আত্-তারগীব ওয়াত্-তারহীব- ইমাম মুনযিরী রহঃ
الترغيب والترهيب للمنذري
২৪. অধ্যায়ঃ জানাযা - এর পরিচ্ছেদসমূহ
মোট হাদীস ২৮০ টি
হাদীস নং: ৫৩০০
অধ্যায়ঃ জানাযা
পরিচ্ছেদঃ অসুস্থ ব্যক্তিকে দেখতে যাওয়ার প্রতি উৎসাহ প্রদান ও তার প্রতি গুরুত্বারোপ এবং অসুস্থ ব্যক্তির দু'আর উৎসাহ প্রদান
৫৩০০. হযরত আনাস ইবন মালিক (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, যে কোন অসুস্থ
ব্যক্তিকে দেখতে যায় এবং তার কাছে কিছুক্ষণ বসে, আল্লাহ্ তা'আলা তার জন্য এমন এক হাজার বছরের আমল জারি করে দেন, যাতে চোখের পলক পরিমাণ সময়ও আল্লাহর নাফরমানী করা হয় না এবং আমলের নূর তার চেহারায় চমকাতে থাকে।
(ইবন আবুদ-দুনিয়া (র) 'কিতাবুল মার্য ওয়াল কাফ্ফারাত'-এ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
ব্যক্তিকে দেখতে যায় এবং তার কাছে কিছুক্ষণ বসে, আল্লাহ্ তা'আলা তার জন্য এমন এক হাজার বছরের আমল জারি করে দেন, যাতে চোখের পলক পরিমাণ সময়ও আল্লাহর নাফরমানী করা হয় না এবং আমলের নূর তার চেহারায় চমকাতে থাকে।
(ইবন আবুদ-দুনিয়া (র) 'কিতাবুল মার্য ওয়াল কাফ্ফারাত'-এ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
كتاب الجنائز
التَّرْغِيب فِي عِيَادَة المرضى وتأكيدها وَالتَّرْغِيب فِي دُعَاء الْمَرِيض
5300- وَرُوِيَ عَن أنس بن مَالك رَضِي الله عَنهُ قَالَ قَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم من عَاد مَرِيضا وَجلسَ عِنْده سَاعَة أجْرى الله لَهُ عمل ألف سنة لَا يعْصى الله فِيهَا طرفَة عين
رَوَاهُ ابْن أبي الدُّنْيَا فِي كتاب الْمَرَض وَالْكَفَّارَات ولوائح الْوَضع عَلَيْهِ تلوح
رَوَاهُ ابْن أبي الدُّنْيَا فِي كتاب الْمَرَض وَالْكَفَّارَات ولوائح الْوَضع عَلَيْهِ تلوح
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৩০১
অধ্যায়ঃ জানাযা
পরিচ্ছেদঃ অসুস্থ ব্যক্তিকে দেখতে যাওয়ার প্রতি উৎসাহ প্রদান ও তার প্রতি গুরুত্বারোপ এবং অসুস্থ ব্যক্তির দু'আর উৎসাহ প্রদান
৫৩০১. হযরত আব্দুল্লাহ ইবন উমর ও আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। তাঁরা উভয়ে বলেন, যে ব্যক্তি তার কোন মুসলমান ভাইয়ের প্রয়োজন পূরণের উদ্দেশ্যে যায়, আল্লাহ তা'আলা পঁচাত্তর হাজার ফিরিশতা দ্বারা তাকে ছায়া দান করেন। তাঁরা তার জন্য দু'আ করেন এবং সে অবসর হওয়া পর্যন্ত রহমতের মধ্যে অবস্থান করতে থাকে। যখন সে অবসর হয় তখন আল্লাহ্ তা'আলা তার আমলনামায় একটি হজ্জ ও একটি উমরা লিপিবদ্ধ করেন। আর যে ব্যক্তি কোন অসুস্থ লোককে দেখতে যায়, আল্লাহ তা'আলা তাকে পঁচাত্তর হাজার ফিরিশতা দ্বারা ছায়া দান করেন। সে একবার পা উঠানো মাত্র তার বদলে তার জন্য একটি সাওয়াব লিখা হয় এবং একবার পা রাখামাত্র তার বদলে তার একটি গুণাহ মাফ করে দেওয়া হয় এবং তার একটি মর্যাদা বুলন্দ করা হয় যে পর্যন্ত না সে তার বসার জায়গায় বসে। তারপর যখন সে বসে তখন রহমত তাকে ঢেকে নেয়। এভাবে সে তার বাড়ীর অভিমুখী হয়ে বাড়ীতে পৌঁছা পর্যন্ত রহমতের মধ্যেই থাকে।
(তবারানী (র) 'আল-আওসাত' গ্রন্থে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন এবং আমার 'আসল'-এ হাদীসটি মারফু 'রূপে বর্ণিত হয়নি।)
(তবারানী (র) 'আল-আওসাত' গ্রন্থে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন এবং আমার 'আসল'-এ হাদীসটি মারফু 'রূপে বর্ণিত হয়নি।)
كتاب الجنائز
التَّرْغِيب فِي عِيَادَة المرضى وتأكيدها وَالتَّرْغِيب فِي دُعَاء الْمَرِيض
5301- وَرُوِيَ عَن عبد الله بن عمر وَأبي هُرَيْرَة رَضِي الله عَنْهُم قَالَا من مَشى فِي حَاجَة أَخِيه الْمُسلم أظلهُ الله بِخَمْسَة وَسبعين ألف ملك يدعونَ لَهُ وَلم يزل يَخُوض فِي الرَّحْمَة حَتَّى يفرغ فَإِذا فرغ كتب الله لَهُ حجَّة وَعمرَة وَمن عَاد مَرِيضا أظلهُ الله بِخَمْسَة وَسبعين ألف ملك لَا يرفع قدما إِلَّا كتب لَهُ بِهِ حَسَنَة وَلَا يضع قدما إِلَّا حط عَنهُ سَيِّئَة وَرفع لَهُ بهَا دَرَجَة حَتَّى يقْعد فِي مَقْعَده فَإِذا قعد غمرته الرَّحْمَة فَلَا يزَال كَذَلِك حَتَّى إِذا أقبل حَيْثُ يَنْتَهِي إِلَى منزله
رَوَاهُ الطَّبَرَانِيّ فِي الْأَوْسَط وَلَيْسَ فِي أُصَلِّي رَفعه
رَوَاهُ الطَّبَرَانِيّ فِي الْأَوْسَط وَلَيْسَ فِي أُصَلِّي رَفعه
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৩০২
অধ্যায়ঃ জানাযা
পরিচ্ছেদঃ অসুস্থ ব্যক্তিকে দেখতে যাওয়ার প্রতি উৎসাহ প্রদান ও তার প্রতি গুরুত্বারোপ এবং অসুস্থ ব্যক্তির দু'আর উৎসাহ প্রদান
৫৩০২. হযরত আনাস (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) -কে বলতে শুনেছি, যে কোন লোক কোন অসুস্থ ব্যক্তিকে দেখতে যায় সে রহমতের মধ্যেই ডুবে থাকে। তারপর যখন সে অসুস্থ ব্যক্তির কাছে বসে, রহমত তাকে ঢেকে নেয়। আনাস (রা) বলেন, আমি জিজ্ঞেস করলাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ। এটা তো সেই সুস্থ ব্যক্তির পুরস্কার, যে অসুস্থ ব্যক্তিকে দেখতে যায়। কিন্তু অসুস্থ ব্যক্তির পুরষ্কার কি? তিনি বললেন, তার থেকে থেকে তার গুণাহসমূহ করে যায়।
(আহমাদ, ইবন আবিদ-দুনিয়া ও তবারানী (র) 'আস-সাগীর' ও 'আল-আওসাত' গ্রন্থে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তবারানী এ অংশটুকু বেশি উল্লেখ করেছেন: অতঃপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, বান্দা যখন তিনদিন অসুস্থ থাকে, তখন সে তার গুণাহসমূহ থেকে এভাবে বের হয়ে যায়, যেমন তার মা তাকে প্রসব করার দিন সে নিষ্পাপ থাকে।)
(আহমাদ, ইবন আবিদ-দুনিয়া ও তবারানী (র) 'আস-সাগীর' ও 'আল-আওসাত' গ্রন্থে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তবারানী এ অংশটুকু বেশি উল্লেখ করেছেন: অতঃপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, বান্দা যখন তিনদিন অসুস্থ থাকে, তখন সে তার গুণাহসমূহ থেকে এভাবে বের হয়ে যায়, যেমন তার মা তাকে প্রসব করার দিন সে নিষ্পাপ থাকে।)
كتاب الجنائز
التَّرْغِيب فِي عِيَادَة المرضى وتأكيدها وَالتَّرْغِيب فِي دُعَاء الْمَرِيض
5302- وَرُوِيَ عَن أنس رَضِي الله عَنهُ قَالَ سَمِعت رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم يَقُول أَيّمَا رجل يعود مَرِيضا فَإِنَّمَا يَخُوض فِي الرَّحْمَة فَإِذا قعد عِنْد الْمَرِيض غمرته الرَّحْمَة قَالَ فَقلت يَا رَسُول الله هَذَا للصحيح الَّذِي يعود الْمَرِيض فَمَا للْمَرِيض قَالَ تحط عَنهُ ذنُوبه
رَوَاهُ أَحْمد وَرَوَاهُ ابْن أبي الدُّنْيَا وَالطَّبَرَانِيّ فِي الصَّغِير والأوسط
وَزَاد فَقَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم إِذا مرض العَبْد ثَلَاثَة أَيَّام خرج من ذنُوبه كَيَوْم وَلدته أمه
رَوَاهُ أَحْمد وَرَوَاهُ ابْن أبي الدُّنْيَا وَالطَّبَرَانِيّ فِي الصَّغِير والأوسط
وَزَاد فَقَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم إِذا مرض العَبْد ثَلَاثَة أَيَّام خرج من ذنُوبه كَيَوْم وَلدته أمه
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৩০৩
অধ্যায়ঃ জানাযা
পরিচ্ছেদঃ অসুস্থ ব্যক্তিকে দেখতে যাওয়ার প্রতি উৎসাহ প্রদান ও তার প্রতি গুরুত্বারোপ এবং অসুস্থ ব্যক্তির দু'আর উৎসাহ প্রদান
৫৩০৩. হযরত জাবির ইবন আব্দুল্লাহ্ (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, যে ব্যক্তি কোন অসুস্থ লোককে দেখতে যায়, সে বসা পর্যন্ত রহমতের মধ্যে ডুবে থাকে। তারপর যখন সে বসে তখন সে রহমতের মধ্যে ডুব দেয়।
(মালিক, আহমাদ, বাযযার ও ইবন হিব্বান (র) স্বীয় সহীহ এ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। মালিকের রিওয়ায়েতটি বালাগরূপে বর্ণিত। আহমাদ (র) বর্ণিত রিওয়ায়েতের সকল বর্ণনাকারী সহীহ হাদীসের রাবী। তবারানী অনুরূপ সনদে আবু হুরায়রা (রা)-এর রিওয়ায়েতে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। এর সকল বর্ণনাকারী নির্ভরযোগ্য।)
(মালিক, আহমাদ, বাযযার ও ইবন হিব্বান (র) স্বীয় সহীহ এ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। মালিকের রিওয়ায়েতটি বালাগরূপে বর্ণিত। আহমাদ (র) বর্ণিত রিওয়ায়েতের সকল বর্ণনাকারী সহীহ হাদীসের রাবী। তবারানী অনুরূপ সনদে আবু হুরায়রা (রা)-এর রিওয়ায়েতে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। এর সকল বর্ণনাকারী নির্ভরযোগ্য।)
كتاب الجنائز
التَّرْغِيب فِي عِيَادَة المرضى وتأكيدها وَالتَّرْغِيب فِي دُعَاء الْمَرِيض
5303- وَعَن جَابر بن عبد الله رَضِي الله عَنْهُمَا قَالَ قَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم من عَاد مَرِيضا لم يزل يَخُوض فِي الرَّحْمَة حَتَّى يجلس فَإِذا جلس اغتمس فِيهَا
رَوَاهُ مَالك بلاغا وَأحمد وَرُوَاته رُوَاة الصَّحِيح وَالْبَزَّار وَابْن حبَان فِي صَحِيحه وَرَوَاهُ الطَّبَرَانِيّ من حَدِيث أبي هُرَيْرَة بِنَحْوِهِ وَرُوَاته ثِقَات
رَوَاهُ مَالك بلاغا وَأحمد وَرُوَاته رُوَاة الصَّحِيح وَالْبَزَّار وَابْن حبَان فِي صَحِيحه وَرَوَاهُ الطَّبَرَانِيّ من حَدِيث أبي هُرَيْرَة بِنَحْوِهِ وَرُوَاته ثِقَات
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৩০৪
অধ্যায়ঃ জানাযা
পরিচ্ছেদঃ অসুস্থ ব্যক্তিকে দেখতে যাওয়ার প্রতি উৎসাহ প্রদান ও তার প্রতি গুরুত্বারোপ এবং অসুস্থ ব্যক্তির দু'আর উৎসাহ প্রদান
৫৩০৪. হযরত কা'ব ইবন মালিক (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, যে ব্যক্তি কোন অসুস্থ লোকতে দেখতে যায়, সে রহমতের মধ্যে অবস্থান করে। অতঃপর যখন সে তার কাছে বসে তখন সে রহমতের বিঘ্নতা লাভ করে।
(আহমাদ (র) হাসান সনদে এবং তবারানী 'আল-কাবীর' ও 'আল-আওসাত' গ্রন্থদ্বয়ে হাদীসটি বর্ণনা
করেছেন। তবারানী উক্ত গ্রন্থদ্বয়ে আমর ইবন হাযম (রা)-এর রিওয়ায়েতেও হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তাতে এ অংশটুকু বেশি উল্লেখ করেছেন: "যখন সে অসুস্থ লোকটির নিকট থেকে উঠে তখন সে যে জায়গা থেকে বের হয়েছে সেখানে ফিরে আসা পর্যন্ত রহমতের মধ্যে অবস্থান করতে থাকে।")
(আহমাদ (র) হাসান সনদে এবং তবারানী 'আল-কাবীর' ও 'আল-আওসাত' গ্রন্থদ্বয়ে হাদীসটি বর্ণনা
করেছেন। তবারানী উক্ত গ্রন্থদ্বয়ে আমর ইবন হাযম (রা)-এর রিওয়ায়েতেও হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তাতে এ অংশটুকু বেশি উল্লেখ করেছেন: "যখন সে অসুস্থ লোকটির নিকট থেকে উঠে তখন সে যে জায়গা থেকে বের হয়েছে সেখানে ফিরে আসা পর্যন্ত রহমতের মধ্যে অবস্থান করতে থাকে।")
كتاب الجنائز
التَّرْغِيب فِي عِيَادَة المرضى وتأكيدها وَالتَّرْغِيب فِي دُعَاء الْمَرِيض
5304- وَعَن كَعْب بن مَالك رَضِي الله عَنهُ قَالَ قَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم من عَاد مَرِيضا خَاضَ فِي الرَّحْمَة فَإِذا جلس عِنْده استنقع فِيهَا
رَوَاهُ أَحْمد بِإِسْنَاد حسن وَالطَّبَرَانِيّ فِي الْكَبِير والأوسط وَرَوَاهُ فيهمَا أَيْضا من حَدِيث عَمْرو بن حزم رَضِي الله عَنهُ وَزَاد فِيهِ وَإِذا قَامَ من عِنْده فَلَا يزَال يَخُوض فِيهَا حَتَّى يرجع من حَيْثُ خرج
وَإِسْنَاده إِلَى الْحسن أقرب
رَوَاهُ أَحْمد بِإِسْنَاد حسن وَالطَّبَرَانِيّ فِي الْكَبِير والأوسط وَرَوَاهُ فيهمَا أَيْضا من حَدِيث عَمْرو بن حزم رَضِي الله عَنهُ وَزَاد فِيهِ وَإِذا قَامَ من عِنْده فَلَا يزَال يَخُوض فِيهَا حَتَّى يرجع من حَيْثُ خرج
وَإِسْنَاده إِلَى الْحسن أقرب
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৩০৫
অধ্যায়ঃ জানাযা
পরিচ্ছেদঃ অনুচ্ছেদ
৫৩০৫. হয়রত উমর ইবন খাত্তাব (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী (ﷺ) বলেছেন, যখন তুমি কোন অসুস্থ লোকের কাছে যাবে, তখন তাকে তোমার জন্য দু'আ করতে বলবে। কেননা, তার দু'আ ফিরিশতাদের দু'আর মতো।
(ইবন মাজাহ (র) হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। এর সকল বর্ণনাকারী নির্ভরযোগ্য ও প্রখ্যাত। তবে মায়মুন ইবন মিহরান উমর (রা) থেকে হাদীস শ্রবণ করেন নি।)
(ইবন মাজাহ (র) হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। এর সকল বর্ণনাকারী নির্ভরযোগ্য ও প্রখ্যাত। তবে মায়মুন ইবন মিহরান উমর (রা) থেকে হাদীস শ্রবণ করেন নি।)
كتاب الجنائز
فصل
5305- عَن عمر بن الْخطاب رَضِي الله عَنهُ قَالَ قَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم إِذا دخلت على مَرِيض فمره يَدْعُو لَك فَإِن دعاءه كدعاء الْمَلَائِكَة
رَوَاهُ ابْن مَاجَه وَرُوَاته ثِقَات مَشْهُورُونَ إِلَّا أَن مَيْمُون بن مهْرَان لم يسمع من عمر
رَوَاهُ ابْن مَاجَه وَرُوَاته ثِقَات مَشْهُورُونَ إِلَّا أَن مَيْمُون بن مهْرَان لم يسمع من عمر
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৩০৬
অধ্যায়ঃ জানাযা
পরিচ্ছেদঃ অনুচ্ছেদ
৫৩০৬. হযরত আনাস (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, তোমরা অসুস্থ লোকদেরকে দেখতে যাও এবং তাদেরকে বল, যাতে তোমাদের জন্য দু'আ করে। কেননা, অসুস্থ লোকের দু'আ কবুল হয়। এবং তার গুণাহ ক্ষমা করে দেওয়া হয়।।
(তবারানী আল-আওসাতে' হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
(তবারানী আল-আওসাতে' হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
كتاب الجنائز
فصل
5306- وَرُوِيَ عَن أنس رَضِي الله عَنهُ قَالَ قَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم عودوا المرضى ومروهم فَلْيَدعُوا لكم فَإِن دَعْوَة الْمَرِيض مستجابة وذنبه مغْفُور
رَوَاهُ الطَّبَرَانِيّ فِي الْأَوْسَط
رَوَاهُ الطَّبَرَانِيّ فِي الْأَوْسَط
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৩০৭
অধ্যায়ঃ জানাযা
পরিচ্ছেদঃ অনুচ্ছেদ
৫৩০৭. হযরত ইবন আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, অসুস্থ ব্যক্তি সুস্থ না
হওয়া পর্যন্ত তার দু'আ প্রত্যাখ্যান করা হয় না।
(ইবন আবিদ-দুনিয়া (র) কিতাবুল মারয ওয়াল কাফফারার'-এ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।
হওয়া পর্যন্ত তার দু'আ প্রত্যাখ্যান করা হয় না।
(ইবন আবিদ-দুনিয়া (র) কিতাবুল মারয ওয়াল কাফফারার'-এ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।
كتاب الجنائز
فصل
5307- وَرُوِيَ عَن ابْن عَبَّاس رَضِي الله عَنْهُمَا قَالَ قَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم لَا ترد دَعْوَة الْمَرِيض حَتَّى يبرأ
رَوَاهُ ابْن أبي الدُّنْيَا فِي كتاب الْمَرَض وَالْكَفَّارَات
رَوَاهُ ابْن أبي الدُّنْيَا فِي كتاب الْمَرَض وَالْكَفَّارَات
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৩০৮
অধ্যায়ঃ জানাযা
পরিচ্ছেদঃ এমন কিছু বাক্য পাঠে উৎসাহ দান, যেগুলো দ্বারা অসুস্থ ব্যক্তির জন্য দু'আ করা হয় এবং এমন কিছু বাক্য পাঠে উদ্বুদ্ধকরণ, যেগুলো অসুস্থ ব্যক্তি পড়বে
৫৩০৮. হযরত ইবন আববাস (রা)-এর সূত্রে নবী (ﷺ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, যে ব্যক্তি এমন অসুস্থ লোককে দেখতে যায়, যার মৃত্যুর সময় উপস্থিত হয়নি, সে তার কাছে সাতবার বলবে।
أَسْأَلُ اللهَ العَظيمَ رَبَّ العَرْشِ العَظِيمِ أَنْ يَشْفِيَكَ আল্লাহ্ তা'আলা তাকে সে রোগ থেকে সুস্থ করে দেবেন।
(আবু দাউদ, তিরমিযী, নাসাঈ ও ইবন হিব্বান (র) স্বীয় 'সহীহ' কিতাব হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তিরমিযী হাদীসটিকে হাসান আখ্যায়িত করেছেন। হাকিম হাদীসটি বর্ণনা করে বলেন, হাদীসটি বুখারীর শর্ত অনুযায়ী সহীহ।)
[হাফিয (র) বলেনঃ] নবী (ﷺ) অসুস্থ ব্যক্তির জন্য যেসব দু'আ করেছেন, অথবা করতে বলেছেন, তৎপ্রসঙ্গে বহু মাশাহুর হাদীস রয়েছে, যেগুলো আমার এ কিতাবের শর্ত অনুযায়ী নয়। তাই আমি সেগুলো উল্লেখ করা থেকে বিরত রইলাম।)
أَسْأَلُ اللهَ العَظيمَ رَبَّ العَرْشِ العَظِيمِ أَنْ يَشْفِيَكَ আল্লাহ্ তা'আলা তাকে সে রোগ থেকে সুস্থ করে দেবেন।
(আবু দাউদ, তিরমিযী, নাসাঈ ও ইবন হিব্বান (র) স্বীয় 'সহীহ' কিতাব হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তিরমিযী হাদীসটিকে হাসান আখ্যায়িত করেছেন। হাকিম হাদীসটি বর্ণনা করে বলেন, হাদীসটি বুখারীর শর্ত অনুযায়ী সহীহ।)
[হাফিয (র) বলেনঃ] নবী (ﷺ) অসুস্থ ব্যক্তির জন্য যেসব দু'আ করেছেন, অথবা করতে বলেছেন, তৎপ্রসঙ্গে বহু মাশাহুর হাদীস রয়েছে, যেগুলো আমার এ কিতাবের শর্ত অনুযায়ী নয়। তাই আমি সেগুলো উল্লেখ করা থেকে বিরত রইলাম।)
كتاب الجنائز
التَّرْغِيب فِي كَلِمَات يدعى بِهن للْمَرِيض وكلمات يقولهن الْمَرِيض
5308- عَن ابْن عَبَّاس رَضِي الله عَنْهُمَا عَن النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم قَالَ من عَاد مَرِيضا لم يحضر أَجله فَقَالَ عِنْده سبع مَرَّات أسأَل الله الْعَظِيم رب الْعَرْش الْعَظِيم أَن يشفيك إِلَّا عافاه الله من ذَلِك الْمَرَض
رَوَاهُ أَبُو دَاوُد وَالتِّرْمِذِيّ وَحسنه وَالنَّسَائِيّ وَابْن حبَان فِي صَحِيحه وَالْحَاكِم وَقَالَ صَحِيح على شَرط البُخَارِيّ
قَالَ الْحَافِظ فِيمَا دَعَا بِهِ النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم للْمَرِيض أَو أَمر بِهِ أَحَادِيث مَشْهُورَة لَيست من شَرط كتَابنَا أضربنا عَن ذكرهَا
رَوَاهُ أَبُو دَاوُد وَالتِّرْمِذِيّ وَحسنه وَالنَّسَائِيّ وَابْن حبَان فِي صَحِيحه وَالْحَاكِم وَقَالَ صَحِيح على شَرط البُخَارِيّ
قَالَ الْحَافِظ فِيمَا دَعَا بِهِ النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم للْمَرِيض أَو أَمر بِهِ أَحَادِيث مَشْهُورَة لَيست من شَرط كتَابنَا أضربنا عَن ذكرهَا
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৩০৯
অধ্যায়ঃ জানাযা
পরিচ্ছেদঃ এমন কিছু বাক্য পাঠে উৎসাহ দান, যেগুলো দ্বারা অসুস্থ ব্যক্তির জন্য দু'আ করা হয় এবং এমন কিছু বাক্য পাঠে উদ্বুদ্ধকরণ, যেগুলো অসুস্থ ব্যক্তি পড়বে
৫৩০৯. হযরত আবু সাঈদ ও আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত আছে যে, তাঁরা উভয়ে এ ব্যাপারে সাক্ষ্য দিয়েছেন যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, যে বলে لا إله إلا الله والله أكبر "আল্লাহ্ তা'আলা ব্যতীত অন্য কোন মা'বুদ নেই, এবং আল্লাহ্ তা'আলা মহান।" তখন তার প্রতিপালক তাকে সমর্থন করেন এবং বলেন, আমি ব্যতীত অন্য কোন মা'বুদ নেই এবং আমি মহান। যখন সে বলে لا إله إلا هو وحده তিনি একজন ব্যতীত অন্য কোন মা'বুদ নেই।" রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, তখন আল্লাহ্ তা'আলা বলেন, আমি একজন ব্যতীত অন্য কোন মা'বুদ নেই। যখন সে বলে, لا إله إلا الله وحده لاشريك له "এক আল্লাহ্ ব্যতীত অন্য কোন মা'বুদ নেই, তাঁর কোন শরীক নেই।" -রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, তখন আল্লাহ্ তা'আলা বলেন, আমার বান্দা সত্য বলেছে, এক আমি ব্যতীত অন্য কোন মা'বুদ নেই, আমার কোন শরীক নেই। যখন সে বলে " لا إله إلا الله وحده لاشريك لهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ ‘‘এক আল্লাহ ব্যতীত অন্য কোন মা‘বূদ নেই, তাঁর কোন শরীক নেই, রাজত্ব তাঁরই এর প্রশংসা তাঁরই প্রাপ্য।"-রাসূলাল্লাহ্ (ﷺ) বলেছেন, তখন আল্লাহ তা'আলা বলেন, আমি ব্যতীত অন্য কোন মা'বুদ নেই, রাজত্ব আমারই এবং প্রশংসা আমারই প্রাপ্য। যখন সে বলে لا إله إلا الله ولا حول ولا قوة إلا بالله "আল্লাহ্ ব্যতীত অন্য কোন মা'বুদ নেই এবং আল্লাহর সাহায্য ব্যতীত কারও কোন শক্তি ও সামর্থ্য নেই।" তখন আল্লাহ্ তা'আলা বলেন, আমি ব্যতীত অন্য কোন মা'বুদ নেই এবং আমার সাহায্য ব্যতীত কারও কোন শক্তি ও সামর্থ্য নেই। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলতেন, যে ব্যক্তি এ বাক্যগুলো তার অসুস্থতার মধ্যে পড়ে তারপর সে মৃত্যুমুখে পতিত হয়, জাহান্নামের আগুন তাকে কখনও গ্রাস করতে পারে না।
(তিরমিযী (র) হাদীসটি বর্ণনা করে বলেন, হাদীসটি হাসান। ইবন মাজাহ, নাসাঈ, ইবন হিব্বান তাঁর 'সহীহ' এবং হাকিমও এ হাদীস বর্ণনা করেছেন।)
(তিরমিযী (র) হাদীসটি বর্ণনা করে বলেন, হাদীসটি হাসান। ইবন মাজাহ, নাসাঈ, ইবন হিব্বান তাঁর 'সহীহ' এবং হাকিমও এ হাদীস বর্ণনা করেছেন।)
كتاب الجنائز
التَّرْغِيب فِي كَلِمَات يدعى بِهن للْمَرِيض وكلمات يقولهن الْمَرِيض
5309- وَعَن أبي سعيد وَأبي هُرَيْرَة رَضِي الله عَنْهُمَا أَنَّهُمَا شَهدا على رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم أَنه قَالَ من قَالَ لَا إِلَه إِلَّا الله وَالله أكبر صدقه ربه فَقَالَ لَا إِلَه إِلَّا أَنا وَأَنا أكبر وَإِذا قَالَ لَا إِلَه إِلَّا هُوَ وَحده قَالَ يَقُول لَا إِلَه إِلَّا أَنا وحدي وَإِذا قَالَ لَا إِلَه إِلَّا الله وَحده لَا شريك لَهُ قَالَ يَقُول صدق عَبدِي لَا إِلَه إِلَّا أَنا وحدي لَا شريك لي وَإِذا قَالَ لَا إِلَه إِلَّا الله وَحده لَا شريك لَهُ لَهُ الْملك وَله الْحَمد قَالَ يَقُول لَا إِلَه إِلَّا أَنا لي الْملك ولي الْحَمد وَإِذا قَالَ لَا إِلَه إِلَّا الله وَلَا حول وَلَا قُوَّة إِلَّا بِاللَّه قَالَ لَا إِلَه إِلَّا أَنا وَلَا حول وَلَا قُوَّة إِلَّا بِي وَكَانَ يَقُول من قَالَهَا فِي مَرضه ثمَّ مَاتَ لم تطعمه النَّار
رَوَاهُ التِّرْمِذِيّ وَقَالَ حَدِيث حسن وَابْن مَاجَه وَالنَّسَائِيّ وَابْن حبَان فِي صَحِيحه وَالْحَاكِم
رَوَاهُ التِّرْمِذِيّ وَقَالَ حَدِيث حسن وَابْن مَاجَه وَالنَّسَائِيّ وَابْن حبَان فِي صَحِيحه وَالْحَاكِم
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৩১০
অধ্যায়ঃ জানাযা
পরিচ্ছেদঃ এমন কিছু বাক্য পাঠে উৎসাহ দান, যেগুলো দ্বারা অসুস্থ ব্যক্তির জন্য দু'আ করা হয় এবং এমন কিছু বাক্য পাঠে উদ্বুদ্ধকরণ, যেগুলো অসুস্থ ব্যক্তি পড়বে
৫৩১০. নাসাঈর অপর এক রিওয়ায়েতে কেবল আবু হুরায়রা (রা) থেকে মারফু' সূত্রে বর্ণিত হয়েছে। যে ব্যক্তি তার হাতে আঙুলে গুণে গুণে পাঁচবার পড়ে।
لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَاللَّهُ أَكْبَرُ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَلَا شَرِيكَ لَهُ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَلَا وحول وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ
আবার বললেন, যে ব্যক্তি কোন দিন, অথবা কোন রাত্রে, অথবা কোন মাসে উপরিউক্ত বাক্যগুলো পড়ে, অতঃপর সেদিন, অথবা সে রাত্রে, অথবা সে মাসে লোকটি মৃত্যুবরণ করে তার গুণাহ মাফ করে দেওয়া হয়।
لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَاللَّهُ أَكْبَرُ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَلَا شَرِيكَ لَهُ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَلَا وحول وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ
আবার বললেন, যে ব্যক্তি কোন দিন, অথবা কোন রাত্রে, অথবা কোন মাসে উপরিউক্ত বাক্যগুলো পড়ে, অতঃপর সেদিন, অথবা সে রাত্রে, অথবা সে মাসে লোকটি মৃত্যুবরণ করে তার গুণাহ মাফ করে দেওয়া হয়।
كتاب الجنائز
التَّرْغِيب فِي كَلِمَات يدعى بِهن للْمَرِيض وكلمات يقولهن الْمَرِيض
5310- وَفِي رِوَايَة للنسائي عَن أبي هُرَيْرَة وَحده مَرْفُوعا من قَالَ لَا إِلَه إِلَّا الله وَالله أكبر لَا إِلَه إِلَّا الله وَحده لَا إِلَه إِلَّا الله وَلَا شريك لَهُ لَا إِلَه إِلَّا الله لَهُ الْملك وَله الْحَمد لَا إِلَه إِلَّا الله وَلَا حول وَلَا قُوَّة إِلَّا بِاللَّه يعقدهن خمْسا بأصابعه ثمَّ قَالَ من قالهن فِي يَوْم أَو فِي لَيْلَة أَو فِي شهر ثمَّ مَاتَ فِي ذَلِك الْيَوْم أَو فِي تِلْكَ اللَّيْلَة أَو فِي ذَلِك الشَّهْر غفر لَهُ ذَنبه
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৩১১
অধ্যায়ঃ জানাযা
পরিচ্ছেদঃ এমন কিছু বাক্য পাঠে উৎসাহ দান, যেগুলো দ্বারা অসুস্থ ব্যক্তির জন্য দু'আ করা হয় এবং এমন কিছু বাক্য পাঠে উদ্বুদ্ধকরণ, যেগুলো অসুস্থ ব্যক্তি পড়বে
৫৩১১. হযরত সা'দ ইবন মালিক (রা) থেকে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ)
لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ سُبْحَانَكَ إِنِّي كُنْتُ مِنَ الظَّالِمِينَ" প্রসঙ্গে বলেছেন, যে কোন মুসলমান তার অসুস্থতার সময় উক্ত দু'আটি চল্লিশবার পড়ে, তারপর সে রোগে লোকটি মৃত্যুমুখে পতিত হয়, তাকে এক শহীদের সাওয়াব দেওয়া হয়। আর যদি সে সুস্থ হয়ে যায় তবে সে এমতাবস্থায় সুস্থ হয় যে, তার সকল গুণাহ মাফ করে দেওয়া হয়েছে।
(হাকিম (র) হাদীসটি বর্ণনা করে বলেন, আহমাদ ইবন আমর ইবন আবু বকর আস সাকসাকী তাঁর পিতার সনদে মুহাম্মদ ইবন যায়িদ-এর সূত্রে ইবন মুসায়্যিব-এর মধ্যস্থতায় সা'দ ইবন মালিক থেকে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ سُبْحَانَكَ إِنِّي كُنْتُ مِنَ الظَّالِمِينَ" প্রসঙ্গে বলেছেন, যে কোন মুসলমান তার অসুস্থতার সময় উক্ত দু'আটি চল্লিশবার পড়ে, তারপর সে রোগে লোকটি মৃত্যুমুখে পতিত হয়, তাকে এক শহীদের সাওয়াব দেওয়া হয়। আর যদি সে সুস্থ হয়ে যায় তবে সে এমতাবস্থায় সুস্থ হয় যে, তার সকল গুণাহ মাফ করে দেওয়া হয়েছে।
(হাকিম (র) হাদীসটি বর্ণনা করে বলেন, আহমাদ ইবন আমর ইবন আবু বকর আস সাকসাকী তাঁর পিতার সনদে মুহাম্মদ ইবন যায়িদ-এর সূত্রে ইবন মুসায়্যিব-এর মধ্যস্থতায় সা'দ ইবন মালিক থেকে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
كتاب الجنائز
التَّرْغِيب فِي كَلِمَات يدعى بِهن للْمَرِيض وكلمات يقولهن الْمَرِيض
5311- وَعَن سعد بن مَالك رَضِي الله عَنهُ أَن رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم قَالَ فِي قَوْله
لَا إِلَه إِلَّا أَنْت سُبْحَانَكَ إِنِّي كنت من الظَّالِمين الأنبي 78 أَيّمَا مُسلم دَعَا بهَا فِي مَرضه أَرْبَعِينَ مرّة فَمَاتَ فِي مَرضه ذَلِك أعطي أجر شَهِيد وَإِن برأَ برأَ وَقد غفر لَهُ جَمِيع ذنُوبه
رَوَاهُ الْحَاكِم وَقَالَ رَوَاهُ أَحْمد بن عَمْرو بن أبي بكر السكْسكِي عَن أَبِيه عَن مُحَمَّد بن زيد عَن ابْن الْمسيب عَنهُ
لَا إِلَه إِلَّا أَنْت سُبْحَانَكَ إِنِّي كنت من الظَّالِمين الأنبي 78 أَيّمَا مُسلم دَعَا بهَا فِي مَرضه أَرْبَعِينَ مرّة فَمَاتَ فِي مَرضه ذَلِك أعطي أجر شَهِيد وَإِن برأَ برأَ وَقد غفر لَهُ جَمِيع ذنُوبه
رَوَاهُ الْحَاكِم وَقَالَ رَوَاهُ أَحْمد بن عَمْرو بن أبي بكر السكْسكِي عَن أَبِيه عَن مُحَمَّد بن زيد عَن ابْن الْمسيب عَنهُ
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৩১২
অধ্যায়ঃ জানাযা
পরিচ্ছেদঃ এমন কিছু বাক্য পাঠে উৎসাহ দান, যেগুলো দ্বারা অসুস্থ ব্যক্তির জন্য দু'আ করা হয় এবং এমন কিছু বাক্য পাঠে উদ্বুদ্ধকরণ, যেগুলো অসুস্থ ব্যক্তি পড়বে
৫৩১২. হযরত আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) জিজ্ঞেস করলেন, হে আবু হুরায়রা! আমি কি তোমাকে এমন বিষয় সম্পর্কে অবহিত করব না, যা সত্য; তার রোগের প্রথম শয্যায় সে দু'আ পড়ে আল্লাহ তা'আলা তাকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেন? আমি বললাম, আমার পিতামাতা আপনার জন্য কুরবান। জ্বী হ্যাঁ, বলুন। তিনি বললেন, তবে তুমি জেনে রাখ, যখন তোমার ভোর হয়, তখন তোমার সন্ধ্যা না হতে এবং যখন তোমার সন্ধ্যা হয় তখন তোমার ভোর না হতে, যদি তুমি তোমার রোগের প্রথম শয্যায় এ দু'আটি পড়, তবে আল্লাহ্ তা'আলা তোমাকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেবেন। তুমি বলবেঃ
لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ، يُحْيِي وَيُمِيتُ، وَهُوَ حَيُّ لَا يَمُوتُ، سُبْحَانَ اللَّهِ رَبِّ الْعِبَادِ وَالْبِلَادِ، وَالْحَمْدُ لِلَّهِ حَمْدًا كَثِيرًا طَيِّبًا مُبَارَكًا فِيهِ عَلَى كُلِّ حَالٍ، وَاللَّهُ أَكْبَرُ كَبِيرًا، كِبْرِيَاءُ رَبِّنَا وَجَلَالُهُ وَقُدْرَتُهُ بِكُلِّ مَكَانٍ، اللَّهُمَّ إِنْ كُنْتَ أَمْرَضْتَنِي لِتَقْبِضَ رُوحِي فِي مَرَضِي هَذَا، فَاجْعَلْ رُوحِي فِي أَرْوَاحِ مَنْ قَدْ سَبَقَتْ لَهُمْ مِنْكَ الْحُسْنَى،
"আল্লাহ ব্যতীত অন্য কোন মা'বুদ নেই। তিনি জীবনদান করেন ও মৃত্যু দান করেন। তিনি চিরঞ্জীব, তুমি মৃত্যুবরণ করবেন না। এবং পবিত্রতা ঘোষণা করছি আল্লাহ্ তা'আলার, যিনি বান্দাগণ ও সমগ্র জগতের প্রতিপালক। সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর, যা অধিক পুণ্যময় এবং সর্বাবস্থায় বরকতময়। আল্লাহ্ বড় মহান। আমাদের প্রতিপালকের মাহাত্ম্য, প্রতাপ ও ক্ষমতা সর্বস্থানে রয়েছে। হে আল্লাহ্! যদি তুমি আমার এ অসুস্থতায় আমার প্রাণ তুলে নেওয়ার জন্য আমাকে রোগে আক্রান্ত করে থাক তবে তুমি আমার প্রাণটি তাদের প্রাণসমূহের অন্তর্ভুক্ত করবে, যাদের জন্য তোমার পক্ষ থেকে জান্নাতের ফয়সালা হয়ে রয়েছে এবং তুমি আমাকে জাহান্নাম থেকে রক্ষা করবে যেমন তুমি তোমার সেসব ওলীগণকে রক্ষা কর, যাদের জন্য তোমার পক্ষ থেকে জান্নাতের ফয়সালা হয়ে গেছে।" অতঃপর তুমি যদি তোমার সে রোগে মৃত্যুমুখে পতিত হও, তবে তুমি আল্লাহর সন্তুষ্টি ও জান্নাত লাভ করবে, আর যদি তুমি গুণাহ করে থাক, তবে আল্লাহ্ তা'আলা তোমাকে ক্ষমা করে দেবেন।
(ইবন আবিদ-দুনিয়া (র) 'কিতাবুল মারয ওয়াল কাফফারাত'-এ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তবে হাদীসটির সনদ আমার কাছে এখনও অজ্ঞাত।)
لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ، يُحْيِي وَيُمِيتُ، وَهُوَ حَيُّ لَا يَمُوتُ، سُبْحَانَ اللَّهِ رَبِّ الْعِبَادِ وَالْبِلَادِ، وَالْحَمْدُ لِلَّهِ حَمْدًا كَثِيرًا طَيِّبًا مُبَارَكًا فِيهِ عَلَى كُلِّ حَالٍ، وَاللَّهُ أَكْبَرُ كَبِيرًا، كِبْرِيَاءُ رَبِّنَا وَجَلَالُهُ وَقُدْرَتُهُ بِكُلِّ مَكَانٍ، اللَّهُمَّ إِنْ كُنْتَ أَمْرَضْتَنِي لِتَقْبِضَ رُوحِي فِي مَرَضِي هَذَا، فَاجْعَلْ رُوحِي فِي أَرْوَاحِ مَنْ قَدْ سَبَقَتْ لَهُمْ مِنْكَ الْحُسْنَى،
"আল্লাহ ব্যতীত অন্য কোন মা'বুদ নেই। তিনি জীবনদান করেন ও মৃত্যু দান করেন। তিনি চিরঞ্জীব, তুমি মৃত্যুবরণ করবেন না। এবং পবিত্রতা ঘোষণা করছি আল্লাহ্ তা'আলার, যিনি বান্দাগণ ও সমগ্র জগতের প্রতিপালক। সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর, যা অধিক পুণ্যময় এবং সর্বাবস্থায় বরকতময়। আল্লাহ্ বড় মহান। আমাদের প্রতিপালকের মাহাত্ম্য, প্রতাপ ও ক্ষমতা সর্বস্থানে রয়েছে। হে আল্লাহ্! যদি তুমি আমার এ অসুস্থতায় আমার প্রাণ তুলে নেওয়ার জন্য আমাকে রোগে আক্রান্ত করে থাক তবে তুমি আমার প্রাণটি তাদের প্রাণসমূহের অন্তর্ভুক্ত করবে, যাদের জন্য তোমার পক্ষ থেকে জান্নাতের ফয়সালা হয়ে রয়েছে এবং তুমি আমাকে জাহান্নাম থেকে রক্ষা করবে যেমন তুমি তোমার সেসব ওলীগণকে রক্ষা কর, যাদের জন্য তোমার পক্ষ থেকে জান্নাতের ফয়সালা হয়ে গেছে।" অতঃপর তুমি যদি তোমার সে রোগে মৃত্যুমুখে পতিত হও, তবে তুমি আল্লাহর সন্তুষ্টি ও জান্নাত লাভ করবে, আর যদি তুমি গুণাহ করে থাক, তবে আল্লাহ্ তা'আলা তোমাকে ক্ষমা করে দেবেন।
(ইবন আবিদ-দুনিয়া (র) 'কিতাবুল মারয ওয়াল কাফফারাত'-এ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তবে হাদীসটির সনদ আমার কাছে এখনও অজ্ঞাত।)
كتاب الجنائز
التَّرْغِيب فِي كَلِمَات يدعى بِهن للْمَرِيض وكلمات يقولهن الْمَرِيض
5312- وَعَن أبي هُرَيْرَة رَضِي الله عَنهُ قَالَ قَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم يَا أَبَا هُرَيْرَة أَلا أخْبرك بِأَمْر هُوَ حق من تكلم بِهِ فِي أول مضجعه من مَرضه نجاه الله من النَّار قلت بلَى بِأبي وَأمي
قَالَ فَاعْلَم أَنَّك إِذا أَصبَحت لم تمس وَإِذا أمسيت لم تصبح وَأَنَّك إِذا قلت ذَلِك فِي أول مضجعك من مرضك نجاك الله من النَّار أَن تَقول لَا إِلَه إِلَّا الله يحيي وَيُمِيت وَهُوَ حَيّ لَا يَمُوت وَسُبْحَان الله رب الْعباد والبلاد وَالْحَمْد لله كثيرا طيبا مُبَارَكًا فِيهِ على كل حَال
الله أكبر كَبِيرا كبرياء رَبنَا وجلاله وَقدرته بِكُل مَكَان اللَّهُمَّ إِن أَنْت أمرضتني لتقبض روحي فِي مرضِي هَذَا فَاجْعَلْ روحي فِي أَرْوَاح من سبقت لَهُ مِنْك الْحسنى وأعذني من النَّار كَمَا أعذت أولياءك الَّذين سبقت لَهُم مِنْك الْحسنى فَإِن مت فِي مرضك ذَلِك فَإلَى رضوَان الله وَالْجنَّة وَإِن كنت قد اقترفت ذنوبا تَابَ الله عَلَيْك
رَوَاهُ ابْن أبي الدُّنْيَا فِي كتاب الْمَرَض وَالْكَفَّارَات وَلَا يحضرني الْآن إِسْنَاده
قَالَ فَاعْلَم أَنَّك إِذا أَصبَحت لم تمس وَإِذا أمسيت لم تصبح وَأَنَّك إِذا قلت ذَلِك فِي أول مضجعك من مرضك نجاك الله من النَّار أَن تَقول لَا إِلَه إِلَّا الله يحيي وَيُمِيت وَهُوَ حَيّ لَا يَمُوت وَسُبْحَان الله رب الْعباد والبلاد وَالْحَمْد لله كثيرا طيبا مُبَارَكًا فِيهِ على كل حَال
الله أكبر كَبِيرا كبرياء رَبنَا وجلاله وَقدرته بِكُل مَكَان اللَّهُمَّ إِن أَنْت أمرضتني لتقبض روحي فِي مرضِي هَذَا فَاجْعَلْ روحي فِي أَرْوَاح من سبقت لَهُ مِنْك الْحسنى وأعذني من النَّار كَمَا أعذت أولياءك الَّذين سبقت لَهُم مِنْك الْحسنى فَإِن مت فِي مرضك ذَلِك فَإلَى رضوَان الله وَالْجنَّة وَإِن كنت قد اقترفت ذنوبا تَابَ الله عَلَيْك
رَوَاهُ ابْن أبي الدُّنْيَا فِي كتاب الْمَرَض وَالْكَفَّارَات وَلَا يحضرني الْآن إِسْنَاده
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৩১৩
অধ্যায়ঃ জানাযা
পরিচ্ছেদঃ এমন কিছু বাক্য পাঠে উৎসাহ দান, যেগুলো দ্বারা অসুস্থ ব্যক্তির জন্য দু'আ করা হয় এবং এমন কিছু বাক্য পাঠে উদ্বুদ্ধকরণ, যেগুলো অসুস্থ ব্যক্তি পড়বে
৫৩১৩. হযরত হাজ্জাজ ইব্ন ফারাফিসা থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) বলেছেন, যে কোন অসুস্থ ব্যক্তি এ দু'আটি পড়ে আল্লাহ্ তা'আলা তাকে শিফা দান করেন।
سُبْحَانَ الْمَلِكِ الْقَدُّوسِ الرَّحْمَنِ الْمَلِكِ الدَّيَّانِ لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ مُسَكِّنُ الْعُرُوقِ الصَّارِبَةِ، وَمُنَيِّمُ
الْعُيُونِ السَّاهِرَةِ إِلَّا شَفَاهُ اللَّهُ تَعَالَى
(ইবন আবিদ-দুনিয়া (র) 'কিতাবুল মার্য ওয়াল কাফফারাত-এর শেষে অনুরূপ 'মু'দাল' সনদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
سُبْحَانَ الْمَلِكِ الْقَدُّوسِ الرَّحْمَنِ الْمَلِكِ الدَّيَّانِ لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ مُسَكِّنُ الْعُرُوقِ الصَّارِبَةِ، وَمُنَيِّمُ
الْعُيُونِ السَّاهِرَةِ إِلَّا شَفَاهُ اللَّهُ تَعَالَى
(ইবন আবিদ-দুনিয়া (র) 'কিতাবুল মার্য ওয়াল কাফফারাত-এর শেষে অনুরূপ 'মু'দাল' সনদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
كتاب الجنائز
التَّرْغِيب فِي كَلِمَات يدعى بِهن للْمَرِيض وكلمات يقولهن الْمَرِيض
5313- وَرُوِيَ عَن حجاج بن فرافصة أَن رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم قَالَ مَا من مَرِيض يَقُول سُبْحَانَ الْملك القدوس الرَّحْمَن الْملك الديَّان لَا إِلَه إِلَّا أَنْت مسكن الْعُرُوق الضاربة ومنيم الْعُيُون الساهرة إِلَّا شفَاه الله تَعَالَى
رَوَاهُ ابْن أبي الدُّنْيَا فِي آخر كتاب الْمَرَض وَالْكَفَّارَات هَكَذَا معضلا
رَوَاهُ ابْن أبي الدُّنْيَا فِي آخر كتاب الْمَرَض وَالْكَفَّارَات هَكَذَا معضلا
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৩১৪
অধ্যায়ঃ জানাযা
পরিচ্ছেদঃ অসিয়াত করা ও অসিয়্যতে ন্যায়পন্থা অবলম্বনের প্রতি উৎসাহ প্রদান, যে অসিয্যত তরক করে অথবা অসিয়্যতে ত্রুটি করে তাকে ভীতি প্রদর্শন এবং যে মৃত্যুর সময় গোলাম মুক্ত করে ও সাদাকা-খয়রাত করে তার সম্পর্কে বর্ণিত হাদীসসমূহ
৫৩১৪. হযরত ইবন উমর (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, যে মুসলমান ব্যক্তির অসিয়াত করার মত কিছু রয়েছে, তা নিয়ে দু'টি রাত্র অতিবাহিত করাও তার জন্য সমীচীন নয়।
অপর এক রিওয়ায়েতে আছে, তার কাছে তার অসিয়াত লিখে রাখা ব্যতিরেকে তিনটি রাত্র অতিবাহিত করা সমীচীন নয়। নাফি' বলেন, আমি আব্দুল্লাহ ইবন উমর (রা) কে বলতে শুনেছি, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে একথা বলতে শোনার পর থেকে আমার কাছে আমার অসিয়্যত লিখে রাখা ব্যতিরেকে আমার কোন রাত্র অতিবাহিত হয়নি।
(মালিক, বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিযী, নাসাঈ ও ইবন মাজাহ (র) হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
অপর এক রিওয়ায়েতে আছে, তার কাছে তার অসিয়াত লিখে রাখা ব্যতিরেকে তিনটি রাত্র অতিবাহিত করা সমীচীন নয়। নাফি' বলেন, আমি আব্দুল্লাহ ইবন উমর (রা) কে বলতে শুনেছি, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে একথা বলতে শোনার পর থেকে আমার কাছে আমার অসিয়্যত লিখে রাখা ব্যতিরেকে আমার কোন রাত্র অতিবাহিত হয়নি।
(মালিক, বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিযী, নাসাঈ ও ইবন মাজাহ (র) হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
كتاب الجنائز
التَّرْغِيب فِي الْوَصِيَّة وَالْعدْل فِيهَا والترهيب من تَركهَا أَو المضارة فِيهَا وَمَا جَاءَ فِيمَن يعْتق وَيتَصَدَّق عِنْد الْمَوْت
5314- عَن ابْن عمر رَضِي الله عَنْهُمَا أَن رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم قَالَ مَا حق امرىء مُسلم لَهُ شَيْء يُوصي فِيهِ يبيت فِيهِ لَيْلَتَيْنِ
وَفِي رِوَايَة ثَلَاث لَيَال إِلَّا ووصيته مَكْتُوبَة عِنْده
قَالَ نَافِع سَمِعت عبد الله بن عمر يَقُول مَا مرت عَليّ لَيْلَة مُنْذُ سَمِعت رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم يَقُول ذَلِك إِلَّا وَعِنْدِي وصيتي مَكْتُوبَة
رَوَاهُ مَالك وَالْبُخَارِيّ وَمُسلم وَأَبُو دَاوُد وَالتِّرْمِذِيّ وَالنَّسَائِيّ وَابْن مَاجَه
وَفِي رِوَايَة ثَلَاث لَيَال إِلَّا ووصيته مَكْتُوبَة عِنْده
قَالَ نَافِع سَمِعت عبد الله بن عمر يَقُول مَا مرت عَليّ لَيْلَة مُنْذُ سَمِعت رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم يَقُول ذَلِك إِلَّا وَعِنْدِي وصيتي مَكْتُوبَة
رَوَاهُ مَالك وَالْبُخَارِيّ وَمُسلم وَأَبُو دَاوُد وَالتِّرْمِذِيّ وَالنَّسَائِيّ وَابْن مَاجَه
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৩১৫
অধ্যায়ঃ জানাযা
পরিচ্ছেদঃ অসিয়াত করা ও অসিয়্যতে ন্যায়পন্থা অবলম্বনের প্রতি উৎসাহ প্রদান, যে অসিয্যত তরক করে অথবা অসিয়্যতে ত্রুটি করে তাকে ভীতি প্রদর্শন এবং যে মৃত্যুর সময় গোলাম মুক্ত করে ও সাদাকা-খয়রাত করে তার সম্পর্কে বর্ণিত হাদীসসমূহ
৫৩১৫. হযরত জাবির (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, যে ব্যক্তি অসিয়াত করে মৃত্যু মুখে পতিত হয় সে সঠিক পন্থা ও সুন্নাত মুতাবিক মৃত্যুবরণ করে, তাকওয়ার উপর এবং হক সমূহের সাক্ষ্য রেখে সে ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করে এবং ক্ষমাপ্রাপ্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করে।
(ইবন মাজাহ (র) হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
(ইবন মাজাহ (র) হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
كتاب الجنائز
التَّرْغِيب فِي الْوَصِيَّة وَالْعدْل فِيهَا والترهيب من تَركهَا أَو المضارة فِيهَا وَمَا جَاءَ فِيمَن يعْتق وَيتَصَدَّق عِنْد الْمَوْت
5315- وَرُوِيَ عَن جَابر رَضِي الله عَنهُ قَالَ قَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم من مَاتَ على وَصِيَّة مَاتَ على سَبِيل وَسنة وَمَات على تقى وَشَهَادَة وَمَات مغفورا لَهُ
رَوَاهُ ابْن مَاجَه
رَوَاهُ ابْن مَاجَه
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৩১৬
অধ্যায়ঃ জানাযা
পরিচ্ছেদঃ অসিয়াত করা ও অসিয়্যতে ন্যায়পন্থা অবলম্বনের প্রতি উৎসাহ প্রদান, যে অসিয্যত তরক করে অথবা অসিয়্যতে ত্রুটি করে তাকে ভীতি প্রদর্শন এবং যে মৃত্যুর সময় গোলাম মুক্ত করে ও সাদাকা-খয়রাত করে তার সম্পর্কে বর্ণিত হাদীসসমূহ
৫৩১৬. হযরত আনাস ইবন মালিক (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর কাছে ছিলাম। তখন তার কাছে এক ব্যক্তি এসে বলল, ইয়া রাসূলাল্লাহ। অমুক মৃত্যুমুখে পতিত হয়েছে। তিনি বললেনঃ সে কি কিছুক্ষণ পূর্বেও আমাদের সাথে ছিল না? সাহাবায়ে কিরাম বললেন, জ্বী হ্যাঁ। তিনি বললেন, সুবহানাল্লাহ। এ যেন এক গযবের পাকড়াও। বঞ্চিত হচ্ছে সেই ব্যক্তি যে অসিয়াত (করা) থেকে বঞ্চিত হয়।
(আবু ইয়া'লা (র) হাসান সনদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। ইবন মাজাহ সংক্ষিপ্তাকারে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, বঞ্চিত হচ্ছে সেই ব্যক্তি যে অসিয়্যত থেকে বঞ্চিত হয়।)
(আবু ইয়া'লা (র) হাসান সনদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। ইবন মাজাহ সংক্ষিপ্তাকারে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, বঞ্চিত হচ্ছে সেই ব্যক্তি যে অসিয়্যত থেকে বঞ্চিত হয়।)
كتاب الجنائز
التَّرْغِيب فِي الْوَصِيَّة وَالْعدْل فِيهَا والترهيب من تَركهَا أَو المضارة فِيهَا وَمَا جَاءَ فِيمَن يعْتق وَيتَصَدَّق عِنْد الْمَوْت
5316- وَعَن أنس بن مَالك رَضِي الله عَنهُ قَالَ كُنَّا عِنْد رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم فَجَاءَهُ رجل فَقَالَ يَا رَسُول الله مَاتَ فلَان
قَالَ أَلَيْسَ كَانَ مَعنا آنِفا قَالُوا بلَى قَالَ سُبْحَانَ الله كَأَنَّهَا أَخْذَة على غضب
المحروم من حرم وَصيته
رَوَاهُ أَبُو يعلى بِإِسْنَاد حسن
وَرَوَاهُ ابْن مَاجَه مُخْتَصرا قَالَ قَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم المحروم من حرم وَصيته
قَالَ أَلَيْسَ كَانَ مَعنا آنِفا قَالُوا بلَى قَالَ سُبْحَانَ الله كَأَنَّهَا أَخْذَة على غضب
المحروم من حرم وَصيته
رَوَاهُ أَبُو يعلى بِإِسْنَاد حسن
وَرَوَاهُ ابْن مَاجَه مُخْتَصرا قَالَ قَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم المحروم من حرم وَصيته
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৩১৭
অধ্যায়ঃ জানাযা
পরিচ্ছেদঃ অসিয়াত করা ও অসিয়্যতে ন্যায়পন্থা অবলম্বনের প্রতি উৎসাহ প্রদান, যে অসিয্যত তরক করে অথবা অসিয়্যতে ত্রুটি করে তাকে ভীতি প্রদর্শন এবং যে মৃত্যুর সময় গোলাম মুক্ত করে ও সাদাকা-খয়রাত করে তার সম্পর্কে বর্ণিত হাদীসসমূহ
৫৩১৭. হযরত ইব্ন আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, অসিয়্যত তরক করা দুনিয়াতে লজ্জা ও আখিরাতে জাহান্নাম ও লাঞ্ছনা।
(তবারানী 'আসসাগীর' ও 'আল-আওসাত' গ্রন্থদ্বয়ে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
(তবারানী 'আসসাগীর' ও 'আল-আওসাত' গ্রন্থদ্বয়ে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
كتاب الجنائز
التَّرْغِيب فِي الْوَصِيَّة وَالْعدْل فِيهَا والترهيب من تَركهَا أَو المضارة فِيهَا وَمَا جَاءَ فِيمَن يعْتق وَيتَصَدَّق عِنْد الْمَوْت
5317- وَرُوِيَ عَن ابْن عَبَّاس رَضِي الله عَنْهُمَا قَالَ ترك الْوَصِيَّة عَار فِي الدُّنْيَا ونار وشنار فِي الْآخِرَة
رَوَاهُ الطَّبَرَانِيّ فِي الصَّغِير والأوسط
رَوَاهُ الطَّبَرَانِيّ فِي الصَّغِير والأوسط
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৩১৮
অধ্যায়ঃ জানাযা
পরিচ্ছেদঃ অসিয়াত করা ও অসিয়্যতে ন্যায়পন্থা অবলম্বনের প্রতি উৎসাহ প্রদান, যে অসিয্যত তরক করে অথবা অসিয়্যতে ত্রুটি করে তাকে ভীতি প্রদর্শন এবং যে মৃত্যুর সময় গোলাম মুক্ত করে ও সাদাকা-খয়রাত করে তার সম্পর্কে বর্ণিত হাদীসসমূহ
৫৩১৮. হযরত আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, নিশ্চয় পুরুষ অথবা মহিলা ষাট বছর যাবৎ আল্লাহর আনুগত্য করে, তারপর তাদের মৃত্যুর সময় উপস্থিত হয়। তখন তারা অসিয়্যতে ত্রুটি করে। ফলে তাদের জন্য জাহান্নাম অবধারিত হয়ে যায়।
তারপর আবু হুরায়রা (রা) তিলাওয়াত করলেন।
مِنْ بَعْدِ وَصِيَّةٍ يُوصَى بِهَا أَوْ دَيْنٍ غَيْرَ مُضَارٍّ وَصِيَّةً مِنَ اللَّهِ وَاللَّهُ عَلِيمٌ حَلِيمٌ (12) تِلْكَ حُدُودُ اللَّهِ وَمَنْ يُطِعِ اللَّهَ وَرَسُولَهُ يُدْخِلْهُ جَنَّاتٍ تَجْرِي مِنْ تَحْتِهَا الْأَنْهَارُ خَالِدِينَ فِيهَا وَذَلِكَ الْفَوْزُ الْعَظِيمُ (13)
"(উল্লিখিত হকসমূহ আদায় করবে) যে অসিয়াত করা হয় তা পূর্ণ করার পর অথবা ঋণ শোধ করার পর। যদি এটা কারো জন্যে হানিকর না হয়। এটা আল্লাহ্ তা'আলার নির্দেশ। আল্লাহ্ সর্বজ্ঞ ও সহনশীল। এটা আল্লাহ্ তা'আলার নির্ধারিত সীমা। যে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য করে তাকে তিনি এমন জান্নাতে দাখিল করবেন, যার পাদদেশে ঝর্ণাধারা প্রবাহিত তারা সর্বদা সেখানে থাকবে আর এটাই মহা সাফল্য।"
(৪: ১২, ১৩)
(আবু দাউদ ও তিরমিযী (র) হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তিরমিযী (র) বলেন, হাদীসটি হাসান গারীব। ইবন মাজাহও হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তাঁর বর্ণিত রিওয়ায়েতের ভাষা এরূপঃ "রাসুলুল্লাহ্ (ﷺ) বলেছেন, নিশ্চয় মানুষ সত্তর বছর যাবৎ নেককারদের মত আমল করে, তারপর সে অসিয়াত করার সময় যুলুম করে। তখন তার উপর মন্দ আমলের মোহর মেরে দেওয়া হয়। ফলে সে জাহান্নামে প্রবেশ করে। পক্ষান্তরে কোন মানুষ সত্তর বছর যাবৎ বদকারদের মত আমল করে। তারপর সে অসিয়াত করার ব্যাপারে ন্যায় পন্থা অবলম্বন করে, তখন তার উপর নেক আমলের মোহর মেরে দেওয়া হয়। ফলে সে জান্নাতে প্রবেশ করে।")
তারপর আবু হুরায়রা (রা) তিলাওয়াত করলেন।
مِنْ بَعْدِ وَصِيَّةٍ يُوصَى بِهَا أَوْ دَيْنٍ غَيْرَ مُضَارٍّ وَصِيَّةً مِنَ اللَّهِ وَاللَّهُ عَلِيمٌ حَلِيمٌ (12) تِلْكَ حُدُودُ اللَّهِ وَمَنْ يُطِعِ اللَّهَ وَرَسُولَهُ يُدْخِلْهُ جَنَّاتٍ تَجْرِي مِنْ تَحْتِهَا الْأَنْهَارُ خَالِدِينَ فِيهَا وَذَلِكَ الْفَوْزُ الْعَظِيمُ (13)
"(উল্লিখিত হকসমূহ আদায় করবে) যে অসিয়াত করা হয় তা পূর্ণ করার পর অথবা ঋণ শোধ করার পর। যদি এটা কারো জন্যে হানিকর না হয়। এটা আল্লাহ্ তা'আলার নির্দেশ। আল্লাহ্ সর্বজ্ঞ ও সহনশীল। এটা আল্লাহ্ তা'আলার নির্ধারিত সীমা। যে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য করে তাকে তিনি এমন জান্নাতে দাখিল করবেন, যার পাদদেশে ঝর্ণাধারা প্রবাহিত তারা সর্বদা সেখানে থাকবে আর এটাই মহা সাফল্য।"
(৪: ১২, ১৩)
(আবু দাউদ ও তিরমিযী (র) হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তিরমিযী (র) বলেন, হাদীসটি হাসান গারীব। ইবন মাজাহও হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তাঁর বর্ণিত রিওয়ায়েতের ভাষা এরূপঃ "রাসুলুল্লাহ্ (ﷺ) বলেছেন, নিশ্চয় মানুষ সত্তর বছর যাবৎ নেককারদের মত আমল করে, তারপর সে অসিয়াত করার সময় যুলুম করে। তখন তার উপর মন্দ আমলের মোহর মেরে দেওয়া হয়। ফলে সে জাহান্নামে প্রবেশ করে। পক্ষান্তরে কোন মানুষ সত্তর বছর যাবৎ বদকারদের মত আমল করে। তারপর সে অসিয়াত করার ব্যাপারে ন্যায় পন্থা অবলম্বন করে, তখন তার উপর নেক আমলের মোহর মেরে দেওয়া হয়। ফলে সে জান্নাতে প্রবেশ করে।")
كتاب الجنائز
التَّرْغِيب فِي الْوَصِيَّة وَالْعدْل فِيهَا والترهيب من تَركهَا أَو المضارة فِيهَا وَمَا جَاءَ فِيمَن يعْتق وَيتَصَدَّق عِنْد الْمَوْت
5318- وَعَن أبي هُرَيْرَة رَضِي الله عَنهُ أَن رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم قَالَ إِن الرجل ليعْمَل أَو الْمَرْأَة بِطَاعَة الله سِتِّينَ سنة ثمَّ يحضرهما الْمَوْت فيضاران فِي الْوَصِيَّة فَتجب لَهما النَّار ثمَّ قَرَأَ أَبُو هُرَيْرَة رَضِي الله عَنهُ من بعد وَصِيَّة يوصى بهَا أَو دين غير مضار حَتَّى بلغ وَذَلِكَ الْفَوْز الْعَظِيم النِّسَاء 21 31
رَوَاهُ أَبُو دَاوُد وَالتِّرْمِذِيّ وَقَالَ حَدِيث حسن غَرِيب وَابْن مَاجَه وَلَفظه قَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم إِن الرجل ليعْمَل بِعَمَل أهل الْخَيْر سبعين الرجل ليعْمَل بِعَمَل أهل الشَّرّ سبعين سنة فيعدل فِي وَصيته فيختم لَهُ بِخَير عمله فَيدْخل الْجنَّة
رَوَاهُ أَبُو دَاوُد وَالتِّرْمِذِيّ وَقَالَ حَدِيث حسن غَرِيب وَابْن مَاجَه وَلَفظه قَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم إِن الرجل ليعْمَل بِعَمَل أهل الْخَيْر سبعين الرجل ليعْمَل بِعَمَل أهل الشَّرّ سبعين سنة فيعدل فِي وَصيته فيختم لَهُ بِخَير عمله فَيدْخل الْجنَّة
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৩১৯
অধ্যায়ঃ জানাযা
পরিচ্ছেদঃ অসিয়াত করা ও অসিয়্যতে ন্যায়পন্থা অবলম্বনের প্রতি উৎসাহ প্রদান, যে অসিয্যত তরক করে অথবা অসিয়্যতে ত্রুটি করে তাকে ভীতি প্রদর্শন এবং যে মৃত্যুর সময় গোলাম মুক্ত করে ও সাদাকা-খয়রাত করে তার সম্পর্কে বর্ণিত হাদীসসমূহ
৫৩১৯. হযরত ইবন আব্বাস (রা)-এর সূত্রে নবী (ﷺ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, অসিয়াতের মাধ্যমে (কারও) ক্ষতিকরা কবীরা গুণাহের অন্তর্ভুক্ত। অতঃপর তিনি তিলাওয়াত করলেন। تلك حُدُورُ الله এগুলো আল্লাহর সীমা। (৪: ১৩)
(নাসাঈ (র) হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
(নাসাঈ (র) হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
كتاب الجنائز
التَّرْغِيب فِي الْوَصِيَّة وَالْعدْل فِيهَا والترهيب من تَركهَا أَو المضارة فِيهَا وَمَا جَاءَ فِيمَن يعْتق وَيتَصَدَّق عِنْد الْمَوْت
5319- وَعَن ابْن عَبَّاس رَضِي الله عَنْهُمَا عَن النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم قَالَ الْإِضْرَار فِي الْوَصِيَّة من الْكَبَائِر ثمَّ تَلا تِلْكَ حُدُود الله النِّسَاء سنة فَإِذا أوصى
حاف فِي وَصيته فيختم لَهُ بشر عمله فَيدْخل النَّار وَإِن 31
رَوَاهُ النَّسَائِيّ
حاف فِي وَصيته فيختم لَهُ بشر عمله فَيدْخل النَّار وَإِن 31
رَوَاهُ النَّسَائِيّ
তাহকীক: