দু’আ

মোট দু’আ - ৬৩৬ টি

সকল দু'আ একত্রে দেখুন

১.

চিন্তামুক্ত সফরের দু‘আ

۞ رَبِّ اَدْخِـلْـنِـىْ مُـدْخَـلَ صِـدْقٍ وَّاَخْـرِجْـنِـىْ مُـخْـرَجَ صِـدْقٍ وَّاجْـعَـلْ لِّـىْ مِـنْ لَّدُنْـكَ سُلْطَانًا نَصِيْرًا
উচ্চারণঃ

রাব্বি আদ্‌খিল্‌নি মুদ্‌খালা সিদক্বিও ওয়া আখ্‌রিযনি মুখ্‌রাজা সিদ্‌কিও ওয়াজা’আল্লি মিল্লাদুন্‌কা সুল্‌তা-নান্ন নাসি-রা।

অর্থঃ

হে আমার প্রতিপালক! আমাকে প্রবেশ করাও কল্যাণের সাথে এবং আমাকে নিষ্ক্রান্ত বাহির করাও কল্যাণের সাথে এবং তোমার নিকট হতে আমাকে দান করো সাহায্যকারী শক্তি।

২.

পিতা-মাতার জন্য দু‘আ

۞ رَبِّ ارْحَـمْـهُـمَـا كَـمَـا رَبَّيَانِيْ صَـغِـيْـرًا
উচ্চারণঃ

রব্বির হাম্‌ হুমা কামা রব্বা ইয়ানি সগিরা

অর্থঃ

হে আমাদের প্রতিপালক! তাদের উভয়ের (পিতা-মাতার) প্রতি দয়া কর যেভাবে শৈশবে তারা আমাকে প্রতিপালন করেছিলেন।

৩.

টয়লেটে প্রবেশের পূর্বে পড়বে

۞ بِسْمِ اللهِ اَللّٰهُمَّ اِنِّيْ اَعُوْذُبِكَ مِنَ الْخُبُثِ وَالْخَبَائِثِ
উচ্চারণঃ

বিসমিল্লাহি আল্লাহুম্মা ইন্নী আ‘ঊযুবিকা মিনাল খুবুসি ওয়াল খাবাইস।

অর্থঃ

আল্লাহ তা‘আলার নামে (প্রবেশ করছি), হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট ক্ষতিকারক নর ও নারী জিন শয়তান হতে আশ্রয় প্রার্থনা করছি।

৪.

হিদায়াত ও তাকওয়ার জন্য দু‘আ

۞ اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَسْأَلُكَ الْهُدَى وَالتُّقَى وَالْعَفَافَ وَالْغِنَى
উচ্চারণঃ

আল্ল-হুম্মা ইন্নী আস্আলুকাল হুদা ওয়াত তুকা ওয়াল “আফা-ফা ওয়াল গিনা।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে হিদায়াত, তাকওয়া, বিপদমুক্ততা ও সচ্চলতার জন্য প্রার্থনা করছি।

৫.

কবর যিয়ারতের দু‘আ

۞ اَلسَّلَامُ عَلَيْكُمْ يَا أَهْلَ الْقُبُورِ، يَغْفِرُ اللهُ لَنَا وَلَكُمْ، أَنْتُمْ سَلَفُنَا، وَنَحْنُ بِالْأَثَرِ
উচ্চারণঃ

আসসালামু ‘আলাইকুম ইয়া আহলাল ক্বুবূরি, ইয়াগফিরুল্লাহু লানা ওয়ালাকুম, আনতুম সালাফুনা ওয়া নাহনু বিল আসার।

অর্থঃ

হে কবরবাসীগণ! আপনাদের প্রতি শান্তি বর্ষিত হোক। আল্লাহ তা‘আলা আমাদেরকে এবং আপনাদেরকে ক্ষমা করে দিন। আপনারা আমাদের পূর্বে গমনকারী। আমরা আপনাদের অনুগামী।

৬.

শোকার্তদের সান্ত্বনায় বলবে

۞ أَعْظَمَ اللّٰهُ أَجْرَكَ، وَأَحْسَنَ عَزَاءَكَ، وَغَفَرَ لِمَيِّتِكَ
উচ্চারণঃ

আ‘যামাল্লাহু আজরাকা, ওয়া আহসানা ‘আযা-’আকা, ওয়াগাফারা লিমাইয়্যিতিকা।

অর্থঃ

আল্লাহ আপনার সওয়াব বর্ধিত করুন, আপনার (শোকার্ত মনে) সুন্দর ধৈর্য ধরার তাওফীক দিন, আর আপনার মৃতকে ক্ষমা করে দিন।

৭.

দু‘আ-৭৮

اَللّٰهُمَّ أَعِنَّا عَلٰى ذِكْرِكَ وَ شُكْرِكَ وَحُسْنِ عِبَادَ تِكَ.
উচ্চারণঃ

আল্লা–হুম্মা আ’ই ন্না ‘আলা জিকরিকা ওয়া শু্করিকা ওয়া হু্সনি ইবাদাতিকা।

অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! আমাদের সাহায্য করুন আপনার স্মরণ, আপনার শোকর ও আপনার সুন্দর বন্দেগীর জন্য।

৮.

আল্লাহর দিদার ও সাক্ষাতের আকাঙ্ক্ষার দু‘আ

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ لَذَّةَ النَّظَرِ إِلَىٰ وَجْهِكَ، وَالشَّوْقَ إِلَىٰ لِقَائِكَ، فِي غَيْرِ ضَرَّاءَ مُضِرَّةٍ، وَلَا فِتْنَةٍ مُضِلَّةٍ.
উচ্চারণঃ

আল্লা-হুম্মা ইন্নী আস্‌আলুকা লায্‌যাতান্ নায্‌যরি ইলা ওয়াজ্‌হিকা, ওয়াশ্‌শাওকা ইলা লিক্বা-ইকা, ফী গাইরি দার্‌রাআ-মু-দির্‌রাতিন, ওয়ালা ফিতনাতিন মুদিল্লাতিন।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে (বেহেশতে) আপনার পবিত্র চেহারা দর্শনের স্বাদ এবং আপনার সাক্ষাতের আকাঙ্ক্ষা প্রার্থনা করছি—কোনো ক্ষতিকর কষ্ট ও পথভ্রষ্টকারী ফিতনায় পতিত হওয়া ছাড়া।

৯.

দুনিয়ার মোহ থেকে মুক্ত থাকার দুআ

اللَّهُمَّ زَهِّدْنَا فِي الدُّنْيَا، وَوَسِّعْ عَلَيْنَا مِنْهَا، وَلَا تَزْوِ بِهَا عَنَّا وَتُرَغِّبْنَا فِيهَا
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা যাহ্হিদনা ফিদ্দুনইয়া, ওয়া ওয়াস্সি‘ আলাইনা মিনহা, ওয়া লা তাযউই বিহা ‘আন্না, ওয়া তুরাগ্গিবনা ফীহা।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমাদেরকে দুনিয়ার প্রতি অনাসক্ত করে দিন, সেই সাথে আমাদেরকে রিযিকের প্রশস্ততাও দান করুন। এমন যেন না হয়, আমাদের কাছ থেকে দুনিয়া গুটিয়ে নিয়ে আমাদেরকে দুনিয়ার প্রতি লালায়িত বানিয়ে রাখলেন।

১০.

শত্রু বা কাফেরদের কবল থেকে মুক্তির দু‘আ

۞ رَبَّنَا لَا تَجْعَلْنَا فِتْنَةً لِّلَّذِينَ كَفَرُواْ وَٱغْفِرْ لَنَا رَبَّنَآ ۖ إِنَّكَ أَنتَ ٱلْعَزِيزُ ٱلْحَكِيمُ.
উচ্চারণঃ

রব্বানা লা তাজ‘আলনা ফিতনাতাল্লিল্লাযীনা কাফারূ, ওগফির লানা রব্বানা, ইন্নাকা আনতা-ল্-আযীযুল হাকীম।

অর্থঃ

হে আমাদের প্রতিপালক! আপনি আমাদেরকে কাফেরদের পরীক্ষার পাত্র বানাবেন না এবং হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদেরকে ক্ষমা করুন। নিশ্চয়ই কেবল আপনিই পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।

১১.

সাহাবা-বিদ্বেষ থেকে মুক্তির দোয়া

رَبَّنَا لَا تَجْعَلْ فِى قُلُوبِنَا غِلًّا لِّلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ ۚ رَبَّنَآ إِنَّكَ رَءُوفٌۢ رَّحِيمٌ
উচ্চারণঃ

রব্বানা লা তাজ’আল ফী কুলুবিনা গিল্লান লিল্লাজিনা আমানূ। রব্বানা ইন্নাকা র’উফুর রাহীম।

অর্থঃ

“হে আমাদের প্রতিপালক! যারা ঈমান এনেছে, তাদের জন্য আমাদের অন্তরে কোনো বিদ্বেষ রেখো না। হে আমাদের প্রতিপালক! নিশ্চয়ই তুমি দয়ালু, পরম করুণাময়।”

১২.

ঈমানের সততা, হিংসা দূরীকরণ ও সাহাবীদের প্রতি শ্রদ্ধার শ্রেষ্ঠ দু‘আ

رَبَّنَا اغۡفِرۡ لَنَا وَلِاِخۡوَانِنَا الَّذِیۡنَ سَبَقُوۡنَا بِالۡاِیۡمَانِ وَلَا تَجۡعَلۡ فِیۡ قُلُوۡبِنَا غِلًّا لِّلَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا رَبَّنَاۤ اِنَّکَ رَءُوۡفٌ رَّحِیۡمٌ
উচ্চারণঃ

রব্বানাগফির লানা ওয়া লি-ইখওয়ানিনাল্লাযীনা সাবাকূনা বিল-ঈমানি, ওয়া লা তাজ‘আল ফী কুলূবিনা গিল্লাল্লিল্লাযীনা আমানূ, রব্বানা ইন্নাকা রাঊফুর রাহীম।

অর্থঃ

হে আমাদের প্রতিপালক! ক্ষমা কর আমাদেরকে এবং আমাদের সেই ভাইদেরকেও, যারা আমাদের আগে ঈমান এনেছে এবং আমাদের অন্তরে ঈমানদারদের প্রতি কোন হিংসা-বিদ্বেষ রেখ না। হে আমাদের প্রতিপালক! তুমি অতি মমতাবান, পরম দয়ালু।

১৩.

আমল ও নিয়তের বিশুদ্ধতা কামনায় দু‘আ

اللَّهُمَّ اجْعَلْ عَمَلِي صَالِحًا، وَاجْعَلْهُ لَكَ خَالِصًا، وَلَا تَجْعَلْ لِأَحَدٍ فِيهِ شَيْئًا
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা ইজআল ‘আমালী সালিহান, ওয়াজআলহু লাকা খালিসান, ওয়ালা তাজআল লি-আহাদিন ফিহি শাই’আ

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমার আমলকে সৎ করে দিন, এবং একে আপনার জন্য খাঁটি করে দিন, আর কারো অংশ এতে রাখবেন না।

১৪.

দ্বীনের গভীর জ্ঞান ও বুঝ লাভের দু‘আ

اللَّهُمَّ فَقِّهْهُ فِي الدِّينِ
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা ফাক্কিহহু ফিদ্দীন।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! তাকে দ্বীনের গভীর জ্ঞান ও বুঝ দান করুন।

১৫.

যিকির, শুকর ও উত্তম ইবাদতের তাওফীক লাভের দু‘আ

۞ اَللّٰهُمَّ أَعِنِّيْ عَلٰى ذِكْرِكَ وَشُكْرِكَ وَحُسْنِ عِبَادَتِكَ
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা আঈন্নী ‘আলা যিকরিকা ওয়া শুকরিকা ওয়া হুসনি ‘ইবাদাতিক।

অর্থঃ

হে আল্লাহ্‌! আমাকে আপনার যিকির, শোকর এবং উত্তম রূপে ইবাদত করতে সাহায্য করুন। আমল

১৬.

শত্রুর মোকাবিলায় বিজয় কামনার দু‘আ

۞ اللَّهُمَّ مُنْزِلَ الكِتَابِ، سَرِيعَ الحِسَابِ، اهْزِمِ الأَحْزَابَ، اهْزِمْهُمْ وَزَلْزِلْهُمْ
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা মুনযিলাল কিতাবি, সারী‘আল হিসাবি, ইহযিমিল আহযাবা, ইহযিমহুম ওয়া যালযিলহুম।

অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! হে কিতাব অবতীর্ণকারী! হে তড়িৎ হিসাব গ্রহণকারী! আপনি শত্রু বাহিনীকে পরাজিত করুন। তাদের পরাস্ত করুন এবং তাদের প্রকম্পিত করুন।

১৭.

কুপ্রবৃত্তি ও গুনাহের প্রতি ঝোঁক কমানোর দু'আ

اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ فِعْلَ الْخَيْرَاتِ وَتَرْكَ الْمُنْكَرَاتِ وَحُبَّ الْمَسَاكِينِ
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা ইন্নী আসআলুকা ফি'লাল খইরাতি, ওয়া তারকাল মুনকারাতি, ওয়া হুব্বাল মাসাকীন।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে সৎকাজ সম্পাদনের এবং অসৎ ও অন্যায় কাজ বর্জনের তৌফিক প্রার্থনা করছি।

১৮.

চরিত্র ও কর্মের অশ্লীলতা থেকে আশ্রয়ের দু‘আ

اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ مُنْكَرَاتِ الْأَخْلَاقِ، وَالْأَعْمَالِ، وَالْأَهْوَاءِ
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা ইন্নী আ‘ঊযুবিকা মিন মুনকারা-তিল আখলা-কি ওয়াল আ‘মা-লি ওয়াল আহওয়া।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে পানাহ চাই মন্দ আখলাক, মন্দ আমল ও কূপ্রবৃত্তি থেকে।

১৯.

সূরা আলে ইমরানের ১৮ নং আয়াত

۞ شَهِدَ اللّٰهُ اَنَّهٗ لَاۤ اِلٰهَ اِلَّا هُوَۙ وَالۡمَلٰٓٮِٕكَةُ وَاُولُوا الۡعِلۡمِ قَآٮِٕمًا ۢ بِالۡقِسۡطِ‌ؕ لَاۤ اِلٰهَ اِلَّا هُوَ الۡعَزِيۡزُ الۡحَكِيۡمُؕ ﴿۱۸﴾‏
উচ্চারণঃ

(১৮) শাহিদাল্লা-হু আন্নাহু লা ইলা-হা ইল্লা-হুওয়া ওয়াল মালাইকাতুওয়া উলুল ‘ইলমি কাইমাম বিলকিছতিলাইল্লা-হা ইল্লা-হুওয়াল আঝীঝুল হাকীম।

অর্থঃ

(১৮) আল্লাহ স্বয়ং এ বিষয়ের সাক্ষ্য দেন এবং ফিরিশতাগণ ও জ্ঞানীগণও যে, তিনি ছাড়া কোন মাবুদ নেই, যিনি ইনসাফের সাথে (বিশ্ব জগতের) নিয়ম-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ করছেন। তিনি ছাড়া অন্য কেউ ইবাদতের উপযুক্ত নয়। তাঁর ক্ষমতা পরিপূর্ণ এবং হিকমতও পরিপূর্ণ।

২০.

সূরা জ্বিনের প্রথম ৪ আয়াত

۞ قُلۡ اُوۡحِىَ اِلَىَّ اَنَّهُ اسۡتَمَعَ نَفَرٌ مِّنَ الۡجِنِّ فَقَالُوۡۤا اِنَّا سَمِعۡنَا قُرۡاٰنًا عَجَبًا ۙ‏ ﴿۱﴾ يَّهۡدِىۡۤ اِلَى الرُّشۡدِ فَاٰمَنَّا بِهٖ‌ ؕ وَلَنۡ نُّشۡرِكَ بِرَبِّنَاۤ اَحَدًا ۙ‏ ﴿۲﴾ وَّاَنَّهٗ تَعٰلٰى جَدُّ رَبِّنَا مَا اتَّخَذَ صَاحِبَةً وَّلَا وَلَدًا ۙ‏ ﴿۳﴾ وَّ اَنَّهٗ كَانَ يَقُوۡلُ سَفِيۡهُنَا عَلَى اللّٰهِ شَطَطًا ۙ‏ ﴿۴﴾
উচ্চারণঃ

(১)কুল ঊহিয়া ইলাইইয়া আন্নাহুছতামা‘আ নাফারুম মিনাল জিন্নি ফাকা-লূ ইন্না-ছামি‘না কুরআ-নান ‘আজাবা- । (২)ইয়াহদীইলাররুশদি ফাআ-মান্না- বিহী ওয়া লান নুশরিকা বিরাব্বিনাআহাদা- । (৩)ওয়া আন্নাহূ তা‘আ- জাদ্দু রাব্বিনা- মাত্তাখাযা সা-হিবাতাওঁ ওয়ালা- ওয়ালাদা- । (৪)ওয়া আন্নাহূ কা-না ইয়াকূলু ছাফীহুনা- ‘আলাল্লা-হি শাতাতা- ।

অর্থঃ

(১) (হে রাসূল!) বলে দাও, আমার কাছে ওহী এসেছে যে, জিনদের একটি দল মনোযোগ সহকারে (কুরআন) শুনেছে অতঃপর (নিজ সম্প্রদায়ের কাছে গিয়ে) বলেছে, আমরা এক বিস্ময়কর কুরআন শুনেছি। (২) যা সঠিক পথ প্রদর্শন করে। সুতরাং আমরা তার প্রতি ঈমান এনেছি। এখন আর আমরা আমাদের প্রতিপালকের সাথে (ইবাদতে) কখনও কাউকে শরীক করব না। (৩) এবং এই (বিশ্বাস করেছি) যে, আমাদের প্রতিপালকের মর্যাদা সমুচ্চ। তিনি কোন স্ত্রী গ্রহণ করেননি এবং কোন সন্তানও নয়। (৪) এবং এই যে, আমাদের মধ্যকার নির্বোধেরা আল্লাহ সম্পর্কে সম্পূর্ণ অবাস্তব কথা বলত।