মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)
الفتح الرباني لترتيب مسند الإمام أحمد بن حنبل الشيباني
খাদ্য অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ
মোট হাদীস ১৩৪ টি
হাদীস নং: ২১
খাদ্য অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: দব
২১। আবদুল্লাহ ইবন ইয়াযীদ সা'দী (র) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমার সম্প্রদায়ের কিছু লোক আমাকে নির্দেশ দিল যেন আমি সাঈদ ইবন মুসাইয়্যিব (র) এর নিকট এ মর্মে জিজ্ঞাসা করি যে, লোকেরা যে বর্শা শান দেয় এবং মাটিতে স্থাপন করে তারপর তা দ্বারা হায়েনা হত্যা করা হয়, এমতাবস্থায় আপনি কি এটাকে যবাহ করতে বলবেন? বর্ণনাকারী বলেন, এরপর আমি সা'ঈদ ইবন মুসাইয়্যিব (র)-এর নিকট বসলাম। তখন দেখলাম যে, সিরিয়ার এক বৃদ্ধলোক, যার মাথার চুল এবং দাড়ি সাদা ছিল তার নিকট বসা ছিলেন। আমি তার নিকট এ সম্বন্ধে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি আমাকে বললেন, তুমি কি হায়েনা খাও? আমি বললাম, আমি কখনো খাই নি। তবে আমার সম্প্রদায়ের কিছু লোক এটা খায়। এরপর তিনি বললেন, এটা খাওয়া হালাল নয়। তারপর বৃদ্ধলোকটি বললেন, হে আবদুল্লাহ, আমি কি তোমাকে এমন এক হাদীস শুনাব, যা আমি হযরত আবু দারদা (রা) হতে শুনেছি, আর তিনি এটা নবী (ﷺ) হতে বর্ণনা করেছেন? আমি বললাম, হ্যাঁ। তিনি বললেন, আমি আবূ দারদা (রা)-কে বলতে শুনেছি, নবী (ﷺ) (জীবিত প্রাণীর) কর্তিত অংশ হতে, আত্মসাৎকৃত বস্তু হতে, মুজাসসামা (গুলি, তীর ইত্যাদির আঘাতে মৃত পশু) হতে এবং নখরবিশিষ্ট হিংস্র প্রাণী খেতে নিষেধ করেছেন।
বর্ণনাকারী বলেন, এরপর সা'ঈদ ইবন মুসাইয়্যিব (র) বলেন, তিনি সত্য বলেছেন।
দ্বিতীয় সূত্রে তার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি সাঈদ ইবন মুসায়্যিব (র)-এর নিকট হায়েনা সম্বন্ধে জিজ্ঞাসা করলে তিনি এটাকে অপছন্দ করলেন। আমি তাকে বললাম, আপনার সম্প্রদায়ের কিছু লোক এটা খায়? তিনি বললেন, তারা জানে না। এরপর তার নিকট উপস্থিত জনৈক ব্যক্তি বললেন, আমি আবু দারদা (রা)-কে বলতে শুনেছি, এরপর তিনি উপরোক্ত হাদীস বর্ণনা করেন।
(হাদীসটি হায়ছামী (র) বর্ণনা করেছেন, এটা আহমাদ এবং বাযযার সংক্ষেপে বর্ণনা করেছেন। বাযযার (র) বলেছেন, হাদীসটি সূত্র হাসান।)
বর্ণনাকারী বলেন, এরপর সা'ঈদ ইবন মুসাইয়্যিব (র) বলেন, তিনি সত্য বলেছেন।
দ্বিতীয় সূত্রে তার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি সাঈদ ইবন মুসায়্যিব (র)-এর নিকট হায়েনা সম্বন্ধে জিজ্ঞাসা করলে তিনি এটাকে অপছন্দ করলেন। আমি তাকে বললাম, আপনার সম্প্রদায়ের কিছু লোক এটা খায়? তিনি বললেন, তারা জানে না। এরপর তার নিকট উপস্থিত জনৈক ব্যক্তি বললেন, আমি আবু দারদা (রা)-কে বলতে শুনেছি, এরপর তিনি উপরোক্ত হাদীস বর্ণনা করেন।
(হাদীসটি হায়ছামী (র) বর্ণনা করেছেন, এটা আহমাদ এবং বাযযার সংক্ষেপে বর্ণনা করেছেন। বাযযার (র) বলেছেন, হাদীসটি সূত্র হাসান।)
كتاب الأطعمة
باب ما جاء في الضب
عن عبد الله بن يزيد السعدي قال أمرني ناس من قومي أن أسأل سعيد بن المسيب عن سنان يحددونه ويكزونه في الأرض فيصبح وقد قتل الضبع أتراه ذكاته؟ قال فجلست إلى سعيد بن المسيب فإذا عنده شيخ أبيض الرأس واللحية من أهل الشام فسألته عن ذلك فقال لي وإنك لتأكل الضبع؟ قال قلت ما أكلتها قط وإن ناسًا من قومي ليأكلونها قال فقال إن أكلها لا يحل، قال فقال الشيخ يا عبد الله ألا أحدثك بحديث سمعته من أبي الدرداء يروي عن النبي صلى الله عليه وسلم؟ قال قلت بلى، قال فإني سمعت أبا الدرداء يقول نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن كل ذي خطفة وعن كل نهبة وعن كل مجثمة وعن كل ذي ناب من السباع قال فقال سعيد بن المسيب صدق (عنه من طريق ثان) سألت سعيد بن المسيب عن الضبع فكرهها، فقلت له إن قومك يأكلونه، قال لا يعلمون، فقال رجل عنده سمعت أبا الدرداء فذكر الحديث المتقدم
তাহকীক:
হাদীস নং: ২২
খাদ্য অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: খরগোশ, শজারু ও মুরগী।
২২। আনাস ইবন মালিক (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা একটি খরগোশ লাফ দিলে লোকেরা তাকে ধাওয়া করল। আমি সবার আগে এর কাছাকাছি পৌছে গিয়েছিলাম। এরপর এটাকে ধরে হযরত আবূ তালহা (রা)-এর নিকট নিয়ে এলাম। বর্ণনাকারী বলেন, এরপর তিনি জবাহ করার নির্দেশ দিলে তাকে জবাহ করা হয়। তারপর এটাকে প্রস্তুত করা হলে তিনি তার পেছনের অর্ধেক নিয়ে বললেন, এটা নবী (ﷺ)-এর নিকট নিয়ে যাও। বর্ণনাকারী বলেন, আমি এটা তার নিকট নিয়ে এলাম। আমি তাকে বললাম, আবু তালহা (রা) খরগোশের এই পেছনের অর্ধেক আপনার নিকট পাঠিয়েছেন। বর্ণনাকারী বলেন, এরপর তিনি তা গ্রহণ করেন।
(বুখারী, মুসলিম ও ইমাম চতুষ্ঠয়)
(বুখারী, মুসলিম ও ইমাম চতুষ্ঠয়)
كتاب الأطعمة
باب ما جاء في الأرنب والقنفذ والدجاج
عن أنس بن مالك قال ثارت أرنب فتبعها الناس فكنت في أول من سبق إليها فأخذتها فأتيت بها أبا طلحة، قال فأمر بها فذبحت ثم سويت، قال ثم أخذ عجزها فقال ائت به النبي صلى الله عليه وسلم قال فأتيته به، قال قلت إن أبا طلحة أرسل إليك بعجز هذه الأرنب قال فقبله مني
তাহকীক:
হাদীস নং: ২৩
খাদ্য অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: খরগোশ, শজারু ও মুরগী।
২৩। মুহাম্মাদ ইবন সাফওয়ান (র) থেকে বর্ণিত যে, তিনি দু'টি খরগোশ শিকার করেন কিন্তু এগুলো যবাহ করার জন্য কোন হাতিয়ার পেলেন না। শেষে তিনি পাথর দিয়ে যেগুলো যবাহ করেন। তারপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট নিয়ে এলে তিনি তাকে খেতে নির্দেশ দেন।
(আবূ দাউদ, নাসাঈ, ইবন মাযাহ। আবূ দাউদ (র) মুনযিরী (র) হাদীসটি সম্বন্ধে কোন মন্তব্য করেন নি।)
(আবূ দাউদ, নাসাঈ, ইবন মাযাহ। আবূ দাউদ (র) মুনযিরী (র) হাদীসটি সম্বন্ধে কোন মন্তব্য করেন নি।)
كتاب الأطعمة
باب ما جاء في الأرنب والقنفذ والدجاج
عن محمد بن صفوان أنه صاد أرنبين فلم يجد حديدة يذبحهما بها، فذبحهما بمروة، فأتى رسول الله صلى الله عليه وسلم فأمره بأكلها.
তাহকীক:
হাদীস নং: ২৪
খাদ্য অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: খরগোশ, শজারু ও মুরগী।
২৪। ঈসা ইবন নুমায়লা ফাযারী (র) সূত্রে তার পিতা থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমি ইবন উমর (রা)-এর নিকট উপস্থিত ছিলাম। সে সময় তাকে শজারু, সম্বন্ধে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি এই আয়াত তিলাওয়াত করেন
،قُلْ لَا أَجِدُ فِيمَا أُوحِيَ إِلَيَّ مُحَرَّمًا} إِلَى آخِرِ الْآيَةِ )
তুমি বল, আমার নিকট যেসব ওহী এসেছে, তাতে আমি কোন কিছু হারাম পায় নি; তবে .....) শেষ পর্যন্ত।
এরপর তার নিকট উপস্থিত এক বৃদ্ধ বলল, আমি আবূ হুরায়রা (রা)-কে বলতে শুনেছি যে, নবী (ﷺ)- এর নিকট এ সম্পর্কে বলা হলে তিনি বললেন, এটা নিকৃষ্ট শ্রেণীর প্রাণী। এরপর ইবন উমর (রা) বললেন, যদি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এটা বলে থাকেন তবে এর বিধান সেরূপই হবে যেরূপ তিনি বলেছেন।
(আবূ দাউদ, বায়হাকী। বায়হাকী (র) বলেছেন, হাদীসটি শুধু একটি সূত্রেই বর্ণিত হয়েছে। আর এ সূত্রটি দুর্বল।)
،قُلْ لَا أَجِدُ فِيمَا أُوحِيَ إِلَيَّ مُحَرَّمًا} إِلَى آخِرِ الْآيَةِ )
তুমি বল, আমার নিকট যেসব ওহী এসেছে, তাতে আমি কোন কিছু হারাম পায় নি; তবে .....) শেষ পর্যন্ত।
এরপর তার নিকট উপস্থিত এক বৃদ্ধ বলল, আমি আবূ হুরায়রা (রা)-কে বলতে শুনেছি যে, নবী (ﷺ)- এর নিকট এ সম্পর্কে বলা হলে তিনি বললেন, এটা নিকৃষ্ট শ্রেণীর প্রাণী। এরপর ইবন উমর (রা) বললেন, যদি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এটা বলে থাকেন তবে এর বিধান সেরূপই হবে যেরূপ তিনি বলেছেন।
(আবূ দাউদ, বায়হাকী। বায়হাকী (র) বলেছেন, হাদীসটি শুধু একটি সূত্রেই বর্ণিত হয়েছে। আর এ সূত্রটি দুর্বল।)
كتاب الأطعمة
باب ما جاء في الأرنب والقنفذ والدجاج
عن عيسى بن نميلة الفزاري عن أبيه قال كنت عند ابن عمر فسئل عن أكل القنفذ فتلا هذه الآية (قل لا أجد فيما أوحي إلي محرما إلى آخر الآية) فقال شيخ عنده سمعت أبا هريرة يقول ذكر عند النبي صلى الله عليه وسلم فقال إنه خبيث من الخبائث فقال ابن عمران كان قاله رسول الله صلى الله عليه وسلم فهو كما قاله
তাহকীক:
হাদীস নং: ২৫
খাদ্য অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: খরগোশ, শজারু ও মুরগী।
২৫। আবু মূসা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন যে, এক ব্যক্তি তার নিকট আসল। সে সময় তিনি মুরগী খাচ্ছিলেন। তখন লোকটি সেখান থেকে সরে পড়ল এবং বলল, আমি শপথ করেছি যে, আমি এটা খাব না। কেননা, আমি এটাকে নাপাকী খেতে দেখেছি। আবূ মূসা (রা) তাকে বললেন, কাছে আস, কেননা, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে এটা খেতে দেখেছি।
(বুখারী, মুসলিম, আবূ দাউদ, নাসাঈ, ইবন মাজাহ)
(বুখারী, মুসলিম, আবূ দাউদ, নাসাঈ, ইবন মাজাহ)
كتاب الأطعمة
باب ما جاء في الأرنب والقنفذ والدجاج
عن أبي موسى أنه جاء رجل وهو يأكل دجاجا فتنحى، فقال إني حلفت أن لا آكله، إني رأيته يأكل شيئا قذرا فقال له أدنه فقد رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يأكله
তাহকীক:
হাদীস নং: ২৬
খাদ্য অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: মাছ ও ফড়িং।
২৬। জাবির (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা আবু উবায়দা (রা)-এর সঙ্গে (এক অভিযানে) ছিলাম। নবী (ﷺ) আমাদেরকে তার সঙ্গে এক সফরে পাঠিয়েছিলেন। তখন আমাদের সব পাথেয় শেষ হয়ে যায়। এরপর আমরা সমুদ্র হতে নিক্ষিপ্ত এক (বিশাল আকৃতির) মাছের পাশ দিয়ে গমন করলাম। আমরা তা হতে খেতে চাইলে আবু উবায়দা (রা) আমাদেরকে নিষেধ করলেন। তারপর বললেন, আমরা তো রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর দূত। তারপর তিনি বললেন, যদি তোমাদের সঙ্গে কোন অংশ অবশিষ্ট থাকে, তবে এটা আমাদের নিকট পাঠিয়ে দিবে।
(বুখারী, মুসলিম ও অন্যান্য)
(বুখারী, মুসলিম ও অন্যান্য)
كتاب الأطعمة
باب ما جاء في السمك والجراد
عن جابرقال كنا مع أبي عبيدة بعثنا النبي صلى الله عليه وسلم معه في سفر فنفد زادنا فمررنا بحوث قذفه البحر فأردنا أن نأكل منه فمنعنا أبو عبيدة، ثم أنه قال نحن رسل رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال إن كان بقى معكم شيء فابعثوا به إلينا
তাহকীক:
হাদীস নং: ২৭
খাদ্য অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: মাছ ও ফড়িং।
২৭। তারই সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সঙ্গে জিহাদ করেছি। সে সময় আমরা ফড়িং শিকার করে তা খেয়েছি।
(হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি। হাদীসটির বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
(হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি। হাদীসটির বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
كتاب الأطعمة
باب ما جاء في السمك والجراد
وعنه أيضا قال غزونا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فأصبنا جرادا فأكلناه
তাহকীক:
হাদীস নং: ২৮
খাদ্য অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: মাছ ও ফড়িং।
২৮। আবূ ইয়া'ফুর (র) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমার শরীক আবদুল্লাহ ইবন আবি আওফা (রা)-কে ফড়িং সম্বন্ধে জিজ্ঞাসা করল, আমিও তার সঙ্গে ছিলাম। তিনি বললেন, এটাতে কোন অসুবিধা নেই। তিনি আরো বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সঙ্গে সাতটি যুদ্ধে শরীক ছিলাম। সে সময় আমরা তা খেতাম।
(দ্বিতীয় সূত্রে তার থেকে বর্ণিত।) তিনি বলেন, আমি আবদুল্লাহ ইবন আবি আওফা (রা)-কে বলতে শুনেছি যে, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সঙ্গে সাতটি যুদ্ধে শরীক ছিলাম। সে সময় আমরা ফড়িং খেতাম।
(বুখারী, মুসলিম, বায়হাকী, দারিমী ও ইমামত্রয়)
(দ্বিতীয় সূত্রে তার থেকে বর্ণিত।) তিনি বলেন, আমি আবদুল্লাহ ইবন আবি আওফা (রা)-কে বলতে শুনেছি যে, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সঙ্গে সাতটি যুদ্ধে শরীক ছিলাম। সে সময় আমরা ফড়িং খেতাম।
(বুখারী, মুসলিম, বায়হাকী, দারিমী ও ইমামত্রয়)
كتاب الأطعمة
باب ما جاء في السمك والجراد
عن أبي يعفورقال سأل شريكي وأنا معه عبد الله بن أبي أوفى رضي الله عنه عن الجراد فقال لا بأس به، وقال غزوت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم سبع غزوات فكنا نأكله
(وعنه من طريق ثان) قال سمعت ابن أبي أوفى قال غزونا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم سبع غزوات فكنا نأكل فيها الجراد
(وعنه من طريق ثان) قال سمعت ابن أبي أوفى قال غزونا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم سبع غزوات فكنا نأكل فيها الجراد
তাহকীক:
হাদীস নং: ২৯
খাদ্য অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: মাছ ও ফড়িং।
২৯। ইবন উমর (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, আমাদের জন্য দুই ধরনের মৃতজন্তু এবং দুই ধরনের রক্ত হালাল করা হয়েছে। দুই ধরনের মৃতজন্তু হল, মাছ এবং ফড়িং। আর দুই ধরনের রক্ত হল, কলিজা ও প্লীহা।
(হাদীসটি তাহারাত অধ্যায়ে বর্ণিত হয়েছে।)
(হাদীসটি তাহারাত অধ্যায়ে বর্ণিত হয়েছে।)
كتاب الأطعمة
باب ما جاء في السمك والجراد
عن ابن عمر قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم أحلت لنا ميتتان ودمان: فأما الميتتان فالحوت والجراد: وأما الدمان فالكبد والطحال
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩০
খাদ্য অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: রসুন পিয়াজ এবং এ জাতীয় বস্তু।
৩০। আবু সা'ঈদ খুদরী (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কুরাস (এক প্রকার দুর্গন্ধযুক্ত তরকারি), পিয়াঁজ ও রসুন খেতে নিষেধ করেছেন। আমরা বললাম, এগুলো কি হারাম? তিনি বললেন, না, তবে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এগুলো খেতে নিষেধ করেছেন।
(তায়ালিসী। হাদীসটির সূত্র বিশুদ্ধ। হাফিয (র) এটাকে সহীহ বলেছেন।)
(তায়ালিসী। হাদীসটির সূত্র বিশুদ্ধ। হাফিয (র) এটাকে সহীহ বলেছেন।)
كتاب الأطعمة
باب ما جاء في الثوم والبصل ونحوهما
عن أبي سعيد الخدري أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن الكراث والبصل والثوم فقلنا أحرام هو قال لا ولكن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عنه
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩১
খাদ্য অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: রসুন পিয়াজ এবং এ জাতীয় বস্তু।
৩১। জাবির ইবন আবদিল্লাহ (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) পিয়াজ ও কুরাস (একপ্রকার দুর্গন্ধযুক্ত তরকারি) খেতে নিষেধ করেছেন। কিন্তু একদা আমাদের অত্যাধিক প্রয়োজন দেখা দিলে আমরা তা খেয়ে ফেলি। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, যে ব্যক্তি এই দুর্গন্ধযুক্ত গাছের হতে খায় সে যেন আমাদের মসজিদের কাছেও না আসে। কেননা, যেসব বস্তু দ্বারা মানুষ কষ্ট পায়, সেগুলো দ্বারা ফেরেশতাগণও কষ্ট পায়।
(বুখারী, মুসলিম, ইবন মাজাহ ও অন্যান্য)
(বুখারী, মুসলিম, ইবন মাজাহ ও অন্যান্য)
كتاب الأطعمة
باب ما جاء في الثوم والبصل ونحوهما
عن جابر بن عبد الله قال نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن أكل البصل والكراث فغلبتنا الحاجة فأكلنا منه، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم من أكل من هذه الشجرة المنتنة فلا يقربن مسجدنا فإن الملائكة تتأذى مما يتأذى به الإنس
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩২
খাদ্য অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: রসুন পিয়াজ এবং এ জাতীয় বস্তু।
৩২। ইবন উমর (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী (ﷺ) বলেছেন, আমি এগুলো (পিয়াজ ও রসুন) খাই না এবং খাওয়ার জন্য আদেশও করি না, নিষেধও করি না।
(হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি। এর বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
(হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি। এর বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
كتاب الأطعمة
باب ما جاء في الثوم والبصل ونحوهما
عن ابن عمر رضي الله عنهما أن نبي الله صلى الله عليه وسلم قال لا أكله ولا آمر به ولا أنهى عنه
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৩
খাদ্য অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: রসুন পিয়াজ এবং এ জাতীয় বস্তু।
৩৩। মু'আবিয়া ইবন কুররা (র) সূত্রে তার পিতা থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এই দুর্গন্ধযুক্ত গাছ থেকে নিষেধ করেছেন। তিনি বলেছেন, যে ব্যক্তি এগুলো হতে খায় সে যেন আমাদের মসজিদের নিকটেও না আসে। তিনি আরো বললেন, যদি তোমাদের এগুলো খেতেই হয়, তবে তোমরা রান্না করে এগুলোকে মেরে ফেল। অর্থাৎ পিয়াজ ও রসুন।
(আবূ দাউদ, নাসাঈ। আবূ দাউদ (র) ও মুনযিরী (র) হাদীসটি সম্বন্ধে কোন মন্তব্য করেন নি।)
(আবূ দাউদ, নাসাঈ। আবূ দাউদ (র) ও মুনযিরী (র) হাদীসটি সম্বন্ধে কোন মন্তব্য করেন নি।)
كتاب الأطعمة
باب ما جاء في الثوم والبصل ونحوهما
عن معاوية بن قرة عين أبيه قال نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن هاتين الشجرتين الخبيثتين وقال من أكلهما فلا يقربن مسجدنا وقال إن كنتم لا بد آكليهما فأميتوهما طبخا يعني البصل والثوم
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৪
খাদ্য অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: রসুন পিয়াজ এবং এ জাতীয় বস্তু।
৩৪। আবু আইয়ুব আনসারী (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট খাবারের পাত্র আনা হল। তাতে পিয়াজ ছিল। তিনি বললেন, এটা তোমরা খাও। বর্ণনাকারী বলেন, আর তিনি খাওয়া হতে বিরত রইলেন এবং বললেন, আমি তোমাদের মত নই।
(হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি। এর সূত্র ভাল।)
(হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি। এর সূত্র ভাল।)
كتاب الأطعمة
باب ما جاء في الثوم والبصل ونحوهما
عن أبي أيوب الأنصاري قال أتى رسول الله صلى الله عليه وسلم بقصعة فيها بصل، فقال كلوا وأبى أن يأكل، وقال إني لست كمثلكم
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৫
খাদ্য অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: রসুন পিয়াজ এবং এ জাতীয় বস্তু।
৩৫। তারই সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট কোন খাবার নিয়ে গেলে তিনি তা খেতেন এবং অতিরিক্তগুলো আমার নিকট পাঠিয়ে দিতেন। একদা তিনি পূর্ণ এক পাত্র খাবার পাঠিয়ে দেন, তা হতে কিছুই খান নি। কেননা, তাতে রসুন ছিল। আমি জিজ্ঞাসা করলাম, এটা কি হারাম? তিনি বললেন, না; কিন্তু আমি দুর্গন্ধের কারণে এটাকে অপছন্দ করি। আবু আইয়ূব (রা) বললেন, তবে আপনি যা অপছন্দ করেন, আমিও তা অপছন্দ করি। অন্য শব্দে আবূ আইয়ূব (রা) বললেন, আমার পিতা মাতা আপনার ওপর উৎসর্গ হোক, আপনি যে খাবার খান নি, তা কি আমি খাব? রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, এই খাবারে রসুন ছিল। এ জন্য আমি খাই নি। কেননা, জিবরাঈল (আ) আমার নিকট আসার জন্য (যে কোন মুহূর্তে) অনুমতি চাইতে পারেন। আবূ আইয়ূব (রা) বললেন, তবে কি আমি এটা খাব? তিনি বললেন, হ্যাঁ, খেতে পার।
(মুসলিম, তিরমিযী)
(মুসলিম, তিরমিযী)
كتاب الأطعمة
باب ما جاء في الثوم والبصل ونحوهما
وعنه أيضا قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا أتى بطعام أكل منه وبعث بفضله إلي وأنه بعث يوما بقصعة لم يأكل منها شيئا، فيها ثوم فسألته أحرام هو؟ فقال لا ولكني أكرهه من أجل ريحه قال فإني أكره ما كرهت، وفي لفظ فقال أبو أيوب بأبي وأمي هذا الطعام لم تأكل منه آكل منه؟ قال فيه تلك الثومة فيستأذن علي جبريل عليه السلام قال فآكل منه؟ قال نعم فكل
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৬
খাদ্য অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: রসুন পিয়াজ এবং এ জাতীয় বস্তু।
৩৬। আমার কাছে বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান ইবন উয়ায়না (র) তিনি বলেন, আমার কাছে তিনি উবায়দুল্লাহ ইবন আবি ইয়াযীদ (র) বর্ণনা করেন যে, তাকে তার ভাই বলেছেন, একদা আমি (আবূ আইয়ুব (রা)-এর সহধর্মিনী) উম্মু আইয়ুব (রা)-এর মেহমান হলাম। যার নিকট রাসূলুল্লাহ (ﷺ) মেহমান হয়েছিলেন, আমিও তার মেহমান হলাম। তখন তিনি আমাকে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) থেকে এই হাদীস বর্ণনা করেছেন যে, একদা তারা এমন খাবার তৈরী করেছিলেন যাতে পিয়াঁজ বা রসুন ছিল। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এটাকে অপছন্দ করলেন এবং তার সাহাবীগণকে বললেন, তোমরা খাও, কেননা, আমি তোমাদের কারো মত নই। আমার আশংকা হয় যে, (এটা খেয়ে) আমি আমার সঙ্গীকে কষ্ট দিব। অর্থাৎ ফেরেশতা।
(তিরমিযী। তিনি বলেছেন, হাদীসটি হাসান সহীহ গরীব।)
(তিরমিযী। তিনি বলেছেন, হাদীসটি হাসান সহীহ গরীব।)
كتاب الأطعمة
باب ما جاء في الثوم والبصل ونحوهما
حدثنا سفيان بن عيينه ثنا عبيد الله بن أبي يزيد أخبره أخوه قال نزلت على أم أيوب الذي نزل عليهم رسول الله صلى الله عليه وسلم نزلت عليها فحدثتني بهذا عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنهم تكلفوا طعاما فيه بعض هذه البقول فكرهه وقال لأصحابه كلوا إني لست كأحد منكم إني أخاف أن أوذي صاحبي يعني الملك
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৭
খাদ্য অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: রসুন পিয়াজ এবং এ জাতীয় বস্তু।
৩৭। আবু যিয়াদ খিয়ার ইবন সালামা (র) থেকে বর্ণিত যে, তিনি আয়েশা (রা)-কে পিয়াজ খাওয়া সম্বন্ধে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন, নিশ্চয়ই রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সর্বশেষ যে খাবার খেয়েছেন, তাতে পিঁয়াজ ছিল।
(আবু দাউদ, নাসাঈ। মুনযিরী (র) বলেছেন, হাদীসটি হাসান। এর সনদে বর্ণনাকারী বাকিয়্যা ইবনুল ওয়ালীদ সমালোচিত।)
(আবু দাউদ, নাসাঈ। মুনযিরী (র) বলেছেন, হাদীসটি হাসান। এর সনদে বর্ণনাকারী বাকিয়্যা ইবনুল ওয়ালীদ সমালোচিত।)
كتاب الأطعمة
باب ما جاء في الثوم والبصل ونحوهما
عن أبي زياد خيار بن سلمة أنه سأل عائشة رضي الله عنها عن البصل فقالت أن آخر طعام أكله رسول الله صلى الله عليه وسلم طعام فيه بصل
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৮
খাদ্য অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: রসুন পিয়াজ এবং এ জাতীয় বস্তু।
৩৮। মুগীরা ইবন শু'বা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট উপস্থিত হলাম। সে সময় তিনি আমার নিকট হতে রসুনের গন্ধ পেলেন। তিনি বললেন, কে রসুন খেয়েছে? আমি তাঁর হাত ধরে আমার বক্ষদেশে লাগালাম। তিনি আমার সীনায় পট্টি বাঁধা পেলেন। তারপর বললেন, (রসুন খাওয়ার ক্ষেত্রে) তোমার ওযর রয়েছে।
(আবু দাউদ। মুনযিরী (র) বলেছেন, হাদীসটির সনদে বর্ণনাকারী আবু হিলাল মুহাম্মাদ ইবন সুলায়ম রাসিবী বিতর্কিত। তবে ইবন হিব্বান (র) তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন।)
(আবু দাউদ। মুনযিরী (র) বলেছেন, হাদীসটির সনদে বর্ণনাকারী আবু হিলাল মুহাম্মাদ ইবন সুলায়ম রাসিবী বিতর্কিত। তবে ইবন হিব্বান (র) তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন।)
كتاب الأطعمة
باب ما جاء في الثوم والبصل ونحوهما
عن المغيرة بن شعبة قال انتهيت إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم قال فوجد مني ريح الثوم فقال من أكل الثوم؟ قال فأخذت يده فأدخلتها فوجد صدري معصوبا قال إن لك عذرا
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৯
খাদ্য অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: রসুন পিয়াজ এবং এ জাতীয় বস্তু।
৩৯। আবূ রাবাব (র) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি মা'কিল ইবন ইয়াসার (র)-কে বলতে শুনেছি, আমরা নবী (ﷺ)-এর সঙ্গে এক সফরে ছিলাম। এক সময় আমরা এমন এক স্থানে যাত্রাবিরতী করলাম, যেখানে অধিক পরিমাণে রসুন ছিল। কতিপয় মুসলমান তা খেয়েছিল। তারা নবী (ﷺ) -এর সঙ্গে সালাত আদায় করার জন্য মসজিদে আসলে তিনি তাদেরকে এটা (খাওয়া) হতে নিষেধ করেন। তারা (পরবর্তী সময়ে) মসজিদে আসলে তখনও তিনি তাদেরকে এটা খেতে নিষেধ করেন। তারপর তারা (পরবর্তী সময়ে) মসজিদে আসলে তখনও তিনি তাদেরকে এটা খেতে নিষেধ করেন। তারপর তারা মসজিদে আসলে তিনি তাদের থেকে দুর্গন্ধ পেলেন। তখন বললেন, যে ব্যক্তি এই গাছ হতে কিছু খাবে, সে যেন মসজিদে আমাদের নিকটেও না আসে।
(হাদীসটি হায়ছামী (র) বর্ণনা করে বলেছেন যে, এটা আহমদ, তবারানী বর্ণনা করেছেন। হাদীসটির সনদে বর্ণনাকারী আবু যাইয়াত অজ্ঞাত।)
(হাদীসটি হায়ছামী (র) বর্ণনা করে বলেছেন যে, এটা আহমদ, তবারানী বর্ণনা করেছেন। হাদীসটির সনদে বর্ণনাকারী আবু যাইয়াত অজ্ঞাত।)
كتاب الأطعمة
باب ما جاء في الثوم والبصل ونحوهما
عن أبي الرباب قال سمعت معقل بن يسار يقول كنا مع النبي صلى الله عليه وسلم في مسير له فنزلنا في مكان كثير الثوم وإن أناسًا من المسلمين أصابوا منه ثم جاءوا إلى المصلى يصلون مع النبي صلى الله عليه وسلم فنهاهم عنها، ثم جاءوا بعد ذلك إلى المصلى فنهاهم عنها، ثم جاءوا بعد ذلك إلى المصلى فنهاهم عنها، ثم جاءوا بعد ذلك إلى المصلى فوجد ريحا منهم فقال من أكل من هذه الشجرة فلا يقربنا في مسجدنا
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪০
খাদ্য অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: আহলে কিতাবের খাদ্য।
৪০। কাবীসা ইবন হুলব (র) সূত্রে তার পিতা থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি, তাঁকে জনৈক ব্যক্তি জিজ্ঞাসা করলেন যে, এমন কিছু খাদ্যবস্তু আছে যেগুলো গ্রহণ করতে আমি দ্বিধাবোধ করি। (অন্য বর্ণনায়, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)- -কে নাসারাদের খাদ্য সম্বন্ধে জিজ্ঞাসা করলে) তিনি বললেন, এমন কোন খাদ্যবস্তু যেন তোমার বক্ষে সংশয় সৃষ্টি না করে, যাতে তুমি নাসারাদের সাদৃশ্য দেখতে পাও।
(আবূ দাউদ, তিরমিযী, ইবন মাজাহ। তিরমিযী (র) হাদীসটিকে হাসান বলেছেন। আর আবূ দাউদ (র) ও মুনযিরী (র) এ সম্বন্ধে কোন মন্তব্য করেন নি।)
(আবূ দাউদ, তিরমিযী, ইবন মাজাহ। তিরমিযী (র) হাদীসটিকে হাসান বলেছেন। আর আবূ দাউদ (র) ও মুনযিরী (র) এ সম্বন্ধে কোন মন্তব্য করেন নি।)
كتاب الأطعمة
باب ما جاء في طعام أهل الكتاب
عن قبيصة بن هلب عن أبيه قال سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول وسأله رجل فقال إن من الطعام أتحرج منه (وفي رواية سألت رسول الله صلى الله عليه وسلم عن طعام النصارى) فقال لا يختلجن في صدرك طعام ضارعت فيه النصرانية
তাহকীক: