দু’আ

মোট দু’আ - ৬৩৬ টি

সকল দু'আ একত্রে দেখুন

১.

ইস্তিখারা

۞ اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَسْتَخِيْرُكَ بِعِلْمِكَ وَأَسْتَقْدِرُكَ بِقُدْرَتِكَ وَأَسْأَلُكَ مِنْ فَضْلِكَ الْعَظِيْمِ، فَإِنَّكَ تَقْدِرُ وَلَاۤ أَقْدِرُ وَتَعْلَمُ وَلَاۤ أَعْلَمُ وَأَنْتَ عَلَّامُ الْغُيُوْبِ، اَللّٰهُمَّ إِنْ كُنْتَ تَعْلَمُ أَنَّ هٰذَا الأَمْرَ خَيْرٌ لِيْ فِيْ دِيْنِيْ وَمَعَاشِىْ وَعَاقِبَةِ أَمْرِيْ فَاقْدُرْهُ لِيْ وَيَسِّرْهُ لِيْ ثُمَّ بَارِكْ لِيْ فِيْهِ، وَإِنْ كُنْتَ تَعْلَمُ أَنَّ هٰذَا الأَمْرَ شَرٌّ لِيْ فِيْ دِيْنِيْ وَمَعَاشِىْ وَعَاقِبَةِ أَمْرِيْ فَاصْرِفْهُ عَنِّيْ وَاصْرِفْنِيْ عَنْهُ وَاقْدُرْ لِيَ الْخَيْرَ حَيْثُ كَانَ ثُمَّ أَرْضِنِيْ بِهٖ
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা ইন্নী আসতাখিরুকা বি‘ইলমিকা ওয়া আস্তাক্বদিরুকা বিক্বুদ্‌রাতিকা ওয়া আস্আলুকা মিন ফাদ্‌লিকাল আযীম। ফা ইন্নাকা তাক্বদিরু ওয়ালা আক্বদিরু, ওয়া তা‘লামু ওয়ালা আ‘লামু, ওয়া আনতা ’আল্লামূল গুয়ূব। আল্লাহুম্মা ইন কুনতা তা‘লামু আন্না হা-যাল আম্‌রা (বলে, মনে মনে প্রয়োজন উল্লেখ করুন) খাইরুন লী ফী দ্বীনি ওয়া মা‘আশী ওয়া ‘আ-ক্বিবাতি আমরী, ফাকদিরহু লী, ওয়া ইয়াস্‌সিরহু লী, ছুম্মা বারিক লী ফীহি। ওয়া ইন কুনতা তা‘লামু আন্না হা-যাল আমরা (বলে, মনে মনে প্রয়োজন উল্লেখ করুন) শাররুন লী ফী দীনী ওয়া মা’আ-শী ওয়া ‘আ-ক্বিবাতি আমরী, ফাসরিফহু ‘আন্নী ওয়াসরিফনী ‘আনহু, ওয়াকদুর লিয়াল-খাইর। হাইসু কা-না, সুম্মা আরদ্বিনী বিহ্।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমি আপনার ইলমের উসিলায় আপনার নিকট মঙ্গল কামনা করছি এবং আপনার কুদরতের উসিলায় আপনার নিকট শক্তি কামনা করছি এবং আপনার নিকট আপনার মহান অনুগ্রহ কামনা করছি। কেননা, আপনি ক্ষমতাবান, আর আমি অক্ষম এবং আপনি সর্বজ্ঞানী আর আমি অজ্ঞ, এবং আপনি সমস্ত গোপন সম্পর্কে জ্ঞাত। হে আল্লাহ! যদি আপনার জ্ঞান অনুযায়ী এ কাজটি আমার জন্য আমার দ্বীন ও দুনিয়ার দিক দিয়ে এবং পরিণামে মঙ্গলজনক হয়, তবে তা আমার জন্য নির্ধারণ করে দিন এবং একে সহজ করে দিন। অতঃপর এর মধ্যে আমার জন্য বরকত দান করুন। আর যদি আপনার জ্ঞান অনুযায়ী এ কাজটি আমার দ্বীন ও দুনিয়ার দিক দিয়ে এবং পরিণামে আমার জন্য মঙ্গলজনক না হয়, তবে আপনি এ কাজটিকে আমার থেকে দূরে রাখুন এবং যেখানেই আমার জন্য মঙ্গল রয়েছে তা আমার জন্য নির্ধারিত করুন এবং তাতেই আমাকে সন্তুষ্ট করে দিন।

২.

সূরা হাশর এর শেষ ৪ আয়াত

لَوۡ اَنۡزَلۡنَا هٰذَا الۡقُرۡاٰنَ عَلٰى جَبَلٍ لَّرَاَيۡتَهٗ خَاشِعًا مُّتَصَدِّعًا مِّنۡ خَشۡيَةِ اللّٰهِ‌ؕ وَتِلۡكَ الۡاَمۡثَالُ نَضۡرِبُهَا لِلنَّاسِ لَعَلَّهُمۡ يَتَفَكَّرُوۡنَ‏ ﴿۲۱﴾ هُوَ اللّٰهُ الَّذِىۡ لَاۤ اِلٰهَ اِلَّا هُوَ‌ ۚ عٰلِمُ الۡغَيۡبِ وَالشَّهَادَةِ‌ ۚ هُوَ الرَّحۡمٰنُ الرَّحِيۡمُ‏ ﴿۲۲﴾ هُوَ اللّٰهُ الَّذِىۡ لَاۤ اِلٰهَ اِلَّا هُوَ‌ۚ اَلۡمَلِكُ الۡقُدُّوۡسُ السَّلٰمُ الۡمُؤۡمِنُ الۡمُهَيۡمِنُ الۡعَزِيۡزُ الۡجَـبَّارُ الۡمُتَكَبِّرُ‌ؕ سُبۡحٰنَ اللّٰهِ عَمَّا يُشۡرِكُوۡنَ‏ ﴿۲۳﴾ هُوَ اللّٰهُ الۡخَـالِـقُ الۡبَارِئُ الۡمُصَوِّرُ‌ لَـهُ الۡاَسۡمَآءُ الۡحُسۡنٰى‌ؕ يُسَبِّحُ لَهٗ مَا فِى السَّمٰوٰتِ وَالۡاَرۡضِ‌ۚ وَهُوَ الۡعَزِيۡزُ الۡحَكِيۡمُ‏ ﴿۲۴﴾
উচ্চারণঃ

(২১) লাও আনঝালনা-হা-যাল কুরআ-না ‘আলা-জাবালিল লারাআইতাহু খা-শি‘আম মুতাসাদ্দি‘ আম মিন খাশয়াতিল্লা-হি ওয়া তিলকাল আমছা-লুনাদরিবুহা-লিন্নাছি লা‘আল্লাহম ইয়াতাফাক্কারূন। (২২) হুওয়াল্লা-হুল্লাযী লাইলা-হা ইল্লা-হুওয়া ‘আ-লিমুল গাইবি ওয়াশশাহা-দাতি হুওয়াররাহমা-নুর রাহীম। (২৩) হুওয়াল্লা-হুল্লাযী লাইলা-হা ইল্লা-হুওয়া আলমালিকুল কুদ্দূছুছ ছালা-মুল ম’মিনুল মুহাইমিনুল ‘আঝীঝুল জাব্বা-রুল মুতাকাব্বিরু ছুবহা-নাল্লা-হি ‘আম্মা-ইউশরিকূন। (২৪) হুওয়াল্লা-হুল খা-লিকুল বা-রিউল মুছাওবিরু লাহুল আছমাউল হুছনা-; ইউছাব্বিহুলাহূ মা-ফিছ ছামা-ওয়া-তি ওয়াল আরদি ওয়াহুওয়াল ‘ আঝীঝুল হাকীম।

অর্থঃ

(২১) যদি আমি এই কুরআন পর্বতের ওপর অবতীর্ণ করতাম তবে তুমি একে আল্লাহ্ র ভয়ে বিনীত এবং বিদীর্ণ দেখতে। আমি এই সমস্ত দৃষ্টান্ত বর্ণনা করি মানুষের জন্যে, যাতে তারা চিন্তা করে। (২২) তিনিই আল্লাহ্, তিনি ব্যতীত কোন ইলাহ্ নেই, তিনি অদৃশ্য ও দৃশ্যের পরিজ্ঞাতা; তিনি দয়াময়, পরম দয়ালু। (২৩) তিনিই আল্লাহ্, তিনি ব্যতীত কোন ইলাহ্ নেই। তিনিই অধিপতি, তিনিই পবিত্র, তিনিই শান্তি, তিনিই নিরাপত্তা বিধায়ক, তিনিই রক্ষক, তিনিই পরাক্রমশালী, তিনিই প্রবল, তিনিই অতীব মহিমান্বিত। এরা যাকে শরীক স্থির করে আল্লাহ্ তা হতে পবিত্র, মহান। (২৪) তিনিই আল্লাহ্, সৃজনকর্তা, উদ্ভাবনকর্তা, রূপদাতা, তাঁরই সকল উত্তম নাম। আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীতে যা কিছু আছে, সমস্তই তাঁর পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করে। তিনি পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।

৩.

সালাতুল তাসবীহের ফযীলত

۞ سُبْحَانَ اللّٰهِ وَالْحَمْدُ لِلّٰهِ وَلاۤ اِلٰهَ اِلَّا اللّٰهُ وَاللّٰهُ أَكْبَرُ
উচ্চারণঃ

সুবহানাল্লাহি ওয়াল হামদুলিল্লাহি ওয়া লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার।

অর্থঃ

আল্লাহর পবিত্রতা ঘোষণা করতেছি, এবং সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য, আল্লাহ ব্যতীত কোন মা’বূদ নাই, তিনি সর্বশ্রেষ্ঠ।

৪.

সংক্ষিপ্ত দরূদ-১

۞ اَللّٰهُـــمَّ صَـــلِّ عَلٰـى مُحَمَّــــدٍ وَّآلِ مُحَمَّدٍ
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা সল্লি আ’লা- মুহাম্মাদ ওয়াআলী মুহাম্মাদ।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! দয়া ও রহমত কর হযরত মুহাম্মদ (ﷺ) এর প্রতি এবং তার পরিবারের প্রতি।

৫.

ঘুমানোর পূর্বে পড়ার দু‘আ-১

۞ اَللّٰهُمَّ بِاسْمِكَ اَمُوْتُ وَاَحْيَا
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা বিসমিকা আমূতু ওয়া আহইয়।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমি আপনারই নামে মৃত্যুবরণ করব, আপনার নামের সাথেই জীবিত থাকব।

৬.

অমুসলিমের সালামের জবাবে যা বলবে

۞ وَعَلَيْكُمْ
উচ্চারণঃ

ওয়া ‘আলাইকুম

অর্থঃ

তোমাদের উপরও

৭.

দু‘আ-২৪

رَبِّ اَنْزِلْنِیْ مُنْزَلًا مُّبٰرَكًا وَّ اَنْتَ خَیْرُ الْمُنْزِلِیْنَ۝۲۹
উচ্চারণঃ

রাব্বি আনঝিলনী মুনঝালাম মুবা-রাকাওঁ ওয়া আনতা খাইরুল মুনঝিলীন

অর্থঃ

পরওয়ারদেগার! আমাকে বরকতময় জায়গায় অবতীর্ণ করুন। আপনি সর্বোত্তম অবতারণকারী।

৮.

দু‘আ-১৮

رَبِّ اَدْخِلْنِیْ مُدْخَلَ صِدْقٍ وَّ اَخْرِجْنِیْ مُخْرَجَ صِدْقٍ وَّ اجْعَلْ لِّیْ مِنْ لَّدُنْكَ سُلْطٰنًا نَّصِیْرًا۝۸۰
উচ্চারণঃ

রাব্বি আদখিলনী মুদ খালা সিদকিওঁ ওয়া আখরিজনী মুখরাজা সিদকিওঁ ওয়াজ‘আলনী মিল্লাদুনকা ছুলতা-নান নাসীরা

অর্থঃ

পরওয়ারদেগার! আমাকে দাখিল করুন যথার্থভাবে এবং বের করুন যথার্থভাবে। আর আমার জন্য নির্ধারণ করুন আপনার পক্ষ হতে এক মদদকারী শক্তি।

৯.

দু‘আ-২১

رَبِّ زِدْنِیْ عِلْمًا۝۱۱۴
উচ্চারণঃ

রাব্বি ঝিদনী ‘ইলমা-।

অর্থঃ

পরওয়ারদেগার! আমার ইলম বাড়িয়ে দিন।

১০.

দু‘আ-২২

اَنِّیْ مَسَّنِیَ الضُّرُّ وَ اَنْتَ اَرْحَمُ الرّٰحِمِیْنَۚۖ۝۸۳
উচ্চারণঃ

আন্নী মাছছানিয়াদদু ররু ওয়া আনতা আরহামুররা-হিমীন ।

অর্থঃ

(পরওয়ারদেগার!) আমাকে স্পর্শ করেছে কষ্ট। আর আপনি তো সব দয়ালুর বড় দয়ালু। (সুতরাং আমার প্রতি দয়া করুন)।

১১.

দু‘আ-১৪

فَاطِرَ السَّمٰوٰتِ وَ الْاَرْضِ ۫ اَنْتَ وَلِیّٖ فِی الدُّنْیَا وَ الْاٰخِرَةِ ۚ تَوَفَّنِیْ مُسْلِمًا وَّ اَلْحِقْنِیْ بِالصّٰلِحِیْنَ۝۱۰۱
উচ্চারণঃ

ফা-তিরাছছামা-ওয়া-তি ওয়াল আরদি আনতা ওয়ালিইইয়ী ফিদদুনইয়া-ওয়াল আখিরাতি তাওয়াফফানী মুছলিমাওঁ ওয়া আলহিকনী বিসসা-লিহীন।

অর্থঃ

হে আকাশ ও ভূমির স্রষ্টা! দুনিয়া-আখিরাতে আপনিই থাকুন আমার সহায়। আমাকে মৃত্যু দিয়েন ইসলামের উপর আর আমাকে যুক্ত কোরেন নেককারদের সাথে। (নেককারদের মতো শুভ পরিণাম তো এক মহা সৌভাগ্য)।

১২.

দু‘আ-২৫

رَبِّ اَعُوْذُ بِكَ مِنْ هَمَزٰتِ الشَّیٰطِیْنِۙ۝۹۷ وَ اَعُوْذُ بِكَ رَبِّ اَنْ یَّحْضُرُوْنِ۝۹۸
উচ্চারণঃ

রাব্বি আ‘ঊযুবিকা মিন হামাঝা-তিশশাইয়া-তীন। ওয়া আ‘ঊযুবিকা রাব্বি আইঁ ইয়াহদু রূন।

অর্থঃ

পরওয়ারদেগার! আমি আশ্রয় নিচ্ছি শয়তানকুলের ওয়াসওয়াসা থেকে। আরো আশ্রয় নিচ্ছি, পরওয়ারদেগার! আমার কাছে তাদের উপস্থিতি থেকে।

১৩.

দু‘আ-৮৯

اَللّٰهُمَّ لَقِّنِّيْ حُجَّةَ الْإِيْمَانِ عِنْدَ الْمَمَاتِ .
অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! মওতের সময় আমাকে ঈমানের দলীল পড়িয়ে দিয়েন।

১৪.

দু‘আ-১১৮

اَللّٰهُمَّ اِنِّيْۤ اَسْأَلُكَ مِنْ خَيْرِ مَا تَجِيْٓءُ بِهِ الرِّيَاحُ.
অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! আপনার কাছে ঐ সকল বিষয়ের কল্যাণ চাই, যা বায়ুসমূহ নিয়ে আসে।

১৫.

দু‘আ-২৩

رَبِّ لَا تَذَرْ نِیْ فَرْدًا وَّ اَنْتَ خَیْرُ الْوٰرِثِیْنَۚۖ۝۸۹
উচ্চারণঃ

রাব্বি লা-তাযারনী ফারদাওঁ ওয়া আনতা খাইরুল ওয়ারিছীন।

অর্থঃ

পরওয়ারদেগার! আমাকে একা (নিঃসন্তান) অবস্থায় রাখবেন না। আর আপনিই তো সকল ওয়ারিছের শ্রেষ্ঠ ওয়ারিছ।

১৬.

দু‘আ-২৭

رَبَّنَا اصْرِفْ عَنَّا عَذَابَ جَهَنَّمَ ۖۗ اِنَّ عَذَابَهَا كَانَ غَرَامًاۗۖ۝۶۵
উচ্চারণঃ

রাব্বানাসরিফ ‘আন্না-‘আযা-বা জাহান্নামা ইন্না ‘আযা-বাহাকা-না গারা-মা-।

অর্থঃ

হে আমাদের পরওয়ারদেগার! জাহান্নামের আযাবকে আমাদের থেকে দূরে সরিয়ে দিন। জাহান্নামের আযাব তো পূর্ণ বরবাদী। (যা আমাদের সহনক্ষমতার অতীত)।

১৭.

দু‘আ-৩৮

رَبَّنَا لَا تَجْعَلْنَا فِتْنَةً لِّلَّذِیْنَ كَفَرُوْا وَ اغْفِرْ لَنَا رَبَّنَا ۚ اِنَّكَ اَنْتَ الْعَزِیْزُ الْحَكِیْمُ۝۵
অর্থঃ

হে আমাদের পরওয়ারদেগার! যারা কুফর করেছে, তাদের জুলুমের লক্ষ্যবস্তু আমাদের কোরেন না এবং হে পরওয়ারদেগার! আপনি আমাদের মাফ করে দিন। নিশ্চয়ই আপনি পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।

১৮.

দু‘আ-১৯৮

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْۤ أَسْأَلُكَ إِيْمَانًا دَآئِمًا وَّهَدْيًا قَيِّمًا وَّعِلْمًا نَّافِعًا.
অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! আমি আপনার কাছে চাই স্থায়ী ঈমান, যথার্থ ও চাল-চলন ও উপকারী ইলম।

১৯.

দু‘আ-১৫৯

اَللّٰهُمَّ أَحْيِنِيْ مُسْلِمًا وَّأَمِتْنِيْ مُسْلِمًا.
অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! আমাকে মুসলিম অবস্থায় জীবিত রাখুন, মুসলিম অবস্থায় মৃত্যু দিন।

২০.

কবরের আজাব, ওয়াসওয়াসা ও কাজের বিশৃঙ্খলা থেকে মুক্তির দু‘আ

۞ اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَعُوْذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ وَوَسْوَسَةِ الصَّدْرِ وَشَتَاتِ الأَمْرِ
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা মিন আযাবিল কবরি ওয়া ওয়াসওয়াসাতিস সাদরি, ওয়া স্বাতাতিল আমরি।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমি পানাহ চাই কবরের আযাব থেকে, মনের ওয়াসওয়াসা থেকে, কাজের বিশৃঙ্খলা থেকে।