দু’আ

মোট দু’আ - ৬২০ টি

সকল দু'আ একত্রে দেখুন

.

টয়লেটে প্রবেশের পূর্বে পড়বে

۞ بِسْمِ اللهِ اَللّٰهُمَّ اِنِّيْ اَعُوْذُبِكَ مِنَ الْخُبُثِ وَالْخَبَائِثِ
উচ্চারণঃ

বিসমিল্লাহি আল্লাহুম্মা ইন্নী আ‘ঊযুবিকা মিনাল খুবুসি ওয়াল খাবাইস।

অর্থঃ

আল্লাহ তা‘আলার নামে (প্রবেশ করছি), হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট ক্ষতিকারক নর ও নারী জিন শয়তান হতে আশ্রয় প্রার্থনা করছি।

.

মসজিদে প্রবেশের দু‘আ-১

۞ بِسْمِ اللهِ. وَالصَّلَا ةُ وَالسَّلَامُ عَلٰى رَسُوْلِ اللهِ. اَللّٰهُمَّ افْتَحْ لِيْ اَبْوَابَ رَحْمَتِكَ
উচ্চারণঃ

বিসমিল্লাহি ওয়াস্‌সালাতু ওয়াস্‌সালামু’ আলা রাসূলিল্লাহ্‌ আল্লাহুম্মাফ্‌তাহলি আবওয়াবা রাহমাতিকা।

অর্থঃ

আল্লাহ তা‘আলার নামে (প্রবেশ করছি।) আল্লাহ তা‘আলার রাসূল (ﷺ) এর উপর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক। হে আল্লাহ! আমার জন্য আপনার রহমতের দ্বার উন্মুক্ত করে দিন।

.

মসজিদ থেকে বের হওয়ার দু‘আ

۞ بِسْمِ اللهِ. وَالصَّلَاةُ وَالسَّلَامُ عَلٰى رَسُوْلِ اللهِ. اَللّٰهُمَّ اِنِّيْ اَسْئَلُكَ مِنْ فَضْلِكَ
উচ্চারণঃ

বিসমিল্লাহি ওয়াস্‌সালা-তু ওয়াস্‌সালা-মু ‘আলা- রাসূ-লিল্লাহি আল্লহুমা ইন্নি আস আলুকা মিন ফাদ্বলিক।

অর্থঃ

আল্লাহ তা‘আলার নামে শুরু করছি। আল্লাহ তা‘আলার রাসূল (ﷺ) এর প্রতি দরূদ, রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক। হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট হালাল রুজির প্রার্থনা করছি।

.

সানা

۞ سُبْحَانَكَ اللّٰهُمَّ وَبِحَمْدِكَ وَتَبَارَكَ اسْمُكَ وَتَعَالٰى جَدُّكَ وَ لَاۤ إِلٰهَ غَيْرُكَ
উচ্চারণঃ

সুবহানাকাল্লাহুম্মা ওয়া বিহামদিকা, ওয়াতাবারাকাস্‌মুকা, ওয়াতা‘আলা জাদ্দুকা ওয়া লা-ইলাহা গাইরুক।

অর্থঃ

হে আল্লাহ্! আমি তোমার পবিত্রতা বর্ণনা করছি। তুমি প্রশংসাময়, তোমার নাম বরকতময়, তোমার মর্যাদা অতি উচ্চে, আর তুমি ব্যতীত সত্যিকার কোনো মাবুদ নেই।

.

ক্বওমার দু‘আ-১

۞ سَمِعَ اللهُ لِمَنْ حَمِدَهْ
উচ্চারণঃ

সামি‘আল্লা-হু লিমান হামিদাহ।

অর্থঃ

আল্লাহ তার কথা শোনেন, যে তার প্রশংসা করে।

.

ক্বওমার দু‘আ-২

۞ رَبَّنَا لَكَ الْحَمْدْ
উচ্চারণঃ

রাব্বানা লাকাল হামদ্।

অর্থঃ

হে আমাদের প্রতিপালক! আপনার জন্যই সকল প্রশংসা।

.

দুই সিজদার মধ্যবর্তী বৈঠকের দু‘আ

۞ اَللّٰهُمَّ اغْفِرْ لِيْ وَارْحَمْنِيْ وَاجْبُرْنِيْ وَاهْدِنِيْ وَعَافِنِيْ وَارْزُقْنِيْ
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মাগ্‌ফিরলি ওয়ারহাম্‌নি ওয়াজ্‌বুরনি ওয়াহ্‌দিনি ওয়া ‘আ-ফিনি ওয়ার্‌যুক্বনি।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আপনি আমাকে ক্ষমা করুন, আমার উপর রহম করুন, আমার অবস্থার সংশোধন করুন, আমাকে সৎপথ প্রদর্শন করুন, আমাকে সুস্থতা দান করুন ও আমাকে রিযিক দান করুন।

.

দু‘আ-ই মাসুরাহ-১

۞ اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ ظَلَمْتُ نَفْسِيْ ظُلْمًا كَثِيْرًا وَّ لَاۤ يَغْفِرُ الذُّنُوْبَ إِلَّا أَنْتَ، فَاغْفِرْ لِيْ مَغْفِرَةً مِّنْ عِنْدِكَ وَارْحَمْنِيْ إِنَّكَ أَنْتَ الْغَفُوْرُ الرَّحِيْمُ
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা ইন্নী যালামতু নাফ্‌সি যুলমান কাছীরাও ওয়ালা ইয়াগ্‌ফিরুয যুনূবা ইল্লা আন্তা, ফাগ্‌ফিরলি মাগফিরাতাম মিন ‘ইনদিকা, ওয়ারহাম্‌নি ইন্নাকা আন্তাল গাফূরুর রহীম।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমি আমার নফসের উপর অসংখ্য জুলুম করেছি। ঐসব গুনাহ মাফ করার কেউ নেই আপনি ব্যতীত। অতএব আপনি আমাকে আপনার পক্ষ হতে বিশেষভাবে ক্ষমা করুন এবং আমার উপর অনুগ্রহ করুন। নিশ্চয়ই আপনি ক্ষমাশীল ও দয়াবান।

.

নামাযের মধ্যে ওয়াসওয়াসা বন্ধের যিকির

۞ أَعُوْذُ بِا للہِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيْمِ
উচ্চারণঃ

আ’ঊযু বিল্লা-হি মিনাশ শাইত্বা-নির রজীম।

অর্থঃ

আমি অভিশপ্ত শয়তান হতে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা করছি।

১০.

মুনাজাতের মধ্যে দু‘আ-১

۞ اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَسْأَلُكَ عِلْمًا نَافِعًا، وَرِزْقًا طَيِّبًا، وَعَمَلًا مُتَقَبَّلًا
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা ইলমান নাফি‘আ, ওয়া রিযক্বান ত্বইয়িবা, ওয়া আ‘মালান-মুতাক্বাব্বালা।

অর্থঃ

হে আল্লাহ্‌! আমি আপনার নিকট উপকারী ইলম, উত্তম রিযক, ও মাকবূল (কবূল হওয়ার মত) আমলের তাওফিক চাই।

১১.

মুনাজাতের মধ্যে দু‘আ-২

۞ اَللّٰهُمَّ حَـاسِـبْـنِـىْ حِـسَـابًا يَّـسِـيْـرًا
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা হাসিবনী হিসাবাই ইয়াসীরা।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমার হিসাবকে সহজ করে দিও।

১২.

উযূর শুরুতে পড়ার দু‘আ-২

۞ بِسْمِ اللهِ وَالْحَمْدُ لِلّٰهِ
উচ্চারণঃ

বিসমিল্লাহি ওয়াল হামদুলিল্লাহ।

অর্থঃ

আল্লাহ তা‘আলার নামে শুরু করছি এবং প্রশংসা সবই কেবল তারই জন্যে।

১৩.

উযূর পর পড়ার দু‘আ-৩

۞ سُبْحَانَكَ اللّٰهُمَّ وَبِحَمْدِكَ، أَشْهَدُ أَنْ لَّاۤ إِلٰهَ إِ لَّا أَنْتَ، أَسْتَغْفِرُكَ وَأَتُوْبُ إِلَيْكَ
উচ্চারণঃ

সুবহানা কাল্লা-হুম্মা ওয়া বিহামদিকা আশহাদু আল লা-ইলাহা ইল্লা আন্তা আস্তাগফিরুকা ওয়াআতূবু ইলাইকা।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আপনার প্রশংসাসহ পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করছি। আমি সাক্ষ্য দেই যে, আপনি ছাড়া কোনো মা’বূদ নেই, আমি আপনার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি এবং আপনার নিকট তওবা করছি।

১৪.

দরূদ

۞ اَللّٰهُمَّ صَلِّ عَلٰى مُحَمَّدٍ وَّعَلٰى اۤلِ مُحَمَّدٍ ،كَمَا صَلَّيْتَ عَلٰى إِبْرَاهِيْمَ وَعَلٰى اۤلِ إِبْرَاهِيْمَ إِنَّكَ حَمِيْدٌ مَّجِيْدٌ ، اَللّٰهُمَّ بَارِكْ عَلٰى مُحَمَّدٍ وَّعَلٰى اۤلِ مُحَمَّدٍ كَمَا بَارَكْتَ عَلٰى إِبْرَاهِيْمَ وَعَلٰى اۤلِ إِبْرَاهِيْمَ إِنَّكَ حَمِيْدٌ مَّجِيْدٌ
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা সাল্লি ‘আলা মুহাম্মাদিও ওয়া আলা ‘আলি মুহাম্মাদ, কামা সাল্লাইতা ‘আলা ইব্‌রাহীমা ওয়া ‘আলা আলি ইব্‌রাহীমা ইন্নাকা হামীদুম্ মাজীদ, আল্লাহুম্মা বারিক ‘আলা মুহাম্মাদিও ওয়া ‘আলা আলি মুহাম্মাদ, কামা বারাক্‌তা ‘আলা ইব্রাহীমা ওয়া ‘আলা আলি ইব্রাহীমা ইন্নাকা হামীদুম্ মাজীদ।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আপনি রহমত বর্ষণ করুন মুহাম্মাদ (ﷺ) ও মুহাম্মাদের পরিবারের উপর, যেমন আপনি রহমত বর্ষণ করেছেন ইবরাহিম (আ.) ও ইবরাহিমের পরিবারের উপর। নিশ্চয়ই আপনি প্রশংসিত ও সম্মানিত। হে আল্লাহ! আপনি বরকত নাযিল করুন মুহাম্মাদ (ﷺ) ও মুহাম্মাদের পরিবারের উপর, যেমন আপনি বরকত নাযিল করেছেন ইবরাহিম (আ.) ও ইবরাহিমের পরিবারের উপর। নিশ্চয়ই আপনি প্রশংসিত ও সম্মানিত।

১৫.

দু‘আ-ই কুনুত

۞ اَللّٰهُمَّ اِنَّا نَسْتَعِيْنُكَ وَنَسْتَغْفِرُكَ وَنُؤْمِنُ بِكَ وَنَتَوَكَّلُ عَلَيْكَ وَنُثْنِىْ عَلَيْكَ الْخَيْرَ وَنَشْكُرُكَ وَلَا نَكْفُرُكَ وَنَخْلَعُ وَنَتْرُكُ مَنْ يَّفْجُرُكَ، اَللّٰهُمَّ اِيَّاكَ نَعْبُدُ وَلَكَ نُصَلِّىْ وَنَسْجُدُ وَاِلَيْكَ نَسْعٰى وَنَحْفِدُ وَنَرْجُوْ رَحْمَتَكَ وَنَخْشٰى عَذَابَكَ اِنَّ عَذَابَكَ بِالْكُفَّارِ مُلْحِقٌ
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা ইন্না নাসতাঈনুকা ,ওয়া নাসতাগ্‌ফিরুকা,ওয়া নু’মিনুবিকা, ওয়া নাতাওয়াক্কালু আলাইক, ওয়ানুসনি আলাইকাল খাইর, ওয়া নাশকুরুকা , ওয়ালা নাকফুরুকা, ওয়া নাখলাউ ওয়া নাতরুকু, মাই ইয়াফ জুরুকা, আল্লাহুম্মা ইয়্যাকানা’বুদু, ওয়ালাকানুছল্লি, ওয়া নাসজুদু, ওয়া ইলাইকা নাসআ, ওয়া নাহফিদু, ওয়া নারজু রহমাতাকা, ওয়া নাখশা আযাবাকা, ইন্না আযাবাকা বিলকুফ্‌ফারি মুলহিক।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমরা আপনারই সাহায্যপ্রার্থী এবং একমাত্র আপনার কাছেই ক্ষমাপ্রার্থী। আপনার উপর আমরা ঈমান এনেছি এবং আপনার উপরই ভরসা করি, আপনার উত্তম প্রশংসা করি, আপনার শোকর আদায় করি, আপনার প্রতি অকৃতজ্ঞ হই না, যারা আপনার নাফরমানী করে, তাদেরকে পরিত্যাগ করি এবং তাদের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করি। হে আল্লাহ! আমরা আপনারই ইবাদাত করি, আপনার জন্যই নামায পড়ি এবং আপনার জন্যই সিজদা করি, আপনার দিকেই ধাবিত হই, আপনার হুকুম পালনের জন্যই প্রস্তুত থাকি, আপনার দয়ার আশা করি, এবং আমরা আপনার আযাবকে ভয় করি। নিশ্চাই আপনার প্রকৃত আযাব কাফেরদের উপর পতিত হবে।

১৬.

কুরআনে বর্ণিত রব্বানা দু‘আ-৪

۞ رَبَّنَا أَفْرِغْ عَلَيْنَا صَبْرًا وَّثَبِّتْ أَقْدَامَنَا وَانصُرْنَا عَلَى الْقَوْمِ الْكَافِرِيْنَ
উচ্চারণঃ

রাব্বানা-আফরিগ আলাইনা-সাবরাওঁ ওয়া ছাব্বিত আকদা-মানা-ওয়ানসুরনা-‘আলাল কাওমিল কা-ফিরীন।

অর্থঃ

হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের উপর সবরের গুণ ঢেলে দাও এবং আমাদেরকে অবিচল-পদ রাখ, আর কাফির সম্প্রদায়ের উপর আমাদেরকে সাহায্য ও বিজয় দান কর।

১৭.

মুসাফাহা করার দু‘আ

۞ يَغْفِرُ اللهُ لَنَا وَ لَكُمْ
উচ্চারণঃ

ইয়াগফিরুল্লাহু লানা ওয়া লাকুম।

অর্থঃ

আল্লাহ তা’আলা আমাদেরকেও ক্ষমা করুন এবং আপনাদেরকেও ক্ষমা করুন।

১৮.

কাউকে বিদায় দেয়ার সময় পড়বে

۞ اَسْتَوْدِعُ اللهَ دِيْنَكُمْ وَاَمَانَتَكُمْ وَخَوَاتِيْمَ اَعْمَالِكُمْ
উচ্চারণঃ

আস্তাউদি‘উল্লাহা দ্বীনাকুম, ওয়া আমানাতাকুম ওয়া খওয়াতীমা আ’মালিকুম।

অর্থঃ

তোমাদের দ্বীন ও ঈমানকে এবং তোমাদের আমানতদারীকে এবং তোমাদের ঈমানের উপর মৃত্যু আল্লাহ তা’আলার হাতে সোপর্দ করছি।

১৯.

নিজের প্রশংসা শুনলে বলা

۞ اَللّٰهُمَّ لاَ تُؤَاخِذْنِيْ بِمَا يَقُولُوْنَ ، وَاغْفِرْ لِيْ مَا لاَ يَعْلَمُوْنَ وَاجْعَلْنِيْ خَيْرًا مِّمَّا يَظُنُّوْنَ
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা লা তুআখিযনি বিমা ইয়াক্বুলুনা ওয়াগফিরলি মা লা ইয়া’লামুনা ওয়াজ’আলনি খইরাম মিম্মা ইয়াযুন্নুন।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! তাদের কথার জন্য আমাকে পাকড়াও করো না; তারা যা জানে না, সেসব বিষয়ে আমাকে মাফ করো; আর আমাকে তাদের ধারণার চেয়ে উত্তম বানিয়ে দাও।

২০.

উযূর শুরুতে পড়ার দু‘আ-১

۞ بِسْمِ اللهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِيْمِ
উচ্চারণঃ

বিসমিল্লাহির্‌ রাহ্‌মানির্‌ রাহীম।

অর্থঃ

আল্লাহর নামে শুরু করছি যিনি অসীম দয়ালু ও অত্যন্ত মেহেরবান।