দু’আ

মোট দু’আ - ৬৩৬ টি

সকল দু'আ একত্রে দেখুন

১.

দু‘আ-১৪৬

اَللّٰهُمَّ أَنْتَ خَلَقْتَ نَفْسِيْ وَأَنْتَ تَوَفَّاهَا، لَكَ مَمَاتُهَا وَمَحْيَاهَا، إِنْ أَحْيَيْتَهَا فَاحْفَظْهَا بِمَا تَحْفَظُ بِه عِبَادَكَ الصَّالِحِيْنَ، وَإنْ أَمَتَّهَا فَاغْفِرْ لَهَا وَارْحَمْهَا.
অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! আপনিই আমার প্রাণ সৃষ্টি করেছেন আর আপনিই তাকে মৃত্যু দিবেন। আপনারই হাতে তার জীবন ও মরণ। তাকে যদি জীবিত রাখেন, তাহলে এমনভাবে রক্ষা করুন, যেভাবে আপন নেক বান্দাদের রক্ষা করে থাকেন। আর যদি মৃত্যু দেন, তাহলে তাকে ক্ষমা করুন ও রহম করুন।

২.

দাওয়াতের কাজে সহজতা ও বাকপটুতা লাভের দু‘আ

رَبِّ اشۡرَحۡ لِیۡ صَدۡرِیۡ - وَیَسِّرۡ لِیۡۤ اَمۡرِیۡ - وَاحۡلُلۡ عُقۡدَۃً مِّنۡ لِّسَانِیۡ - یَفۡقَہُوۡا قَوۡلِیۡ
উচ্চারণঃ

রব্বিশরহ লী সদরী, ওয়া ইয়াসসির লী আমরী, ওয়াহলুল 'উক্বদাতাম মিল লিসানী, ইয়াফক্বহূ ক্বওলী।

অর্থঃ

হে আমার প্রতিপালক! আমার বক্ষ খুলে দিন। এবং আমার কাজ সহজ করে দিন। এবং আমার জিহ্বা থেকে জড়তা দূর করে দিন। যাতে মানুষ আমার কথা বুঝতে পারে।

৩.

দু‘আ-ই মাসুরাহ-১ (তাওবা ও ক্ষমাপ্রার্থনার দু‘আ)

۞ اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ ظَلَمْتُ نَفْسِيْ ظُلْمًا كَثِيْرًا وَّ لَاۤ يَغْفِرُ الذُّنُوْبَ إِلَّا أَنْتَ، فَاغْفِرْ لِيْ مَغْفِرَةً مِّنْ عِنْدِكَ وَارْحَمْنِيْ إِنَّكَ أَنْتَ الْغَفُوْرُ الرَّحِيْمُ
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা ইন্নি যলামতু নাফসী যুলমান কাসিরা, ওয়া লা ইয়াগফিরুয যুনূবা ইল্লা আন্তা, ফাগফির লি মাগফিরাতাম মিন ইনদিকা ওয়ারহামনি, ইন্নাকা আন্তাল গাফুরুর রাহিম।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমি আমার নফসের উপর অসংখ্য জুলুম করেছি। আপনি ছাড়া গুনাহ ক্ষমা করার কেউ নেই। অতএব আপনি আমাকে আপনার পক্ষ হতে বিশেষভাবে ক্ষমা করুন এবং আমার উপর অনুগ্রহ করুন। নিশ্চয়ই আপনি ক্ষমাশীল ও দয়াবান।

৪.

নফসের প্ররোচনা থেকে বাঁচার দু‘আ

۞ يَاحَىُّ يَا قَيُّوْمُ بِرَحْمَتِكَ أَسْتَغِيْثْ أَصْلِحْ لِىْ شَأْنِىْ كُلَّهٗ وَلَا تَكِلْنِيْ إِلٰى نَفْسِىْ طَرْفَةَ عَيْنِ
উচ্চারণঃ

ইয়া হাইয়্যু ইয়া কাইয়্যুম বি রহমাতিকা আস্তাগিস, আসলিহলি শা’নি- কুল্লাহু ওয়ালা তাকিলনি ইলা নাফসি ত্বর ফাতা আঈ-ন।

অর্থঃ

হে চিরঞ্জীব, হে জমিন আসমান ও সমস্ত মাখলূকের রক্ষাকারী, আমি আপনার রহমতের উসীলায় ফরিয়াদ করছি যে, আমার সমস্ত কাজ দুরস্ত করে দিন এবং আমাকে এক পলকের জন্যও আমার নফসের নিকট সোপর্দ করবেন না।

৫.

কুরআনে বর্ণিত রব্বানা দু‘আ-১৭

۞ رَبَّنَا أَنزِلْ عَلَيْنَا مَائِدَةً مِّنَ السَّمَآءِ تَكُوْنُ لَنَا عِيْدًا لِّأَوَّلِنَا وَ اٰخِرِنَا وَ اٰيَةً مِّنْكَ ۖ وَارْزُقْنَا وَأَنتَ خَيْرُ الرَّازِقِيْنَ
উচ্চারণঃ

রাব্বানা আনঝিল ‘আলাইনা-মাইদাতাম মিনাছছামাই তাকূনুলানা-‘ঈদাল লিআওওয়ালিনা-ওয়া আ-খিরিনা-ওয়া আ-ইয়াতাম মিনকা ওয়ারঝুকনা-ওয়া আনতা খাইরুর রা-ঝিকীন।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমাদের পালনকর্তা আমাদের প্রতি আকাশ থেকে খাদ্যভর্তি খাঞ্চা অবতরণ করুন। তা আমাদের জন্যে অর্থাৎ, আমাদের পূর্ববর্তী ও পরবর্তী সবার জন্যে আনন্দোৎসব হবে এবং আপনার পক্ষ থেকে একটি নিদর্শন হবে। আপনি আমাদের রুযী দিন। আপনিই শ্রেষ্ট রুযীদাতা।

৬.

দু‘আ-৬২

اَللّٰهُمَّ أَلْهِمْنِيْ رُشْدِيْ.
অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! আমার অন্তরে দান করুন আমার সৌভাগ্যের উপলব্ধি (যার দ্বারা স্বয়ংক্রিয়ভাবে কোনো বাধা-বিপত্তি ছাড়া সত্যের পথে চলতে থাকি)।

৭.

দু‘আ-৭৫

اَللّٰهُمَّ أَحْسِنْ عَاقِبَتَنَا فِيْ الْأُمُوْرِ كُـلِّهَا، وَأَجِرْنَا مِنْ خِزْيِ الدُّنْيَا وَعَذَابِ الْاٰخِرَةِ.
উচ্চারণঃ

আল্লা–হুম্মা আহসিন ‘আকিবাতানা ফিল উমুরি কুল্লিহা, ওয়া-অজিরনা মিন খিজয়িদ দুনইয়া ওয়া আযা-বিল আখিরাহ।

অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! সকল বিষয়ে আমাদের পরিণাম সুন্দর করুন এবং দুনিয়ার লাঞ্ছনা ও আখিরাতের আযাব হতে আমাদের নিরাপদ রাখুন।

৮.

দু‘আ-১০৭

اَللّٰهُمَّ اغْفِرْ لِيْ خَطَايَايَ وَذُنُوْبِيْ كُـلَّهَا. اَللّٰهُمَّ انْعَشْنِيْ وَأَحْيِنِيْ وَارْزُقْنِيْ، وَاهْدِنِيْ لِصَالِحِ الْأَعْمَالِ وَالْاَخْلَاقِ، إِنَّهٗ لَا يَهْدِيْ لِصَالِحِهَا وَلَا يَصْرِفُ سَيِّئَهَاۤ إِلَّا أَنْتَ.
অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! আমার সকল ভ্রান্তি ও পাপ ক্ষমা করুন। ইয়া আল্লাহ! আমাকে উচ্চতা দিন, আমাকে জীবিত রাখুন, আমাকে রিযিক দান করুন এবং আমাকে উত্তম কর্ম ও চরিত্রের পথনির্দেশ দান করুন। নিশ্চয়ই শুধু আপনিই দেখান উত্তম কর্ম ও চরিত্রের পথ এবং শুধু আপনিই রক্ষা করেন গর্হিত কর্ম ও চরিত্র থেকে।

৯.

যেকোনো কঠিন পরিস্থিতিতে আল্লাহর পক্ষ থেকে ধৈর্য, অবিচলতা ও বিজয় লাভ করার দু‘আ

۞ رَبَّنَا أَفْرِغْ عَلَيْنَا صَبْرًا وَّثَبِّتْ أَقْدَامَنَا وَانصُرْنَا عَلَى الْقَوْمِ الْكَافِرِيْنَ
উচ্চারণঃ

রব্বানা আফরিগ ‘আলাইনা সবরাও ওয়া ছাব্বিত আকদামানা ওয়ানছুরনা ‘আলাল কাওমিল কাফিরীন।

অর্থঃ

হে আমাদের পালনকর্তা! আমাদের ওপর সবরের গুণ ঢেলে দাও, আমাদেরকে দৃঢ় ও অবিচল রাখো এবং কাফির সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে আমাদের সাহায্য ও বিজয় দান কর।

১০.

নবীজি ﷺ ও সকল মুমিন-মুসলিমের জন্য দরূদ পাঠ

۞ اَللّٰهُمَّ صَلِّ عَلٰى مُحَمَّدٍ عَبْدِكَ وَرَسُوْلِكَ، وَصَلِّ عَلٰى الْمُؤْمِنِيْنَ وَالْمُؤْمِنَاتِ، وَالْمُسْلِمِيْنَ وَالْمُسْلِمَاتِ
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মাদিন আবদিকা ওয়া রসূলিকা, ওয়া সাল্লি আলাল মু’মিনীনা ওয়াল মু’মিনাত, ওয়াল মুসলিমীনা ওয়াল মুসলিমাত।

অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! রহমত বর্ষণ করুন আপনার বান্দা ও রাসূল মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রতি এবং সকল মুমিন ও মুসলিম নর-নারীর প্রতি।

১১.

হেদায়াত চেয়ে দু'আ

۞ اللَّهُمَّ اجْعَلْنَا هَادِينَ مُهْتَدِينَ، غَيْرَ ضَالِّينَ وَلَا مُضِلِّينَ، سِلْمًا لِأَوْلِيَائِكَ، وَعَدُوًّا لِأَعْدَائِكَ، نُحِبُّ بِحُبِّكَ مَنْ أَحَبَّكَ، وَنُعَادِي بِعَدَاوَتِكَ مَنْ خَالَفَكَ
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা ইজআল্‌না হাদ্বীনা মুহ্‌তাদ্বীনা, গাইরা দ্বাল্লীনা ওয়ালা মুদিল্লীনা, সিল্‌মান লি-আউলিয়াইকা, ওয়া আদুয়্য্যাঁ লি-আ‘দাইকা, নুহিব্বু বিহুব্বিকা মান্ আহাব্বাকা, ওয়া নু‘আদী বিআ‘দাওাতিকা মান খালাফাকা।

অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! আপনি আমাদের পথপ্রাপ্ত ও পথপ্রদর্শক করুন। বিপথগামী ও বিভ্রান্তকারী নয়। আপনার বন্ধুদের মিত্র ও আপনার দুশমনদের শত্রু বানিয়ে দিন। আমরা আপনার মাখলুকের মাঝে তাকেই ভালোবাসি, যে আপনাকে ভালোবাসে। আর তার সাথেই শত্রুতা পোষণ করি, যে আপনার বিরোধিতা করে।

১২.

মুসলিম অবস্থায় মৃত্যু কামনা ও নেককারদের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার দু‘আ

رَبِّ تَوَفَّنِیۡ مُسۡلِمًا وَّاَلۡحِقۡنِیۡ بِالصّٰلِحِیۡنَ
উচ্চারণঃ

রব্বি তাওয়াফফানী মুছলিমাওঁ ওয়া আলহিকনী বিসসা-লিহীন।

অর্থঃ

ইয়া রব্ব! তুমি দুনিয়া থেকে আমাকে এমন অবস্থায় তুলে নিও, যখন আমি থাকি তোমার অনুগত। আর আমাকে পুণ্যবানদের অন্তর্ভুক্ত করো।

১৩.

অন্তরে প্রীতি ও সুসম্পর্ক প্রতিষ্ঠার দু‘আ

اَللّٰهُمَّ أَلِّفْ بَيْنَ قُلُوبِنَا، وَأَصْلِحْ ذَاتَ بَيْنِنَا
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা আল্লিফ বাইনা কুলুবিনা, ওয়া আসলিহ যা-তা বাইনিনা।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমাদের অন্তরসমূহের মধ্যে ভালোবাসা সৃষ্টি করে দিন, আর আমাদের পারস্পরিক সম্পর্ক সংশোধন করে দিন।

১৪.

সরল পথে চলার তাওফিক প্রার্থনা

۞ اَللّٰهُمَّ اهْدِنَا الصِّرَاطَ الْمُسْتَقِیْمَ
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মাহদিনাস সিরাতাল মুস্তাক্বীম।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমাদেরকে সরল পথ দেখান।

১৫.

কুরআন অন্তরের বসন্ত, আলোর উৎস ও দুঃখের উপশম

اَللّٰهُمَّ اجْعَلِ الْقُرْآنَ رَبِيْعَ قَلْبِيْ ، وَنُوْرَ صَدْرِيْ ، وَجَلَاءَ حُزْنِيْ ، وَذَهَابَ هَمِّيْ
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা জ‘আলিল কুরআ-না রবী‘আ ক্বালবী, ওয়া নূরা সাদ্‌রী, ওয়া জালা’আ হুযনী ওয়া যাহা-বা হাম্মী

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আপনি কুরআনকে বানিয়ে দিন আমার হৃদয়ের প্রশান্তি, আমার বক্ষের জ্যোতি, আমার দুঃখ অপসারণকারী এবং দুশ্চিন্তা দূরকারী।

১৬.

মুমিন নারী-পুরুষ, সকল মুমিনের জন্য মাগফিরাত ও ঐক্যের দু‘আ

اَللَّهُمَّ اغْفِرْ لِلْمُؤْمِنِينَ وَالْمُؤْمِنَاتِ، وَالْمُسْلِمِينَ وَالْمُسْلِمَاتِ، وَأَلِّفْ بَيْنَ قُلُوبِهِمْ، وَأَصْلِحْ ذَاتَ بَيْنِهِمْ، وَانْصُرْهُمْ عَلَى عَدُوِّكَ وَعَدُوِّهِمْ.
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মাগফির লিলমুমিনীনা ওয়াল মুমিনাত, ওয়াল মুসলিমীনা ওয়াল মুসলিমাত, ওয়া আল্লিফ বাইনা কুলূবিহিম, ওয়া আসলিহ যাতা বাইনিহিম, ওয়ানসুরহুম আলা আদুউয়্যিকা ওয়া আদুউয়্যিহিম।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আপনি সকল মুমিন পুরুষ ও মুমিন নারী, সকল মুসলিম পুরুষ ও মুসলিম নারীকে ক্ষমা করুন। তাঁদের অন্তরসমূহের মধ্যে ভালোবাসা ও সম্প্রীতি সৃষ্টি করুন, তাঁদের পারস্পরিক সম্পর্ক সংশোধন করে দিন এবং আপনার ও তাঁদের শত্রুদের বিরুদ্ধে তাঁদের সাহায্য করুন।

১৭.

আনসারী সাহাবীদের জন্য রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর মাগফিরাতের দু‘আ

اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِلأَنْصَارِ، وَلِأَبْنَاءِ الأَنْصَارِ، وَلِأَبْنَاءِ أَبْنَاءِ الأَنْصَارِ، وَلِنِسَاءِ الأَنْصَارِ
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মাগফির লিল-আনসার, ওয়া লি-আবনা' ইল আনসার, ওয়া লি-আবনাই আবনা' ইল আনসার, ওয়া লি-নিসাইল আনসার।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! তুমি মাফ করে দাও আনসারীদের, আনসারীদের সন্তানদের, আনসারীদের সন্তানের সন্তানদের এবং আনসারী মহিলাদের।

১৮.

তাকওয়া ও আত্মশুদ্ধি লাভের দু‘আ

۞ اَللّٰهُمَّ اٰتِ نَفْسِيْ تَقْوَاهَا، وَزَكِّهَا، أَنْتَ خَيْرُ مَنْ زَكَّاهَا، أَنْتَ وَلِيُّهَا وَمَوْلَاهَا
উচ্চারণঃ

আল্লা–হুম্মা আতি নাফসি তাকওয়া-হা, ওয়া-জাক্কিহা, আনতা খাইরু মান জাক্কাহা, আনতা ওলিইউহা ওয়া মাওলা-হা।

অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! আমার সত্তাকে তাকওয়া দান করুন এবং তাকে পরিশুদ্ধ করুন। আপনি-ই তো এর উত্তম পরিশুদ্ধকারী। আপনিই এর মালিক ও প্রভু।

১৯.

মুমূর্ষু ব্যক্তির জন্য দু‘আ/রুকাইয়া

১. সূরা ফাতেহা ৭বার بِسۡمِ اللهِ الرَّحۡمٰنِ الرَّحِيۡمِ اَلۡحَمۡدُ لِلّٰهِ رَبِّ الۡعٰلَمِيۡنَۙ‏ ﴿۱﴾ الرَّحۡمٰنِ الرَّحِيۡمِۙ‏ ﴿۲﴾ مٰلِكِ يَوۡمِ الدِّيۡنِؕ‏ ﴿۳﴾ اِيَّاكَ نَعۡبُدُ وَاِيَّاكَ نَسۡتَعِيۡنُؕ‏ ﴿۴﴾ اِهۡدِنَا الصِّرَاطَ الۡمُسۡتَقِيۡمَۙ‏ ﴿۵﴾ صِرَاطَ الَّذِيۡنَ اَنۡعَمۡتَ عَلَيۡهِمۡ ۙ‏ ﴿۶﴾ غَيۡرِ الۡمَغۡضُوۡبِ عَلَيۡهِمۡ وَلَا الضَّآلِّيۡنَ‏ ﴿۷﴾ ২. সূরা আলাম নাশরাহ ৭বার بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَـٰنِ الرَّحِيمِ اَلَمۡ نَشۡرَحۡ لَكَ صَدۡرَكَ ۙ ﴿۱﴾ وَوَضَعۡنَا عَنكَ وِزۡرَكَ ۙ ﴿۲﴾ الَّذِيۡۤ اَنۡقَضَ ظَهۡرَكَ ۙ ﴿۳﴾ وَرَفَعۡنَا لَكَ ذِكۡرَكَ ؕ ﴿۴﴾ فَاِنَّ مَعَ الۡعُسۡرِ يُسۡرًا ۙ ﴿۵﴾ اِنَّ مَعَ الۡعُسۡرِ يُسۡرًا ؕ ﴿۶﴾ فَاِذَا فَرَغۡتَ فَانۡصَبۡ ۙ ﴿۷﴾ وَاِلٰى رَبِّكَ فَارۡغَبۡ ﴿۸﴾ ৩. সূরা কুরাইশ ৩বার لِإِيلَافِ قُرَيْشٍ ۙ ﴿۱﴾ إِيلَافِهِمْ رِحْلَةَ الشِّتَاءِ وَالصَّيْفِ ۚ ﴿۲﴾ فَلْيَعْبُدُوا رَبَّ هَٰذَا الْبَيْتِ ۙ ﴿۳﴾ الَّذِي أَطْعَمَهُمْ مِنْ جُوعٍ وَآمَنَهُمْ مِنْ خَوْفٍ ﴿۴﴾ ৪. সূরা ফালাক ও সূরা নাস ৩বার ৩বার ফালাক: ۞ قُلۡ اَعُوۡذُ بِرَبِّ الۡفَلَقِۙ‏ ﴿۱﴾ مِنۡ شَرِّ مَا خَلَقَۙ‏ ﴿۲﴾ وَمِنۡ شَرِّ غَاسِقٍ اِذَا وَقَبَۙ‏ ﴿۳﴾ وَمِنۡ شَرِّ النَّفّٰثٰتِ فِى الۡعُقَدِۙ‏ ﴿۴﴾ وَمِنۡ شَرِّ حَاسِدٍ اِذَا حَسَدَ‏ ﴿۵﴾ নাস: قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ النَّاسِ مَلِكِ النَّاسِ إِلَٰهِ النَّاسِ مِن شَرِّ الْوَسْوَاسِ الْخَنَّاسِ الَّذِي يُوَسْوِسُ فِي صُدُورِ النَّاسِ مِنَ الْجِنَّةِ وَالنَّاسِ ৫. আয়াতে শেফা, প্রতি আয়াত ৩বার ۞ وَيَشْفِ صُدُوْرَ قَوْمٍ مُّؤْمِنِيْنَ ۞ وَشِفَآءٌ لِّمَا فِی الصُّدُوۡرِ وَهُدًى وَّرَحۡمَۃٌ لِّلۡمُؤۡمِنِیۡنَ ۞ یَخۡرُجُ مِنۡۢ بُطُوۡنِہَا شَرَابٌ مُّخۡتَلِفٌ اَلۡوَانُہٗ فِیۡہِ شِفَآءٌ لِّلنَّاسِ ۞ وَنُنَزِّلُ مِنَ الۡقُرۡاٰنِ مَا هُوَ شِفَآءٌ وَّرَحۡمَۃٌ لِّلۡمُؤۡمِنِیۡنَ ۞ وَإِذَا مَرِضْتُ فَهُوَ يَشْفِيْنِ ۞ قُلْ هُوَ لِلَّذِيْنَ آمَنُوْا هُدًى وَّشِفَاءٌ ৬. নয় সালাম, প্রতি আয়াত ৩বার سَلَامٌ قَوْلًا مِنْ رَبٍّ رَحِيمٍ ۝٥٨ سَلَامٌ عَلَىٰ نُوحٍ فِي الْعَالَمِينَ ۝٧٩ سَلَامٌ عَلَىٰ إِبْرَاهِيمَ ۝١٠٩ سَلَامٌ عَلَىٰ مُوسَىٰ وَهَارُونَ ۝١٢٠ سَلَامٌ عَلَىٰ إِلْ يَاسِينَ ۝١٣٠ سَلَامٌ عَلَيْكُمْ طِبْتُمْ فَادْخُلُوهَا خَالِدِينَ ۝٧٣ سَلَامٌ هِيَ حَتَّىٰ مَطْلَعِ الْفَجْرِ ۝٥ قُلْنَا يَا نَارُ كُونِي بَرْدًا وَسَلَامًا عَلَىٰ إِبْرَاهِيمَ ۝٦٩ وَسَلَامٌ عَلَى الْمُرْسَلِينَ ۝١٨١
উচ্চারণঃ

১. বিছমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। আল হামদুলিল্লা-হি রাব্বিল ‘আ-লামীন। আররাহমা-নির রাহীম। মা-লিকি ইয়াওমিদ্দীন। ইয়্যা-কা না‘বুদুওয়া ইয়্যা-কা নাছতা‘ঈন। ইহদিনাসসিরা-তাল মুছতাকীম। সিরা-তাল্লাযীনা আন‘আমতা ‘আলাইহিম । গাইরিল মাগদূ বি ‘আলাইহিম ওয়ালাদ্দাল্লীন। ২. আলাম নাশরাহলাকা সাদরাক। ওয়া ওয়াদা‘না-‘আনকা বিঝরাক। আল্লাযীআনকাদা জাহরাক। ওয়া রাফা‘না-লাকা যিকরাক। ফাইন্না মা‘আল ‘উছরি ইউছরা-। ইন্না মা‘আল ‘উছরি ইউছরা-। ফাইযা-ফারাগতা ফানসাব। ওয়া ইলা- রাব্বিকা ফারগাব। ৩. লিঈলা-ফি কুরাইশ। ঈলা-ফিহিম রিহলাতাশশিতাই ওয়াসসাঈফ। ফালইয়া‘বুদূ রাব্বা হা-যাল বাঈত। আল্লাযী আৎ‘আমাহুম মিন জূ‘ইওঁ ওয়া আ-মানাহুম মিন খাওফ। ৪. ফালাক: (১)কুল আ‘ঊযুবিরাব্বিল ফালাক (২) মিন শাররি মা-খালাক। (৩) ওয়া মিন শাররি গা-ছিকিন ইযা-ওয়াকাব। (৪) ওয়া মিন শাররিন নাফফা-ছা-তি ফিল ‘উকাদ। (৫) ওয়া মিন শাররি হা-ছিদিন ইযা-হাছাদ। নাস: কুল আ‘ঊযুবিরাব্বিন্না-ছ, মালিকিন্না-ছ, ইলা-হিন্না-ছ। মিন শাররিল ওয়াছ ওয়া-ছিল খান্না-ছ। আল্লাযী ইউওয়াছবিছুফী সুদূরিন্নাছ-। মিনাল জিন্নাতি ওয়ান্না-ছ। ৫. ১. ওয়া ইয়াশফি ছুদু-রা ক্বাওমিম মু’মিনি-ন। ২. ওয়া শিফাউ’ল লিমা- ফিচ্ছুদু-রি ওয়া হুদাও ওয়া রাহমাতুল লিল মু’মিনি-ন। ৩. ইয়াখরুঝু মিমবুতু-নিহা- শারা-বুম মুখতালিফুন, আলওয়ানুহু- ফি-হি শিফা-উ লিন্না-সি। ৪. ওয়া নুনাজ্জিলু মিনাল ক্বুরআ’নি মা হুয়া শিফাউও ওয়া রাহমাতুল লিলমু’মিনি-ন। ৫. ওয়া ইজা মারিদতু ফা হুয়া ইয়াশফি-নি। ৬. কুল হুওয়া লিল্লাযীনা আ-মানূ হুদাওঁ ওয়া শিফাউন। ৬. সালামুন কওলান মির রাব্বির রাহীম। (৫৮) সালামুন আলা নূহিন ফিল ‘আলামীন। (৭৯) সালামুন আলা ইবরাহীম। (১০৯) সালামুন আলা মূসা ওয়া হারূন। (১২০) সালামুন আলা ইল-ইয়াসীন। (১৩০) সালামুন আলাইকুম তিবতুম ফাদখুলূহা খালিদীন। (৭৩) সালামুন হিয়া হাত্তা মাতলা‘ইল ফাজর। (৫) কুলনা ইয়া নারু কূনী বারদান ওয়া সালামান আলা ইবরাহীম। (৬৯) সালামুন আলাল-মুরসালীন। (১৮১)

অর্থঃ

১. শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু। (১) সকল প্রশংসা জগতসমূহের প্রতিপালক আল্লাহরই, (২) যিনি দয়াময়, পরম দয়ালু, (৩) কর্মফল দিবসের মালিক। (৪) আমরা শুধু তোমারই ‘ইবাদত করি, শুধু তোমারই সাহায্য প্রার্থনা করি, (৫) আমাদেরকে সরল পথ প্রদর্শন কর, (৬) তাদের পথ, যাদেরকে তুমি অনুগ্রহ দান করেছ, (৭) তাদের পথ নয় যারা ক্রোধ-নিপতিত ও পথভ্রষ্ট। ২. (হে রাসূল!) আমি কি তোমার কল্যাণে তোমার বক্ষ খুলে দেইনি? এবং আমি তোমার থেকে অপসারণ করেছি সেই ভার যা তোমার পিঠ ভেঙ্গে দিচ্ছিল এবং আমি তোমার কল্যাণে তোমার চর্চাকে উচ্চ মর্যাদা দান করেছি। প্রকৃতপক্ষে কষ্টের সাথে স্বস্তিও থাকে। নিশ্চয়ই কষ্টের সাথে স্বস্তিও থাকে। সুতরাং তুমি যখন অবসর পাও, তখন (ইবাদতে) নিজেকে পরিশ্রান্ত কর। এবং নিজ প্রতিপালকের প্রতিই মনোযোগী হও। ৩.যেহেতু কুরাইশের লোকেরা অভ্যস্ত। অর্থাৎ তারা শীত ও গ্রীষ্মকালে (ইয়ামান ও শামে) সফর করতে অভ্যস্ত। তাই তারা যেন এই ঘরের মালিকের ইবাদত করে। যিনি তাদেরকে ক্ষুধার্ত অবস্থায় খাদ্য দিয়েছেন এবং ভয়-ভীতি হতে তাদেরকে নিরাপদ রেখেছেন। ৪. ফালাক: (১) বল, আমি ভোরের মালিকের আশ্রয় গ্রহণ করছি (২) তিনি যা-কিছু সৃষ্টি করেছেন তার অনিষ্ট হতে (৩) এবং অন্ধকার রাতের অনিষ্ট থেকে, যখন তা ছেয়ে যায় (৪) এবং সেই সব ব্যক্তির অনিষ্ট হতে, যারা (তাগা বা সুতার) গিরায় ফুঁ দেয় (৫) এবং হিংসুকের অনিষ্ট হতে, যখন সে হিংসা করে। নাস: (১) বল, আমি আশ্রয় গ্রহণ করছি সমস্ত মানুষের প্রতিপালকের (২) সমস্ত মানুষের অধিপতির (৩) সমস্ত মানুষের মাবূদের (৪) সেই কুমন্ত্রণাদাতার অনিষ্ট হতে, যে পেছনে আত্মগোপন করে (৫) যে মানুষের অন্তরে কুমন্ত্রণা দেয়, (৬) সে জিনদের মধ্য হতে হোক বা মানুষের মধ্য হতে। ৫. ১. এবং আল্লাহ মু’মিনদের (মুসলমানদের) অন্তরসমূহ শান্ত করে দেন। ২. এবং অন্তরের রোগের নিরাময়, হেদায়েত ও রহমত মুসলমানদের জন্য। ৩. তার পেট থেকে বিভিন্ন রঙে পানীয় নির্গত হয়। তাতে মানুষের জন্যে রয়েছে রোগের প্রতিকার। ৪. আমি কুরআনে এমন বিষয় নাযিল করি যা রোগের সুচিকিৎসা এবং মুমিনের জন্য রহমত। ৫. এবং যখন আমি রোগাক্রান্ত হই, তখন তিনিই আরোগ্য দান করেন ৬. বলুন, এটা বিশ্বাসীদের জন্য হেদায়েত ও রোগের প্রতিকার ৬. পরম দয়ালু প্রতিপালকের পক্ষ থেকে তাদেরকে বলা হবে—‘সালাম।’ (৫৮) সকল জগতের মধ্যে নূহের প্রতি সালাম। (৭৯) ইবরাহীমের প্রতি সালাম। (১০৯) মূসা ও হারূনের প্রতি সালাম। (১২০) ইলিয়াসের প্রতি সালাম। (১৩০) তোমাদের প্রতি সালাম। তোমরা পবিত্র ছিলে। সুতরাং তোমরা তাতে চিরস্থায়ীভাবে প্রবেশ করো। (৭৩) এটি ফজরের উদয় পর্যন্ত শান্তিময়। (৫) আমি বললাম, ‘হে আগুন! তুমি ইবরাহীমের জন্য শীতল ও শান্তিদায়ক হয়ে যাও।’ (৬৯) রাসূলগণের প্রতি শান্তি বর্ষিত হোক। (১৮১)

২০.

দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ চেয়ে দু‘আ

‏۞ اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْمُعَافَاةَ فِي الدُّنْيَا وَالْآخِرَةِ.
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা ইন্নী আসআলুকাল মু‘আফাতা ফিদ্দুনইয়া ওয়াল-আখিরাহ।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে দুনিয়া ও আখিরাতে নিরাপত্তা ও কল্যাণ প্রার্থনা করছি।