দু’আ

মোট দু’আ - ৬২০ টি

সকল দু'আ একত্রে দেখুন

.

সূরা মুমিনূনের শেষ ৪ আয়াত

۞ اَفَحَسِبۡتُمۡ اَنَّمَا خَلَقۡنٰكُمۡ عَبَثًا وَّاَنَّكُمۡ اِلَيۡنَا لَا تُرۡجَعُوۡنَ‏ ﴿۱۱۵﴾ فَتَعٰلَى اللّٰهُ الۡمَلِكُ الۡحَـقُّ‌ ۚ لَاۤ اِلٰهَ اِلَّا هُوَ‌ۚ رَبُّ الۡعَرۡشِ الۡـكَرِيۡمِ‏ ﴿۱۱۶﴾ وَمَنۡ يَّدۡعُ مَعَ اللّٰهِ اِلٰهًا اٰخَرَۙ لَا بُرۡهَانَ لَهٗ بِهٖۙ فَاِنَّمَا حِسَابُهٗ عِنۡدَ رَبِّهٖؕ اِنَّهٗ لَا يُفۡلِحُ الۡـكٰفِرُوۡنَ‏ ﴿۱۱۷﴾ وَقُلْ رَّبِّ اغۡفِرۡ وَارۡحَمۡ وَاَنۡتَ خَيۡرُ الرّٰحِمِيۡنَ‏ ﴿۱۱۸﴾
উচ্চারণঃ

(১১৫) আফাহাছিবতুম আন্নামা-খালাকনা-কুম আবাছাওঁ ওয়া আন্নাকুম ইলাইনা-লা-তুরজা‘ঊন। (১১৬) ফাতাআ-লাল্লা-হুল মালিকুল হাক্কু লাইলা-হা ইল্লা-হুওয়া, রাব্বুল ‘আরশিল কারীম। (১১৭) ওয়া মাইঁ ইয়াদ‘উ মা‘আল্লা-হি ইলা-হান আ-খারা লা-বুরহা-না লাহূবিহী ফাইন্নামাহিছা-বুহূ‘ইনদা রাব্বিহী ইন্নাহূলা-ইউফলিহুল কা-ফিরূন। (১১৮) ওয়া কুর রাব্বিগফির ওয়ারহাম ওয়া আনতা খাইরুররা-হিমীন।

অর্থঃ

(১১৫) তবে কি তোমরা মনে করেছিলে যে, আমি তোমাদেরকে অহেতুক সৃষ্টি করেছি এবং তোমাদেরকে আমার কাছে ফিরিয়ে আনা হবে না? (১১৬) অতি মহিমাময় আল্লাহ, যিনি প্রকৃত বাদশাহ। তিনি ছাড়া কোন মাবুদ নেই। তিনি সম্মানিত আরশের মালিক। (১১৭) যে ব্যক্তি আল্লাহ ছাড়া অন্য কোন মাবুদকে ডাকে, যে সম্পর্কে তার কাছে কোন রকম দলীল-প্রমাণ নেই, তার হিসাব তার প্রতিপালকের নিকট আছে। জেনে রেখ, কাফেরগণ সফলকাম হতে পারে না। (১১৮) (হে রাসূল!) বল, হে আমার প্রতিপালক, আমার ত্রুটিসমূহ ক্ষমা কর ও দয়া কর। তুমি দয়ালুদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ দয়ালু।

.

মসজিদে প্রবেশের দু‘আ-২

‏ ۞ أَعُوْذُ بِاللهِ الْعَظِيْمِ وَبِوَجْهِهِ الْكَرِيْمِ وَسُلْطَانِهِ الْقَدِيْمِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيْمِ
উচ্চারণঃ

আ‘ঊযু বিল্লা-হিল ‘আযীম, ওয়া বিওয়াজহিহিল কারীম, ওয়াসুলতা-নিহিল ক্বদীম, মিনাশ শাইত্বা-নির রাজীম।

অর্থঃ

আমি মহান আল্লাহর নিকট তাঁর করুণাসিক্ত জাত ও চির পরাক্রমশালী শক্তির মাধ্যমে-অনিষ্টকারী শয়তান হতে আত্মরক্ষার জন্য সাহায্য প্রার্থনা করছি।

.

সূরা ফাতিহা

بِسۡمِ اللهِ الرَّحۡمٰنِ الرَّحِيۡمِ اَلۡحَمۡدُ لِلّٰهِ رَبِّ الۡعٰلَمِيۡنَۙ‏ ﴿۱﴾ الرَّحۡمٰنِ الرَّحِيۡمِۙ‏ ﴿۲﴾ مٰلِكِ يَوۡمِ الدِّيۡنِؕ‏ ﴿۳﴾ اِيَّاكَ نَعۡبُدُ وَاِيَّاكَ نَسۡتَعِيۡنُؕ‏ ﴿۴﴾ اِهۡدِنَا الصِّرَاطَ الۡمُسۡتَقِيۡمَۙ‏ ﴿۵﴾ صِرَاطَ الَّذِيۡنَ اَنۡعَمۡتَ عَلَيۡهِمۡ ۙ‏ ﴿۶﴾ غَيۡرِ الۡمَغۡضُوۡبِ عَلَيۡهِمۡ وَلَا الضَّآلِّيۡنَ‏ ﴿۷﴾
উচ্চারণঃ

শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু। (১) সকল প্রশংসা জগতসমূহের প্রতিপালক আল্লাহরই, (২) যিনি দয়াময়, পরম দয়ালু, (৩) কর্মফল দিবসের মালিক। (৪) আমরা শুধু তোমারই ‘ইবাদত করি, শুধু তোমারই সাহায্য প্রার্থনা করি, (৫) আমাদেরকে সরল পথ প্রদর্শন কর, (৬) তাদের পথ, যাদেরকে তুমি অনুগ্রহ দান করেছ, (৭) তাদের পথ নয় যারা ক্রোধ-নিপতিত ও পথভ্রষ্ট।

অর্থঃ

বিছমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। আল হামদুলিল্লা-হি রাব্বিল ‘আ-লামীন। আররাহমা-নির রাহীম। মা-লিকি ইয়াওমিদ্দীন। ইয়্যা-কা না‘বুদুওয়া ইয়্যা-কা নাছতা‘ঈন। ইহদিনাসসিরা-তাল মুছতাকীম। সিরা-তাল্লাযীনা আন‘আমতা ‘আলাইহিম । গাইরিল মাগদূ বি ‘আলাইহিম ওয়ালাদ্দাল্লীন।

.

সূরা বাকারার ২৫৫, ২৫৬ ও ২৫৭ নং আয়াত (আয়াতুল কুরসি ও পরের দুই আয়াত)

۞ اَللّٰهُ لَاۤ اِلٰهَ اِلَّا هُوَ الۡحَـىُّ الۡقَيُّوۡمُ لَا تَاۡخُذُهٗ سِنَةٌ وَّلَا نَوۡمٌ‌ؕ لَهٗ مَا فِى السَّمٰوٰتِ وَمَا فِى الۡاَرۡضِ‌ؕ مَنۡ ذَا الَّذِىۡ يَشۡفَعُ عِنۡدَهٗۤ اِلَّا بِاِذۡنِهٖ‌ؕ يَعۡلَمُ مَا بَيۡنَ اَيۡدِيۡهِمۡ وَمَا خَلۡفَهُمۡ‌ۚ وَلَا يُحِيۡطُوۡنَ بِشَىۡءٍ مِّنۡ عِلۡمِهٖۤ اِلَّا بِمَا شَآءَ ۚ وَسِعَ كُرۡسِيُّهُ السَّمٰوٰتِ وَالۡاَرۡضَ‌‌ۚ وَلَا يَـــُٔوۡدُهٗ حِفۡظُهُمَا ‌ۚ وَ هُوَ الۡعَلِىُّ الۡعَظِيۡمُ‏ ﴿۲۵۵﴾ لَاۤ اِكۡرَاهَ فِى الدِّيۡنِ‌ۙ قَد تَّبَيَّنَ الرُّشۡدُ مِنَ الۡغَىِّ‌ۚ فَمَنۡ يَّكۡفُرۡ بِالطَّاغُوۡتِ وَيُؤۡمِنۡۢ بِاللّٰهِ فَقَدِ اسۡتَمۡسَكَ بِالۡعُرۡوَةِ الۡوُثۡقٰى لَا انْفِصَامَ لَهَا‌‌ ؕ وَاللّٰهُ سَمِيۡعٌ عَلِيۡمٌ‏ ﴿۲۵۶﴾ اَللّٰهُ وَلِىُّ الَّذِيۡنَ اٰمَنُوۡا يُخۡرِجُهُمۡ مِّنَ الظُّلُمٰتِ اِلَى النُّوۡرِ‌ وَالَّذِيۡنَ كَفَرُوۡۤا اَوۡلِيٰٓـــُٔهُمُ الطَّاغُوۡتُۙ يُخۡرِجُوۡنَهُمۡ مِّنَ النُّوۡرِ اِلَى الظُّلُمٰتِ‌ؕ اُولٰٓٮِٕكَ اَصۡحٰبُ النَّارِ‌‌ۚ هُمۡ فِيۡهَا خٰلِدُوۡنَ‏ ﴿۲۵۷﴾
উচ্চারণঃ

(২৫৫) আল্লা-হু লাইলা-হা ইল্লা-হুওয়া আল হাইয়ুল কাইয়ূমু লা-তা’খুযুহূ ছিনাতুওঁ ওয়ালা-নাওমুন লাহূ মা-ফিছ ছামা-ওয়া-তি ওয়ামা-ফিল আরদি মান যাল্লাযী ইয়াশফা‘উ ‘ইনদাহূইল্লা-বিইযনিহী ইয়া‘লামুমা-বাইনা আইদীহিম ওয়ামা-খালফাহুম ওয়ালা-ইউহ ীতূনা বিশাইইম মিন ‘ইলমিহীইল্লা-বিমা-শাআ ওয়াছি‘আ কুরছিইয়ুহুছ ছামা-ওয়া-তি ওয়াল আরদা ওয়ালা-ইয়াঊদুহু হিফজু হুমা-ওয়া হুওয়াল ‘আলিইয়ূল ‘আজীম। (২৫৬) লাইকরা-হা ফিদ্দীনি কাততাবাইইয়ানার রুশদু মিনাল গাইয়ি ফামাইঁ ইয়াকফুর বিত্তা-গূতি ওয়া ইউ’মিমবিল্লা-হি ফাকাদিছ তামছাকা বিল‘উরওয়াতিল উছকা লানফিসা-মা লাহা-ওয়াল্লা-হু ছামী‘উন ‘আলীম। (২৫৭) আল্লা-হু ওয়ালিইয়ূল্লাযীনা আ-মানূ ইউখরিজুহুম মিনাজ্জু লুমা-তি ইলান নূরি ওয়াল্লাযীনা কাফারুআওলিয়াউহুমুত্তা-গুতু ইউখরিজূনাহুম মিনান নূরি ইলাজ্জুলুমা-তি উলাইকা আসহা-বুন্না-রি হুম ফীহা-খা-লিদূ ন।

অর্থঃ

(২৫৫) আল্লাহ তিনি, যিনি ছাড়া কোনও মাবুদ নেই, যিনি চিরঞ্জীব, (সমগ্র সৃষ্টির) নিয়ন্ত্রক, যাঁর কখনও তন্দ্রা পায় না এবং নিদ্রাও নয়, আকাশমণ্ডলে যা-কিছু আছে (তাও) এবং পৃথিবীতে যা-কিছু আছে (তাও) সব তাঁরই। কে আছে, যে তাঁর সমীপে তাঁর অনুমতি ছাড়া সুপারিশ করবে? তিনি সকল বান্দার পূর্ব-পশ্চাৎ সকল অবস্থা সম্পর্কে সম্যক অবগত। তারা তাঁর জ্ঞানের কোনও বিষয় নিজ আয়ত্তে নিতে পারে না কেবল সেই বিষয় ছাড়া, যা তিনি নিজে ইচ্ছা করেন। তাঁর কুরসী আকাশমণ্ডল ও পৃথিবীকে পরিবেষ্টন করে রেখেছে। আর এ দু’টোর তত্ত্বাবধানে তাঁর বিন্দুমাত্র কষ্ট হয় না এবং তিনি অতি উচ্চ মর্যাদাসম্পন্ন ও মহিমাময়। (২৫৬) দীনের বিষয়ে কোনও জবরদস্তি নেই। হিদায়াতের পথ গোমরাহী থেকে সুস্পষ্ট হয়ে গেছে। এর পর যে ব্যক্তি তাগুতকে অস্বীকার করে আল্লাহর প্রতি ঈমান আনবে, সে এক মজবুত হাতল আঁকড়ে ধরল, যা ভেঙ্গে যাওয়ার কোনও আশঙ্কা নেই। আল্লাহ সবকিছু শোনেন ও সবকিছু জানেন। (২৫৭) আল্লাহ মুমিনদের অভিভাবক। তিনি তাদেরকে অন্ধকার থেকে বের করে আলোতে নিয়ে আসেন। আর যারা কুফর অবলম্বন করেছে তাদের অভিভাবক শয়তান, যারা তাদেরকে আলো থেকে বের করে অন্ধকারে নিয়ে যায়। তারা সকলে অগ্নিবাসী। তারা সর্বদা তাতেই থাকবে।

.

সূরা কাফিরুন

۞ قُلۡ يٰۤاَيُّهَا الۡكٰفِرُوۡنَۙ‏ ﴿۱﴾ لَاۤ اَعۡبُدُ مَا تَعۡبُدُوۡنَۙ‏ ﴿۲﴾ وَلَاۤ اَنۡـتُمۡ عٰبِدُوۡنَ مَاۤ اَعۡبُدُ‌ ۚ‏ ﴿۳﴾ وَلَاۤ اَنَا عَابِدٌ مَّا عَبَدۡتُّمۡۙ‏ ﴿۴﴾ وَ لَاۤ اَنۡـتُمۡ عٰبِدُوۡنَ مَاۤ اَعۡبُدُ ؕ‏ ﴿۵﴾ لَـكُمۡ دِيۡنُكُمۡ وَلِىَ دِيۡنِ‏ ﴿۶﴾
উচ্চারণঃ

(১)কুল ইয়াআইয়ুহাল কা-ফিরূন। (২) লাআ‘বুদুমা-তা‘বুদূন। (৩) ওয়ালাআনতুম ‘আ-বিদূনা মাআ‘বুদ। (৪) ওয়ালাআনা ‘আ-বিদুম মা-‘আবাত্তুম, (৫) ওয়ালাআনতুম ‘আ-বিদূনা মাআ‘বুদ। (৬) লাকুম দীনুকুম ওয়ালিয়া দীন।

অর্থঃ

(১) বলে দাও, হে সত্য-অস্বীকারকারীগণ! (২) আমি সেই সব বস্তুর ইবাদত করি না, যাদের ইবাদত তোমরা কর, (৩) এবং তোমরা তাঁর ইবাদত কর না যার ইবাদত আমি করি। (৪) এবং আমি (ভবিষ্যতে) তার ইবাদতকারী নই, যার ইবাদত তোমরা কর। (৫) এবং তোমরাও তার ইবাদতকারী নও, যার ইবাদত আমি করি। (৬) তোমাদের জন্য তোমাদের দীন এবং আমার জন্য আমার দীন।

.

সূরা ফালাক

۞ قُلۡ اَعُوۡذُ بِرَبِّ الۡفَلَقِۙ‏ ﴿۱﴾ مِنۡ شَرِّ مَا خَلَقَۙ‏ ﴿۲﴾ وَمِنۡ شَرِّ غَاسِقٍ اِذَا وَقَبَۙ‏ ﴿۳﴾ وَمِنۡ شَرِّ النَّفّٰثٰتِ فِى الۡعُقَدِۙ‏ ﴿۴﴾ وَمِنۡ شَرِّ حَاسِدٍ اِذَا حَسَدَ‏ ﴿۵﴾
উচ্চারণঃ

(১)কুল আ‘ঊযুবিরাব্বিল ফালাক (২) মিন শাররি মা-খালাক। (৩) ওয়া মিন শাররি গা-ছিকিন ইযা-ওয়াকাব। (৪) ওয়া মিন শাররিন নাফফা-ছা-তি ফিল ‘উকাদ। (৫) ওয়া মিন শাররি হা-ছিদিন ইযা-হাছাদ।

অর্থঃ

(১) বল, আমি ভোরের মালিকের আশ্রয় গ্রহণ করছি (২) তিনি যা-কিছু সৃষ্টি করেছেন তার অনিষ্ট হতে (৩) এবং অন্ধকার রাতের অনিষ্ট থেকে, যখন তা ছেয়ে যায় (৪) এবং সেই সব ব্যক্তির অনিষ্ট হতে, যারা (তাগা বা সুতার) গিরায় ফুঁ দেয় (৫) এবং হিংসুকের অনিষ্ট হতে, যখন সে হিংসা করে।

.

সূরা নাস

۞ قُلۡ اَعُوۡذُ بِرَبِّ النَّاسِۙ‏ ﴿۱﴾ مَلِكِ النَّاسِۙ‏ ﴿۲﴾ اِلٰهِ النَّاسِۙ‏ ﴿۳﴾ مِنۡ شَرِّ الۡوَسۡوَاسِ  ۙ الۡخَـنَّاسِ ۙ‏ ﴿۴﴾ الَّذِىۡ يُوَسۡوِسُ فِىۡ صُدُوۡرِ النَّاسِۙ‏ ﴿۵﴾ مِنَ الۡجِنَّةِ وَالنَّاسِ‏ ﴿۶﴾
উচ্চারণঃ

(১) কুল আ‘ঊযুবিরাব্বিন্না-ছ, (২) মালিকিন্না-ছ, (৩) ইলা-হিন্না-ছ। (৪) মিন শাররিল ওয়াছ ওয়া-ছিল খান্না-ছ। (৫) আল্লাযী ইউওয়াছবিছুফী সুদূরিন্নাছ-। (৬) মিনাল জিন্নাতি ওয়ান্না-ছ।

অর্থঃ

(১) বল, আমি আশ্রয় গ্রহণ করছি সমস্ত মানুষের প্রতিপালকের (২) সমস্ত মানুষের অধিপতির (৩) সমস্ত মানুষের মাবূদের (৪) সেই কুমন্ত্রণাদাতার অনিষ্ট হতে, যে পেছনে আত্মগোপন করে (৫) যে মানুষের অন্তরে কুমন্ত্রণা দেয়, (৬) সে জিনদের মধ্য হতে হোক বা মানুষের মধ্য হতে।

.

সকাল-সন্ধ্যার কালিমা

۞ اَللّٰهُمَّ عَالِمَ الغَيْبِ وَالشَّهَادَةِ فَاطِرَ السَّمَا وَاتِ وَالْأَرْضِ، رَبَّ كُلِّ شَيْءٍ وَّمَلِيْكَهٗ، أَشْهَدُ أَنْ لَّا إِلٰهَ إِلَّا أَنْتَ، أَعُوْذُ بِكَ مِنْ شَرِّ نَفْسِيْ، وَمِنْ شَرِّ الشَّيْطَانِ وَشِرْكِه، وَأَنْ أَقْتَرِفَ عَلَى نَفْسِيْ سُوْءًا، أَوْ أَجُرَّهٗ إِلٰى مُسْلِمٍ
উচ্চারণঃ

আল্লা-হুম্মা ‘আ-লিমাল গাইবি ওয়াশ শাহা-দাতি, ফা-ত্বিরাস সামা-ওয়া-তি ওয়াল আরদ্বি, রাব্বা কুল্লি শাই’ইন ওয়া মালীকাহু, আশহাদু আল্লা ইলা-হা ইল্লা আনতা, আ‘উযু বিকা মিন শাররি নাফসী, ওয়ামিন শাররিশ শাইত্বা-নী ওয়াশিরকিহী, ওয়া আন আক্বতারিফা ‘আলা নাফসী সূ’আন আউ আ-জুররাহু ইলা মুসলিম।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! হে গায়েব ও উপস্থিতের জ্ঞানী, হে আসমানসমূহ ও যমীনের স্রষ্টা, হে সব কিছুর রব্ব ও মালিক! আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আপনি ছাড়া আর কোনো ইলাহ নেই। আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই আমার আত্মার অনিষ্ট থেকে, শয়তানের অনিষ্টতা থেকে ও তার শিরক বা তার ফাঁদ থেকে, আমার নিজের উপর কোনো অনিষ্ট করা, অথবা কোনো মুসলিমের দিকে তা টেনে নেওয়া থেকে।

.

দুধ পান করার সময় পড়বে

۞ اَللّٰهُمَّ بَارِكْ لَنَا فِيْهِ وَزِدْنَا مِنْهُ
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা বারিক-লানা ফীহি ওয়াযিদনা মিনহ্‌।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আপনি এই দুধের মধ্যে বরকত দান করুন এবং অধিক পরিমাণে দান করুন।

১০.

বিছানায় শুয়ে পড়বে-২

۞ اَللّٰهُمَّ إِنَّكَ خَلَقْتَ نَفْسِيْ وَأَنْتَ تَوَفَّاهَا، لَكَ مَمَاتُهَا وَمَحْيَاهَا، إِنْ أَحْيَيْتَهَا فَاحْفَظْهَا، وَإِنْ أَمَتَّهَا فَاغْفِرْ لَهَا. اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَسْأَلُكَ الْعَافِيَةَ
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা ইন্নাকা খালাকতা নাফসী ওয়া আনতা তাওয়াফ্ফাহা। লাকা মামা-তুহা ওয়া মাহ্ইয়া-হা। ইন্ আহ্ইয়াইতাহা ফাহ্ফায্হা ওয়াইন আমাত্তাহা ফাগফির লাহা। আল্লা-হুম্মা ইন্নী আস্আলুকাল ‘আ-ফিয়াতা।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! নিশ্চয় আপনি আমার আত্মাকে সৃষ্টি করেছেন এবং আপনি তার মৃত্যু ঘটাবেন। তার মৃত্যু ও তার জীবন আপনার মালিকানায়। যদি তাকে বাঁচিয়ে রাখেন তাহলে আপনি তার হেফাযত করুন, আর যদি তার মৃত্যু ঘটান তবে তাকে মাফ করে দিন। হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে নিরাপত্তা চাই।

১১.

বিছানায় শুয়ে পড়বে-৫

۞ اَلْحَمْدُ لِلّٰهِ الَّذِيْ أَطْعَمَنَا وَسَقَانَا، وَكَفَانَا، وَآوَانَا، فَكَمْ مِمَّنْ لَا كَافِيَ لَهٗ وَ لَا مُؤْوِيَ
উচ্চারণঃ

আলহামদু লিল্লা-হিল্লাযী আত‘আমানা, ওয়া সাক্বা-না, ওয়া কাফা-না, ওয়া আ-ওয়ানা, ফাকাম্ মিম্মান লা কা-ফিয়া লাহু, ওয়ালা মু’উইয়া

অর্থঃ

সকল প্রশংসা আল্লাহ্র জন্য, যিনি আমাদেরকে আহার করিয়েছেন, পান করিয়েছেন, আমাদের প্রয়োজন পূরণ করেছেন এবং আমাদেরকে আশ্রয় দিয়েছেন। কেননা, এমন বহু লোক আছে যাদের প্রয়োজন পূরণকারী কেউ নেই এবং যাদের আশ্রয়দানকারীও কেউ নেই।

১২.

সফর অবস্থায় কোন গ্রাম বা মহল্লায় প্রবেশকালের দু‘আ

۞ اَللّٰهُمَّ بَارِكْ لَنَا فِيْهَا অতঃপর- ۞ اَللّٰهُمَّ ارْزُقْنَا جَنَاهَا وَحَبِّبْنَا اِلٰی اَهْلِهَا وَحَبِّبْ صَالِحِىْ اَهْلِهَا اِلَيْنَا
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা বারিক লানা ফী হা। (এরপর পড়বে) - আল্লাহুম্মার যুক্বনা জানাহা ওয়া হাব্বিবনা ইলা আহলিহা ওয়া হাব্বিব সালিহী আহলিহা ইলাইনা।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আপনি আমাদের জন্য এ এলাকার (কল্যাণ) দান করুন এবং তাদের অন্তরে আমাদের প্রতি মহব্বত সৃষ্টি করে দিন এবং এর নেককার অধিবাসীদের প্রতি আমাদের অন্তরে মহব্বত দান করুন।

১৩.

কাপড় পরিধানের দু‘আ

۞ اَلْحَمْدُ لِلّٰهِ الَّذِيْ كَسَانِىْ هَذَا الثَّوْبَ وَرَزَقَنِيْهِ مِنْ غَيْرِ حَوْلٍ مِنِّيْ وَلَا قُوَّةٍ
উচ্চারণঃ

আলহামদু লিল্লা হিল্লাযী কাসানী হাযাস ছাউবা ওয়া রযাক্বনীহি মিন গইরি হাওলিম মিন্নী ওয়ালা কুউওয়াহ।

অর্থঃ

সমস্ত প্রশংসা সেই আল্লাহর জন্য যিনি আমাকে এই পোষাক পরিধান করিয়েছেন এবং আমার চেষ্টা ও সামর্থ্য ছাড়া আমাকে তা নসীব করিয়েছেন।

১৪.

সূরা আল-মাঊন

أَرَأَيْتَ الَّذِي يُكَذِّبُ بِالدِّينِ فَذَٰلِكَ الَّذِي يَدُعُّ الْيَتِيمَ وَلَا يَحُضُّ عَلَىٰ طَعَامِ الْمِسْكِينِ فَوَيْلٌ لِّلْمُصَلِّينَ الَّذِينَ هُمْ عَن صَلَاتِهِمْ سَاهُونَ الَّذِينَ هُمْ يُرَاءُونَ وَيَمْنَعُونَ الْمَاعُونَ
উচ্চারণঃ

আরাআইতাল্লাযী ইউকাযযি বুবিদ্দীন। ফাযা-লিকাল্লাযী ইয়াদু‘‘উল ইয়াতীম। ওয়ালা-ইয়াহুদ্দু‘আলা-তা‘আ-মিল মিছকীন। ফাওয়াইঁলুলিলল মুসাল্লীন। আল্লাযীনাহুম ‘আন সালা-তিহিমি ছা-হূন। আল্লাযীনা হুম ইউরাঊনা। ওয়া ইয়ামনা‘ঊনাল মা-‘ঊন।

১৫.

সূরা আল-কাফিরুন

قُلْ يَا أَيُّهَا الْكَافِرُونَ لَا أَعْبُدُ مَا تَعْبُدُونَ وَلَا أَنتُمْ عَابِدُونَ مَا أَعْبُدُ وَلَا أَنَا عَابِدٌ مَّا عَبَدتُّمْ وَلَا أَنتُمْ عَابِدُونَ مَا أَعْبُدُ لَكُمْ دِينُكُمْ وَلِيَ دِينِ
উচ্চারণঃ

কুল ইয়াআইয়ুহাল কা-ফিরূন। লাআ‘বুদুমা-তা‘বুদূন। ওয়ালাআনতুম ‘আ-বিদূনা মাআ‘বুদ। ওয়ালা আনা ‘আ-বিদুম মা-‘আবাত্তুম, ওয়ালাআনতুম ‘আ-বিদূনা মাআ‘বুদ। লাকুম দীনুকুম ওয়ালিয়া দীন।

১৬.

মজলিস থেকে উঠার সময় পড়বে

۞ رَبِّ اغْفِرْ لِيْ، وَتُبْ عَلَيَّ، إِنَّكَ أَنْتَ التَّوَّابُ الغَفُوْرُ
উচ্চারণঃ

রব্বিগফির লী ওয়াতুব ‘আলাইয়্যা, ইন্নাকা আনতাত্ তাউওয়া-বুল গাফূর।

অর্থঃ

হে আমার রব্ব! আপনি আমাকে মাফ করুন এবং তাওবাহ কবূল করুন; নিশ্চয় আপনিই তওবা কবূলকারী ক্ষমাশীল।

১৭.

মাইয়্যেত যদি নাবালক ছেলে হয় এই দু‘আ পড়বে

۞ اَللّٰهُمَّ اجْعَلْهُ لَنَا فَرَطًا وَّاجْعَلْهُ لَنَا اَجْرًا وَّذُخْرًا وَّاجْعَلْهُ لَنَا شَافِعًا وَّمُشَفَّعًا
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মাজ আলহু লানা ফারতাঁও ওয়াজ আলহু লানা আজরাও ওয়া যুখরাঁও ওয়াজ আলহু লানা শাফিয়াও ওয়া মুশাফফাআন।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! তাকে আমাদের জন্য অগ্রগামী কর ও তাকে আমাদের পুরস্কার ও সাহায্যের উপলক্ষ কর এবং তাকে আমাদের সুপারিশকারী ও গ্রহণীয় সুপারিশকারী বানাও।

১৮.

সূরা আল-লাহাব

تَبَّتْ يَدَا أَبِي لَهَبٍ وَتَبّ مَا أَغْنَىٰ عَنْهُ مَالُهُ وَمَا كَسَبَ سَيَصْلَىٰ نَارًا ذَاتَ لَهَبٍ وَامْرَأَتُهُ حَمَّالَةَ الْحَطَبِ فِي جِيدِهَا حَبْلٌ مِّن مَّسَدٍ
উচ্চারণঃ

তাব্বাত ইয়াদাআবী লাহাবিওঁ ওয়া তাবব। মাআগনা-‘আনহু মা-লুহূওয়ামা-কাছাব। ছাইয়াসলা-না-রান যা-তা লাহাব। ওয়ামরাআতুহূ; হাম্মা-লাতাল হাতাব। ফী জীদিহা-হাবলুম মিম মাছাদ।

১৯.

শত্রু বা যালিমের সম্মুখীন হলে পড়বে–২

۞ حَسْبُنَا اللّٰهُ وَنِعْمَ الْوَكِيْلُ
উচ্চারণঃ

হাসবুনাল্লা-হু ওয়া নি‘মাল ওয়াকীল

অর্থঃ

আল্লাহই আমাদের জন্য যথেষ্ট, আর তিনি কতই না উত্তম কর্মবিধায়ক।

২০.

সূর্য উঠার সময় পড়বে

۞ اَلْحَمْدُ لِلّٰهِ الَّذِىْ اَقَالَنَا يَوْمَنَا هَذَا وَلَمْ يُهْلِكْنَا بِذُنُوْبِنَا
উচ্চারণঃ

আলহামদু লিল্লাহিল্লাযী আক্বালানা ইয়াওমানা হাযা ওয়ালাম ইউহলিকনা বিযুনূবিনা।

অর্থঃ

সকল প্রশংসা ঐ আল্লাহ তা‘আলার জন্য যিনি আজকের দিনে আমাদেরকে ক্ষমা করে দিয়েছেন এবং আমাদের গুনাহের কারণে আমাদেরকে ধ্বংস করেননি।