দু’আ

মোট দু’আ - ৬২০ টি

সকল দু'আ একত্রে দেখুন

.

শ্বেত ও কুষ্ঠরোগ এবং মহামারী থেকে পানাহ চাওয়ার দু‘আ

۞ اَللّٰهُمَّ اِنِّىْ اَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْبَرَصِ وَ الْجُنُوْنِ وَ الْجُذَامِ وَمِنْ سَىِّءِ الْاَسْقَامِ
উচ্চারণঃ

আল্লহুম্মা ইন্নি আউযুবিকা মিনাল বারাসি ওয়াল জুনুনি ওয়াল জুযামি ওয়া মিন ছাইয়্যি ইল আসক্বম।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে আশ্রয় চাই শ্বেতকুষ্ঠ উন্মাদনা, কুষ্ঠরোগ এবং সমস্ত খারাপ রোগ থেকে।

.

মনের ব্যতিক্রম কিছু হলে পড়বে

۞ اَ لْحَمْدُ لِلّٰهِ عَلٰی كُلِّ حَالٍ
উচ্চারণঃ

আলহামদুলিল্লাহি ‘আলা কুল্লি হাল।

অর্থঃ

সর্বাবস্থায়ই আল্লাহ তা‘আলার প্রশংসা ও শোকর আদায় করছি।

.

শাষকের যুলুম থেকে আত্মরক্ষার দু‘আ

۞ اَللّٰهُمَّ رَبَّ السَّمَاوَاتِ السَّبْعِ وَرَبَّ الْعَرْشِ الْعَظِيْمِ، ‌كُنْ ‌لِيْ ‌جَارًا ‌مِنْ فُلَانِ بْنِ فُلَانٍ وَأَحْزَابِه مِنْ خَلَائِقِكَ؛ أَنْ يَّفْرُطَ عَلَيَّ أَحَدٌ مِنْهُمْ، أَوْ يَطْغَى، عَزَّ جَارُكَ، وَجَلَّ ثَنَاؤُكَ، وَلَا اِلٰهَ اِلَّا أَنْتَ
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা রাব্বাস সামা-ওয়া-তিস সাব‘ই ওয়া রাব্বাল ‘আরশিল ‘আযীম, কুন লী জা-রান মিন ফুলা-ন ইবনু ফুলা- ন ওয়া আ‘হযা-বিহী মিন খালা-ইক্বিকা আইঁ ইয়াফরুত্বা ‘আলাইয়্যা আ‘হাদুম মিনহুম আও ইয়াত্বগা-, ‘আযযা জা- রুকা ওয়া জাল্লা সানা-উকা, ওয়া লা- ইলা-হা ইল্লা- আনতা

অর্থঃ

হে আল্লাহ, সাত আসমানের প্রভু ও মহান আরশের প্রভু, আপনি আমাকে আশ্রয় প্রদান করেন অমুকের পুত্র অমুক (সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নাম মনে স্মরণ করবে) থেকে এবং আপনার সৃষ্টির মধ্য থেকে যারা তার দলবলে রয়েছে তাদের থেকে, তাদের কেউ যেন আমার বিষয়ে সীমালঙ্ঘন করতে না পারে বা আমার উপর অত্যাচার বা বিদ্রোহ করতে না পারে। আপনার প্রশংসা মহিমান্বিত। আপনি ছাড়া কোনো মা’বূদ নেই।

.

ঈমান রক্ষার দু‘আ-২

۞ رَبَّنَا لَاۤ تُزِغۡ قُلُوۡبَنَا بَعۡدَ اِذۡ هَدَيۡتَنَا وَهَبۡ لَنَا مِنۡ لَّدُنۡكَ رَحۡمَةً اِنَّكَ اَنۡتَ الۡوَهَّابُ
উচ্চারণঃ

রাব্বানা লা তুযিগ্ ক্বুলুবানা বা’দা ইয্ হাদাইতানা ওয়া হাব্‌লানা মিল্লা দুনকা রাহমাহ্ ইন্নাকা আনতাল ওয়াহ্‌হাব।

অর্থঃ

হে আমাদের প্রতিপালক! সরল পথ-প্রদর্শনের পর তুমি আমাদের অন্তরকে বক্র করো না এবং তোমার নিকট থেকে আমাদেরকে করুণা দান কর। নিশ্চয়ই তুমি মহান দাতা।

.

দুর্ভাগ্য এবং দুশমনের হাসি থেকে রক্ষা পাওয়ার দু‘আ

۞ اَللّٰهُمَّ اِنِّىْ اَعُوْذُبِكَ مِنْ جَهْدِالْبَلَاءِ وَدَرْكِ الشَّقَاءِ وَسُوْءِ الْقَضَاءِ و شَمَاتَةِ الْاَعْدَاءِ
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা ইন্নী আ‘ঊযুবিকা মিন জাহদিল বালা-ই ওয়া দারকিশ শাক্বা-ই ওয়া সূ-ইল ক্বদা-ই ওয়া শামাতাতিল আ’দা।

অর্থঃ

হে আল্লাহ, অবশ্যই আমি তোমার নিকট কঠিন দুরাবস্থা, দুর্ভাগ্যের নাগাল, মন্দভাগ্য এবং দুশমনের হাসি থেকে রক্ষা কামনা করছি।

.

অতিবৃষ্টি বন্ধের জন্য দু‘আ

۞ اَللّٰهُمَّ حَوَالَيْنَا وَلَا عَلَيْنَا، اَللّٰهُمَّ عَلَى الْاۤكَامِ وَالظِّرَابِ، وَبُطُوْنِ الْأَوْدِيَةِ، وَمَنَابِتِ الشَّجَرِ
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা হাওয়ালাইনা ওয়া লা-‘আলাইনা। আল্লাহুম্মা আলাল আকামি ওয়ায্যিরাবি ওয়া বুতূনিল আওদিয়াতি ওয়া মানাবিতিশ শাজারি।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! এ বৃষ্টি আমাদের আশপাশে (যেখানে প্রয়োজন) বর্ষণ করুন এবং আমাদের উপর (যেখানে প্রয়োজন নেই) বর্ষণ করবেন না। হে আল্লাহ! উঁচু ভূমিতে, পাহাড়ে, উপত্যকায় কোলে ও বনাঞ্চলে (বর্ষণ করুন)

.

নতুন চাঁদ দেখে পড়ার দু‘আ-১

۞ اَللّٰهُمَّ اَهِلَّهٗ عَلَيْنَا بِالْاَمْنِ وَالْاِيْمَانِ وَالسَّلَامَةِ وَالْاِسْلَامِ رَبِّيْ وَرَبُّكَ اللّٰهُ
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা আহিল্লাহু ‘আলাইনা বিল আমনি ওয়াল ইমানি, ওয়াস সালামাতি ওয়াল ইসলামি, রাব্বী ওয়া রব্বুকাল্লাহ।

অর্থঃ

হে আল্লাহ, এই চাঁদকে আমাদের উপর বরকত, ইমান, শান্তি ও ইসলামের সহিত উদিত করুন, হে চাঁদ, আমার ও তোমার রব আল্লাহ তা’আলা।

.

রজব ও শা‘বান মাসের দু‘আ

۞ اَللّٰهُمَّ بَارِكْ لَنَا فِيْ رَجَبَ وَشَعْبَانَ وَبَلِّغْنَا رَمَضَانَ
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা বারিক লানা ফী রজাবা ওয়া শা‘বানা ওয়া বাল্লিগনা রমাযানা।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আপনি আমাদেরকে রজব ও শা’বান মাসের বরকত দান করুন ও আমাদেরকে রামাযান মাসে পৌঁছে দিন।

.

রমযান মাসে পড়ার দু‘আ

۞ اَللّٰهُمَّ اِنَّا نَسْئَلُكَ الْجَنَّةَ وَنَعُوْذُبِكَ مِنَ النَّارِ
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা ইন্না নাসআলুকাল জান্নাতা ওয়া না‘ঊযুবিকা মিনান নারি।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আপনি আমাদেরকে জান্নাত দান করেন এবং জাহান্নাম থেকে রক্ষা করেন।

১০.

ইফতারের সময় পড়বে-২

۞ اَللّٰهُمَّ لَكَ صُمْتُ وَعَلٰى رِزْقِكَ اَفْطَرْتُ
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা লাকা ছুমতু ওয়া আলা রিজকিকা আফত্বারতু।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমি আপনার জন্যেই রোযা রেখেছি এবং আপনার রিযিক দ্বারা ইফতার করছি।

১১.

তাকবীরে তাশরীক

۞ اَللهُ أَكْبَرْ اَللهُ أَكْبَرْ. لَاۤ اِلٰهَ اِلَّا اللهُ . وَللهُ أَكْبَرْ اَللهُ أَكْبَرْ. وَ لِلّٰهِ الْحَمْدُ
উচ্চারণঃ

আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু, ওয়াল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার ওয়া লিল্লাহিল হামদ।

অর্থঃ

আল্লাহ মহান! আল্লাহ মহান! আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই, এবং আল্লাহ মহান, আল্লাহ মহান। এবং সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য।

১২.

কষ্ট দূর করার দু‘আ

۞ لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللّٰهِ وَلَا مَنْجَاَ مِنَ اللّٰهِ إِلَّا إِلَيْهِ
উচ্চারণঃ

লা হাওলা ওয়ালা-ক্বুওয়াতা ইল্লা-বিল্লাহি ওয়ালা মানজা মিনাল্লহি ইল্লা ইলাইহি।

অর্থঃ

আল্লাহর তাওফীক ছাড়া গুনাহ থেকে বেঁচে থাকা বা কোনো নেক কাজ করা সম্ভব নয়। এবং আল্লাহর সাহায্য ছাড়া মুক্তি পাওয়ার কোন পথ নেই।

১৩.

সাহরী খাওয়া

সাহরীর গুরুত্ব: রোযার নিয়তে সুবহে সাদিকের পূর্বে যে খাবার গ্রহণ করা হয় তা হল সাহরী। সাহরী খাওয়া সুন্নত। সাহরীতে পেট ভরে খাওয়া আবশ্যক নয়; এক দুই ঢোক পানি পান করেও এ সুন্নত আদায় করা যায়। শেষ ওয়াক্তে সাহরী গ্রহণ করা উত্তম: সাহরী করা যেমন মুস্তাহাব তেমনি তা ওয়াক্তের শেষ দিকে করাও উত্তম। অর্থাৎ সতর্কতামূলক সময় হাতে রেখে সুবহে সাদিকের পূর্ব-নিকটবর্তী সময়ে সাহরী করা ভালো। নবীজী (ﷺ) বলেন, আমরা নবীগণ এ মর্মে আদিষ্ট হয়েছি যে, সময় হওয়ার সাথে সাথেই ইফতার করব এবং শেষ ওয়াক্তে সাহরী গ্রহণ করব। (আল-মুজামুল আওসাত, তবারানী, হাদীস নং: ১৮৮৪; মাজমাউয যাওয়ায়েদ, হাদীস নং: ৪৮৮০) সাহাবায়ে কেরামের আমলও এরকম ছিল। হযরত আমর ইবনে মাইমুন আলআউদী রাহ. বলেন সাহাবায়ে কেরাম সময় হওয়ার সাথে সাথেই দ্রুত ইফতার করতেন আর শেষ ওয়াক্তে সাহরী করতেন। (মুসান্নাফে আবদুর রাযযাক, হাদীস ৭৫৯১; মুসান্নাফে ইবনে আবী শাইবা, হাদীস ৮৯৩২) সাহরীতে রয়েছে বরকত কিন্তু তা গ্রহণ করা ওয়াজিব নয়। কেননা নবী (ﷺ) ও তাঁর সাহাবীগণ একটানা রোযা পালন করেছেন অথচ সেখানে সাহরির কোন উল্লেখ নেই।

১৪.

অন্যের বাড়ীতে ইফতার করলে এ দু‘আ পাঠ করবে

۞ اَفْطَرَ عِنْدَكُمُ الصَّائِمُوْنَ وَاَكَلَ طَعَامَكُمُ الْاَ بْرَارُ وَصَلَّتْ عَلَيْكُمُ الْمَلَائِكَةُ
উচ্চারণঃ

আফত্বরা ‘ইনদাকুমুস সা-ইমূন ওয়া আকালা ত্ব‘আমাকুমুল আবরার, ওয়া সল্লাত ‘আলাইকুমুল মালাইকাতু।

অর্থঃ

রোযাদারগণ যেন তোমাদের বাড়ীতে ইফতার করে এবং নেক লোকেরা যেন তোমাদের খানা খায় এবং ফেরেশতাগণ যেন তোমাদের উপর রহমতের দু‘আ করে।

১৫.

ইলম চাওয়া এবং প্রশান্ত দেহ ও মন লাভের দু‘আ

۞ اَللّٰهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِكَ مِنْ عِلْمٍ لَا يَنْفَعُ وَمِنْ دُعَاءٍ لَا يُسْمَعُ وَ مِنْ قَلْبٍ لَا يَخْشَعُ وَمِنْ نَفْسٍ لَا تَشْبَعُ ‏
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা মিন ইলমিন লা-ইয়ান ফাউ’ ওয়ামিন দু‘আ ইন লা-ইয়ুস মাউ’ ওয়ামিন ক্বলবিন লা-ইয়াখশাউ’ ওয়ামিন নফসীন লা-তাশবাউ’

অর্থঃ

হে আল্লাহ্! আমি সেই জ্ঞান থেকে তোমার নিকট আশ্রয় চাই যা কোন উপকারে আসে না, এমন দু‘আ থেকে যা শোনা হয় না, সেই অন্তর থেকে যা ভীত হয় না এবং সেই দেহ থেকে যা তৃপ্ত হয় না।

১৬.

প্রচণ্ড ঝড়-বাতাস বইতে শুরু করলে পড়বে

۞ اَللّٰهُمَّ اِنِّىْ اَسْاٴَ لُكَ خَيْرَهَا وَخَيْرَ مَا فِيْهَا وَخَيْرَ مَا اُرْسِلَتْ بِهٖ وَاَعُوْذُ بِكَ مِنْ شَرِّهَا وَشَرِّ مَا فِيْهَا وَشَرِّ مَا اُرْسِلَتْ بِهٖ
উচ্চারণঃ

আল্লহুম্মা ইন্নী আসআলুকা খইরাহা- ওয়া খইরা মা- ফী-হা- ওয়া খইরামা- উরসিলতা বিহি- ওয়া আ‘ঊযুবিকা মিন শাররিহা ওয়া শাররি মা-ফী-হা- ওয়া শাররি মা-উরসিলাত বিহি-।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট প্রার্থনা করি এর কল্যাণ, এর মধ্যকার কল্যাণ এবং যা এর সাথে প্রেরিত হয়েছে তার কল্যাণ। আর আমি আপনার আশ্রয় চাই এর অনিষ্ট থেকে, এর ভেতরে নিহিত অনিষ্ট থেকে এবং যা এর সাথে প্রেরিত হয়েছে তার অনিষ্ট থেকে।

১৭.

মেঘের গর্জন শুনলে পড়বে-১

۞ اَللّٰهُمَّ لاَ تَقْتُلْنَا بِغَضَبِكَ وَلَا تُهْلِكْنَا بِعَذَابِكَ وَعَافِنَا قَبْلَ ذٰلِكَ
উচ্চারণঃ

আল্লহুম্মা লা তাক্বতুলনা বি গদ্বাবিকা ওয়ালা তুহলিকনা বি ‘আযাবিকা ওয়া ‘আাফিনা ক্ববলা যালিকা।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! দয়া করে আপনি আমাদেরকে আপনার গযবের দ্বারা মৃত্যু দেবেন না এবং আপনার আযাব দ্বারা ধ্বংস করবেন না। বরং এর পূর্বেই আমাদেরকে শান্তি ও নিরাপত্তা দান করুন।

১৮.

বজ্রপাতের সময়/মেঘের গর্জন শুনলে পড়বে-২

۞ سُبْحَانَ الَّذِي يُسَبِّحُ الرَّعْدُ بِحَمْدِ هٖ وَالْمَلاَئِكةُ مِنْ خِيفَتِهٖ
উচ্চারণঃ

সুবহা-নাল্লাযী ইউসাব্বিহুর রা‘দু বিহামদিহি ওয়ালমালাইকাতু মিন খী-ফাতিহি

অর্থঃ

পবিত্র-মহান সেই সত্তা, যার ভয়ে রা‘দ ফেরেশতাসহ সকল ফেরেশতা মহিমা ও পবিত্রতা ঘোষণা করে।

১৯.

বেশি বৃষ্টি হলে এই দু‘আ পড়বে

۞ اَللّٰهُمَّ حَوَالَيْنَا وَلَا عَلَيْنَا
উচ্চারণঃ

আল্লহুম্মা হাওয়া লাইনা ওয়ালা ‘আলাইনা।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! এ বৃষ্টি আমাদের আশপাশে (যেখানে প্রয়োজন) বর্ষণ করুন এবং আমাদের উপর (যেখানে প্রয়োজন নেই) বর্ষণ করবেন না।

২০.

পশু জবাইয়ের দু‘আ সমূহ

কুরবানীর পশু জবাই করার পূর্বে-১ ۞ إِنِّيْ وَجَّهْتُ وَجْهِيَ لِلَّذِيْ فَطَرَ السَّمَاوَاتِ وَالأَرْضَ حَنِيْفًا وَّمَا أَنَا مِنَ الْمُشْرِكِيْنَ إِنَّ صَلَاتِيْ وَنُسُكِيْ وَمَحْيَاىَ وَمَمَاتِيْ لِلّٰهِ رَبِّ الْعَالَمِيْنَ لَا شَرِيْكَ لَهٗ وَبِذٰلِكَ أُمِرْتُ وَأَنَا أَوَّلُ الْمُسْلِمِيْنَ اَللّٰهُمَّ مِنْكَ وَلَكَ উচ্চারণ: ইন্নী ওয়াজ্জাহতু ওয়াজহিয়া লিল্লাযী ফাতারাস সামাওয়াতি ওয়াল আরদা হানীফাওঁ ওয়া মা আনা মিনাল মুশরিকীন। ইন্না সালাতী ওয়া নুসুকী ওয়া মাহইয়া-ইয়া ওয়া মামাতী লিল্লাহি রাব্বিল ‘আলামীন। লা শারীকা লাহু ওয়া বি-যালিকা উমিরতু ওয়া আনা আওয়ালুল মুসলিমীন। আল্লাহুম্মা মিনকা ওয়া লাকা। অর্থ: নিশ্চয়ই আমি দৃঢ়ভাবে সেই মহান সত্তার অভিমুখী হলাম, যিনি আসমান ও জমিন সৃষ্টি করেছেন। আমি মুশরিকদের অন্তর্গত নই। নিশ্চয়ই আমার নামাজ, আমার কোরবানি, আমার জীবন ও আমার মরণ—সবই বিশ্ব প্রতিপালক মহান আল্লাহর জন্য নিবেদিত। তাঁর কোনো শরিক নেই। আমি এ কাজের জন্য আদিষ্ট হয়েছি। আর আমি মুসলিমদের একজন। হে আল্লাহ্! এটি তোমারই পক্ষ থেকে এবং তোমারই জন্য। (সুনানে আবূ দাউদ, হাদীস নং: ২৭৯৫; সুনানে ইবনে মাজা, হাদীস নং: ৩১২১) পশু জবাই করার সময় পড়ার দু‘আ-২ ۞ بِسْمِ اللهِ اَللهُ أَكْبَرْ উচ্চারণ: বিসমিল্লাহি আল্লাহু আকবার অর্থ: শুরু করছি আল্লাহর নামে, (কুরবানী করছি) যিনি সবচেয়ে মহান। বি:দ্র: পুরো দু‘আ না পারলেও অন্তত বিসমিল্লাহি আল্লাহু আকবার বলে কুরবানী করতে হবে। আল্লাহর নাম ছাড়া কোনভাবেই কুরবানী জায়েজ হবে না। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, যার উপর আল্লাহর নাম (বিসমিল্লাহ) উচ্চারণ করা হয়েছে তা থেকে তোমরা আহার করো। (সূরা আনআম, আয়াত: ১১৮) হাদিসে এসেছে- রাসূলুল্লাহ (ﷺ) দুটি শিংওয়ালা ভেড়া জবাই করলেন, তখন ‘বিসমিল্লাহ’ ও আল্লাহু আকবার’ বললেন। (সুনানে দারিমী, হাদীস নং: ১৯৮৮) পশু জবাই করার পর -৩ ۞ اَللّٰهُمَّ تَقَبَّلْهُ مِنِّىْ كَمَا تَقَبَّلْتَ مِنْ حَبِيْبِكَ سَيِّدِنَا رَسُوْلِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَخَلِيْلِكَ سَيِّدِنَا إِبْرَاهِيْمَ عَلَيْهِ السَّلاَمِ উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা তাক্বাব্বালহু মিন্নী কামা তাক্বাব্বালতা মিন হাবীবিকা সাইয়্যিদিনা রসূলিল্লাহি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ওয়া খলীলিকা সাইয়্যিদিনা ইবরাহীমা আলাইহিস সালাম। অর্থ: হে আল্লাহ! আপনি এটি আমার পক্ষ থেকে কবুল করুন, যেভাবে কবুল করেছিলেন আপনার প্রিয় হাবীব হযরত মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এবং আপনার খলীল হযরত ইবরাহীম (আলাইহিস সালাম) এর কাছ থেকে। (সুনানে ইবনে মাজা, হাদীস নং: ৩১২১)