মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)

الفتح الرباني لترتيب مسند الإمام أحمد بن حنبل الشيباني

খাদ্য অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ

মোট হাদীস ১৩৪ টি

হাদীস নং: ৪১
খাদ্য অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: আহলে কিতাবের খাদ্য।
৪১। আদী ইবন হাতিম (র) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি বললাম, ইয়া রাসূলুল্লাহ (ﷺ)! আমার পিতা আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখতেন, এবং এরূপ এরূপ (প্রশংসনীয়) কাজ করতেন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, তোমার পিতা (দুনিয়াতে) একটি জিনিস কামনা করেছেন, আর তিনি সেটা লাভও করেছেন। অর্থাৎ স্মরণীয় হয়ে থাকা। বর্ণনাকারী বলেন, আমি বললাম, আমি আপনাকে এমন খাদ্যবস্তু সম্বন্ধে জিজ্ঞাসা করছি, যা আমি কেবল সংকোচবশত পরিহার করি। তিনি বললেন, এমন কোন কিছু পরিহার করো না যাতে তুমি নাসারাদের সাদৃশ্য দেখতে পাও।
(তায়ালিসী। হাদীসটির সূত্র হাসান।)
كتاب الأطعمة
باب ما جاء في طعام أهل الكتاب
عن عدي بن حاتم قال قلت يا رسول الله إن أبي كان يصل الرحمن ويفعل كذا وكذا قال إن أباك أراد أمرا فأدركه يعني الذكر، قال قلت إني أسألك عن طعام لا أدعه إلا تحرجًا، قال لا تدع شيئا ضارعت فيه نصرانية
হাদীস নং: ৪২
খাদ্য অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: আহলে কিতাবের খাদ্য।
৪২। ইবন আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক যুদ্ধে নবী (ﷺ)-এর নিকট পনির উপস্থিত করা হলে তিনি বললেন, এটা কোথায় তৈরী করা হয়েছে? লোকেরা বললেন, পারস্যে। আমরা মনে করি যে, তাতে মৃত জন্তুর অংশ মিশ্রিত করা হয়েছে। তিনি বললেন, তোমরা এটাতে ছুড়ি দ্বারা আঘাত কর এবং আল্লাহর নাম উচ্চারণ করে খাও। বর্ণনাকারী শারীক (র) অন্য একবার বর্ণনাকালে তাতে অতিরিক্ত বলেছেন, এরপর তারা (ধারাল) লাঠি দ্বারা তাতে আঘাত করতে লাগল।
(বাযযার, তাবারানী। তাবারানী (র) বলেছেন, হাদীসটির সূত্রে বর্ণনাকারী জাবির জু'ফী অধিকাংশ হাদীসবিশারদদের মতে দুর্বল। তবে অনেকে তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। এ ছাড়া আহমদ (র)-এর অন্যান্য বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
كتاب الأطعمة
باب ما جاء في طعام أهل الكتاب
عن ابن عباس قال أتى النبي صلى الله عليه وسلم بجبنة في غزاة فقال أين صنعت هذه، فقالوا بفارس ونحن نرى أنه يجعل فيها ميتة، فقال اطعنوا فيها بالسكين واذكروا اسم الله وكلوا، ذكره شريك مرة أخرى فزاد فيه فجعلوا يضربونها بالعصى
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪৩
খাদ্য অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: বিভিন্ন প্রকার হারাম জিনিস।

হারাম খাদ্য পর্ব
৪৩। জাবির ইবন আবদিল্লাহ (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, খায়বার যুদ্ধকালে লোকেরা খাদ্যাভাবের সম্মুখীন হয়। এজন্য তারা পালিত গাঁধা ধরে যবাহ করে এবং (রান্না করার জন্য) এর গোশত দ্বারা পাতিল ভরে দেয়। এই সংবাদ নবী (ﷺ)-এর নিকট পৌছল। জাবির (রা) বলেন, সে সময় রাসূলুল্লাহ (ﷺ) নির্দেশ দিলে আমরা পাতিলগুলো উপুড় করে গোশত ফেলে দেই। তিনি বললেন, অচিরেই আল্লাহ তোমাদেরকে এমন রিযিক দান করবেন যা এটা অপেক্ষা বেশি হালাল এবং বেশি সুস্বাদু। (বর্ণনাকারী বলেন,) সে দিন আমরা পাতিলগুলো টগবগ করা অবস্থায় উপুড় করে ফেলে দেই। সেদিন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) পালিত গাধা ও খচ্চর, প্রত্যেক দাঁতবিশিষ্ট হিংস্র পশু ও প্রত্যেক নখরবিশিষ্ট পাখির গোশত হারাম করেছেন। এবং তিনি যবাহের পূর্বে চামড়া খসানো পশু, মুজাস্সামা (গুলি, তীর ইত্যাদির আঘাতে মৃত পশু), হিংস্রবস্তুর কবল থেকে মুক্ত করা পশু, যদি যবাহের আগে মারা যায় ও অন্যায়ভাবে আত্মসাৎ করা মালও হারাম করেছেন।
(হাদীসের মূল অংশ বুখারী মুসলিম বর্ণনা করেছেন। এর সনদ ভাল।)
كتاب الأطعمة
أبواب ما يحرم أكله

باب جامع في تحريم أجناس متعددة
عن جابر بن عبد الله قال لما كان يوم خيبر أصاب الناس مجاعة فأخذوا الحمر الإنسية فذبحوها وملؤا منها القدور فبلغ ذلك نبي الله صلى الله عليه وسلم قال جابر فأمرنا رسول الله صلى الله عليه وسلم فكفأنا القدور، فقال إن الله عز وجل سيأتيكم برزق هو أحل لكم من ذا وأطيب من ذا فكفأنا يومئذ القدور وهي تغلى فحرم رسول الله صلى الله عليه وسلم يومئذ الحمر الإنسية ولحوم البغال وكل ذي ناب من السباع وكل ذي مخلب من الطيور وحرم المجثمة والخلسة والنهبة
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪৪
খাদ্য অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: বিভিন্ন প্রকার হারাম জিনিস।

হারাম খাদ্য পর্ব
৪৪। ইরবায ইবন সারিয়া (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) খায়বার যুদ্ধের সময় প্রত্যেক নখরবিশিষ্ট পাখি, গৃহপালিত গাধার গোশত, যবেহের পূর্বে চামড়া খসানো পশু, মুজাস্সামা (গুলি, তীর ইত্যাদির আঘাতে মৃত পশু) এবং বন্দি দাসীদের সঙ্গে তাদের গর্ভস্থ সন্তান প্রসব করার পূর্বে সহবাস করা হারাম করেছেন।
(তিরমিযী, হাকিম। হাকিম (র) হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন এবং যাহাবী (র) তাকে সমর্থন করেছেন।)
كتاب الأطعمة
أبواب ما يحرم أكله

باب جامع في تحريم أجناس متعددة
عن العرباض بن سارية أن رسول الله صلى الله عليه وسلم حرم يوم خيبر كل ذي مخلب من الطيور ولحوم الحمر الأهلية والخليسة والمجثمة وأن توطأ السبايا حتى يضمن ما في بطونهن
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪৫
খাদ্য অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: বিভিন্ন প্রকার হারাম জিনিস।

হারাম খাদ্য পর্ব
৪৫। আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) খায়বার যুদ্ধের সময় প্রত্যেক দাঁতবিশিষ্ট হিংস্র পশু, মুজাসসামা এবং পালিত গাধা হারাম করেছেন।
(হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি। এর সনদ ভাল।)
كتاب الأطعمة
أبواب ما يحرم أكله

باب جامع في تحريم أجناس متعددة
عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم حرم يوم خيبر كل ذي ناب من السباع والمجثمة والحمار الأنسي
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪৬
খাদ্য অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: বিভিন্ন প্রকার হারাম জিনিস।

হারাম খাদ্য পর্ব
৪৬। সালিহ ইবন ইয়াহয়া ইবন মিকদাম (র) সূত্রে তার দাদা মিকদাম ইবন মা'দিকারাব (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা খালিদ ইবনুল ওয়ালীদ (রা)-এর সঙ্গে গরমকালে এক যুদ্ধে শরীক ছিলাম। সে সময় আমাদের সাথীবৃন্দ গোশত খেতে আগ্রহী হয়ে উঠে। তারা বলল, আপনি কি আমাদেরকে তার (মা'দিকারিব) দূর্বল উটটি যবাহ করার অনুমতি দিবেন? এরপর আমি তাদের নিকট এটা দিয়ে দিলে তারা এটাকে রশি দ্বারা বেঁধে রাখে। এরপর আমি বললাম, তোমরা অপেক্ষা কর; যাবত না আমি খালিদের নিকট এ সম্বন্ধে জিজ্ঞাসা করি। তিনি বলেন, আমি তার নিকট এসে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন, আমরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সঙ্গে খায়বার যুদ্ধে শরীক ছিলাম। সে সময় লোকেরা ইয়াহুদীদের পশুর খোয়াড়ের দিকে দ্রুত ছুটে গেল। তখন তিনি আমাকে নির্দেশ দিলেন যেন আহ্বান জানাই যে, তোমরা সালাত আদায়ের জন্য একত্র হও আর মুসলমান ব্যতীত কেউ জান্নাতে যেতে পারবে না। এরপর তিনি বললেন, হে লোক সকল! তোমরা ইয়াহুদীদের খোয়াড়ে দ্রুত ছুটে গিয়েছিলে। শুনে রেখ! যিম্মিদের সম্পদ উপযুক্ত পদ্ধতি ব্যতীত হালাল হবে না। তোমাদের ওপর গৃহপালিত গাধার গোশত, ঘোড়া, খচ্চর, প্রত্যেক দাঁতবিশিষ্ট হিংস্র পশু এবং প্রত্যেক নখরবিশিষ্ট পাখী হারাম।
(দ্বিতীয় সূত্রে) তিনি তার থেকে, তিনি তার দাদা থেকে, তিনি খালিদ ইবন ওয়ালীদ (রা) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ঘোড়া, খচ্চর ও গাঁধার গোশত খেতে নিষেধ করেছেন।
(তৃতীয় সূত্রে) তিনি তার পিতা থেকে, তিনি তার দাদা মিকদাম ইবন মা'দিকারিব (রা) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, আমরা খালিদ ইবন ওয়ালীদ (রা)-এর সঙ্গে গরমকালে এক যুদ্ধে অংশগ্রহণ করলাম। এরপর তিনি প্রথম সূত্রে বর্ণিত অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেন।
(আবূ দাউদ, নাসাঈ, ইবন মাজাহ, বায়হাকী)
كتاب الأطعمة
أبواب ما يحرم أكله

باب جامع في تحريم أجناس متعددة
عن صالح يعني ابن يحيى ابن المقدام عن جده المقدام بن معد يكرب قال غزونا مع خالد بن الوليد الصائفة قفرم أصحابنا إلى اللحم فقالوا تأذن لنا أن نذبح رمكة له فدفعها إليهم فحبلوها ثم قلت مكانكم حتى آتى خالدا فأسأله قال فأتيته فسألته فقال غزونا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم غزوة خيبر فأسرع في حظائر يهود فأمرني أن أنادي الصلاة جامعة ولا يدخل الجنة إلا مسلم ثم قال أيها الناس إنكم قد أسرعتم في حظائر اليهود، ألا لا تحل أموال المعاهدين إلا بحقها وحرام عليكم لحوم الحمر الأهلية وخيلها وبغالها وكل ذي ناب من السباع وكل ذي مخلب من الطير
(وعنه من طريق ثان) عن أبيه عن جده عن خالد بن الوليد قال نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن أكل لحوم الخيل والبغال والحمير (وعنه من طريق ثالث) عن أبيه عن جده المقدام بن معد يكرب قال غزوت مع خالد بن الوليد الصائفة فذكر نحو الطريق الأولى سواء بسواء
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪৭
খাদ্য অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: বিভিন্ন প্রকার হারাম জিনিস।

হারাম খাদ্য পর্ব
৪৭। 'আলী (রা) থেকে বর্ণিত, নবী (ﷺ) প্রত্যেক দাঁতবিশিষ্ট হিংস্র পশু, প্রত্যেক নখরবিশিষ্ট পাখী, মৃতপ্রাণীর বিনিময়, গৃহপালিত গাধার গোশত, ব্যভিচারের বিনিময়, নরের পাল দেওয়ার বিনিময় এবং গাঢ় লাল রংয়ের গদি হতে নিষেধ করেছেন।
(হায়ছামী (র) হাদীসটি বর্ণনা করে বলেছেন, এর বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
كتاب الأطعمة
أبواب ما يحرم أكله

باب جامع في تحريم أجناس متعددة
عن علي رضي الله عنه أن النبي صلى الله عليه وسلم نهى عن كل ذي ناب من السبع وكل ذي مخلب من الطير وعن ثمن الميتة وعن لحم الحمر الأهلية وعن مهر البغي وعن عسب الفحل وعن المياثر الأرجوان
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪৮
খাদ্য অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: গৃহপালিত গাধা এবং জাল্লালা।
৪৮। 'আমর ইবন শু'আয়ব (র) তার পিতা থেকে, তিনি তার দাদা থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) পালিত গাধা ও জাল্লালা (যে প্রাণী আবর্জনা খায়)-এর গোশত খেতে এবং তাতে আরোহণ করতে নিষেধ করেছেন।
(আবূ দাউদ, নাসাঈ। হাদীসটির সূত্র ভাল এবং এর সকল বর্ণনাকারী নির্ভরযোগ্য। তবে মুআম্মিদ ইবন ইসমাঈল আদাবী বিতর্কিত। ইবন মা'ঈন (র) তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। আর বুখারী (র) বলেছেন যে, তার হাদীস গ্রহণযোগ্য নয়।)
كتاب الأطعمة
باب ما جاء الحمر الأهلية والجلالة
عن عمرو بن شعيب عن أبيه عن جده قال نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن لحوم الحمر الأهلية وعن الجلالة عن ركوبها وأكل لحومها
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪৯
খাদ্য অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: গৃহপালিত গাধা এবং জাল্লালা।
৪৯। আবদুল্লাহ ইবন উমর (রা) সূত্রে নবী (ﷺ) থেকে বর্ণিত যে, তিনি খায়বার যুদ্ধের সময় পালিত গাধার গোশত খেতে নিষেধ করেছেন।
(বুখারী, মুসলিম ও অন্যান্য)
كتاب الأطعمة
باب ما جاء الحمر الأهلية والجلالة
عن عبد الله بن عمرعن النبي صلى الله عليه وسلم أنه نهى يوم خيبر عن الحمر الأهلية
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৫০
খাদ্য অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: গৃহপালিত গাধা এবং জাল্লালা।
৫০। আবু সা'ঈদ খুদরী (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, খায়বার যুদ্ধকালে লোকেরা পালিত গাধার গোশতের জন্য দৌড়াল এবং তারা চুলায় পাতিল চড়াল। আমিও লোকদের সঙ্গে পাতিল চড়ালাম। নবী (ﷺ)-এর নিকট এ সংবাদ পৌঁছলে তিনি বললেন, আমি তোমাদেরকে এটা খেতে নিষেধ করছি, তোমাদেরকে এটা খেতে নিষেধ করছি। দুবার বললেন। তখন সকল পাতিল উপুড় করে গোশত ফেলে দেওয়া হয়। আমিও তাদের সঙ্গে আমার পাতিল উপুড় করে ফেলে দেই।
(হাদীসটি হায়ছামী (র) বর্ণনা করে বলেছেন যে, আহমাদ (র)-এর বর্ণনাকারী বিশর ইবন হারব দুর্বল। তবে কেউ কেউ তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন।
كتاب الأطعمة
باب ما جاء الحمر الأهلية والجلالة
عن أبي سعيد الخدري قال وقع الناس يوم خيبر في لحوم الحمر الأهلية ونصبوا القدور ونصبت قدري فيمن نصب فبلغ ذلك النبي صلى الله عليه وسلم فقال أنهاكم عنه أنهاكم عنه مرتين فاكفئت القدور فكفأت قدري فيمن كفأ
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৫১
খাদ্য অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: গৃহপালিত গাধা এবং জাল্লালা।
৫১। আবদুল্লাহ ইবন আবি সালীত (র) সূত্রে তার পিতা আবু সালীত (রা) থেকে বর্ণিত। (তিনি বদর যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন।) তিনি বলেন, পালিত গাধার গোশত খাওয়ার ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) -এর নিষেধাজ্ঞা এমন অবস্থায় আসল যে, তখন পাতিলে গোশত টগবগ করছিল । এরপর আমরা সেগুলোকে সেখানেই উপুড় করে ফেলে দিলাম। (অন্য বর্ণনায় অতিরিক্ত আছে,) তখন আমরা খায়বারে ছিলাম। আমরা পাতিল উপুর করে গোশত ফেলে দিলাম। সে সময় আমরা ক্ষুধার্ত ছিলাম।
(হায়ছামী (র) হাদীসটি বর্ণনা করে বলেছেন, এটা আহমাদ ও তাবারানী বর্ণনা করেছেন। এর সনদে বর্ণনাকারী আবদুল্লাহ ইবন আমর ইবন যামরা-কে আবু হাতিম (র) নির্ভরযোগ্য বলেন নি এবং তাঁর সমালোচনাও করেন নি। তবে ইবন হিব্বান (র) তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন।)
كتاب الأطعمة
باب ما جاء الحمر الأهلية والجلالة
عن عبد الله ابن أبي سليط عن أبيه أبي سليط (وكان بدريًا) قال أتانا نهي رسول الله صلى الله عليه وسلم عن أكل الحمر الإنسية والقدور تفور بها فكفأناها على وجوهها (زاد في رواية) ونخت بخيبر فكفأنا وإنا لجياع
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৫২
খাদ্য অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: গৃহপালিত গাধা এবং জাল্লালা।
৫২। আনাস ইবন মালিক (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, আল্লাহ তা'আলা তোমাদেরকে পালিত গাধার গোশত হতে নিষেধ করেছেন। কেননা, এটা অপবিত্র, এটা শয়তানের কাজ।
(বুখারী, মুসলিম, বায়হাকী)
كتاب الأطعمة
باب ما جاء الحمر الأهلية والجلالة
عن أنس بن مالك أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إن الله عز وجل ورسوله ينهاكم عن الحمر الأهلية فإنها رجس من عمل الشيطان
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৫৩
খাদ্য অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: গৃহপালিত গাধা এবং জাল্লালা।
৫৩। (তারই সূত্রে বর্ণিত।) তিনি বলেন, এক ব্যক্তি খায়বারে নবী (ﷺ)-এর নিকট এসে বলল, আমি দুবার গাধার গোশত খেয়েছি। বর্ণনাকারী বলেন, পরে সে আবার এসে বলল, আমি গাধার গোশত ফেলে দিয়েছি। বর্ণনাকারী বলেন, এরপর সে ঘোষণা দিল যে, আল্লাহ ও তার রাসূল তোমাদেরকে গাধার গোশত হতে নিষেধ করছেন। কেননা এটা অপবিত্র।
(বুখারী, বায়হাকী)
كتاب الأطعمة
باب ما جاء الحمر الأهلية والجلالة
وعنه أيضا أن رجلا أتى النبي صلى الله عليه وسلم بخيبر فقال أكلت الحمر مرتين، قال ثم جاء فقال أفنيت الحمر، قال فنادي إن الله ورسوله ينهيانكم عن لحم الحمر فإنها رجس
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৫৪
খাদ্য অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: গৃহপালিত গাধা এবং জাল্লালা।
৫৪। সুফিয়ান (র) শায়বানী (র) থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবন আবি আওফা (রা) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, যে সকল গাধা গ্রাম থেকে বের হয়েছিল আমরা সেগুলো ধরলাম। তারপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, তোমাদের পাতিলে যা আছে তা উপুড় করে ফেলে দাও। তারপর আমি এ বিষয়টি সা'ঈদ ইবন যুবায়র (রা)-এর নিকট ব্যক্ত করলে তিনি বললেন, যেহেতু এগুলো ময়লা খায় এজন্য তিনি নিষেধ করেছেন।
(বায়হাকী)
كتاب الأطعمة
باب ما جاء الحمر الأهلية والجلالة
حدثنا سفيان عن الشيباني عن عبد الله بن أبي أو في رضى الله عنه قال أصبنا حمرا خارجا نم القرية فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم أكفئوا القدور بما فيها فذكرت ذلك لسعيد ابن جبير فقال إنما نهى عنها أنها كانت تأكل العذرة
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৫৫
খাদ্য অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: গৃহপালিত গাধা এবং জাল্লালা।
৫৫। সুফিয়ান ইবন উয়ায়না (র) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, 'আমর ইবন দীনার (র) বলেছেন যে, আমি আবু শা'সা (র)-এর নিকট বললাম, লোকেরা বলে যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) গাধার গোশত হতে নিষেধ করেছেন। তিনি বললেন, হে আমর! ইবন আব্বাস (রা) এটা অস্বীকার করেন এবং তিনি পাঠ করেন-
قُلْ لَا أَجِدُ فِيمَا أُوحِيَ إِلَيَّ مُحَرَّمًا عَلَى طَاعِمٍ يَطْعَمُهُ
(তুমি বল, আমার প্রতি যে ওহী এসেছে, তাতে লোকে যা খায়, তার মধ্যে আমি কিছুই হারাম পাই না।)
হে আমর! "ইবন আব্বাস (রা) এ ব্যাপারে অস্বিকৃতি জ্ঞাপন করেছেন"- এটা হাকাম ইবন 'আমর গিফারী-এর কথা।
(বুখারী, বায়হাকী)
كتاب الأطعمة
باب ما جاء الحمر الأهلية والجلالة
حدثنا سفيان بن عيينة قال عمرو يعني ابن دينار قلت لأبي الشعثاء إنهم يزعمون أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن لحوم الحمر قال يا عمرو أبى ذلك البحر وقرأ (قل لا أجد فيما أوحى إلي محرما على طاعم يطعمه) يا عمرو أبى ذلك البحر قد كان يقول ذلك الحكم ابن عمرو الغفاري يعني يقول أبى ذلك علينا البحر بن عباس
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৫৬
খাদ্য অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: বিড়াল, দাঁতালো হিংস্র প্রাণী এবং নখরবিশিষ্ট পাখী।
৫৬। আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, বিড়াল হিংস্র।
(হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি। ইহার সনদে বর্ণনাকারী ঈসা ইবনুল মুসায়িব-কে আবূ হাতিম (র) নির্ভরযোগ্য বলেছেন। তবে অন্যান্যরা তাকে দুর্বল বলেছেন।)
كتاب الأطعمة
باب ما جاء في الهر وكل ذي ناب من السبع وكل ذي مخلب من الطير
عن أبي هريرة رضي الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلم الهرسبع
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৫৭
খাদ্য অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: বিড়াল, দাঁতালো হিংস্র প্রাণী এবং নখরবিশিষ্ট পাখী।
৫৭। 'আলী (রা) থেকে নবী (ﷺ) প্রত্যেক দাঁতালো হিংস্র পশু এবং প্রত্যেক নখরবিশিষ্ট পাখী হতে নিষেধ করেছেন।
كتاب الأطعمة
باب ما جاء في الهر وكل ذي ناب من السبع وكل ذي مخلب من الطير
عن علي رضي الله عنه أن النبي صلى الله عليه وسلم نهى عن كل ذي ناب من السبع وكل ذي مخلب من الطير
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৫৮
খাদ্য অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: বিড়াল, দাঁতালো হিংস্র প্রাণী এবং নখরবিশিষ্ট পাখী।
৫৮। আবূ হুরায়রা (রা) সূত্রে নবী (ﷺ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, প্রত্যেক দাঁতালো হিংস্র পশু খাওয়া হারাম।
(মুসলিম, বায়হাকী ও ইমামদ্বয়)
كتاب الأطعمة
باب ما جاء في الهر وكل ذي ناب من السبع وكل ذي مخلب من الطير
عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال كل ذي ناب من السباع فأكله حرام
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৫৯
খাদ্য অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: মৃত পশু ও শুকরের গোশত।
৫৯। জাবির ইবন আবদিল্লাহ (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মক্কা বিজয়কালে বলেছেন, নিশ্চয়ই আল্লাহ তা'আলা ও তার রাসূল মদ, মৃত পশু, শূকর, মূর্তি বিক্রি করা নিষেধ করেছেন। তখন তাকে জিজ্ঞাসা করা হল, ইয়া রাসূলাল্লাহ! মৃত জন্তুর চর্বি সম্বন্ধে আপনি কি বলেন, যা দ্বারা নৌকা তৈলাক্ত করা হয় এবং চামড়ায় তেল লাগানো হয় আর লোকেরা তা জ্বালিয়ে আলো গ্রহণ করে। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, না, তা হারাম। এরপর তিনি বললেন, আল্লাহ ইয়াহুদীদের ধ্বংস করুন। যখন তাদের ওপর তিনি চর্বি হারাম করলেন, তখন তারা তা গলিয়ে বিক্রি করল এবং তার মূল্য ভোগ করল।
(হাদীসটি ক্রয়-বিক্রয় অধ্যায়ে বর্ণিত হয়েছে।)
كتاب الأطعمة
باب ما جاء في الميتة ولحم الخنزير
عن جابر بن عبد الله أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال عام الفتح إن الله عز وجل ورسوله حرم بيع الخمر والميتة والخنزير والأصنام، فقيل له عند ذلك يا رسول الله أرأيت شحوم الميتة فإنه يدهن بها السفن ويدهن بها الجلود ويستصبح بها الناس، قال لا هو حرام ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم عند ذلك قاتل الله اليهود، إن الله عز وجل لما حرم عليه الشحوم جملوها ثم باعوها وأكلوا أتمانها
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৬০
খাদ্য অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: অসহায় ব্যক্তির জন্য মৃত পশু খাওয়ার অনুমতি প্রসঙ্গ।
৬০। জাবির ইবন সামুরা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, হাররা নামক স্থানের এক ঘরের লোকজন অভাবী ছিল। বর্ণনাকারী বলেন, তাদের একটি উটনী অথবা বললেন, উট মারা গেলে নবী (ﷺ) তাদেরকে তা খেতে অনুমতি দিলেন। বর্ণনাকারী বলেন, শীত মওসুমের বা বছরের অবশিষ্ট দিনগুলো তা তাদের রক্ষা করে। (অন্য বর্ণনায় রয়েছে) রাসূলুল্লাহ (ﷺ) উটনীর মালিককে বললেন, তোমার প্রয়োজন মিটানোর জন্য এ ছাড়া আর কিছু নেই? সে বলল, না। তখন তিনি বললেন, তবে যাও এবং তা খাও।
(বায়হাকী। হাদীসটির সনদ ভাল।)
كتاب الأطعمة
باب الرخصة في أكل الميتة للمضطر
عن جابر بن سمرة أن أهل بيت كانوا بالحرة محتاجين قال فماتت عندهم ناقة لهم أو بعيرهم فرخص لهم النبي صلى الله عليه وسلم في أكلها قال فعصمتهم بقية شتائهم أو سنتهم (وفي رواية) أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لصاحبها أما لك ما يغنيك عنها؟ قال لا قال اذهب فكلها
tahqiq

তাহকীক: