আত্-তারগীব ওয়াত্-তারহীব- ইমাম মুনযিরী রহঃ
الترغيب والترهيب للمنذري
২৬. অধ্যায়ঃ জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা - এর পরিচ্ছেদসমূহ
মোট হাদীস ২৪৮ টি
হাদীস নং: ৫৫৯১
অধ্যায়ঃ জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: জাহান্নামের প্রান্তর ও পর্বতমালার বর্ণনা
৫৫৯১. হযরত আনাস ইবন মালিক (রা) থেকে আল্লাহ তা'আলার বাণীঃ (وَجَعَلْنَا بَيْنَهُمْ مَوْبقًا) ‘‘এবং আমি তাদের মধ্যে অন্তরাল সৃষ্টি করে দেব।" (১৮:৫২) প্রসঙ্গে বর্ণিত। তিনি বলেন, "মাওবিক" হচ্ছে পুজ ও রক্তের একটি উপত্যকা।
(বায়হাকী প্রমুখ ইয়াযীদ ইবন দিরহামের সনদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তিনি একজন বিতর্কিত রাবী।)
(বায়হাকী প্রমুখ ইয়াযীদ ইবন দিরহামের সনদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তিনি একজন বিতর্কিত রাবী।)
كتاب صفة الجنة والنار
فصل فِي أَوديتهَا وجبالها
5591- وَعَن أنس بن مَالك رَضِي الله عَنهُ فِي قَوْله وَجَعَلنَا بَينهم موبقا الْكَهْف 35 قَالَ وَاد من قيح وَدم
رَوَاهُ الْبَيْهَقِيّ وَغَيره من طَرِيق يزِيد بن دِرْهَم وَهُوَ مُخْتَلف فِيهِ
رَوَاهُ الْبَيْهَقِيّ وَغَيره من طَرِيق يزِيد بن دِرْهَم وَهُوَ مُخْتَلف فِيهِ
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৫৯২
অধ্যায়ঃ জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: জাহান্নামের প্রান্তর ও পর্বতমালার বর্ণনা
৫৫৯২. হযরত আলী (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, তোমরা 'জুব্বিল হাযন' (বিষাদকূপ) অথবা 'ওয়াদি আল হুযন' থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা কর। জিজ্ঞেস করা হল, ইয়া রাসুলাল্লাহ। ‘জুব্বিল হুযন' অথবা 'ওয়াদি আল হাযন' কি? তিনি বললেন, জাহান্নামের একটি উপতাকা। জাহান্নাম তা থেকে প্রতিদিন সত্তর বার আশ্রয় কামনা করে। আল্লাহ্ তা'আলা রিয়াকার বা লোক দেখানো কারীদের জন্য এটা প্রস্তুত রেখেছেন।
(বাইহাকী হাসান সনদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
(বাইহাকী হাসান সনদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
كتاب صفة الجنة والنار
فصل فِي أَوديتهَا وجبالها
5592- وَعَن عَليّ رَضِي الله عَنهُ قَالَ قَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم تعوذوا بِاللَّه من جب الْحزن أَو وَادي الْحزن قيل يَا رَسُول الله وَمَا جب الْحزن أَو وَادي الْحزن قَالَ وَاد فِي جَهَنَّم تتعوذ مِنْهُ جَهَنَّم كل يَوْم سبعين مرّة أعده الله للقراء المرائين
رَوَاهُ الْبَيْهَقِيّ بِإِسْنَاد حسن
رَوَاهُ الْبَيْهَقِيّ بِإِسْنَاد حسن
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৫৯৩
অধ্যায়ঃ জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: জাহান্নামের প্রান্তর ও পর্বতমালার বর্ণনা
৫৫৯৩. হযরত আবু হুরায়রা (রা) সূত্রে নবী (ﷺ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, তোমরা 'বিষাদ-কূপ' থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা কর। সাহাবায়ে কিরাম জিজ্ঞেস করলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ। 'বিষাদ কুপটা' কি? তিনি বললেন, জাহান্নামের একটি উপত্যকা। জাহান্নাম তা থেকে প্রতিদিন চারশ'বার আশ্রয় প্রার্থনা করে। জিজ্ঞেস হল, ইয়া রাসূলাল্লাহ্। তাতে কে প্রবেশ করবে? তিনি বললেন, রিয়াকার কারীদের আমলের কারণে তাদের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে। আল্লাহ্ তা'আলার কাছে ঘৃণ্যতম কারী হচ্ছে তারা, যারা যালিম আমীর অমাত্যদের কাছে যায়।
(ইবন মাজাহ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। হাদীসটির উল্লিখিত ভাষা তাঁরই বর্ণিত। তিরমিযী হাদীসটি বর্ণনা করে বলেন, হাদীসটি গারীব। তাবারানী ইবন আব্বাস (রা)-এর রিওয়ায়েতে নবী (ﷺ) থেকে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, নিশ্চয় জাহান্নামে একটি উপত্যকা রয়েছে। যে, উপত্যকা থেকে জাহান্নাম প্রতিদিন চারশ' বার আশ্রয় প্রার্থনা করে। মুহাম্মদ-এর উম্মতের মধ্যে যারা রিয়াকার, তাদের জন্য এটি প্রস্তুত রাখা হয়েছে।)
(ইবন মাজাহ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। হাদীসটির উল্লিখিত ভাষা তাঁরই বর্ণিত। তিরমিযী হাদীসটি বর্ণনা করে বলেন, হাদীসটি গারীব। তাবারানী ইবন আব্বাস (রা)-এর রিওয়ায়েতে নবী (ﷺ) থেকে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, নিশ্চয় জাহান্নামে একটি উপত্যকা রয়েছে। যে, উপত্যকা থেকে জাহান্নাম প্রতিদিন চারশ' বার আশ্রয় প্রার্থনা করে। মুহাম্মদ-এর উম্মতের মধ্যে যারা রিয়াকার, তাদের জন্য এটি প্রস্তুত রাখা হয়েছে।)
كتاب صفة الجنة والنار
فصل فِي أَوديتهَا وجبالها
5593- وَرُوِيَ عَن أبي هُرَيْرَة رَضِي الله عَنهُ عَن النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم قَالَ تعوذوا بِاللَّه من جب الْحزن
قَالُوا يَا رَسُول الله وَمَا جب الْحزن قَالَ وَاد فِي جَهَنَّم تتعوذ مِنْهُ جَهَنَّم كل يَوْم أَرْبَعمِائَة مرّة
قيل يَا رَسُول الله من يدْخلهُ قَالَ أعد للقراء المرائين بأعمالهم وَإِن من أبْغض الْقُرَّاء إِلَى الله الَّذين يزورون الْأُمَرَاء الجورة
رَوَاهُ ابْن مَاجَه وَاللَّفْظ لَهُ وَالتِّرْمِذِيّ وَقَالَ حَدِيث غَرِيب رَوَاهُ الطَّبَرَانِيّ من حَدِيث ابْن عَبَّاس عَن النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم قَالَ إِن فِي جَهَنَّم لواديا تستعيذ جَهَنَّم من ذَلِك الْوَادي كل يَوْم أَرْبَعمِائَة مرّة أعد للمرائين من أمة مُحَمَّد صلى الله عَلَيْهِ وَسلم
قَالُوا يَا رَسُول الله وَمَا جب الْحزن قَالَ وَاد فِي جَهَنَّم تتعوذ مِنْهُ جَهَنَّم كل يَوْم أَرْبَعمِائَة مرّة
قيل يَا رَسُول الله من يدْخلهُ قَالَ أعد للقراء المرائين بأعمالهم وَإِن من أبْغض الْقُرَّاء إِلَى الله الَّذين يزورون الْأُمَرَاء الجورة
رَوَاهُ ابْن مَاجَه وَاللَّفْظ لَهُ وَالتِّرْمِذِيّ وَقَالَ حَدِيث غَرِيب رَوَاهُ الطَّبَرَانِيّ من حَدِيث ابْن عَبَّاس عَن النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم قَالَ إِن فِي جَهَنَّم لواديا تستعيذ جَهَنَّم من ذَلِك الْوَادي كل يَوْم أَرْبَعمِائَة مرّة أعد للمرائين من أمة مُحَمَّد صلى الله عَلَيْهِ وَسلم
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৫৯৪
অধ্যায়ঃ জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: জাহান্নামের প্রান্তর ও পর্বতমালার বর্ণনা
৫৫৯৪. হযরত শুফাই ইবন মা-তি'ঈ (র) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, জাহান্নামে একটি প্রাসাদ রয়েছে, যাকে 'হাওয়া' বলা হয়। কাফিরকে তার উপর থেকে নিক্ষেপ করা হবে। সে তার তলায় পৌছার পূর্বে চল্লিশ বছর অবধি নিচে যেতে থাকবে। আল্লাহ্ তা'আলা বলেন, وَمَنْ يَحْلِلْ عَلَيْهِ غَضَبِي فَقَدْ هَوَى এবং যার উপর আমার ক্রোধ পড়ে, সে ধ্বংসে পতিত হয়"। (২০ঃ ৮১)। জাহান্নামে একটি উপত্যকা রয়েছে, যাকে 'আসাম' বলা হয়। তাতে রয়েছে বহু সাপ ও বিচ্ছু। প্রতিটি সাপের মেরুদণ্ডের হাঁড়ের গিঁট সত্তরটি বিষের মটকার সমান। এবং তন্মধ্যে একটি বিচ্ছু বড় দুধেল খচ্চরের মত। সে মানুষকে দংশন করবে এবং জাহান্নামের প্রচণ্ড উত্তাপ ও সে বিচ্ছুর দংশনের বিষের ব্যাপারে তাকে উদাসীন করবে না। যে বিচ্ছুকে যার জন্য সৃষ্টি করা হয়েছে সে তার জন্য নিযুক্ত থাকবে। জাহান্নামে একটি উপত্যকা রয়েছে, যাকে 'গাই' বলা হয়, তার মধ্য দিয়ে পুঁজ ও রক্ত প্রবাহিত হয় এবং জাহান্নামে সত্তর রকমের রোগ-ব্যাধি রয়েছে। প্রতিটি রোগ জাহান্নামের অংশসমূহের একটি অংশের সমান।
(ইবন আবিদ দুনিয়া শুফাই ইবন মা-তি'ঈ-এর উপর মাওকূফ রেখে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তাঁর সাহাবী হওয়ার ব্যাপারে দ্বিমত পূর্বে উল্লেখিত হয়েছে।)
(ইবন আবিদ দুনিয়া শুফাই ইবন মা-তি'ঈ-এর উপর মাওকূফ রেখে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তাঁর সাহাবী হওয়ার ব্যাপারে দ্বিমত পূর্বে উল্লেখিত হয়েছে।)
كتاب صفة الجنة والنار
فصل فِي أَوديتهَا وجبالها
5594- وَعَن شفي بن ماتع قَالَ إِن فِي جَهَنَّم قصرا يُقَال لَهُ هوى يرْمى الْكَافِر من أَعْلَاهُ أَرْبَعِينَ خَرِيفًا قبل أَن يبلغ أَصله قَالَ الله تَعَالَى وَمن يحلل عَلَيْهِ غَضَبي فقد هوى طه 18
وَإِن فِي جَهَنَّم وَاديا يدعى أثاما فِيهِ حيات وعقارب فقار إِحْدَاهُنَّ مِقْدَار سبعين قلَّة سم وَالْعَقْرَب مِنْهُنَّ مثل البغلة الموكفة تلدغ الرجل وَلَا يلهيه مَا يجد من حر جَهَنَّم عَن حموة لدغتها فَهُوَ لمن خلق لَهُ وَإِن فِي جَهَنَّم وَاديا يدعى غيا يسيل قَيْحا ودما وَإِن فِي جَهَنَّم سبعين دَاء كل دَاء مثل جُزْء من أَجزَاء جَهَنَّم
روه ابْن أبي الدُّنْيَا مَوْقُوفا عَلَيْهِ وَفِي صحبته خلاف تقدم
وَإِن فِي جَهَنَّم وَاديا يدعى أثاما فِيهِ حيات وعقارب فقار إِحْدَاهُنَّ مِقْدَار سبعين قلَّة سم وَالْعَقْرَب مِنْهُنَّ مثل البغلة الموكفة تلدغ الرجل وَلَا يلهيه مَا يجد من حر جَهَنَّم عَن حموة لدغتها فَهُوَ لمن خلق لَهُ وَإِن فِي جَهَنَّم وَاديا يدعى غيا يسيل قَيْحا ودما وَإِن فِي جَهَنَّم سبعين دَاء كل دَاء مثل جُزْء من أَجزَاء جَهَنَّم
روه ابْن أبي الدُّنْيَا مَوْقُوفا عَلَيْهِ وَفِي صحبته خلاف تقدم
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৫৯৫
অধ্যায়ঃ জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: জাহান্নামের প্রান্তর ও পর্বতমালার বর্ণনা
৫৫৯৫. হযরত আতা ইব্ন ইয়াসার (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, জাহান্নামে সত্তর হাজার উপত্যকা রয়েছে। প্রত্যেক উপত্যকায় সত্তর হাজার ঘাঁটি রয়েছে, প্রত্যেক ঘাঁটিতে সত্তর হাজার গর্ত রয়েছে এবং প্রতিটি গর্তে একটি করে সাপ রয়েছে, তারা জাহান্নামীদের মুখমণ্ডল খাবে।
(ইবন আবিদ দুনিয়া ইসমাঈল ইবন আয়্যাশের রিওয়ায়েতে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। বুখারী তাঁর 'তারীখ'-এ ইসমাঈল ইব্ন আয়্যাশের সনদে সাঈদ ইবন ইউসুফের রিওয়ায়েতে যাহয়া ইব্ন আবু কাসীরের সূত্রে আবু সালামের মধ্যস্থতায় হাজ্জাজ ইবন আব্দুল্লাহ দুমালী-তিনি সাহাবী হওয়ার গৌরব লাভ করেছেন- থেকে বর্ণন্য করেছেন যে, নবী (ﷺ)-এর একজন প্রবীন সাহাবী নুফায়র ইবন মুজীব বলেছেন: "জাহান্নামে সত্তর হাজার উপত্যকা রয়েছে, প্রত্যেক উপত্যকায় সত্তর হাজার ঘাঁটি রয়েছে, প্রত্যেকটি ঘাঁটিতে সত্তর হাজার ঘর রয়েছে, প্রত্যেক ঘরে সত্তর হাজার কামরা রয়েছে, প্রত্যেক কামরায় সত্তর হাজার কূপ রয়েছে, প্রতিটি কূপে সত্তর হাজার অজগর রয়েছে, এর প্রতিটি অজগরের চোয়ালে সত্তর হাজার বিচ্ছু রয়েছে। কাফির অথবা মুনাফিক এর সবগুলোতে নিক্ষিপ্ত না হয়ে যাবে না।
[হাফিয (র) বলেনঃ], সাঈদ তাঁকে যাইফ সাব্যস্ত করেছেন। নাসাঈ বলেন, তিনি শক্তিশালী রাবী নন। ইবন আবু হাতিম বলেন, তিনি মশহুর রাবী নন এবং তাঁর হাদীস 'মুনকার' মনে করি না।" তারপর এ হাদীসটি তাঁর 'মুনকার' হওয়ার কথাটা সুস্পষ্ট করার উদ্দেশ্য তাঁর সামনে পেশ করা হয়। আল্লাহই সর্বাধিক জ্ঞাত।)
(ইবন আবিদ দুনিয়া ইসমাঈল ইবন আয়্যাশের রিওয়ায়েতে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। বুখারী তাঁর 'তারীখ'-এ ইসমাঈল ইব্ন আয়্যাশের সনদে সাঈদ ইবন ইউসুফের রিওয়ায়েতে যাহয়া ইব্ন আবু কাসীরের সূত্রে আবু সালামের মধ্যস্থতায় হাজ্জাজ ইবন আব্দুল্লাহ দুমালী-তিনি সাহাবী হওয়ার গৌরব লাভ করেছেন- থেকে বর্ণন্য করেছেন যে, নবী (ﷺ)-এর একজন প্রবীন সাহাবী নুফায়র ইবন মুজীব বলেছেন: "জাহান্নামে সত্তর হাজার উপত্যকা রয়েছে, প্রত্যেক উপত্যকায় সত্তর হাজার ঘাঁটি রয়েছে, প্রত্যেকটি ঘাঁটিতে সত্তর হাজার ঘর রয়েছে, প্রত্যেক ঘরে সত্তর হাজার কামরা রয়েছে, প্রত্যেক কামরায় সত্তর হাজার কূপ রয়েছে, প্রতিটি কূপে সত্তর হাজার অজগর রয়েছে, এর প্রতিটি অজগরের চোয়ালে সত্তর হাজার বিচ্ছু রয়েছে। কাফির অথবা মুনাফিক এর সবগুলোতে নিক্ষিপ্ত না হয়ে যাবে না।
[হাফিয (র) বলেনঃ], সাঈদ তাঁকে যাইফ সাব্যস্ত করেছেন। নাসাঈ বলেন, তিনি শক্তিশালী রাবী নন। ইবন আবু হাতিম বলেন, তিনি মশহুর রাবী নন এবং তাঁর হাদীস 'মুনকার' মনে করি না।" তারপর এ হাদীসটি তাঁর 'মুনকার' হওয়ার কথাটা সুস্পষ্ট করার উদ্দেশ্য তাঁর সামনে পেশ করা হয়। আল্লাহই সর্বাধিক জ্ঞাত।)
كتاب صفة الجنة والنار
فصل فِي أَوديتهَا وجبالها
5595- وَعَن عَطاء بن يسَار رَضِي الله عَنهُ قَالَ إِن فِي النَّار سبعين ألف وَاد فِي كل وَاد سَبْعُونَ ألف شعب فِي كل شعب سَبْعُونَ ألف جُحر وَفِي كل جُحر حَيَّة تَأْكُل وُجُوه أهل النَّار
رَوَاهُ ابْن أبي الدُّنْيَا من رِوَايَة إِسْمَاعِيل بن عَيَّاش وَرَوَاهُ البُخَارِيّ فِي تَارِيخه من طَرِيق إِسْمَاعِيل بن عَيَّاش عَن سعيد بن يُوسُف عَن يحيى بن أبي كثير عَن أبي سَلام عَن الْحجَّاج بن عبد الله الثمالِي وَله صُحْبَة أَن نفير بن مُجيب وَكَانَ من أَصْحَاب النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم من قدمائهم قَالَ إِن فِي جَهَنَّم سبعين ألف وَاد فِي كل وَاد سَبْعُونَ ألف شعب فِي كل شعب سَبْعُونَ ألف دَار فِي كل دَار سَبْعُونَ ألف بَيت فِي كل بَيت سَبْعُونَ ألف بِئْر فِي كل بِئْر سَبْعُونَ ألف ثعبان فِي شدق كل ثعبان سَبْعُونَ ألف عقرب لَا يَنْتَهِي الْكَافِر أَو الْمُنَافِق حَتَّى يواقع ذَلِك كُله
قَالَ الْحَافِظ سعيد بن يُوسُف وَهُوَ اليمامي الْحِمصِي الرَّحبِي ضعفه يحيى بن معِين وَقَالَ النَّسَائِيّ لَيْسَ بِالْقَوِيّ وَقَالَ ابْن أبي حَاتِم لَيْسَ بالمشهور وَلَا أرى حَدِيثه مُنْكرا كَذَا قَالَ فأورد عَلَيْهِ هَذَا الحَدِيث لظُهُور نكارته وَالله أعلم
رَوَاهُ ابْن أبي الدُّنْيَا من رِوَايَة إِسْمَاعِيل بن عَيَّاش وَرَوَاهُ البُخَارِيّ فِي تَارِيخه من طَرِيق إِسْمَاعِيل بن عَيَّاش عَن سعيد بن يُوسُف عَن يحيى بن أبي كثير عَن أبي سَلام عَن الْحجَّاج بن عبد الله الثمالِي وَله صُحْبَة أَن نفير بن مُجيب وَكَانَ من أَصْحَاب النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم من قدمائهم قَالَ إِن فِي جَهَنَّم سبعين ألف وَاد فِي كل وَاد سَبْعُونَ ألف شعب فِي كل شعب سَبْعُونَ ألف دَار فِي كل دَار سَبْعُونَ ألف بَيت فِي كل بَيت سَبْعُونَ ألف بِئْر فِي كل بِئْر سَبْعُونَ ألف ثعبان فِي شدق كل ثعبان سَبْعُونَ ألف عقرب لَا يَنْتَهِي الْكَافِر أَو الْمُنَافِق حَتَّى يواقع ذَلِك كُله
قَالَ الْحَافِظ سعيد بن يُوسُف وَهُوَ اليمامي الْحِمصِي الرَّحبِي ضعفه يحيى بن معِين وَقَالَ النَّسَائِيّ لَيْسَ بِالْقَوِيّ وَقَالَ ابْن أبي حَاتِم لَيْسَ بالمشهور وَلَا أرى حَدِيثه مُنْكرا كَذَا قَالَ فأورد عَلَيْهِ هَذَا الحَدِيث لظُهُور نكارته وَالله أعلم
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৫৯৬
অধ্যায়ঃ জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: জাহান্নামের গভীরতা ও দূরত্বের বর্ণনা
৫৫৯৬. হযরত খালিদ ইবন উমায়র (র) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, উতবা ইব্ন গাযওয়ান (রা) খুতবা দানকালে বলেন, আমাদের কাছে বর্ণনা করা হয়েছে যে, জাহান্নামের কিনারা থেকে পাথর নিক্ষেপ করা হবে। সে পাথর সত্তর বছর অবধি তার নিচে যেতে থাকবে, অথচ তার তলা পাবে না। আল্লাহর কসম, সে গভীর জাহান্নাম পূর্ণ করা হবে। তোমরা কি আশ্চর্যবোধ করছ?
(মুসলিম এভাবে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
(মুসলিম এভাবে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
كتاب صفة الجنة والنار
فصل فِي بعد قعرها
5596- عَن خَالِد بن عُمَيْر قَالَ خطب عتبَة بن غَزوَان رَضِي الله عَنهُ فَقَالَ إِنَّه ذكر لنا أَن الْحجر يلقى من شَفير جَهَنَّم فَيهْوِي فِيهَا سبعين عَاما مَا يدْرك لَهَا قعرا وَالله لتملأنه أفعجبتم
رَوَاهُ مُسلم هَكَذَا
رَوَاهُ مُسلم هَكَذَا
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৫৯৭
অধ্যায়ঃ জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: জাহান্নামের গভীরতা ও দূরত্বের বর্ণনা
৫৫৯৭. তিরমিযী হাসানের সূত্রে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, উতবা ইবন গাযওয়ান আমাদের এ মিম্বর অর্থাৎ বসরায় মিম্বরের উপর বসে নবী (ﷺ) থেকে বর্ণনা করে বলেছেন, একটি প্রকাণ্ড পাথর জাহান্নামের কিনারা থেকে নিক্ষেপ করা হবে। সে পাথর সত্তর বছর ধরে তার নিচে যেতে থাকবে, কিন্তু তবুও তার তলায় পৌছবে না। তিনি বলেন, উমর (রা) বলতেন, তোমরা বহুল পরিমাণে জাহান্নামের আলোচনা কর। কেননা, জাহান্নামের তাপ প্রচণ্ড, তার গভীরতা অনেক বেশি এবং তার চাবুক হবে লোহার।
(তিরমিযী (র) বলেন, হাসান উতবা ইবন গাযওয়ান থেকে হাদীস শ্রবণ করেছেন বলে আমাদের জানা নেই। উতবা ইবন গাযওয়ান উমর (রা)-এর আমলে বসরায় এসেছেন। অথচ উমর (রা)-এর খিলাফতের দু'বছর বাকী থাকতে হাসান জন্ম গ্রহণ করেছেন।)
(তিরমিযী (র) বলেন, হাসান উতবা ইবন গাযওয়ান থেকে হাদীস শ্রবণ করেছেন বলে আমাদের জানা নেই। উতবা ইবন গাযওয়ান উমর (রা)-এর আমলে বসরায় এসেছেন। অথচ উমর (রা)-এর খিলাফতের দু'বছর বাকী থাকতে হাসান জন্ম গ্রহণ করেছেন।)
كتاب صفة الجنة والنار
فصل فِي بعد قعرها
5597- وَرَوَاهُ التِّرْمِذِيّ عَن الْحسن قَالَ قَالَ عتبَة بن غَزوَان على منبرنا هَذَا يَعْنِي مِنْبَر الْبَصْرَة عَن النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم قَالَ إِن الصَّخْرَة الْعَظِيمَة لتلقى من شَفير جَهَنَّم فَتَهْوِي فِيهَا سبعين
عَاما وَمَا تُفْضِي إِلَى قَرَارهَا وَكَانَ عمر يَقُول أَكْثرُوا ذكر النَّار فَإِن حرهَا شَدِيد وَإِن قعرها بعيد وَإِن مقامعها حَدِيد
قَالَ التِّرْمِذِيّ لَا نَعْرِف لِلْحسنِ سَمَاعا من عتبَة بن غَزوَان وَإِنَّمَا قدم عتبَة بن غَزوَان الْبَصْرَة فِي زمن عمر وَولد الْحسن لِسنتَيْنِ بَقِيَتَا من خلَافَة عمر
عَاما وَمَا تُفْضِي إِلَى قَرَارهَا وَكَانَ عمر يَقُول أَكْثرُوا ذكر النَّار فَإِن حرهَا شَدِيد وَإِن قعرها بعيد وَإِن مقامعها حَدِيد
قَالَ التِّرْمِذِيّ لَا نَعْرِف لِلْحسنِ سَمَاعا من عتبَة بن غَزوَان وَإِنَّمَا قدم عتبَة بن غَزوَان الْبَصْرَة فِي زمن عمر وَولد الْحسن لِسنتَيْنِ بَقِيَتَا من خلَافَة عمر
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৫৯৮
অধ্যায়ঃ জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: জাহান্নামের গভীরতা ও দূরত্বের বর্ণনা
৫৫৯৮. হযরত আবু মুসা আশ'আরী (রা) সূত্রে নবী (ﷺ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, যদি একটি পাথর জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হয়, তবে তার তলায় পৌঁছা পর্যন্ত সত্তর বছর ধরে তার নিচে যেতে থাকবে।
(বাযযার, আবু ইয়া'লা ইবন হিব্বান তাঁর 'সহীহ্' কিতাবে বায়হাকী সকলেই আতা ইবন সাইব-এর সনদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
(বাযযার, আবু ইয়া'লা ইবন হিব্বান তাঁর 'সহীহ্' কিতাবে বায়হাকী সকলেই আতা ইবন সাইব-এর সনদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
كتاب صفة الجنة والنار
فصل فِي بعد قعرها
5598- وَعَن أبي مُوسَى الْأَشْعَرِيّ رَضِي الله عَنهُ عَن النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم قَالَ لَو أَن حجرا قذف بِهِ فِي جَهَنَّم لهوى سبعين خَرِيفًا قبل أَن يبلغ قعرها
رَوَاهُ الْبَزَّار وَأَبُو يعلى وَابْن حبَان فِي صَحِيحه وَالْبَيْهَقِيّ كلهم من طَرِيق عَطاء بن السَّائِب
رَوَاهُ الْبَزَّار وَأَبُو يعلى وَابْن حبَان فِي صَحِيحه وَالْبَيْهَقِيّ كلهم من طَرِيق عَطاء بن السَّائِب
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৫৯৯
অধ্যায়ঃ জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: জাহান্নামের গভীরতা ও দূরত্বের বর্ণনা
৫৫৯৯. হযরত আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা নবী (ﷺ)-এর কাছে ছিলাম। হঠাৎ আমরা কিছু পতনের শব্দ শুনলাম। তখন নবী (ﷺ) বললেন, তোমরা কি জান, এটা কিসের শব্দ? আমরা বললাম, আল্লাহ ও তাঁর রাসূলই ভাল জানেন। তিনি বললেন, এটা একটি পাথর (পতনের শব্দ)। আল্লাহ্ তা'আলা সত্তর বছর (পূর্বে) থেকে পাথরটি জাহান্নামে নিক্ষেপ করেছেন। এইমাত্র পাথরটি তার তলদেশে পৌছল।
(মুসলিম হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
(মুসলিম হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
كتاب صفة الجنة والنار
فصل فِي بعد قعرها
5599- وَعَن أبي هُرَيْرَة رَضِي الله عَنهُ قَالَ كُنَّا عِنْد النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم فسمعنا وجبة فَقَالَ النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم أَتَدْرُونَ مَا هَذَا قُلْنَا الله وَرَسُوله أعلم قَالَ هَذَا حجر أرْسلهُ الله فِي جَهَنَّم مُنْذُ سبعين خَرِيفًا فَالْآن حِين انْتهى إِلَى قعرها
رَوَاهُ مُسلم
رَوَاهُ مُسلم
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৬০০
অধ্যায়ঃ জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: জাহান্নামের গভীরতা ও দূরত্বের বর্ণনা
৫৬০০. তাবারানী হযরত আবু সাঈদ (রা)-এর রিওয়ায়েতে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এমন একটি শব্দ শুনলেন, যা তাঁর মনে ভীতির সঞ্চার করল। এমন সময় জিবরীল (আ) তাঁর কাছে এলেন। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, হে জিবরীল! এটা কিসের শব্দ? তিনি বললেন, এটা একটি পাথর (পতনের শব্দ)। পাথরটি জাহান্নামের কিনারা থেকে (পড়ে) সত্তর বছর ধরে নিচের দিকে গিয়েছে। এইমাত্র সেটি জাহান্নামের তলদেশে পৌঁছল। আল্লাহ্ তা'আলা আপনাকে তার পতনের শব্দ শোনাতে চাইলেন। এরপর আল্লাহ্ তা'আলা রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ)-কে মৃত্যু দান পর্যন্ত তাঁকে মুখ ভরে হাসতে দেখা যায়নি।
كتاب صفة الجنة والنار
فصل فِي بعد قعرها
5600- وَرَوَاهُ الطَّبَرَانِيّ من حَدِيث أبي سعيد الْخُدْرِيّ رَضِي الله عَنهُ قَالَ سمع رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم صَوتا هاله فَأَتَاهُ جِبْرِيل عَلَيْهِ السَّلَام فَقَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم مَا هَذَا الصَّوْت يَا جِبْرِيل فَقَالَ هَذِه صَخْرَة هوت من شَفير جَهَنَّم من سبعين عَاما فَهَذَا حِين بلغت قعرها فَأحب الله أَن يسمعك صَوتهَا فَمَا رئي رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم ضَاحِكا ملْء فِيهِ حَتَّى قَبضه الله عز وَجل
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৬০১
অধ্যায়ঃ জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: জাহান্নামের গভীরতা ও দূরত্বের বর্ণনা
৫৬০১. হযরত আবু উমামা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ)
বলেছেন, দশাটি গর্ভবর্তী উটনীর সমান ওজনের একটি পাথর যদি জাহান্নামের কিনারা থেকে নিক্ষেপ করা হয়, তবে সত্তর বছরেও তা তার তলদেশে পৌঁছবে না। যার ফলে সে 'গাই' ও 'আসাম' পর্যন্ত পৌঁছতে পারে। জিজ্ঞেস করা হল, 'গাই' ও 'আসাম' কি? তিনি বললেন, জাহান্নামের দু'টি কুয়া। এগুলিতে জাহান্নামীদের পুঁজ প্রবাহিত হয়ে পড়ে।
أَضَاعُوا الصَّلاةَ وَاتَّبَعُوا الشهوات فَسَوْفَ يَلْقَوْنَ غَيّاَ
অর্থঃ তারা সালাত নষ্ট করেছে এবং প্রবৃত্তির অনুসরণ করেছে, সুতরাং তারা অনতিবিলম্বে 'গাই'-এর সম্মুখীন হবে।” (১৯ঃ ৫৯)। এবং আল্লাহ তা'আলার বাণী:
ومَنْ يَفْعَلْ ذٰلِكَ يَلْقَ أَثَاماً এসব কাজ করে সে আসামের সম্মুখীন হবে।" (২৫ঃ ৬৮)।
(তাবারানী ও বায়হাকী মারফু' সূত্রে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন এবং অন্যান্যরা আবু উমামা (রা) উপর মাওকুফ রেখে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। এটাই বিশুদ্ধতর।)
বলেছেন, দশাটি গর্ভবর্তী উটনীর সমান ওজনের একটি পাথর যদি জাহান্নামের কিনারা থেকে নিক্ষেপ করা হয়, তবে সত্তর বছরেও তা তার তলদেশে পৌঁছবে না। যার ফলে সে 'গাই' ও 'আসাম' পর্যন্ত পৌঁছতে পারে। জিজ্ঞেস করা হল, 'গাই' ও 'আসাম' কি? তিনি বললেন, জাহান্নামের দু'টি কুয়া। এগুলিতে জাহান্নামীদের পুঁজ প্রবাহিত হয়ে পড়ে।
أَضَاعُوا الصَّلاةَ وَاتَّبَعُوا الشهوات فَسَوْفَ يَلْقَوْنَ غَيّاَ
অর্থঃ তারা সালাত নষ্ট করেছে এবং প্রবৃত্তির অনুসরণ করেছে, সুতরাং তারা অনতিবিলম্বে 'গাই'-এর সম্মুখীন হবে।” (১৯ঃ ৫৯)। এবং আল্লাহ তা'আলার বাণী:
ومَنْ يَفْعَلْ ذٰلِكَ يَلْقَ أَثَاماً এসব কাজ করে সে আসামের সম্মুখীন হবে।" (২৫ঃ ৬৮)।
(তাবারানী ও বায়হাকী মারফু' সূত্রে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন এবং অন্যান্যরা আবু উমামা (রা) উপর মাওকুফ রেখে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। এটাই বিশুদ্ধতর।)
كتاب صفة الجنة والنار
فصل فِي بعد قعرها
5601- وَعَن أبي أُمَامَة رَضِي الله عَنهُ قَالَ قَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم لَو أَن صَخْرَة وزنت عشر خلفات قذف بهَا من شَفير جَهَنَّم مَا بلغت قعرها سبعين خَرِيفًا حَتَّى تَنْتَهِي إِلَى غي وأثام
قيل وَمَا غي وأثام قَالَ بئران فِي جَهَنَّم يسيل فيهمَا صديد أهل النَّار وهما اللَّتَان ذكرهمَا الله فِي كِتَابه أضاعوا الصَّلَاة وَاتبعُوا الشَّهَوَات فَسَوف يلقون غيا مَرْيَم 95 وَقَوله وَمن يفعل ذَلِك يلق أثاما الْفرْقَان 86
رَوَاهُ الطَّبَرَانِيّ وَالْبَيْهَقِيّ مَرْفُوعا وَرَوَاهُ غَيرهمَا مَوْقُوفا على أبي أُمَامَة وَهُوَ أصح
قيل وَمَا غي وأثام قَالَ بئران فِي جَهَنَّم يسيل فيهمَا صديد أهل النَّار وهما اللَّتَان ذكرهمَا الله فِي كِتَابه أضاعوا الصَّلَاة وَاتبعُوا الشَّهَوَات فَسَوف يلقون غيا مَرْيَم 95 وَقَوله وَمن يفعل ذَلِك يلق أثاما الْفرْقَان 86
رَوَاهُ الطَّبَرَانِيّ وَالْبَيْهَقِيّ مَرْفُوعا وَرَوَاهُ غَيرهمَا مَوْقُوفا على أبي أُمَامَة وَهُوَ أصح
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৬০২
অধ্যায়ঃ জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: জাহান্নামের গভীরতা ও দূরত্বের বর্ণনা
৫৬০২. হযরত মু'আয ইবন জাবাল (রা) থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি জানাতেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, সেই সত্তার কসম, যাঁর হাতে আমার প্রাণ রয়েছে, জাহান্নামের কিনারা থেকে তার তলদেশে পৌঁছা পর্যন্ত দূরত্ব হচ্ছে এই যে, চর্বি, গোশ্ত ও বাচ্চা সহ সাতটি গর্ভবর্তী উটনীর সমপরিমাণ ওজনের একটি পাথর জাহান্নামের কিনারা থেকে তার তলদেশে পৌঁছা পর্যন্ত সত্তর বছর অবধি নিচে যেতে থাকে।
(তাবারানী হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। এ হাদীসের বর্ণনাকারীগণ সহীহ হাদীসের রাবী। তবে মু'আয (রা) থেকে বর্ণনাকারীর নাম অজ্ঞাত।)
(তাবারানী হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। এ হাদীসের বর্ণনাকারীগণ সহীহ হাদীসের রাবী। তবে মু'আয (রা) থেকে বর্ণনাকারীর নাম অজ্ঞাত।)
كتاب صفة الجنة والنار
فصل فِي بعد قعرها
5602- وَعَن معَاذ بن جبل رَضِي الله عَنهُ أَنه كَانَ يخبر أَن رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم قَالَ وَالَّذِي
نَفسِي بِيَدِهِ إِن بعد مَا بَين شَفير النَّار إِلَى أَن يبلغ قعرها لصخرة زنة سبع خلفات بشحومهن ولحومهن وأولادهن يهوي فِيمَا بَين شَفير النَّار إِلَى أَن يبلغ قعرها سبعين خَرِيفًا
رَوَاهُ الطَّبَرَانِيّ وَرُوَاته رُوَاة الصَّحِيح إِلَّا أَن الرَّاوِي عَن معَاذ لم يسم
نَفسِي بِيَدِهِ إِن بعد مَا بَين شَفير النَّار إِلَى أَن يبلغ قعرها لصخرة زنة سبع خلفات بشحومهن ولحومهن وأولادهن يهوي فِيمَا بَين شَفير النَّار إِلَى أَن يبلغ قعرها سبعين خَرِيفًا
رَوَاهُ الطَّبَرَانِيّ وَرُوَاته رُوَاة الصَّحِيح إِلَّا أَن الرَّاوِي عَن معَاذ لم يسم
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৬০৩
অধ্যায়ঃ জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: জাহান্নামের গভীরতা ও দূরত্বের বর্ণনা
৫৬০৩. হযরত আবু সাঈদ (রা) সূত্রে নবী (ﷺ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, জাহান্নামের শামিয়ানা চারটি প্রাচীরের বেষ্টিত। প্রতিটি প্রাচীরের প্রস্থ হচ্ছে চল্লিশ বছরের দূরত্ব।
(তিরমিযী ও হাকিম হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। হাকিম বলেন, এর সদন সহীহ।)
(তিরমিযী ও হাকিম হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। হাকিম বলেন, এর সদন সহীহ।)
كتاب صفة الجنة والنار
فصل فِي بعد قعرها
5603- وَعَن أبي سعيد الْخُدْرِيّ رَضِي الله عَنهُ عَن النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم قَالَ لسرادق النَّار أَرْبَعَة جدر كثف كل جِدَار مسيرَة أَرْبَعِينَ سنة
رَوَاهُ التِّرْمِذِيّ وَالْحَاكِم وَقَالَ صَحِيح الْإِسْنَاد
رَوَاهُ التِّرْمِذِيّ وَالْحَاكِم وَقَالَ صَحِيح الْإِسْنَاد
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৬০৪
অধ্যায়ঃ জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদঃ জাহান্নামের জিঞ্জির ইত্যাদির বর্ণনা
৫৬০৪. হযরত আব্দুল্লাহ্ ইবন আমর (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, যদি এরূপ একটি সীমা- এ বলে তিনি 'মাথার খুলির মত' ইশারা করে বুঝালেন- আসমান থেকে পৃথিবীতে ছেড়ে দেওয়া হয়, তবে তা রাত্রের পূর্বেই পৃথিবীতে পৌছে যাবে। অথচ আসমান থেকে পৃথিবী পর্যন্ত পাঁচশ' বছরের দূরত্ব। আর যদি সেই সীসাটি জিঞ্জিরের মাথা থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়, তবে তার গোড়ায় পৌঁছার পূর্বে দিবা-রাত্রি চল্লিশ বছর অবধি তার পরিক্রমণ চলতেই থাকবে।
(আহমাদ, তিরমিযী, বায়হাকী সকলেই দাররাজের সনদে ঈসা ইবন হিলাল সিদকীর সূত্রে আব্দুল্লাহ্ ইবন আমর (রা) থেকে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তিরমিযী বলেন, হাদীসটির সনদ হাসান।)
(আহমাদ, তিরমিযী, বায়হাকী সকলেই দাররাজের সনদে ঈসা ইবন হিলাল সিদকীর সূত্রে আব্দুল্লাহ্ ইবন আমর (রা) থেকে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তিরমিযী বলেন, হাদীসটির সনদ হাসান।)
كتاب صفة الجنة والنار
فصل فِي سلاسلها وَغير ذَلِك
5604- عَن عبد الله بن عَمْرو رَضِي الله عَنْهُمَا قَالَ قَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم لَو أَن رصاصة مثل هَذِه وَأَشَارَ مثل الجمجمة أرْسلت من السَّمَاء إِلَى الأَرْض وَهِي مسيرَة خَمْسمِائَة سنة لبلغت الأَرْض قبل اللَّيْل وَلَو أَنَّهَا أرْسلت من رَأس السلسلة لَسَارَتْ أَرْبَعِينَ خَرِيفًا اللَّيْل وَالنَّهَار قبل أَن تبلغ أَصْلهَا
رَوَاهُ أَحْمد وَالتِّرْمِذِيّ وَالْبَيْهَقِيّ كلهم من طَرِيق دراج عَن عِيسَى بن هِلَال الصَّدَفِي عَنهُ وَقَالَ التِّرْمِذِيّ إِسْنَاده حسن
رَوَاهُ أَحْمد وَالتِّرْمِذِيّ وَالْبَيْهَقِيّ كلهم من طَرِيق دراج عَن عِيسَى بن هِلَال الصَّدَفِي عَنهُ وَقَالَ التِّرْمِذِيّ إِسْنَاده حسن
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৬০৫
অধ্যায়ঃ জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদঃ জাহান্নামের জিঞ্জির ইত্যাদির বর্ণনা
৫৬০৫. হযরত ইয়া'লা ইবন মুনয়া (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি হাদীসটি নবী (ﷺ) থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, আল্লাহ তা'আলা অন্ধকার কালো একটি মেঘ সৃষ্টি করবেন। এরপর বলা হবে, হে জাহান্নামীগণ, তোমরা কি চাও? তখন তারা সে মেঘটি দেখে দুনিয়ার মেঘের কথা স্মরণ করবে এবং বলবে, হে আমাদের প্রতিপালক! আমরা পানীয় চাই তখন মেঘটি তাদের উপর তৃষ্ণা বর্ষণ করবে, যা তাদের তৃষ্ণার পরিমাণ আরও বৃদ্ধি করবে, জিঞ্জির বর্ষণ করবে, যা তাদের জিঞ্জিরের পরিমাণ বৃদ্ধি করবে এবং জ্বলন্ত অঙ্গার বর্ষণ করবে, যা তাদের উপর ধকধক করে জ্বলবে।
(তাবারানী হাদীসটি বর্ণনা করেছেন এবং ইয়া'লা ইবন মুনয়া (রা)-এর উপর মাওকূফ সনদেও বর্ণিত হয়েছে। এটাই বিশুদ্ধতর। ইয়া'লা ইবন মুনয়া একজন প্রখ্যাত সাহাবী। মুনয়া তাঁর মায়ের নাম। কেউ বলেছেন, তাঁর দাদী বা নানীর নাম। তিনি গাওয়ানের কন্যা এবং উতবা ইব্ন গাওয়ানের বোন। সাধারণত উক্ত সাহাবীকে তাঁর পিতা উমায়্যার দিকে সম্পর্কিত ব্যক্ত করা হয়।)
(তাবারানী হাদীসটি বর্ণনা করেছেন এবং ইয়া'লা ইবন মুনয়া (রা)-এর উপর মাওকূফ সনদেও বর্ণিত হয়েছে। এটাই বিশুদ্ধতর। ইয়া'লা ইবন মুনয়া একজন প্রখ্যাত সাহাবী। মুনয়া তাঁর মায়ের নাম। কেউ বলেছেন, তাঁর দাদী বা নানীর নাম। তিনি গাওয়ানের কন্যা এবং উতবা ইব্ন গাওয়ানের বোন। সাধারণত উক্ত সাহাবীকে তাঁর পিতা উমায়্যার দিকে সম্পর্কিত ব্যক্ত করা হয়।)
كتاب صفة الجنة والنار
فصل فِي سلاسلها وَغير ذَلِك
5605- وَعَن يعلى ابْن منية رفع الحَدِيث إِلَى النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم قَالَ ينشىء الله سَحَابَة سَوْدَاء مظْلمَة فَيُقَال يَا أهل النَّار أَي شَيْء تطلبون فَيذكرُونَ بهَا سَحَابَة الدُّنْيَا فَيَقُولُونَ يَا رَبنَا الشَّرَاب فتمطرهم أغلالا تزيد فِي أغلالهم وسلاسل تزيد فِي سلاسلهم وجمرا تلتهب عَلَيْهِم
رَوَاهُ الطَّبَرَانِيّ وَقد رُوِيَ مَوْقُوفا عَلَيْهِ وَهُوَ أصح
ويعلى ابْن منية صَحَابِيّ مَشْهُور ومنية أمه وَيُقَال جدته
وَهِي بنت غَزوَان أُخْت عتبَة بن غَزوَان وَكَثِيرًا مَا ينْسب إِلَى أَبِيه أُميَّة
رَوَاهُ الطَّبَرَانِيّ وَقد رُوِيَ مَوْقُوفا عَلَيْهِ وَهُوَ أصح
ويعلى ابْن منية صَحَابِيّ مَشْهُور ومنية أمه وَيُقَال جدته
وَهِي بنت غَزوَان أُخْت عتبَة بن غَزوَان وَكَثِيرًا مَا ينْسب إِلَى أَبِيه أُميَّة
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৬০৬
অধ্যায়ঃ জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদঃ জাহান্নামের জিঞ্জির ইত্যাদির বর্ণনা
৫৬০৬. হযরত আবূ সাঈদ খুদরী (রা)-এর সূত্রে নবী (ﷺ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, যদি জাহান্নামের লোহার একটি হাতুড়ি পৃথিবীতে রাখা হয় এবং তজ্জন্য সমগ্র জিন ও মানব জাতি সমবেত হয়, তবুও তারা তা ভূমি থেকে উঠাতে সমর্থ হবে না।
(আহমাদ, আবু ইয়া'লা ও হাকিম হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। হাকিম বলেন, এর সনদ সহীহ্।)
(আহমাদ, আবু ইয়া'লা ও হাকিম হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। হাকিম বলেন, এর সনদ সহীহ্।)
كتاب صفة الجنة والنار
فصل فِي سلاسلها وَغير ذَلِك
5606- وَعَن أبي سعيد الْخُدْرِيّ رَضِي الله عَنهُ عَن النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم قَالَ لَو أَن مِقْمَعًا من حَدِيد جَهَنَّم وضع فِي الأَرْض فَاجْتمع لَهُ الثَّقَلَان مَا أَقلوهُ من الأَرْض
رَوَاهُ أَحْمد وَأَبُو يعلى وَالْحَاكِم وَقَالَ صَحِيح الْإِسْنَاد
رَوَاهُ أَحْمد وَأَبُو يعلى وَالْحَاكِم وَقَالَ صَحِيح الْإِسْنَاد
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৬০৭
অধ্যায়ঃ জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদঃ জাহান্নামের জিঞ্জির ইত্যাদির বর্ণনা
৫৬০৭. আহমাদ ও আবু ইয়া'লার অপর এক রিওয়ায়েতে আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, যদি
জাহান্নামের লোহার হাতুড়ি (অন্য অর্থে চাবুক) দিয়ে পর্বতকে আঘাত করা হয়, তবে তা বিক্ষিপ্ত হয়ে যাবে, এরপর আবার তা পূর্বের মত হয়ে যাবে। এ রিওয়ায়েতটি হাকিম ও বর্ণনা করেছেন, তবে তিনি বলেন, "তবে তা বিচূর্ণ হয়ে যাবে এবং ধুলিতে পরিণত হয়ে যাবে।" তিনি বলেন, এর সনদ সহীহ।
জাহান্নামের লোহার হাতুড়ি (অন্য অর্থে চাবুক) দিয়ে পর্বতকে আঘাত করা হয়, তবে তা বিক্ষিপ্ত হয়ে যাবে, এরপর আবার তা পূর্বের মত হয়ে যাবে। এ রিওয়ায়েতটি হাকিম ও বর্ণনা করেছেন, তবে তিনি বলেন, "তবে তা বিচূর্ণ হয়ে যাবে এবং ধুলিতে পরিণত হয়ে যাবে।" তিনি বলেন, এর সনদ সহীহ।
كتاب صفة الجنة والنار
فصل فِي سلاسلها وَغير ذَلِك
5607- وَفِي رِوَايَة لِأَحْمَد وَأبي يعلى قَالَا قَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم لَو ضرب الْجَبَل بمقمع من حَدِيد جَهَنَّم لتفتت ثمَّ عَاد
وروى هَذِه الْحَاكِم أَيْضا إِلَّا أَنه قَالَ لتفتت فَصَارَ رَمَادا
وَقَالَ صَحِيح الْإِسْنَاد
وروى هَذِه الْحَاكِم أَيْضا إِلَّا أَنه قَالَ لتفتت فَصَارَ رَمَادا
وَقَالَ صَحِيح الْإِسْنَاد
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৬০৮
অধ্যায়ঃ জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদঃ জাহান্নামের জিঞ্জির ইত্যাদির বর্ণনা
৫৬০৮. হযরত মুহাম্মদ ইব্ন হাশিম (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন এ আয়াতটি অবতীর্ণ হল:
وَقُودُهَا النَّاسُ والْحِجَارَةُ "এমন অগ্নি, যার ইন্ধন হবে মানুষ ও পাথর" (২ঃ ২৪, ৬৬ঃ ৬)। তখন নবী (ﷺ) আয়াতটি তিলাওয়াত করলেন। এক যুবক তাঁর পার্শ্বে থেকে আয়াতটি শুনে বেহুঁশ হয়ে গেল। রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) যুবকটির প্রতি দয়া পরবশ হয়ে তার মাথা নিজ কোলে রাখলেন। যুবকটি আল্লাহর ইচ্ছায় যতক্ষণ নীরব থাকার, নীরব রইল। এরপর সে তার দু'চোখ খুলল এবং বলল, আপনার প্রতি আমার পিতা-মাতা কুরবান হোক। পাথর কিসের মত? তিনি বললেন, যা তোমার কাছে পৌঁছেছে, তা কি তোমার জন্য যথেষ্ট নয়? উপরন্তু জাহান্নামের একটি পাথর যদি পৃথিবীর সমস্ত পর্বতের উপর রাখা হয়, তবে তার চাপে পর্বতগুলো গলে যাবে। নিশ্চয় জাহান্নামের প্রতিটি মানুষের সাথে একটি পাথর ও একটি শয়তান থাকবে।
(ইবন আবিদ-দুনিয়া আব্দুল্লাহ ইব্ন ওয়াযযা সূত্রে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। আব্দুল্লাহ বলেন, 'আবাআ ইব্ন কুলায়ব আমাদেরকে মুহাম্মদ ইবন হাশিম থেকে হাদীস বর্ণনা করেছেন। আবু হাতিম বলেন, তিনি সত্যাশ্রয়ী রাবী। তার হাদীসে 'ইনকার' পাওয়া যায়। বুখারী তাকে যাঈফ রাবীগণের মধ্যে উল্লেখ করেছেন।)
وَقُودُهَا النَّاسُ والْحِجَارَةُ "এমন অগ্নি, যার ইন্ধন হবে মানুষ ও পাথর" (২ঃ ২৪, ৬৬ঃ ৬)। তখন নবী (ﷺ) আয়াতটি তিলাওয়াত করলেন। এক যুবক তাঁর পার্শ্বে থেকে আয়াতটি শুনে বেহুঁশ হয়ে গেল। রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) যুবকটির প্রতি দয়া পরবশ হয়ে তার মাথা নিজ কোলে রাখলেন। যুবকটি আল্লাহর ইচ্ছায় যতক্ষণ নীরব থাকার, নীরব রইল। এরপর সে তার দু'চোখ খুলল এবং বলল, আপনার প্রতি আমার পিতা-মাতা কুরবান হোক। পাথর কিসের মত? তিনি বললেন, যা তোমার কাছে পৌঁছেছে, তা কি তোমার জন্য যথেষ্ট নয়? উপরন্তু জাহান্নামের একটি পাথর যদি পৃথিবীর সমস্ত পর্বতের উপর রাখা হয়, তবে তার চাপে পর্বতগুলো গলে যাবে। নিশ্চয় জাহান্নামের প্রতিটি মানুষের সাথে একটি পাথর ও একটি শয়তান থাকবে।
(ইবন আবিদ-দুনিয়া আব্দুল্লাহ ইব্ন ওয়াযযা সূত্রে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। আব্দুল্লাহ বলেন, 'আবাআ ইব্ন কুলায়ব আমাদেরকে মুহাম্মদ ইবন হাশিম থেকে হাদীস বর্ণনা করেছেন। আবু হাতিম বলেন, তিনি সত্যাশ্রয়ী রাবী। তার হাদীসে 'ইনকার' পাওয়া যায়। বুখারী তাকে যাঈফ রাবীগণের মধ্যে উল্লেখ করেছেন।)
كتاب صفة الجنة والنار
فصل فِي سلاسلها وَغير ذَلِك
5608- وَعَن مُحَمَّد بن هَاشم رَضِي الله عَنهُ قَالَ لما نزلت هَذِه الْآيَة نَارا وقودها النَّاس وَالْحِجَارَة الْبَقَرَة 42 وَالتَّحْرِيم 6 قَرَأَهَا النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم فَسَمعَهَا شَاب إِلَى جنبه فَصعِقَ فَجعل رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم رَأسه فِي حجره رَحْمَة لَهُ فَمَكثَ مَا شَاءَ الله أَن يمْكث ثمَّ فتح عَيْنَيْهِ فَقَالَ بِأبي أَنْت وَأمي مثل أَي شَيْء الْحجر قَالَ أما يَكْفِيك مَا أَصَابَك على أَن الْحجر الْوَاحِد مِنْهَا لَو وضع على جبال الدُّنْيَا كلهَا لذابت مِنْهُ وَإِن مَعَ كل إِنْسَان مِنْهُم حجرا وشيطانا
رَوَاهُ ابْن أبي الدُّنْيَا عَن عبد الله بن الوضاح حَدثنَا عباءة بن كُلَيْب عَن مُحَمَّد بن هَاشم وعباءة قَالَ أَبُو حَاتِم صَدُوق فِي حَدِيثه إِنْكَار أخرجه البُخَارِيّ فِي الضُّعَفَاء يحول من هُنَاكَ
رَوَاهُ ابْن أبي الدُّنْيَا عَن عبد الله بن الوضاح حَدثنَا عباءة بن كُلَيْب عَن مُحَمَّد بن هَاشم وعباءة قَالَ أَبُو حَاتِم صَدُوق فِي حَدِيثه إِنْكَار أخرجه البُخَارِيّ فِي الضُّعَفَاء يحول من هُنَاكَ
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৬০৯
অধ্যায়ঃ জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদঃ জাহান্নামের জিঞ্জির ইত্যাদির বর্ণনা
৫৬০৯. হযরত ইবন মাসউদ (রা) থেকে আল্লাহ্ তা'আলার বাণী :وَقُودُهَا النَّاسُ وَالْحِجَارَةُ "জাহান্নামের ইন্ধন হবে মানুষ ও পাথর” (২ঃ ২৪, ৬৬৪ ৬) প্রসঙ্গে বর্ণিত। তিনি বলেন, এটা বারুদের পাথর। যেদিন আল্লাহ্ তা'আলা আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন, সেদিন তিনি এ পাথর নিকটবর্তী আকাশে সৃষ্টি করেছেন। তিনি কাফিরদের জন্য এটা প্রস্তুত রাখবেন।
(হাকিম মাওকূফ সূত্রে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, হাদীসটি বুখারী ও মুসলিমের শর্ত অনুযায়ী সহীহ।)
(হাকিম মাওকূফ সূত্রে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, হাদীসটি বুখারী ও মুসলিমের শর্ত অনুযায়ী সহীহ।)
كتاب صفة الجنة والنار
فصل فِي سلاسلها وَغير ذَلِك
5609- وَعَن ابْن مَسْعُود رَضِي الله عَنهُ فِي قَوْله تَعَالَى وقودها النَّاس وَالْحِجَارَة قَالَ هِيَ حِجَارَة من كبريت خلقهَا الله يَوْم خلق السَّمَوَات وَالْأَرْض فِي السَّمَاء الدُّنْيَا يعدها للْكَافِرِينَ
رَوَاهُ الْحَاكِم مَوْقُوفا وَقَالَ صَحِيح على شَرط الشَّيْخَيْنِ
رَوَاهُ الْحَاكِم مَوْقُوفا وَقَالَ صَحِيح على شَرط الشَّيْخَيْنِ
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৬১০
অধ্যায়ঃ জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদঃ জাহান্নামের জিঞ্জির ইত্যাদির বর্ণনা
৫৬১০. হযরত আব্দুল্লাহ্ ইব্ন আমর (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, ভূ-মণ্ডলের প্রতিটি স্তর থেকে তার পরবর্তী স্তর পর্যন্ত পাঁচশ' বছরের দূরত্ব। তন্মধ্যে সর্বোচ্চ স্তর একটি মাছের পিঠের উপর প্রতিষ্ঠিত, যার দু'টি দিক একটি আকাশের সাথে মিশেছে। মাছটি একটি পাথরের উপর এবং পাথরটি একজন ফিরিশতার হাতের উপর রয়েছে। দ্বিতীয় স্তর বায়ু আবদ্ধ রাখার স্থান। যখন আল্লাহ্ তা'আলা 'আদ সম্প্রদায়কে ধ্বংস করার ইচ্ছা করলেন, তখন বায়ুর তত্ত্বাবধানে নিযুক্ত ফিরিশতাকে নির্দেশ দিলেন, তাদের উপর এমন বায়ু প্রেরণ করার জন্য, যা আদ সম্প্রদায়কে ধ্বংস করে দেয়। তিনি আরয কররেন, প্রভু! তাদের উপর ষাঁড়ের শ্বাস পরিমাণ বায়ু প্রেরণ করব? পরাক্রমশালী আল্লাহ্ তা'আলা তাকে বললেন, তবে তো পৃথিবী ও পৃথিবীবাসীকে উল্টিয়ে দেবে। বরং একটি আংটি পরিমাণ বাতাস তাদের উপর প্রেরণ কর। এটাই আল্লাহ্ তা'আলা তাঁর কিতাবে বলেছেন,
(مَا تَذَرُ مِنْ شَيْءٍ أتَتْ عَلَيْهِ إِلَّا جَعَلَتْهُ كَالرَّمِيْمِ) যে জিনিসের উপর দিয়েই প্রবাহিত হত, তাকে চূর্ণবিচূর্ণ করা ব্যতিরেকে ছাড়ত না" (৫১৪৪২)। তৃতীয় স্তরে রয়েছে জাহান্নামের পাথর, চতুর্থ স্তরে রয়েছে জাহান্নামের বারুদ। সাহাবায়ে কিরাম জিজ্ঞেস করলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ্। জাহান্নামের কি আবার বারুদ রয়েছে? তিনি বললেন, হ্যাঁ। সেই সত্তার কসম যাঁর হাতে আমার প্রাণ, জাহান্নামে অনেক বারুদের উপত্যকা রয়েছে। যদি তাতে বড় বড় পর্বতমালা ছেড়ে দেয়া হয় তবে সেগুলো গলে যাবে। পঞ্চম স্তরে রয়েছে, জাহান্নামের সর্পরাজি, সেগুলোর মুখ উপত্যকার মত। এসব সর্প কাফিরকে এভাবে দংশন করবে যে, তার হাঁড়ের উপর গোশত থাকবে না।
ষষ্ঠ স্তরে রয়েছে জাহান্নামের বিচ্ছু রাজি। জাহান্নামের সবচেয়ে ক্ষুদ্র বিচ্ছু বড় দুধেল খচ্চরের মত। কাফিরকে এভাবে দংশন করবে যে, তার দংশন জাহান্নামীকে জাহান্নামের তাপের কথা ভুলিয়ে দেবে।
সপ্তম স্তর হচ্ছে 'সাকার'। সেখানে লোহার শিকলে ইবলীস বাঁধা রয়েছে। একটি হাত তার সামনে, আরেকটি হাত তার পেছনে। যখন আল্লাহ্ তা'আলা তাঁর কোন বান্দার জন্য তাকে ছেড়ে দিতে ইচ্ছা করেন, তখন তাকে ছেড়ে দেন।
(হাকিম হাদীসটি বর্ণনা করে বলেন, আবু সামহ এককভাবে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। ইমাম ইয়াহয়া ইবনে মুঈনের ভাষায় তাঁর আদালত উল্লিখিত হয়েছে। হাদীসটি সহীহ। তবে বুখারী ও মুসলিম এ হাদীস বর্ণনা করেন নি।
[হাফিয (র) বলেন], আবূ সামহ তিনি দাররাজ। আব্দুল্লাহ ইবনে আয়্যাশ কাতবানী তাঁকে গ্রহণ করেছেন। উভয়ের ব্যাপারে পরে আলোচনা আসবে। হাদীসটির বক্তব্যে 'নাকারাত' রয়েছে।)
(مَا تَذَرُ مِنْ شَيْءٍ أتَتْ عَلَيْهِ إِلَّا جَعَلَتْهُ كَالرَّمِيْمِ) যে জিনিসের উপর দিয়েই প্রবাহিত হত, তাকে চূর্ণবিচূর্ণ করা ব্যতিরেকে ছাড়ত না" (৫১৪৪২)। তৃতীয় স্তরে রয়েছে জাহান্নামের পাথর, চতুর্থ স্তরে রয়েছে জাহান্নামের বারুদ। সাহাবায়ে কিরাম জিজ্ঞেস করলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ্। জাহান্নামের কি আবার বারুদ রয়েছে? তিনি বললেন, হ্যাঁ। সেই সত্তার কসম যাঁর হাতে আমার প্রাণ, জাহান্নামে অনেক বারুদের উপত্যকা রয়েছে। যদি তাতে বড় বড় পর্বতমালা ছেড়ে দেয়া হয় তবে সেগুলো গলে যাবে। পঞ্চম স্তরে রয়েছে, জাহান্নামের সর্পরাজি, সেগুলোর মুখ উপত্যকার মত। এসব সর্প কাফিরকে এভাবে দংশন করবে যে, তার হাঁড়ের উপর গোশত থাকবে না।
ষষ্ঠ স্তরে রয়েছে জাহান্নামের বিচ্ছু রাজি। জাহান্নামের সবচেয়ে ক্ষুদ্র বিচ্ছু বড় দুধেল খচ্চরের মত। কাফিরকে এভাবে দংশন করবে যে, তার দংশন জাহান্নামীকে জাহান্নামের তাপের কথা ভুলিয়ে দেবে।
সপ্তম স্তর হচ্ছে 'সাকার'। সেখানে লোহার শিকলে ইবলীস বাঁধা রয়েছে। একটি হাত তার সামনে, আরেকটি হাত তার পেছনে। যখন আল্লাহ্ তা'আলা তাঁর কোন বান্দার জন্য তাকে ছেড়ে দিতে ইচ্ছা করেন, তখন তাকে ছেড়ে দেন।
(হাকিম হাদীসটি বর্ণনা করে বলেন, আবু সামহ এককভাবে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। ইমাম ইয়াহয়া ইবনে মুঈনের ভাষায় তাঁর আদালত উল্লিখিত হয়েছে। হাদীসটি সহীহ। তবে বুখারী ও মুসলিম এ হাদীস বর্ণনা করেন নি।
[হাফিয (র) বলেন], আবূ সামহ তিনি দাররাজ। আব্দুল্লাহ ইবনে আয়্যাশ কাতবানী তাঁকে গ্রহণ করেছেন। উভয়ের ব্যাপারে পরে আলোচনা আসবে। হাদীসটির বক্তব্যে 'নাকারাত' রয়েছে।)
كتاب صفة الجنة والنار
فصل فِي سلاسلها وَغير ذَلِك
5610- وَعَن عبد الله بن عَمْرو رَضِي الله عَنْهُمَا قَالَ قَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم إِن الْأَرْضين بَين كل أَرض إِلَى الَّتِي تَلِيهَا مسيرَة خَمْسمِائَة سنة فالعليا مِنْهَا على ظهر حوت قد التقى طرفاه فِي سَمَاء والحوت على صَخْرَة والصخرة بيد ملك وَالثَّانيَِة مسجن الرّيح فَلَمَّا أَرَادَ الله أَن يهْلك عادا أَمر خَازِن الرّيح أَن يُرْسل عَلَيْهِم ريحًا تهْلك عادا قَالَ يَا رب أرسل عَلَيْهِم من الرّيح قدر منخر الثور قَالَ لَهُ الْجَبَّار تبَارك وَتَعَالَى إِذا تكفأ الأَرْض وَمن عَلَيْهَا وَلَكِن أرسل عَلَيْهِم بِقدر خَاتم فَهِيَ الَّتِي قَالَ الله فِي كِتَابه مَا تذر من شَيْء أَتَت عَلَيْهِ إِلَّا جعلته كالرميم الذاريات 24 وَالثَّالِثَة فِيهَا حجار جَهَنَّم وَالرَّابِعَة فِيهَا كبريت جَهَنَّم قَالُوا يَا رَسُول الله أللنار كبريت قَالَ نعم وَالَّذِي نَفسِي بِيَدِهِ إِن فِيهَا لأودية من كبريت لَو أرسل فِيهَا الْجبَال الرواسِي لماعت وَالْخَامِسَة فِيهَا حيات جَهَنَّم إِن أفواهها كالأودية تلسع الْكَافِر اللسعة فَلَا يبْقى مِنْهُ لحم على وَضم وَالسَّادِسَة فِيهَا عقارب جَهَنَّم إِن
أدنى عقرب مِنْهَا كالبغا تضرب الْكَافِر ضَرْبَة تنسيه ضربتها حر جَهَنَّم وَالسَّابِعَة سقر فِيهَا إِبْلِيس مصفد بالحديد يَد أَمَامه وَيَد خَلفه فَإِذا أَرَادَ الله أَن يُطلقهُ لما يَشَاء من عباده أطلقهُ
رَوَاهُ الْحَاكِم وَقَالَ تفرد بِهِ أَبُو السَّمْح وَقد ذكرت عَدَالَته بِنَصّ الإِمَام يحيى بن معِين والْحَدِيث صَحِيح وَلم يخرجَاهُ
قَالَ الْحَافِظ أَبُو السَّمْح هُوَ دراج وَقَبله عبد الله بن عَيَّاش الْقِتْبَانِي وَيَأْتِي الْكَلَام عَلَيْهِمَا وَفِي مَتنه نَكَارَة وَالله أعلم
أدنى عقرب مِنْهَا كالبغا تضرب الْكَافِر ضَرْبَة تنسيه ضربتها حر جَهَنَّم وَالسَّابِعَة سقر فِيهَا إِبْلِيس مصفد بالحديد يَد أَمَامه وَيَد خَلفه فَإِذا أَرَادَ الله أَن يُطلقهُ لما يَشَاء من عباده أطلقهُ
رَوَاهُ الْحَاكِم وَقَالَ تفرد بِهِ أَبُو السَّمْح وَقد ذكرت عَدَالَته بِنَصّ الإِمَام يحيى بن معِين والْحَدِيث صَحِيح وَلم يخرجَاهُ
قَالَ الْحَافِظ أَبُو السَّمْح هُوَ دراج وَقَبله عبد الله بن عَيَّاش الْقِتْبَانِي وَيَأْتِي الْكَلَام عَلَيْهِمَا وَفِي مَتنه نَكَارَة وَالله أعلم
তাহকীক: