দু’আ

মোট দু’আ - ৬২০ টি

সকল দু'আ একত্রে দেখুন

.

অনুগত নেক সন্তান প্রার্থনা-২

۞ رَبِّ هَبْ لِيْ مِنَ الصَّالِحِيْنَ
উচ্চারণঃ

রব্বি হাবলী মিনাছ ছ-লিহিন।

অর্থঃ

হে আমার প্রতিপালক! আমাকে এক নেক সন্তান দান কর।

.

সূরা বাকারার প্রথম ৫ আয়াত

الٓمّٓۚ‏ ﴿۱﴾ ذٰ لِكَ الۡڪِتٰبُ لَا رَيۡبَۛۚۖ فِيۡهِۛۚ هُدًى لِّلۡمُتَّقِيۡنَۙ‏ ﴿۲﴾ الَّذِيۡنَ يُؤۡمِنُوۡنَ بِالۡغَيۡبِ وَ يُقِيۡمُوۡنَ الصَّلٰوةَ وَمِمَّا رَزَقۡنٰهُمۡ يُنۡفِقُوۡنَۙ‏ ﴿۳﴾ وَالَّذِيۡنَ يُؤۡمِنُوۡنَ بِمَۤا اُنۡزِلَ اِلَيۡكَ وَمَاۤ اُنۡزِلَ مِنۡ قَبۡلِكَۚ وَبِالۡاٰخِرَةِ هُمۡ يُوۡقِنُوۡنَؕ‏ ﴿۴﴾ اُولٰٓٮِٕكَ عَلٰى هُدًى مِّنۡ رَّبِّهِمۡ‌ وَاُولٰٓٮِٕكَ هُمُ الۡمُفۡلِحُوۡنَ‏ ﴿۵﴾
উচ্চারণঃ

বিছমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। (১) আলিফ লাম মীম। (২) যা-লিকাল কিতা-বু লা-রাইবা ফীহি হুদাল লিলমুত্তাকীন। (৩) আল্লাযীনা ইউ’মিনূনা বিলগাইবি ওয়াইউকীমূনাসসালা-তা ওয়া মিম্মা-রাঝাকনা-হুম ইউনফিকূ ন। (৪) ওয়াল্লাযীনা ইউ’মিনূনা বিমা উনঝিলা ইলাইকা ওয়ামা উনঝিলা মিন কাবলিকা ওয়াবিল আ-খিরাতি হুম ইউকিনূন। (৫) উলা ইকা ‘আলা-হুদাম মির রাব্বিহিম ওয়া উলাইকা হুমুল মুফলিহূন।

অর্থঃ

(১) আলিফ্-লাম-মীম, (২) এই সে কিতাব; এতে কোন সন্দেহ নেই, মুত্তাকীদের জন্যে এটা পথ-নির্দেশ, (৩) যারা অদৃশ্যে ঈমান আনে, সালাত কায়েম করে ও তাদেরকে যে জীবনোপকরণ দান করেছি তা হতে ব্যয় করে, (৪) এবং তোমার প্রতি যা নাযিল হয়েছে ও তোমার পূর্বে যা নাযিল হয়েছে তাতে যারা ঈমান আনে ও আখিরাতে যারা নিশ্চিত বিশ্বাসী, (৫) তারাই তাদের প্রতিপালক-নির্দেশিত পথে আছে এবং তারাই সফলকাম।

.

উযূর শেষে উপরের দিকে তাকিয়ে পড়ার দু‘আ-১

۞ اَشْهَدُ اَنْ لَّاۤ اِلٰهَ اِلَّا اللهُ وَحْدَهٗ لَاۤ شَرِيْكَ لَهٗ. وَاَشْهَدُ اَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهٗ وَرَسُوْلُهٗ. اَللّٰهُمَّ اجْعَلْنِيْ مِنَ التَوَّابِيْنَ. وَاجْعَلْنِـيْ مِنَ الْمُتَطَهِّرِيْنَ
উচ্চারণঃ

আশাহাদু আল্ লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহ্‌দাহু লা শারি-কালাহু ওয়া আশ্‌হাদু আন্না মুহাম্মাদান্‌ আ’বদুহু ওয়া রাসূ-লুহ্‌, আল্লাহুম্মা জা’আলনি মিনাত্তাওয়া-বি-না ওয়াজা’আলনি মিনাল মুতাত্বাহ্‌হিরী-ন।

অর্থঃ

আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, আল্লাহ ছাড়া কোনো মা’বূদ নেই। তিনি এক, তাঁর কোনো শরিক নেই। আমি আরো সাক্ষ্য দিচ্ছি, মুহাম্মাদ ﷺ তাঁর বান্দা ও রাসূল। হে আল্লাহ! আমাকে তাওবাকারীদের ও পবিত্রতা অর্জনকারীদের অন্তর্ভুক্ত করুন।

.

হকের উপর অবিচল থাকার দু‘আ

۞ اَللّٰهُمَّ اَرِنَا الْحَقَّ حَقًّا وَّارْزُقْنَا اتِّبَاعَهٗ، وَاَرِنَا الْبَاطِلَ بَاطِلًا وَّارْزُقْنَا اجْتِنَابَهٗ
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা আরিনাল হাক্কা হাক্কান ওয়ারজুকনাত্তিবায়াহ, ওয়া আরিনাল বাতিলা বাতিলান ওয়ারজুকনাজতিনাবাহু।

অর্থঃ

হে আল্লাহ, আপনি হককে হক হিসেবে আমাদের দেখান এবং এর অনুসরণের তাওফীক দিন, আর বাতিলকে বাতিল হিসেবে দেখান এবং এটাকে পরিত্যাগ করার তাওফীক দিন।

.

ইকামাত ও ইকামাতের উত্তর

اَللهُ اَكْبَرْ الرد: اَللهُ اَكْبَرْ (৪ বার ) اَشْهَدُ اَنْ لَّا اِلٰهَ اِلَّا اللهْ الرد: اَشْهَدُ اَنْ لَّا اِلٰهَ اِلَّا اللهْ ( ২ বার ) اَشْهَدُ اَنَّ مُحَمَّدًا رَّسُوْلُ اللهِ الرد: اَشْهَدُ اَنَّ مُحَمَّدًا رَّسُوْلُ اللهِ ( ২ বার ) حَيَّ عَلَي الصَّلوةِ الرد: لَا حَوْلَ وَ لَا قُوَّةَ اِلَّا بِاللهِ (২ বার) حَيَّ عَلَي الفَلَاحِ الرد: لَا حَوْلَ وَ لَا قُوَّةَ اِلَّا بِاللهِ (২ বার ) (শুধুমাত্র ঈকামাতের সময়) قَدْ قَامَتِ الصَّلاَةُ الرد: أَقَامَهَا اللهُ وَأَدَامَهَا (২ বার) اَللهُ اَكْبَرْ الرد: اَللهُ اَكْبَرْ (২ বার ) لَا اِلَهَ اِلَّا الله الرد: لَا اِلَهَ اِلَّا الله (১ বার )
উচ্চারণঃ

আল্লা-হু আকবর উত্তরঃ আল্লা-হু আকবর (৪ বার) আশহাদু-আল্‌ লা- ইলাহা ইল্লাল্লাহ উত্তরঃ আশহাদু-আল্‌ লা- ইলাহা ইল্লাল্লাহ (২ বার) আশহাদু-আন্না মুহাম্মাদার রাসুলুল্লাহ উত্তরঃ আশহাদু-আন্না মুহাম্মাদার রাসুলুল্লাহ (২ বার) হাইয়া আলাস সালা উত্তরঃ লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লাবিল্লাহ্‌ (২ বার) হাইয়া আলাল ফালা উত্তরঃ লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লাবিল্লাহ্‌ (২ বার) (শুধুমাত্র ঈকামাতের জন্য) কাদ কামাতিস সালাহ্ উত্তরঃ আকামাহাল্লাহু ওয়া আদমাহা। (২ বার) আল্লা-হু আকবর উত্তরঃ আল্লা-হু আকবর (২ বার) লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ উত্তরঃ লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ (১ বার)

অর্থঃ

আল্লাহ সর্বশক্তিমান উত্তরঃ আল্লাহ সর্বশক্তিমান (৪ বার) আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ্ ছাড়া অন্য কোন মাবুদ নেই উত্তরঃ আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ্ ছাড়া অন্য কোন মাবুদ নেই (২ বার) আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ (স) আল্লাহর প্রেরিত দূত উত্তরঃ আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ (স) আল্লাহর প্রেরিত দূত (২ বার) নামাজের জন্য এসো উত্তরঃ আল্লাহর আশ্রয় ও শক্তি ছাড়া আর কারো কোন ক্ষমতা নাই (২ বার) সাফল্যের জন্য এসো উত্তরঃ আল্লাহর আশ্রয় ও শক্তি ছাড়া আর কারো কোন ক্ষমতা নাই (২বার) (শুধুমাত্র ঈকামাতের জন্য) নামায দাঁড়িয়ে যাচ্ছে উত্তরঃ আল্লাহ নামাযকে কায়েম করার তাওফিক দিন ও সর্বদা জারি রাখেন। (২ বার) আল্লাহ্ মহান উত্তরঃ আল্লাহ্ মহান (২ বার) আল্লাহ্ ছাড়া অন্য কোন উপাস্য নেই উত্তরঃ আল্লাহ্ ছাড়া অন্য কোন উপাস্য নেই (১ বার)

.

আউযুবিল্লাহ

۞ أَعُوْذُ بِاللهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيْمِ
উচ্চারণঃ

আ'উযু বিল্লা-হি মিনাশ শাইত্বা-নির রাজীম।

অর্থঃ

হে আল্লাহ্! আমি অভিশপ্ত শয়তান হতে আপনার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি।

.

তাশাহুদ

۞ اَلتَّحِيَّاتُ لِلّٰهِ وَالصَّلَوَاتُ وَالطَّيِّبَاتُ، اَلسَّلَامُ عَلَيْكَ أَيُّهَا النَّبِيُّ وَرَحْمَةُ اللّٰهِ وَبَرَكَاتُهٗ، اَلسَّلَامُ عَلَيْنَا وَعَلٰى عِبَادِ اللّٰهِ الصَّالِحِيْنَ، أَشْهَدُ أَنْ لَّاۤ إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهٗ وَرَسُوْلُهٗ
উচ্চারণঃ

আত্তাহিইয়াতু লিল্‌লাহি ওয়াস্‌ সালাওয়াতু ওয়াত্ ত্বাইয়িবাত। আসসালামু ‘আলাইকা আইয়ুহান নাবিইয়ু ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ্‌। আস্‌সালামু ‘আলাইনা ওয়া ‘আলা ‘ইবাদিল্লাহিস্‌ সালিহীন। আশ্‌হাদু আল লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়া আশ্‌হাদু আন্না মুহাম্মাদান ‘আব্‌দুহু ওয়া রাসুলুহ্‌।

অর্থঃ

যাবতীয় সম্মান, যাবতীয় ইবাদত ও যাবতীয় পবিত্র বিষয় আল্লাহর জন্য। হে নবী! আপনার উপর শান্তি বর্ষিত হউক এবং আল্লাহর অনুগ্রহ ও সমৃদ্ধি নাযিল হউক। শান্তি বর্ষিত হউক আমাদের উপর ও আল্লাহর সৎকর্মশীল বান্দাগণের উপর। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ব্যতীত কোনো উপাস্য নেই এবং আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ (ﷺ) তাঁর বান্দা ও রাসূল।

.

শয়তান থেকে হিফাযতের দু‘আ

۞ لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ وَحْدَهٗ لَا شَرِيْكَ لَهٗ، لَهُ المُلْكُ وَلَهُ الحَمْدُ وَهُوَ عَلٰى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيْرٌ
উচ্চারণঃ

লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু, ওয়া হুয়া ‘আলা কুল্লি শাইয়িন কাদির। (সকাল ও সন্ধ্যায় এ দু‘আ ১০ বার পড়বে)

অর্থঃ

আল্লাহ তা‘আলা ব্যতীত কোন মা‘বূদ নেই। তিনি একক, তাঁর কোন শরীক নেই। সর্বময় রাজত্ব একমাত্র তাঁরই জন্য। তাঁরই জন্য সকল প্রশংসা। তিনি সবকিছুর উপর ক্ষমতাবান।

.

মুসীবত থেকে হিফাযতের দু‘আ

۞ بِاسْمِ اللّٰهِ الَّذِيْ لَا يَضُرُّ مَعَ اسْمِهٖ شَيْءٌ فِي الْأَرْضِ وَلَا فِي السَّمَاءِ وَهُوَ السَّمِيْعُ العَلِيْمُ
উচ্চারণঃ

বিসমিল্লা হিল্লাযী লা ইয়া দুররু মা আসমিহী শাইয়ুন ফিল আরদি ওয়ালা ফিস সামায়ি ওয়া হুয়াস সামিউল আলিম। (সকাল ও সন্ধায় ৩বার পাঠ করবে)

অর্থঃ

আমি শুরু করছি সে আল্লাহর নাম নিয়ে, যার নাম নিলে যমীন ও আসমানের কিছুই কোন ক্ষতি করতে পারে না এবং তিনি (সব কিছু) শুনেন ও জানেন।

১০.

দুরূদে ইবরাহীম

۞ اَللّٰهُمَّ صَلِّ عَلٰى مُحَمَّدٍ وَّعَلٰى آلِ مُحَمَّدٍ كَمَا صَلَّيْتَ عَلٰى إِبْرَاهِيْمَ وَعَلٰى آلِ إِبْرَاهِيْمَ إِنَّكَ حَمِيْدٌ مَّجِيْدٌ، اَللّٰهُمَّ بَارِكْ عَلٰى مُحَمَّدٍ وَّعَلٰى آلِ مُحَمَّدٍ كَمَا بَارَكْتَ عَلٰى إِبْرَاهِيْمَ وَعَلٰى آلِ إِبْرَاهِيْمَ إِنَّكَ حَمِيْدٌ مَّجِيْدٌ
উচ্চারণঃ

আল্লহুম্মা সাল্লি আ’লা- মুহাম্মাদিও ওয়া আ’লা- আ-লি মুহাম্মাদিন কামা- সল্লাইতা আ’লা- ইব্‌রা-হীমা ওয়া আ’লা আ-লি ইব্‌রা-হীমা ইন্নাকা হামীদুম্ মাজীদ, আল্লাহুম্মা বারিক আ’লা মুহাম্মাদিও ওয়া আ’লা আলি মুহাম্মাদিন কামা বারাক্‌তা আ’লা ইব্রা-হীমা ওয়া আ’লা আ-লি ইব্রা-হীমা ইন্নাকা হামীদুম্ মাজীদ।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আপনি আমাদের নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও তাঁর পরিজনের প্রতি রহমত বর্ষণ করুন, যেভাবে রহমত বর্ষণ করেছেন ইব্রাহীম (আঃ) ও তাঁর পরিজনের প্রতি, নিশ্চই আপনি প্রশংসিত ও সম্মানিত। হে আল্লাহ! আপনি বরকত নাযিল করুন। আমাদের নবী মুহাম্মাদ (ﷺ) ও তাঁর পরিজনের প্রতি, যেভাবে আপনি বরকত নাযিল করেছেন ইব্রাহীম (আঃ) ও তাঁর পরিজনের প্রতি, নিশ্চই আপনি প্রশংসিত ও সম্মানিত।

১১.

ঈমান সম্বলিত দু‘আ-২

۞ اَللّٰهُمَّ بِعِلْمِكَ الْغَيْبَ وَقُدْرَتِكَ عَلَى الْخَلْقِ أَحْيِنِيْ مَا عَلِمْتَ الْحَيَاةَ خَيْرًا لِّيْ وَتَوَفَّنِيْ إِذَا عَلِمْتَ الْوَفَاةَ خَيْرًا لِّيْ. اَللّٰهُمَّ وَأَسْأَلُكَ خَشْيَتَكَ فِي الْغَيْبِ وَالشَّهَادَةِ وَأَسْأَلُكَ كَلِمَةَ الْحَقِّ فِي الرِّضَا وَالْغَضَبِ وَأَسْأَلُكَ الْقَصْدَ فِي الْفَقْرِ وَالْغِنٰى وَأَسْأَلُكَ نَعِيْمًا لَاۤ يَنْفَدُ وَأَسْأَلُكَ قُرَّةَ عَيْنٍ لَاۤ تَنْقَطِعُ وَأَسْأَلُكَ الرِّضَا بَعْدَ الْقَضَاءِ وَأَسْأَلُكَ بَرْدَ الْعَيْشِ بَعْدَ الْمَوْتِ وَأَسْأَلُكَ لَذَّةَ النَّظَرِ إِلٰى وَجْهِكَ وَالشَّوْقَ إِلٰى لِقَائِكَ فِيْ غَيْرِ ضَرَّاءَ مُضِرَّةٍ وَ لَاۤ فِتْنَةٍ مُضِلَّةٍ اَللّٰهُمَّ زَيِّنَّا بِزِيْنَةِ الْإِيْمَانِ وَاجْعَلْنَا هُدَاةً مُّهْتَدِيْنَ
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা বি ইলমিকাল গাইবা ও কুদরতিকা আলাল খলকি, আহয়িনী মা আলিমতাল হায়াতা,খাইরান লি, ওয়া তাওয়াফ-ফানি ইজা আলিমতাল ওয়াফাতা খয়রান লি, আল্লাহুম্মা ওয়া আস আলুকা খসইয়াতাকা ফিল গাইবি ওয়াশ শাহাদাতি, ওয়া আস আলুকা কালিমাতাল হাক্কি ফির রেজা ওয়াল গাজাবি। ওয়া আস আলুকাল কাসদা ফিল ফাকরি ওয়াল গিনা। ওয়া আস আলুকা নাঈমান লা-য়ানফাদু। ওয়া আস আলুকা কুররতা আইনিন লা-তানক্বতিউ। ওয়া আসআলুকার রিজা বা’দাল কাজা। ওয়া আসআলুকা বারদাল আইশি বা’দাল মাউতি। ওয়া আসআলুকা লাযযাতান নাজরি ইলা ওয়াজহিকা, ওয়াশ শাওকা ইলা লিক্বাইকা ফী গাইরি দাররা-আ মুদিররাতিন ওয়ালা ফিতনাতিন মুজিল্লাতিন। আল্লাহুম্মা যায়্যিননা বিযীনাতিল ঈমানি ওয়াজ আলনা হুদাতাম মুহতাদীনা।

অর্থঃ

হে আল্লাহ, দৃষ্টির অন্তরালবর্তী ও দৃষ্টিগ্রাহ্য সকল বিষয়ে যেন তোমাকে ভয় করতে পারি। হে আল্লাহ, যদি জীবন আমার জন্য কল্যাণকর হয়, তাহলে আমাকে জীবিত রাখ, আর যদি মৃত্যু আমার জন্য কল্যাণকর হয় তাহলে আমাকে মৃত্যু দান কর। সেই তাওফিক প্রার্থনা করি। আমি তোমার নিকট প্রার্থনা করি সত্য কথা বলার তাওফিক, খুশি ও ক্রোধ উভয় অবস্থাতেই। আমি তোমার নিকট সচ্ছল-অসচ্ছল উভয়াবস্থায় মিতব্যয়িতা প্রার্থনা করি। প্রার্থনা করি এমন নেয়ামত যা শেষ হবার নয়। প্রার্থনা করি যা চক্ষু জুড়াবে অনিঃশেষভাবে। আমি তোমার নিকট চাই তকদিরের প্রতি সন্তুষ্টি। আমি তোমার নিকট চাই মৃত্যুর পর সুখময় জীবন। আমি তোমার নিকট কামনা করি তোমাকে দেখার তৃপ্তি, আমি কামনা করি তোমার সহিত সাক্ষাৎ লাভের আগ্রহ-ব্যাকুলতা, যা লাভ করলে আমাকে স্পর্শ করবে না কোন অনিষ্ট, আর আমাকে সম্মুখীন হতে হবে না এমন কোন ফেৎনার, যা আমাকে পথভ্রষ্ট করতে পারে। হে আল্লাহ, তুমি আমাদেরকে ঈমানের অলংকার দ্বারা বিভূষিত কর আর আমাদেরকে বানাও পথ প্রদর্শক ও হেদায়েতের পথিক।

১২.

বিসমিল্লাহ্‌

۞ بِسْمِ اللهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِيْمِ
উচ্চারণঃ

বিসমিল্লাহির রাহ্‌মানির রাহিম।

অর্থঃ

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে (শুরু করছি)।

১৩.

দুশ্চিন্তা থেকে হিফাযতের দু‘আ

۞ حَسْبِيَ اللّٰهُ لَا إِلٰهَ إِلَّا هُوَ عَلَيْهِ تَوَكَّلْتُ وَهُوَ رَبُّ الْعَرْشِ الْعَظِيْمِ
উচ্চারণঃ

হাসবিয়াল্লা-হু লা-ইলাহা ইল্লা-হুওয়া আলাইহি তাওয়াক্কালতু ওয়াহুয়া রাব্বুল আরশিল আযীম। (৭বার)

অর্থঃ

আল্লাহ্ই আমার জন্য যথেষ্ট, তিনি ব্যতীত কোন মা‘বূদ নেই, তাঁর উপরই আমি ভরসা করি, তিনি মহান আরশের অধিপতি।

১৪.

ঘুমানোর পূর্বে পড়বে-২

۞ بِاسْمِكَ رَبِّ وَضَعْتُ جَنْبِيْ، وَبِكَ أَرْفَعُهٗ، إِنْ أَمْسَكْتَ نَفْسِيْ فَارْحَمْهَا، وَإِنْ أَرْسَلْتَهَا فَاحْفَظْهَا بِمَا تَحْفَظُ بِهٖ عِبَادَكَ الصَّالِحِيْنَ
উচ্চারণঃ

বিসমিকা রব্বী ওয়া য‘তু জাম্বী ওয়াবিকা আরফা ‘উহূ, ইন আমসাকতা নাফসী ফারহাম হা ওয়া ইন আরসালতাহা ফাহ ফাযহা বিমা তাহফাযু বিহী ‘ইবা দাকাস সালিহীন।

অর্থঃ

হে আমার রব! আমি আমার শরীরকে আপনার নামে বিছানায় রাখলাম (শয়ন করলাম) এবং আপনারই নামে বিছানা থেকে উঠাবো। আপনি যদি ঘুমের মধ্যে আমার নফসকে উঠিয়ে নেন তাহলে তাকে ক্ষমা করে দিবেন। আর যদি না উঠিয়ে নেন তাহলে তাকে আপনার নেক বান্দাদের মত হিফাযত করবেন।

১৫.

শবে ক্বদরে পড়ার দু‘আ

اَللّٰهُمَّ اِنَّكَ عَفُوٌّ تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّيْ ۞
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা ইন্নাকা ‘আফুউয়ুন তুহিব্বুল ‘আফওয়া ফা‘ফু ‘আন্নী।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! নিশ্চয়ই আপনি অতি ক্ষমাশীল, ক্ষমাকে পছন্দ করেন। সুতরাং আপনি আমাকে ক্ষমা করে দিন।

১৬.

মৃত ব্যক্তির (রূহের)জন্য দু‘আ-১

۞ اَللّٰهُمَّ اغْفِرْ لَهٗ وَارْحَمْهُ، وَعَافِهٖ، وَاعْفُ عَنْهُ، وَأَكْرِمْ نُزُلَهٗ، وَوَسِّعْ مُدْخَلَهٗ، وَاغْسِلْهُ بِالْمَاءِ وَالثَّلْجِ وَالْبَرَدِ، وَنَقِّهٖ مِنَ الْخَطَايَا كَمَا نَقَّيْتَ الثَّوْبَ الْأَبْيَضَ مِنَ الدَّنَسِ، وَأَبْدِلْهُ دَارًا خَيْرًا مِنْ دَارِهٖ، وَأَهْلًا خَيْرًا مِنْ أَهْلِهٖ، وَزَوْجَاً خَيْرًا مِنْ زَوْجِهٖ، وَأَدْخِلْهُ الْجَنَّةَ، وَأَعِذْهُ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ (وَعَذَابِ النَّارِ)
উচ্চারণঃ

আল্লা-হুম্মাগফির লাহু, ওয়ারহামহু, ওয়া ‘আ-ফিহি, ওয়া‘ফু ‘আনহু, ওয়া আকরিম নুযুলাহু, ওয়াওয়াসসি মুদখালাহু, ওয়াগসিলহু বিলমা-য়ি ওয়াস্‌সালজি ওয়ালবারাদি, ওয়ানাক্বক্বিহি মিনাল খাতা-ইয়া কামা নাক্কাইতাস সাওবাল আবইয়াদা মিনাদদানাসি, ওয়া আবদিলহু দা-রান খাইরাম মিন দা-রিহি, ওয়া আহলান খাইরাম মিন আহলিহি, ওয়া যাওজান খাইরাম মিন যাওজিহি, ওয়া আদখিলহুল জান্নাতা, ওয়া আ‘য়িযহু মিন ‘আযা-বিল ক্বাবরি [ওয়া ‘আযাবিন্না-র]

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আপনি তাকে ক্ষমা করুন, তাকে দয়া করুন, তাকে পূর্ণ নিরাপত্তায় রাখুন, তাকে মাফ করে দিন, তার মেহমানদারীকে মর্যাদাপূর্ণ করুন, তার প্রবেশস্থান কবরকে প্রশস্ত করে দিন। আর আপনি তাকে ধৌত করুন পানি, বরফ ও শিলা দিয়ে, আপনি তাকে গুনাহ থেকে এমনভাবে পরিষ্কার করুন যেমন সাদা কাপড়কে ময়লা থেকে পরিষ্কার করেছেন। আর তাকে তার ঘরের পরিবর্তে উত্তম ঘর, তার পরিবারের বদলে উত্তম পরিবার ও তার জোড়ের (স্ত্রী/স্বামীর) চেয়ে উত্তম জোড় প্রদান করুন। আর আপনি তাকে জান্নাতে প্রবেশ করান এবং তাকে কবরের আযাব [ও জাহান্নামের আযাব] থেকে রক্ষা করুন”

১৭.

মৃত ব্যক্তির (রূহের) জন্য দু‘আ-৩

۞ اَللّٰهُمَّ عَبْدُكَ وَابْنُ أَمَتِكَ اِحْتَاجَ إِلَى رَحْمَتِكَ، وَأَنْتَ غَنِيٌّ عَنْ عَذَابِهٖ، إِنْ كَانَ مُحْسِناً فَزِدْ فِي حَسَنَاتِهٖ، وَإِنْ كَانَ مُسِيئاً فَتَجَاوَزْ عَنْهُ
উচ্চারণঃ

আল্লা-হুম্মা ‘আবদুকা, ওয়াবনু আমাতিকা, ইহতাজা ইলা রাহমাতিকা, ওয়া আনতা গানিয়্যুন ‘আন ‘আযা-বিহি, ইন কা-না মুহসিনান ফাযিদ ফী হাসানা-তিহি, ওয়া ইনকা-না মুসীআন ফা তাজা-ওয়ায ‘আনহু

অর্থঃ

হে আল্লাহ, আপনার এক দাস, আর এক দাসীর পুত্র, আপনার অনুগ্রহের মুখাপেক্ষী, আপনি তাকে শাস্তি দেওয়া থেকে অমুখাপেক্ষী। যদি সে নেককার বান্দা হয়, তবে তার সওয়াব আরও বাড়িয়ে দিন, আর যদি বদকার বান্দা হয়, তবে তার অপরাধকর্ম এড়িয়ে যান।

১৮.

কারো আপনজনের মৃত্যু হলে এ দু‘আ দ্বারা সান্ত্বনা দিবে

۞ اِنَّ لِلّٰهِ مَا اَخَذَ وَلِلّٰهِ مَا اَعْطٰی وَكُلُّ شَيْءٍ عِنْدَهٗ بِاَجَلٍ مُّسَمًّى فَاصْبِرْ وَاحْتَسِبْ
উচ্চারণঃ

ইন্না লিল্লাহি মা আখাযা ওয়া লিল্লাহি মা আ‘ত্বা ওয়া কুল্লু শাই ইন ‘ইনদাহূ বিআজালিম মুসাম্মান ফাসবির ওয়াহ তাসিব।

অর্থঃ

নিশ্চয়ই (সমস্ত কিছু) আল্লাহ পাকেরই যা তিনি নিয়ে নিয়েছেন, আর যা প্রদান করেছেন তাও আল্লাহ পাকেরই এবং আল্লাহ তা‘আলার নিকট প্রত্যেকের মৃত্যুকাল নির্ধারিত রয়েছে। সুতরাং তুমি ধৈর্যধারণ কর এবং সওয়াব-এর আশা কর।

১৯.

কবরের আযাব, দাজ্জাল, মৃত ও জীবিত ব্যক্তির ফিতনা থেকে বাঁচার দু‘আ

۞ اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَعُوْذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ جَهَنَّمَ، وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ، وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ فِتْنَةِ الْمَسِيْحِ الدَّجَّالِ، وَ أَعُوْذُ بِكَ مِنْ فِتْنَةِ الْمَحْيَا وَالْمَمَاتِ
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা মিন আজাবি জাহান্নামা, ওয়া আউজুবিকা মিন আজাবিল কবরি, ওয়া আউজুবিকা মিন ফিতনাতিল মাসিহিদ দাজ্জালি, ওয়া আউজুবিকা মিন ফিতনাতিল মাহইয়া ওয়াল মামাতি।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে পানাহ চাই জাহান্নামের আযাব থেকে এবং আপনার কাছে পানাহ চাই কবরের আযাব থেকে এবং আপনার কাছে পানাহ চাই মাসীহ দাজ্জাল থেকে এবং আপনার কাছে পানাহ চাই জীবন ও মৃত্যুর ফিতনা থেকে।

২০.

মৃত ব্যক্তির (রূহের)জন্য দু‘আ-২

۞ اَللّٰهُمَّ إِنَّ فُلاَنَ بْنَ فُلاَنٍ فِي ذِمَّتِكَ، وَحَبْلِ جِوَارِكَ، فَقِهٖ مِنْ فِتْنَةِ الْقَبْرِ، وَعَذَابِ النَّارِ، وَأَنْتَ أَهْلُ الْوَفَاءِ وَالْحَقِّ، فَاغْفِرْ لَهٗ وَارْحَمْهُ إِنَّكَ أَنْتَ الْغَفُوْرُ الرَّحيْمُ
উচ্চারণঃ

আল্লা-হুম্মা ইন্না ফুলানাবনা ফুলা-নিন ফী যিম্মাতিকা, ওয়া হাবলি জিওয়ারিকা, ফাক্বিহি মিন ফিতনাতিল ক্বাবরি ওয়া আযা-বিন না-রি, ওয়া আনতা আহলুল ওয়াফাই ওয়াল হাক্ক, ফাগফির লাহু ওয়ারহামহু, ইন্নাকা আনতাল গাফুরুর রাহীম

অর্থঃ

হে আল্লাহ, অমুকের পুত্র অমুক আপনার যিম্মাদারীতে, আপনার নৈকট্যের নিরাপত্তায়। সুতরাং আপনি তাকে কবরের পরীক্ষা থেকে এবং জাহান্নামের শাস্তি থেকে রক্ষা করুন। আর আপনি প্রতিশ্রুতি পূর্ণকারী এবং প্রকৃত সত্যের অধিকারী। অতএব, আপনি তাকে ক্ষমা করুন এবং তার উপর দয়া করুন। নিশ্চয় আপনি ক্ষমাশীল, দয়ালু।