দু’আ

মোট দু’আ - ৬৩৬ টি

সকল দু'আ একত্রে দেখুন

১.

দু‘আ-৭৬

اَللّٰهُمَّ احْفَظْنِيْ بِالْإِسْلَامِ قَآئِمًا، وَاحْفَظْنِيْ بِالْإِسْلَامِ قَاعِدًا، وَاحْفَظْنِيْ بِالْإِسْلَامِ رَاقِدًا، وَلَا تُشْمِتْ بِيْ عَدُوًّا وَّلَا حَاسِدًا.اَللّٰهُمَّ إِنِّيْۤ أَسْأَ لُكَ مِنْ كُلِّ خَيْرٍ خَزَآئِنُهٗ بِيَدِكَ ، وَأَسْأَلُكَ مِنَ الْخَيْرِ الَّذِيْ هُـوَ بِيَدِكَ كُـلِّه.
অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! আমাকে ইসলামের সাথে রাখুন দাঁড়ানো অবস্থায়, ইসলামের সাথে রাখুন বসা অবস্থায়, ইসলামের সাথে রাখুন শায়িত অবস্থায়। আর আমার বিপদে আনন্দিত হওয়ার সুযোগ দিয়েন না কোনো দুশমনকে আর না কোনো হিংসুককে। ইয়া আল্লাহ! আমি আপনার কাছে ঐ সকল কল্যাণ চাই, যার খাযানা আপনার কুদরতী হাতে এবং আপনার কাছে ঐ কল্যাণও চাই, যা সম্পূর্ণই আপনার কুদরতী হাতে।

২.

দু‘আ-১৩৩

اَللّٰهُمَّ أَرْضِنِيْ بِقَضَآئِكَ، وَبَارِكْ لِيْ فِيْ مَا قُدِّرَ لِيْ، حَتّٰى لَاۤ أُحِبَّ تَعْجِيْلَ مَاۤ أَخَّرْتَ وَلَا تَأْخِيْرَ مَا عَجَّلْتَ.
অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! আমাকে আপনার ফয়সালায় রাজি-খুশি রাখুন আর যা কিছু আমার জন্য ধার্য হয়েছে, তাতে আমার জন্য বরকত দিন, যেন আপনি যা বিলম্বে রেখেছেন, তাতে আমি ত্বরা না করি আর যা আপনি অবিলম্বে রেখেছেন, তাতে বিলম্ব অন্বেষণ না করি।

৩.

দু‘আ-১৩৪

اَللّٰهُمَّ لَاعَيْشَ إِلَّاعَيْشُ الْاٰخِرَةِ.
অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! আখিরাতের জীবনই তো (প্রকৃত) জীবন।

৪.

দু‘আ-১৩৬

اَللّٰهُمَّ اجْعَلْنِيْ مِنَ الَّذِيْنَ إِذَاۤ أَحْسَنُوْا اسْتَبْشَرُوْا، وَإِذَا ۤ أَسَآءُوْا اسْتَغْفَرُوْا.
অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! আমাকে ঐ বান্দাদের মাঝে শামিল করুন, যারা ভালো কাজ করলে আনন্দিত হয় আর মন্দ কাজ করলে ইসতিগফার করে।

৫.

দু‘আ-৫

رَبَّنَاۤ اِنَّنَاۤ اٰمَنَّا فَاغْفِرْ لَنَا ذُنُوْبَنَا وَ قِنَا عَذَابَ النَّارِۚ۝۱۶
উচ্চারণঃ

রাব্বানা ইন্নানা আ-মান্না-ফাগফিরলানা-যুনূবানা-ওয়াকিনা‘আযা-বান্না-র

অর্থঃ

হে আমাদের পরওয়ারদেগার! আমরা ঈমান এনেছি, অতএব আমাদের গুনাহসমূহ মাফ করুন এবং জাহান্নামের আযাব থেকে আমাদের রক্ষা করুন।

৬.

মসজিদ থেকে বের হওয়ার দু‘আ

۞ بِسْمِ اللهِ. وَالصَّلَاةُ وَالسَّلَامُ عَلٰى رَسُوْلِ اللهِ. اَللّٰهُمَّ اِنِّيْ اَسْئَلُكَ مِنْ فَضْلِكَ
উচ্চারণঃ

বিসমিল্লাহি ওয়াস্‌সালা-তু ওয়াস্‌সালা-মু ‘আলা- রাসূ-লিল্লাহি আল্লহুমা ইন্নি আস আলুকা মিন ফাদ্বলিক।

অর্থঃ

আল্লাহ তা‘আলার নামে শুরু করছি। আল্লাহ তা‘আলার রাসূল (ﷺ) এর প্রতি দরূদ, রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক। হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট হালাল রুজির প্রার্থনা করছি।

৭.

ইস্তিখারার সংক্ষিপ্ত দু‘আ

ইস্তিখারার উল্লেখিত পদ্ধতি কিছুটা দীর্ঘ। অনেক সময় মানুষ সিদ্ধান্ত পৌঁছার জন্য এত দীর্ঘ সময় নাও পেতে পারে। তাই রাসূলুল্লাহ (ﷺ) একটি সংক্ষিপ্ত দু‘আ আমাদেরকে শিক্ষা দিয়েছেন। দু‘আটি এই- ۞ اَللّٰهُمَّ خِرْ لِيْ وَاخْتَرْلِيْ অর্থ: হে আল্লাহ! আপনিই ঠিক করে দিন যে, আমাকে কোনটি অবলম্বন করতে হবে।’(সুনানে তিরমিযী, হাদীস নং: ৩৫১৬; মুসনাদুল বাযযার, হাদীস নং: ৫৯; মুসনাদে আবু ইয়া'লা, হাদীস নং: ৪৪) এছাড়া আরেকটি দু‘আ হাদীস শরীফে রয়েছে- ۞ اَللّٰهُمَّ اهْدِنِيْ، وَسَدِّدْنِيْ অর্থ: হে আল্লাহ! তুমি আমাকে সহজ-সরল ও সোজা পথ দেখাও (সহীহ মুসলিম, হাদীস নং: ২৭২৫) অনুরূপভাবে এ দু‘আটিও হাদীস শরীফে এসেছে- ۞ اَللّٰهُمَّ أَلْهِمْنِيْ رُشْدِيْ অর্থ: হে আল্লাহ! যে পথটি সঠিক তা আমার অন্তরে ঢেলে দিন। (সুনানে তিরমিযী, হাদীস নং: ৩৪৮৩) যদি আরবীতে সম্ভব না হয় তাহলে কমপক্ষে নিজের ভাষায় এ দু‘আগুলো করা যেতে পারে। অনুরূপভাবে যদি মুখে উচ্চারণ সম্ভব না হয় তাহলে কমপক্ষে মনে মনে হলেও এ দু‘আগুলো করা।

৮.

খাওয়ার শেষে পড়ার দু‘আ-২

۞ اَلْحَمْدُ لِلّٰهِ الَّذِيْ اَطْعَمَنِيْ هٰذَا الطَّعَامَ وَرَزَقَنِيْهِ مِنْ غَيْرِ حَوْلٍ مِّنِّيْ وَلَا قُوَّةٍ
উচ্চারণঃ

আলহামদু লিল্লা হিল্লাযী আত্ব ‘আমানী হাযাত ত্ব‘আামা ওয়া রযাক্বনীহি মিন গইরি হাওলিম মিন্নী ওয়ালা কুউওয়াহ।

অর্থঃ

সকল প্রশংসা একমাত্র আল্লাহ পাকের জন্য, যিনি আমাকে এই খানা খাওয়ালেন এবং আমার শক্তি ও সামর্থ ব্যতীতই এটা আমাকে দান করলেন।

৯.

দাওয়াত খেলে এই দু‘আ পড়বে-১

۞ اَللّٰهُمَّ بَارِكْ لَهُمْ فِيْمَا رَزَقْتَهُمْ، وَاغْفِرْ لَهُمْ وَارْحَمْهُمْ
উচ্চারণঃ

আল্লা-হুম্মা বা-রিক লাহুম ফীমা রাযাক্তাহুম ওয়াগফির লাহুম ওয়ারহামহুম

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আপনি তাদেরকে যে রিযিক দান করেছেন তাতে তাদের জন্য বরকত দিন এবং তাদের গুনাহ মাফ করুন, আর তাদের প্রতি দয়া করুন।

১০.

১১৯. ঘরে প্রবেশ করার সময়ের দু‘আ-২

۞ اَلسَّلَامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللهِ
উচ্চারণঃ

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহ্মাতুল্লাহ।

অর্থঃ

আল্লাহর পক্ষ হতে তোমাদের উপর শান্তি ও অনুগ্রহ বর্ষিত হউক।

১১.

দু‘আ-৭৭

اَللّٰهُمَّ لَا تَدَعْ لَـنَا ذَنْۢبًا إِلَّا غَفَرْتَهٗ، وَلَا هَمًّا إِلَّا فَرَّجْتَهٗ وَلَا دَيْنًا إِلَّا قَضَيْتَهٗ، وَلَا حَاجَةً مِّنْ حَوَآ ئِجِ الدُّنْيَا وَالْاٰخِرَةِ إِلَّا قَضَيْتَهَا يَاۤ أَرْحَمَ الرَّاحِمِيْنَ.
অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! আমাদের সকল গুনাহ ক্ষমা করুন, সকল দুশ্চিন্তা দূর করুন, সকল ঋণ পরিশোধ করুন আর দুনিয়া-আখিরাতের সকল প্রয়োজন পূরণ করুন। হে সব দয়ালুর বড় দয়ালু!

১২.

দু‘আ-৮০

اَللّٰهُمَّ إِنِّۤيْ أَسْأَلُكَ عِيْشَةً نَّقِيَّةً وَّمِيْتَةً سَوِيَّةً، وَمَرَدًّا غَيْرَ مَخْزِيٍّ وَّلَا فَاضِحٍ.
অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! আমি আপনার কাছে প্রার্থনা করি, নির্মল জীবন, নিখুঁত মরণ এবং লজ্জা ও লাঞ্ছনামুক্ত প্রত্যাবর্তন।

১৩.

দু‘আ-৯৫

اَللّٰهُمَّ اجْعَلْ أَوَّلَ هٰذَا النَّهَارِ صَلَاحًا، وَأَوْسَطَهٗ فَلَاحًا، وَاٰخِرَهٗ نَجَاحًا. أَسْأَلُكَ خَيْرَ الدُّنْيَا وَالْاٰخِرَةِ يَاۤ أَرْحَمَ الرَّاحِمِيْنَ.
অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! এই দিবসের প্রথম অংশ আমার জন্য ‘পুণ্যময়’ করুন। মাঝের অংশ ‘সফল’ ও শেষের অংশ ‘সার্থক’ করুন। হে সকল দয়ালুর বড় দয়ালু! আমি আপনার কাছে প্রার্থনা করছি দুনিয়া-আখিরাত (উভয়ের) কল্যাণ।

১৪.

দু‘আ-৯৮

اَللّٰهُمَّ رَبَّ السَّمٰوٰتِ السَّبْعِ وَمَاۤ أَظَلَّتْ! وَرَبَّ الْأَرَضِيْنَ وَمَاۤ أَقَلَّتْ! وَرَبَّ الشَّيَاطِيْنِ وَمَاۤ أَضَلَّتْ! كُنْ لِيْ جَارًا مِّنْ شَرِّ خَلْقِكَ أَجْمَعِيْنَ أَنْ يَّفْرُطَ عَلَيَّ أَحَدٌ مِّنْهُمْ أَوْ أَنْ يَّطْغٰى عَزَّ جَارُكَ وَتَـبَارَكَ اسْمُكَ .
অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! হে মালিক সপ্ত আকাশের আর তার ছায়ায় থাকা সবকিছুর! হে মালিক ভূমিসমূহের আর তার উপরে থাকা সবকিছুর! হে প্রভু শয়তানকুলের আর যাদের এরা বিপথগামী করেছে তাদের! আপনি আমার রক্ষাকারী থাকুন আপনার সকল সৃষ্টির অকল্যাণ থেকে, তাদের কারো অন্যায় বা অবিচারের শিকার হওয়া থেকে। সুরক্ষিত সে যে আপনার আশ্রিত আর প্রভূত বরকতময় আপনার নাম।

১৫.

শত্রু বা যালিমের সম্মুখীন হলে পড়বে-১

۞ اَللّٰهُمَّ أَنْتَ عَضُدِيْ ، وَأَنْتَ نَصِيْرِيْ ، بِكَ أَحُوْلُ وَبِكَ أَصُوْلُ، وَبِكَ أُقاتِلُ
উচ্চারণঃ

আল্লহুম্মা আনতা ‘আদ্বুদী, ওয়া আনতা নাসীরী, বিকা আহূলু, ওয়া বিকা আসূলু, ওয়া বিকা উক্বা-তিলু

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আপনি আমার শক্তি এবং আপনি আমার সাহায্যকারী; আপনারই সাহায্যে আমি বিচরণ করি, আপনারই সাহায্যে আমি আক্রমণ করি এবং আপনারই সাহায্যে আমি যুদ্ধ করি।

১৬.

দারিদ্র্যতা ও অপরের কাছে হাতপাতা থেকে আশ্রয়

۞ اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْبُؤْسِ وَالتَّبَاؤُسِ
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা ইন্নি আউযুবিকা মিনাল বু’সি ওয়াত তাবা- উস

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমি দারিদ্র্য ও অপরের কাছে হাত-পাতা থেকে তোমার কাছে আশ্রয় চাই।

১৭.

দু‘আ-৯৬

اَللّٰهُمَّ اغْفِرْلِيْ ذَنْۢبِيْ وَاخْسَأْ شَيْطَانِيْ وَفُكَّ رِهَانِيْ، وَثَقِّلْ مِيْزَانِيْ، وَاجْعَلْنِيْ فِيْ النَّدِيِّ الْأَعْلٰى.
অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! আমার গুনাহ মাফ করুন, আমার শয়তানকে বিতাড়িত করুন, আমার বন্ধন খুলে দিন, (অর্থাৎ যা কিছু আমাকে গুনাহের সাথে আবদ্ধ রেখেছে তা থেকে আমাকে মুক্ত করুন। আমার (আমলের) পাল্লা ভারী করে দিন এবং আমাকে উচ্চ মহলে (আল্লাহর মকবুল বান্দাদের) অন্তর্ভুক্ত করুন।

১৮.

দু‘আ-১৩৯

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْۤ أَسْأَلُكَ الْفَوْزَ فِيْ الْقَضَآءِ، وَنُزُلَ الشُّهَدَآءِ، وَعَيْشَ السُّعَدَآءِ، وَمُرَافَقَةَ الْأَنْبِيَآءِ، وَالنَّصْرَ عَلَى الْأَعْدَآءِ، إِنَّكَ سَمِيْعُ الدُّعَآءِ.
অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! আপনার কাছে সাফল্য চাই ভাগ্যের ফায়সালায়, আপ্যায়ন চাই শহীদগণের। (অর্থাৎ এমন উন্নত আপ্যায়ন, যা বেহেশতে শহীদগণকে করা হবে।) জীবন চাই সৌভাগ্যবানদের। সাহচর্য চাই নবীগণের। আর চাই বিজয় শত্রুকুলের উপর। নিশ্চয়ই আপনি প্রার্থনা শ্রবণকারী।

১৯.

দু‘আ-১৯০

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْۤ أَعُوْذُ بِكَ مِنْ خَلِيْلٍ مَّاكِرٍ عَيْنَاهُ تَرَيَانِيْ وَقَلْبُهٗ يَرْعَانِيْ، إِنْ رَاٰى حَسَنَةً دَفَنَهَا وَاِنْ رَاٰى سَيِّئَةً أَذَاعَهَا. اَللّٰهُمَّ إِنِّيْۤ أَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْبُؤْسِ وَالتَّبَآؤُسِ. اَللّٰهُمَّ إِنِّيْۤ أَعُوْذُ بِكَ مِنْ إِبْلِيْسَ وَجُنُوْدِه. اَللّٰهُمَّ إِنِّۤيْ أَعُوْذُ بِكَ مِنْ فِتْنَةِ النِّسَآءِ. اَللّٰهُمَّ إِنِّۤيْ أَعُوْذُ بِكَ مِنْ أَنْ تَصُدَّ عَنِّيْ وَجْهَكَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ. اَللّٰهُمَّ إِنِّيْۤ أَعُوْذُ بِكَ مِنْ كُلِّ عَمَلٍ يُّخْزِيْنِيْ، وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ كُلِّ صَاحِبٍ يُّؤْذِيْنِىْ، وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ كُلِّ أَمَلٍ يُّلْهِيْنِىْ، وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ كُلِّ فَقْرٍ يُّنْسِيْنِىْ، وَ أَعُوْذُ بِكَ مِنْ كُلِّ غِنًى يُّطْغِيْنِىْ. اَللّٰهُمَّ إِنِّۤيْ أَعُوْذُ بِكَ مِنْ مَوْتِ الْهَمِّ، وَاَعُوْذُ بِكَ مِنْ مَوْتِ الْغَمِّ.
অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! আমি আপনার আশ্রয় নিচ্ছি কুচক্রী বন্ধু থেকে, যার চোখ আমাকে দেখে আর অন্তর বিমুখ থাকে। গুণ দেখলে তা সমাহিত করে আর দোষ দেখলে প্রচার করে। আমি আপনার আশ্রয় নিচ্ছি ইবলীস ও তার বাহিনী থেকে । ইয়া আল্লাহ! আমি আপনার আশ্রয় নিচ্ছি চরম দারিদ্র্য ও অতি মুখাপেক্ষিতা থেকে। ইয়া আল্লাহ! আমি আশ্রয় নিচ্ছি নারীদের ফিতনা থেকে। ইয়া আল্লাহ! আমি আপনার আশ্রয় নিচ্ছি কিয়ামতের দিন আমার দিক থেকে আপনার মুখ ফিরিয়ে নেয়া হতে। ইয়া আল্লাহ! আমি আপনার আশ্রয় নিচ্ছি লাঞ্ছনাকারী কর্ম থেকে। আপনার কাছে আশ্রয় নিচ্ছি কষ্ট দানকারী সঙ্গী থেকে। আপনার কাছে আশ্রয় নিচ্ছি গাফিলকারী দীর্ঘ আশা হতে, আপনার আশ্রয় নিচ্ছি বিহ্বলকারী দারিদ্র্য থেকে। আপনার আশ্রয় নিচ্ছি উদ্ধতকারী ধনাঢ্যতা থেকে। ইয়া আল্লাহ! আমি আপনার আশ্রয় নিচ্ছি দুশ্চিন্তার মৃত্যু থেকে। আপনার আশ্রয় নিচ্ছি মনস্তাপের মরণ থেকে।

২০.

মৃত্যু কামনার বদলে এই দু‘আ পড়বে

اللَّهُمَّ أَحْيِنِي مَا كَانَتِ الحَيَاةُ خَيْرًا لِي، وَتَوَفَّنِي إِذَا كَانَتِ الوَفَاةُ خَيْرًا لِي
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা আহইয়িনী মা কানাতিল হায়াতু খাইরান লী, ওয়া তাওয়াফ্ফানী ইযা কানাতিল ওয়াফাতু খাইরান লী।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমাকে জীবিত রাখ, যতদিন পর্যন্ত আমার জন্য জীবিত থাকা কল্যাণকর হয় এবং আমাকে মৃত্যু দাও, যখন আমার জন্য মৃত্যু কল্যাণকর হয়।