধ্যায়ঃ তাওবা ও যুহদ
পরিচ্ছেদঃ দারিদ্র্যও স্বল্পসামগ্রীর প্রতি উৎসাহ প্রদান এবং ফকীর-মিসকীন ও দুর্বলদের মর্যাদা এবং তাদেরকে ভালবাসা ও তাদের সাথে উঠাবসা করা
৪৮৩১. হযরত আবু দারদা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ তোমাদের সামনে এক
কঠিন ঘাটি রয়েছে। সেখান থেকে স্বল্প সামগ্রীর অধিকারী ব্যতীত কেউ রক্ষা পাবে না।
(বাযযার (র) হাদীসটি হাসান সনদে বর্ণনা করেছেন।)
কঠিন ঘাটি রয়েছে। সেখান থেকে স্বল্প সামগ্রীর অধিকারী ব্যতীত কেউ রক্ষা পাবে না।
(বাযযার (র) হাদীসটি হাসান সনদে বর্ণনা করেছেন।)
كتاب التوبة والزهد
التَّرْغِيب فِي الْفقر وَقلة ذَات الْيَد وَمَا جَاءَ فِي فضل الْفُقَرَاء وَالْمَسَاكِين وَالْمُسْتَضْعَفِينَ وحبهم ومجالستهم
4831- عَن أبي الدَّرْدَاء رَضِي الله عَنهُ قَالَ قَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم إِن بَين أَيْدِيكُم عقبَة كؤودا لَا ينجو مِنْهَا إِلَّا كل مخف
رَوَاهُ الْبَزَّار بِإِسْنَاد حسن
رَوَاهُ الْبَزَّار بِإِسْنَاد حسن
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৮৩২
অধ্যায়ঃ তাওবা ও যুহদ
পরিচ্ছেদঃ দারিদ্র্যও স্বল্পসামগ্রীর প্রতি উৎসাহ প্রদান এবং ফকীর-মিসকীন ও দুর্বলদের মর্যাদা এবং তাদেরকে ভালবাসা ও তাদের সাথে উঠাবসা করা
৪৮৩২. হযরত উম্মে দারদা (রা)-এর সূত্রে আবু দারদা (রা)-এর থেকে বর্ণিত। উম্মে দারদা বলেন, আমি আবু দারদাকে বললাম, তোমার কি হল যে, অমুক অমুক যেমন আয়-উপার্জনের চেষ্টা করে, তুমি যে তেমনটি কর না? তিনি বললেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি, তোমাদের সম্মুখে রয়েছে এক কঠিন ঘাঁটি, যা অধিক সামগ্রীর অধিকারী লোকেরা অতিক্রম করতে পারবে না। অতএব এটাই ভালবাসি যে, সেই ঘাঁটিতে আমি হাল্কা বোঝা বহনকারী হই।
(তাবারানী (র) হাদীসটি সহীহ্ সনদে বর্ণনা করেছেন।)
(তাবারানী (র) হাদীসটি সহীহ্ সনদে বর্ণনা করেছেন।)
كتاب التوبة والزهد
التَّرْغِيب فِي الْفقر وَقلة ذَات الْيَد وَمَا جَاءَ فِي فضل الْفُقَرَاء وَالْمَسَاكِين وَالْمُسْتَضْعَفِينَ وحبهم ومجالستهم
4832- وَعَن أم الدَّرْدَاء عَن أبي الدَّرْدَاء رَضِي الله عَنْهُمَا قَالَ قلت لَهُ مَا لَك لَا تطلب مَا يطْلب فلَان وَفُلَان قَالَ إِنِّي سَمِعت رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم يَقُول إِن وراءكم عقبَة كؤودا لَا يجوزها المثقلون فَأَنا أحب أَن أتخفف لتِلْك الْعقبَة
رَوَاهُ الطَّبَرَانِيّ بِإِسْنَاد صَحِيح
الكؤود بِفَتْح الْكَاف وَبعدهَا همزَة مَضْمُومَة هِيَ الْعقبَة الصعبة
رَوَاهُ الطَّبَرَانِيّ بِإِسْنَاد صَحِيح
الكؤود بِفَتْح الْكَاف وَبعدهَا همزَة مَضْمُومَة هِيَ الْعقبَة الصعبة
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৮৩৩
অধ্যায়ঃ তাওবা ও যুহদ
পরিচ্ছেদঃ দারিদ্র্যও স্বল্পসামগ্রীর প্রতি উৎসাহ প্রদান এবং ফকীর-মিসকীন ও দুর্বলদের মর্যাদা এবং তাদেরকে ভালবাসা ও তাদের সাথে উঠাবসা করা
৪৮৩৩. হযরত আনাস (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) একদিন আবূ যর (রা)-এর হাত ধরে বের হলেন। তখন তিনি বললেনঃ হে আবু যর। তুমি কি জান যে, আমাদের সামনে একটি কঠিন ঘাঁটি রয়েছে, যা স্বল্প সামগ্রীর অধিকারী লোকেরা ব্যতীত কেউ অতিক্রম করতে পারবে না? এক ব্যক্তি বললঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ। আমি কি স্বল্প সামগ্রীর অধিকারীদের মধ্যে গণ্য, নাকি অধিক সামগ্রীর অধিকারীদের মধ্যে? তিনি বলেন, তোমার কাছে কি একদিনের খাবার আছে? লোকটি বলল, জ্বী হ্যাঁ, আগামীকালের খাবারও আছে। রাসূলাল্লাহ (ﷺ) জিজ্ঞেস করেন, পরশুর খাবারও আছে কি? লোকটি বলল, জ্বী না। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ যদি তোমার কাছে তিন দিনের আহার্য থাকে, তবে তুমি অধিক সামগ্রীর অধিকারীদের মধ্যে গণ্য।
(তাবারানী (র) হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
(তাবারানী (র) হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
كتاب التوبة والزهد
التَّرْغِيب فِي الْفقر وَقلة ذَات الْيَد وَمَا جَاءَ فِي فضل الْفُقَرَاء وَالْمَسَاكِين وَالْمُسْتَضْعَفِينَ وحبهم ومجالستهم
4833- وَرُوِيَ عَن أنس رَضِي الله عَنهُ قَالَ خرج رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم يَوْمًا وَهُوَ آخذ بيد أبي
ذَر فَقَالَ يَا أَبَا ذَر أعلمت أَن بَين أَيْدِينَا عقبَة كؤودا لَا يصعدها إِلَّا المخفون
قَالَ رجل يَا رَسُول الله أَمن المخفين أَنا أم من المثقلين قَالَ عنْدك طَعَام يَوْم قَالَ نعم وَطَعَام غَد
قَالَ وَطَعَام بعد غَد قَالَ لَا
قَالَ لَو كَانَ عنْدك طَعَام ثَلَاث كنت من المثقلين
رَوَاهُ الطَّبَرَانِيّ
ذَر فَقَالَ يَا أَبَا ذَر أعلمت أَن بَين أَيْدِينَا عقبَة كؤودا لَا يصعدها إِلَّا المخفون
قَالَ رجل يَا رَسُول الله أَمن المخفين أَنا أم من المثقلين قَالَ عنْدك طَعَام يَوْم قَالَ نعم وَطَعَام غَد
قَالَ وَطَعَام بعد غَد قَالَ لَا
قَالَ لَو كَانَ عنْدك طَعَام ثَلَاث كنت من المثقلين
رَوَاهُ الطَّبَرَانِيّ
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৮৩৪
অধ্যায়ঃ তাওবা ও যুহদ
পরিচ্ছেদঃ দারিদ্র্যও স্বল্পসামগ্রীর প্রতি উৎসাহ প্রদান এবং ফকীর-মিসকীন ও দুর্বলদের মর্যাদা এবং তাদেরকে ভালবাসা ও তাদের সাথে উঠাবসা করা
৪৮৩৪. হযরত আবূ আসমা থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি আবূ যার (রা)-এর কাছে গেলেন। তখন আবূ যার (রা) রাবযায় ছিলেন। তাঁর কাছে ছিল এক এলোকেশী কৃষ্ণাঙ্গী মহিলা। তার কাছে রূপ সৌন্দর্য বা সুগন্ধির কোন চিহ্ন মাত্র ছিল না। তখন আবূ যার (রা) বললেনঃ তোমরা কি দেখনা, এ কৃষ্ণাঙ্গী মহিলা আমাকে কি বলে? সে আমাকে ইরাকে যেতে বলে, আমি যখন ইরাকে পৌঁছলাম, তখন লোকেরা তাদের দুনিয়া নিয়ে আমার প্রতি ঝুঁকে পড়ল। অথচ আমার বন্ধু আমাকে জানিয়েছেন যে, জাহান্নামের পুল ব্যতীত আরও একটি পিচ্ছিল ও পদস্খলনের পথ রয়েছে। আর আমাদের সেপথ পাড়ি দিতে হবে। এমতাবস্থায় আমাদের রক্ষা পাওয়ার জন্য অধিক বোঝা মাথায় নিয়ে সেপথ পাড়ি দেয়ার চেয়ে হাল্কা ও সাধ্যমত বোঝা নিয়ে সে পথ পাড়ি দেয়াটাই অধিকতর সমীচীন।
(আহমাদ (র ) হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। এ হাদীসের সকল বর্ণনাকারী সহীহ হাদীসের রাবী।)
(আহমাদ (র ) হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। এ হাদীসের সকল বর্ণনাকারী সহীহ হাদীসের রাবী।)
كتاب التوبة والزهد
التَّرْغِيب فِي الْفقر وَقلة ذَات الْيَد وَمَا جَاءَ فِي فضل الْفُقَرَاء وَالْمَسَاكِين وَالْمُسْتَضْعَفِينَ وحبهم ومجالستهم
4834- وَعَن أبي أَسمَاء أَنه دخل على أبي ذَر وَهُوَ بالربذة وَعِنْده امْرَأَة سَوْدَاء مشنعة لَيْسَ عَلَيْهَا أثر المحاسن وَلَا الخلوق فَقَالَ أَلا تنْظرُون إِلَى مَا تَأْمُرنِي هَذِه السويداء تَأْمُرنِي أَن آتِي الْعرَاق فَإِذا أتيت الْعرَاق مالوا عَليّ بدنياهم وَإِن خليلي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم عهد إِلَيّ أَن دون جسر جَهَنَّم طَرِيقا ذَا دحض ومزلة وَإِنَّا إِن نأتي عَلَيْهِ وَفِي أحمالنا اقتدار واضطمار أَحْرَى أَن ننجو من أَن نأتي عَلَيْهِ وَنحن مواقير
رَوَاهُ أَحْمد
وَرُوَاته رُوَاة الصَّحِيح
الدحض بِفَتْح الدَّال وَسُكُون الْحَاء الْمُهْمَلَتَيْنِ وبفتح الْحَاء أَيْضا وَآخره ضاد مُعْجمَة هُوَ الزلق
رَوَاهُ أَحْمد
وَرُوَاته رُوَاة الصَّحِيح
الدحض بِفَتْح الدَّال وَسُكُون الْحَاء الْمُهْمَلَتَيْنِ وبفتح الْحَاء أَيْضا وَآخره ضاد مُعْجمَة هُوَ الزلق
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৮৩৫
অধ্যায়ঃ তাওবা ও যুহদ
পরিচ্ছেদঃ দারিদ্র্যও স্বল্পসামগ্রীর প্রতি উৎসাহ প্রদান এবং ফকীর-মিসকীন ও দুর্বলদের মর্যাদা এবং তাদেরকে ভালবাসা ও তাদের সাথে উঠাবসা করা
৪৮৩৫. হযরত আবু সাঈদ খুদরী (রা) থেকে বর্ণিত। নবী (ﷺ) বলেনঃ আল্লাহ্ তা'আলা যখন তার মু'মিন বান্দাকে ভালবাসেন, তখন তাকে দুনিয়া থেকে এভাবে দূরে সরিয়ে রাখেন, যেমন তোমরা তোমাদের রোগীকে পানাহার থেকে দূরে সরিয়ে রাখ।
(হাকিম (র) হাদীসটি বর্ণনা করে বলেনঃ এর সনদ সহীহ।)
(হাকিম (র) হাদীসটি বর্ণনা করে বলেনঃ এর সনদ সহীহ।)
كتاب التوبة والزهد
التَّرْغِيب فِي الْفقر وَقلة ذَات الْيَد وَمَا جَاءَ فِي فضل الْفُقَرَاء وَالْمَسَاكِين وَالْمُسْتَضْعَفِينَ وحبهم ومجالستهم
4835- وَعَن أبي سعيد الْخُدْرِيّ رَضِي الله عَنهُ أَن النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم قَالَ إِن الله عز وَجل ليحمي عَبده الْمُؤمن الدُّنْيَا وَهُوَ يُحِبهُ كَمَا تحمون مريضكم الطَّعَام وَالشرَاب
رَوَاهُ الْحَاكِم وَقَالَ صَحِيح الْإِسْنَاد
رَوَاهُ الْحَاكِم وَقَالَ صَحِيح الْإِسْنَاد
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৮৩৬
অধ্যায়ঃ তাওবা ও যুহদ
পরিচ্ছেদঃ দারিদ্র্যও স্বল্পসামগ্রীর প্রতি উৎসাহ প্রদান এবং ফকীর-মিসকীন ও দুর্বলদের মর্যাদা এবং তাদেরকে ভালবাসা ও তাদের সাথে উঠাবসা করা
৪৮৩৬. রাফি' ইবন খাদীজ (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, যখন আল্লাহ্ তা'আলা কোন বান্দাকে ভালবাসেন, তখন তাকে দুনিয়া থেকে এভাবে দূরে সরিয়ে রাখেন। যেমন তোমাদের মধ্য থেকে কেউ তার রোগাগ্রস্ত ব্যক্তিকে পানি থেকে দূরে সরিয়ে রাখে।
(তাবারানী (র) হাসান সনদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। ইবন হিব্বান তাঁর 'সহীহ'-এ হাদীসটি উল্লেখ করেছেন। হাকিম হাদীসটি আবু কাতাদাহর সূত্রে ভিন্ন ভাষায় বর্ণনা করেছেন। হাকিম (র) বলেনঃ এর সনদ সহীহ।)
(তাবারানী (র) হাসান সনদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। ইবন হিব্বান তাঁর 'সহীহ'-এ হাদীসটি উল্লেখ করেছেন। হাকিম হাদীসটি আবু কাতাদাহর সূত্রে ভিন্ন ভাষায় বর্ণনা করেছেন। হাকিম (র) বলেনঃ এর সনদ সহীহ।)
كتاب التوبة والزهد
التَّرْغِيب فِي الْفقر وَقلة ذَات الْيَد وَمَا جَاءَ فِي فضل الْفُقَرَاء وَالْمَسَاكِين وَالْمُسْتَضْعَفِينَ وحبهم ومجالستهم
4836- وَعَن رَافع بن خديج رَضِي الله عَنهُ قَالَ قَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم إِذا أحب الله عز وَجل عبدا حماه الدُّنْيَا كَمَا يظل أحدكُم يحمي سقيمه المَاء
رَوَاهُ الطَّبَرَانِيّ بِإِسْنَاد حسن وَرَوَاهُ ابْن حبَان فِي صَحِيحه وَالْحَاكِم بِلَفْظِهِ من حَدِيث أبي قَتَادَة وَقَالَ الْحَاكِم صَحِيح الْإِسْنَاد
رَوَاهُ الطَّبَرَانِيّ بِإِسْنَاد حسن وَرَوَاهُ ابْن حبَان فِي صَحِيحه وَالْحَاكِم بِلَفْظِهِ من حَدِيث أبي قَتَادَة وَقَالَ الْحَاكِم صَحِيح الْإِسْنَاد
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৮৩৭
অধ্যায়ঃ তাওবা ও যুহদ
পরিচ্ছেদঃ দারিদ্র্যও স্বল্পসামগ্রীর প্রতি উৎসাহ প্রদান এবং ফকীর-মিসকীন ও দুর্বলদের মর্যাদা এবং তাদেরকে ভালবাসা ও তাদের সাথে উঠাবসা করা
৪৮৩৭. হযরত ইবন আব্বাস (রা) এর সূত্রে নবী (ﷺ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন: আমি জান্নাতে উঁকি মেরে
দেখলাম। সেখানকার অধিকাংশ অধিবাসীই হচ্ছে দরিদ্র লোকেরা। এবং আমি জাহান্নামে উঁকি মেরে দেখলাম। সেখানকার অধিকাংশ অধিবাসী হচ্ছে মহিলারা।
(বুখারী ও মুসলিম (র) হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। আহমাদ (র) উত্তম সনদে আব্দুল্লাহ্ ইবন আমর (রা)-এর সূত্রে হাদীসটি উল্লেখ করেছেন। তবে উক্ত রিওয়ায়েতে তিনি বলেনঃ "আমি জাহান্নামে উকি মেরে দেখলাম সেখানকার অধিকাংশ অধিবাসী ধনী লোকেরা ও মহিলারা।")
দেখলাম। সেখানকার অধিকাংশ অধিবাসীই হচ্ছে দরিদ্র লোকেরা। এবং আমি জাহান্নামে উঁকি মেরে দেখলাম। সেখানকার অধিকাংশ অধিবাসী হচ্ছে মহিলারা।
(বুখারী ও মুসলিম (র) হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। আহমাদ (র) উত্তম সনদে আব্দুল্লাহ্ ইবন আমর (রা)-এর সূত্রে হাদীসটি উল্লেখ করেছেন। তবে উক্ত রিওয়ায়েতে তিনি বলেনঃ "আমি জাহান্নামে উকি মেরে দেখলাম সেখানকার অধিকাংশ অধিবাসী ধনী লোকেরা ও মহিলারা।")
كتاب التوبة والزهد
التَّرْغِيب فِي الْفقر وَقلة ذَات الْيَد وَمَا جَاءَ فِي فضل الْفُقَرَاء وَالْمَسَاكِين وَالْمُسْتَضْعَفِينَ وحبهم ومجالستهم
4837- وَعَن ابْن عَبَّاس رَضِي الله عَنْهُمَا عَن النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم قَالَ اطَّلَعت فِي الْجنَّة فَرَأَيْت أَكثر أَهلهَا الْفُقَرَاء واطلعت فِي النَّار فَرَأَيْت أَكثر أَهلهَا النِّسَاء
رَوَاهُ البُخَارِيّ وَمُسلم وَرَوَاهُ أَحْمد بِإِسْنَاد جيد من حَدِيث عبد الله بن عَمْرو إِلَّا أَنه قَالَ فِيهِ
واطلعت فِي النَّار فَرَأَيْت أَكثر أَهلهَا الْأَغْنِيَاء وَالنِّسَاء
رَوَاهُ البُخَارِيّ وَمُسلم وَرَوَاهُ أَحْمد بِإِسْنَاد جيد من حَدِيث عبد الله بن عَمْرو إِلَّا أَنه قَالَ فِيهِ
واطلعت فِي النَّار فَرَأَيْت أَكثر أَهلهَا الْأَغْنِيَاء وَالنِّسَاء
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৮৩৮
অধ্যায়ঃ তাওবা ও যুহদ
পরিচ্ছেদঃ দারিদ্র্যও স্বল্পসামগ্রীর প্রতি উৎসাহ প্রদান এবং ফকীর-মিসকীন ও দুর্বলদের মর্যাদা এবং তাদেরকে ভালবাসা ও তাদের সাথে উঠাবসা করা
৪৮৩৮. হযরত আবূ সাঈদ খুদরী (রা)-এর সূত্রে নবী (ﷺ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মূসা (আ) বলবেন, হে আমার প্রতিপালক! আপনি কি দুনিয়াতে আপনার মু'মিন বান্দার রিযিক সংকীর্ণ করে দেন? রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন: অতঃপর হযরত মূসা (আ)-এর জন্য জান্নাতের একটি দরজা খুলে দেয়া হবে। তখন তিনি জান্নাতের দিকে তাকাবেন। (তখন) আল্লাহ তা'আলা তাঁকে বলবেন, হে মূসা। এই সে নিয়ামতসমূহ যা আমি মু'মিন বান্দার জন্য প্রস্তুত করে রেখেছি। হযরত মূসা (আ) বলবেন, হে আমার প্রতিপালক! আপনার মর্যাদা ও মাহাত্ম্যের কসম। যদি জান্নাতী লোকটি উভয় হাত-পা কাটা হয় (এবং) তার সৃষ্টির দিন থেকে কিয়ামত পর্যন্ত উপুড় হয়ে হামাগুড়ি দিয়ে চলে এবং এটা তার শেষ গন্তব্যস্থল হয়, তবে সে কখনও এখানে কোন রকম অসুবিধা দেখবে না। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন: তারপর হযরত মূসা (আ) বলবেন, হে আমার প্রতিপালক! আপনি কি আপনার কাফির বান্দার রিযিক দুনিয়াতে প্রশস্ত করে দেন? রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন। অতঃপর হযরত মূসা (আ)-এর জন্য জাহান্নামের একটি দরজা খুলে দেয়া হবে। তখন তাঁকে বলা হবে, হে মূসা! এই সে শাস্তি যা আমি কাফির বান্দার জন্য প্রস্তুত রেখেছি। হযরত মূসা (আ) বলবেন, হে আমার প্রতিপালক। আপনার মর্যাদা ও মাহাত্ম্যের কসম। যদি জাহান্নামী ব্যক্তির সৃষ্টির দিন থেকে কিয়ামতের দিন পর্যন্ত সমগ্র দুনিয়া তার জন্য হয় এবং এটা তার শেষ আবাসস্থল হয়, তবে সে এখানে কোন কল্যাণ দেখতে পাবে না।
(আহমাদ (র) হাদীসটি ইবন লাহী'আহ-এর সূত্রে দাব্বাজ থেকে বর্ণনা করেছেন।)
(আহমাদ (র) হাদীসটি ইবন লাহী'আহ-এর সূত্রে দাব্বাজ থেকে বর্ণনা করেছেন।)
كتاب التوبة والزهد
التَّرْغِيب فِي الْفقر وَقلة ذَات الْيَد وَمَا جَاءَ فِي فضل الْفُقَرَاء وَالْمَسَاكِين وَالْمُسْتَضْعَفِينَ وحبهم ومجالستهم
4838- وَعَن أبي سعيد الْخُدْرِيّ رَضِي الله عَنهُ عَن النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم أَنه قَالَ إِن مُوسَى صلوَات الله وَسَلَامه عَلَيْهِ قَالَ أَي رب عَبدك الْمُؤمن تقتر عَلَيْهِ فِي الدُّنْيَا قَالَ فَيفتح لَهُ بَاب من الْجنَّة فَينْظر إِلَيْهَا قَالَ لَهُ يَا مُوسَى هَذَا مَا أَعدَدْت لَهُ فَقَالَ مُوسَى أَي رب وَعزَّتك وجلالك لَو كَانَ أقطع الْيَدَيْنِ وَالرّجلَيْنِ يسحب على وَجهه مُنْذُ يَوْم خلقته إِلَى يَوْم الْقِيَامَة وَكَانَ هَذَا مصيره لم ير بؤسا قطّ
قَالَ ثمَّ قَالَ مُوسَى أَي رب عَبدك الْكَافِر توسع عَلَيْهِ فِي الدُّنْيَا قَالَ فَيفتح لَهُ بَاب من النَّار فَيُقَال لَهُ يَا مُوسَى هَذَا مَا أَعدَدْت لَهُ
فَقَالَ مُوسَى أَي رب وَعزَّتك وجلالك لَو كَانَ لَهُ الدُّنْيَا مُنْذُ يَوْم خلقته إِلَى يَوْم الْقِيَامَة وَكَانَ هَذَا مصيره كَأَن لم ير خيرا قطّ
رَوَاهُ أَحْمد من طَرِيق ابْن لَهِيعَة عَن دراج
قَالَ ثمَّ قَالَ مُوسَى أَي رب عَبدك الْكَافِر توسع عَلَيْهِ فِي الدُّنْيَا قَالَ فَيفتح لَهُ بَاب من النَّار فَيُقَال لَهُ يَا مُوسَى هَذَا مَا أَعدَدْت لَهُ
فَقَالَ مُوسَى أَي رب وَعزَّتك وجلالك لَو كَانَ لَهُ الدُّنْيَا مُنْذُ يَوْم خلقته إِلَى يَوْم الْقِيَامَة وَكَانَ هَذَا مصيره كَأَن لم ير خيرا قطّ
رَوَاهُ أَحْمد من طَرِيق ابْن لَهِيعَة عَن دراج
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৮৩৯
অধ্যায়ঃ তাওবা ও যুহদ
পরিচ্ছেদঃ দারিদ্র্যও স্বল্পসামগ্রীর প্রতি উৎসাহ প্রদান এবং ফকীর-মিসকীন ও দুর্বলদের মর্যাদা এবং তাদেরকে ভালবাসা ও তাদের সাথে উঠাবসা করা
৪৮৩৯. হযরত আব্দুল্লাহ ইব্ন আমর ইবন আস (রা) এর সূত্রে রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ তোমরা কি জান, আল্লাহ তা'আলার সৃষ্টির মধ্য থেকে সর্বপ্রথম জান্নাতে কে প্রবেশ করবে? সাহাবায়ে কিরাম বললেন: আল্লাহ ও তাঁর রাসূলই সবচাইতে ভাল জানেন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন। দরিদ্র মুহাজিরগণ যাদের সাহায্যে সীমান্ত পাহারার এবং নানা প্রকার অনিষ্ট থেকে আত্মরক্ষার ব্যবস্থা হয়, তাদের মধ্য থেকে কেউ এমতাবস্থায় মৃত্যুবরণ করে যে, তার বাসনা তার অন্তরেই থেকে যায়, অতচ তা পূর্ণ করার কোন উপায়ই সে পায় না। তখন আল্লাহ্ তা'আলা তাঁর ফিরিশতাদের মধ্য থেকে যাকে ইচ্ছা, সম্বোধন করে বলেন, তোমরা তাদের কাছে যাও এবং তাদেরকে অভিবাদন কর। তখন ফিরিশতাগণ বলবেন, হে আমাদের প্রতিপালক! আমরা আপনার আকাশের অধিবাসী এবং আপনার সমস্ত সৃষ্টি জগতের মধ্যে আপনার একান্তই মনোনীত বান্দা। আপনি কি আমাদেরকে তাদের কাছে যেতে নির্দেশ দিচ্ছেন এবং তাদেরকে অভিবাদন করতে বলছেন? আল্লাহ্ তা'আলা বলবেন, তারা আমার এমন বান্দা ছিল, যারা আমার ইবাদত করত এবং আমার সাথে কোন কিছুকে শরীক করত না, তাদের দ্বারা সীমান্ত প্রহরা এবং অনিষ্ট থেকে আত্মরক্ষা করা হত, তাদের মধ্য থেকে কেউ এমতাবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছে যে, তার বাসনা তার অন্তরেই রয়ে গেছে, যা পূর্ণ করার কোন উপায়ই সে পায়নি।
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, তখন ফিরিশতাগণ তাদের কাছে যাবেন এবং সব দরজা দিয়ে তাদের কাছে প্রবেশ করবেন (আর তারা এভাবে অভিবাদন করবেন) তোমাদের প্রতি সালাম- তোমরা যে ধৈর্যধারণ করেছ, তার জন্যে আখিরাতের পরিণতি কতই না শুভ।
(আহমাদ ও বাযযার (র) হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। উভয়ের সকল রাবী নির্ভরযোগ্য। ইবন হিব্বানও তাঁর 'সহীহ'-এ হাদীসটি উল্লেখ করেছেন।)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, তখন ফিরিশতাগণ তাদের কাছে যাবেন এবং সব দরজা দিয়ে তাদের কাছে প্রবেশ করবেন (আর তারা এভাবে অভিবাদন করবেন) তোমাদের প্রতি সালাম- তোমরা যে ধৈর্যধারণ করেছ, তার জন্যে আখিরাতের পরিণতি কতই না শুভ।
(আহমাদ ও বাযযার (র) হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। উভয়ের সকল রাবী নির্ভরযোগ্য। ইবন হিব্বানও তাঁর 'সহীহ'-এ হাদীসটি উল্লেখ করেছেন।)
كتاب التوبة والزهد
التَّرْغِيب فِي الْفقر وَقلة ذَات الْيَد وَمَا جَاءَ فِي فضل الْفُقَرَاء وَالْمَسَاكِين وَالْمُسْتَضْعَفِينَ وحبهم ومجالستهم
4839- وَعَن عبد الله بن عَمْرو بن العَاصِي رَضِي الله عَنْهُمَا عَن رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم أَنه قَالَ هَل تَدْرُونَ أول من يدْخل الْجنَّة من خلق الله عز وَجل قَالُوا الله وَرَسُوله أعلم قَالَ الْفُقَرَاء الْمُهَاجِرُونَ الَّذين تسد بهم الثغور وتتقى بهم المكاره وَيَمُوت أحدهم وَحَاجته فِي صَدره لَا يَسْتَطِيع لَهَا قَضَاء فَيَقُول الله عز وَجل لمن يَشَاء من مَلَائكَته ائتوهم فحيوهم فَتَقول الْمَلَائِكَة رَبنَا نَحن سكان سمائك وخيرتك من خلقك أفتأمرنا أَن نأتي هَؤُلَاءِ فنسلم عَلَيْهِم قَالَ إِنَّهُم كَانُوا عبادا يعبدوني وَلَا يشركُونَ بِي شَيْئا وتسد بهم الثغور وتتقى بهم المكاره وَيَمُوت أحدهم وَحَاجته فِي صَدره لَا يَسْتَطِيع لَهَا قَضَاء قَالَ فتأتيهم الْمَلَائِكَة عِنْد ذَلِك فَيدْخلُونَ عَلَيْهِم من كل بَاب سَلام عَلَيْكُم بِمَا صَبَرْتُمْ فَنعم عُقبى الدَّار
رَوَاهُ أَحْمد وَالْبَزَّار ورواتهما ثِقَات وَابْن حبَان فِي صَحِيحه
رَوَاهُ أَحْمد وَالْبَزَّار ورواتهما ثِقَات وَابْن حبَان فِي صَحِيحه
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৮৪০
অধ্যায়ঃ তাওবা ও যুহদ
পরিচ্ছেদঃ দারিদ্র্যও স্বল্পসামগ্রীর প্রতি উৎসাহ প্রদান এবং ফকীর-মিসকীন ও দুর্বলদের মর্যাদা এবং তাদেরকে ভালবাসা ও তাদের সাথে উঠাবসা করা
৪৮৪০. হযরত সাওবান (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, আমার হাওয হবে আদন (এডেন) থেকে আম্মান পর্যন্ত বিস্তৃত। তার পানপাত্র হবে তারকার সংখ্যা পরিমাণ। তার পানি হবে বরফের চাইতেও অধিকতর শুভ্র, মধুর চাইতে অধিকতর সুমিষ্ট, তার পাশে উপস্থিত অধিকাংশ লোক হবে দরিদ্র মুহাজিরগণ। (সাহাবায়ে কিরাম বলেন) আমরা বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমাদের কাছে তাদের পরিচয় দিন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন: তারা হবে এলোকেশী, জীর্ণ বেনী, তারা স্বাচ্ছন্দ্য মণ্ডিতা নারীদেরকে তারা বিবাহ করবেন না, তাদের জন্য দ্বারসমূহ উন্মুক্ত হবে না, তাদের কাছে প্রাপ্য তারা ঠিকই শোধ করবে, অথচ তাদের প্রাপ্য তাদেরকে প্রদান করা হবে না।
(তাবারানী (র) হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। এর সকল বর্ণনাকারী সহীহ হাদীসের রাবী। হাদীসটি তিরমিযী এবং ইবন মাজা-তে ও অনুরূপ সনদে বর্ণিত হয়েছে।)
(তাবারানী (র) হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। এর সকল বর্ণনাকারী সহীহ হাদীসের রাবী। হাদীসটি তিরমিযী এবং ইবন মাজা-তে ও অনুরূপ সনদে বর্ণিত হয়েছে।)
كتاب التوبة والزهد
التَّرْغِيب فِي الْفقر وَقلة ذَات الْيَد وَمَا جَاءَ فِي فضل الْفُقَرَاء وَالْمَسَاكِين وَالْمُسْتَضْعَفِينَ وحبهم ومجالستهم
4840- وَعَن ثَوْبَان رَضِي الله عَنهُ قَالَ قَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم إِن حَوْضِي مَا بَين عدن إِلَى عمان أكوابه عدد النُّجُوم مَاؤُهُ أَشد بَيَاضًا من الثَّلج وَأحلى من الْعَسَل وَأكْثر النَّاس ورودا عَلَيْهِ فُقَرَاء الْمُهَاجِرين
قُلْنَا يَا رَسُول الله صفهم لنا قَالَ شعث الرؤوس دنس الثِّيَاب الَّذين لَا ينْكحُونَ المتنعمات وَلَا تفتح لَهُم السدد الَّذين يُعْطون مَا عَلَيْهِم وَلَا يُعْطون مَا لَهُم
رَوَاهُ الطَّبَرَانِيّ وَرُوَاته رُوَاة الصَّحِيح وَهُوَ فِي التِّرْمِذِيّ وَابْن مَاجَه بِنَحْوِهِ
السدد هُنَا هِيَ الْأَبْوَاب
قُلْنَا يَا رَسُول الله صفهم لنا قَالَ شعث الرؤوس دنس الثِّيَاب الَّذين لَا ينْكحُونَ المتنعمات وَلَا تفتح لَهُم السدد الَّذين يُعْطون مَا عَلَيْهِم وَلَا يُعْطون مَا لَهُم
رَوَاهُ الطَّبَرَانِيّ وَرُوَاته رُوَاة الصَّحِيح وَهُوَ فِي التِّرْمِذِيّ وَابْن مَاجَه بِنَحْوِهِ
السدد هُنَا هِيَ الْأَبْوَاب
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৮৪১
অধ্যায়ঃ তাওবা ও যুহদ
পরিচ্ছেদঃ দারিদ্র্যও স্বল্পসামগ্রীর প্রতি উৎসাহ প্রদান এবং ফকীর-মিসকীন ও দুর্বলদের মর্যাদা এবং তাদেরকে ভালবাসা ও তাদের সাথে উঠাবসা করা
৪৮৪১. হযরত আবু সালাম আল-আসওয়াদ থেকে বর্ণিত। তিনি উমর ইবন আবদুল আযীয (র)-কে বললেন, আমি সাওবান (রা) এর কাছে শুনেছি, তিনি বলেন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, আমার হাওয আদন থেকে আম্মান আল-আকাবা পর্যন্ত বিস্তৃত হবে। তার পানি হবে দুধের চেয়েও অধিকতর শুভ্র, মধুর চেয়ে ও অধিকতর মিষ্টি, তার পানপাত্র হবে তারকার সংখ্যা পরিমাণ। যে ব্যক্তি হাওয থেকে এক ঢোক পান করবে। সে তারপর কখনও তৃষ্ণার্ত হবে না। তার পাড়ে সর্বপ্রথম উপস্থিত লোকজন হবে দরিদ্র মুহাজিরগণ, তারা হবে এলোকেশী জীর্ণবেশী তারা স্বাচ্ছন্দ্যশালিনী নারীদেরকে বিবাহ করবে না, তাদের জন্য দ্বারসমূহ উন্মুক্ত হবে না। উমার (ইবন আবদুল আযীয) বললেন, কিন্তু আমিতো স্বাচ্ছন্দ্যশালিনী নারী তথা আব্দুল মালিকের কন্যা ফাতিমাকে বিবাহ করেছি এবং আমার জন্য দ্বারসমূহ উন্মুক্ত হয়েছ। যাক এবার থেকে আমি আমার মাথা ধৌত করবো না। তাবৎ না কেশরাশি এলোমেলো হয়ে যায় এবং আমার শরীরে সন্নিহিত বস্তু-ধৌত করবো না যাবৎ না তা ময়লা হয়ে যায়।
(তিরমিযী, ইবন মাজাহ ও হাকিম হাদীসটি বর্ণনা করেছেন হাদীসটির উল্লিখিত ভাষা হাকিম বর্ণিত। তিনি বলেন: এর সনদ সহীহ।)
(তিরমিযী, ইবন মাজাহ ও হাকিম হাদীসটি বর্ণনা করেছেন হাদীসটির উল্লিখিত ভাষা হাকিম বর্ণিত। তিনি বলেন: এর সনদ সহীহ।)
كتاب التوبة والزهد
التَّرْغِيب فِي الْفقر وَقلة ذَات الْيَد وَمَا جَاءَ فِي فضل الْفُقَرَاء وَالْمَسَاكِين وَالْمُسْتَضْعَفِينَ وحبهم ومجالستهم
4841- وَعَن أبي سَلام الْأسود أَنه قَالَ لعمر بن عبد الْعَزِيز سَمِعت ثَوْبَان رَضِي الله عَنهُ قَالَ قَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم حَوْضِي مَا بَين عدن إِلَى عمان البلقاء مَاؤُهُ أَشد بَيَاضًا من اللَّبن وَأحلى من الْعَسَل وَأَوَانيهِ عدد النُّجُوم من شرب مِنْهُ شربة لم يظمأ بعْدهَا أبدا وَأول النَّاس ورودا عَلَيْهِ فُقَرَاء الْمُهَاجِرين الشعث رؤوسا الدنس ثيابًا الَّذين لَا ينْكحُونَ الْمُنَعَّمَاتِ وَلَا تفتح لَهُم السدد قَالَ عمر لكني قد نكحت الْمُنَعَّمَاتِ فَاطِمَة بنت عبد الْملك وَفتحت إِلَيّ السدد لَا جرم أَنِّي لَا أغسل رَأْسِي حَتَّى يشعث وَلَا ثوبي الَّذِي يَلِي جَسَدِي حَتَّى يتسخ
رَوَاهُ التِّرْمِذِيّ وَابْن مَاجَه وَالْحَاكِم وَاللَّفْظ لَهُ وَقَالَ صَحِيح الْإِسْنَاد
رَوَاهُ التِّرْمِذِيّ وَابْن مَاجَه وَالْحَاكِم وَاللَّفْظ لَهُ وَقَالَ صَحِيح الْإِسْنَاد
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৮৪২
অধ্যায়ঃ তাওবা ও যুহদ
পরিচ্ছেদঃ দারিদ্র্যও স্বল্পসামগ্রীর প্রতি উৎসাহ প্রদান এবং ফকীর-মিসকীন ও দুর্বলদের মর্যাদা এবং তাদেরকে ভালবাসা ও তাদের সাথে উঠাবসা করা
৪৮৪২. হযরত আবদুল্লাহ ইবন উমর (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) -কে বলতে শুনেছি, আমার দরিদ্র উম্মাতগণ ধনী উন্মাতগণের চল্লিশ বছর পূর্বে জান্নাতে প্রবেশ করবে। বলা হল, আমাদেরকে তাদের পরিচয় দিন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, তাদের কাপড় অপরিচ্ছন্ন, তাদের মাথার চুল উস্কো খুস্কো,
তাদেরকে দরজাসমূহে প্রবেশ করার অনুমতি দেওয়া হয় না, তারা স্বাচ্ছন্দ্য শালিনী নারীদেরকে বিবাহ করে না, পূর্ব থেকে পশ্চিম পর্যন্ত সমগ্র দেশ তাদের সাহায্যে রক্ষিত হয়, তাদের কাছে প্রাপ্য তারা পুরোপুরি আদায় করে, অথচ তাদের প্রাপ্য তাদেরকে প্রদান করা হয় না।
(তাবারানী 'আল-কাবীর' ও 'আল-আওসাতে' হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। এর সকল রাবী নির্ভরযোগ্য। মুসলিম (র) হাদীসটি সংক্ষিপ্তকারে বর্ণনা করেছেন, (তাতে বলা হয়েছে) "আমি রাসূলাল্লাহ্ (ﷺ) -কে বলতে শুনেছি, আমার দরিদ্র মুহাজির উম্মাতগণ কিয়ামতের দিন ধনীদের চেয়ে চল্লিশ বছর আগে থাকবে।" ইবন হিব্বানও তাঁর সহীহ-এ হাদীসটি সংক্ষিপ্তাকারে বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি ) باربعين خريفا পরিবর্তে( باربعين عاما বলেছেন।)
তাদেরকে দরজাসমূহে প্রবেশ করার অনুমতি দেওয়া হয় না, তারা স্বাচ্ছন্দ্য শালিনী নারীদেরকে বিবাহ করে না, পূর্ব থেকে পশ্চিম পর্যন্ত সমগ্র দেশ তাদের সাহায্যে রক্ষিত হয়, তাদের কাছে প্রাপ্য তারা পুরোপুরি আদায় করে, অথচ তাদের প্রাপ্য তাদেরকে প্রদান করা হয় না।
(তাবারানী 'আল-কাবীর' ও 'আল-আওসাতে' হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। এর সকল রাবী নির্ভরযোগ্য। মুসলিম (র) হাদীসটি সংক্ষিপ্তকারে বর্ণনা করেছেন, (তাতে বলা হয়েছে) "আমি রাসূলাল্লাহ্ (ﷺ) -কে বলতে শুনেছি, আমার দরিদ্র মুহাজির উম্মাতগণ কিয়ামতের দিন ধনীদের চেয়ে চল্লিশ বছর আগে থাকবে।" ইবন হিব্বানও তাঁর সহীহ-এ হাদীসটি সংক্ষিপ্তাকারে বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি ) باربعين خريفا পরিবর্তে( باربعين عاما বলেছেন।)
كتاب التوبة والزهد
التَّرْغِيب فِي الْفقر وَقلة ذَات الْيَد وَمَا جَاءَ فِي فضل الْفُقَرَاء وَالْمَسَاكِين وَالْمُسْتَضْعَفِينَ وحبهم ومجالستهم
4842- وَعَن عبد الله بن عمر رَضِي الله عَنْهُمَا قَالَ سَمِعت رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم يَقُول يدْخل فُقَرَاء أمتِي الْجنَّة قبل أغنيائهم بِأَرْبَعِينَ خَرِيفًا فَقيل صفهم لنا قَالَ الدنسة ثِيَابهمْ الشعثة رؤوسهم الَّذين لَا يُؤذن لَهُم على السدات وَلَا ينْكحُونَ الْمُنَعَّمَاتِ توكل بهم مَشَارِق الأَرْض وَمَغَارِبهَا يُعْطون كل الَّذِي عَلَيْهِم وَلَا يُعْطون كل الَّذِي لَهُم
رَوَاهُ الطَّبَرَانِيّ فِي الْكَبِير والأوسط وَرُوَاته ثِقَات
وَرَوَاهُ مُسلم مُخْتَصرا سَمِعت رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم يَقُول إِن فُقَرَاء أمتِي الْمُهَاجِرين يسبقون الْأَغْنِيَاء يَوْم الْقِيَامَة بِأَرْبَعِينَ خَرِيفًا
وَرَوَاهُ ابْن حبَان فِي صَحِيحه مُخْتَصرا أَيْضا وَقَالَ بِأَرْبَعِينَ عَاما
رَوَاهُ الطَّبَرَانِيّ فِي الْكَبِير والأوسط وَرُوَاته ثِقَات
وَرَوَاهُ مُسلم مُخْتَصرا سَمِعت رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم يَقُول إِن فُقَرَاء أمتِي الْمُهَاجِرين يسبقون الْأَغْنِيَاء يَوْم الْقِيَامَة بِأَرْبَعِينَ خَرِيفًا
وَرَوَاهُ ابْن حبَان فِي صَحِيحه مُخْتَصرا أَيْضا وَقَالَ بِأَرْبَعِينَ عَاما
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৮৪৩
অধ্যায়ঃ তাওবা ও যুহদ
পরিচ্ছেদঃ দারিদ্র্যও স্বল্পসামগ্রীর প্রতি উৎসাহ প্রদান এবং ফকীর-মিসকীন ও দুর্বলদের মর্যাদা এবং তাদেরকে ভালবাসা ও তাদের সাথে উঠাবসা করা
৪৮৪৩. হযরত আব্দুল্লাহ ইবন আমর (রা)-এর সূত্রে নবী (ﷺ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, কিয়ামতের দিন লোকেরা একত্রিত হবে, তখন বলা হবে, এ উম্মাতের দরিদ্র লোকেরা কোথায়? রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, তখন তাদেরকে জিজ্ঞেস করা হবে, তোমরা কি আমল করেছ? উত্তরে তারা বলবে, হে আমাদের প্রতিপালক আমরা বিপদগ্রস্ত হয়ে ছিলাম, তখন আমরা ধৈর্যধারণ করেছিলাম। আপনি আমাদের ব্যতীত অন্যদেরকে ধন-সম্পদ ও ক্ষমতার মালিক বানিয়েছিলেন। আল্লাহ্ তা'আলা বলবেন, তোমরা যথার্থই বলেছ। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, তখন তারা লোকদের পূর্বে জান্নাতে প্রবেশ করবে এবং ধন-সম্পদ ও ক্ষমতাশালীদের জন্য হিসাব-নিকাশের কঠোর পরীক্ষা রয়ে যাবে। সাহাবায়ে কিরাম জিজ্ঞেস করলেন, সেদিন মু'মিন বান্দাগণ কোথায় থাকবে? রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, তাদের জন্য নূরের কেদারাসমূহ সাজিয়ে রাখা হবে এবং মেঘমালা দ্বারা তাদের উপর ছায়া প্রদান করা হবে। সেদিনটি মু'মিনদের জন্য (দুনিয়ার) দিনের এক মুহূর্তের চেয়ে খাটো হবে।
(তাবারানী ও ইবন হিব্বান (র) তাঁর 'সহীহ্'এ-হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
(তাবারানী ও ইবন হিব্বান (র) তাঁর 'সহীহ্'এ-হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
كتاب التوبة والزهد
التَّرْغِيب فِي الْفقر وَقلة ذَات الْيَد وَمَا جَاءَ فِي فضل الْفُقَرَاء وَالْمَسَاكِين وَالْمُسْتَضْعَفِينَ وحبهم ومجالستهم
4843- وَعَن عبد الله بن عَمْرو رَضِي الله عَنْهُمَا عَن النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم قَالَ يَجْتَمعُونَ يَوْم الْقِيَامَة فَيُقَال أَيْن فُقَرَاء هَذِه الْأمة قَالَ فَيُقَال لَهُم مَاذَا عملتم فَيَقُولُونَ رَبنَا ابتلينا فصبرنا وَوليت الْأَمْوَال وَالسُّلْطَان غَيرنَا فَيَقُول الله جلّ وَعلا صَدقْتُمْ
قَالَ فَيدْخلُونَ الْجنَّة قبل النَّاس وَيبقى شدَّة الْحساب على ذَوي الْأَمْوَال وَالسُّلْطَان
قَالُوا فَأَيْنَ الْمُؤْمِنُونَ يَوْمئِذٍ قَالَ يوضع لَهُم كراسي من نور ويظلل عَلَيْهِم الْغَمَام يكون ذَلِك الْيَوْم أقصر على الْمُؤمنِينَ من سَاعَة من نَهَار
رَوَاهُ الطَّبَرَانِيّ وَابْن حبَان فِي صَحِيحه
قَالَ فَيدْخلُونَ الْجنَّة قبل النَّاس وَيبقى شدَّة الْحساب على ذَوي الْأَمْوَال وَالسُّلْطَان
قَالُوا فَأَيْنَ الْمُؤْمِنُونَ يَوْمئِذٍ قَالَ يوضع لَهُم كراسي من نور ويظلل عَلَيْهِم الْغَمَام يكون ذَلِك الْيَوْم أقصر على الْمُؤمنِينَ من سَاعَة من نَهَار
رَوَاهُ الطَّبَرَانِيّ وَابْن حبَان فِي صَحِيحه
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৮৪৪
অধ্যায়ঃ তাওবা ও যুহদ
পরিচ্ছেদঃ দারিদ্র্যও স্বল্পসামগ্রীর প্রতি উৎসাহ প্রদান এবং ফকীর-মিসকীন ও দুর্বলদের মর্যাদা এবং তাদেরকে ভালবাসা ও তাদের সাথে উঠাবসা করা
৪৮৪৪. হযরত আবদুর রহমান ইবন সাবিত (র) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, উমর ইবন খাত্তাব (রা) সাঈদ ইবন আমির (রা) এর কাছে এ মর্মে লোক পাঠালেন যে, আমরা আপনার কাছে তাদের সম্পর্কে জানতে চাই, যাদেরকে নিয়ে আপনি শত্রু-এলাকা অভিমুখে রওয়ানা হন এবং যাদেরকে নিয়ে আপনি জিহাদ করেন। রাবী বলেন, অতঃপর আবদুর রহমান ইবন সাবিত এক দীর্ঘ হাদীস উল্লেখ করেন। তাতে তিনি বলেন: সাঈদ (ইবন আমির) বলেছেন, আর আমি অগ্রবর্তী সেনাদলের পশ্চাতে থাকি না, যখন থেকে আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি যে, দরিদ্র মুসলমানদেরকে হাঁকিয়ে নেয়া হবে, যেমন কবুতর পালকে হাঁকিয়ে নেয়া হয়। তখন তাদেরকে বলা হবে, হিসাব-নিকাশের জন্য দাঁড়াও। উত্তরে তারা বলবে, আল্লাহর কসম আমরা (দুনিয়াতে) এমন কিছু রেখে আসিনি, যার হিসাব আমাদের কাছ থেকে নেয়া যায়। তখন আল্লাহ্ তা'আলা বলবেন, আমার বান্দাগণ যথার্থ বলেছে। তারপর তারা (অন্যান্য) লোকদের সত্তর বছর পূর্বেই জান্নাতে প্রবেশ করবে।
(তাবারানী ও আবু শায়খ ইবন হিব্বান 'আস-সওয়াব' গ্রন্থে-হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। ইয়াযীদ ইব্ন আবূ যিয়াদ ব্যতীত উভয় সনদের সকল রাবী নির্ভরযোগ্য।)
(তাবারানী ও আবু শায়খ ইবন হিব্বান 'আস-সওয়াব' গ্রন্থে-হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। ইয়াযীদ ইব্ন আবূ যিয়াদ ব্যতীত উভয় সনদের সকল রাবী নির্ভরযোগ্য।)
كتاب التوبة والزهد
التَّرْغِيب فِي الْفقر وَقلة ذَات الْيَد وَمَا جَاءَ فِي فضل الْفُقَرَاء وَالْمَسَاكِين وَالْمُسْتَضْعَفِينَ وحبهم ومجالستهم
4844- وَعَن عبد الرَّحْمَن بن سابط قَالَ أرسل عمر بن الْخطاب إِلَى سعيد بن عَامر إِنَّا مستعلموك على هَؤُلَاءِ تسير بهم إِلَى أَرض الْعَدو فتجاهد بهم
قَالَ فَذكر حَدِيثا طَويلا قَالَ قَالَ فِيهِ قَالَ سعيد وَمَا أَنا بمتخلف عَن الْعُنُق الأول بعد إِذْ سَمِعت رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم يَقُول إِن فُقَرَاء الْمُسلمين يزفون كَمَا تزف الْحمام فَيُقَال لَهُم قفوا لِلْحسابِ فَيَقُولُونَ وَالله مَا تركنَا شَيْئا نحاسب بِهِ فَيَقُول الله عز وَجل صدق عبَادي فَيدْخلُونَ الْجنَّة قبل النَّاس بسبعين عَاما
رَوَاهُ الطَّبَرَانِيّ وَأَبُو الشَّيْخ ابْن حبَان فِي الثَّوَاب ورواتهما ثِقَات إِلَّا يزِيد بن أبي زِيَاد
قَالَ فَذكر حَدِيثا طَويلا قَالَ قَالَ فِيهِ قَالَ سعيد وَمَا أَنا بمتخلف عَن الْعُنُق الأول بعد إِذْ سَمِعت رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم يَقُول إِن فُقَرَاء الْمُسلمين يزفون كَمَا تزف الْحمام فَيُقَال لَهُم قفوا لِلْحسابِ فَيَقُولُونَ وَالله مَا تركنَا شَيْئا نحاسب بِهِ فَيَقُول الله عز وَجل صدق عبَادي فَيدْخلُونَ الْجنَّة قبل النَّاس بسبعين عَاما
رَوَاهُ الطَّبَرَانِيّ وَأَبُو الشَّيْخ ابْن حبَان فِي الثَّوَاب ورواتهما ثِقَات إِلَّا يزِيد بن أبي زِيَاد
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৮৪৫
অধ্যায়ঃ তাওবা ও যুহদ
পরিচ্ছেদঃ দারিদ্র্যও স্বল্পসামগ্রীর প্রতি উৎসাহ প্রদান এবং ফকীর-মিসকীন ও দুর্বলদের মর্যাদা এবং তাদেরকে ভালবাসা ও তাদের সাথে উঠাবসা করা
৪৮৪৫. হযরত আবদুল্লাহ ইবন আমর (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি একদিন রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ)-এর কাছে ছিলাম। এমন সময় উদিত হল। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন: কিয়ামতের দিন এমন এক সম্প্রদায় আসবে, যাদের আলো হবে সূর্যের আলোর মত। আবূ বকর (রা) জিজ্ঞেস করলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ্। আমরাই কি সে সব লোক? তিনি বললেন: না, তোমাদের জন্য বহু কল্যাণ রয়েছে, তারা হবে দরিদ্র মুহাজিরগণ, যাদেরকে পৃথিবীর নানা প্রান্ত থেকে একত্রিত করা হবে (তারপর রাবী হাদীসের অবশিষ্টাংশ বর্ণনা করেছেন)।
(আহমাদ ও তাবারানী (র) হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তাবারানীর রিওয়ায়েতের বর্ধিত অংশে আছে তিনি বলেন: 'গরীবদের জন্য রয়েছে (জান্নাতের) তূবা নামক স্থান। আরয করা হল, 'গরীব' কারা? রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ)
বললেনঃ প্রচুর সংখ্যক দুষ্ট লোকদের মধ্যে (বসতকারী) স্বল্প সংখ্যক নেক্কার লোক, যাদের বিরুদ্ধাচরণকারী সংখ্যা, তাদের অনুগতদের তুলনায় অধিক। তাবারানীর দুই সনদের মধ্যে এ সনদের সকল বর্ণনাকারীই সহীহ হাদীসের রাবী।)
(আহমাদ ও তাবারানী (র) হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তাবারানীর রিওয়ায়েতের বর্ধিত অংশে আছে তিনি বলেন: 'গরীবদের জন্য রয়েছে (জান্নাতের) তূবা নামক স্থান। আরয করা হল, 'গরীব' কারা? রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ)
বললেনঃ প্রচুর সংখ্যক দুষ্ট লোকদের মধ্যে (বসতকারী) স্বল্প সংখ্যক নেক্কার লোক, যাদের বিরুদ্ধাচরণকারী সংখ্যা, তাদের অনুগতদের তুলনায় অধিক। তাবারানীর দুই সনদের মধ্যে এ সনদের সকল বর্ণনাকারীই সহীহ হাদীসের রাবী।)
كتاب التوبة والزهد
التَّرْغِيب فِي الْفقر وَقلة ذَات الْيَد وَمَا جَاءَ فِي فضل الْفُقَرَاء وَالْمَسَاكِين وَالْمُسْتَضْعَفِينَ وحبهم ومجالستهم
4845- وَعَن عبد الله بن عَمْرو رَضِي الله عَنْهُمَا قَالَ كنت عِنْد رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم يَوْمًا فطلعت الشَّمْس فَقَالَ يَأْتِي قوم يَوْم الْقِيَامَة نورهم كنور الشَّمْس قَالَ أَبُو بكر نَحن هم يَا رَسُول الله قَالَ لَا وَلكم خير كثير وَلَكنهُمْ الْفُقَرَاء الْمُهَاجِرُونَ الَّذين يحشرون من أقطار الأَرْض
فَذكر الحَدِيث
رَوَاهُ أَحْمد وَالطَّبَرَانِيّ وَزَاد ثمَّ قَالَ طُوبَى للغرباء
قيل من الغرباء قَالَ أنَاس صَالِحُونَ قَلِيل فِي نَاس سوء كثير من يعصيهم أَكثر مِمَّن يطيعهم
وَأحد إسنادي الطَّبَرَانِيّ رُوَاته رُوَاة الصَّحِيح
فَذكر الحَدِيث
رَوَاهُ أَحْمد وَالطَّبَرَانِيّ وَزَاد ثمَّ قَالَ طُوبَى للغرباء
قيل من الغرباء قَالَ أنَاس صَالِحُونَ قَلِيل فِي نَاس سوء كثير من يعصيهم أَكثر مِمَّن يطيعهم
وَأحد إسنادي الطَّبَرَانِيّ رُوَاته رُوَاة الصَّحِيح
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৮৪৬
অধ্যায়ঃ তাওবা ও যুহদ
পরিচ্ছেদঃ দারিদ্র্যও স্বল্পসামগ্রীর প্রতি উৎসাহ প্রদান এবং ফকীর-মিসকীন ও দুর্বলদের মর্যাদা এবং তাদেরকে ভালবাসা ও তাদের সাথে উঠাবসা করা
৪৮৪৬. হযরত আবু সিদ্দীক নাজী (র)-এর সূত্রে নবী (ﷺ)-এর কোন এক সাহাবী থেকে বর্ণিত আছে যে তিনি বলেনঃ দরিদ্র মু'মিনগণ ধনীদের চারশ' বছর পূর্বে জান্নাতে প্রবেশ করবে। রাবী বলেন, আমি বললাম, হাসান তো চল্লিশ বছরের কথা বলে থাকেন। উত্তরে তিনি বলেনঃ নবী (ﷺ) এর সাহাবীগণ থেকে চারশ' বছর বর্ণিত হয়েছে। তখন ধনী মু'মিন বলবে, হায়। যদি আমি দরিদ্র হতাম। রাবী বলেন: আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ্। তাদের নাম উল্লেখ করে আমাদেরকে তাদের পরিচয় দিন। তিনি বললেনঃ তারা হচ্ছে সেসব লোক, যাদেরকে কোথাও কোন সমস্যা দেখা দিলে সেদিকে প্রেরণ করা হয়। পক্ষান্তরে যখন কোন নিয়ামতের বিষয় হয় তখন সেখানে তাদের পরিবর্তে অন্যদেরকে প্রেরণ করা হয় এবং তাদেরকে দরজা থেকে তাড়িয়ে দেয়া হয়।
(আহমাদ (র) হাদীসটি যায়দ ইবন হাওয়ারী-এর সূত্রে আবূ সিদ্দীক (র) থেকে বর্ণনা করেছেন।)
(আহমাদ (র) হাদীসটি যায়দ ইবন হাওয়ারী-এর সূত্রে আবূ সিদ্দীক (র) থেকে বর্ণনা করেছেন।)
كتاب التوبة والزهد
التَّرْغِيب فِي الْفقر وَقلة ذَات الْيَد وَمَا جَاءَ فِي فضل الْفُقَرَاء وَالْمَسَاكِين وَالْمُسْتَضْعَفِينَ وحبهم ومجالستهم
4846- وَعَن أبي الصّديق النَّاجِي عَن بعض أَصْحَاب النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم أَنه قَالَ يدْخل فُقَرَاء الْمُؤمنِينَ الْجنَّة قبل الْأَغْنِيَاء بأربعمائة عَام
قَالَ فَقلت إِن الْحسن يذكر أَرْبَعِينَ عَاما فَقَالَ عَن أَصْحَاب النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم أَرْبَعمِائَة عَام حَتَّى يَقُول الْمُؤمن الْغَنِيّ يَا لَيْتَني كنت عيلا
قَالَ قلت يَا رَسُول الله سمهم لنا بِأَسْمَائِهِمْ قَالَ هم الَّذين إِذا كَانَ مَكْرُوه بعثوا إِلَيْهِ
وَإِذا كَانَ نعيم بعث إِلَيْهِ سواهُم وهم الَّذين يحجبون عَن الْأَبْوَاب
رَوَاهُ أَحْمد من رِوَايَة زيد بن الْحوَاري عَنهُ
قَالَ فَقلت إِن الْحسن يذكر أَرْبَعِينَ عَاما فَقَالَ عَن أَصْحَاب النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم أَرْبَعمِائَة عَام حَتَّى يَقُول الْمُؤمن الْغَنِيّ يَا لَيْتَني كنت عيلا
قَالَ قلت يَا رَسُول الله سمهم لنا بِأَسْمَائِهِمْ قَالَ هم الَّذين إِذا كَانَ مَكْرُوه بعثوا إِلَيْهِ
وَإِذا كَانَ نعيم بعث إِلَيْهِ سواهُم وهم الَّذين يحجبون عَن الْأَبْوَاب
رَوَاهُ أَحْمد من رِوَايَة زيد بن الْحوَاري عَنهُ
তাহকীক: