রাব্বানা-আফরিগ আলাইনা-সাবরাওঁ ওয়া ছাব্বিত আকদা-মানা-ওয়ানসুরনা-‘আলাল কাওমিল কা-ফরীন
হে আমাদের পরওয়ারদেগার! আমাদের ধৈর্য ও দৃঢ়তা দান করুন। আমাদের কদম অবিচলিত রাখুন আর কাফির কওমের বিরুদ্ধে আমাদের বিজয়ী করুন।
রাব্বানা-লা-তুআ-খিযনা ইন নাছীনা-আও আখতা’না-রাব্বানা ওয়ালা-তাহমিল ‘আলাইনা-ইসরান কামা-হামালতাহূ আলাল্লাযীনা মিন কাবলিনা-রাব্বানা-ওয়ালা তুহাম্মিলনা-মা-লা-তা-কাতা লানা-বিহী ওয়া‘ফু‘আন্না-ওয়াগফিরলানা-ওয়ারহামনা-আনতা মাওলা-না-ফানসুরনা-‘আলাল কাওমিল কা-ফিরীন।
হে আমাদের পরওয়ারদেগার! যদি আমরা ভুলে যাই অথবা ভুল করি, তবে আপনি আমাদের পাকড়াও কোরেন না। হে আমাদের পরওয়ারদেগার! আমাদের উপর এমন কঠিন কঠিন বিধান আরোপ কোরেন না, যেমন আরোপ করেছিলেন আমাদের আগের লোকদের উপর। (তারা ছিল আমাদের চেয়ে শক্তিশালী, তাই সে কঠিন বিধান পালনে সক্ষম হয়েছিল। আমরা সবদিক থেকে দুর্বল, কঠিন বিধান পালনের সামর্থ্য আমাদের নেই। পরওয়ারদেগার! আমাদের উপর এমন (দুঃখ-কষ্টের) ভার চাপিয়ে দিয়েন না, যা আমরা সহজে বহন করতে পারব না। আমাদের ভুল-ত্রুটি উপেক্ষা করুন। আমাদের অপরাধ মার্জনা করুন এবং আমাদের প্রতি দয়া করুন। আপনিই আমাদের অভিভাবক। সুতরাং কাফির কওমের বিরুদ্ধে আমাদের বিজয়ী করুন। (আমরা তো আপনারই দীনের সিপাহী। অতএব, আপনার বিদ্রোহী ও আপনার দ্বীনের বিরোধীদের মোকাবেলায় কেন আমাদের বিজয়ী করবেন না? সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী হয়ে কীভাবে আপনি নিজ বান্দাদের সাহায্য করা থেকে বিরত থাকবেন?)
রাব্বানাইন্নাকা মান তুদখিলিন্না-রা ফাকাদ আখঝাইতাহূ ওয়ামা-লিজ্জা-লিমীনা মিন আনসা-র।
হে আমাদের পরওয়ারদেগার! আপনি যাকে জাহান্নামে দাখিল করবেন, তাকে তো লাঞ্ছিতই করলেন। আর কেউ নেই এ জালিমদের মদদগার।
রাব্বানা-জালামনা আনফুছানা-ওয়া ইল্লাম তাগফির লানা-ওয়া তারহামনা-লানাকূনান্না মিনাল খা-ছিরীন।
হে আমাদের রব! আমরা তো নিজেদের উপর জুলুম করেছি। আপনি যদি আমাদের মাফ না করেন এবং আমাদের উপর রহম না করেন, তাহলে নিঃসন্দেহে আমরা ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হব। (কারণ, আপনি ছাড়া আর কে আমাদের লাভের মুখ দেখাতে পারে?)
রাব্বানাগফিরলী ওয়া লিওয়ালিদাইয়া ওয়ালিলমু’মিনীনা ইয়াওমা ইয়াকূমুল হিছা-ব।
হে আমাদের পরওয়ারদেগার! যেদিন হিসাব কায়েম হবে, সেদিন (অর্থাৎ কিয়ামতের দিন) আমাকে, আমার পিতামাতাকে ও সকল মুমিনকে মাফ করে দিয়েন।
রাব্বানাআ-তিনা-মিল্লাদুনকা রাহমাতাওঁ ওয়া হাইয়ি’ লানা-মিন আমরিনা-রাশাদা-।
হে আমাদের পরওয়ারদেগার! আমাদের দান করুন আপনার নিজের পক্ষ হতে (বিশেষ) রহমত এবং ব্যবস্থা করুন আমাদের জন্য আমাদের কর্মের সফলতার।
রাব্বানা-হাবলানা-মিন আঝওয়া-জিনা-ওয়া যুররিইইয়া-তিনা কুররাতা আ‘ইউনিওঁ ওয়াজ‘আলনা-লিলমুত্তাকীনা ইমা-মা-।
হে আমাদের পরওয়ারদেগার! আমাদের দান করুন আমাদের স্ত্রী-সন্তানদের তরফ থেকে চোখের শীতলতা। আর আমাদের বানান মুত্তাকীদের ইমাম।
হে আমাদের পরওয়ারদেগার! আপনার করুণা ও জ্ঞান সবকিছুকে বেষ্টন করে আছে। সুতরাং ক্ষমা করুন তাদের, যারা তাওবা করেছে এবং আপনার পথে চলেছে। আর রক্ষা করুন তাদের জাহান্নামের আযাব থেকে (তাদের তাওবা ও সত্যের অনুসরণ তো আপনার অগোচরে থাকতেই পারে না। উপরন্তু আপনি পরম করুণাময়। সুতরাং নিশ্চয়ই তারা আপনার ক্ষমা থেকে বঞ্চিত হবে না)।
হে আমাদের পরওয়ারদেগার! তাদের আপনি দাখিল করুন স্থায়ী আবাসের জান্নাতে, যার প্রতিশ্রুতি আপনি তাদের দিয়েছেন। (তেমনি) তাদের পিতামাতা, স্ত্রী ও সন্তানদের যারা নেককার, তাদেরও দাখিল করুন। (তাদের সাথে এবং তাদের মতো মর্তবা ও মর্যাদায়) নিঃসন্দেহে আপনিই পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়। এবং তাদের রক্ষা করুন সকল অনিষ্ট থেকে। আর সেই দিন (হিসাব- দিবসে) যাকে অনিষ্ট থেকে রক্ষা করবেন, তাকে তো (বড়) রহমই করবেন। আর এ-ই হবে বড় কামিয়াবী।
হে আমাদের পরওয়ারদেগার! আমাদের জন্য আমাদের নূর কামিল করে দিন এবং আমাদের মাফ করে দিন। নিশ্চয়ই আপনি সব বিষয়ে শক্তিমান। (আপনি তো ঈমানহীন লোকদেরও ঈমানের আলো দান করতে পারেন। তাহলে যাদের আপনি ঈমানের নূর দান করেছেন, তাদের এই নূর পরিপূর্ণ করে দিন।)
আল্লা–হুম্মা আতি নাফসি তাকওয়া-হা, ওয়া-জাক্কিহা, আনতা খাইরু মান জাক্কাহা, আনতা ওলিইউহা ওয়া মাওলা-হা।
ইয়া আল্লাহ! আমার সত্তাকে পরহেযগারী দান করুন এবং তাকে পরিশুদ্ধ করুন। আপনি-ই তো এর উত্তম পরিশুদ্ধকারী। আপনিই এর মালিক ও প্রভু।
দু'আর বিষয়সমূহ
40টি বিষয় পাওয়া গেছে