ইয়া আল্লাহ! কৃতজ্ঞতা প্রশংসা আপনারই প্রাপ্য। আর আপনারই দান খাঁটি দয়ার দান।১১৯ ইয়া আল্লাহ! আপনার কাছে তাওফীক চাই ঐসব আমলের, যা আপনার প্রিয় এবং তাওফীক চাই আপনার উপর সত্য ভরসা করার ও আপনার প্রতি সুধারণা পোষণ করার।
আল্লা-হুম্মাহদিনী ফীমান হাদাইতা ওয়া ‘আ-ফিনী ফীমান ‘আ-ফাইতা ওয়া তাওয়াল্লানী ফীমান তাওয়াল্লাইতা ওয়াবা-রিক লী ফীমা আ‘ত্বাইতা ওয়াক্বিনী শাররা মা ক্বাদাইতা ফাইন্নাকা তাক্ব্দ্বী ওয়ালা ইউক্ব্দ্বা ‘আলাইকা। ওয়া ইন্নাহু লা ইয়াযিল্লু মাও ওয়া-লাইতা, ওয়ালা ইয়া‘ইয্যু মান ‘আ-দাইতা। তাবা-রক্তা রব্বানা ওয়া তা‘আ-লাইতা)
“হে আল্লাহ! আপনি যাদেরকে সুখদায়ক সৎ পথ প্রকৃত ইসলামের অনুগামী করেছেন, আমাকেও তাদের অন্তর্ভুক্ত করুন। আপনি যাদেরকে সুখশান্তিপূর্ণ মঙ্গলময় জীবন প্রদান করেছেন, আমাকেও তাদের অন্তর্ভুক্ত করুন। আপনি যাদেরকে সর্ব প্রকার কল্যাণ প্রদানের সহিত সাহায্য করেছেন, আমাকেও তাদের অন্তর্ভুক্ত করুন। আপনি আমাকে যে সমস্ত মঙ্গলদায়ক জিনিস প্রদান করেছেন, সেগুলিকে আমার জন্য অধিকতর মঙ্গলদায়ক করুন। আপনি যে ফয়সালা করেছেন, তার অমঙ্গল হতে আমাকে রক্ষা করুন। কেননা সব জগতের সঠিক পরিচালনার জন্য যে ফয়সালা আপনি করেছেন, সেটাই সঠিক ফয়সালা। তাই আপনার ফয়সালার উপরে আর কোনো প্রকারের সঠিক ফয়সালা নেই। আপনি যাকে ভালো বাসবেন, সে কোনো দিন অপমানিত হতে পারে না। আর আপনি যার জন্য অমঙ্গল নির্ধারণ করবেন, সে কোনো দিন শক্তিশালী হতে পারবে না। হে আমাদের প্রতিপালক! আপনি মহাকল্যাণময় এবং মহামহিমান্বিত”।
আল্লাহুম্মা আদখিলহু আলাইনা বিল আমনি ওয়াল ঈমানি ওয়াস সালামাতি ওয়াল ইসলামি, ওয়ারিদ ওয়ানিম মিনার রাহমানি ওয়া জিওয়ারিম মিনাশ শাইত্বনি।
হে আল্লাহ! আপনি আমাদের মাঝে এ বছরের আগমন ঘটান- শান্তি ও নিরাপত্তা এবং ঈমান ও ইসলামের (উপর অবিচলতার) সাথে; শয়তান থেকে সুরক্ষা ও দয়াময় আল্লাহ্র সন্তুষ্টির সাথে।
বিসমিল্লাহিল্লাযি লা ইয়াদুররু মাআসমিহি শাইউন ফিল আরদি ওয়া লা ফিস-সামায়ি ওয়া হুয়াস সামিউল আলিম।
আল্লাহ্র নামে; যাঁর নামের সাথে আসমান ও যমীনে কোনো কিছুই ক্ষতি করতে পারে না। আর তিনি সর্বশ্রোতা, মহাজ্ঞানী। (৩বার)
ইয়া আল্লাহ! এই দিবসের প্রথম অংশ আমার জন্য ‘পুণ্যময়’ করুন। মাঝের অংশ ‘সফল’ ও শেষের অংশ ‘সার্থক’ করুন। হে সকল দয়ালুর বড় দয়ালু! আমি আপনার কাছে প্রার্থনা করছি দুনিয়া-আখিরাত (উভয়ের) কল্যাণ।৯৬
ইয়া আল্লাহ! হে মালিক সপ্ত আকাশের আর তার ছায়ায় থাকা সবকিছুর! হে মালিক ভূমিসমূহের আর তার উপরে থাকা সবকিছুর! হে প্রভু শয়তানকুলের আর যাদের এরা বিপথগামী করেছে তাদের! আপনি আমার রক্ষাকারী থাকুন আপনার সকল সৃষ্টির অকল্যাণ থেকে, তাদের কারো অন্যায় বা অবিচারের শিকার হওয়া থেকে। সুরক্ষিত সে যে আপনার আশ্রিত আর প্রভূত বরকতময় আপনার নাম।৯৮
ইয়া আল্লাহ! আমার অন্তরের কানসমূহ খুলে দিন আপনার যিকির (উপদেশ) শোনার জন্য আর আমাকে দান করুন আপনার ফরমাবরদারী, আপনার রাসূলের ফরমাবরদারী ও আপনার কিতাবের উপর আমলের তাওফীক।
আল্লা-হু আকবার, আল্লা-হু আ‘আয্যু মিন খালক্বিহী জামী‘আন। আল্লাহু আ‘আয্যু মিম্মা আখা-ফু ওয়া আহযারু। আউযু বিল্লা-হিল্লাযী লা ইলা-হা ইল্লা হুওয়াল মুমসিকুস্ সামা-ওয়া-তিস সাব‘ঈ, আন ইয়াকা‘না আলাল্ আরদ্বি ইল্লা বিইযনিহী, মিন শাররি ‘আবদিকা ফুলা-নিন, ওয়া জুনূদিহী ওয়া আতবা‘ইহী ওয়া আশইয়া‘ইহী মিনাল জিন্নি ওয়াল ইনসি। আল্লা-হুম্মা কুন লী জা-রান মিন শাররিহিম, জাল্লা সানা-উকা ওয়া ‘আয্যা জা-রুকা ওয়াতাবা-রকাসমুকা ওয়া লা ইলা-হা গাইরুকা
“আল্লাহ সবচেয়ে বড়, আল্লাহ তাঁর সমস্ত সৃষ্টি থেকে মহামর্যাদাবান। আমি যা থেকে ভীত ও শঙ্কিত তার চেয়ে আল্লাহ মহাপরাক্রমশালী। আমি আল্লাহ্র কাছে আশ্রয় চাই, যিনি ছাড়া আর কোনো হক্ব ইলাহ নেই, যিনি সাত আসমানের ধারণকারী, তার অনুমতি ব্যতীত পৃথিবীর উপর পতিত হওয়া থেকে— (আশ্রয় চাই) তাঁর অমুক বান্দা, তার সৈন্য-সামন্ত, তার অনুসারী ও তার অনুগামী জিন ও ইনসানের অনিষ্ট থেকে। হে আল্লাহ! তাদের ক্ষতি থেকে আপনি আমার জন্য আশ্রয়দানকারী হোন। আপনার গুণগান অতি মহান, আপনার আশ্রিত প্রবল শক্তিশালী, আপনার নাম অতি বরকতময়। আর আপনি ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই।”
ইয়া আল্লাহ! আমার গুনাহ মাফ করুন, আমার শয়তানকে বিতাড়িত করুন, আমার বন্ধন খুলে দিন, (অর্থাৎ যা কিছু আমাকে গুনাহের সাথে আবদ্ধ রেখেছে তা থেকে আমাকে মুক্ত করুন। আমার (আমলের) পাল্লা ভারী করে দিন এবং আমাকে উচ্চ মহলে (আল্লাহর মকবুল বান্দাদের) অন্তর্ভুক্ত করুন।৯৭
ইয়া আল্লাহ! আপনার কাছে সাফল্য চাই ভাগ্যের ফায়সালায়, আপ্যায়ন চাই শহীদগণের। (অর্থাৎ এমন উন্নত আপ্যায়ন, যা বেহেশতে শহীদগণকে করা হবে।) জীবন চাই সৌভাগ্যবানদের। সাহচর্য চাই নবীগণের। আর চাই বিজয় শত্রুকুলের উপর। নিশ্চয়ই আপনি প্রার্থনা শ্রবণকারী।১৩৪
দু'আর বিষয়সমূহ
38টি বিষয় পাওয়া গেছে